Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

ফুলবাড়ীর নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে সবুজায়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি লক্ষ্যে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি পালিত

প্রকাশিত:Sunday ০৮ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৩৬জন দেখেছেন
Image
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
 কুড়িগ্রাম: দেশে সবুজায়ন বৃদ্ধি করতে কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বর্ষা মৌসুমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে আসছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।


মুজিববর্ষ উপলক্ষে গত বছর ও এ বছর মিলিয়ে সারা দেশে তিন কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


এর মধ্যে গত বছর প্রায় এক কোটি চারা রোপণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। 

বজ্রপাত একটি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেও সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক প্রাণহানি বিশেষজ্ঞদের ভাবাচ্ছে। সরকারি পর্যায়ে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার হিসাব বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত পাঁচ বছরে সারা দেশে বজ্রপাতে প্রায় তিন হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। 

২০১১ সালের পর থেকে বজ্রপাতের পরিমাণও বেড়েছে উদ্বেগজনক হারে। বজ্রপাতে ২০১৫ সালে ৯৯ জন, ২০১৬ সালে ৩৫১ জন ও ২০১৭ সালে ২৬২ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। ২০২১ সালের মে পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু ও চার শতাধিক আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। 

তাই এরই ধারাবাহিকতায় দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ রবিবার সকাল ১০ ঘটিকায় ১নং নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে গাছ রোপণ করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ হাছেন আলী।

এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ শফিকুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ রফিকুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হিমু ও যুবলীগ নেতা মোঃ বুলবুল হোসেন। 

এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হাছেন আলী বলেন, ‘বাংলাদেশের যুবসমাজ এই কর্মসূচির দ্বারা অনুপ্রাণিত হবে। শুধু গাছ লাগালেই চলবে না, গাছের সঠিক পরিচর্যাও করতে হবে।’


আরও খবর



৪৮ ঘণ্টায়ও নেভেনি আগুন, মরদেহ থাকলে বের হতে পারে কাল

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ১১২জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগার ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও তা নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এখনো বেশ কয়েকটি কনটেইনার দাউ দাউ করে জ্বলছে। ঘটনাস্থল থেকে এখনো মরদেহ উদ্ধারের আশা একদম ছেড়ে দিচ্ছে না ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, নিখোঁজদের বিষয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের পর অভিযান চলবে। তবে সেখানে মরদেহ পাওয়া যাবে কি না সন্দেহ। কারণ, এতক্ষণ জ্বলা আগুনের মধ্যে মরদেহ পাওয়া যাবে কি না সন্দেহ রয়েছে। টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে কাজ করতে করতে বেশ কয়েকজন দমকলকর্মী ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। ডিউটি ভাগ করে দেওয়ার পরেও আগুনের মাত্রা অতিরিক্ত থাকায় ক্লান্ত ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও।

সোমবার (৬ জুন) রাত ১০টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, ফায়ার সার্ভিসের ৫টি বড় ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। চারটি কেমিক্যালযুক্ত কনটেইনার সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিরাপদ স্থানে। তবে সেই কনটেইনারগুলো সরিয়ে নিলেও ফায়ার সার্ভিস বলছে সেগুলো পরবর্তীতে বিস্ফোরণের আশংকা রয়েছে। মূল আগুন নিয়ন্ত্রণের পরে কেমিক্যালযুক্ত এই কনটেইনার নিয়ে কাজ করবে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষজ্ঞ ইউনিট।

বৃহত্তর কুমিল্লা ফায়ার স্টেশনের সহকারী পরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, টানা ৪৮ ঘণ্টা আমরা কাজ করে চলেছি। এখন যে কনটেইনারগুলো জ্বলছে সেগুলোতে গার্মেন্টস পণ্য রয়েছে বলে নিভছে না। এ কারণে আমাদের বেগ পেতে হচ্ছে। তবে আশা করছি আগামীকালের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণ আসবে। আগুন নিভে গেলে সেখানে সরাসরি প্রবেশ করে উদ্ধার অভিযান চালানো হবে। মরদেহ যদি থেকে থাকে তাহলে উদ্ধার করা হবে।

এর আগে শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। আগুন লাগার পর রাসায়নিকের কনটেইনারে একের পর এক বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটতে থাকলে বহু দূর পর্যন্ত কেঁপে ওঠে। অগ্নিকাণ্ড ও ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ জন হয়েছে।

তবে জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে মৃতের সংখ্যা ৪৬। দগ্ধ ও আহত ১৬৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাতেই শনাক্ত হওয়া নিহতদের জেলা প্রশাসনের সহায়তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. মো. ইলিয়াস হোসেন চৌধুরী জানান, নিহতদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিকদের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের ৯ সদস্যও রয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।


আরও খবর



রাজধানীতে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর রামপুরায় দ্রুতগামী ট্রাকের চাপায় এক মোটরসাইকেলে আরোহী নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম মো. রইচ উদ্দিন (৪৬)। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদী জেলায়।

এদিকে ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া আটক করা হয়েছ এর চালক ও হেলপারকে।

হাতিরঝিল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মিনহাজ উদ্দিন বলেন, আমরা খবর পেয়ে রামপুরা কাঁচা বাজার এলাকায় ওই ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখি। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের কাছে থাকা কাগজপত্র থেকে জানা যায়, তিনি স্কয়ার কোম্পানির এসআর (সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।


আরও খবর



মাঙ্কিপক্স ঠেকাতে কী করবেন? জানালো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৭৯জন দেখেছেন
Image

করোনা সংক্রমণের মধ্যেই এখন আতঙ্ক ছড়াচ্ছে মাঙ্কিপক্স। এরই মধ্যে প্রায় ৩০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে মাঙ্কিপক্স। পুরো বিশ্বে প্রায় ৭৮০ জন আক্রান্ত হয়েছে এই ভাইরাসে। যার অধিকাংশেই ইউরোপের নানা দেশের বাসিন্দা।

এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা যত বাড়ছে, ততই সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। সেই সংস্থার অতিমারি বিশারদ মারিয়া ভ্যান কারখোভ জানিয়েছেন মাঙ্কিপক্স থেকে নিজেকে দূরে রাখার উপায়।

এখন সব দেশকেই সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্যকর্তারা। তবে যে সব দেশে বেশি ছড়াচ্ছে, তাদের এখনই কিছু পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। জেনে নিন কী কী-

>> প্রথম পদক্ষেপ হলেো মাঙ্কিপক্স সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে। এটি কীভাবে ছড়ায় ও কতটা গুরুতর তা সবাইকে জানতে হবে।

>> দ্বিতীয়টি হলো মাঙ্কিপক্সের উপসর্গসমূহ শরীরে প্রকাশ পেলে নিজ থেকেই আইসোলেশনে যেতে হবে। এতে করে আপনার পরিবার ও অন্যান্যরা সংক্রমণ থেকে মুক্তি পাবে।

>> তৃতীয়টি হলো, ফ্রন্টলাইন স্বস্থ্যকর্মীদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। যারা এ ধরনের রোগীর পরিচর্যা করছেন কিংবা পরীক্ষার জন্য নমুনা নিচ্ছেন তারা অবশ্যই ব্যক্তিগত সুরক্ষা বজায় রাখবেন।

>> চতুর্থটি হলো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ব্যবহার করতে হবে সবাইকে। যারা বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকিতে আছে, তাদের উচিত অ্যান্টিভাইরাল ও ভ্যাকসিন গ্রহণ করা।

>> সর্বশেষে পেদক্ষেপ হলো, কোনো উপসর্গ দেখলেই চিকিৎসকেরন পরামর্শ নিতে হবে। দ্রুত রোগ নির্ণয় করে এর চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

মাঙ্কিপক্সের বেশিরভাগ রোগীই জ্বর, শরীরে ব্যথা, ঠান্ডা ও ক্লান্তি অনুভব করেন। আরও গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিদের মুখে ও হাতে ফুসকুড়ি-ক্ষত হতে পারে যা শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

মাঙ্কিপক্স গুটিবসন্তের সঙ্গে সম্পর্কিত, তবে এর লক্ষণগুলো হালকা। জানা গেছে, গুটিবসন্তের ভ্যাকসিনগুলোও মাঙ্কিপক্সের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক। তাই মাঙ্কিপক্স সংক্রমণে আতঙ্কিত না হয়ে বরং সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

সূত্র: ইন্ডিয়া.কম


আরও খবর



বুয়েট অ্যালামনাই অস্ট্রেলিয়ার ‘বিগেস্ট মর্নিং টি’

প্রকাশিত:Thursday ১৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

প্রতি বছরের মতো এবারও বুয়েট অ্যালামনাই অস্ট্রেলিয়া বিগেস্ট মর্নিং টি’র আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠান থেকে অর্জিত অর্থ ক্যানসার কাউন্সিল অস্ট্রেলিয়ার তহবিলে দান করা হয়।

রোববার (১২ জুন) সিডনির ক্যাসুলা সাবার্বের কমিউনিটি সেন্টারে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলে এই অনুষ্ঠান। এ সময় শীতের ঐতিহ্যবাহী সব খাবার ও বিভিন্ন রকমের ফুলের চারা বিক্রি করা হয়।

বুয়েট অ্যালামনাই অস্ট্রেলিয়ার ‘বিগেস্ট মর্নিং টি’

এমন আয়োজনে বুয়েটিয়ানদের পাশাপাশি তাদের পরের প্রজন্মও হাতে হাত দিয়ে কাজ করে চলেছেন। পাশাপাশি চলে শিশু কিশোরদের চিত্রাঙ্কন ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রিফাত ফারহানা। ক্যানসার কাউন্সিলের পক্ষে থেকে বক্তব্য দেন এনা কার্নিয়াতো।

বুয়েট অ্যালামনাই অস্ট্রেলিয়ার ‘বিগেস্ট মর্নিং টি’

অতিথি বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন চিকিৎসক রিটন দাস। এছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের বাংলাদেশি কাউন্সিলর মুহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বুয়েট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্টেলিয়ার সভাপতি সানিয়া শারমিন এবং সাধারণ সম্পাদক সৌমেন চক্রবর্তী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান।


আরও খবর



তিস্তায় পানি বেড়েছে, খুলে দেওয়া হলো ৪৪ গেট

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

উজানের ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃপক্ষ। তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) ভোর থেকে তিস্তার পানি হু হু করে বাড়ছে। এতে তিস্তার চর অঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পানি বৃদ্ধির কারণে দেখা দিয়েছে ভাঙন। হুমকির মুখে রয়েছে বিভিন্ন স্থাপনা।

বিকেল সাড়ে ৩টায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ সেন্টিমিটার; যা বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার নিচ (স্বাভাবিক ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার) দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে ব্যারাজ রক্ষায় ৪৪টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে।

jagonews24

ডালিয়া পাউবো সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে তিস্তার পানি বাড়তে থাকে। তবে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পানি কমতে শুরু করে। তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তীরবর্তী নিম্ন অঞ্চলের জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার পাটগ্রামের দহগ্রাম; হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, সিঙ্গামারি, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী; কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, শৈইলমারী, নোহালী, চর বৈরাতি; আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা,পলাশী ও সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, রাজপুর, গোকুণ্ডা ইউনিয়নের তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে। এতে তিস্তায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।

jagonews24

হাতীবান্ধা সিন্দুর্না ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার মফিজার রহমান জাগো নিউজকে বলেন, বুধবার (৮ জুন) সন্ধ্যা থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে চর এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। সিন্দুর্না সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর সিন্দুর্না কমিনিউটি ক্লিনিকটি হুমকির মুখে রয়েছে। বড় ধরনের বন্যা দেখা দিলে এগুলো নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।

ডালিয়া পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদ্দৌলা জাগো নিউজকে বলেন, সকাল থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি যায়। তবে বিকেল থেকে পানি কমতে শুরু করছে। তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে এ বর্ষা মৌসুমে তিস্তার পানি বাড়তে থাকবে।


আরও খবর