Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

গৃহবধূ থেকে স্মৃতি যেভাবে হলেন রক্তকন্যা

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
Image

আরাফাত আহমেদ রিফাত

‘জরুরি রক্তের প্রয়োজন’। এ,বি,এবি,ও নেগেটিভ কিংবা পজেটিভ এক ব্যাগ, কখনো দুই-তিন ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন। হয়তো কখনো ছোট শিশু কখনো আবার গর্ভবতী নারী কিংবা বৃদ্ধ কেউ। এমন পোস্ট প্রতিদিনই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের চোখে পড়ে।

এসব পোস্ট নিজের টাইমলাইন থেকে শুরু করে বিভিন্ন গ্রুপেই দেখা যায়। অনেক সময় সেলিব্রেটিদের ভেরিভায়েড পেজেও দেখা মেলে এমন মানবিক পোস্টের। কখনো এসব পোস্টের উপর নির্ভর করে রক্ত পাওয়া যায়, আবার কখনো কখনো পাওয়া যায় না।

তবে অনেকেই আছেন যারা শুধু ফেসবুকে পোস্ট দিয়েই বসে থাকেন না। রক্তের গ্রুপ জানা আছে এমন মানুষদের ফোন করেন, রক্ত দিতে রাজি হলে যত দ্রুত সম্ভব রক্ত সংগ্রহ করে রোগীর প্রাণ বাঁচান। এমনি একজন রাজবাড়ী জেলার সোনিয়া আক্তার স্মৃতি। ডাকনাম স্মৃতি হলেও সবার কাছে এখন তিনি রক্তকন্যা নামেই পরিচিত। কারণ স্মৃতি গত ১৩ বছরে ২৭ হাজারের অধিক মুমূর্ষ রোগীকে বিনামূল্যে রক্ত সংগ্রহ করে দিয়েছে। বর্তমানে তিনি প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করে দিচ্ছেন বিভিন্ন জায়গায়।

jagonews24

তবে এই রক্তকন্যার জীবনের গল্পটা একটু আলাদা। ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতেন গরীব ও অসহায় মানুষদের সাহায্য করবেন। কিন্তু ২০০৭ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার কিছুদিন পরই তার বিয়ে হয়ে যায়। ফলে তার স্বপ্নগুলোও মাটি চাপা পড়ে যায়। এ পর্যন্ত গল্পটা বাংলাদেশের আর দশটা সাধারণ নারীর মতোই। তবে এরপর স্মৃতির গল্পটা অন্য সব সাধারণ নারীর মতো নয় যারা ভেঙে পড়ে। বরং তার গল্পটা সেই সব গুটকয়েক নারীদের মতো যারা ঘুরে দাঁড়াতে জানে।

স্বামীর উৎসাহ আর অনুপ্রেরণায় এবং বন্ধুদের সহযোগিতায় তিনি গরীব ও অসহায় মানুষের জন্য কাজ শুরু করেন। হয়ে উঠেন আজকের রক্তকন্যা। স্মৃতি জানালনে তার শুরুর দিকের কাহিনি, স্মৃতির দাদার অপারেশনে দেরি হয় সময়মতো রক্ত না পাওয়ায়। অপারেশনের পর তিনি মারা যান। তখন থেকেই স্মৃতির মনে হতে থাকে সঠিক সময়ে রক্ত সংগ্রহ করতে পারলে হয়তো তার দাদা বেঁচে যেতেন।

এরপর থেকেই রক্ত নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা জাগে তার। ২০১১ সালের দিকে একদিন তিনি রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে গিয়ে ছিলেন। সেখানে দেখেন একজন বাবা তার মেয়ের জন্য হন্যে হয়ে রক্তের সন্ধান করছেন। স্মৃতির রক্তের গ্রুপের সঙ্গে সেই মেয়ের রক্তের গ্রুপের মিল না থাকায় সেদিন তিনি রক্ত দিতে পারেননি। তবে অনেক খোঁজ করে সেই মেয়েটির জন্য রক্ত জোগাড় করেছিলেন স্মৃতি। সেদিন অসুস্থ মেয়েটির বাবার স্বস্তি দেখে রক্ত নিয়ে কাজ শুরু স্মৃতির।

রক্ত সংগ্রহের পাশাপাশি স্মৃতি বেশ কয়েকবার রক্তদান করেছেন। একদল তরুণ-তরুণীকে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘রাজবাড়ী ব্লাড ডোনার্স ক্লাব’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। যার মাধ্যমে তিনি প্রতিনিয়ত মুমূর্ষ রোগীদের রক্ত সংগ্রহ করে দিচ্ছেন। এছাড়াও তিনি এই সংগঠন থেকে ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে রক্তদাতা সংগ্রহ, ফ্রি ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় এবং রক্তদানের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে প্রচারণা চালাচ্ছেন। রক্ত নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি তিনি ও তার সংগঠন করোনার লকডাউন চলাকালীন গরীব ও অসহায় মানুষের মাঝে বিনামূল্যে খাবার, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, গ্লাভস, মাস্ক বিতরণ করেন।

jagonews24

কাজ করতে গিয়ে মাঝে মাঝে রোগীর স্বজনদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে স্মৃতিকে। ব্লাড ব্যাগ, যিনি রক্ত টেনে দেন তার খরচ, ডোনারের যাতায়াত খরচ, ডোনারের জন্য সামান্য জুস বা ফল কেনাসহ এক ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করতে প্রায় ৪০০-৫০০ টাকা খরচ হয়। রোগীর স্বজনরা সেই টাকা দেওয়ার সময় ভাবেন তারা হয়তো তাদের কাছে ব্লাড বিক্রি করছে। যা খুবই দুঃখজনক। ব্লাড ডোনাররা বেশিরভাগই ছাত্র। যারা এত দূর দুরান্তে এসে রক্ত দিয়ে যায় কোনো রকম সংকচ ছাড়াই। রক্ত দেওয়ার পর যেন শরীর দুর্বল না হয় এজন্য কিছু ফল বা জুস খাওয়া দরকার হয় তাদের। ছাত্র হওয়ায় দূর দুরান্তে যাওয়া বেশ খরচ সাপেক্ষ। এজন্য তাদের যাতায়াতের ভাড়াটা দেওয়ার চেষ্টা করেন তারা। তবে স্মৃতি আশা করেন ভবিষ্যতে সবাই এসব বিষয় বুঝতে পারবেন।

র্বতমানে স্মৃতি দুই সন্তানের জননী এবং তার স্বামী একজন প্রবাসী। সামাজিক কাজে অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন ‘সাহিত্যের খেয়াঘাট পুরস্কার’, ‘প্রিয়বাসিনী বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড’ সহ অনেক সম্মাননা।


আরও খবর



ঝিনাইদহে বাসযাত্রীর পকেটে মিললো ৫৮২ গ্রাম স্বর্ণ

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ০৪ August ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

ঝিনাইদহের মহেশপুরের খালিশপুর বাজার থেকে ৫৮২ গ্রাম ওজনের পাঁচটি স্বর্ণের বারসহ রবিউল হোসেন (৬৮) নামে এক বাসযাত্রীকে আটক করেছে বিজিবি। তিনি মহেশপুর উপজেলার গুড়দাহ গ্রামের বাসিন্দা।

রোববার (৩১ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে তাকে আটক করা হয়। জব্দ করা স্বর্ণের বারগুলো কালীগঞ্জ এলাকা থেকে চুয়াডাঙ্গার সীমান্ত হয়ে ভারতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে জানায় বিজিবি।

ঝিনাইদহ বিজিবি-৫৮ ব্যাটালিয়নের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহীন আজাদ বলেন, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ কালীগঞ্জ এলাকা থেকে চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত হয়ে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছে বলে র‌্যাবের কাছে তথ্য আসে। পরে খালিশপুর বাজারে কালীগঞ্জ থেকে জীবননগরগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করা হয়। ওই সময় রবিউলের প্যান্টের পকেটে কাগজে মোড়ানো অবস্থায় পাঁচটি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, আটকের বিরুদ্ধে স্বর্ণ চোরাচালান আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে। সন্ধ্যায় ব্যাটালিয়ন সদর থেকে মহেশপুর থানায় তাকে হস্তান্তর করা হবে।


আরও খবর



বাণিজ্য ঘাটতি ৩ হাজার ৩২৪ কোটি ডলার

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ১৮জন দেখেছেন
Image

সদ্য শেষ হওয়া ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি অনেক বেড়েছে। এক বছরে রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় বেশি হয়েছে ৩ হাজার ৩২৪ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের (২০২০-২১) চেয়ে প্রায় ৯১৪ কোটি ডলার বেশি। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা ধরে) এ ঘাটতির পরিমাণ ৩ লাখ ১৪ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে ২ হাজার ৩৭৭ কোটি ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি ছিলো।

২০২০-২১ অর্থবছরের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যের (ব্যালান্স অব পেমেন্ট) ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের রিপোর্টে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, করোনা মহামারি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর থেকেই আমদানিতে জোয়ার বইছে। আর এতে আমদানি-রপ্তানির মধ্যে ব্যবধান বা বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অর্থনীতির বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আমদানির লাগাম টেনে ধরা। এটা করতে না পারলে সংকটে পড়বে অর্থনীতি।

চলতি হিসাব ভারসাম্যে (কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স) বড় ঘাটতিতে পড়েছে বাংলাদেশ। বিদায়ী অর্থবছরের ঘাটতির (ঋণাত্মক) পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৬৯ কোটি ডলার। আগের ২০২০-২১ অর্থবছরে একই সময়ে ঘাটতি ছিলো ৪৫৭ কোটি ডলার।

এছাড়া ২০২১-২২ অর্থবছরের সামগ্রিক লেনদেনে (ওভার অল ব্যাল্যান্স) ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৩৮ কোটি ডলার। অথচ ২০২০-২১ অর্থবছরের একই সময়ে এই সূচকে ৯২৭ কোটি ডলারের উদ্বৃত্ত ছিলো।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছর দেশে ২ হাজার ১০৩ কোটি ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এটি আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫ শতাংশ কম। গত ২০২০-২১ অর্থবছরে এসেছিল দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ডলার।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪ হাজার ৯২৪ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের চেয়ে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ। একই সময় আমদানি ব্যয় হয়েছে ৮ হাজার ২৪৯ কোটি ডলার। আর আমদানি বেড়েছে ৩৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ। রপ্তানির চেয়ে আমদানি বৃদ্ধির হার বেশি হওয়ায় বাণিজ্য ঘাটতিও বেড়েছে।

আলোচিত সময়ে সেবা খাতের বাণিজ্য ঘাটতিও বেড়েছে। বিদায়ী অর্থবছরের সেবা খাতে বাংলাদেশ আয় করেছে ৯৯৮ কোটি ডলার। অন্যদিকে, সেবা খাতে দেশের ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৩৮৫ কোটি ডলার। আর সেবা খাতের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩৮৭ কোটি ডলার। আগের ২০২০-২১ অর্থবছরের একই সময়ে এই ঘাটতি ছিলো ৩০২ কোটি ডলার।


আরও খবর



আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াত খাওয়া হলো না ইউসুফের

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াত খেতে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসামে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় আবু ইউসুফ জাবেদ (৪২) নামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার এক যাত্রী নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের লাকসাম চন্দনা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আবু ইউসুফ জাবেদ জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার খিলা ইউনিয়নের খিলা বড় বাড়ির মৃত মাওলানা হাবিবুর রহমানে ছেলে।

লাকসাম হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম চৌধুরী জাগো নিউজকে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, মনোহরগঞ্জ উপজেলার খিলা বাজার থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে আবু ইউসুফ জাবেদ তার পরিবারের ৪-৫ জন সদস্য নিয়ে জেলার নাঙ্গলকোটে এক আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াত খেতে যাচ্ছিলেন। কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের লাকসাম চন্দনা বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ডভ্যান অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে আবু ইউসুফ জাবেদ গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লাকসাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।


আরও খবর



স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের সবার একযোগে পদত্যাগ

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ০৩ August ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

বর্ণবাদের অভিযোগের ঘটনায় স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টসহ সব সদস্য একযোগে পদত্যাগ করেছেন। গত বছর বোর্ডের বিরুদ্ধে সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার মজিদ হক প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদের অভিযোগ করেছিলেন। সেই অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন আজ প্রকাশিত হওয়ার কথা।

সেই প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই বোর্ডের সবাই একসঙ্গে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে এ পদত্যাগের ঘোষণা দেন তারা।

২০১৫ সালের বিশ্বকাপ থেকে হুট করেই দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল মজিদ হককে। এরপর আর জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানো হয়নি তার। ফলে ৫৪ ওয়ানডে ও ২১ টি-টোয়েন্টিতে থেমে যায় তার ক্যারিয়ার। গতবছর মজিদ অভিযোগ তোলেন, বোর্ডের বর্ণবৈষম্যের শিকার হয়েছেন তিনি।

মজিদের অভিযোগে সায় দেন তার সাবেক সতীর্থ কাশিম শেখ। দুজনই জানান, পুরো ক্যারিয়ারজুড়েই বর্ণবৈষম্যের শিকার হয়েছেন তারা। এ অভিযোগের ভিত্তিতে স্পোর্টস্কটল্যান্ড তদন্ত কমিশন গঠন করে। স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের বিরুদ্ধে তারা বর্ণবৈষম্যের প্রমাণ পেয়েছে বলে জানাচ্ছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

শুধু তাই নয়, বোর্ডের সবার পদত্যাগ করে দেওয়া বিবৃতিতেও বর্ণবাদের অভিযোগের সত্যতার পরোক্ষ প্রমাণ রয়েছে। বোর্ডের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান নির্বাহী গর্ডন আর্থুরকে দেওয়া পদত্যাগপত্রে তারা লিখেছেন, ‘এই প্রতিবেদন থেকে যা আসবে, সেসব কার্যকরী করতে বোর্ড বদ্ধপরিকর ছিল।’

সেখানে আরও বলা হয়, ‘যারাই ক্রিকেট স্কটল্যান্ডে বর্ণবাদ অথবা যেকোনো ধরনের বৈষম্যের শিকার হয়েছেন, তাদের কাছে আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি এবং এর আগেই প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছি। আমাদের বিশ্বাস, সামনের দিনগুলোতে প্রয়োজনীয় উন্নতির জন্যই আমাদের সরে দাঁড়ানো উচিত।’


আরও খবর



নাটোরে ২৭ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিত:Saturday ২৩ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

হত্যাকাণ্ডের ৩০ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শাহজাহান ওরফে সোহরাব হোসেন স্বপনকে (৫৪) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। শনিবার (২৩ জুলাই) সকালে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমুরুল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার শাহজাহান নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পশ্চিম সোনাপাতিল গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে।

র‌্যাব-৫ রাজশাহীর উপ-অধিনায়ক মেজর মাহমুদ হাসান সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১৯৯২ সালের ১৭ মে শাহজাহান প্রকাশ্যে একই গ্রামের শাহাদাত আলীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। এ ব্যাপারে মামলা হলে আদালত শুনানি শেষে শাহজাহান আলীর অনুপস্থিতিতে ১৯৯৫ সালের ২ মে নাটোরের জেলা ও দায়রা জজ তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেন। হত্যাকাণ্ডের ত্রিশ বছর পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব শাহজাহান আলীকে গ্রেফতার করে।

এসময় নাটোর সিপিসি-২ র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক মো. ফরহাদ হোসেন ও কোম্পানির উপ-অধিনায়ক মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর