Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

এত শস্য কোথায় রাখবে ইউক্রেন?

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৬৮জন দেখেছেন
Image

বিশ্বের ১০ শতাংশ গম একাই সরবরাহ করে ইউক্রেন, ভুট্টার ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ১৬ শতাংশ এবং সূর্যমুখী তেলে প্রায় অর্ধেক। তবে সাম্প্রতিক যুদ্ধের কারণে এসব পণ্য সীমান্তের বাইরে পাঠানো কঠিন হয়ে পড়েছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে প্রতি মাসে ৬০ লাখ টন শস্য রপ্তানি করতো ইউক্রেন, যার বেশিরভাগই যেতো কৃষ্ণসাগরের বন্দরগুলো দিয়ে। তবে রুশ নৌবাহিনীর অবরোধ এবং জলসীমায় ইউক্রেনীয়দের প্রতিরক্ষামূলক মাইন স্থাপনের কারণে সামুদ্রিক বন্দরগুলো দিয়ে তাদের শস্য রপ্তানি কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

রেল, সড়ক ও নদীপথে প্রতিমাসে ২০ লাখ টন শস্য রপ্তানির সক্ষমতা রয়েছে ইউক্রেনের। ফলে দেশটিতে শস্যের মজুত বেড়েই চলেছে এবং তারচেয়ে আশঙ্কার কথা, এই পরিস্থিতি দিনদিন আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।

ইউক্রেনে চলতি মৌসুমে চাষ করা গম এরই মধ্যে সোনালী রঙ ধারণ করেছে। অথচ দেশটির এক-পঞ্চমাংশ গুদাম হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত অথবা রুশ-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোতে রয়েছে। ইউক্রেনের উপ-কৃষিমন্ত্রী তারাস ভিসোটস্কি জানিয়েছেন, দেশটিতে এখনই গত মৌসুমের অন্তত দুই কোটি টন শস্য মজুত হয়ে রয়েছে। তাহলে নতুন ফসল উঠলে কী করবেন কৃষকরা? কোথায় রাখবেন সেগুলো?

Ukraine--3

ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় কৃষকরা এরই মধ্যে শীত মৌসুমের ফসল চাষ শুরু করেছেন, অন্য অঞ্চলগুলোতেও তা শুরু হবে শিগগির। যদিও এ বছর দেশটিতে শস্য উৎপাদন এক-তৃতীয়াংশ কম হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, তারপরও ইউক্রেনের গ্রেইন অ্যাসোসিয়েশনের ধারণা, তাদের বার্ষিক ভুট্টা উৎপাদন ২ কোটি ৬০ লাখ টন, গম ১ কোটি ৯০ লাখ টন, বার্লি ৭০ লাখ টন এবং তেলবীজ উৎপাদন ১ কোটি ৩০ লাখ টন হতে পারে।

পোল্যান্ড বা রোমানিয়ার ভেতর দিয়ে বাড়তি খরচে রপ্তানি করার চেয়ে ইউক্রেনের কিছু কৃষক শস্য মজুতেই বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছেন। সরকারের আশঙ্কা, চলতি বছর এক থেকে দেড় কোটি টন শস্য মজুতের জায়গা নিয়ে ঝামেলায় পড়তে পারে ইউক্রেন। তবে গ্রেইন অ্যাসোসিয়েশন বলছে, এর পরিমাণ আড়াই কোটি টন পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

শস্য ঠিকভাবে রাখা না হলে পচে যাওয়া অথবা চুরির ভয় রয়েছে। এই সমস্যা এড়াতে ইউক্রেনীয় কৃষকরা সাইলোর (উন্নত মজুতকরণ স্থান) নিশ্চয়তা বা বিশাল পলিথিন জোগাড়ে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন। দেশটির সরকার ভ্রাম্যমান গুদাম কেনার আদেশ দিয়েছে, যা ক্ষেতের মতো যেকোনো জায়গায় বসানো যাবে এবং ফসলকে পোকামাকড় ও বৃষ্টিপাতের হাত থেকে রক্ষা করবে।

Ukraine--3

আবার ক্ষুদ্র কৃষকরা সাধারণ গুদাম ভাড়া নিতে চুক্তি করছেন। তবে এ ধরনের গুদামে অনেক সময় সরকারি অনুমোদন থাকে না, ড্রাইয়িং মেশিন সুবিধাও অপর্যাপ্ত। এর ফলে সেখানে রাখা শস্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। শীতে ভুট্টা হয়তো মাঠেই ফেলে রাখা যায়, তবে তাতে মান কমে যাওয়ার ভয় রয়েছে।

ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররা এরই মধ্যে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। গত ১৪ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা দিয়েছেন, ইউক্রেনের সঙ্গে পোল্যান্ড সীমান্তে অস্থায়ী সাইলো নির্মাণ করা হবে। এটি ইউক্রেনীয় কৃষকদের কিছুটা হলেও সাহায্য করবে। তবে ভিসোটস্কির মতে, এসব শস্য সীমান্ত পার করানোই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।

সূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট


আরও খবর



গ্যাটকো দুর্নীতি: আইনজীবীর মাধ্যমে খালেদা জিয়ার হাজিরা

প্রকাশিত:Sunday ২৪ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০২ August 2০২2 | ১৮জন দেখেছেন
Image

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হাজিরা দাখিল করেছেন তার আইনজীবী। রোববার (২৪ জুলাই) কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক আলী হোসেনের আদালতে মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার হাজিরা প্রদান করেন।

এরপর আসামি জুলফিকার আলী, এ এম সানোয়ার হোসেন ও এ কে রশিদ উদ্দিন আহমেদের পক্ষে তাদের আইনজীবী অব্যাহতি চেয়ে অভিযোগ গঠনের শুনানি করেন। বিচারক খালেদা জিয়াসহ অন্য ১০ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ৩১ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৭ জুলাই একই আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন খালেদা জিয়া আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দেন। এরপর দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করতে শুনানি করেন। দুদকের শুনানি শেষে ২৪ জুলাই আসামিপক্ষের শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়।

২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় এ মামলা করেন।

মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় জরুরি ক্ষমতা আইনে। পরের বছর ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেছেন।

মামলার ২৪ আসামির মধ্যে ১১ জন এরই মধ্যে মারা গেছেন। মারা যাওয়া অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, এম কে আনোয়ার, এম শামছুল ইসলাম, এ কে এম মোশাররফ হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামী, চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আহমেদ আবুল কাশেম ও বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো।

মামলার জীবিত আসামিরা হলেন- সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান কমোডর জুলফিকার আলী, প্রয়াত মন্ত্রী কর্নেল (অব.) আকবর হোসেনের স্ত্রী জাহানারা আকবর, দুই ছেলে ইসমাইল হোসেন সায়মন ও এ কে এম মুসা কাজল, এহসান ইউসুফ, সাবেক নৌসচিব জুলফিকার হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক সদস্য এ কে রশিদ উদ্দিন আহমেদ, গ্লোবাল অ্যাগ্রোট্রেড প্রাইভেট লিমিটেডের (গ্যাটকো) পরিচালক শাহজাহান এম হাসিব, গ্যাটকোর পরিচালক সৈয়দ তানভির আহমেদ ও সৈয়দ গালিব আহমেদ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান এ এস এম শাহাদত হোসেন, বন্দরের সাবেক পরিচালক (পরিবহন) এ এম সানোয়ার হোসেন ও বন্দরের সাবেক সদস্য লুৎফুল কবীর।


আরও খবর



‘সেই শিক্ষাটা আমরা কবে নেবো?’

প্রকাশিত:Wednesday ০৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ১২জন দেখেছেন
Image

জিম্বাবুয়ে সফরে যাওয়ার আগে তরুণ দলটি নিয়ে বেশ আশাবাদী ছিলেন টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন। দলটিকে গাইড করার জন্য তিনি নিজে গেলেন হারারেতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হলো কী? জিম্বাবুয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারলো বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে এই প্রথম জিম্বাবুয়ের কাছে টাইগারদের সিরিজ পরাজয়।

স্বাভাবিকভাবেই ভক্ত থেকে শুরু করে দলের ক্রিকেটার এবং কর্মকর্তাদের মধ্যেও একটা হতাশা ভর করেছে। সেই হতাশাটা প্রকাশ পেয়েছে টিম ডিরেক্টরের মুখ দিয়ে। কোনোকিছু রাখঢাক না করেই তিনি বলে দিলেন, ‘আমি খুব হতাশ।’

প্রতিটি ম্যাচ এবং সিরিজ শেষে একটা কমন কথা বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক এবং কোচদের মুখ থেকে শোনা যায়, ভুল থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। কিংবা যে কোনো ম্যাচ অথবা সিরিজ শুরুর আগেও ঠিক এমন কথা শোনা যায় তাদের মুখ থেকে। বলে আগের ম্যাচে যে ভুলগুলো করেছি, সেখান থেকে যেন শিক্ষা নিয়ে পরের ম্যাচে কাজে লাগাতে পারি।

ওয়ানডে মর্যাদা ১৯৯৯ সালে, টেস্ট মর্যাদা ২০০০ সালে পেয়েছে বাংলাদেশ। এরপর থেকে গত ২২-২৩ বছরে নিয়মিতই এমন কথা শোনা যায়। কিন্তু সেই শিক্ষা নেয়াটা আর হয়ে ওঠে না বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের। কিংবা শিক্ষা নিলেও সেটা পরের ম্যাচে আর কাজে লাগাতে পারে না। আগের মতই অবস্থা কিংবা তার চেয়েও খারাপ অবস্থার প্রদর্শনী চলে।

টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন খুব হতাশাভরেই কথাটা বলে দিলেন এবার। জিম্বাবুয়ের সঙ্গে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ পরাজয়ের পর মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বারবার বলি নিজেদের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে; কিন্তু আমরা কবে সে শিক্ষাটা নেব? আমি পুরোপুরি ক্রিকেটারদেরকেই দোষ দেব। তাদের প্রয়োগ সম্পূর্ণ ভুল ছিল।’


আরও খবর



আজকের জোকস: শান্তি জিনিসটা আসলে কী?

প্রকাশিত:Saturday ৩০ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

শান্তি জিনিসটা আসলে কী?
নান্টু: দোস্ত, জীবনে শান্তি জিনিসটা আসলে কী, বল তো?
বল্টু: বলতে পারছি না রে, দোস্ত।
নান্টু: কেন!
বল্টু: অল্প বয়সেই বিয়ে করে ফেলেছিলাম তো

****

স্মরণশক্তি বাড়ানোর উপায়
বস: কী খুঁজছো অমন করে?
পিন্টু: পানিফলের হালুয়া এনেছিলাম স্যার।
বস: সেটা আবার কী?
পিন্টু: স্মরণশক্তি বাড়ানোয় খুব কাজে দেয় স্যার।
বস: তো?
পিন্টু: কিন্তু এখন তো মনেই করতে পারছি না যে কোথায় রেখেছিলাম!

****

চায়নিজ রেডিও
বাবা: মিনু দেখ, আমি খুব সস্তায় দারুণ একটা চায়নিজ রেডিও কিনেছি।
মিনু: তুমি কি বোকা বাবা? কবে তোমার বুদ্ধিসুদ্ধি হবে বল তো? আমরা তো চায়নিজ ভাষাটাই জানি না। তাহলে কী করবে এই চায়নিজ রেডিও দিয়ে?


আরও খবর



বান্দরবানে ইউপি সদস্যসহ দুজনকে অপহরণের অভিযোগ

প্রকাশিত:Friday ২২ July 20২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
Image

বান্দরবানে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে মংসাচিং মারমা (৫০) নামের এক ইউপি সদস্যসহ দুজনকে অপহরণের খবর পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুর ২টায় রুমা উপজেলার গ্যালেংগ্যা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড পানতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অপহৃত মংসাচিং মারমা ইউনিয়নের ৮ ওয়ার্ডের বর্তমান সদস্য ও পানতলা এলাকার মংপ্রুসাই মারমার ছেলে, অপরজন একই এলাকার মংসিউ মারমার ছেলে মমংচিং মারমা।

স্থানীয় চেয়ারম্যান ম্যানরথ ম্রো জাগো নিউজকে বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে মংসাচিংয়ের স্ত্রী বাসায় এসে জানায় একই ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার শৈ মং প্রু বাসায় এসে তার স্বামী (মংসাচিং মারমা) ও মমংচিং মারমাকে ডেকে নিয়ে যায়। এর পর থেকে তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। তাই তাদের অপহরণ করেছে বলে ধারণা করছেন মংসাচিংয়ের স্ত্রী।

রুমা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, মংসাচিং মারমার স্ত্রী আনু মা মারমা বাদী হয়ে সাবেক মেম্বার শৈ মং প্রু’র বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ করেন। তবে তাদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের থাকায় সঠিক তদন্ত ছাড়া কিছুই বলা যাচ্ছে না।


আরও খবর



আইএমএফের কাছে অর্থ চেয়েছি, পরিমাণ বলিনি: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে অর্থ চেয়ে চিঠি দেওয়ার কথা স্বীকার করলেও কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ চিঠিতে উল্লেখ করা হয়নি বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার (২৭ জুলাই) দুপুরে ভার্চুয়ালি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

গত সপ্তাহে বলেছিলেন আইএমএফয়ের ঋণ আপাতত প্রয়োজন নেই, দুদিন পরই গণমাধ্যমে এসেছে ঋণ চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা বিশ্বব্যাংকে যাব, জাইকায় যাব, সব জায়গায় সব সময় চেষ্টা করি আমাদের যে ঋণ প্রয়োজন হয় তা ভালো সুদে ও ভালো শর্তে নিতে।

তিনি বলেন, আইএমএফ টিম এখানে এসেছিলো, তারা প্রতি বছরই আসে। তারা বাৎসরিক কনসালটেশন করে, সেজন্য তারা এসেছে। সে সময় যদি বলি আমাদের টাকা দরকার, তখন তারা টাকা দিলেও সুদহার বাড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। বায়ার হিসেবে আমরাও খুব ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করি। আমরা ভাব দেখাই আমাদের দরকার নাই, এটাই হলো মূল কথা। এটি দেশের ভালোর জন্য করা হয়েছে। এতে কোনো রকম টাকা-পয়সা নেওয়া হয়নি, দেন দরবার হয়নি। সুতরাং চিন্তার কোনো কারণ নেই।

আইএমএফকে দেওয়া চিঠিতে লোনের পরিমাণ ৪.৫ বিলিয়ন ডলার উল্লেখ করা হয়েছে কি-না জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা কোনো পরিমাণ উল্লেখ করিনি। আপনি কোথায় পেয়েছেন আমরা কি পরিমাণ লোন চেয়েছি। আমি তো চাইনি, তাহলে কে চাইতে পারে? এটা আমার মনে হয় ভুল বোঝাবুঝি। আমরা যা করবো, আমরা যদি লোন নেই সেক্ষেত্রে আমার দায়িত্ব আপনাদের ব্যাখ্যা দেওয়া। কারণ আমি সবসময় ব্যাখ্যা দিতে রাজি।

সুদের হার উঠানোর বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের সুদের হার ৬ ও ৯ হওয়ার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি আজকে তার অবস্থানে আছে। আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো। আপনারা ভালোটা দেখে যদি না বলেন, তাহলে আমাদের সমস্যা। যদি ৬ ও ৯ শতাংশ হারে সুদ না হতো, তাহলে কোভিড পরিস্থিতিতে ছোট, বড়, মাঝারি কোনো প্রতিষ্ঠানকে খুঁজেও পেতাম না। এটা সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত। দরকার লাগলে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক তাদের মতো বলবে। তাদের যে চাহিদা সেটা পূরণের চেষ্টা করবে। তারা বাংলাদেশের প্রশংসা করবে, কারণ আমরা যা করেছি।

মন্ত্রী বলেন, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক বরাবর বলে যাচ্ছে বাংলাদেশ ভালোভাবে এগুচ্ছে। আমরা ৬ ও ৯ শতাংশ করার কারণে ব্যাংকিং খাত স্থিতিশীল অবস্থা আছে। সরকারি ব্যাংকগুলোকে দায়িত্ব দিয়েছি তাদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য। পাশাপাশি প্রাইভেট সেক্টরের ব্যাংককগুলো যেটা লালে ছিলো সেটা সবুজ হয়ছে।

আইএমএফের লোন প্রসঙ্গে আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি যদি বলি আমার দরকার, আমরা তো ডলার প্রিন্ট করি না। ডলার আমাদের অর্জন করতে হয়। আমরা ডলার অর্জন করি বিদেশের যে শ্রমিকরা আমাদের ডলার পাঠিয়ে সাহায্য করছেন। যারা দেশ থেকে গিয়ে বিদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন তারা আমাদের সেই ডলার বা বিভিন্ন কারেন্সি দিয়ে সাহায্য করে, তারাই আমাদের চালিয়ে নিচ্ছে। অল্প দিনের মধ্যে খারাপ কোনো অবস্থা হয়নি।

তিনি বলেন, আমরা যখন অর্থনীতি ম্যানেজ করি আমাদের কাছে বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিত দেখতে হয়। আমাদের ঋণ দরকার। আর কিছুদিন, এরপর ঋণ থাকবে না। আমরা তো বলেছিলাম ঋণ আমরা দেব। আমি আবারও বলি আমরা ঋণ দিতে পারব। আমি আমার চাহিদা সবাই জানতে পারলে আমার ওপর খরচটা বেশি দেবে, সেজন্যই প্রয়োজন নেই বলেছি। এভাবেই আমাদের ম্যানেজ করা হয়। ঋণের বিষয়টি যেন কোনোভাবেই আমাদের বিপক্ষে না যায়। আমরা অর্থ চাই, আমরা বলেছি। কিন্তু কত লাগবে সেটি বলিনি।

তিনি আরও বলেন, তারা কি শর্তে ঋণ দিতে চাচ্ছে, তাদের যদি পজিটিভলি দেখি তাহলে আমরা হয়ত বিবেচনা করতে পারি। আমরা বিবেচনা করবই এ ধরনের কোনো প্রস্তাবনা আমরা দেইনি।


আরও খবর