Logo
আজঃ বুধবার ২২ মে ২০২৪
শিরোনাম

ফুলবাড়ী খাদ্য গুদামে ইরি-বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৩১৯জন দেখেছেন

Image

আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি: ফুলবাড়ী উপজেলা খাদ্য গুদামে ধান ও চাউল সংগ্রহের ফিতা কেটে শুভ উদ্বোধন। গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় ফুলবাড়ী উপজেলা খাদ্য গুদামে ইরি-বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধনের সভাপতিত্ব করেন ফুলবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জাফর আরিফ চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ্যাড: মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (এমপি)। বক্তব্য শেষে ফিতা কেটে ইরি-বোরো ধান ও চাউল সংগ্রহের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া ও মোনাজাত করেন মওলানা রোস্তম আলী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ফুলবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আতাউর রহমান মিল্টন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমিন অটো রাইস মিলের সত্ত্বাধিকারী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ রুহুল আমিন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ মঈনুদ্দিন, উপজেলা খাদ্য গুদামের খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ মোঃ ইমরান, মাদিলাহাট খাদ্য গুদামের খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ রওশন আলী, ফুলবাড়ী চাল কল মালিক গ্রুপের সভাপতি মোঃ সামছুল মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম বাবু, ফুলবাড়ী উপজেলা প্রাণ কোম্পানীর ডিজিএম মোঃ জাকারিয়া জাকির, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আশরাফুল ইসলাম ডাবলু, ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আশ্রাফুল আলম, বেতদিঘী ইউপি চেয়ারম্যান শাহ্ধসঢ়; আব্দুর কুদ্দুস, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মঞ্জু রায় চৌধুরী, উপজেলা ধান ও চাল সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির সদস্য কৃষক প্রতিনিধি অম্বরীশ রায় চৌধুরী সহ স্থানীয় মিল মালিক গ্রুপের সকল সদস্যগণ ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। চলতি বছর সরকার কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ধান ৩০ টাকা ও মিল মালিকদের কাছ থেকে চাউল ৪৪ টাকা কেজি দরে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ক্রয় করবেন। আয়োজনে ছিলেন ফুলবাড়ী উপজেলা খাদ্য বিভাগ।


আরও খবর



নবীনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী জহির উদ্দিন সিদ্দিক টিটোর গণসংযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মে ২০24 | ১৩৬জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ  নবীনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি:আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আসছে আগামী ৫ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর  উপজেলা পরিষদ নির্বাচকে সামনে রেখে গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। 

১৯৭০ সালের জাতীয় সংসদ সদস্য কাজী আকবরউদ্দিন সিদ্দিক সাবেক এমপির, 

শ্রীরামপুর গ্রামের সুযোগ্য সন্তান  চেয়ারম্যান প্রার্থী  কাজী জহির উদ্দিন সিদ্দিক টিটো , নবীনগর  উপজেলার

২১ ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার  সাধারন ভোটারদের সঙ্গে নিয়মিত গণসংযোগ করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে বিদ্যাকুট, মেরকুটা ও কুড়িঘর বাজারে সাধারন ভোটারদের সঙ্গে গণসংযোগ মতবিনিময় ও দোয়া প্রার্থনা করেন তিনি ।

আগামী ২০মে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্ধ দেয়া হবে, তার আগেথেকেই তিনি মাঠে গণসংযোগ ও প্রাচার-প্রচারনা চালাতে দেখা যাচ্ছে। কাজী জহির উদ্দিন সিদ্দিক টিটো , তিনি  ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করে দোয়া কামনা করে ভোটারদের কাছে টানার চেষ্টা করছেন। বিভিন্ন হাট-বাজারে চায়ের দোকানে যেয়ে কুশল বিনিময় ও লিফলেট বিতরণ  করছেন। 

এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী জহির উদ্দিন সিদ্দিক টিটো বলেন, আমি অতীতে এই নবীনগর উপজেলার মানুষের সঙ্গে সুখে-দুঃখে ছিলাম, বর্তমানে আছি, আগামীতেও থাকবো। 

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী জহির উদ্দিন সিদ্দিক টিটো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে স্মাট বাংলাদেশ। সদর উপজেলাকে স্মাট উপজেলায় পরিনত করার লক্ষ্যে আমার চেষ্টা সব সময় অব্যাহত থাকবে। 

এছাড়াও সকলের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত, খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করবো। আর নারী নির্যাতন রোধ, সন্ত্রাস মুক্ত, বেকার সমস্যা সমাধাণ, রাস্তা-ঘাটের উন্নয়নসহ উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উন্নয়নমূলক কাজ করবো। আর নবীনগর উপজেলাকে একটি আধুনিক মডেল উপজেলায় রূপান্তিত করবো। এ জন্য তিনি দলীয় নেতা-কর্মীসহ দলমত নির্বিশেষে সকলের দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছেন।

    -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



মান্দায় বিদ্যুতের আগুনে পুড়ে ভষ্মিভূত আট বসতবাড়ি

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ এপ্রিল 20২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁর মান্দায় বিদ্যুতের শটসার্কিট থেকে লাগা আগুনে পুড়ে ভষ্মিভূত গেছে ৮ বসতবাড়ি। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের হাজীপাড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।

অগ্নিকাণ্ডে ওই গ্রামের রমজান আলী, মিঠুন কবিরাজ, বাবু কবিরাজ, সেলিম কবিরাজ, নুরজাহান বেওয়া, গুলজান বিবি, রশিদুল ইসলাম ও ছহির উদ্দিনের বসতবাড়ি পুড়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডে এসব পরিবারের অন্তত আট লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎ করেই রমজান আলীর বাড়িতে আগুন ধরে যায়। মুহুর্তে তা আশপাশের বসতবাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিস ও আশপাশের লোকজন ঘন্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু তার আগেই পুড়ে যায় ৮টি বসতবাড়ি।

মান্দা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ শফিউর রহমান বলেন, বিদ্যুতের শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ণয়ে কাজ চলছে।


আরও খবর



দেশে ৫২ বছরের ইতিহাসে যশোরে সবোর্চ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড

প্রকাশিত:বুধবার ০১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ১১০জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা যশোরে মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত এটিই দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশে ৫২ বছরের ইতিহাসে যশোরে সবোর্চ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড এবার। এর আগে রাজশাহীতে ১৯৭২ সালের ১৮ মে ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়।

আবহাওয়া আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মঙ্গলবার যশোরে সর্বোচ্চ ৪৩ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এটিই চলতি মৌসুমে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। এছাড়া চুয়াডাঙ্গায় ৪৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আর ঢাকার তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

যশোর অধিদপ্তর জানায়, যশোরে ২০০৯ সালের এপ্রিল মাসে ৪৩.০২, ২০১৪ সালে এপ্রিল মাসে ৪২.০৪, ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল ৪২.০৮ ও ৩০ এপ্রিল ৪৩.০৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড।

রাজশাহীতে ১৯৭২ সালের ১৮ মে ৪৫ দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। এটি ৫২  বছরের ইতিহাসে সবোর্চ্চ। এবার যশোরে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁই ছুঁই। ১৯৭২ সালের পর এটিই সবোর্চ্চ তাপমাত্রা।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) এ জেলায় সর্বোচ্চ ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি, শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) ৪২  দশমিক ৭ ডিগ্রি, শনিবার (২৭ এপ্রিল) ৪২ দশমিক ৭ ডিগ্রি, রোববার (২৮ এপ্রিল) ৪১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বশেষ সোমবার (২৯ এপ্রিল) ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মৃদু তাপপ্রবাহ, ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে মাঝারি তাপপ্রবাহ, ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রাকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

প্রসঙ্গত,  দেশের ইতিহাসে ১৯৭২ সালে রাজশাহীতে ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। তারপর আজকের ৪৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাই সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড।


আরও খবর



খাগড়াছড়ি জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে সর্বজনীন পেনশন স্কিমে মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রথম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৪৩জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:"সুখে ভরবে আগামীর দিন, পেনশন এখন সর্বজনীন" এই স্লোগানকে সামনে রেখে  খাগড়াছড়ি জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে পেনশন স্কিমে সর্বোচ্চ রেজিষ্ট্রেশন (পেনশন স্কিম গ্রহীতায় -  মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রথম স্থান অর্জন করেছে।

সোমবার (২০ মে )সকাল  ১০টার দিকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কার্যালয়ে সর্বজনীন পেনশন স্কীমের রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করার সাথে সাথে সর্বজনীন পেনশন স্কীমের স্মার্ট কার্ড খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিরণ জয় এিপুরার হাতে তুলেদেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চত্রুবর্তী।


এসময় মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো.ইশতিয়াক আহম্মেদ,
মাটিরাঙ্গা উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার রাজীব রায় চৌধুরী, উপস্থিত ছিলেন।

খাগড়াছড়ি জেলার ৯টি উপজেলায় সর্বজনীন পেনশন স্কিমে  -মাটিরাঙ্গা উপজেলা ২হাজার ২০বিশ জন, মহালছড়ি ৭শ'৬৪ জন মানিকছড়ি ৫শ'৪১জন,রামগড় ৪শ'৪৮ জন, খাগড়াছড়ি সদর ২শ'৫১জন, গুইমারা ১শ'৭৮জন,লক্ষীছড়ি ১শ'৭১জন, দীঘিনালা ১শ'৪১জন, পানছড়ি ১শ'৩৪ জন সর্বমোট ৪হাজার ৬শ'৪৮জন। 

মাটিরাঙ্গা উপজেলায় সর্বজনীন পেনশন স্কীম  কার্যক্রম শুরু হয় ১৬ এপ্রিল থেকে ১৯ মে পর্যন্ত  ২ হাজার ২০  জন নাগরিককে পেনশন স্কিমের কার্ড বিতরণ করে  জেলার মধ্যে মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রথম স্থান অধিকার করেছে।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চত্রুবর্তী বলেন,বর্তমান সরকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আর্থিক সুরক্ষায় সর্বজনীন পেনশন কার্যক্রমটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ জানিয়ে তিনি বলেন,খাগড়াছড়ি জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে সর্বজনীন পেনশন স্কিমে মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রথম। এই অর্জন সম্ভব হয়েছে মান্যবর খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো.সহিদুজ্জামান মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় ও ইউপি সচিব, মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের ডিজিটাল সেন্টার এর উদ্যােক্তা,ও ইউনিয়ন পরিষদ উদ্যােক্তাদের আন্তরিকতায়। এই ধারা অব্যাহত রাখার জন্য  ইউপি সচিব, উদ্যােক্তাদের আন্তরিকতার সহিত কাজ করার আহ্বান জানান।

আরও খবর



নওগাঁয় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১২২জন দেখেছেন

Image
নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে সালাউদ্দিন ওরফে টনি (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০হাজার টাকার অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ এই রায় দেন। 

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত সালাউদ্দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার মুরাদপুর গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।  জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি আব্দুল খালেক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে। 

আদালত ও মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে নিয়ামতপুর উপজেলার ধানসা গ্রামের আবু কালামের মেয়ে তুকাজ্জেবার (২৪) সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার মুরাদপুর গ্রামের সালাউদ্দিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সালাউদ্দিন স্ত্রী তুকাজ্জেবার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো। ২০২০ সালের ২৯ জুন তুকাজ্জেবা স্বামী সালাউদ্দিনকে নিয়ে বাবার বাড়ি নিয়ামতপুরের ধানসা গ্রামে বেড়াতে আসেন। পারিবারিক কলহের জেরে শ্বশুড়বাড়িতে থাকা অবস্থায় ১জুলাই সালাউদ্দিন তাঁর স্ত্রী তুকাজ্জেবার গলায় কাঁচি দিয়ে খুঁচিয়ে গুরুত্বরভাবে জখম করে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৫টার দিকে তুকাজ্জেবা ও সালাউদ্দিনের ঘর থেকে চিৎকারের শব্দ পেয়ে তুকাজ্জেবার বাবা ও মা  বাইরে থেকে ঘরের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে প্রতিবেশি রবিউল ইসলাম লাথি মেরে দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে তুকাজ্জেবাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পায়। এ সময় সালাউদ্দিনের হাতে কাপড় কাটার কাঁচি দেখতে পায় তারা। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তুকাজ্জেবাকে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। 

স্ত্রীকে আহত করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন সালাউদ্দিনকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। এ ঘটনায় নিহত তুকাজ্জেবার বাবা আবু কালাম বাদীয় হয়ে সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে নিয়ামতপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে  মামলার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা ২০২২ সালের ২২ জুন আদালতে সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন। রাষ্ট্রপক্ষের মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে আদালতে ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় দোষী নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি শুনানি করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আব্দুল খালেক এবং আসামিপক্ষে মামলাটি শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আতিকুর রহমান। সরকারি কৌঁসুলি আব্দুল খালেক বলেন, সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেছেন। রায়ে হাইকোর্ট বিভাগে মৃত্যুদন্ড বহাল রাখা সাপেক্ষে আসামি সালাউদ্দিনকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। এ রায় হত্যা মামলার ক্ষেত্রে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করেন এই আইনজীবী।

আরও খবর