Logo
আজঃ বুধবার ২২ মে ২০২৪
শিরোনাম

হাজির না হওয়ায় দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

প্রকাশিত:সোমবার ২৮ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৩০৫জন দেখেছেন

Image

কক্সবাজার প্রতিনিধি:সমনের ধার্য তারিখে হাজির না হওয়ায় দৈনিক বাংলার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শরিফুজ্জামান পিন্টু ও রিপোর্টার আরিফুজ্জামান তুহিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন কক্সবাজার আদালত।গত রবিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত (সদর) এর বিচারক কৌশিক আহাম্মদ খোন্দকার এই পরোয়ানা জারি করেন।মামলার বিবরণে জানা যায়, চলতি বছরের গত ৬ জানুয়ারি দৈনিক বাংলা পত্রিকার প্রধান শিরোনামে ‘২৫৫ জনের তালিকায় বদির কেউ নেই’ শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদে মনগড়া তথ্য দিয়ে ২০ জনকে টার্গেট করে এবং ২০ জনের নাম প্রকাশ করে সংবাদ প্রকাশিত হয়। উক্ত সংবাদে দৈনিক যুগান্তরের তখনকার স্টাফ রিপোর্টার ও বৈশাখী টেলিভিশন এবং দৈনিক সংবাদের সাবেক কক্সবাজার প্রতিনিধি সাংবাদিক শফিউল্লাহ শফির নামও প্রকাশ করেন। পরে ১০ জানুয়ারি শফিউল্লাহ শফি বাদী হয়ে দৈনিক বাংলার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শরিফুজ্জামান পিন্টু ও রিপোর্টার আরিফুজ্জামান তুহিনের বিরুদ্ধে আদালতে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কক্সবাজার জেলা ডিবি পুলিশের ওসিকে তদন্তপূর্বক আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন। ডিবি পুলিশের ওসি আদালতের নির্দেশনা মতে ইন্সপেক্টর সুজন কান্তি বড়ুয়াকে মামলাটি তদন্ত পূর্বক আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন। তদন্তকারি কর্মকর্তা দীর্ঘ ৬ মাস তদন্ত শেষে গত ১৫ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। ধার্য্য তারিখ মতে আদালত ৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই আসামী যথাক্রমে আরিফুজ্জামান তুহিন ও শরিফুজ্জামান পিন্টুকে গত ২৭ আগস্টের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ প্রদান করেছিলেন। কিন্তু গত ২৭ আগস্ট রবিবার দুই আসামী আদালতে হাজির না হওয়ায় দুই জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত (সদর) এর পেশকার আমির হোসেন জানান, গত ১০ জানুয়ারি সাংবাদিক শফিউল্লাহ শফির দায়ের করা শতকোটি টাকার মানহানি মামলার দুই আসামিকে রবিবার (২৭ আগস্ট) আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু উক্ত আসামী হাজির না হওয়ার কারনে আদালত দুই জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। উক্ত আসামীদ্বয় হলেন আরিফুজ্জামান তুহিন ও শরিফুজ্জামান পিন্টু।বাদী পক্ষের আইনজীবী আয়াছুর রহমান জানান, বিগত ৬ মাস তদন্ত শেষ করে মামলা তদন্তকারি কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছিলেন। ওই তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে বিচারক দুই আসামিকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আসামীরা হাজির না হওয়ার কারনে আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।


আরও খবর



হিলিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল লেবার ও অটো রিকসা শ্রমিকদের নিয়ে ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ মে 2০২4 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মে ২০24 | ১১২জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:মহান আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে প্রথম বারের মত দিনাজপুরের হিলিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বন্দরের লেবার শ্রমিক ও অটোরিকসা শ্রমিকদের নিয়ে লেবার কাপ প্রীতি ফুটবল টুর্ণামেন্ট খেলা। 

বুধবার (১ লা মে) বিকেল সাড়ে ৫ টায় হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক জাবেদ হোসেন রাসেল এর উদ্যোগে হাকিমপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে এই প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় দুটি দল অংশ গ্রহন করেন অটোরিকসা শ্রমিক দল বনাম হিলি পানামা পোর্ট এর লেবার শ্রমিক দল। খেলায় নির্ধারিত সময়ে ২-২ গোলে খেলা শেষ হয়। পরে ট্রাইবেকারে ১-০ গোলে হিলি পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের লেবার শ্রমিক দল চ্যাম্পিয়ন হন। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন দলকে একটি বড় ট্রফি ও  ১০০০০ (দশ হাজার) টাকা এবং রানার্সআপ দলকে একটি ছোট ট্রফি ও ১০০০০ (দশ হাজার) টাকা তুলে দেওয়া হয়।  

এসময় সেখানে দিনাজপুর জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান,হাকিমপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ও সাবেক মেয়র কামাল হোসেন রাজ ও হিলি স্থলবন্দরের আমদানি- রপ্তানিকারক জাবেদ হোসেন রাসেল। 

খেলার আয়োজক জাবেদ হোসেন রাসেল বলেন,সীমান্তঘেঁষা হাকিমপুর হিলি উপজেলা। মাদক থেকে যুব সমাজকে দুরে রাখতে শ্রমিক ও সাধারণ মানুষকে আনন্দ বিনোদন দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই খেলার আয়োজন করা হয়। আমি কিছু দিন পূর্বে হিলি পানামা পোর্টে শ্রমিকদের সাথে কথা বললে শ্রমিকরা বলেন,মে দিবসে ফুটবল খেলতে ইচ্ছা প্রকাশ করে। তাই আজ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। আমি সারাজীবন এসব শ্রমিকদের পাশে থাকতে চাই।


আরও খবর



তানোরে সরকারি গাছ কর্তন ও গোপনে জমি রেজিস্ট্রি

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরে সরকারি গাছ কর্তন ও ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে জমি রেজিস্ট্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় গত মাসের শুরুর দিকে জিল্লুর রহমান বাবুল ও তার ভাই হাফিজুর রহমান বাদি হয়ে আরেক ভাই ওবায়দুর ও ভূমিগ্রাসী মাসুদ করিমকে বিবাদী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন (ইউপির)  বারোঘরিয়া গ্রামে ও সরকারি মুল রাস্তার পাশে গাছ কাটা এবং জায়গায় মাটি ভরাটের ঘটনা ঘটে রয়েছে। 

অভিযোগে উল্লেখ, গত বছরের মে মাসে অতি গোপনে উপজেলার কামারগাঁ ইউপির বারোঘরিয়া গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের পুত্র ওবায়দুর রহমান তার ভাই বা ওয়ারিশ দের না জানিয়ে গোপনে বারোঘরিয়া মৌজায় অবস্থিত ১০৩ নম্বর দাগে ৬ শতাংশ জমি বিক্রি করেন রবিউল ইসলামের কাছে। রবিউল মালেশিয়ায় থাকে। তার বাড়ি বারোঘরিয়া গ্রামে। প্রকাশ থাকে রবিউল দেশে না আসা পর্যন্ত ওবাইদুর জমিটি টেন্ডার হিসেবে চাষাবাদ করিবে। কিন্তু মাসুদ করিমের যোগসাজশে জমিটি গোপনে রেজিস্ট্রি করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে ওই জায়গায় গত মাসের শুরুর দিকে মাসুদ করিমের নেতৃত্বে ৪-৫ টি সরকারি গাছ কর্তন করে জায়গাটি ভরাট করে তারের বেড়া দিয়ে ঘিরে দেয়া হয়েছে। 

তানোর টু চৌবাড়িয়া রাস্তার বাঘের মোড়ের উত্তরে ও মুল রাস্তার পশ্চিমে সরকারি নয়নজুলি ভরাট এবং রাতের আধারে  গাছ কেটে তারের বেড়া দিয়ে ঘিরে দেয়া হয়েছে। গাছ কেটে মাটি দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে যাতে কেউ বুঝতে না পারে। মাসুদ করিম জানান, এঘটনা এক মাস আগের। অভিযোগ হয়েছে থানা পুলিশ দেখবে। আপনি কেন আমাকে ফোন দিবেন বলেও দাম্ভিকতা দেখান। 

তবে তার ভয়ে অভিযোগ করেও অস্বীকার করেন জিল্লুর রহমান বাবুল। তার মোবাইলে ফোন দেয়া হলে তার ছেলে পরিচয় দিয়ে বলেন আমার আব্বা তো বাড়ি থেকে বের হয় না।থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন অভিযোগ হলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও খবর



সরকার আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর: শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ১৩৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য ও দায়িত্ব হলো নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, সমতা, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকারসহ মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করা। বর্তমান সরকার আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (২৮ এপ্রিল) ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস ২০২৪’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘স্মার্ট লিগ্যাল এইড, স্মার্ট দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতীয় মুক্তির ঐতিহাসিক সংগ্রাম ও নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। বঙ্গবন্ধুর প্রধান লক্ষ্য ছিল এমন এক শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, যেখানে সব নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং সুবিচার নিশ্চিত হবে। সেই লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের সংবিধানে তিনি মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে আইনের দৃষ্টিতে সমতা, আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার, গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ, বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ, সম্পত্তির অধিকারসহ ১৮টি মৌলিক অধিকার সন্নিবেশিত করেন। কিন্তু জাতির পিতার নির্মম হত্যাকাণ্ড, সামরিক শাসন এবং স্বৈরাচারী, গণবিরোধী ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির ক্ষমতা দখল জনগণের সেই স্বপ্নের বাস্তবায়নকে বারবার দূরে সরিয়ে দিয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে সব দুঃশাসন ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে বাংলাদেশকে অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ করেছে। আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলব এবং এ সময়ে বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে উন্নীত করব। স্মার্ট বাংলাদেশে সরকারি কার্যক্রম ও সেবাগুলো হবে সাশ্রয়ী, টেকসই, জ্ঞানভিত্তিক, বুদ্ধিদীপ্ত ও উদ্ভাবনী। টেকসই উন্নয়নের এ অগ্রযাত্রায় ন্যায়বিচারে অভিগম্যতা নিশ্চিত করার জন্য ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা’ সারা বাংলাদেশের আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থসামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদান করছে। সরকারি আইনগত সহায়তাকে আরো টেকসই, উদ্ভাবনী, জনবান্ধব এবং পক্ষদের আইনগত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসকে ‘বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির কেন্দ্রস্থল’ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধিতে লিগ্যাল এইড অফিসগুলো আইনগত পরামর্শ সেবা দিয়ে মামলাজট নিরসনে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমরা বদ্ধপরিকর। টেকসই উন্নয়নের অভীষ্ট লক্ষ্য, শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়নে সবার জন্য ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথ সুগম করার জন্য আইন ও বিচার বিভাগ ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা’র মাধ্যমে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। আমি বিশ্বাস করি, স্মার্ট লিগ্যাল এইড, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট সমাজ এবং সর্বোপরি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। সকলের সমন্বিত উদ্যোগেই অচিরেই সুশাসন নিশ্চিত করে আমরা বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে পরিণত করতে সক্ষম হব।


আরও খবর



বিরামপুর পৌরসভার পানি ছড়াচ্ছে শীতলতার পরশ

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

মিজান, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:দেশজুড়ে তীব্র দাবদাহ ও কাঠ ফাটা রোদে জনজীবন হাঁসফাঁস  এবং অনবৃষ্টিতে জনজীবন অতিষ্ঠ জীবজন্তুসহ কষ্ট পাচ্ছে সাধারণ মানুষ জন। বৈশাখের তৃতীয় সপ্তাহেও দেখা মিলেনি বৃষ্টির দিনাজপুর জেলার  বিরামপুর এলাকায়। এ অবস্থায় বিরামপুর পৌরসভার নিজস্ব উদ্যোগে শহরের রাস্তায় রাস্তায় সকাল-বিকাল ছিটানো হচ্ছে পানি। গরমে অতিষ্ট শহরবাসী এতে ধুলি-বালু ও রোগ জীবানু থেকে রক্ষা ও শীতলতার পরশ অনুভব করছেন।

জানা গেছে, প্রচন্ড খরা ও তাপদাহে প্রাণিকূলের ওষ্ঠাগত অবস্থা বিরাজ করছে। শুষ্ক মৌসুমে ধূলি-বালি থেকে নাগরিকদের রক্ষার জন্য প্রথম শ্রেণির বিরামপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে শহরের রাস্তায়-রাস্তায় পানিবাহী গাড়ী দিয়ে প্রতিদিন সকাল বিকাল পানি ছিটানো হয়।এতে রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী লোকজন, রাস্তার দু’পাশের দোকানী ও ক্রেতারা স্বস্তিতে চলাফেরা করতেন। কিন্তু, বৈশাখের তৃতীয় সপ্তাহেরও এই এলাকায় বৃষ্টিপাত না হওয়ায় শহরবাসী ও প্রাণিকূলের নাভিস্বাশ উঠেছে। এ অবস্থায় শহরবাসীকে শীতলতার পরশ দিতে অধিক পরিমাণে পানি ছিটানো হচ্ছে।

বিরামপুর কলেজ পাড়া মহল্লার বাসিন্দা অটো চালক মিলন হোসেন বলেন, এই প্রচন্ড গরমে রাস্তায় চলাচল করা কঠিন ছিল। পৌরসভার পক্ষ থেকে রাস্তায় পানি ছিটানোর ফলে আমরা ধূলি বালু ও রোগ জীবানু থেকে রক্ষা পাচ্ছি। একই সাথে রাস্তার উত্তাপ থেকে রেহায় পাচ্ছি এবং অনুভব করছি শীতলতার পরশ।

বিরামপুর চাঁদপুর ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক মেফতাহুন নাহার কবিতা বলেন, তীব্র দাবদাহ ও কাঠ ফাটা রোদে জনজীবন  বিপর্যস্ত এবং অনবৃষ্টিতে জনজীবন অতিষ্ঠ, কষ্ট পাচ্ছে  সাধারণ মানুষ ও প্রাণিকুল। এ অবস্থায় পৌরসভার পক্ষ থেকে রাস্তায় পানি ছিটানো একটি মহতী উদ্যোগ। এতে আমরা ধূলিবালু ও রোগ জীবানু থেকে রক্ষা পাচ্ছি। সেই সঙ্গে রাস্তার উত্তাপ থেকে রেহায় পাচ্ছি।

বিরামপুর পৌরসভার মেয়র  অধ্যক্ষ মো: আক্কাস আলী জানান, প্রথম শ্রেণির বিরামপুর পৌরসভার নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির জন্য নানামূখি কার্যক্রম চলমান আছে। এই প্রচন্ড গরম থেকে শহরবাসীকে রক্ষার জন্য পানি ছিটিয়ে শীতলতার পরশ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এর ফলে নাগরিকরা ধূলি- বালু ও রোগ জীবানু থেকেও রক্ষা পাবে। নাগরিকদের স্বস্তি দিতে বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এই পানি ছিটানোর কার্য্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



মির্জাপুরে বিয়ের দাবিতে এক মেয়ের বাড়িতে আরেক মেয়ে হাজির!

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ৬৬জন দেখেছেন

Image

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বাঁশতৈল ইউনিয়নের  ইন্নত খা চালা গ্রামের দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া মেয়ের সাথে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া আরেক মেয়ের সাথে ফেসবুকে পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উভয়ই মেয়ে জেনেও তারা প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। ১৮ মে শনিবার রাজশাহীর মেয়ে মির্জাপুর বাঁশতৈল গ্রামে চলে আসে এবং বিয়ের দাবি করে। খবর পেয়ে বাঁশতৈল গ্রামবাসী  এবং মেয়ের পরিবার মিলে মেয়েকে নারী পাচারকারী সন্দেহে আটক করে রাখে। বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হেলাল দেওয়ান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা রাজশাহীর মেয়ের পরিবারের কাছে খবর পাঠিয়েছিলাম। মেয়ের পরিবারের লোকজন আসলে তাদের জিম্মায় মেয়েকে ফেরত দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। 


আরও খবর