Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৮৯জন দেখেছেন
Image

আইসিবি এএমসিএল সিএমএসএফ গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড (ক্লোজ-অ্যান্ড)-এর খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম।

তিনি জানান, আইসিবি এএমসিএল সিএমএসএফ গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ডের লক্ষ্যমাত্রা ১০০ কোটি টাকা। ফান্ডটির উদ্যোক্তা হিসেবে ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড (সিএমএসএল) ৫০ কোটি টাকা এবং আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (আইসিবি এএমসিএল) ২০ কোটি টাকা দেবে।

ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) প্রি-আইপিও প্লেসমেন্টের ৫ কোটি টাকা দিয়েছে। বাকি ২৫ কোটি টাকা সকল বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে উত্তোলন করা হবে। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি অভিহিত মূল্য ১০ টাকা।

পুঁজিবাজার স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে এই গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড নিয়ে আসা হচ্ছে। গত ৩১ মার্চ সিএমএসএফ ফান্ডের ট্রাস্ট ডিড এবং বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা চুক্তির বিষয়ে বিএসইসি অনুমোদন দেয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ১১ এপ্রিল একটি ট্রাস্ট ডিড স্বাক্ষর হয়। ‘আইসিবি এএমসিএল সিএমএসএফ গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড’-এর স্পন্সর হলো ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড এবং সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে আছে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড। এছাড়া ফান্ডটির কাস্টোডিয়ান হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এবং ট্রাস্টি হিসেবে বাংলাদেশ জেনারেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ডিড স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সিএমএসএফ’র গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তারেক বলেন, এই ফান্ড গঠন বিএসইসি এবং সিএমএসএফ’র একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ, যা সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনবে।

এই ফান্ডে শতভাগ সাবস্ক্রিপশন হবে এমন আশাব্যক্ত করে আইসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন বলেন, এই ফান্ডটির কার্যক্রম সফল হলে পুঁজিবাজারে ক্লোজড-অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ড নিয়ে বিনিয়োগকারিদের ভীতি দূর হবে।

মিউচুয়াল ফান্ডটির সম্ভাবনা ও এর বিনিয়োগবান্ধব ধরনের ওপর দৃঢ় বিশ্বাস ও আশাবাদ ব্যক্ত করে সিএমএসএফ’র চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান বলেন, পুঁজিবাজারের গুণগত মান উন্নয়নে এটি কমিশনের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। বাংলাদেশের গৌরবময় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং মুজিববর্ষ উপলক্ষে গঠিত এই ফান্ডটি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএসইসি এবং সিএমএসএফ এই তহবিলটি গঠনের মাধ্যমে দেশের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোর সুসমন্বয় ঘটিয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য অবারিত সুযোগ ও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। এই তহবিল ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করবে এবং মিউচুয়াল ফান্ডের রোল মডেল হিসেবে কাজ করবে।

ফান্ডের সাথে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর একযোগে কাজ করার প্রতি গুরুত্বারোপ করে সিএমএসএফ’র চিফ অব অপারেশন মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, এই ফান্ড পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


আরও খবর



স্কুলছাত্রী ধর্ষণ: আদালতে গ্রেফতার দুই আসামির স্বীকারোক্তি

প্রকাশিত:Wednesday ১০ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৩জন দেখেছেন
Image

পঞ্চগড়ে স্কুলছাত্রীকে (১৬) দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সোমবার বিকেলে জ্যেষ্ঠ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অলরাম কার্জীর আদালতে তারা জবানবন্দি দেন। একই আদালতে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীরও জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।

গ্রেফতার দুই যুবক হলেন আটোয়ারী উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের মালগোবা এলাকার মো. রাজু (১৯) এবং পুরাতন আটোয়ারী এলাকার সাইফুল ইসলাম (৪৮)।

তাদের আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আটোয়ারী থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. দুলাল উদ্দিন।

এসময় আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে চাইলে আদালত রিমান্ড নামঞ্জুর করেন এবং তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।

এদিকে মামলায় উল্লেখ করা বাকি পাঁচ আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

আটোয়ারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে স্কুলছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্রসহ তাকে তার বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



৭ কলেজে এবার ভর্তির সুযোগ পাবেন ২১৫১৩ শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের চার বছর মেয়াদি স্নাতক শ্রেণির ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান, বাণিজ্য এবং কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৫ জুলাই) দুপুরের পর ভর্তি আবেদনের ওয়েবসাইট চালু হয়। শুরু হওয়া এ আবেদন প্রক্রিয়া চলবে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত। শিক্ষার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। ভর্তি আবেদনের জন্য নির্ধারিত লিংক- collegeadmission.eis.du.ac.bd এ গিয়ে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।

তবে কলেজ ও বিষয় নির্বাচনে অধিভুক্ত সাত কলেজের কোনটিতে কত সংখ্যক আসন রয়েছে, কোথায় কোথায় আসন বেড়েছে বা কমেছে, এ বিষয়গুলো নিয়ে বরাবরের মতো এবারও কৌতুহল রয়েছেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের। সাত কলেজের তিনটি অনুষদের সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহের মোট আসন সংখ্যা ও কলেজভিত্তিক আসন সংখ্যার বিস্তারিত তুলে ধরেই এ প্রতিবেদন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাবি অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের বিজ্ঞান, বাণিজ্য, কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তির জন্য ২০২১ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পর্যায়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে ইডেন মহিলা কলেজ ও বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের আসনসমূহ শুধু ছাত্রীদের এবং ঢাকা কলেজের আসনসমূহ শুধু ছাত্রদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া সরকারি তিতুমীর কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, এবং সরকারি বাঙলা কলেজে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হতে পারবেন। উপর্যুক্ত কলেজগুলোর বিজ্ঞান ইউনিটের শাখাসমূহের ভর্তি কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ, বাণিজ্য ইউনিটের শাখাসমূহের ভর্তি কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদ এবং কলা ও সমাজবিজ্ঞান ইউনিটের শাখাসমূহের ভর্তি কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।

তবে ডিগ্রিসমূহের সনদপত্র প্রদান করা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য কোনো সুবিধা ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য নয় বলেও জানানো হয়।

সাত কলেজে ভর্তি আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা:
প্রার্থীকে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক বা সমমান এবং ২০২১ সালের বাংলাদেশের যে কোনো শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান শাখায় অথবা গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিষয়ে উচ্চ মাধ্যমিক অথবা মাদরাসা বোর্ডের বিজ্ঞান শাখায় আলিম অথবা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞানের সংশ্লিষ্ট বিষয় অথবা বিজ্ঞান শাখায় IAL/A-Level অথবা সমমানের বিদেশি ডিগ্রিধারী হতে হবে।

ইউনিভিত্তিক আবেদনের যোগ্যতা:
১. বিজ্ঞান ইউনিটে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে চতুর্থ বিষয়সহ মোট জিপিএ সেভেন (৭.০০) হতে হবে।

২. বাণিজ্য ইউনিটে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে চতুর্থ বিষয়সহ জিপিএ সাড়ে ছয় (৬.৫০) হতে হবে।

৩. কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে চতুর্থ বিষয়সহ মোট জিপিএ ছয় (৬.০০) হতে হবে।

পরীক্ষার তারিখ:
১. বিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ আগস্ট।
২. কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা ১৯ আগস্ট।
৩. বাণিজ্য অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৬ আগস্ট।

ভর্তি পরীক্ষার নম্বর ও পাস নম্বর:
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ১২০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ শতাংশ, অর্থাৎ ৪৮।

ভর্তি পরীক্ষার ফি ও ফি জমাদান প্রক্রিয়া:
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি ৬০০ টাকা। ফি জমা দেওয়া যাবে মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ডসহ সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ও রুপালী ব্যাংকের মাধ্যমে।

ইউনিট, কলেজ ও বিভাগভিত্তিক আসন সংখ্যা:
সাত কলেজে এবার মোট আসন সংখ্যা ২১ হাজার ৫১৩টি। গত বছর মোট আসন ছিল ২৬ হাজার ১৬০টি। সে হিসাবে এবার ৪ হাজার ৬৪৭টি আসন কমেছে।

এ বছর সাত কলেজে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে কলেজ ও বিষয়ভিত্তিক আসন সংখ্যা ৬ হাজার ৫০০টি। এরমধ্যে-

১. ঢাকা কলেজে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ১০৯০টি। এরমধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ১২০টি, রসায়ন বিভাগে ১২০টি, গণিত বিভাগে ২১০টি, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে ১২৫টি, প্রাণিবিদ্যা বিভাগে ১২৫টি, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে ১২৫টি, মনোবিজ্ঞান বিভাগে ১২৫টি ও পরিসংখ্যান বিভাগে আসন রয়েছে ১৪০টি।

২. কবি নজরুল সরকারি কলেজে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ৬৩০টি। এর মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ১০০টি, রসায়ন বিভাগে ১০০টি, গণিত বিভাগে ১০০টি, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে ১০০টি, প্রাণিবিদ্যা বিভাগে ১০০টি, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে রয়েছে ১৩০টি আসন।

৩. সরকারি বাঙলা কলেজে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ৭১৫টি। এর মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ১০৫টি, রসায়ন বিভাগে ১৩০টি, গণিত বিভাগে ১৮০টি, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে ১০৫টি, প্রাণিবিদ্যা বিভাগে ১২০টি এবং মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে ৭৫টি আসন রয়েছে।

৪. সরকারি তিতুমীর কলেজে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ১৫১০টি। এরমধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ২৫০টি, রসায়ন বিভাগে ২৫০টি, গণিত বিভাগে ৩০০টি, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে ২৫০টি, প্রাণিবিদ্যা বিভাগে ২৫০টি, পরিসংখ্যান বিভাগে ৭০টি, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে ৭০টি এবং মনোবিজ্ঞান বিভাগে ৭০টি আসন রয়েছে।

৫. সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ৭৪০টি। এরমধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ১০০টি, রসায়ন বিভাগে ১২০টি, গণিত বিভাগে ১২০টি, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে ১০০টি, প্রাণিবিদ্যা বিভাগে ১০০টি, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে ১০০টি এবং মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে ১০০টি আসন রয়েছে।

৬. ইডেন মহিলা কলেজে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ১২২৫টি। এরমধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ১২৫টি, রসায়ন বিভাগে ১২৫টি, গণিত বিভাগে ২০০টি, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে ১৫০টি, প্রাণিবিদ্যা বিভাগে ১৫০টি, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে ১৬৫টি, পরিসংখ্যান বিভাগে ৫০টি, মনোবিজ্ঞান বিভাগে ১৪০টি ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগে ১২০টি আসন রয়েছে।

৭. বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন ৫৯০টি। এরমধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ৬৫টি, রসায়ন বিভাগে ৮৫টি, গণিত বিভাগে ৬৫টি, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগে ৫৫টি, প্রাণিবিদ্যা বিভাগে ৮০টি, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে ৮০টি, মনোবিজ্ঞান বিভাগে ৮০টি এবং গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগে আসন রয়েছে ৮০টি।

সাত কলেজে বাণিজ্য ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ৫ হাজার ৩১০টি। এরমধ্যে—

১. ঢাকা কলেজে বাণিজ্য ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ৬০০টি। এর মধ্যে ব্যবস্থাপনা বিভাগে ৩০০টি ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ৩০০টি আসন রয়েছে।

২. ইডেন মহিলা কলেজে বাণিজ্য ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ১০৫৫টি। এরমধ্যে ব্যবস্থাপনা বিভাগে ৩২০টি, হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ৩৩০টি, মার্কেটিং বিভাগে ২১৫টি ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে ১৯০টি আসন রয়েছে।

৩. সরকারি তিতুমীর কলেজে বাণিজ্য ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ১৪৬৫টি। এরমধ্যে ব্যবস্থাপনা বিভাগে ৪৬২টি, হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ৪৭৮টি, মার্কেটিং বিভাগে ২৭০টি ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে ২৫৫টি আসন রয়েছে।

৪. সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে বাণিজ্য ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ৪০০টি। এরমধ্যে ব্যবস্থাপনা বিভাগে ২০০টি ও হিসাববিজ্ঞান ২০০টি আসন রয়েছে।

৫. কবি নজরুল সরকারি কলেজে বাণিজ্য ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ৭০০টি। এরমধ্যে ব্যবস্থাপনা বিভাগে ৩০০টি, হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ৩০০টি, মার্কেটিং বিভাগে ৫০টি ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে ৫০টি আসন রয়েছে।

৬. বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে বাণিজ্য ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ১৩০টি। এরমধ্যে ব্যবস্থাপনা বিভাগে ৬৫টি ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগে রয়েছে ৬৫ আসন।

৭. সরকারি বাঙলা কলেজে বাণিজ্য ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ৯৬০টি। এরমধ্যে ব্যবস্থাপনা বিভাগে ৩৬০টি, হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ৩৬০টি, মার্কেটিং বিভাগে ১২০টি ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে আসন রয়েছে ১২০টি।

কলা ও সমাজবিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে সাত কলেজে মোট আসন সংখ্যা ৯ হাজার ৭০৩টি। এরমধ্যে—

১. ঢাকা কলেজে কলা ও সমাজবিজ্ঞান ইউনিটের মোট আসন সংখ্যা ১৫৪২টি। যেখানে বাংলা বিভাগে ১৬০টি, ইংরেজি বিভাগে ১৯২টি, ইতিহাস বিভাগে ১৮০টি, দর্শন বিভাগে ১৪৪টি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ১০৪টি, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ৮০টি, অর্থনীতি বিভাগে ১৮৮টি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ২১২টি, সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ২০০টি, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে ৩২টি, মনোবিজ্ঞান বিভাগে ৩২টি, পরিসংখ্যান বিভাগে ৭টি ও গণিত বিভাগে ১১টি আসন রয়েছে।

২. ইডেন মহিলা কলেজে কলা ও সমাজবিজ্ঞান ইউনিটে মোট আসন সংখ্যা ২১০৪টি। এরমধ্যে বাংলা বিভাগে ১৮৪টি, ইংরেজি বিভাগে ২৪০টি, ইতিহাস বিভাগে ১৯২টি, দর্শন বিভাগে ১৫২টি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ১৯২টি, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ১১২টি, অর্থনীতি বিভাগে ২৩২টি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ২৪০টি, সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ২২৪টি, সমাজকর্ম বিভাগে ২১৬টি, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে ৪২টি, মনোবিজ্ঞান বিভাগে ৩৫টি, পরিসংখ্যান বিভাগে ৩টি, গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগে ৩০টি ও গণিত বিভাগে ১০টি আসন রয়েছে।

৩. সরকারি তিতুমীর কলেজে কলা ও সমাজবিজ্ঞান ইউনিটে মোট আসন ২২৮৭টি। এরমধ্যে বাংলা বিভাগে ২৪৮টি, ইংরেজি বিভাগে ২৯২টি, ইতিহাস বিভাগে ১৬৮টি, দর্শন বিভাগে ২০০টি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ২০৮টি, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ১১৬টি, অর্থনীতি বিভাগে ৩০৪টি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ৩২০টি, সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ১৮৮টি, সমাজকর্ম বিভাগে ১৮৮টি, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে ১৮টি, মনোবিজ্ঞান বিভাগে ১৮টি, পরিসংখ্যান বিভাগে ৪টি ও গণিত বিভাগে ১৫টি আসন রয়েছে।

৪. কবি নজরুল সরকারি কলেজে কলা ও সমাজবিজ্ঞান ইউনিটে মোট আসন রয়েছে ১১৩৪টি। এরমধ্যে বাংলা বিভাগে ১২০টি, ইংরেজি বিভাগে ১৬০টি, ইতিহাস বিভাগে ১২০টি, দর্শন বিভাগে ৯৬টি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ১২০টি, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ১৬০টি, অর্থনীতি বিভাগে ১২০টি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ১২০টি, আরবি বিভাগে ৮০টি, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে ৩৩টি ও গণিত বিভাগে ৫টি আসন রয়েছে।

৫. সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে কলা ও সমাজবিজ্ঞান ইউনিটে মোট আসন সংখ্যা ৮৫৫টি। এরমধ্যে বাংলা বিভাগে ৮৮টি, ইংরেজি বিভাগে ৮৮টি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ৯৬টি, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ৮০টি, অর্থনীতি বিভাগে ১২০টি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ১৩৬টি, সমাজকর্ম বিভাগে ১৩৬টি, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে ২৫টি ও গণিত বিভাগে ৬টি আসন রয়েছে।

৬. বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে কলা ও সমাজবিজ্ঞান ইউনিটে মোট আসন রয়েছে ৭৬৪টি। এরমধ্যে বাংলা বিভাগে ৮০টি, ইংরেজি বিভাগে ৬৪টি, ইতিহাস বিভাগে ৪০টি, দর্শন বিভাগে ৪৮টি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ৪৮টি, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ৪০টি, অর্থনীতি বিভাগে ১৩২টি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ৬৮টি, সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ৭২টি, সমাজকর্ম বিভাগ ১০৮টি, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে ২০টি, মনোবিজ্ঞান বিভাগে ২০টি, গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগে ২০টি ও গণিত বিভাগে ৪টি আসন রয়েছে।

৭. সরকারি বাঙলা কলেজে কলা ও সমাজবিজ্ঞান ইউনিটে মোট আসন সংখ্যা ১০১৭টি। এরমধ্যে বাংলা বিভাগে ১৭৬টি, ইংরেজি বিভাগে ১৪৪টি, ইতিহাস বিভাগে ৯৬টি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ৮৮টি, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ৮০টি, অর্থনীতি বিভাগে ১১২টি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ১৯৬টি, সমাজকর্ম বিভাগে ১১৬টি ও গণিত বিভাগে ৯টি আসন রয়েছে।

২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। এরপর থেকে এসব কলেজের একাডেমিক সব কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিচালিত হয়ে আসছে।


আরও খবর



পান্না গ্রুপে চাকরির সুযোগ

প্রকাশিত:Saturday ৩০ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান পান্না গ্রুপে ‘হেড অব ইন্টারনাল অডিট (এজিএম/ডিজিএম)’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৯ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: পান্না গ্রুপ

পদের নাম: হেড অব ইন্টারনাল অডিট (এজিএম/ডিজিএম)
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিএ/বিবিএ/সিএ
অভিজ্ঞতা: ০৮ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থী ধরন: পুরুষ
বয়স: ৩৫-৫০ বছর
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা www.jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২৯ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



আরও ৮৭ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৭ জন। এ নিয়ে সারাদেশে মোট ৩৪৪ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে এসময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

সোমবার (১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারাদেশে নতুন করে ৮৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৬৬ জন ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৬ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ২১ জন।

দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎধীন মোট ৩৪৪ জন ডেঙ্গুরোগীর মধ্যে ঢাকার ৪৭টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ২৬৭ জন এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৭৭ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সর্বমোট ২ হাজার ৩৯৩ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২ হাজার ৩৯৩ জন।

এসময়ে ঢাকায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৩১০ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৩৯ জন। ঢাকার বাইরে ভর্তি হয়েছেন ৪৩৭ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৫৪ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বছরের প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে গত ২১ জুন। ওইদিন একজনের মৃত্যু হয়েছিল। সবশেষ গত শনিবার (৩০ জুলাই) ঢাকা সেন্ট্রাল হাসপাতালে আরও এক ডেঙ্গুরোগীর মৃত্যু হয়। গত ২১ জুনের পর থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু জ্বরে মোট ১০ জন মারা গেছেন।

২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ওই বছর দেশে ডেঙ্গুতে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।


আরও খবর



কোরআন সংরক্ষক হজরত জায়েদ (রা.)

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
Image

হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত। কোরআন সংরক্ষক। তিনি ছিলেন কোরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ ধারক, বাহক ও প্রচারক। মদিনার বনু নাজ্জার গোত্রের এ আনসারী যুবক সাহাবি মাত্র ২২ বছর বয়স থেকে কোরআন সংরক্ষণের এ কাজে নিজেকে আত্মনিয়োগ করেন। কোরআন সংরক্ষণে কেমন ছিল তার অবদান?

ঐশী আল-কোরআন। যা দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে বিশ্বমানবতার কল্যাণে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর নাজিল হয়েছিল। এ কোরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ ধারক, বাহক ও প্রচারক ছিলেন সাহাবায়ে কেরাম। কোরআনের জন্য যারা সবচেয়ে বেশি নিবেদিত ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম একজন ছিলেন হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু। কোরআন সংরক্ষণের যার ভূমিকা ছিল অনন্য।

হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহুর ভূমিকা ও সাহাবায়ে কেরামের ঐকান্তি প্রচেষ্টা ও মহান আল্লাহর রহমতেই আজো কোরআন অবিকৃত অবস্থায় দুনিয়ায় বিদ্যমান। যা মুসলিম উম্মাহর কাছে এক অনন্য আমানত। কোরআন সংরক্ষণের অগ্রসেনানী হজরত জায়েদ ইবনে সাবিতের অবদান ও সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরা হলো-

মুসলিম উম্মাহর কাছে যে অবিকৃত ও অখণ্ড কোরআন রয়েছে, এ কোরআন প্রাপ্তিতে হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহুর অবদান সবচেয়ে বেশি। মাত্র ২২ বছর বয়সের জায়েদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু পবিত্র কোরআনের আয়াত, সুরাগুলো সংরক্ষণ ও সংগ্রহে নিরলস কাজ করেছিলেন।

জন্মা ও ইসলাম গ্রহণ

তিনি মদিনার বনু নাজ্জার গোত্রে জন্ম গ্রহণ করেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লামের মদিনায় হিজরতের পর ১১ বছর বয়সে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহুও ইসলাম গ্রহণ করেন।

জ্ঞান চর্চার আগ্রহ ও অহি লেখক

ছোটবেলা থেকেই হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত জ্ঞানচর্চায় বেশ মনোযোগি ছিলেন। বিশেষ করে ইসলাম গ্রহণের পর কোরআন মুখস্ত করাসহ ইলম অর্জনে তার আগ্রহ ছিল অনেক বেশি। কোরআন মুখস্তের প্রচেষ্টা ও ইলম অর্জনের আগ্রহ দেখে বিশ্বনবি তাঁকে কাতেবে অহি তথা অহি লেখকের  মর্যাদা দেন। সে সময় থেকে আজও তিনি বিশ্বব্যাপী কাতেবে অহি হিসেবে পরিচিত।

ইহুদি ধর্মগ্রন্থ ও সুরিয়ানি ভাষা শেখা

বিশ্বনবি তার ক্ষুরধার মেধাশক্তি দেখেই তাকে ইহুদিদের ধর্মগ্রন্থ শেখার নির্দেশ দেন। মাত্র ১৫ দিনে তিনি ইহুদিদের পুরো ধর্মগ্রন্থ আত্মস্থ করে নেন। এরপর তিনি হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহুকে সুরিয়ানি ভাষা শেখার নির্দেশ দেন। ইলম শেখার এ আগ্রহ, প্রখর মেধাশক্তি ও জ্ঞানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে শায়খুল কুররা এবং মুফতিউল মাদিনা বলা হতো।

কোরআন মুখস্ত

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছ থেকে তিনি পুরো কোরআন মুখস্ত করেন এবং নবিজীর ইন্তেকালের বছর তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দুইবার পুরো কোরআন তেলাওয়াত করে শোনান। তখনও কোরআন লিপিবদ্ধ আকারে ছিল না। তখন সাহাবায়ে কেরামের সিনায় তথা হাফেজে কোরআনের বুকে পবিত্র কোরআন সংরক্ষিত ছিল। কোরআনের পাণ্ডুলিপিগুলো যা কিছু লেখা ছিল, তাও বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল।

কোরআন সংরক্ষণের দায়িত্বভার

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের পর খোলাফায়ে রাশেদার যুগে বিভিন্ন যুদ্ধে হাফেজ সাহাবিদের শাহাদাতবরণ বিজ্ঞ সাহাবিদের চিন্তিত করে তোলে। অবশেষে হজরত ওমর ও হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং কোরআন সংরক্ষণের জন্য জোর তাগিদ দেন। হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর পরামর্শে হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু কোরআন সংরক্ষণের গুরুদায়িত্ব হজরত জায়েদ ইবনে সাবিতের ওপর অর্পন করেন।

হজরত আবু বকরের নির্দেশ

খলিফা হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু হজরত জায়েদ ইবনে সাবিতকে লক্ষ্য করেন বলেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি একজন বুদ্ধিমান যুবক। তোমার ব্যাপারে আমরা কোনো মন্দ ধারণা পোষণ করি না। হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু তাদের এ আস্থা অটুট রেখে পবিত্র কোরআন সংরক্ষণের দায়িত্ব যথাযথ পালন করেন।

কোরআন সংরক্ষণের গুরুদায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে হজরত জায়িদ ইবনে সাবিত বলেন, ‘আল্লাহর শপথ! যদি আমাকে কোনো পাহাড় স্থানান্তর করার দায়িত্ব দেওয়া হতো, তবে তা আমার কাছে কোরআন সংরক্ষণের চেয়ে অনেক সহজ হতো।

হজরত ওসমানের যুগে

পবিত্র কোরআন সংকলনের জন্য হজরত ওসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলা হয় জামেউল কোরআন। তিনি কোরআন বিশেষজ্ঞ ১২ সাহাবার সমন্বয়ে এক কমিটি গঠন করে পবিত্র কোরআন সংকলন চূড়ান্ত করেন। হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু সে বিশেষজ্ঞ কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন।

ইন্তেকাল

কোরআন সংরক্ষণের অনন্য ভূমিকা পালনকারী হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত ৪৫ হিজরিতে পবিত্র নগরী মদিনায় ইন্তেকাল করেন। আল্লাহ তাআলা ডাকে সাড়া দিয়ে চলেগেছেন পরকালের সুন্দর ভুবনে।

আল্লাহ তাআলা তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। তাঁর নেক আমলের ফায়েজ ও বরকত মুসলিম উম্মাহকে দান করুন। মুসলিম উম্মাহকে বিশুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে নিজেদের ঈমান বাড়ানোসহ কোরআনের সমাজ বিনির্মাণের হিম্মত দান করুন। আমিন।


আরও খবর