Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

ফেসবুকে রঙধনু

প্রকাশিত:Saturday ০৯ April ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১৭৩জন দেখেছেন
Image

সংগৃহীতঃ

পৃথিবীটা যখন একেবারে নতুন তখনকার কথা।  নানবোজোদের বাড়ির পাশে ছিল বিশাল এক ঝরনা।


আর ঝরনাটির কাছেই ছিল বিস্তীর্ণ তৃণভূমি। ঘাস ও লতাপাতায় ছাওয়া সবুজ ওই তৃণভূমিতে অনেক ফুল ফুটতো। কিন্তু সবগুলো ফুলই ছিল ফ্যাকাসে সাদা রঙের। কারণ, তখন ফুলদের কোনো রংই ছিল না।


নানবোজো একদিন ঘরের জানালা দিয়ে তৃণভূমির দিকে তাকিয়ে ভাবলো, ইশ! ফুলগুলো যদি রঙিন হতো। যেই ভাবা সেই কাজ।

ঘর থেকে সব রঙের পাত্র আর তুলি নিয়ে সোজা তৃণভূমিতে চলে গেলো সে।

নানবোজো নরম লম্বা ঘাসের উপর বসে রঙের বাটিগুলো সাজিয়ে নিলো। প্রথমে রাখলো লাল, তারপর কমলা, তারপর হলুদ, সবুজ, নীল এবং বেগুনি। এবার ফুলগুলো রং করবার পালা।  

ছোট ছোট ভায়োলেট ফুলগুলোতে সে দিল গাঢ় নীল রং আর লিলিগুলোর গায়ে আঁকিয়ে দিল বাঘের চামড়ার মতো ডোরাকাটা দাগ। ড্যাফোডিলগুলো পেলো উজ্জ্বল হলদে রং। কিন্তু গোলাপগুলোকে সে তিনটি ভিন্ন রঙে রাঙায়। কোনোটা লাল, কোনোটা হাল্কা লাল, কোনোটা আবার ময়ূরের পেখমের মতো রক্তবেগুনি। দিনের ঝলমলে রোদে কাজ করতে করতে মনের সুখে গুনগুন করে গান ধরে নানবোজো।  

এসময় নানবোজোর মাথার উপরে খেলা করতে শুরু করে দু’টি নীলকণ্ঠ পাখি। প্রথম পাখিটা দ্বিতীয় পাখিটাকে ধাওয়া করে নিয়ে যায় তৃণভূমির শেষ প্রান্তে। দ্বিতীয় পাখিটা আবার প্রথম পাখিটাকে ধাওয়া করে নিয়ে আসে তৃণভূমির শুরুর মাথায়। পাখি দু’টির নাম জিপ আর জিং।  

কাজের ফাঁকে ফাঁকে সীমাহীন নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে ওদের খেলা দেখছিল নানবোজো। সে যখন ডেইজি ফুলগুলোতে হলদে রং মাখাচ্ছিল, জিপ আর জিং তখন নতুন আরেকটা খেলা শুরু করে। কে কত দ্রুত আকাশ থেকে মাটির সবুজ ঘাসের কাছে নেমে আসতে পারে।  

প্রথমে নামলো জিপ। ঘাসের কাছাকাছি নেমে ও যখন আবার উড়াল দিতে যাবে, তখনই ওর একটা ডানা ডুবে গেলো লাল রঙের বাটিতে। আর জিং যখন মাটির কাছে নেমে আসছিল ওর একটা ডানাও তলিয়ে গেলো কমলা রঙের বাটিতে।

 

ওহ! যা শুরু করেছো তোমরা, পাখি দু’টির উপর খুব বিরক্ত হয়ে বললো, নানবোজো।  

কিন্তু কে শোনে কার কথা। জিপ আর জিং তবু খেলতেই থাকলো। ওরা একবার নেমে আসে মাটিতে রঙের বাটিগুলোর কাছে, আবার সাঁই সাঁই করে উড়াল দিয়ে হারিয়ে যায় দূর আকাশে। এভাবে খেলতে খেলতে ওদের পা আর পালকগুলো একে একে সবক’টি রঙে ভরে গেলো।  

অবশেষে নানবোজো উঠে দাঁড়ালো। হিস্‌ হিস্‌ শব্দ করে হাত নাড়িয়ে পাখিদু’টিকে তাড়িয়ে দিলো সে।

নানবোজোর কাছ থেকে উড়ে চলে গেলো নীলকণ্ঠ পাখি দু’টি। এবার ওরা চলে গেলো নানবোজোদের বাড়ির পাশে ঝরনার কাছে। ওখানে গিয়ে আবার আগের মতো ধাওয়া-ধাওয়ি খেলায় মেতে উঠলো।  

ঝরনার আশপাশের হাওয়ায় তখন মেঘ আর কুয়াশা ভেসে বেড়াচ্ছিল। প্রথমবার জিপ যখন তার সঙ্গী জিংকে কুয়াশার ভেতর দিয়ে ধাওয়া করলো, কুয়াশার গায়ে তখন লালরঙা একটি আঁকাবাঁকা দাগ বসে যায়।  

জিং আবার যখন জিপকে উল্টো দিকে ধাওয়া করলো, তখন সেও এঁকে দেয় কমলা রঙের একটি আঁকাবাঁকা দাগ। এভাবে খেলতে খেলতে সাতটি রঙের আঁকাবাঁকা ডোরা পড়ে রইলো মেঘ আর কুয়াশার গায়ে।  

ধীরে ধীরে রংগুলো আরও জীবন্ত হয়ে ওঠে। সূর্যের আলোয় রঙিন দাগগুলো জ্বলজ্বল করতে থাকল।  

ঝরনার দিকে তাকিয়ে ভারি আনন্দ হয় নানবোজোর। সাতটি রঙের উজ্জ্বল আভা যেন পুরো তৃণভূমিটায় ছড়িয়ে পড়ে। লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, বেগুনি ও আসমানি রং ধনুকের মতো আকাশের নিচে চক্‌মক্‌ করতে থাকে। দুষ্টু নীলকণ্ঠ পাখি দু'টির কথা ভেবে মনে মনে হাসে নানবোজো। সে বলে, তোমরা তো দেখছি আস্ত একটা রংধনুই বানিয়ে ফেলেছ! 

তারপর থেকে রংধনুটা ভাসতে থাকে আকাশের নিচে, সেই ঝরনাটির উপরে। সেদিন থেকে বৃষ্টির পর সূর্য যখন পূর্ণ আলো ছড়ায়, আকাশের কোলে হেসে ওঠে সুন্দর একটি রংধনু।


আরও খবর



ডেমরায় দশ লক্ষ টাকা চাঁদার দাবীতে ব্যাবসায়ীকে গুম করার হুমকি

প্রকাশিত:Sunday ০১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৩৪৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাজধানীর ডেমরা থানা পুর্ব হাজী নগর এলাকার ব্যাবসায়ী নুর আলমের কাছ থেকে সাড়ে চার লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে দশ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী সহ ভুক্তভোগীকে মেরে গুম করার হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে।এ ঘটনায় ব্যাবসায়ী নুরআলম-৪২ বাদী হয়ে বিঞ্জ সিএমএম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।মামলাটি তদন্তের জন্য বিঞ্জ সিএমএম আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ফারাহ দিবা ছন্দা পিবিআই কে নির্দেশ প্রদান করেছেন।আদালতে দায়েরকৃত সিআর মামলা নং-১০২/২০২২(ডেমরা আমলী)।


মামলার আসামীরা হলেন,১।ফরিদ দেওয়ান-৪২ পিতাঃকাশেম মাষ্টার সাং- বকুল তলা সারুলিয়া ডেমরা ঢাকা,২।মোঃ জামাল-৪০ পিতাঃ আঃ খালেক মিয়া সাং-পুঙ্খু মিয়া মসজিদের সামনে সারুলিয়া ডেমরা ঢাকা ।


বাদীর আদালতে দাখিল করা পিটিশনের বর্ননা মতে জানাগেছে,মামলার ১ এবং ২ নং আসামীরা নুর আলমের ব্যাবসা প্রতিষ্টান এম আর রহমান ট্রেডার্স এ কর্মচারী ছিলেন।বিভিন্ন সময়ে বাদী তাদেরকে দিয়ে ব্যাবসা প্রতিষ্টানের লেনদেনের টাকা লোকজনের নিকট পাঠাত।তারা যোগসাযোশ করে ব্যাবসা প্রতিষ্টানের সাত লক্ষ টাকা সুচতুর ভাবে আত্মসাৎ করেন।ব্যাবসায়ী নুর আলম আসামীদের কাছে সাড়েচার লক্ষ টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা কোন সদুত্তর দিতে পারেনি।উল্টো বাদীকে হুমকি ধামকি ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং ব্যাবসা প্রতিষ্টান থেকে বিতাড়িত করতে সন্ত্রাসী দ্বারা হুমকি প্রদান করে।


আসামীরা বাদীকে সুকৌশলে অন্য জায়গায় নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে নেশা জাতীয় দ্রব্য দ্রব্য খাইয়ে আপত্তিকর ছবিতুলে তার মান সম্মান নষ্ট করতে আত্মীয় স্বজনের কাছে সেই ছবি পাঠান।


আসামীরা নুর আলমের ব্যাবসা প্রতিষ্টান এম আর রহমান ট্রেডার্সে এসে গত ২৪ মার্চ ২০২২ তারিখে তার নিকট দশ লক্ষ টাকা চাঁদাদাবী করে।তাদের দাবীকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাকে কিল ঘুষি,চর-থাপ্পর মারেনএবং জোড় করে ব্যাবসা প্রতিষ্টানের মেমো বই ভাউচার ছিনিয়ে নিয়ে যান।ঐদিন বিকেলে পুনরায় আসামীরা ব্যাবসা প্রতিষ্টানে এসে নুরআলম কে না পেয়ে তার বাসায় গিয়ে স্ত্রী ওপরিবারের অন্য সদস্যদের গালিগালাজ করেন।তারা  তার স্ত্রীকে বলেন দশ লক্ষ টাকা না দিলে তারা নুরআলমকে জীবনে মেরে ফেলে গুম করবেন।



স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে,এলাকার অনেক লোক বিষয়টি দেখেছেন সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের ভয়ে তারা মুখ খুলতে চায় না।বিষয়টি নিয়ে ব্যাবসায়ী নুরআলম ডেমরা থানায় মামলা করতে গেলে আসামীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে পুলিশ তার মামলা নেয়নি।বাদী নিরুপায় হয়ে আদালতে আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।



    


আরও খবর



ডেমরা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে একরাম হোসেন একজন কর্মবীর মানুষ

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ April ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১২৭জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

ডেমরা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের ভারপ্রাপ্ত অফিস সহকারী একরাম হোসেন একজন কর্মবীর মানুষ।অনন্য কর্মদক্ষতায় তিনি ডেমরা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে কাজের গতিশীলতা ফিরিয়ে এনেছেন।তিনি নিজে সৎ ও ভালো মানুষ হিসেবে প্রচণ্ড চাপের মুখেও সহজে মেজাজ খারাপ করেন না।


সেবাগ্রহীতারা জানান, সবার সাথে সদা হাসি মুখে সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ সেবা প্রদানে সদা তৎপর থাকেন ডেমরা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের ভারপ্রাপ্ত অফিস সহকারী একরাম হোসেন। দলিল সম্পাদনের গুরুত্বপুর্ন ধাপগুলো তিনি দ্রুত প্রক্রিয়া করে সাব-রেজিষ্টারের টেবিলে উত্থাপন করেন।


ডেমরা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের নতুন যোগদানকারী সাব-রেজিষ্ট্রার কাওসার খান অফিসের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে শুদ্ধি অভিযান ঘোষনা করেন।তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে যে কজন কর্মচারী সঠিকভাবে কর্ম সম্পাদনা করেন তাদের মধ্যে অন্যতম অফিস সহকারী একরাম হোসেন।


ডেমরা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ভারপ্রাপ্ত সহকারী একরাম হোসেন জানান,"সব সময় চিন্তা করি আমার উপড় ন্যাস্ত কর্তব্য সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে,আবার নতুন সাব-রেজিষ্ট্রার হিসেবে কাওসার খান স্যারের যোগদানের পর অফিসের পরিবেশ অনেকটা পাল্টে যেতে শুরু করেছে,কোথাও বিন্দু পরিমান অসংগতি তিনি মেনে নিতে চান না,তার কারনে  জনবান্ধব অফিসে পরিণত হয়েছে ডেমরা সাবরেজিস্ট্রি অফিস।


আরও খবর



দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন তিনি

কৌতুক অভিনেতা টাঙ্গাইলের আহসান আলী ভাদাইমা আর নেই

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ২৬৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের কৌতুক অভিনেতা ‘ভাদাইমাখ্যাত’ আহসান আলী (৫০) মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজিউন)। রোববার (২২ মে) দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। 


আহসান আলীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন। 


মারা যাওয়ার সময় আহসান আলী দুই স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের দাইন্যা রামপাল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। 


কৌতুক এ অভিনেতার শ্যালক জজ আলী জানান, ‘দীর্ঘদিন যাবত ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন আহসান আলী। এছাড়া তার লিভারেও পানি জমা ছিল। রোববার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে থেকে পরে আহসান আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে মারা যান আহসান আলী।


ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন জানান, লাশ হাসপাতালে আছে। বাড়িতে আনার প্রক্রিয়া চলছে।


মরহুমের পারিবার সূত্র জানা গেছে, আহসান আলী এক সময়ে কৃষি কাজ করে সংসার চালাতেন। প্রায় দুই বছর আগে তিনি কৌতুক অভিনয় শুরু করেন। ২০ বছর আগে ক্যাসেটের মাধ্যমে তিনি ‘ভাদাইমা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।’



আরও খবর



পিরোজপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি;গ্রেফতার -১

প্রকাশিত:Saturday ০৭ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১০৩জন দেখেছেন
Image

বজলুর রহমান ঃঃ

পিরোজপুরের কাউখালীতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি করায় মো. জুয়েল রানা (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।


 শনিবার (০৭ মে) তাকে কাউখালীর বেকুটিয়া ফেরীঘাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


গ্রেফতারকৃত যুবক জেলার সদর উপজেলার কুমিরমারা গ্রামের সিদ্দিক ফকিরের ছেলে।



 তার বিরুদ্ধে এলাকায় বিভিন্ন সময় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি করার অভিযোগ রয়েছে। 




কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  (ওসি) মো. বনি আমিন জানায়, জুয়েল কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া ফেরিঘাট এলাকায় গাড়ির সিরিয়াল ব্রেক করে গাড়ি প্রতি ৮০০ থেকে ২৫০০ টাকা চাঁদা নিয়ে গাড়ি ফেরীতে ওঠার সুযোগ করে দেন। 



বিষয়টি স্থানীয় ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট রফিকুল ইসলামের দৃষ্টিগত হলে তাকে চ্যালেঞ্জ করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় সে নিজেকে প্রথমে ডিবি পুলিশ পরিচয় দেয় এবং পরে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে একটি কার্ড দেখান। 



এ বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউখালী থানায় গ্রেফতারকৃত জুয়েল রানাকে আসামী করে একটি প্রতারনা মামলা দায়ের করেন।


প্রসঙ্গত পিরোজপুরে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে কখনও সাংবাদিক,কখনও ডিবি পুলিশ পরিচয়ে প্রতারনা ও চাঁদাবাজি করে আসছে।



 বিষয়টি স্হানীয় প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ ও পেশাদার সাংবাদিকরা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইদুর রহমানকে অবহিত করেন। পুলিশ সুপার এ বিষয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন।


আরও খবর



গ্যাস নির্গমনের জন্য কোন বিকল্প ব্যবস্থা বা কোন পাইপ ছিল না

ডগাইড় নতুন পাড়ায় সেপটিক ট্যাঙ্কির গ্যাস বিস্ফোরণ আহত ১

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ডগাইর নতুন পাড়া সাততলা মিনার মসজিদ সংলগ্ন ফজলুল হক চেয়ারম্যান বাড়ির ছয়তলা ভবন টির নিচতলা দক্ষিণ-পূর্ব কর্নারে সৃজন কনস্ট্রাকশন এর নিচে সেপটিক ট্যাঙ্কি বিস্ফোরণে বাবুল নামের একজন আহত হয়েছে। আহত বাবুল পাশের ভবনের নিচতলায় বিসমিল্লাহ ফার্নিচার এর কর্মচারী। 


বিস্ফোরণে সৃজন কনস্ট্রাকশনের মূল্যবান আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জরুরী কাগজপত্র ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সৃজন কনস্ট্রাকশনের ডেকোরেশন এর গ্লাস ভেঙ্গে বাবুলের পায়ে ঢুকে যায়। এতে তিনি আহত হন।


 ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এর সারুলিয়া ডেমরা ইউনিট প্রধান ওসমান গনি জানান, সেপটিক ট্যাংকের গ্যাস নির্গমনের জন্য কোন বিকল্প ব্যবস্থা বা কোন পাইপ ছিল না বিধায় বিস্ফোরণটি ঘটে। পাশের বাড়ির গ্যাস লাইন লিকেজ থাকাতে এতে আগুন ধরে যায়, ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।


 সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা যায় সেপটিক ট্যাঙ্কির কোথাও কোনো রকম গ্যাস বাহির হওয়ার জন্য কোন ব্যবস্থা ছিলনা। এতেই গ্যাসের অতিরিক্ত চাপে বিস্ফোরণটি ঘটে। তবে ভবনের নিচতলার শুধুমাত্র সৃজান কনস্ট্রাকশন ব্যতীত অন্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি ।



আরও খবর