Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ফুলবাড়ীতে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী সন্তানের মায়ের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৪১জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ী থানা প্রেসক্লাবে খয়েরবাড়ী ইউপির খয়েরবাড়ী গ্রামের প্রতিবন্ধী সন্তানের বিধবা মা কল্পনা গোস্বামীর প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবন্ধী সন্তানের বিধবা মা কল্পনা গোস্বামী প্রতিপক্ষ একই গ্রামের মৃত্যু আশিষ কুমার গোস্বামীর স্ত্রী মালতি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, আমি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত প্রকৃত মালিকের জমিজমা জবর দখল করে আত্মসাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন করছি। আমি এই মর্মে সংবাদ সম্মেলন করিতেছি যে, বিগত ৩০ বছর পূর্বে আমার স্বামী বিদ্যুৎ গোস্বামী মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর আমার দুই সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে বিপ্লব গোস্বামী একজন শারিরীক প্রতিবন্ধী এবং ছোট ছেলে প্রবীর গৌস্বামী। একান্নবর্তী পরিবার হওয়ায় আমার স্বামী বিদ্যুৎ গোস্বামীর জেঠতাতো ভাই আশিষ গোস্বামী সমস্ত পরিবারের দেখভাল করত। আমার স্বামীর মৃত্যুর পর দুই সন্তানকে নিয়ে অতিকষ্টে জীবন যাপন করে আসছি। কিন্তু ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত সমস্ত জমির ফসল আশিষ গোস্বামী জোর পূর্বক দখল করে নিয়েছিল। গত বছর আশিষ গোস্বামী মৃত্যুবরণ করিলে, তার স্ত্রী মালতী চক্রবর্তী ও তার দুই মেয়ে ও জামাই একই ভাবে জোর পূর্বক ভোগ দখল করে রেখেছে। এর ধারাবাহিকতায় গত ০৪/০৬/২০২৪ইং তারিখে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বিষয়টি আমি অবহিত করে ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমির ধান চাইতে গেলে মালতী  চক্রবর্তী এবং তার মেয়ে ও জামাই আমাকে ও আমার ছোট ছেলের স্ত্রী মামনি গোস্বামীকে মারপিট ও শ্লীতাহানি ঘটায়। তারা প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে হয়রানী করছে। মালতী চক্রবর্তীর ছোট মেয়ের জামাই অমিতাভ চক্রবর্তী (রঞ্জন) একজন দূর্ধষ ব্যক্তি ইতিপূর্বে জমি দখলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোটে তার মামলা চলমান রয়েছে। মালতী চক্রবর্তী তার জামাই অমিতাভ চক্রবর্তীকে লেলিয়ে দিয়ে আমাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করছে। আমি একজন অসহায় ও অধিকার বঞ্চিত বিধবা নারী। এমতাবস্থায় তারা প্রভাবশালী ও শক্তিশালী হওয়ায় আমরা তাদের সাথে কিছুতেই পেরে উঠতে পারছিনা। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, অমিতাভ চক্রবর্তী (রঞ্জন) এর পা তার বাবার মৃত্যুর পর ভেঙ্গে যায়, যা আনুমানিক ৪বছরের আগের ঘটনা প্রায়। মূল ঘটনাকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতে আমার ভাতিজা কৌশিক কুমার গোস্বামী এর উপর মিথ্যা মামলা দায়ের করে ও নানা ভাবে অভিযোগ করে হয়রানীর চেষ্টা করছে। তাই উক্ত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমি ও আমার সন্তানদের নিরাপত্তা ও ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদের ন্যায্য অংশের অধিকার প্রতিষ্ঠায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রধান মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, কল্পনা গোস্বামীর দুই ছেলে, বিপ্লব গোস্বামী (প্রতিবন্ধী) ও প্রবীর গোস্বামী। আমি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ন্যায় বিচারের দাবি করছি।


আরও খবর



বোদায় বিআরটিএ’র বিশেষ অভিযান, জরিমানা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৫৫জন দেখেছেন

Image

কুয়েল ইসলাম সিহাত,বোদা (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃপঞ্চগড়ের বোদায় বিশেষ অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। জাতীয় মহাসড়কে ফিটনেস, রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন এবং সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুতগামী হেলমেট বিহীন মোটর সাইকেলের ও যানবাহনের বিরুদ্ধে এ অভিযান চালানো হয়। শুক্রবার (২৮ জুন) দুপুরে বিআরটিএ পঞ্চগড় সার্কেল বোদা হাইওয়ে থানা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে যৌথভাবে বোদা পৌরসভার সাতখামার ১১ মাইল এলাকায় এ অভিযান কার্যক্রম শুরু করে। শুরুর ১ ঘণ্টার অভিযানে মোটর সাইকেল, প্রাইভেটকার, পিকআপ, ট্রাকসহ ৮টি যানবাহনকে মামলা দিয়ে ৪৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। একই সাথে তাদের সতর্ক করা হয়।

এ ব্যাপারে  বোদা হাইওয়ে থানার ওসি মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, আজকের এ অভিযানটি বিশেষ। বিআরটিএর উদ্যোগে যৌথভাবে অভিযানটি পরিচালনা করা হচ্ছে। রাস্তায় চলাচলরত বিভিন্ন যানবাহনের বৈধ কাগজ আছে কি না তা আমরা যাচাই করে দেখছি। এ সময় বিআরটিএ পঞ্চগড় সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক রেজোয়ান শাহ্ বলেন, বিআরটিএ চেয়ারম্যানের নির্দেশে মহাসড়কে অবৈধ খেলাপি এবং ফিটনেস বিহীন, দ্রুতগতির হেলমেটবিহীন মোটরযানের বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান চলছে। সে অভিযানের অংশ হিসেবে (শুক্রবার) আজকে আমরা বোদা হাইওয়ে থানা পুলিশকে নিয়ে বিশেষ এ অভিযান শুরু করেছি। রাস্তায় শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে আমরা কাজ করে যাব।


আরও খবর



যশোরে যাত্রীবাহী বাস খাদে কমপক্ষে ৪০ জন আহত

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৭জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোর-নড়াইল মহাসড়কে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকাগামী একটি বাস খাদে পড়ে কমপক্ষে ৪০ জন আহত হয়েছে।

স্থানীয়দের নিকট থেকে জানা যায়, সাতক্ষীরা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ঢাকা মেট্রো-ক-১৫ ৮৩৮৩ বাস গাড়িটি বেপরোয়া গতিতে চলার সময় বেলা ১১-৫০ মি: এর সময় বাঘারপাড়ার করিমপুর ঈদগাহ ময়দানের আসলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পার্শের গভীর খাদে পড়ে যায়।

এসময় ১০ জন গুরুতরভাবে আহত সহ মোট ৪০ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহতদেরকে স্থানীয়রা যশোর ও নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। বাকীদেরকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।দুর্ঘটনায় আহত আবদুল গফুর জানান, গাড়ির চালককের বেপরোয়া চালানোর করণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

আহত যাত্রী রহিমা বেগম জানান যে, কিভাবে যেন হঠাৎ করেই গাড়ী খাদের দিকে ধাবিত হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তিনি আরও জানান, এ দুর্ঘটনায় সকল যাত্রীই কমবেশি আহত হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ও হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধার করে।


আরও খবর



মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে হাফেজ

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৪৪জন দেখেছেন

Image

আব্দুল হান্নান,নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃমাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রীকে তার ইচ্ছার বিরোদ্ধে জোরপুর্বক ধর্ষণ করেছে এক হাফেজ।জানা গেছে ওই ছাত্রী আর হাফেজের মাঝে চাচা ভাতিজির সম্পর্ক রয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩রা জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গুনিয়াউক ইউনিয়নের গুটমা গ্রামে।ওই ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা বাদী হয়ে ধর্ষণকারী হাফেজ খাইরুল মিয়ার বিরোদ্ধে নাসিরনগর থানার ধর্ষণ মামলা নং ৫/১০৭ দায়ের করেছে।

মামলা সুত্রে জানা গেছে ঘটনার তারিখ ও সময়ে গুটমা গ্রামের কাপ্তান মিয়ার ছেলে খায়রুল মিয়া ওই ছাত্রীকে ফুঁসলি তার নিজ ঘরে নিয়ে বিয়ের  প্রলোভন দিয়ে তার ইচ্ছার বিরোদ্ধে জোরপুর্বক ধর্ষন করে। এ সময় ছাত্রীর আর্তচিৎকারে তার মা ও প্রতিবেশীরা দৌড়ে গিয়ে ওই ছাত্রীকে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করে।এ সময় ধর্ষক খাইরুল দৌড়ে পালিয়ে যায়।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই রূপন নাথ ঘটনা ও মামলার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



পাঁচ সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মী কর অঞ্চল-৯

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৬৯জন দেখেছেন

Image

শফিক আহমেদ:জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর অঞ্চল-৯এর উত্তরা এলাকায় পাঁচ সিন্ডিকেট মিলে অবৈধভাবে করদাতাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ  টাকা । এই অভিযোগগুলো পাওয়া গেছে দুর্নীতি দমন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভিযোগকারীর মাধ্যমে। এই দুর্নীতিবাজরা হলো ৪ নাম্বর রেঞ্জের  করঅঞ্চল - ৯, সার্কেল-১৮২ ও ১৯১ এর উচ্চমান সহকারী মো .ফয়সাল আহমেদ , অফিস সহকারী মো. শরিফুল ইসলাম , সার্কেল-১৮৬, অফিস সহকারী মো. আল আমিন, সার্কেল-১৭৭, এরিয়ার সুপারভাইজার চঃদাঃ  (অফিস সহকারী) শাহিনুজ্জামান শাহিন ও সার্কেল-১৯১, অফিস সহকারী মো. আল-আমিন ওরফে ছোট আল আমিন ।

তারা সবাই ওইকর অঞ্চলে কর্মরত আছেন। তারা সিন্ডিকেট করে অফিসকে ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তারা দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে ঢাকার শহরে আলিশান ফ্ল্যাটও প্লট ক্রয় করে আলিশান ভাবে দিন যাপন করছেন। অভিযোগ পাওয়া গেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই করদাতাদের বিভিন্ন ধরনের প্যাঁচ ফেলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে তারা । তারা যৌথভাবে মিলি আয়কর দাতাদের হয়রানি করার জন্য তাদের কাছে ফোন করে বলে আপনাদের আয়কর নথির ভুল রয়েছে ।

এইজন্য আপনাদের কাছে নোটিশ পাঠানো হবে এই বলে তাদের কাছে ফোন করে বলে আপনারা যদি টাকা দেন তাহলে নথির ঠিক করে দিব । করদাতারা টাকা দিতে অসুবিধা জানালে তখন ওই সিন্ডিকেটরা বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হয়রানি মাধ্যমে টাকাগুলো হাতিয়ে নেন। ওই সিন্ডিকেটের প্রধান মো. ফয়সাল আহমেদসহ ওই চারজনকে নিয়ে তাদের সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। সবারই একই প্রশ্ন ছোট একটি চাকরি করি কিভাবে এত সম্পত্তির মালিক হইলেন।

তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাদের ব্যাপারে যেন দেখার কেউ নেই ! সিন্ডিকেটের সদস্যদের ব্যাপারে উত্তরায় বিভিন্ন এলাকায় ফ্ল্যাট, জমি ক্রয়  করেছেন বলে অভিযোগও পাওয়া গেছে। এমনকি ঢাকার আশপাশে সিন্ডিকেট মিলে জমি ক্রয় করেছেন বলেও অভিযোগ আছে।

তাদের এই অপকর্ম কাণ্ডে সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তাও কর্মচারীদের মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। ফয়সাল আহমেদের নরসিংদী জেলা হওয়ার কারণে অটল সম্পত্তির মালিক মতিউর রহমানের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে ফয়সাল তার সিন্ডিকেট বাহিনী দিয়ে একের পর এক দুর্নীতি ও অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে।

ঢাকার দক্ষিণ খানের বাসিন্দা মাকসুদ হোসেন পাটোয়ারী লিখিতভাবে দুর্নীতি দমন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ করেন।

তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন ফয়সাল আহমেদের নেতৃত্বে পাঁচ সিন্ডিকেট মিলে উত্তরার রেঞ্জ চারের কর অঞ্চল - ৯ এর ওইসব সার্কেলে করদাতাদের হয়রানিও সুকৌশলী তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন সিন্ডিকেটটি। তিনি অভিযোগ দুইটি দাখিল করেছেন চলতি বছরের জুন মাসের ২৫ তারিখে ।

তিনি অভিযোগে আরো উল্লেখ করছেন ফয়সাল আহমেদের অবৈধ সম্পত্তির বিবরণী- প্লট নাম্বার ৪, রোড নাম্বার ২, ঝিলমিল আবাসিক এলাকা কেরানীগঞ্জ। উক্ত প্লটটি তিনি আড়াই কোটি ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করেছেন।

প্লট নাম্বার ৬০ রোড নাম্বার ৫ ব্লক সি পিয়াংকা সিটি উত্তরা উক্ত প্লটটি তার স্ত্রী নামে দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা দিয়ে ক্রয় করেছেন। এছাড়াও উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরে পাঁচ কোটি টাকা দিয়ে একটি প্লট ক্রয় করেছেন সেই প্লটে সাত তলা বাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন বল অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তার নামে বে নামে অনেক সম্পদ রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

একইভাবে মো. শরিফুল ইসলাম উত্তরার ১ ও ৩ নাম্বার রোডে  প্রিয়াঙ্কা সিটি টে প্রায় ৬ কোটি টাকা দিয়ে দুইটি প্লট কিনেছেন। এবং উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরে চার কোটি টাকা দিয়ে একটি প্লট কিনে পাঁচ তলা নির্মাণাধীন ভবনের কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগে রয়েছে।

এছাড়াও সবাই মিলে গাজীপুর আশুলিয়া ও সাভারে অনেক জমি ক্রয় করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে তারা দুর্নীতি ও অপকর্ম করে বিলাসবহুল ভাবে জীবন যাপন করছেন। এ ব্যাপারে ফয়সাল আহমেদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমরা ছোটখাটো চাকরি করি আমাদের এত সম্পদ নেই। আমাদেরকে হয়রানি করার জন্য এসব অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। 

তাদের বিষয়ে তদন্ত করলে সবকিছু বেরিয়ে আসবে। ভুক্তভোগী করদাতারা ও অভিযোগকারী দাবি সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তাদের কাছে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চেয়ে আহ্বান জানান ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



ভারত-চীন-রাশিয়া থেকে সমরাস্ত্র কেনা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নকল্পে ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর আলোকে ভারত-চীন-রাশিয়াসহ সমরাস্ত্র শিল্পে উন্নত বিভিন্ন দেশ থেকে সমরাস্ত্র ক্রয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে, বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যা ভবিষ্যতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বুধবার (২৬ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমানের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সব কথা জানান। এ সময় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাহিনীগুলোর গঠন ও উন্নয়ন এর ক্ষেত্রে ফোর্সেস গোল-২০৩০ প্রণয়ন একটি যুগোপযোগী পদক্ষেপ। বর্তমানে ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর বাস্তবায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর আলোকে সরকার রাশিয়া, চীন, তুরস্ক, ভারতসহ সমরাস্ত্র শিল্পে উন্নত বিভিন্ন দেশ হতে সমরাস্ত্র ক্রয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যা ভবিষ্যতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নের জন্য যথাসম্ভব সব বাস্তবমুখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনীর জন্য ক্রয় করা বিভিন্ন উন্নত সরঞ্জামাদির মধ্যে কাসা ইউটিলিটি বিমান, ডলফিন ইউরোকপ্টার, ডায়মন্ড প্রশিক্ষণ বিমান, এমবিটি-২০০০ ট্যাংক, ভিটি-ফাইভ লাইট ট্যাংক, আর্মার্ড রিকোভারি ভেহিক্যাল, সেলফ প্রপেল্ড (এসপি) কামান, এন্টি ট্যাংক গাইডেড উইপন, শর্ট রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, মাইন রেজিস্ট্যান্ট অ্যাম্বুশ প্রটেক্টেড ভেহিক্যাল (এমআরএপি), আনম্যানড এরিয়াল ভেহিক্যাল, সার্ফেস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেম, আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার, র‌্যাডার কন্ট্রোল এয়ার ডিফেন্স গান সিস্টেম, নাইট ভিশন মনোকুলার, অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র, আধুনিক যোগাযোগ সরঞ্জামাদি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

সরকার প্রধান জানান, দেশের সমুদ্র নিরাপত্তা এবং সম্পদ রক্ষার বিষয়ে সরকারের প্রথম মেয়াদ থেকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। দেশের সমুদ্র এলাকায় বহিঃশত্রুর মোকাবিলা ছাড়াও জলদস্যুতা, মাদক-অস্ত্র-মানব চোরাচালান প্রতিরোধ, সামুদ্রিক দূষণরোধ এবং মৎস্য ও খনিজ সম্পদের সুরক্ষা ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী নৌ-শক্তি গড়ে তোলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই লক্ষ্যে ইতোমধ্যে অত্যাধুনিক সাবমেরিন, ক্যাসল ক্লাস জাহাজ, ফ্রিগেড, করভেট, সমুদ্র জরিপ জাহাজ, লার্জ পেট্রোল ক্রাফট, মেরিটাইম পেট্রোল এয়ার ক্রাফট এবং মেরিটাইম হেলিকপ্টারসহ অত্যাধুনিক নৌযুদ্ধ সরঞ্জাম বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে সংযোজিত হয়েছে।

একইসঙ্গে নৌবাহিনীর আধুনিকায়নের জন্য ডাইভিং বোট, ল্যান্ডিং ক্রাফট ইউটিলিটি, রিমোট কন্ট্রোল গান, আনম্যানড এয়ারক্রাফট সিস্টেম ইত্যাদিসহ বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতি, নেটওয়ার্ক হাব স্টেশন, টেকটিক্যাল ফায়ারিং রেঞ্জ, লং রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স ও সার্ভিলেন্স র‌্যাডার, বিভিন্ন সরঞ্জাম ও অস্ত্র ক্রয় করা হয়েছে। এছাড়া সশস্ত্র বাহিনীর জন্য আইএফএফ সেন্টার গঠনের প্রক্রিয়া বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

সরকার প্রধান জানান, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে আধুনিকায়ন করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন যুগোপযোগী কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ যাবৎকালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর জন্য মিগ-২৯, ইয়াক-১৩০ এবং এফ-৭ ইএ-১ যুদ্ধ বিমান, সি-১৩০ জে এবং কে-৮ বিমান, মি-১৭১ হেলিকপ্টারসহ অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় করা হয়েছে। এ সব আধুনিকায়নের ফলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী আজ একটি আধুনিক ও চৌকস বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর উন্নয়নে র‌্যাডার, আনম্যানড এরিয়াল ভেহিক্যাল, ট্রান্সপোর্ট ট্রেইনার এয়ারক্রাফট এবং সিমুলেটর, লং ও শর্ট রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স ও সার্ভিলেন্স র‌্যাডার, হেলিকপ্টারে নাইট ভিশন সিস্টেম স্থাপন, মেরিটাইম সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ হেলিকপ্টার ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য সরঞ্জাম ক্রয় করা হয়েছে। যা সার্বিকভাবে বাহিনীর মান উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে সরাসরি ভূমিকা রেখেছে বলে প্রতীয়মান।


আরও খবর