Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

হাজী সেলিম কে জেলেই যেতেহলো

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১০৩জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাজা ভোগের জন্য আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। এরপর বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে আদালত থেকে পিকআপ ভ্যানে করে তাকে নিয়ে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় পুলিশ।


এর আগে রোববার (২২ মে) বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন হাজী সেলিম। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।


বিচারক আদেশে উল্লেখ করেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামি হাজী মোহাম্মদ সেলিম হাইকোর্টের নির্দেশে আজ আত্মসমর্পণ করিয়া জামিনের দরখাস্ত দাখিলপূর্বক আপিল দায়েরের শর্তে জামিনের প্রার্থনা করেছেন। পৃথক দরখাস্ত দাখিল করিয়া কারাগারে ১ম শ্রেণির মর্যাদা প্রদানের ও কারাগারের তত্ত্বাবধানে দেশের উন্নতমানের হাসপাতালে বেটার ট্রিটমেন্টের আদেশের প্রার্থনা করেছেন।


যেহেতু আসামি দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত, সেহেতু আসামিকে জামিন প্রদান সঙ্গত মনে করি না। ফলে আসামির জামিনের প্রার্থনা নামঞ্জুর করা হইল। সাজা ভোগের নিমিত্তে সাজা পরোয়ানা মূলে আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করা হোক।


আসামিকে কারাগারে ১ম শ্রেণির মর্যাদা প্রদান ও কারাগারের তত্ত্বাবধানে দেশের উন্নতমানের হাসপাতালে বেটার ট্রিটমেন্ট প্রদানের দরখাস্ত বিষয়ের পক্ষে বিজ্ঞ কৌঁসুলি ও বিপক্ষে বিজ্ঞ পাবলিক প্রসিকিউটরের বক্তব্য শ্রবণ করিলাম। দাবি মতে দরখাস্তকারী আসামি একজন সংসদ সদস্য এবং ভালো চরিত্রের অধিকারী। তাহার সামাজিক মর্যাদা, আসামি যে অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হইয়াছেন তাহার ধরন ইত্যাদি বিবেচনায় তাহাকে জেলকোড অনুযায়ী ডিভিশন প্রদান কিংবা উন্নতমানের চিকিৎসা প্রদানের প্রয়োজনীয়তা থাকিলে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ প্রদান করা হইল।


এদিন বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন হাজী সেলিম। এরপর তার সঙ্গে আসা সমর্থকরা আদালতে প্রবেশ করেন। হাজী সেলিম তাদের কোর্ট থেকে বের হতে হাত ও মুখ দিয়ে ইশারা করেন। এরপর তারা কোর্ট থেকে বের হয়ে যায়। বিকেল ৩টা ১৯ মিনিটে বিচারক এজলাসে ওঠেন। এরপর আসামিকে কাঠগড়ায় উঠতে বলেন। ৩টা ২৩ মিনিটে কাঠগড়ায় ওঠেন হাজী সেলিম। এরপর তার আইনজীবী সাইদ আহম্মেদ রাজা জামিন চেয়ে শুনানি করেন।


এছাড়া কারাগারে উন্নত চিকিৎসা ও প্রথম শ্রেণির ডিভিশন চেয়েও শুনানি করেন আইনজীবী। অন্যদিকে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল তার জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে কারাবিধি অনুসারে কারাগারে উন্নত চিকিৎসা ও প্রথম শ্রেণির ডিভিশন দিতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। বিকেল ৩টা ৩৬ মিনিটে কাঠগড়া থেকে নেমে এজলাসে বসেন হাজী সেলিম।


এর আগে আদালতে আত্মসমর্পণ করে যে কোনো শর্তে জামিনের আবেদন করেন হাজী মোহাম্মদ সেলিম।



আরও খবর



ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ দিচ্ছে মদিনা গ্রুপ

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
Image

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান মদিনা গ্রুপে ‘ডেপুটি ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: মদিনা গ্রুপ
বিভাগের নাম: অপারেশন, শিপিং অ্যান্ড লজিস্টিক

পদের নাম: ডেপুটি ম্যানেজার
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক/স্নাতকোত্তর
অভিজ্ঞতা: ০৭-১০ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ২৫-৫০ বছর
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ৩০ জুন ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



নবিজী (সা.) বিশ্ববাসীর জন্য রহমত

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

সর্বকালের ও সর্বযুগের শ্রেষ্ঠ মানুষ এবং নবিকুল শিরোমণি হজরত মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আগমন ছিল বিশ্ববাসীর জন্য রহমতস্বরূপ। এই মহান রাসুল সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা দিচ্ছেন-

وَ مَاۤ اَرۡسَلۡنٰکَ اِلَّا کَآفَّۃً لِّلنَّاسِ بَشِیۡرًا وَّ نَذِیۡرًا وَّ لٰکِنَّ اَکۡثَرَ النَّاسِ لَا یَعۡلَمُوۡنَ

‘আর আমি তো কেবল তোমাকে সমগ্র মানবজাতির জন্য সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে প্রেরণ করেছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না।’ (সুরা সাবা : আয়াত ২৮)

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কেবল মক্কা শহর কিংবা সেই যুগের লোকদের জন্যই পাঠাননি বরং তিনি কেয়ামত পর্যন্ত সমগ্র পৃথিবীর মানুষ ও জাতির জন্য প্রেরিত হয়েছেন। তাঁর মাধ্যমেই পৃথিবীতে শান্তির বাতাস প্রবাহিত হয়েছে।

কতই না অতুলনীয় ছিল নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনাদর্শ। হাদিসে এসেছে-

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহ আনহু বর্ণনা করেন, ‘একদি মসজিদে এক মরুচারী বা বেদুঈন আসে আর সেখানেই (মসজিদে) প্রস্রাব করতে বসে পড়ে। লোকজন তার দিকে ধেঁয়ে আসে বা ছুটে যায়। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লোকদের বারণ করে বললেন, ’একে ছেড়ে দাও আর সে যেখানে প্রস্রাব করেছে সেখানে পানির বালতি ঢেলে দাও। তোমরা লোকদের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য সৃষ্টি হয়েছ, কাঠিন্যের জন্য নয়।’ (বুখারি)

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ এতটাই অতুলনীয় ছিল যে তিনি ইহুদির লাশকেও সম্মান দেখিয়েছেন। হাদিসে এসেছে-

একবার এক ইহুদির লাশ বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল আর এতে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই লাশের সম্মানার্থে ততক্ষণ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে ছিলেন যতক্ষণ না লাশটি তার সামনে থেকে চলে যায়। পাশ থেকে হজরত জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছিলেন, হে আল্লাহর রাসুল! এটি তো ইহুদির লাশ। এতে আল্লাহর রাসুল উত্তর দিয়েছিলন, সে কি মানুষ ছিল না? (বুখারি)

তিনি ছিলেন মানবতার নবি। বিশ্ববাসীর জন্য রহমত। যে রহমতের নবি একজন ইহুদির লাশকে সম্মান জানানোর জন্য তার সাথিদের নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন সেই নবিকে নিয়ে কটুক্তি কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ করতে পারে না। হাদিসের বর্ণনা থেকে আরো জানা যায়- 

হজরত আবু বাকারা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কোনো অমুসলিম নাগরিককে হত্যা করবে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন।’ (মুসনাদে আহমদ)

তিনি আরো বলেছেন, ‘তোমরা মজলুমের বদদোয়া থেকে বেঁচে থেকো, যদিও সে কাফির হয়। তার (মাজলুমের) মাঝখানে আর আল্লাহর মাঝখানে কোনো পর্দা নেই (অর্থাৎ তার বদদোয়া দ্রুত কবুল হয়ে যায়)’ (মুসনাদে আহমদ)

প্রতিবেশির অধিকারের বিষয়েও বিশেষ তাকিদ দিয়েছেন নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি বলেছেন, প্রতিবেশির সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা অনেক বড় একটি নৈতিক গুণ। হজরত জিবরিল আলাইহিস সালাম সর্বদা আমাকে প্রতিবেশির সঙ্গে সদ্ব্যবহার করার তাগিদ দিয়েছেন, এমনকি আমার ধারণা হয়, সে তাকে আবার উত্তরাধিকারীই না বানিয়ে দেয়। প্রতিবেশির সঙ্গে সদ্ব্যবহারের গুরুত্ব এত বেশি।

এরপর রয়েছে শাসকের আনুগত্য। এ সম্পর্কে তিনি সবসময় তাগিদ দিয়েছেন আর বলেছেন, শাসকের আনুগত্য করা তোমাদের জন্য অপরিহার্য আর উন্নত নৈতিকতার এটিই দাবি আর সুনাগরিক হওয়ার দাবি হলো-

’নিজের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আনুগত্য করা। যদি কোন কৃষ্ণাঙ্গ কৃতদাসও তোমাদের আমির নিযুক্ত হয় তাহলে তার আনুগত্য করো, এরপর যে দেশে বসবাস করছ, সেখানকার নাগরিক, সেদেশকে ভালোবাসা সম্পর্কে বলেছেন, ‘দেশ প্রেম ঈমানের অঙ্গ’।

এজন্য এই  নৈতিক চরিত্রের দাবি হলো, নিজ কর্মকর্তাদের আনুগত্য করা আর নিজ দেশকে ভালোবাসা। সেখানে স্মরণ রেখ! এ বিষয়গুলো ঈমানের অঙ্গও বটে। এজন্য একজন মুসলমান, যে দেশেই সে বসবাস করুক না কেন; সে দেশীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রেখে বসবাস করা উচিৎ।

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যও বিভিন্ন উপদেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘তোমাদের কাছে যখনই কোনো জাতির কোনো সম্মানিত ব্যক্তি আসবে তাকে সম্মান করো।’ (জামিউল মাসানিদ ওয়াল সুনান)

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে একথা প্রসিদ্ধ ছিল যে, তিনি কোন জাতির দূতকে-ই কোনরূপ কষ্ট দিতেন না। (বুখারি)

বরং তিনি তার শেষ দিনগুলোতে অসিয়ত হিসেবে এই তাগিদ দিয়েছিলেন, ’তোমাদের কাছে যখনই কোনো জাতির কোন প্রতিনিধি আসেন তখন তাকে উপহার-উপঢৌকন ইত্যাদি দিও, যেভাবে আমি দিয়ে থাকি। (বুখারি)

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশ্ববাসীর সংশোধনের জন্য কাজ করেছেন। যেখানে না কোন স্কুল ছিল আর না ছিল মাদ্রাসা। তিনি বাড়িতে উঠা-বসা, শয়ন-জাগরণ, কথাবার্তা বলায় এবং জ্ঞানার্জনের শিষ্ঠাচার থেকে আরম্ভ করে দেশীয় এবং জাতীয় আর পৃথিবীতে রাজত্বকরার সকল নিয়ম-নীতি অত্যন্ত স্নেহ ও ভালোবাসার সঙ্গে শিখিয়েছেন।

মক্কা-মদিনার ছোট-ছোট বাহ্যত দরিদ্র ও অনুন্নত জনবসতিতে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের  হাতে শিক্ষা প্রাপ্তরা নিজেদের যুগে ইরান, রোম, মিশর, সিরিয়া আর দজলা ও ফুরাত নদীর তীরে বসবাসকারীদের অজ্ঞতা ও নিস্পেষণমূলক সমাজ ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করে তাদের মধ্যে জ্ঞান ও তত্ত্বের এমন ঝর্ণাধারা প্রবাহিত করেছেন যা পরবর্তীতে শত শত বছর ধরে গোটা মানবজাতীকে সরল-সুদৃঢ় পথ প্রদর্শনের কাজ করেছে।

তাঁর শিষ্যরা (সাহাবিরা) প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের জ্ঞান, সাহিত্য এবং ধর্মীয় জগতের চিত্রই পাল্টে দিয়েছেন। বরং যদি একথা বলা হয় তাহলে তা ষোলআনা সত্য ও যথার্থ হবে যে, আজও বিশ্বে মানবীয় সম্পর্কের পবিত্রতাকে বহাল করার আর সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মাঝে ভালোবাসা ও প্রেম-প্রীতির সম্পর্ক গড়ার জন্য নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শিক্ষা এবং তার আদর্শ ছাড়া আর কোনো মাধ্যম নেই।

অশান্ত বিশ্বকে শান্তির ছায়াতলে আনতে হলে চাই বিশ্বনবির আদর্শ অনুসরণ। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ ও শিক্ষা অনুসরণের ফলেই আমরা পেতে পারি মহান আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি। কেননা এর মাঝেই রয়েছে সর্বপ্রকার কল্যাণ।


আরও খবর



জিওটেক্সটাইল প্ল্যান্ট উদ্বোধন কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের

প্রকাশিত:Saturday ০৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
Image

দেশের অন্যতম বৃহৎ কনফিডেন্স গ্রুপের অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড (সিআইএল) নারায়ণগঞ্জে নিজেদের কারখানা প্রাঙ্গণে অত্যাধুনিক একটি জিওটেক্সটাইল প্ল্যান্ট উদ্বোধন করেছে।

‘সবার জন্য একটি টেকসই ভবিষ্যৎ’ গড়ে তোলার পাশাপাশি মানুষ ও দেশের উন্নয়নে শনিবার (৪ জুন) জিওটেক্সটাইল তৈরির এ প্ল্যান্ট চালু করেছে সিআইএল। এ প্ল্যান্টের উৎপাদিত জিওটেক্সটাইল ‘জিওসিল’ নামে বাজারজাত করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্ল্যান্ট উদ্বোধন করেন কনফিডেন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কনফিডেন্স গ্রুপের ভাইস-চেয়ারম্যান ইমরান করিম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালমান করিমসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জিওটেক্সটাইল হচ্ছে এক ধরনের বিশেষ পলিমার ফেব্রিক, যা অবকাঠামো সংরক্ষণের পাশাপাশি পরিবেশের সুরক্ষায় সহায়তা করে। মানুষ ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোকে বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করতে, নদী ভাঙন রোধে, উপকূল সংরক্ষণে, নদী তীর শক্তিশালী করতে এবং মজবুত বাঁধের জন্য জিওটেক্সটাইল বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হয়। উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যার প্রভাব হ্রাসে সাশ্রয়ী এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

কনফিডেন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগ-প্রবণ দেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। দেশে যারা উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাস করেন, তাদের ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও নদী ভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে লড়াই করে বেঁচে থাকতে হয়।

তিনি বলেন, মানুষের জীবন ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোর সুরক্ষায় এবং পরিবেশগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নিজেদের ভূমিকা পালনে আমরা প্ল্যান্টের উৎপাদনের সকল পর্যায়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে জিওটেক্সটাইল উৎপাদন করছি। নতুন এ প্ল্যান্ট দেশের উৎপাদন খাতের সক্ষমতার উন্নয়নে সহায়তা করবে।

কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালমান করিম বলেন, এ প্ল্যান্টটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করে দেশজুড়ে বিভিন্ন জনপদের মানুষকে সহায়তা করবে। পাশাপাশি, এ প্ল্যান্ট দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে। এ প্ল্যান্টের মাধ্যমে আমরা আরও বেশি সংখ্যক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে, মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং নিজেদের পণ্য বিদেশে রপ্তানির ব্যাপারে আশাবাদী।

জিওটেক্সটাইল প্ল্যান্ট উদ্বোধন কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের

একদল প্রশিক্ষিত প্রকৌশলী ও কর্মীবাহিনী অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ইউরোপের মেশিনারি ও উন্নত কাঁচামাল দিয়ে তৈরি করছে জিওসিল জিও ব্যাগ ও জিও ম্যাট। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন এবং দেশের ও আন্তর্জাতিক সকল মানদণ্ড মেনে কনফিডেন্স জিওসিল উৎপাদনের কাজ শুরু করেছে। এ প্ল্যান্ট থেকে দেশ ও আন্তর্জাতিক বাজারে জিওসিলের চাহিদাপূরণে সহায়তা করা হবে।

প্রায় ৪০ একর জমিতে অবস্থিত নতুন স্থাপিত জিওটেক্সটাইল প্ল্যান্ট এর পাশাপাশি আরও সাত ধরনের পণ্য উৎপাদনে এ কারখানায় তিন হাজারেরও বেশি মানুষ কাজ করছে। নতুন এ প্ল্যান্টের প্রতিমাসে সক্ষমতা হবে প্রায় ২৮,৫০,০০০ বর্গ মিটার অথবা ১১,৫০,০০০ ব্যাগ। কনফিডেন্স ইনফাস্ট্রাকচার লিমিটেডের বাৎসরিক টার্নওভার প্রায় ১২০০ কোটি টাকা।

কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড ইউরোপীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার উৎপাদন ক্ষমতা দিয়ে জিও টেক্সটাইল উৎপাদনে দেশে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হতে চলেছে। নতুন এ প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি এর পোর্টফোলিওতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যা দেশের উৎপাদন খাতে নতুন দিনের সূচনা করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড বাংলাদেশের টাওয়ার, প্রকৌশল, হার্ডওয়্যার ও স্টিল কাঠামো খাতের সুপরিচিত নাম। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষ কর্মীদের নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিদ্যুৎ খাতসহ দেশের বিভিন্ন খাতের প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।


আরও খবর



১৩ বছরে শেখ হাসিনা সরকারের যত অর্জন

প্রকাশিত:Friday ১০ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৭৯জন দেখেছেন
Image

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল এবং দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ অপ্রতিরোধ্য। ২০০৯ সালে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর টানা তিন মেয়াদে দেশ পরিচালনা করছে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার। তৃতীয় মেয়াদে টানা ১৩ বছরে অর্থনীতির প্রায় সব সূচকে ঈর্ষণীয় সাফল্য এসেছে। নানামুখী উন্নয়নে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে রোল মডেল।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। নতুন অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার যে বাজেট প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদের চতুর্থ বাজেট।

বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের গত ১৩ বছরে বহু অর্জনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অর্জনসমূহ সদ্য ঘোষিত প্রস্তাবিত বাজেট অধিবেশনে তুলে ধরা হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকারের এ সাফল্যগাঁথাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

১) মহান জাতীয় সংসদ রাষ্ট্রীয় সব কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

২) গত ১৩ বছরে জিডিপির গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৬ শতাংশ, যা ২০১৬-২০১৭, ২০১৭-২০১৮ ও ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ৭ শতাংশের উপরে ছিল এবং ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ৮ শতাংশ অতিক্রম করে। কোভিডকালীন সময়েও ২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ঈর্ষণীয় ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ ছিল। ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদে অর্জিত গড় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬ দশমিক ৩ শতাংশ এবং সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদে তা বেড়ে হয় ৭ দশমিক ৬ শতাংশ।

৩) অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২১-২০২৫), প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০২১-২০৪১) এবং বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ প্রণয়নপূর্বক বাস্তবায়ন কার্যক্রম গ্রহণ।

৪) জিডিপির আকার ৪ লাখ ৮২ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা থেকে ৩৯ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

৫) মাথাপিছু আয় ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে ৫৪৩ মার্কিন ডলার হতে বেড়ে বর্তমানে ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার।

৬) মূল্যস্ফীতি ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে সীমিত আছে।

৭) দরিদ্র্যের হার ৪১ দশমিক ৫ শতাংশ হতে কমে ২০ দমমিক ৫ শতাংশ এবং অতি দারিদ্র্যের হার কমে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৫ শতাংশে।

৮) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছুঁয়েছে ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২৩ আগস্ট, ২০২১)।

৯) বাজেটের আকার ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরের তুলনায় ১১ গুণের মতো বৃদ্ধি পেয়েছে।

১০) সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বরাদ্দ ২ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা হয়েছে।

১১) বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৪ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট থেকে ২৫ হাজার ৫৬৬ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। ‘শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যু‍ৎ’ কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে দেশের শতভাগ জনগোষ্ঠী বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।

১২) মিয়ানমার ও ভারতের সমুদ্রসীমা নিয়ে আইনি বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের এলাকাভুক্ত সমুদ্রের অংশ, এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও মহীসোপানসহ মোট ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকার ওপর স্বত্বাধিকার লাভ করে। সমুদ্রের নীল জলরাশি ও তার সম্পদ আহরণে এ উন্মুক্ত অধিকারের সুযোগ কাজে লাগাতে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১-এ সুনীল অর্থনীতির কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।

১৩) নিম্নআয়ের দেশ থেকে গ্রাজুয়েশন; স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা হতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের চূড়ান্ত ধাপ অতিক্রম।

১৪) রূপকল্প ২০২১-এ কৃষি উৎপাদন বাড়িয়ে খাদ্য ঘাটতি দূর করা এবং দেশকে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার যে প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছিল তা সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে এরইমধ্যে অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

১৫) ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তব রূপ লাভ করেছে। ৪ হাজার ৫৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে স্থাপন করা হয়েছে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার; গভীর সমুদ্রের তলদেশে অপটিক্যাল ফাইবার নির্মাণ, মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট স্থাপন, মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু, উপজেলা শহরে ব্যাংকের এটিএম বুথ নির্মাণসহ সহজলভ্য ইন্টারনেট সেবা এখন মানুষের দোড়গোড়ায়।

১৬) বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ফলে ইন্টারনেট সেবা প্রদান সহজ হয়েছে। দেশে বর্তমানে প্রায় ১৭ কোটি মোবাইল ফোন ব্যবহার হচ্ছে।

১৭) জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন ঘোষণা (এমডিজি) সফলভাবে অর্জন।

১৮) এসডিজি বাস্তবায়ন অগ্রগতির স্বীকৃতিস্বরূপ এসডিজি প্রগ্রেস অ্যাওয়ার্ড লাভ।

১৯) মাতৃমৃত্যুর হার ২০০৫ সালের ৩৪৮ থেকে কমে এখন ১৬৫, পাঁচ বছরের নিচে শিশুমৃত্যুর হার ২০০৫ সালের ৬৮ থেকে কমে ২০১৯ সালে ২৮ এবং প্রসবকালে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর উপস্থিতি ২০০৪ সালের ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১৯ সালে ৫৯ শতাংশ হয়।

২০) বর্তমানে দেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফাস্ট-ট্র্যাক প্রকল্প চলমান রয়েছে। পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল, কর্ণফুলী টানেল ও ঢাকা বিমানবন্দর থেকে যাত্রাবাড়ীর অদূরে কুতুবখালী পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে অচিরেই চালু হবে। পায়রা সমুদ্রবন্দর, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ আরও কয়েকটি বড় প্রকল্প সমাপ্ত হলে দেশের অগ্রগতিতে নতুন মাত্রা যোগ হবে।

২১) ভারতের সঙ্গে স্থল সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে ছিটমহল বিনিময় করে বাংলাদেশ পায় ভারতের ১১১টি ছিটমহল। এ চুক্তির ফলে ৬৮ বছরের রাষ্ট্রহীন ছিটমহলের ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার সুযোগ পায়।

২২) দেশ-বিদেশের অতিথিদের সরব উপস্থিতিতে সফলভাবে মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন।

২৩) সন্ত্রাস দমনে সরকার সাফল্য অর্জন করেছে। এক্ষেত্রে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যথাযথ উদ্যোগের ফলে দেশে নাশকতার হার অনেক কমে এসেছে।

২৪) ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে চলছে পূর্ণোদ্যমে।

২৫) বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের অসমাপ্ত বিচারকাজ সম্পন্ন ও আদালতের রায় কার্যকর করা, মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকাজ সম্পন্ন।

২৬) বঙ্গবন্ধু প্রবর্তিত বৈদেশিক নীতি—‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’— এ মূলমন্ত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অনুসরণ করেন।

২৭) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের হাল ধরেছেন বলেই সব অর্জন সম্ভব হয়েছে।


আরও খবর



যেসব হলে মুক্তি পেয়েছে 'আগামীকাল'

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ১০৩জন দেখেছেন
Image

ঈদে খানিকটা চাঙ্গা হয়েছে সিনেমার বাজার৷ শাকিব-সিয়ামের হাত ধরে দর্শক সমাগম বেড়েছে। হল মালিকরাও সিনেমা নিয়ে আগ্রহী হয়েছেন।

এ সপ্তাহে মুক্তি 'ভাইয়ারে' ও 'আগামীকাল' নামে দুটি ছবি। তারমধ্যে অঞ্জন আইচ পরিচালিত 'আগামীকাল' সিনেমাটি আজ ৩ জুন থেকে চলছে ৩০টি হলে।

এ সিনেমায় শাফায়েত চরিত্রে অভিনয় করেছেন মামনুন ইমন, জাকিয়া বারী মম করছেন রুপা চরিত্র এবং সূচনা আজাদ আছেন অবন্তি চরিত্রে।

পরিচালক অঞ্জন বলেন, ‘ত্রিভুজ ভালোবাসার গল্প নিয়ে এই সিনেমা। ইমনের সঙ্গে দুই নায়িকার প্রেম বা ট্রায়াঙ্গেল লাভ হয়ে যায়। রোমান্টিক থ্রিলার টাইপ সিনেমা এটি।’

সিনেমাটির পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান দি অভি কথাচিত্র জানিয়েছে প্রথম সপ্তাহে ৩০টি হলে মুক্তি পাচ্ছে ‘আগামীকাল’।

যেসব হলে দেখা যাবে 'আগামীকাল'
স্টার সিনেপ্লেক্স- সনি স্কয়ার, মিরপুর-১, ব্লক বাষ্টার সিনেমাস- যমুনা ফিউটার পার্ক, সিলভার গ্রীন- চট্টগ্রাম, স্টার সিনেপ্লেক্স- বসুন্ধরা শপিংমল, তামান্না- সৈয়দপুর, স্টার সিনেপ্লেক্স-সীমান্ত সম্ভার, সংগীতা- খুলনা, পূরবী- ময়মনসিংহ, নন্দিতা- সিলেট, সুগন্ধা-চট্টগ্রাম, বনলতা- ফরিদপুর, থিলন- মাদারীপুর, নিউ মেট্রো-নারায়ণগঞ্জ, পূব্বাশা- শান্তাহার, রাজিয়া- নাগরপুর, অভিরুচি- বরিশাল, চাঁদমহল- কাঁচপুর, চিত্রামহল- ঢাকা, বর্ষা- জয়দেবপুর, সংগীত- ঢাকা, লায়ন সিনেমাস- কেরানীগঞ্জ, সিনেস্কোপ- নারায়ণগঞ্জ, রুট্স সিনে ক্লাব- সিরাজগঞ্জ, মধুমিতা-ঢাকা, শ্যামলী- ঢাকা, আনন্দ- ঢাকা, মনিহার- যশোর, মধুবন-বগুড়া, শাপলা- রংপুর, মডার্ন- দিনাজপুর হল।


আরও খবর