Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

গোদাগাড়ীতে শিশুদের মাঝে গাছের চারা বিতরন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৩৮জন দেখেছেন

Image

মুক্তার হোসেন,গোদাগাড়ী(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃরাজশাহীর গোদাগাড়ীতে শিশুদের মাঝে পুষ্টির চাহিদা পুরণের লক্ষে ১৯ হাজার ২৫০ টি ফলজ গাছের চারা বিতরন করা হয়।বৃহস্পতিবার ১৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টায়  উপজেলার আই হাই উচ্চ বিদ্যালয়ে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গোদাগাড়ী এপির উদ্যোগে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গোদাগাড়ী এপি ম্যানেজার প্রেরণা চিসিমের সভাপতিত্বে  ফলজ গাছের চারা বিতরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন,গোদাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসিদুল গণি মাসুদ,আই হাই উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক হোসেন আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গোদাগাড়ী এপির প্রোগ্রাম অফিসার এন্ড্রিকাস মুর্মু প্রমূখ। উল্লেখ্য যে উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও ২ পৌরসভার মধ্যে ১৯হাজার ২৫০ টি ফলজ চারা বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে আম ৭ হাজার ৭০০টি, লিচু ৩হাজার ৮৫০টি পেয়ারা ৩হাজার ৮৫০টি লেবু-৩ হাজার ৮৫০টি ফলজ গাছের চারা শিশুদের মাঝে তুলে দেয়া হয়। যা শিশুদের পুষ্টি চাহিদা পুরণে সাহায্য করবে।


আরও খবর



আমতলীতে ব্রীজ ভেঙ্গে বিয়ের নয় কনেযাত্রী নিহত, ঠিকাদারের শাস্তির দাবীতে বিক্ষোভ

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৪৯জন দেখেছেন

Image

আব্দুল্লাহ আল নোমান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:আমতলী উপজেলা চাওড়া নদীর উপর নির্মিত হলদিয়া হাট ব্রীজ ভেঙ্গে বিয়ের নয় কনে যাত্রী নিহত হয়েছে। নিহতের মধ্যে এক পরিবারের তিনজন। অপর নিহতরা সকলেই পরস্পর আত্মীয়স্বজন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারীতে আকাশ ভারী হয়ে উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে ঠিকাদার শহীদুল ইসলাম মৃধা দায়সারা ব্রীজ নির্মাণ করেছে। ফলে নির্মাণের ৫ বছরের মাথায় ব্রীজের মাঝখানের ভীম ভেঙ্গে যায়। গত ১০ বছর ধরে এ ভাঙ্গা নরবরে ব্রীজের উপর দিয়ে হলদিয়া ইউনিয়ন ও চাওড়াসহ উপজেলার অন্তত অর্ধ লক্ষ মানুষ চলাচল করতো। ব্রীজ নির্মাণকারী ঠিকাদার শহীদুল ইসলাম মৃধার শাস্তি দাবীতে  এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করেছে।  ঘটনা ঘটেছে শনিবার দুপুর দেরটার দিকে।  

জানাগেছে, আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তর ২০০৮-০৯ অর্ধ বছরে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলার চাওড়া ও হলদিয়া ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত চাওড়া  নদীর উপর হলদিয়া হাট এলাকায় আয়রণ ব্রীজ নির্মাণের দরপত্র আহবান করে। ওই ব্রীজের নির্মাণের পাঁচ বছরের মাথায় ব্রীজের মাঝের ভীম ভেঙ্গে যায়। গত ১০ বছর ধরে ওই ভাঙ্গা ব্রীজ দিয়ে  হলদিয়া ইউনিয়ন ও চাওড়াসহ উপজেলার অন্তত অর্ধ লক্ষ মানুষ চলাচল করে আসছে।  শনিবার দুপুর দেরটার দিকে কাউনিয়া ই্ব্রাহিম একাডেমির সহকারী শিক্ষক উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের মাসুম বিল্লাহ মনিরের মেয়ে হুমায়রা আক্তারের সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমতলী পৌর শহরের খোন্তাকাটা এলাকার বাসিন্দা সেলিম মাহমুদের ছেলে ডাঃ সোহাগের বিয়ে হয়। গত শুক্রবার ওই কনেকে বরের বাড়ী তুলে আনেন। শনিবার মেয়ের পক্ষের লোকজন বরের বাড়ীতে মাইক্রো এবং অটো গাড়ীতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে হলদিয়া ব্রীজ পাড় হওয়ার সময় ব্রীজের মাঝের অংশ ভেঙ্গে যায়। এতে মাইক্রোবাস ও অটো গাড়ী নদীতে পড়ে যায়। অটোতে থাকা যাত্রীরা সকলে সাতরে কিনারে উঠতে পারলেও মাইক্রোবাসের যাত্রীরা নদীতে তলিয়ে যায়। তাৎক্ষনিক স্থানীয়রা ওই মাইক্রোতে থাকা লোকজনকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী নাশির উদ্দিন। খবর পেয়ে আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। ততক্ষণে মাইক্রোবাসে থাকা কনে পক্ষের ৯ যাত্রী নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন রুবিয়া (৪৫), রাইতি (২২), ফাতেমা (৫৫), জাকিয়া (৩৫), রুকাইয়াত ইসলাম (৪), তাহিয়া মেহজাবিন আজাদ (৭), তাসফিয়া (১৪), ঋধি (৪) ও রুবি বেগম (৩৫)। এদের মধ্যে রুকাইয়াত ইসলাম ও জাকিয়ার বাড়ী উপজেলার দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া গ্রামে। অপর নিহত ৭ জনের বাড়ী মাদারিপুর জেলার শিবচর উপজেলার কোকরার চর গ্রামের বাসিন্দা। এরা কনে হুমায়রার মামা বাড়ীর আত্মীয়স্বজন। নিহতদের আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। এদিকে এ ঘটনার পরপর ব্রীজ নির্মাণকারী ঠিকাদার শহীদুল ইসলাম মৃধার বিচার দাবীতে কয়েক হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে। খবর পেয়ে বরগুনা-১ আসনের সাংসদ গোলাম সরোয়ার টুকু, জেলা প্রশাসক মোহাঃ রফিকুল ইসলাম,  উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম সরোয়ার ফোরকান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) তারেক হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন। 

মাইক্রোবাসে থাকা সোহেল মিয়া বলেন, মাইক্রোবাসে কনে পক্ষের ১৬ জন যাত্রী বরের বাড়ীতে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে হলদিয়া হাট ব্রীজের উঠামাত্রই ব্রীজ মাঝখান দিয়ে ভেঙ্গে মাইক্রোবাসটি নদীতে পড়ে যায়। আমিসহ ৩ জন সাতরে কিনারে উঠতে পেরেছি। পরে স্থানীয়, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। 

প্রত্যক্ষদর্শী ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম স্বপন ও নাশির উদ্দিন বলেন, মাইক্রোবাস ও অটোগাড়ীটি ব্রীজের মাঝখানের আসা মাত্রই ধপাস করে ব্রীজ ভেঙ্গে নদীতে পড়ে যায়। তাৎক্ষনিক আমরা স্থানীয়দের নিয়ে উদ্ধারের চেষ্টা চালাই। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ এসে উদ্ধার কাজে অংশ নেয়।

একই পরিবারের তিন নিহতের স্বজন আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমার কিছুই রইলো না। আমার দুই কন্যা ও স্ত্রী মারা গেছে। সব হারিয়ে আমি এখন অসহায়। হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিক বলেন, ব্রীজ নির্মাণ কালে ঠিকাদার শহীদুল ইসলাম মৃধা দায়সারা ব্রীজ নির্মাণ করেছে। ফলে নির্মাণের অল্প দিনের মধ্যেই ব্রীজের মাখঝানের ভীম ভেঙ্গে গেছে। ওই ভাঙ্গা ব্রীজ দিয়ে অন্তত অর্ধলক্ষ মানুষ চলাচল করতো। তিনি আরো বলেন, এই ভাঙ্গা ব্রীজ মেরামতের জন্য আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে বহুবার জানিয়েছি কিন্তু তিনি আমলে নেয়নি। যার ফলে আজ ৯ জনের প্রাণ গেল। ঠিকাদার দায়সারা ব্রীজ নির্মাণ করায় এবং উপজেলা প্রকৌশলী ব্রীজ সংস্কার না করায় তাদের শাস্তি দাবী করছি।

আমতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, ব্রীজ ভেঙ্গে মাইক্রোবাস নদীতে ডুবে নিয়ে বিয়ের কনে পক্ষের ৯ জন মানুষ মারা গেছে। নিহতদের ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। 

ঠিকাদার শহীদুল ইসলাম মৃধা বলেন, আমি যথাযথ ভাবেই ব্রীজ নির্মাণ করেছি। ব্রীজ নির্মাণ কাজে কোন অনিয়ম করিনি। 

আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ওয়ার ইনচার্জ মোঃ হানিফ বলেন, চার ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে মাইক্রোবাস উদ্ধার করতে পারিনি। উদ্ধার চেষ্টা অব্যহত আছে। 

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, ব্রীজ ভেঙ্গে নিহত ৯ জনই হাসপাতালে আনার পুর্বেই মারা গেছেন। 

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী  আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমতলীতে আমার যোগদানের পুর্বে এ ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমার কিছুই জানিনা।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) তারেক হাসান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছি। উদ্ধার কাজের তদারকি করছি। 

বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছি। এ ব্রীজ নির্মাণ যে ঠিকাদার অনিয়ম করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।  

বরগুনা-১ আসনের সাংসদ গোলাম সরোয়ার টুকু বলেন, নিহতের স্বজনদের হাসপাতালে সমবেদনা জানিয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছি। ঘটনাস্থলে বিক্ষুদ্ধ মানুষকে শান্ত করেছি। তিনি আরো বলেন,  ব্রীজ নির্মাণে অনিয়মের কারনে এমন ঘটনা ঘটে থাকলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। নিহতের পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করা হবে।


আরও খবর



রাজপথে চেঁচামেচি করে কোটা বাতিল করা যাবে না: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজপথে আন্দোলন বা চেঁচামেচি বা বকাবাদ্য করে এটা নিরসন হবে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেন, কোটার বিষয়টি সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নেই, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন আদালত। রাজপথে আন্দোলন বা চেঁচামেচি বা বকা-বাদ্য করে এটা নিরসন হবে না। এটা করলে একটা পর্যায়ে হয়তো আদালত অবমাননাও হয়ে যেতে পারে।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, কোটা নিয়ে বিচারাধীন মামলায় পক্ষভুক্ত হতে চাওয়ার শিক্ষার্থীরা সঠিক পথে হাঁটছেন। যেহেতু তারা আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আমি আশা করব, তারা আন্দোলন প্রত্যাহার করবেন।

আনিসুল হক আরও বলেন, আমি যতদূর জেনেছি, যখন হাইকোর্ট বিভাগে এই মামলা চলে, তখন আজকে যারা কোটাবিরোধী আন্দোলন করছেন তারা কিন্তু তাদের বক্তব্য আদালতের কাছে পেশ করার জন্য কোনো আইনজীবী নিয়োগ করেননি। তাদের বক্তব্য সেখানে দেননি। তার পরে মামলাটার রায় হয়ে গেছে, মামলাটি এখন আপিল বিভাগে।

তবে যারা কোটা বাতিলের দাবিতে যারা আন্দোলন করছেন আপিল বিভাগে তারা একজন আইনজীবী রেখে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করতে পারেন। আপিল বিভাগ তাদের বক্তব্য শুনে বিবেচনা করতে পারেন একটি গণমাধ্যমকে এমনটি জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী।

ঘটনা আদালতে ঘটেছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, রাজপথে আন্দোলন করে বা চেঁচামেচি করে বা বকা-বাদ্য করে এটার নিরসন হবে না। এটা করলে একটা পর্যায়ে হয়তো আদালত অবমাননাও হয়ে যেতে পারে। সঠিক জায়গা হলো, তারা যদি পক্ষভুক্ত হয়ে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। অবশ্যই আপিল বিভাগ সব পক্ষ শুনবেন এবং সব পক্ষ শুনে আপিল বিভাগ একটা ন্যায় বিচার করবেন। এটাই আমাদের আশা এবং আমার মনে হয় সেটাই হবে।


আরও খবর



জিন্স প্যান্ট ও চোখে কালো চশমা পরলে স্মার্ট হওয়া যায় না, পড়াশুনাও স্মার্ট হতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা; নওগাঁ প্রতিনিধি:পুরস্কার নেওয়া যেমন আনন্দের। তা ধরে রাখাও অনেকটা চ্যালেঞ্জ এবং দায়িত্ব এখন অনেক বেড়ে গেলো। তাই মনোযোগ সহকারে পড়াশুনা করে এইচএসসিতে ফলাফলও ধরে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে ভাল প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ হবে। জিন্স প্যান্ট ও চোখে কালো চশমা পরলে স্মার্ট হওয়া যায় না। পড়াশুনাও স্মার্ট হতে হবে। তোমরা সুশিক্ষায় এগিয়ে যাবে এবং মানবিক মানুষ হবে। শনিবার দুপুরে নওগাঁয় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

খাদ্যমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জীবনে বড় হতে হলে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। বই আর বালিসকে আপন করতে হবে। মাদক ও মোবাইলের অপব্যবহার হতে নিজেদের বিরত রাখার কঠোর সংকল্প থাকতে হবে।

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের সন্তানরা যেন অসৎ সঙ্গে না জড়ায় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। সন্তানদের ডিজিটাল প্রযুক্তির ভালো দিক গ্রহণ আর খারাপ বিষয়গুলো বর্জন শেখাতে হবে। মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার তাদের উপকারের পরিবর্তে ক্ষতি বেশি করে এটা বোঝাতে হবে। এসময় শিক্ষার্থীদের সাবজেক্ট পছন্দের ক্ষেত্রে তাদের পছন্দ ও পারদর্শিতাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহবান জানান তিনি।

নওগাঁ চেম্বার অফ কর্মাস এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি সভাপতি ও ইথেন এন্টাপ্রাইজ এর স্বত্তাধিকারী ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল এর সভাপতিত্বে নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যরিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান এবং জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির রহমান রিজভী বক্তব্য  রাখেন।

পরে ২০২৩ সালে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫৭০ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান শেষে ক্রেস্ট, সনদ ও পুরুষ্কার তুলে দেন। 

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



দেশব্যাপী ওয়ানপ্লাস নর্ড সিই৪ লাইট ফাইভজি পাওয়া যাচ্ছে

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৩৯জন দেখেছেন

Image

প্রযুক্তি ডেস্ক:ওয়ানপ্লাস নর্ড সিই৪ লাইট ফাইভজি স্মার্টফোন এখন দেশব্যাপী পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে তৈরি ওয়ানপ্লাসের দ্বিতীয় ডিভাইসটির ফিচার উন্নয়নে ব্যবহারকারীদের পছন্দকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

ওয়ানপ্লাসের জনপ্রিয় স্মার্টফোন সিরিজ নর্ড। এক্ষেত্রে ফ্ল্যাগশিপ-লেভেলের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে ওয়ানপ্লাস নর্ড সিই৪ লাইট ফাইভজি। ডিভাইসটি সেরা মান ও সর্বোচ্চ আস্থা নিশ্চিতে বাংলাদেশ সরকারের সবরকম টেস্টে উত্তীর্ণ হয়েছে।

আগ্রহী ক্রেতারা দেশের যেকোনো ওয়ানপ্লাস স্টোর থেকে ক্রয়ের পাশাপাশি দারাজ , পিকাবু , গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার ও ডলবেয়ার থেকে অনলাইনে অর্ডার দেয়ার সুযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে ওয়ানপ্লাস বাংলাদেশ’র সিইও মেঙ্ক ওয়াং বলেন, “আমরা নর্ড সিরিজের ডিভাইসে ব্যবহারকারীর সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নর্ড সিই৪ লাইট ফাইভজি ফোনে ফ্ল্যাগশিপ-লেভেলের উদ্ভাবনী হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ফিচার ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলাদেশে ওয়ানপ্লাস পণ্যের প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও চাহিদা আমাদের এই যাত্রাকে আরও রোমাঞ্চকর করে তুলেছে।

বাংলাদেশের মানুষের জন্য আরও অনেক প্রযুক্তি ও পণ্য নিয়ে আসবো আমরা।” অ্যাকুয়া টাচ সহ ১২০ হার্জ সুপার-ব্রাইট ২,১০০ নিটস অ্যামোলেড ডিসপ্লে, ৮০ ওয়াট সুপারভুক ফাস্ট চার্জিং সহ ৫,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি এবং ওআইএস সহ সনি লিটিয়া ৬০০ ক্যামেরার ফিচারে সমৃদ্ধ ওয়ানপ্লাস নর্ড সিই৪ লাইট ফাইভজি ফোনটি মাত্র ২৭,৯৯৯ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য অফিশিয়াল ফেইসবুক পেইজ https://www.facebook.com/oneplus.bangladesh.official বা ওয়েবসাইট https://www.oneplus.com/bd ভিজিট করতে পারেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



বিশ্বমানের এল. জি. টিভি তৈরি করবে র‍্যানকন ইলেকট্রনিক্স

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৬০জন দেখেছেন

Image

প্রযুক্তি ডেস্ক:এবার দেশে টেলিভিশন শিল্পে যোগ হলো আর একটি নতুন অধ্যায়। টেলিভিশন উৎপাদনে র‍্যানকন ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড এর সাথে ফ্যাক্টরি উদ্বোধন করলো এলজি ইলেক্ট্রনিক্স। এখন থেকে এলজি ব্রান্ডের সকল লেটেস্ট মডেলের স্মার্ট টেলিভিশন উৎপাদন হবে গাজীপুরে সাত লক্ষ স্কয়ার ফিট জায়গা জুড়ে গঠিত র‍্যানকন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে।

টেলিভিশন উৎপাদনে এরই মধ্যে র‍্যানকন ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড তাদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছে।প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে অত্যাধুনিক টিভি ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্ট। দেশে স্মার্ট টেলিভিশনের বাজারও বড় হচ্ছে। গত ১১ বছর ধরে ওলেড টেলিভিশনের ক্ষেত্রে এলজি সারা বিশ্বে শীর্ষস্থানে রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক এলজি কোম্পানির বিভিন্ন আকারের এবং মডেলের টেলিভশন বাজারজাত করবে র‍্যানকন ইলেকট্রনিক্স। জানা গিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি দেশের বাজারে বছরে প্রায় ১ লক্ষ্য গ্রাহক চাহিদা মেটাতে সক্ষ্যম হবে।

এই অনুষ্ঠানে র‍্যানকন ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির গ্রুপ এমডি- রোমো রউফ চৌধুরী, এমডি- ফারহানা করিম, বিভাগীয় পরিচালক- ইমরান জামান এবং নির্বাহী পরিচালক কাজী আশিক উর রহমান। এলজি ইলেকট্রনিক্সের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক সিইও- জা সেউং কিম, সিঙ্গাপুর এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি)- সুংহো চুন এবং বাংলাদেশ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি)- পিটার কো।

অনুষ্ঠানে র‍্যানকন ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর রোমো রউফ চৌধুরী বলেন, “আমরা সাশ্রয়ী মূল্যে এবং দেশব্যাপী সেবার মাধ্যমে এলজি ব্র্যান্ডটিকে বাংলাদেশের জনগণের মাঝে পৌছে দিতে চাই” ।

এলজি ইলেকট্রনিক্স এর আঞ্চলিক সিইও- জা সেউং কিম বলেন, “বাংলাদেশ মার্কেট আমাদের জন্য অনেক গুরুতপূর্ন এবং প্রতিটি ঘরে ঘরে বিশ্বসেরা প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।


আরও খবর