Logo
আজঃ বুধবার ২২ মে ২০২৪
শিরোনাম

ফসল উৎপাদন কলাকৌশল শীর্ষক গাইবান্ধায় কৃষিজীবির প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১৯০জন দেখেছেন

Image
একেএম শামছুল হক,সুন্দরগঞ্জ(গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধায় বসতবাড়ীর পরিত্যাক্ত জায়গায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে নিরাপদ উদ্যানতাত্ত্বিক ফসল উৎপাদন কলাকৌশল শীর্ষক এক দিনের কৃষিজীবির প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।বছর ব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে ও অর্থায়নে সোমবার গাইবান্ধা হর্টিকালচার সেন্টারে প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে রাখেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গাইবান্ধা হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোঃ সাইখুল আরিফিন ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল কবির। এসময় ৩০ জন কৃষক প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহণ করেন।এসময়,প্রশিক্ষন ভিত্তিক কলাকৌশল নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে শেয়ার করেন,সুন্দরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি একেএম শামছুল হক। 

আরও খবর



তাহিরপুরে চোরাকারবারী ও চাঁদাবাজদের রামরাজত্ব : দেখার কেউ নাই

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১৪৫জন দেখেছেন

Image

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া-সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা সীমান্ত দিয়ে সরকারের কোটিকোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন ভারত থেকে অবৈধ ভাবে গরু, ঘোড়া, মহিষ, ছাগল, পাথর, কয়লা, পেয়াজ, সুপারী, কসমেটিকস, নাসির উদ্দিন বিড়ি ও চিনিসহ বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী পাচাঁরের পর বিজিবি, পুলিশ ও সাংবাদিকদের নাম ভাংগিয়ে লাখলাখ টাকা চাঁদা উত্তোলনের খবর পাওয়া গেছে।

কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এব্যাপারে আইনগত কোন পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে সীমান্ত এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চোরাকারবারী ও চাঁদাবাজরা। আ  এই চোরাচালান করতে গিয়ে গত ৩ মাসে প্রায় ২৫জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। তাই এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উপরস্থ কর্মকর্তাদের সহযোগীতা জরুরী প্রয়োজন।

খোঁজ জানা গেছে- আজ শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) ভোর রাতে উপজেলার চারাগাঁও সীমান্তের লামাকাটা, জঙ্গলবাড়ি, এলাকা দিয়ে চোরাচালান মামলার আসামী আইনাল মিয়া, রফ মিয়া, সাইফুল মিয়া, রিপন মিয়া, লেংড়া জামালগং ২শ টন কয়লা, ৫শ বস্তা চিনি ও পেয়াজসহ বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য পাচাঁর করেছে। একই সময় এই সীমান্তের কলাগাঁও, চারাগাঁও এলসি পয়েন্ট, বাঁশতলা ও লালঘাট এলাকা দিয়ে চোরাচালান মামলার আসামী বাবুল মিয়া, সোহেল মিয়া, আনোয়ার হোসেন বাবলু, দীপক মিয়া ও নজির মিয়াগং গত ২দিনে প্রায় ৫শ টন কয়লা পাচাঁর করে বিজিবি ক্যাম্পের পাশে অবস্থিত একাধিক ডিপুসহ বাড়িঘরের ভিতরে মজুত করেছে। এজন্য ১ বস্তা (৫০কেজি) অবৈধ কয়লা থেকে বিজিবির নামে ১শ টাকা ও অন্যান্য মালামাল থেকে বিভিন্ন হারে চাঁদা উত্তোলন করেছে সোর্স পরিচয়ধারী আইনাল মিয়া, সোহেল মিয়া ও বাবুল মিয়া। অন্যদিকে টেকেরঘাট সীমান্তের বুরুঙ্গাছড়া ও রজনীলাইন এলাকা দিয়ে সোর্স পরিচয়ধারী আক্কল আলী ১বস্তা চোরাই কয়লা থেকে বিজিবির নামে ৫০টাকা, থানা ও সাংবাদিকদের নামে ১টন অবৈধ কয়লা থেকে ২হাজার টাকাসহ ১ ঠেলাগাড়ি চুনাপাথর (৫০ ফুট) থেকে বিজিবির নামে ১শ টাকা চাঁদা নিয়ে প্রায় ২শ মেঃটন কয়লা ও ৩শ মেঃ টন চুনাপাথর পাচাঁর করে বড়ছড়া-জয়বাংলা বাজার সংলগ্ন কাঠের ব্রিজ ও আশেপাশের একাধিক ডিপুতে মজুত করেছে। একই সময়ে পাশের চাঁনপুর সীমান্তের নয়াছড়া, গারো ছড়া, রাজাই, কড়ইগড়া ও বারেকটিলা এলাকা দিয়ে চোরাচালান মামলার আসামী শাহিবুর রহমান, কাজল মিয়া, জয়ধর মিয়া, শফিকুল, নিজাম মিয়া, নজরুল, জামাল মিয়া, হারুন, জম্মত আলীগং ৩শ মেঃ টন কয়লা, ২০টি গরু, ২শ বস্তা চিনি, ৩৫০বস্তা পেয়াজ পাচাঁর করেছে। একই ভাবে এউপজেলার বালিয়াঘাট সীমান্তে দুধের আউটা, লালঘাট, লাকমা এলাকা দিয়ে গডফাদার তোতলা আজাদের নেতৃত্বে সোর্স জিয়াউর রহমান জিয়া, মনির মিয়া, রতন মহলদার, কামরুল মিয়া, হোসেন আলী, ইয়াবা কালাম ও লাউড়গড় সীমান্তে যাদুকাটা নদী, সাহিদাবাদ, দশঘর, পুরান লাউড় এলাকা দিয়ে সোর্স পরিচয়ধারী চোরাকারবারী বায়েজিদ মিয়া, জসিম মিয়া, রফিকুল, নুরু মিয়া, জজ মিয়া, মোস্তফা মেম্বারগং কয়লা, পাথর, চিনি, পেয়াজ, গরু, মদ, গাঁজা, ইয়াবা পর করে চাঁদাবাজি করলেও দেখার কেউ নাই।

এব্যাপারে তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্মার কফিল উদ্দিন বলেন- সীমান্ত দিয়ে পাচাঁরকৃত প্রতি গরু থেকে ১হাজার টাকা, ১ বস্তা চিনি থেকে ১শ টাকা ও ১ বস্তা পেয়াজ থেকে ১শ টাকা ও ১ বস্তা কয়লা থেকে ৫০টাকা করে চাঁনপুর বিজিবি ক্যাম্পের নামে চাঁদা নেওয়া হয়। একারণে সীমান্ত চোরাচালান দিনদিন বেড়েই চলেছে। বর্তমানে ধান কাটার সময় কিন্তু চোরাচালানের কারণে শ্রমিক পাওয়া যায়না। বড়ছড়া কয়লা ও চুনাপাথর আমদানি কারক সমিতির আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক আবুল খায়ের বলেন- সীমান্ত চোরাচালান দিনদিন বেড়েই চলেছে। এই চোরাচালানের কারণ আমরা প্রায় ৩হাজার বৈধ ব্যবসায়ীরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ্য হচ্ছি। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এব্যাপারে বারবার জানানোর পরও তারা কোন পদক্ষেপ নেয় না।

এব্যাপারে সাংবাদিক মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া বলেন- সীমান্ত চোরাচালান ও চাঁদাবাজির বিষয়ে জানাতে চারাগাঁও ক্যাম্প কমান্ডার সিদ্দিক এর সরকারী মোবাইল (০১৭৬৯-৬১৩১২৬), চাঁনপুর ক্যাম্প কমান্ডার ঈশ^র চন্দ্র পন্ডিত এর সরকারী মোবাইল (০১৭৬৯-৬১৩১২৯) সহ বালিয়াঘাট ক্যাম্পের মোবাইল (০১৭৬৯-৬১৩১২৭) ও টেকেরঘাট ক্যাম্পের মোবাইল (০১৭৬৯-৬১৩১২৮) নাম্বারে বারবার কল করার পর ফোন রিসিভ না করে তারা আমার মোবাইল নাম্বার (০১৭১৫-৬৪৩৮৮৭) ব্লক করে দেয়।

তাহিরপুর থানার ওসি নাজিম উদ্দিন বলেন- সীমান্ত চোরাচালান বন্ধের দায়িত্ব বিজিবির। আপনারা বিজিবির সাথে কথা বলুন। এব্যাপারে জানতে সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক মাহবুবুর রহমানের সরকারী মোবাইল (০১৭৬৯-৬০৩১৩০) নাম্বারে বারবার কল করলেও কেউ ফোন রিসিভ করেনা।


আরও খবর



বাংলাদেশ নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানাল

প্রকাশিত:শনিবার ১১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ১১৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বাংলাদেশে পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ডেভিড স্লেটন মিলকে মনোনীত করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জা‌নি‌য়ে‌ছেন। ডেভিড মিল এর আগে ঢাকায় ডেপুটি মিশন প্রধান ছিলেন।

শুক্রবার (১০ মে) সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবা‌দিক‌দের এ কথা জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ মনোনয়নকে আমরা স্বাগত জানাই। মাস দে‌ড়েক আগে এ বিষয়টা আমাদের জানানো হ‌য়ে‌ছে। এখন তারা আনুষ্ঠা‌নিক ঘোষণা দিয়েছে। আশা করছি নতুন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক মিলের মনোনয়ন এরই মধ্যে সিনেটে পাঠানো হয়েছে। সিনেটে শুনানির পর মিলকে যোগ্য মনে হলে তবেই মনোনয়ন চূড়ান্ত করে রাষ্ট্রদূত হিসেবে তাকে ঢাকায় পাঠানো হবে। মিল ঢাকায় রাষ্ট্রদূত হলে বর্তমান রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের স্থলা‌ভি‌ষিক্ত হবেন।

মিনিস্টার কাউন্সেলর হিসেবে ১৯৯২ সালে ফরেন সার্ভিসে যোগ দেন মিল। এরপর ওয়াশিংটনের ফরেইন সার্ভিস ইনস্টিটিউটের লিডারশিপ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট স্কুলের সহযোগী ডিন, ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন ডেভিড মিল।


আরও খবর



প্রচন্ড তাপমাত্রায় স্কুল কলেজ বন্ধ চলছে কোচিং সেন্টার

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ এপ্রিল 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:প্রচন্ড গরমের তাপমাত্রায় স্কুল কলেজ বন্ধ থাকলেও এক প্রকার দাপটের সাথেই চলছে কোচিং সেন্টার। শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় সরকার স্কুল কলেজ বন্ধ ঘোষণা করলেও কোচিং সেন্টার খোলা থাকায় ব্যবস্হা নেয়ার দাবী জানান অনেকেই।নিত্যদিনের ন্যায় গতকালও শহরের ৮ নং ওয়ার্ড সহ বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় কোচিং সেন্টার খোলা রাখার চিত্র চোখে পড়ে।

দেখা গেছে কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীরা গদাগদি করে বসে আছে। অনেকের শরীর থেকে ঝরছে ঘাম। অনেক অভিভাবক বলছেন,এই প্রচন্ড গরমে কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখলে ভালো হতো। কোচিং সেন্টার খোলা থাকায় শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে না থেকে কোচিং সেন্টারে ছুটছে।

৮ নং ওয়ার্ডে কোচিং সেন্টারে পড়তে আসা অনেক শিক্ষার্থী বলছেন,গরমে বাসা থেকে বের হতে ইচ্ছা করে না। এরপরেও মেধার বিকাশ করতেই যেতে হচ্ছে সেখানে। এমনিতেই প্রচন্ড গরম এরপর কোচিং সেন্টারে গদাগদি করে বসলে সারা শরীর থেকে ঘাম ঝরে। কোচিং সেন্টারের সারেরা যদি এই প্রচন্ড গরমে কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখতেন, তাহলে খুব ভালো হতো।আবার কেউ কেউ বলছেন, স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় বাড়িতে পড়ে অনেক কিছুই বুঝতে পারছি না। কোচিংয়ের কারনে পড়াশোনা অনেকটা এগিয়ে গেছে। স্কুল কলেজ খোলার সাথে সাথে পরিক্ষা। কোচিং সেন্টারে পড়াশোনা না করলে পরিক্ষায় লিখতে পারবো না।

গরমে স্কুল কলেজ বন্ধ থাকলেও কোচিং সেন্টার কেন খোলা রেখেছেন জানতে চাইলে সৈয়দপুর শহরের ডাক বাংলা সংলগ্ন কোচিং সেন্টারের শিক্ষক জাবেদ আকতারি জানান, সৈয়দপুরের অনেকেই তো কোচিং সেন্টার খোলা রেখেছেন। গরমে কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখতে হবে তা জানা ছিল না। তাছাড়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলামের সাথে আমার ভালো সম্পর্ক।  সকলের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলে আমি ও বন্ধ রাখবো। তবে স্কুল কলেজ বন্ধ রাখার সাথে সাথে যদি কোচিং সেন্টার ও বন্ধ থাকে তাহলে শিক্ষার্থীরা ক্ষতির সম্মুখীন হবেই।

সৈয়দপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম  জানান,যারা সরকারের নির্দেশ অমান্য করে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে কোচিং সেন্টার খোলা রেখেছেন তারা নীতিবহির্ভূত কাজ করছেন। সরকারের নির্দেশ কে সম্মান জানিয়ে, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে প্রচন্ড গরমের দিন গুলোতে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার দাবী জানান তিনি। এরপরেও যদি কেউ কোচিং সেন্টার খোলা রাখেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্হা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। 

আরও খবর



ঢাকা দূষিত শহরের তালিকায় ৩ নম্বরে

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১২২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানী ঢাকার বায়ুদূষণ দেশে চলমান তীব্র দাবদাহের মধ্যে বেড়েছে। বিশ্বের  সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশের বায়ুদূষণ বাড়লেও মাঝে মধ্যে বৃষ্টি হলে শহরটির বাতাসের মানের কিছুটা উন্নতি হয়। তবে বেশ কিছুদিন যাবত বৃষ্টি না হওয়ায় ঢাকার বাতাসের মান আবারও ভয়াবহ দূষণের দিকে যাচ্ছে। সেইসঙ্গে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকিও।

শনিবার (২৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, ১৬১ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ৩ নম্বরে উঠে এসেছে ঢাকা। আজ ঢাকার বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এদিকে আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ১৯০ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে নেপালের কাঠমান্ডু; ১৬৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনামের হ্যানয়, ১৬৪ স্কোর নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই শহর। এছাড়া ১৫৫ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে আছে চীনের বেইজিং।

একিউআই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়। একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়; আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

এছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।


আরও খবর



সেচ হার ২ হাজার টাকা তারপরও কার্ডে নিতে হয় পানি ঘটে মারপিট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১৩০জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:এক বিঘা জমিতে ২ হাজার টাকা সেচ হার নির্ধারণ করা হয়েছে। ধান কাটার আগেই ২ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়। হারের টাকা দেওয়ার পর জমিতে সেচ নিতে হলে কার্ড কিনে নিতে হয়। রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপ অপারেটরেরা চালিয়ে যাচ্ছেন এমন কাল্পনিক নিয়ম। অথচ গভীর নলকূপে সেচ কার্ড আসার পর হার নেয়ার কোন নিয়মই নেই বলে বিএমডিএ নিশ্চিত করেন। কিন্তু বিএমডিএর এমন নিয়ম মানতে নারাজ গভীর  নলকূপের অপারেটরেরা। বিশেষ করে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারনে গভীর নলকূপের সেচ সুবিধা  থেকে কৃষকরা চরমভাবে বঞ্চিত। ফলে সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক কার্ডের মাধ্যমে সেচের ব্যবস্থার জোর দাবি কৃষকদের। নচেৎ মানববন্ধন থেকে শুরু করে আন্দোলনে যাওয়ার কথা ভাবছেন কৃষকরা।

কৃষকরা জানান, উপজেলার তালন্দ ইউনিয়ন ইউপির আড়াদিঘি মৌজায় দুটি গভীর নলকূপের অপারেটর ক্ষমতাসীন দলের যুবলীগ নেতা শাফিউল ও হাবিবুর। তারা চলতি বোরো মৌসুমে বিঘায় ২ হাজার টাকা করে সেচ হার নির্ধারণ করেন। কিন্তু হারের পুরো টাকা আদায়ের পর কার্ডে পানি নিতে বাধ্য করছেন। যার কারনে কৃষকদের বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে। আবার কোন কৃষক এসবের প্রতিবাদ করলে ওই গভীর নলকূপে আর চাষাবাদ করতে পারবে না। একারনে অপারেটরদের হাজারো সিন্ডিকেট মেনে চাষাবাদ করেই যাচ্ছেন। 

তানোর পৌর এলাকার চাপড়া গ্রামের কয়েকজন কৃষক জানান, গভীর নলকূপ স্থাপন হয়েছে কৃষকদের সুবিধার জন্য। কিন্তু গভীর নলকূপ সুবিধার বিপরীতে কৃষকদের কাছে এক প্রকার গলার কাটা হয়ে পড়েছে। আড়াদিঘি গ্রামের অপারেটর শাফিউল ও হাবিবুরের গভীর নলকূপে এক বিঘা  জমির হার ২ হাজার টাকা নির্ধারণ করে পুরো টাকা আদায় হওয়ার পর এখন কার্ড কিনে সেচ নিতে হচ্ছে। চাষাবাদের জন্য সার কীটনাশক সহ শ্রমিকের বাড়তি মূল্য গুনতে হচ্ছে। আবার সেচ হার, কার্ডের মাধ্যমে পানি নেওয়া কৃষকের মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে পড়েছে। চলতি বোরো মৌসুমে টানা  প্রচন্ড খরতাপ আছে। একদিন জমিতে সেচ না দিলে পানি থাকেনা। আবার সেচের জন্য অপারেটর ও ড্রেন ম্যানের কাছে দিনের পর দিন ধরনা দিয়ে মিলে না সেচ।
এদিকে উপজেলায় বোরো চাষ হয় দুভাগে। বিলের জমিতে আগাম ও মাঠের জমিতে আলু উত্তোলনের পর হয় বোরো চাষ। বিলের জমির ধান কাটা মাড়ায় ইতিপূর্বেই শেষ হয়ে গেছে। আলুর জমির ধান  কাটা শুরু হয়েছে। প্রচন্ড টানা তাপমাত্রা থাকা ও সময়মত সেচের পানি না পাওয়ার কারনে বিঘায় ৭ থেকে ৮ মন ধানের ফলন হয়েছে কম। 

কৃষি অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, টানা খরতাপ ও সময়মত সেচের পানি না পাওয়ার কারনে বিঘায় ৪ থেকে ৫ মন ফলন কম হয়েছে। এই মর্মে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জেলায় এরিপোর্ট দেয়া হয়েছে। কিন্তু জেলা অফিস সেই রিপোর্ট গ্রহণ না করে গত মৌসুমে যে ফলন হয়েছে সেই রিপোর্ট দেয়ার নির্দেশ দেন। সে মোতাবেক রিপোর্ট পুনরায় দেয়া হয়।বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত)  জামিলুর রহমান বলেন, সেচের জন্য হার নির্ধারণ করার কোন নিয়ম নেই। কার্ডের মাধ্যমে সেচের পানি নিতে হবে। অতিরিক্ত হার নিলে কৃষকরা লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে জমিতে সেচের পানি চাওয়ায় মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। তানোর পৌর এলাকার হরিদেবপুর গ্রামে ঘটে ঘটনাটি। এঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক হরিদেবপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম বাদি হয়ে গত রবিবার অপারেটর একই গ্রামের মোজাহারকে বিবাদী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভুক্তভোগী কৃষক জানান গত সোমবার সকালের দিকে হরিদেবপুর গ্রামের আইয়ুব আলীর বাড়ির পার্শ্ববর্তী জমিতে সেচের পানি চাওয়ায় অপারেটর মোজাহার আমাকে এলোপাথাড়ি মারপিট করে। সে বিঘায় ১৬০০ টাকা হার নির্ধারণ করে ১ হাজার টাকা করে নিয়েছেন। টাকা নিলেও সঠিক ভাবে সেচ দেয়না। তবে অপারেটর মোজাহার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাকে অকাথ্য ভাষায় গালমন্দ করার কারনে তাকে উত্তম মাধ্যমে দেয়া হয়েছে । মারপিটের সাথে  সেচের কোন বিষয় নাই। আপনি নাকি ১৬০০ টাকা করে এক বিঘায় হার নির্ধারণ করে ১ হাজার টাকা করে নিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি জানান, এখনো হার নির্ধারণ করা হয়নি। ধান কাটার পর নির্ধারন করা হবে।

থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

আরও খবর