Logo
আজঃ শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

হেলেনা জাহাঙ্গীর ১৩ দিন পর কারামুক্ত হলেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৩১০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দুই বছর দণ্ডিত প্রতারণা মামলায় আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী ও জয়যাত্রা টেলিভিশনের চেয়ারম্যান হেলেনা জাহাঙ্গীর জামিন পেয়ে কারামুক্ত হয়েছেন।

কাশিমপুর মহিলা কারাগারের ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র সুপার মো. শাহজাহান মিয়া জানান, বুধবার রাতে আদালত থেকে হেলেনা জাহাঙ্গীরের মুক্তির কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছে। বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। ফলে গ্রেপ্তারের ১৩ দিন পরে কারামুক্ত হলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর।

এর আগে বুধবার বিকালে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান শুনানি শেষে হেলেনা জাহাঙ্গীরের জামিন মঞ্জুর করেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত কৌঁসুলি তাপস কুমার পাল।

প্রতারণা মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড পাওয়া হেলেনা ২ নভেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে তাকে রাইটার হিসেবে কাজ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৯ জুলাই রাতে ঢাকার গুলশানে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে চারটি মামলা করা হয়। সেসব মামলায় তাকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করে পুলিশ। ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে জামিনে মুক্তি পান হেলেনা।


আরও খবর

জামিন পেলেন মিল্টন সমাদ্দার

সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪




নবীনগর বাইশমৌজা বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় রিং জাল জব্দ ৩৫০০০ হাজার টাক্ জরিমান

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ১৭৬জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ  নবীনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি:- ব্রাহ্মণবাড়িয়া  নবীনগর উপজেলার মেঘনা নদীতে এবং বাইশমৌজা বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় নদীতে অবৈধ রিং জাল ব্যবহার করে মাছ ধরতে থাকা ২ জন জেলেকে আটক করা  হয় এবং নদী থেকে প্রায় ১৮০ টি রিং জাল জব্দ করা হয়।


অন্যদিকে দুপুর ১:৩০ ঘটিকায় বাইশমৌজা বাজারে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৩০০ রিং জাল জব্দ করা হয় এবং এই জাল ব্যবসার সাথে জড়িত ৫ জনকে আটক করা হয়।  জব্দকৃত সকল জাল জনসাধারণের সম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। এছাড়াও আটককৃত ২ জন জেলে ও ৫ জন ব্যবসায়ী, প্রত্যেককে মৎস্য সংরক্ষণ আইন,১৯৫০ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ৫০০০/- টাকা করে সর্বমোট ৩৫০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়। 

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন নবীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মুছা মিয়া। 


মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্হিত ছিলেন নবীনগর উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব মোঃ আবুল কাসেম এবং নৌ পুলিশের একটি চৌকস দল সহযোগিতা করেন। এসময় অবৈধ রিং জালের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে উপস্থিত সকলকে অবহিত করা হয়। জনস্বার্থে এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



টেকেরঘাট ও চাঁনপুর সীমান্ত চোরাচালান ও চাঁদাবাজদের স্বর্গরাজ্য: প্রশাসন নিরব

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:চোরাচালান ও চাঁদাবাজদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে সুনামগঞ্জের চাঁনপুর ও টেকেরঘাট সীমান্ত। এই দুই সীমান্তে শুল্কস্টেশন থাকার পরও প্রতিদিন রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে অবাধে কয়লা, চুনাপাথর, বিড়ি, মদ, গরু ও ঘোড়াসহ চিনি, পেয়াজ পাচাঁর করে বিভিন্ন হাট বাজারে ওপেন বিক্রি করা হচ্ছে। সেই সাথে পাচাঁরকৃত অবৈধ মালামাল থেকে বিজিবি, পুলিশ ও সাংবাদিকদের নাম ভাংগিয়ে উত্তোলন করা হচ্ছে লাখলাখ টাকা চাঁদা। এই দুই সীমান্তে চোরাচালান করতে গিয়ে গত ৬ মাসে ১০জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তাই প্রশাসনের উপরস্থ কর্মকর্তাদের সহযোগীতা জরুরী প্রয়োজন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে- গতকাল শুক্রবার (১২ জুলাই) রাত ৮টা থেকে আজ শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল ১১টা পর্যন্ত জেলার তাহিরপুর উপজেলার চাঁনপুর সীমান্তের গারোঘাট, নয়াছড়া, রজনী লাইন ও টেকেরঘাট সীমান্তের বড়ছড়া, বুরুঙ্গাছড়া, লাকমা ও নীলাদ্রী লেক এলাকা দিয়ে পৃথক ভাবে প্রায় কোটি টাকার কয়লা ও চুনাপাথরসহ মরা সিংগেল, বালি পাচাঁর করেছে বিখ্যাত চোরাকারবারী আক্কল আলী, রুবেল মিয়া, আমির আলী, মহিবুর, সাইদুল, কামাল মিয়া, হারুন মিয়া, নাসির মিয়া, নজরুল মিয়া, সাইকুল মিয়া, নজির মিয়া, রুসমত আলী, জামাল মিয়া ও কালাম মিয়াগং। অন্যদিকে রাজাই, কড়ইগড়া ও বারেকটিলা এলাকা দিয়ে চোরাকারবারী শহিদ মিয়া, জম্মত আলী, শাহিবুর মিয়া, রফিকুল, বুটকুন মিয়াগং ভারত থেকে গরু, চিনি, পেয়াজ ও ফোসকা, নাসির উদ্দিন বিড়ি, মদ, গাঁজা, ইয়াবা পাচাঁর করে বাদাঘাট বাজার সংলগ্ন কামড়াবন্দ গ্রামে অবস্থিত গডফাদার তোতলা আজাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। এখবর পেয়ে রাত ৯টায় স্থানীয় জনতা গডফাদার তোতলা আজাদের বাড়িতে গিয়ে হানা দেয়। কিন্তু চালাক গডফাদার তোতলা আজাদ জনতার উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ির পিছনের দেয়াল টপ পালিয়ে যায়। কিন্তু এব্যাপারে বিজিবি ও পুলিশের পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। অথচ তাহিরপুর থানায় ওসি আব্দুল লতিফ তরফদার, টেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্পে নায়েক সুবেদার সাইদুর রহমান সাইদ ও চাঁনপুর বিজিবি ক্যাম্পে নায়েক সুবেদার মোহাম্মদ আলী দায়িত্বে থাকাকালীন সময় বন্ধ ছিল চোরাচালান ও চাঁদাবাজি। অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়েছিল অবৈধ মালামাল ও যানবাহনসহ তোতলা আজাদের ছেলে শিহাব সারোয়ার শিপুকে। কিন্তু ওই ৩ কর্মকর্তা অন্যত্র বদলি হয়ে যাওয়ার পর গত ৫বছর যাবত দুই সীমান্তে চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বাণিজ্য জমজমাট হয়ে উঠে,হয়না কোন অভিযান। জানা গেছে- রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে পাচাঁরকৃত অবৈধ কয়লা ও চুনাপাথর টেকেরঘাট সীমান্তের নিলাদ্রী লেকপাড়ে অবস্থিত মুজিবুরের ডিপু, অসিউর রহমানের ডিপু ও আবুল হোসেনের ডিপুসহ বড়ছড়া পূর্ব পাড়া মসজিদের উত্তর পাশে অবস্থিত মাফিকুলের ডিপু, শাহ পরানের ডিপু, সোহেল খন্দকারের ডিপু, রফিকুলের ডিপু, নবারের ডিপু, আক্কল আলীর ডিপু, রাজুর বডিং এর পাশে, ভাংগারী সোহেলের ডিপু, রমজানের দোকানের পাশেসহ দুই বিজিবি ক্যাম্পের আশেপাশে মজুত রেখে ওপেন বিক্রি করা হচ্ছে। এবং পাচাঁরকৃত প্রতিটন অবৈধ কয়লা থেকে বিজিবি, পুলিশ ও সাংবাদিকদের নাম ভাংগিয়ে ৩হাজার ৫শ টাকা, প্রতিটন চুনাপাথর থেকে ১হাজার ৫শত টাকা, মরা সিংগেল পাথর থেকে ৮শ টাকা, বালি থেকে ৭শ টাকা, প্রতিবস্তা চিনি থেকে ৩শ টাকা, প্রতিবস্তা পেয়াজ থেকে ২শ টাকা, ১টি গরু থেকে ৮হাজার টাকাসহ মাদকদ্রব্য ও বিড়ি থেকে মাসিক হারে চাঁদা উত্তোলন করে সোর্স আক্কল আলী, রতন মহলদার, কামরুল মিয়া, কামাল মিয়া, জামাল মিয়া, রুসমত আলী, নাসির মিয়া ও গডফাদার তোতলা আজাদ। তারা চোরাচালান ও চাঁদাবাজি করে এখন কোটিপতি। তারপরও প্রশাসন নিরব।  

এব্যাপারে উত্তর বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্মার ও আওয়ামীলীগ নেতা কফিল উদ্দিন বলেন- চাঁনপুর সীমান্ত দিয়ে গরু, চিনি ও পেয়াজসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য ওপেন পাচাঁর করা হয়। কিন্তু বিজিবি ও পুলিশ এব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়না। সুনামগঞ্জ জেলার সিনিয়র সাংবাদিক মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া বলেন- রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ ভাবে কয়লা, পাথর ও গরুসহ বিভিন্ন মালামাল পাচাঁরের বিষয়ে টেকেরঘাট ও চাঁনপুর ক্যাম্প কমান্ডারদের বারবার জানানোর পরও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়না। 

চাঁনপুর বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার আব্বাস আলী (০১৭৬৯-৬১৩১২৯) বলেন- সীমান্ত চোরাচালানের বিষয়ে আমার কিছু করার নাই। টেকেরঘাট কোম্পানীর কমান্ডার দীলিপ কুমার ( ০১৭৬৯-৬১৩১২৮) বলেন- চোরাচালানের খবর পেলে টহলে থাকা সদস্যদের জানাই, তারা পদক্ষেপ নেয়।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ১৩২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা বলেন, আপনারা (ভারতীয় ব্যবসায়ীরা) বাংলাদেশে এসে বিনিয়োগ করেন।প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলেন, ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য আমরা আপনাদের স্বাগত জানাই।’

সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী সব সময় বলতেন ‘প্রতিবেশী সবার আগে’ এবং তিনি বাংলাদেশের সব প্রতিবেশী দেশকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য অগ্রাধিকার দেন।বাংলাদেশ ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের জানান, তারা এটা ব্যবহার করতে পারেন এবং সেখানে বিনিয়োগ করতে পারেন।

বৈঠকে অংশ নেওয়া সিইওরাও বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চান এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা করতে চান।সালমান বলেন, বাংলাদেশে যারা ব্যবসা করছেন তারা তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহী।সিআইআই পক্ষের সিইওরা প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, তারা এফবিসিসিআই-এর সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে কাজ করতে চান।

এক্ষেত্রে তারা বিশেষ করে কৃষি, আইটি ও লজিস্টিক সেক্টরে যৌথভাবে কাজ করার উপায় খুঁজে বের করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।তারা ভারতের বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে আইটি খাতে তাদের সাফল্য তুলে ধরেন এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে বাংলাদেশে সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করতে চান।বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা নিজ দেশে বিরাজমান সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ,

এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম, নিটল নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল মাতলুব আহমদ, প্রাণ আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরীসহ কয়েকজন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী।


আরও খবর



শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান পুলিশের

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক:দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান কোটা বিরোধী আন্দোলনে সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর মতো সহিংস কর্মকাণ্ড পরিহার করে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।

বুধবার (১৭ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ আহ্বান জানানো হয়।

পুলিশ সদরদপ্তর জানায়, পুলিশ যথেষ্ট ধৈর্য ও সহনশীলতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে। কোথাও কোথাও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি এবং শিক্ষার্থী ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে পুলিশ উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে। যেকোনো দাবি আদায়ের নামে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা, সম্পদ বিনষ্ট করা কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না।

পুলিশ সদরদপ্তর বার্তায় আরও জানানো হয়, চলমান কোটা বিরোধী আন্দোলনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির হীন উদ্দেশ্যে এবং উসকানি প্রদানের লক্ষ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে। ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এসব গুজবে কান না দেওয়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও জন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশ পুলিশ বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছে পুলিশ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



সৈয়দপুরে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা,দুর্ভোগ

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:সৈয়দপুর শহরে বর্ষা মানেই জলাবদ্ধতা। আষাঢ় মাসের গোড়ার দিকে এক দফা জলাবদ্ধতার শিকার হয়েছেন শহরবাসী। গত ১৫ জুন ২ ঘণ্টার বৃষ্টিপাতে শহরের মুন্সীপাড়া, নতুনবাবুপাড়া, পুরাতন বাবুপাড়া, বাঁশবাড়ী, মিস্ত্রিপাড়া, বাংগালিপুর নীজপাড়াসহ নিচু এলাকার মানুষ জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছেন। এসব এলাকার প্রায় ৮০ ভাগ মানুষের ঘরবাড়ি ছিল ৩ ফুট পানির নিচে। প্রতিবছরই সামন্য বৃষ্টিপাতেই শহরজুড়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।

শহরবাসীর অভিযোগ, সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র পৌরবাসীর সমস্যা সমাধানের জন্য কোন উদ্যোগই নেন না। কাউন্সিল ও পৌর মেয়রের পক্ষ থেকে বান ভাসিরা কোনো সহযোগিতাও পান না বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের

সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে আছেন ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের শহীদ নূর মোহাম্মদ স্ট্রিটের উভয় পাশের মানুষ, মুন্সীপাড়া, বাঁশবাড়ির সাদরা লেন এলাকাসহ ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শত শত পরিবার। এছাড়া শহরের শহীদ ডাক্তার জিকরুল হক সড়কে জলাবদ্ধতার কারনে ব্যবসায়িরা বিপাকে পড়ে যান। মাত্র ১ ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় পুরো এলাকা। বৃষ্টির পানি নালা-নর্দমা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার আউটলেট সুবিধা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে ড্রেনের পানি উপচে ঢুকে যায় ব্যবসায়ির ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ও শহর ও গ্রামে বসবাস কারী মানুষের ঘরে ঘরে।

শহরের বাংগালীপুর নিজ পাড়ার (৮ নম্বর ওয়ার্ডের) কৃষি অধিদপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা আলতাব হোসেন ও পান দোকানদার মনসুর আলী বলেন, পুরো বর্ষাকাল এখানকার হাজারো পরিবারকে জলাবদ্ধতার কারণে পানিবন্দি হয়ে থাকতে হয়। জলাবদ্ধতা যেন আমাদের বিধিলিপিতে পরিণত হয়েছে। বর্তমান মেয়র ও কাউন্সিলের কাছে আমরা একটি মাস্টার ড্রেনের জন্য বহুবার ধরনা দিয়েছি।প্রতিবারই তিনি সমস্যা সমাধানে শুধু আশ্বাসই দিয়েছেন কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নেননি। যার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই ড্রেনের পানি উপচে তলিয়ে যাচ্ছে রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি।

একই অবস্থা বিরাজ করছে ১ নম্বর রেলগেট থেকে হাতিখানা কবরস্থান যাওয়ার রাস্তাটি। ওই এলাকার ফল ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা ওই রাস্তাটি একাধিকবার উঁচু করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ফল ব্যবসায়ী বাদশা বলেন, আমাদের সমস্যার কথা পৌর কর্তৃপক্ষকে বলে-বলে বিরক্ত হয়ে গেছি। তাই নিজেরাই সমস্যা সমাধানের জন্য মাটি দিয়ে উচু করার চেষ্টা করেছি। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় মেয়র  ফল মার্কের সড়ক সহ সৈয়দপুর শহরকে মডেল শহরে রুপান্তরিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু মেয়র নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রায় ৪ বছর ক্ষমতায় আছেন, এই ৪ বছরে তিনি শুধু নিজের কথা ভেবেছেন, শহর উন্নয়নে তার কোন মাথা ব্যথাই লক্ষ্য করা যায় নি। অথচ প্রতিবছরই শহর উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকারও বেশি বাজেট ঘোষণা করা  হয়েছে সৈয়দপুর পৌরসভায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পৌর কাউন্সিলর বলেন, সৈয়দপুর পৌর শহরের দুষিত পনি নিস্কাশনের নালাগুলোতে পলিথিনসহ নানা কিছু আটকে থাকে। পরিস্কারও করা হয় না মাসের পর মাস, ফলে পানি তাৎক্ষণিক নামে না। এ ছাড়া পৌর এলাকার রেলওয়ে আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকার নালা-নর্দমা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করায় সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে ব্যর্থ হয় পৌরকর্তৃপক্ষ। যার ফলে মাত্র ১ ঘন্টা বৃষ্টিতেই সৈয়দপুর শহর তলিয়ে যায় ২/৩ ফুট পানির নিচে।

পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সহিদুল ইসলাম বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে আমাদের নিজস্ব টিম আছে, কিন্তু মাস্টার ড্রেন নির্মাণ বা সংস্কার করতে বাজেট ঘাটতি থাকায় ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও অনেক কিছুই সম্ভব হয়নি।

সৈয়দপুর পৌর আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, পৌর মেয়র দায়িত্বে আছেন প্রায় ৪ বছর। এই ৪ বছরে সময় তিনি সৈয়দপুরের উন্নয়নে কোন কাজই করেননি। তিনি যদি শহরের প্রধান ৩টি সড়কও সংস্কারও করতেন, তাহলে শহরবাসীর কাছে মাথা উঁচু করে কথা বলতে পারতেন।

পৌর মেয়রের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি প্রথম দিকে সাংবাদিকে সাথে কথা বলতে চাননি পরে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে জলাবদ্ধতা নিয়ে কোন কথাই বলবেন না বলে জানান।


আরও খবর