Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

গাংনীতে র‌্যাবের অভিযানে ফেনসিডিলসহ আটক-১

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯২জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ,মেহেরপুর প্রতিনিধিঃমাদক পাচারের অভিযোগে স্বপন ইসলাম (৩৭) নামের একজনকে আটক করেছে র‌্যাব। র‌্যাব-১২ মেহেরপুরের গাংনী ক্যাম্পের একটি টীম আজ রোববার দুপুরে মেহেরপুর- কুষ্টিয়া সড়কের আকুবপুর নামক স্থানে অভিযান চালায়। এসময় তার কাছ থেকে ২৯ বোতল ফেনসিডিল, ফেনসিডিল বহনের ব্যাটারী চালিত পাখি ভ্যান ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। স্বপন ইসলাম গাংনীর সহড়াতলা গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে। মামলাসহ তাকে গাংনী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

র‌্যাব ক্যাম্প কমান্ডার এএসপি মনিরুজ্জামান জানান, ফেনসিডিল পাচার হচ্ছে মর্মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি টীম মেহেরপুর- কুষ্টিয়া সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশী চালায়। এসময় ভ্যান থেকে সহড়াতলা গ্রামের আজের উদ্দীনের ছেলে বাদশা একজন দৌড়ে পালিয়ে গেলেও ধরা পড়ে স্বপন। দু’জনের বিরুদ্ধে মামলাসহ গাংনী থানায় স্বপনকে সোপর্দ করা হয়েছে।


আরও খবর

ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজের এডহক কমিটির বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৬জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:কুমিল্লার চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজের এডহক কমিটির বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করেছে কলেজের আজীবন দাতা এবং কলেজ প্রতিষ্ঠাতা ড. রেদোয়ান আহমেদ এর স্ত্রী মমতাজ আহমেদ। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) ওই সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশনে বিচারপতি নাঈমা হায়দার এবং বিচারপতি কাজী জিনাত হক এর বেঞ্চে রিট আবেদনটি করা হয়।

উচ্চ আদালত এসময় কলেজের নব গঠিত এডহক কমিটিতে দাতা/হিতৈষী সদস্য হিসেবে মো. মনির খন্দকার এবং শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে উত্তম কুমার মজুমদারকে অন্তর্ভুক্ত করা কেন অবৈধ নয় মর্মে রুল জারি করেন।

রিটে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, কলেজ পরিদর্শক, কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি মো. শাহজালাল মিঞা এবং কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়।

একই সাথে আদালত আবেদনকারী মমতাজ আহমেদকে দাতা সদস্য হিসেবে এডহক কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা এবং শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত একজন শিক্ষককে শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জারি করা কলেজ/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (সংশোধিত) নীতিমালা ২০১৯ এর ৬নং ধারা অনুযায়ী কলেজ অধ্যক্ষ গত ৯ জানুয়ারি তারিখে দাতা সদস্য হিসেবে মমতাজ আহমেদকে এবং শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত কলেজের প্রভাষক মো. রুহুল আমিনকে শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করে দিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর একটি কমিটির প্রস্তাব করেছিল। যা  গত ২২ জানুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত পূর্ণাঙ্গ এডহক কমিটিতে বাদ দেওয়া হয়েছে।

আবেদনকারীর পক্ষে রিটটি পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের এ্যাডভোকেট সুমাইয়া ইফরিত বিনতে আহমেদ।

এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজের আংশিক এডহক কমিটি অনুমোদন দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এতে মো. শাহজালাল মিঞাকে সভাপতি এবং মো. আবদুল মমিন সরকারকে বিদ্যাৎসাহী সদস্য করা হয়। পরবর্তীতে ২২ জানুয়ারি দাতা/হিতৈষী সদস্য হিসেবে মো. মনির খন্দকার এবং শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে উত্তম কুমার মজুমদারকে অন্তর্ভুক্ত করে পূর্ণাঙ্গ এডহক কমিটি অনুমোদন দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

আরও খবর

ভিকারুননিসার শিক্ষক ২ দিনের রিমান্ডে

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পত্নীতলায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ইউপি সদস্য গ্রেফতার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯২জন দেখেছেন

Image

ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:নওগাঁর পত্নীতলায় এক নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আনারুল ইসলামকে প্রতিবাদী জনতা কর্তৃক ধৃত উত্তম-মধ্যম দিয়ে থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। গ্রেফতারকৃত হলেন উপজেলার নির্মইল ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ও শ্যামপুর গ্রামের মৃত আমেজ উদ্দিনের পুত্র আনারুল ইসলাম (৪৫)।

মামলার এজাহার ও থানা পুলিশ এবং স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারীর বাবার বাড়ি উপজেলার নির্মইল ইউনিয়নের গোবিন্দবাটি গ্রামে। ভুক্তভোগী তালাকপ্রাপ্ত হওয়ার পর নিজ মা-বাবার বাড়িতে বসবাস করছে। গত বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ওই তালাকপ্রাপ্ত নারীর বাড়িতে অসৎ উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে ইউপি সদস্য আনারুল। পরে গল্পের ছলে ওই নারীর দাদী ও ছোট ভাইকে গ্রামের একটি দোকানে কৌশলে পান ও সিগারেট কিনতে পাঠায় লম্পট আনারুল। এই সুযোগে ফাঁকা বাড়িতে তালাকপ্রাপ্ত নারীকে জোর করে খাটের উপর শুয়ে দিয়ে জামা-কাপড় খুলে ধর্ষণ করার চেষ্টা চালায় ইউপি সদস্য আনারুল। ভুক্তভোগী ওই নারীর আত্মচিৎকারে প্রতিবাদী প্রতিবেশিরা ছুটে এসে শ্লীলতাহানীর অভিযোগে এ সময় ইউপি সদস্য আনারুলকে ধরে ফেলে ও উত্তম-মধ্যম দেয়। পরে লম্পট আনারুলকে আটকিয়ে রাখে গ্রামবাসী। এরপর পত্নীতলা থানা পুলিশ জনতা কর্তৃক খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবাদী জনতার হাতে আটককৃত ইউপি সদস্য আনারুলকে আহত অবস্থায় গ্রেফতার করে। পরে এ ঘটনায় রাতেই ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ চেষ্টার মামলা রেকর্ড করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পত্নীতলা থানার ওসি মোজাফফর হোসেন উপরোক্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে জনতা কর্তৃক মারধরের শিকার আহত আসামী ইউপি সদস্য আনারুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পুলিশ হেফাজতে ভর্তি করা হয়েছে।

পত্নীতলা থানার ওসি (তদন্ত) সেলিম রেজা জানান, এ ঘটনায় বুধবার রাতেই ধর্ষণ চেষ্টাকারী আনারুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ভিকটিমের শারীরিক অবস্থার আলামত (নমুনা) সংগ্রহ ও পরীক্ষার জন্য নওগাঁ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর

ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি ক্ষতিগ্রস্থ এলাকারবাসীর মানবন্ধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৮জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের বড়পুকরিয়া কয়লাখনির পার্শ্বে তলিয়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় সোলার প্লান্ট এর কাজ শুরু করার প্রতিবাদে মানববন্ধ করেছে এলাকাবাসী। গতকাল মঙ্গলবার সকলা ১১টায় পাতরাপাড়া মোড়ে মানবন্ধন করেন কয়েকটি গ্রামের ১হাজার নারী পুরুষ। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মোন্তাসির আফসানী সাগর। তিনি বলেন, এই এলাকায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ লোকজনের চাষা-বাদী জমিতে হঠাৎ করে কে বা কাহারা ঘেরা বেড়া দিচ্ছে, পরে আমরা জানতে পারি এখানে সোলার প্লান্ট এর কাজ করা হবে। কিন্তু এ কাজ সম্পর্কে এলাকাবাসী কেউ অবগত নয়। আমরা এখন পর্যন্ত পূর্নাঙ্গ ক্ষতিপূরণ পাই নি।পূর্নাঙ্গ ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যুন্ত আমরা এ কাজ শুর করতে দিব না। আমরা এখন ও মসজিদ মাদ্ধসঢ়;রাসা কবর স্থান সহ ঘরবাড়ী ফাটলের ক্ষতিপূরণ এখনও পাই নি। একটি কুচক্রীমহল আমাদের ক্ষতিপূরণ না দিয়েই এখানে সোলার প্লান্ট এর কাজ শুরু করার পায়তারা করছে। আমাদের কয়ল খনি কর্তৃপক্ষে সঙ্গে গত ১ মে ২০০৯ইং সালে ১০দফা চুক্তি হয়েছে। সেই চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যুন্ত এখানে কোন সোলার প্লান্ট করতে দেওয়া হবে না। খনি কর্তৃপক্ষ এই এলাকার মানুষের সঙ্গে প্রতারনা করেছে। তারা আমাদের কোন কথা এবং আন্দোলন ও কর্ণপাত করছে না।

মানববন্ধনে অন্যান্যদরে মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, পাতরা পাড়া গ্রামের মোঃ রেজওয়ান বাপ্পী, মোঃ আসাদ সরকার, মোঃ কিবরিয়া, মোঃ হাফিজুর রহমান। এছাড়াও মানববন্ধনে কয়েকটি ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামের প্রায় ১হাজার নারী পুরুষ অংশগ্রহন করেন।এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল ফোন গ্রহন করেন নি।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব জোরদার করতে এবং স্বল্পোন্নত দেশের স্ট্যাটাস থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঠানো এক চিঠিতে এ সব লিখেন তিনি। বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন এ তথ্য জানিয়েছে।

চিঠিতে ঋষি সুনাক বলেন, আপনারা সরকারের ঐতিহাসিক পঞ্চম মেয়াদে যাত্রা শুরু করেছেন এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের চমকপ্রদ উন্নয়ন অর্জনের প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। আমি আমাদের দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব জোরদার এবং স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে সমর্থনে আমার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করছি।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেন, আমাদের অংশীদারিত্ব এক গভীর অভিন্ন ইতিহাস ও বন্ধুত্বের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যা মানুষে-মানুষে দৃঢ় বন্ধনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সুনাক আশা প্রকাশ করেন, অধিকার ও স্বাধীনতার অগ্রগতির পাশাপাশি রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, এই মূল্যবোধগুলো কমনওয়েলথ পরিবারের মূল ভিত্তি এবং এটি একটি গতিশীল গণতান্ত্রিক সমাজ গঠন করে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ আকর্ষণ করে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিখেন, আমি অভিবাসন বিষয়ে সহযোগিতাকে আমাদের দ্বিপক্ষীয় আলোচ্যসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছি। আপনি সদয়ভাবে যুক্তরাজ্যে অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদেরকে ফেরত পাঠানোর একটি টেকসই ও সুশৃঙ্খল উপায়কে সমর্থন করেছেন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।


আরও খবর



যশোর খাদ্য বিভাগ শুরু করেছে অধিক মুনাফাখোরদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৩জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:চালের বাজার যাতে কেউ অস্থিতিশীল করতে না পারে সেই অধিক মুনাফাখোরদের ধরতে মাঠে নেমেছে যশোর খাদ্য বিভাগ। কেবল মাঠে নামেনি, ইতোমধ্য রীতিমতো সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে গত নয়দিনে এক লাখ তিন হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে যশোর খাদ্য বিভাগ। যেসব রাইসমিল মালিক এতদিন অবৈধভাবে ব্যবসা করছিল তাদের মধ্যে ৪৩ টি রাইসমিলকে নতুন করে লাইসেন্সের আওতায় আনা হয়েছে।

যশোরে গত ২১ জানুয়ারি থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নয়দিনে পাঁচটি উপজেলায় অভিযান চালিয়েছে জেলা খাদ্য বিভাগ। এই পাঁচটি উপজেলায় মোট ১৭ টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এরমধ্যে মণিরামপুরে চারটি, অভয়নগরে একটি, ঝিকরগাছায় দু’টি, শার্শায় পাঁচটি, বাঘারপাড়ায় তিনটি ও চৌগাছায় দু’টি অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় ৪৩ টি রাইসমিলকে নতুন করে লাইসেন্স গ্রহণে বাধ্য করে দপ্তরটি।

জেলা খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যশোরে সর্বমোট ১০২ টি রাইসমিল রয়েছে। এরমধ্যে ২৪ টি অটো রাইসমিল। বাকিগুলো হাস্কিং। খাদ্য বিভাগের নীতিমালা অনুযায়ী, একজন খুচরা ব্যবসায়ী ১৫ মেট্রিকটন চাল ১৫ দিন পর্যন্ত তার গুদামে রাখতে পারবেন। পাইকারি ব্যবসায়ী ৩০০ মেট্রিকটন চাল রাখতে পারবেন ৩০ দিন। আর মিল মালিকরা ৩০ দিন পর্যন্ত ছাটাই ক্ষমতার তিন গুণ চাল রাখতে পারবেন। এভাবে রাখলে সেটি মজুতের পর্যায়ে পড়বে না। এর বাইরে যা করবে তা অবৈধভাবে মজুতের পর্যায়ে পড়বে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, যশোরে এক হাজারের মতো রাইসমিলের লাইসেন্স রয়েছে। পাইকারি বিক্রেতা হিসেবে লাইসেন্স পেতে পাঁচ হাজার টাকা ফি জমা দিতে হয়। আমদানিকারকদের ১০ হাজার এবং খুচরা বিক্রেতাদের এক হাজার টাকা ফি দিয়ে লাইসেন্স গ্রহণ করতে হয়।

কর্মকর্তারা বলছেন, লাইসেন্স ছাড়া যশোরে চালের ব্যবসা করা যাবে না। প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে লাইসেন্সের আওতায় আসতে হবে। আর লাইসেন্স গ্রহণ করতে অভিযান অব্যাহত রাখবে খাদ্য বিভাগ। পাশাপাশি কেউ যাতে অবৈধভাবে মজুত গড়ে তুলতে না পারে সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন কর্মকর্তারা। যে কোনো মূল্যে অবৈধ মজুত বন্ধ করা হবে বলে জানান জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুন্ডু।

তিনি জানান, চলতি আমন মৌসুমে যশোরে দু’দফায় ১৪ হাজার ৪৬৭ মেট্রিক টন চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে খাদ্য অধিদপ্তর। প্রথম দফায় বরাদ্দ দেওয়া হয় ১০ হাজার ২০ মেট্রিক টন। এরপর অতিরিক্ত বরাদ্দ আসে চার হাজার ৪৪৭ মেট্রিক টন। এ পর্যন্ত কেনা হয়েছে ১২ হাজার ২৪০ মেট্রিক টন চাল।

এদিকে, ভোক্তারা যশোরের বড় বাজারের বিভিন্ন চালের দোকানে নজরদারি বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, এখানকার ব্যবসায়ীরা যখন তখন চালের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। ফলে, চাপে পড়ছেন তারা। ভুক্তভোগীরা বড়বাজারের দোকান গুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার কথা বলছেন।

এসব বিষয়ে যশোর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুন্ডু বলেন,‘যশোরে কোনোভাবেই কাউকে চালের মজুত করে অতিরিক্ত মুনাফা লাভের সুযোগ দেওয়া হবে না। একইসাথে চালের ব্যবসা করতে হলে তাকে অবশ্যই লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। লাইসেন্স ছাড়া কেউ চাল বিক্রি করলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকবে


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪