Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

ঘুম ভাঙতেই বুকে ব্যথা কীসের লক্ষণ?

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকেই হয়তো বুকে ব্যথা অনুভব করে। তবে বিষয়টি অনেকেই অবহেলা করেন। কারণ পরবর্তী সময়ে হয়তো ব্যথা কমেও যায়। তবে দীর্ঘদিন একই সমস্যায় ভুগলে তা উপেক্ষা করবেন না। কারণ বিভিন্ন কারণে বুকে ব্যথা করতে পারে। তবে বুকে ব্যথা নিয়ে ঘুম ভাঙা কীসের লক্ষণ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, বুকে ব্যথা নিয়ে জেগে ওঠা মানসিক চাপ বা বদহজমের কারণে হতে পারে। আবার হার্ট অ্যাটাক বা পালমোনারি এমবোলিজমের মতো গুরুতর সমস্যার কারণেও ব্যথা হতে পারে।

এ কারণে বুকে ব্যথা সবসময় গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত। যদি ব্যথা কয়েক মিনিটেরও বেশি সময় ধরে থাকে, তাহলে সর্বোত্তম পদক্ষেপ নিতে হবে। জেনে নিন বুকে ব্যথার সম্ভাব্য যত কারণ-

বুকে ব্যথার হার্ট সম্পর্কিত কারণ

>> যখন আপনার হার্টের পেশিতে অক্সিজেন সরবরাহকারী একটি ধমনী অবরুদ্ধ হয়, তখন আপনার হার্ট অ্যাটাক হয়। এই ব্লক প্রায়ই রক্ত জমাট বাঁধার কারণে হয়।

>> এনজাইনার কারণেও বুকে ব্যথা হয়। যা হৃৎপিণ্ডে রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে হয়। এটি প্রায়শই হৃদয়ে রক্ত বহনকারী ধমনীতে প্লাক তৈরির কারণে ঘটে।

>> পেরিকার্ডাইটিস। আপনার হৃদপিণ্ডের চারপাশে থাকা থলিতে প্রদাহকে পেরিকার্ডাইটিস বলা হয়। এটি সাধারণত ব্যথা সৃষ্টি করে, যা শ্বাস নেওয়া বা শুয়ে থাকার সময় বেড়ে যায়।

>> মায়োকার্ডাইটিস। যদি আপনার হৃদপিণ্ডের পেশি (মায়োকার্ডিয়াম) স্ফীত হয়, তবে এটি দ্রুত বা অস্বাভাবিক হৃদযন্ত্রের ছন্দ সৃষ্টি করতে পারে যাকে অ্যারিথমিয়াস বলা হয়।

>> অর্টিক ডিসেকশন বা ফেটে যাওয়া। এই জীবন-হুমকির অবস্থা তখনই ঘটে, যখন মহাধমনীর ভেতরের স্তরগুলো হৃৎপিণ্ডের প্রধান ধমনী থেকে আলাদা হয়ে যায়।

বুকে ব্যথার হজম সংক্রান্ত কারণ

>> অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (জিইআরডি) বুকে ব্যথার আরও এক উপসর্গ। পেটের অ্যাসিড গলাকে সংযোগকারী টিউবের মধ্যে ফিরে যাওয়ার কারণে অম্বল হয়। ফলে বুক জ্বালাপোড়া ও ব্যথা হয়।

>> ডিসফ্যাগিয়া সাধারণত গলার উপরের অংশে বা খাদ্যনালির আরও নীচে থাকে। যা খাবার গিলতে কষ্টকর করে তোলে। এই সমস্যার কারণেও বুকে ব্যথা হতে পারে।

>> প্যানক্রিয়াটাইটিসের কারণেও বুকে ব্যথা হতে পারে। পেটের পেছনে অবস্থিত একটি বৃহৎ গ্রন্থি এটি। যখন এই গ্রন্থি ফুলে ওঠে তখন উপরের পেটে ব্যথা হতে পারে যা বুকেও ছড়িয়ে পড়ে।

>> পিত্তথলির পাথর বা যে কোনো প্রদাহের কারণেও বুকে ব্যথা হতে পারে।

বুকে ব্যথার শ্বাস-প্রশ্বাস সংক্রান্ত কারণ

>> পালমোনারি এমবোলিজম। যখন ফুসফুসের একটি ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধে ও ফুসফুসের টিস্যুতে রক্ত প্রবাহে বাধা দেয়, তখন একে পালমোনারি এমবোলিজম বলা হয়। এটি সাধারণত বুকে টানটান ভাব ও ব্যথা সৃষ্টি করে। যা হার্ট অ্যাটাকের মতো অনুভূত হয়।

>> ফুসফুসের চারপাশে থাকা ঝিল্লি ও বুকের গহ্বরের ভিতরের প্রাচীর ফুলে ওঠে তখন বুকে ব্যথার সৃষ্টি হতে পারে। কাশি বা শ্বাস নেওয়ার সময় এমন ব্যথা বেড়ে যায়।

>> পালমোনারি হাইপারটেনশনের কারণেও বুকে ব্যথা হতে পারে। এক্ষেত্রে হার্টবিট বেড়ে যায় ও বুকে একটি আঁটসাঁট অনুভূতির সৃষ্টি হতে পারে।

>> ফুসফুসের ক্যানসারের কারণে ফুসফুসে অস্বাভাবিক কোষ বেড়ে যায়। যা ফুসফুসের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। ফুসফুসের ক্যানসার সাধারণত বুকে ব্যথার সৃষ্টি করে, যা গভীর শ্বাস বা কাশির সঙ্গে বেড়ে যায়।

বুকে ব্যথার অন্যান্য কারণ

কস্টোকন্ড্রাইটিস। যখন পাঁজরের খাঁচার তরুণাস্থি ফুলে ওঠে তখন একে কস্টোকন্ড্রাইটিস বলে। এই অবস্থার কারণে হার্ট অ্যাটাকের মতো ব্যথা হতে পারে বুকে।

>> প্যানিক অ্যাটাকের সম্মুখীন হন অনেকেই। তখন বুকে ব্যথার সঙ্গে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস ও প্রচুর ঘাম হয়। প্যানিক অ্যাটাকের মধ্যে প্রায়ই মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব ও তীব্র ভয়ের অনুভূতি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

>> বুকে আঘাত লাগার কারণেও ব্যথা হতে পারে। এক্ষেত্রেও আপনি ঘুম থেকে ওঠার সময় বুকে ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

>> পারিবারিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত এক গবেষণাপত্রে গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, অনেক সময়ে স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে সকালের দিকে। এ কারণে মাঝে মধ্যে ব্যথা হতে পারে বুকে।

তবে স্ট্রেস হরমোনের অতিরিক্ত ক্ষরণ নানাভাবে শরীরের ক্ষতি করতে পারে। তাই বুকে ব্যথাকে কখনো অগ্রাহ্য করবেন না। এতে ঘটতে পারে নানা বিপদ।

সূত্র: হেলথলাইন


আরও খবর



পাহাড়ি ঢলে ভাসছে শেরপুর

প্রকাশিত:Friday ১৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে দ্বিতীয় দফায় শেরপুরের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশী ও সোমেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের অন্তত ৩০ গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

এসব এলাকার রামেরকুড়া, দিঘীর পাড়, চতলের বেড়িবাঁধ ভেঙে আশপাশের বিভিন্ন এলাকার ওপর দিয়ে প্রবল স্রোতে পানি প্রবেশ করছে।

jagonews24

পানির তোড়ে শুক্রবার (১৭ জুন) দুপুরে রামেরকুড়া বাঁধের সঙ্গে চার বাড়ি ও দুটি মুরগির খামার ভেসে গেছে। সেইসঙ্গে ওই গ্রামের বেশ কয়েকটি বাড়ির মানুষ পানিবন্দি হয়ে আটকে পড়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা করছেন স্থানীয়রা।

নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী ও ভোগাই নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নিম্নাঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) রাত থেকে টানা বৃষ্টি ও মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের নদ-নদীর পানি বেড়েছে। শুক্রবার জেলা সদরে ৮৫ ও নালিতাবাড়ী উপজেলায় ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

নালিতাবাড়ীর চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ১৭৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদ-নদীর পানি বাড়ায় নদীর আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে।

অন্যদিকে ঝিনাইগাতীর মহারশী নদীর ভাঙা বাঁধ দিয়ে নিম্নাঞ্চলে ফের পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এতে আতংকে রয়েছেন স্থানীয়রা।

ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আল মাসুদ বলেন, আমরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণ করে দ্রুত সহায়তা দেওয়া শুরু হবে।

jagonews24

এদিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় জরুরি ভিত্তিতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে সভা করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সভায় সকল দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী, এনজিও, সুশীল সমাজ, স্কাউট, রেডক্রিসেন্টসহ সবাইকে বন্যা মোকাবিলায় সর্বাত্মক আহ্বান জানানো হয়।

জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার জানান, বন্যা পরিস্থিতিতে সব দপ্তরপ্রধানদের সার্বক্ষণিক কর্মস্থলে থাকার জন্য বলা হয়েছে। উপজেলাগুলোতে জিআর চাল, নগদ অর্থ, শুকনা খাবার বরাদ্দ দিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ।


আরও খবর



আবেগ ও ভালোবাসার অপর নাম হজ

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

যার বুক-দিল আছে সে আল্লাহকে মুহব্বত না করে পারে না। যার অন্তর যত বেশি জিন্দা ও সজীব, আল্লাহর প্রতি তার ভালোবাসাও ততবেশি। দুনিয়াতে যদিও তারা আল্লাহকে দেখে না, কিন্তু দিন-রাত প্রতিটি মুহূর্তে তারা মহান রবের এতবেশি নেয়ামত ভোগ করে যে, তারা আল্লাহর ভালোবাসায় ডুবে থাকে। আল্লাহ প্রেমিক মুমিন বান্দার জন্য আবেগ ও ভালোবাসার অপর নাম হজ।

হজের ঘোষণা

কাবা শরিফ নির্মাণের পর মহান আল্লাহ হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে এ মর্মে নির্দেশ দিলেন যে, বাইতুল্লায় হজের জন্য বিশ্ববাসীকে আহ্বান করো। সেদিন হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের মুখের আহ্বানেই চলছে আজকের হজ ও ওমরাহ। রূহের জগতে যারা সেদিন হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের আহ্বান শুনতে পেয়েছিলেন, তারাই যুগে যুগে হজ-ওমরা করে আসছেন এবং দুনিয়ার শেষ পর্যন্ত এ ধারাবাহিকতায় পালিত হবে আবেগ ও ভালোবাসার এ হজ।

হজযাত্রীরা কাবামুখী

মুমিন বান্দা আল্লাহর ভালোবাসায় আত্মহারা পাগলপারা হয়ে পবিত্র নগরী মক্কা, মিনা, আরাফা ও মুজদালিফায় গিয়ে অবস্থান নেয়। হৃদয়ের আবেগ ও অনুভূতি ঢেলে দিয়ে তাঁর দিদার পাওয়ার সাধনায় আত্মনিয়োগ করে। এ মিছিলে যোগ দিতে সারাবিশ্ব থেকে লাখো হজযাত্রীর কাফেলা প্রতিদিন কাবামুখী। কেউ যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে আবার কেউ কাবা শরিফ গিয়ে ‘লাব্বাইক’ ধ্বনিতে হাজিরা দিচ্ছে। আবেগ ও ভালোবাসার এ এক অনন্য উপমা।

হজ জীবনে একবার ফরজ

আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় বান্দাদের হজের সুযোগ করে দিয়ে তার একান্ত সান্নিধ্যে ডেকে নিয়ে যান। প্রকৃত আল্লাহ প্রেমিকই হজের সফরে তার ভালোবাসা খুঁজে পান। আল্লাহ তাআলা এসব বান্দার জন্য কাবা শরিফকে ভালোবাসার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে নির্ধারণ করেন। আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত হওয়াকে আবশ্যক করেন। নবিজী বলেছেন, আরাফায় উপস্থিত হওয়াই হজ। সাফা-মারওয়া, মিনা, মুজদাফেলাও হজের অন্যতম রোকন বা নিদর্শন। যার প্রতিটি রোকনেই আছে মুমিনের আবেগ ও ভালোবাসা। আল্লাহর প্রতি মুমিনের এ ভালোবাসাই প্রকৃত ভালোবাসা। সামর্থ্যবানদের জন্য জীবনে একবার হজ করা ফরজ।

একত্ববাদের সমর্থনই হজ

হজের মাধ্যমে হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম ও তার পরিবারের প্রতিটি আমলের অনুসরণ করা হয়। যাতে তাওহিদের তথা আল্লাহর একত্ববাদের আহ্বানের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করা হয়।

হজরত ইবরাহিমের বিভিন্ন নিদর্শনই হজ

আল্লাহর প্রতি আবেগ ও ভালোবাসার অনন্য প্রতীক হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম। জীবনে বহু পরীক্ষায় এর প্রমাণ দেন। আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার সর্বোত্তম আদর্শও তিনি। তিনি তাঁর জীবনে কত কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীনই না হয়েছিলেন!

জীবনের শুরু থেকে তিনি আকল, বুদ্ধি, যুক্তি ও অভিজ্ঞতার দাবি অস্বীকার করে সন্তুষ্টচিত্তে মহান রবের আদেশ পালন করেছেন। আল্লাহর আদেশ পালনের এ মিশনে তিনি একাই লড়েছেন। কারো কাছে মাথা নত করেননি। আল্লাহকে ভালোবেসেই তিনি তা চালিয়ে যান।

স্ত্রী-পুত্রকে নির্জনে রেখে আসা

তাঁকে আদেশ করা হলো- প্রাণপ্রিয় স্ত্রী ও পুত্রকে নির্জন মরুভূমিতে রেখে আসার, যেখানে না আছে খাদ্য-পানীয় আর না আছে জীবন ধারণের জন্য কোনো উপকরণ। না আছে কোনো জনবসতি। যা ছিল মানুষের যুক্তি, বুদ্ধি, অভিজ্ঞতার বিচারে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। কিন্তু তিনি মহান রবের ভালোবাসায় এ নির্দেশ মেনে নেন।

প্রাণপ্রিয় পুত্রকে কোরবানি

তাঁকে আবারো নির্দেশ দেওয়া হলো- প্রাণপ্রিয় জিনিস আল্লাহর জন্য কোরবানি করতে, কিন্তু তিনি বার বার কোরবানি করা সত্ত্বেও একই নির্দেশ পেতে থাকেন। অবশেষে কলিজার টুকরো সন্তান ইসমাঈলকে কোরবানি করার সিদ্ধান্ত নেন। ছেলেকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানালে সন্তানও তা বিনা বাক্যে মেনে নেন। স্বাভাবিক জ্ঞান, যুক্তি, বুদ্ধি ও অভিজ্ঞতার বিচারে এটিও ছিল চূড়ান্ত বিদ্রোহ। আল্লাহর প্রতি আবেগ, প্রেম ও ভালোবাসায় তিনি সফলতা পান। এ জন্যই আবেগ ও ভালোবাসার অপর নাম হজ।

হজের মাধ্যমে মুমিন বান্দা মূলত হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের জীবনের কোরবানিগুলোকেই অনুসরণ ও অনুকরণ করে থাকেন। এ সবের উদ্দেশ্য হলো-

জীবনভর সে আকল-বুদ্ধি দ্বারা পরিচালিত হয়েছে কিন্তু তার প্রকৃত দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো আল্লাহ তাআলার গোলামী করা। দুনিয়ার প্রতিটি কাজে স্বাভাবিক আকল-বুদ্ধি গ্রহণ করুক আর না করুক, মহান আল্লাহর প্রতিটি হুকুম-আহকাম অম্লান বদনে মেনে নেওয়া। এমনকি শরিয়তের উপর আমল করার যে চিরায়ত অভ্যাস, সেটাই বান্দা নির্দ্বিধায় ছেড়ে দেয় শুধু এ জন্য যে, এখন এটাই হলো মহান আল্লাহর হুকুম।

তাইতো মুমিন মুসলমান আরাফার ময়দান থেকে মাগরিবের সময় নামাজ না পড়েই রওয়ানা দেয়। এটাই মহান রবের হুকুম। যত রাতই হোক সে মুজদালিফায় এসে মাগরিব ও ইশার নামাজ আদায় করবে। অথচ সে সারা জীবন মাগরিব পড়েছে মাগরিবের সময় আর ইশা পড়েছে ইশার সময়। কিন্তু আরাফায় এটিই ইসলামের বিধান ও হুকুম।

মহান রব মুমিন বান্দার আবেগ ও ভালোবাসার হজের নির্দেশ দেন এভাবে-

وَ لِلّٰهِ عَلَی النَّاسِ حِجُّ الۡبَیۡتِ مَنِ اسۡتَطَاعَ اِلَیۡهِ سَبِیۡلًا ؕ وَ مَنۡ کَفَرَ فَاِنَّ اللّٰهَ غَنِیٌّ عَنِ الۡعٰلَمِیۡنَ

আর আল্লাহর (সন্তুষ্টির) জন্য বাইতুল্লায় হজ করা ফরজ, (কিন্তু তা সকলের জন্য নয়) তা সামর্থ্যবান মানুষের জন্য। আর যে তা না মানে (তবে তাতে আল্লাহর কোনো ক্ষতি হবে না, কেননা) আল্লাহ তো নিশ্চয় সৃষ্টিকুল থেকে অমুখাপেক্ষী।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ৯৭)

আল্লাহর এ বিধান পালনই হজ। যা সামর্থ্যবানদের জন্য জীবনে একবার পালন করা ফরজ। মুমিন মুসলমান জীবনে একবার হজ পালনের বিষয়টি তাদের হৃদয়ে লালন করে। আল্লাহর সন্তুষ্টি ও দিদার পাওয়ার ভালোবাসার অনন্য নিদর্শন হজ।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সবাইকে হজ করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহর প্রতি আবেগ ও ভালোবাসার প্রকৃত নমুনা উপস্থাপন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



চট্টগ্রাম কাস্টমসে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের কর্মবিরতি

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
Image

শুল্ক মূল্যায়ন বিধিমালা-২০২০ এর যথাযথ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে কর্মবিরতি পালন করছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন।

কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৭ জুন) সকাল থেকে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করে কাস্টমস কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এদিন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে সারাদেশের শুল্ক স্টেশনগুলোতে কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে।

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের উত্থাপিত দাবিসমূহের মধ্যে রয়েছে, শুল্ক মূল্যায়ন বিধিমালা-২০২০ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা, এইচএস কোড ও সিপিসি ভুলের কারণে জরিমানা আরোপ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ ও বিধিবিধান বাতিল করা, লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ ও কাস্টমস অ্যাক্ট ১৯৬৯ এর ধারা ২০৯ মোতাবেক কার্যক্রম গ্রহণ না করে এবং সিএন্ডএফ এজেন্টদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ বা শুনানি প্রদানের সুযোগ না দিয়েই এআইএন লক করা বা লাইসেন্সিং সাময়িক বাতিল করা, কোনো দোষ প্রমাণিত না হলেও জরিমানা আরোপের মতো কার্যক্রম বন্ধ করাসহ ব্যবসায়ীদের স্বার্থবিরোধী বিধি-উপবিধি বাতিলের দাবি জানানো হয়।

কাস্টমস হাউস খোলা থাকা পর্যন্ত এ কর্মবিরতি চলবে বলে জাগো নিউজকে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু।

তিনি বলেন, সারাদেশের সব শুল্ক ভবন ও স্টেশনে আজ পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছি আমরা। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের প্রধান ফটকে আমাদের অবস্থান চলছে। আমরা আজ বিল অ্যান্ট্রি দাখিল, শুল্কায়ন, ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডার জমাসহ সব কাজ বন্ধ রেখেছি।

গত ১৮ মে সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স রুলের অপব্যাখ্যা করে প্রায় দুই শতাধিক লাইসেন্স নবায়ন না করার অভিযোগ এনে চট্টগ্রাম কাস্টমসে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করে চট্টগ্রাম কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। পরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হয়।


আরও খবর



দক্ষিণ কোরিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
Image

দক্ষিণ কোরিয়ার দায়েগু শহরে অগ্নিকাণ্ডে সাতজন নিহত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে অগ্নিসংযোগ করেছে। ওই ঘটনায় আরও ৪৬ জন আহত হয়েছে। খবর বিবিসির।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে শহরের জেলা আদালতের কাছে একটি অফিস ভবনে বিস্ফোরণ থেকে আগুন ধরে যায়।

পুলিশ বলছে, তারা ওই ঘটনা তদন্ত করছে। তারা মনে করছেন, এই ঘটনা ইচ্ছাকৃত। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে এই ঘটনায় সন্দেহ করা হচ্ছে। কিন্তু তিনি ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন।

দুর্ঘটনার পর পরই দেড় শতাধিক দমকল কর্মীকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ২০ মিনিটেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। ইতোমধ্যেই আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। ওই ভবনের সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গেছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি জিনিসপত্র নিয়ে দ্বিতীয় তলার অফিসে ঢুকছে।


আরও খবর



ওয়ার্নারের যে পরামর্শে বদলে গেলো ফিঞ্চের ব্যাটিং

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

শ্রীলঙ্কা সিরিজ শুরুর করার আগে অধিনায়ক অ্যারোন ফিঞ্চের ফর্ম নিয়েই সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় ছিল অস্ট্রেলিয়া। দলের অধিনায়কের ব্যাটে রান নেই। আইপিএলে মাত্র ৫টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন কেকেআরের হয়ে। তাতে রান করেছেন কেবল ৮৬টি। এর মধ্যে ছিল একটি হাফ সেঞ্চুরি।

অ্যারোন ফিঞ্চের ব্যাটিংয়ের এই বাজে অবস্থা প্রত্যক্ষ করে তাকে বেশ কিছু পরামর্শ দিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। তার সেই পরামর্শই দারুণ কাজ দিয়েছে ফিঞ্চকে। আইপিএল চলাকালীনই নিজ দলের অধিনায়ককে ফর্মে ফেরাতে যে ওয়ার্নার উপদেশ দিয়েছিলেন, সেগুলো তিনি নিজেই জানালেন।

আইপিএল চলাকালীন ওয়ার্নার মেসেজ করে ফিঞ্চকে বলেছিলেন, একেবারেই বলকে তাড়া না করতে। বলকে তার ব্যাটের কাছাকাছি আসার পর শট খেলার পরামর্শ দেন তিনি। সেই পরামর্শ মেনেই মূলতঃ ফর্মে ফিরেছেন ফিঞ্চ।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচেই যার প্রমাণ দেখা গেছে। লঙ্কানদের ছুঁড়ে দেয়া মাত্র ১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কোনো উইকেট না হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অসিরা। ফিঞ্চ ৪০ বলে ৬১ রান এবং ওয়ার্নার ৭০ রান করে অপরাজিত থাকেন। ফিঞ্চের ব্যাটে ৪টি করে বাউন্ডারি এবং ছক্কার মার ছিল।

প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের পর ডেভিড ওয়ার্নার বলেন, ‘আমি ওকে (ফিঞ্চকে) শুধু এটুকুই বলেছিলাম, বলের দিকে এগিয়ে গিয়ে সে যে ‘ওয়াক আউট' শটটা খেলে তা যেন না খেলে। যদি ফুল লেন্থে বল আসে, তাহলে বলকে বাতাসে মুভ করতে দাও তারপর খেল। যদি স্থিরভাবে থাক এবং লেগ স্ট্যাম্প লাইনে থাক তাহলে বলের সঙ্গে ব্যাটের সম্পূর্ণ সম্পর্ক হবে। যদি বল লেট সুইং করে তাহলে বল লেগের দিকে বেরিয়ে যাবে। আমি সবসময় ওর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলাম। এটা আমরা করেই থাকি। দুজন দু'জনকে সবসময় সাহায্য করি। ছোট ছোট জিনিস আমরা মেসেজ করি একে অপরকে জানাই।'


আরও খবর