Logo
আজঃ Monday ০৩ October ২০২২
শিরোনাম

হাসপাতালের কেবিনে ‘আত্মহত্যা’ করেছিলেন নার্স রিমা

প্রকাশিত:Friday ২৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৩ October ২০২২ | ১৫৬জন দেখেছেন
Image

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালের নার্স রিমা প্রামাণিক (১৮) আত্মহত্যা করেছিলেন বলে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) সকালে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম মোস্তফা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নার্স রিমা নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পিরিজকান্দি গ্রামের সেন্টু প্রামাণিকের মেয়ে। তিনি ভৈরব বাসস্ট্যান্ড এলাকার ওই হাসপাতালে দুই বছর ধরে নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ওই হাসপাতালের পঞ্চম তলায় স্টাফ কোয়ার্টারে থাকতেন।

গত ১১ জুলাই সকালে হাসপাতালের একটি কেবিন থেকে নার্স রিমার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ভোর ৪টার দিকে তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন বলে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যান নার্স রিমা। ৮ জুলাই কর্মস্থলে ফিরেই হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হানিফুর রহমানের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। কিন্তু এমডি সেটি গ্রহণ করেননি। ১০ জুলাই দিনগত রাত ৩টার দিকে নার্স ইনচার্জ লিজা বেগমের মাধ্যমে ফোনে এমডির সঙ্গে কথা বলেন রিমা। ফোনে তখন জানান, সকালে তিনি বাড়ি ফিরে যেতে চান। এর এক ঘণ্টা পর ২০৩ নম্বর কেবিনে বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে রিমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

রিমার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার বাবা হানিফুর রহমান ও লিজা বেগমকে আসামি করে মামলা করেন। হানিফুর এরই মধ্যে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে কিশোরগঞ্জ কারাগারে রয়েছেন। তবে লিজা পলাতক।

এ ঘটনায় হানিফুরের বিচার চেয়ে স্থানীয় লোকজন বিক্ষোভ করেন এবং হাসপাতালে ভাঙচুর চালান। পরে মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ হানিফুরকে তিন দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

ভৈরব থানার ওসি গোলাম মোস্তফা বলেন, রিমা আত্মহত্যা করেছেন বলে হত্যা মামলাটি পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে এমন নয়। তিনি কেন এত অল্প বয়সে আত্মহত্যা করলেন, আত্মহত্যার পেছনে কারও প্ররোচনা ছিল কি না এসব বিষয় তদন্ত করা হবে। বিশেষ করে হাসপাতালের এমডি হানিফুর রহমান ও নার্স ইনচার্জ লিজা বেগমের এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন কি না সেটিও তদন্ত করে দেখবেন।


আরও খবর