Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

হারানো ইমেইল খুঁজতে গিয়ে পেলেন ২৬ কোটি টাকা

প্রকাশিত:Monday ২৪ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ২৬৮জন দেখেছেন
Image

অনলাইন ডেস্ক: পুরোনো ইমেইল খুঁজতে গিয়ে লটারিতে জেতা ৩০ লাখ ডলারের সন্ধান পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের এক নার্স। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২৬ কোটি টাকার সমপরিমাণ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে জানা যায়, তার ইনবক্সের স্পাম ফোল্ডারেই ছিল লটারিতে তার ৩০ লাখ ডলার জয়ের খবরটি।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিশিগানের বাসিন্দা লরা স্পিয়ার্স (৫৫) পেশায় একজন নার্স। গত ৩১ ডিসেম্বর ওই লটারির টিকিট কেটেছিলেন তিনি, কিন্তু ভুলেই গিয়েছিলেন ওই টিকিটের কথা। স্পাম ফোল্ডারে পাওয়া মেসেজের সূত্রেই পরে জানতে পারেন যে, তার কাটা টিকিটের নাম্বারটিই ড্রতে সর্বোচ্চ পুরস্কার পেয়েছে।

মিশিগানের ওকল্যান্ড কাউন্টির বাসিন্দা লরা জানান, আমি শুনছিলাম মিশিগান লটারির মেগা মিলিয়ন ড্রতে অনেকেই পুরস্কার পাচ্ছেন, তাই আমিও বছরের শেষ দিনে হঠাৎ ঝোঁকের বশেই একটা টিকিট কিনে নিয়েছিলাম। আমি এর আগে কখনো লটারির টিকিট কাটিনি।

তিনি আরও জানান, টিকিট কাটার প্রায় ১৫ দিন পরও ইনবক্সে কোনো ইমেইল না আসায় ভেবেছিলাম হয়তো কোনো পুরস্কার জিতিনি আমি। তবে এক বন্ধুর প্রয়োজনেই পুরোনো ইমেইল খুঁজতে স্পাম বক্সে ঢুকে আবিস্কার করি যে পুরস্কার জিতেছি।

লটারি সংস্থাটি জানিয়েছে, লরার টিকিটের নম্বর ছিল ২-৫-৩০-৪৬-৬১। লাকি ড্রয়ে নম্বর মিলে যাওয়ায় লটারির সর্বোচ্চ পুরস্কার ৩০ লাখ ডলার পেয়ে যান লরা।

আকস্মিক এমন লটারি জয়ের পর স্তম্ভিত লরা জানান, আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। তাই আবারও নিশ্চিত হতে আমি লটারির অ্যাকাউন্টে লগ ইন করি। আমি এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না যে, আমি আসলেই ৩০ লাখ ডলার পুরস্কার পেয়েছি! তবে আমি আমার ইমেইলের সেটিংস অবশ্যই পরিবর্তন করবো, যাতে ভবিষ্যতে লটারি জয়ের খবর আর মিস না হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে লরা জানিয়েছেন, এখন আগেভাগেই চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার কথা ভাবছি। পরিবারের সাথে পুরস্কারের অর্থ ভাগাভাগির পরিকল্পনাও আছে।


আরও খবর



হেলমেটধারীদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে ডিবি

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ April ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১৬০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষকালে হেলমেট পরে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়া সবাই সন্ত্রাসী। তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। এসব হেলমেটধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে।


বুধবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (দক্ষিণ) পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার মাহবুব আলম।


সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিউমার্কেটের সংঘর্ষের ঘটনায় দুজন তরুণ নিহত হয়। এ ঘটনায় পৃথখ দুটি মামলা গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তাধীন। একটি নাহিদ হত্যায় এবং অপর মামলাটি হয়েছে মোরসালিন হত্যার ঘটনায়।


গোয়েন্দা পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও জানান, নাহিদ হত্যাকাণ্ডের যে ফুটেজ রয়েছে সেই ফুটেজের চুলচেরা বিশ্লেষণ করে জড়িতদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। চিহ্নিতকরণের কাজটি অনেক দূর এগিয়েছে।


তিনি বলেন, ঢাকা কলেজের হোস্টেল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকেই বাড়ি চলে গেছে অথবা আত্মগোপনে আছে। তবে ডিবির একাধিক টিম তাদের গ্রেফতারে চেষ্টা চালাচ্ছে। শিগগির এ বিষয়ে ভালো ফল জানানো হবে।



ডেলিভারিম্যান নাহিদের নিহতের ঘটনায় বাবা মো. নাদিম হোসেন বাদী হয়ে নিউমার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মুরসালিনের ভাই বাদী হয়ে আরো একটি হত্যা মামলা করেছেন।


এদিকে এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করে। একটি মামলা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে এবং অন্যটি পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে। দুই মামলাতে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী-কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ মোট ১২০০ জনকে আসামি করা হয়।


আরও খবর



বিতর্কিত সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডাক্তার মুরাদ হাসানের ভাগ্য ঝুলে আছে

প্রকাশিত:Wednesday ১১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১৪৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ডা. মুরাদ হাসান বিতর্ক তার পিছু ছাড়ছিল না কিছুতেই। নানান ইস্যুতে আলোচনায় ছিলেন জামালপুর-৪ থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য। এক পর্যায়ে নারীঘটিত কেলেঙ্কারিসহ বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে হারিয়েছেন জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদকের পদ।


প্রতিমন্ত্রীর পদও ছাড়তে বাধ্য হন ডা. মুরাদ। তবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ।


এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের কাছে পাঠানো হয়েছে। কী সিদ্ধান্ত নিলো কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ? এমন প্রশ্ন সবার। কিন্তু গেলো ৭ মে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভা হলেও এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।


রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, নারী ও সংবিধান নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য এবং সবশেষ নায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে আপত্তিকর অডিও ভাইরাল হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে গত ৭ ডিসেম্বর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ডা. মুরাদ হাসান।


ওইদিনই জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ তাকে স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়। পরদিন ৮ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ ও আওনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্যপদ থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয় ডা. মুরাদ হাসানকে।


আরও খবর



জোড়া লাগানো হলো হাতের কব্জি

অপারেশন করে জোড়া লাগানো হলো সেই পুলিশ সদস্যের হাতের কব্জি

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১৪০জন দেখেছেন
Image

এ.আর হানিফঃ

গ্রেফতার অভিযানে গিয়ে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আসামির দায়ের কোপে বিচ্ছিন্ন হওয়া পুলিশ সদস্য জনি খানের হাতের কব্জি টানা ১০ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় জোড়া লাগানো হয়েছে। ঢাকার আল মানার হাসপাতালে এ অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।


সাতকানিয়া থানার এসআই ভক্ত চন্দ দত্ত সোমবার (১৬ মে) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এসআই ভক্ত চন্দ দত্ত বলেন, রোববার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে অস্ত্রোপাচার শুরু করে সোমবার বেলা ১১টার দিকে শেষ হয়। জনি খানের অবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। আল মানার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. সাজেদুর রেজা ফারুকীর নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক এ অস্ত্রোপাচার সম্পন্ন করেন।


রোববার সকালে লোহাগাড়া থানার পদুয়া ইউনিয়নের লালারখিল এলাকার মৃত আলী হোসেনের ছেলে কবির আহমদকে (৩৫) গ্রেফতারে অভিযান চালায় পুলিশ। লোহাগাড়া থানার এসআই ভক্ত চন্দ্র দত্ত, এএসআই মজিবুর রহমান, কনস্টেবল জনি খান ও শাহাদাত হোসেন পুলিশ পিকআপ করে এ অভিযানে যান।


পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কবির আহমদ ধারালো দা দিয়ে পুলিশ সদস্য জনি খানের হাতে কোপ দিয়ে পালিয়ে যান। এতে তার হাত থেকে কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতানে নেওয়া হয়। পরে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য র্যাবের হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় পাঠানো হয়।


এদিকে হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় প্রধান আসামি হামলাকারী কবির আহমদের স্ত্রী রুবি আকতারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে বান্দরবানের সীমান্তবর্তী এলাকা লামা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।


আরও খবর



নাসিরনগর হরিপুরের এক ত্রাসের নাম ভয়ংকর কাপ্তান

প্রকাশিত:Monday ০৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২২ May 20২২ | ৮৫জন দেখেছেন
Image


নাসিরনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের মন্দির ভাংঙ্গা, মাদক,ডাকাতি,খুন ও মারামারী সহ একাদিক মামলার গ্রেপ্তারী ফরোয়ানা ভুক্ত আসামী ও হরিপুরের এক  ভয়ংকর ত্রাসের নাম কাপ্তান।


কাপ্তানের ভয়ে গ্রামের তিতন ফকির সহ অনেকেই আতংকে  দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।জানা গেছে ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবরে নাসিরনগরে হিন্দুদের বাড়িঘর ও মন্দির ভাঙ্গার অন্যতম আসামী কাপ্তান।তাছাড়াও কাপ্তানের বিরোদ্বে  নাসিরনগর ও পার্শ্ববর্তী মাধবপুর থানায় রয়েছে একাদিক ডাকাতি,মারামারী,মাদক ও খুনের মামলা।


হরিপুর গ্রামের  তিতন ফকির জানান ভয়ংকর কাপ্তানের ভয়ে তিনি ও তার পরিবারের লোকজন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন।হরিপুরের টেকপাড়ার আওয়াল মিয়া অভিযোগ করে জানায়,কাপ্তান একটি সরকারী জায়গা থেকে মাটি কেটে ট্রাক বোঝাই করে সরকারী ও জনগনের হাটাচলাফেরা করার রাস্তা ভেঙ্গে গর্তে পরিনত করে ব্রিক ফিল্ডে মাটি বিক্রি করার সময় তারা বাধা দেয়।তাতে কাপ্তান ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন কেউ বাঁধা দিলে তাকে ট্রাকের চাকার নীচে ফেলে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসেন।


তিনি জানান কাপ্তানের যেই কথা সেই কাজ।পরদিন কাপ্তানের ট্রাক মাটি বোঝাই  করে সেই রাস্তা দিয়ে আসার সময় আমার তৃতীয় শ্রেণী পড়ুয়া ছেলে রাসেল রাস্তায় গেলে তাকে ট্রাকের চাকার নীচে পেলে মেরে ফেলে।এ সব ছাড়াও আরো অনেক অভিযোগ রয়েছে কাপ্তানের বিরোদ্বে।হরিপুরের নিরীহ ও শান্তিপ্রিয় লোকজন এই জগন্য,ভয়ংকর কাপ্তানের অত্যাচার থেকে মুক্তি চায়।কাপ্তানের গ্রেপ্তারী পরোয়ানার বিষয়ে জানতে চাইলে হরিপুরের বিট অফিসার এস আই রূপন নাথ জানান,কাপ্তানের বিরোদ্বে তার হাতে দুটি গ্রেপ্তারী ফরোয়ানা রয়েছে।পুলিশ কাপ্তানকে গ্রেপ্তারের জন্য হন্যে হয়ে খুঁজছে।



আরও খবর



কি কারণে হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে তা এখোনো পরিষ্কার নয়

নরসিংদীতে মা ও ছেলে-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৭১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলায়  বাবলা গ্রামে বসতঘর থেকে মা ও ছেলে-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  


রোববার (২২ মে) সকালে উপজেলার পাটুলী ইউনিয়নের বাবলা গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।ধারণা করা হচ্ছে, শনিবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় তাদের ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।


নিহতরা হলেন- উপজেলার পাটুলী ইউনিয়নের বাবলা গ্রামের গিয়াস উদ্দিন শেখের স্ত্রী রাহিমা বেগম (৩৫), তার ছেলে রাব্বি শেখ (১২) এবং মেয়ে রাকিবা আক্তার (৭)। রাহিমা বেগম পেশায় একজন দর্জি ছিলেন।


পুলিশ জানায়, নিহত রহিমার স্বামী পেশায় রং মিস্ত্রি। তিনি কাজের সুবাদে শনিবার (২১ মে) গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার আড়ালিয়া গ্রামে যান। সকালে বাড়িতে এসে দেখেন ঘরে স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ পড়ে আছে। পরে তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধারের কাজ শুরু করেন।


নরসিংদী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান  বলেন, কি কারণে হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে তা এখোনো পরিষ্কার নয়। তবে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে।


আরও খবর