Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

এনআইডি নিয়ে হয়রানি বন্ধের নির্দেশ সিইসির

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৪০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা নিতে গিয়ে নাগরিকরা যেন কোনো হয়রানির শিকার না হন এবং তাদের সঙ্গে যেন দুর্ব্যবহার করা না হয় কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।সোমবার (১০ জুন) নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) আয়োজিত এনআইডি সংশোধনসংক্রান্ত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ নির্দেশনা দেন তিনি।

ইসি সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটিতে ইটিআই মহাপরিচালকসহ অন্য কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিইসি বলেন, জাতীয় পর্যায়ে এনআইডির গুরুত্ব এখন অপরিসীম। আমাদের ভোটার তালিকাও এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডিজিটালাইজড হয়ে গেছে। এনআইডি এখনও শতভাগ সেটেলড ডাউন হয়েছে, এটা আমার কাছে মনে হয় না। অনেকে অভিযোগ করেন যে, পরিবর্তন বা সংশোধন করতে হবে। সংশোধনের কিছু কিছু ক্ষেত্রে যারা আবেদনকারী তাদের কারণে ভুল হয়ে থাকে। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে তথ্যগুলো আমি যখন লিখছি, তখন সঠিকভাবে লিখছি না। কিছু সংকট আমাদের রয়েছে।

তিনি বলেন, এনআইডি ব্যবস্থাপনা অনেক জটিল। আমি সেটা বুঝি না। তবে জনগণ এলে তাকে সেবা দিতে যেন দেরি না হয়। আমি সরকারি কর্মচারী। যেন হয়রানি না করি, দুর্ব্যবহার না করি, সেটা নিশ্চিত রাখতে হবে। বিয়ের পরে অনেকের স্বামীর নাম পরিবর্তন করতে হয়। কোনো কোনো দেশে এটা অপরিহার্য হিসেবে প্রয়োজন হয়। তাই স্বামীর নামটা অরিজিনালি থাকা উচিত। তাহলে বিড়ম্বনা হবে না।

সিইসি আরও বলেন, আমি জানি স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন হয় না। তবে অস্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন হয়। আমার হয়তো অস্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন হয় না, কিন্তু ঘন ঘন অস্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করতে হয়, তাহলে কী এনআইডি সংশোধন করতে পারব, সে দিকটাও দেখতে হবে। প্রায়ই শুনি এ ওর নাম নিয়ে ভিন্ন পরিচয় ধারণ করে এনআইডি নিয়েছে৷ বিভিন্ন অপরাধে সম্পৃক্ত হচ্ছে। অনেকে বাবার নাম পরিবর্তন করে চাচার নাম নিয়ে সহায় সম্পত্তি দখল করে ফেলছে। গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করে কোনো একটি উপায় বের করতে হবে, যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে। কেউ যদি ১০টা দেশের নাগরিক হন এবং বাংলাদেশেরও নাগরিক হন তাহলে তিনি এনআইডি পাবেন৷ দ্বৈত নাগরিকত্বের অজুহাতে কাউকে এনআইডি দেওয়া থেকে বাদ রাখা যাবে না। যদি কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে বাংলাদেশের নাগরিক হন, সনদের প্রয়োজন নেই; তাকে এনআইডি দিতে হবে।



আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ১৭ জুন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | ৯২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশের আকাশে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। এর ফলে আগামী ১৭ জুন দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হবে।

আজ শুক্রবার রাতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান।

এর আগে বায়তুল মোকাররমে এশার নামাজ পড়তে যাওয়ার আগে ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আমরা একটি জায়গায় চাঁদ দেখার খবর পেয়েছি সেটি আমরা যাচাই-বাছাই করছি। যাচাই-বাছাই শেষে আপনাদেরকে জানানো হবে।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান সহ ১২ সদস্যের অনাস্থা

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ২৬৬জন দেখেছেন

Image

মোঃ আব্দুল হান্নান, নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার  নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য  হীরন মোল্লার  বিরুদ্ধে অনাস্থা কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান সহ  পরিষদের ১২  সদস্য,নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।


লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হিরন মোল্লা একজন সন্ত্রাসী ও সক্রিয় চোর, ডাকাত দলের সদস্য। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক চুরি -ডাকাতির মামলা রয়েছে।

ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সে বিভিন্ন সময় নির্বাচিত  চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সাথে অসদাচরন করে আসছেন।


ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ দুপুরে পরিষদের সভা শুরুর পর উপস্থিত চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের সম্মুখে কুন্ডা ইউনিয়নের ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত ইউপি সদস্য জাকিয়া খাতুনের সাথে বাক বিতন্ডা শুরু করে। এ সময় অন্যরা তাকে থামাতে  চাইলে, সে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে সবার সম্মুখে সংরক্ষিত  ইউপি সদস্য জাকিয়া খাতুন কে হত্যার উদ্দ্যশ্যে মারধর করে গুরুতর জখম করে।


প্রাথমিক চিকিৎসা জন্য তাকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

পরবর্তীতে এই ঘটনার রেশ ধরে মো. হিরন মোল্লা কুন্ডা ইউপির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া কে হত্যার হুমকি প্রদান করে পরিষদ ত্যাগ করেন।


এ ঘটনার প্রতিবাদস্বরূপ ইউপি সদস্য হিরন মোল্লা'র  বিরুদ্ধে অনাস্থা আনাসহ তার অপসারণ দাবি করে কুন্ডা ইউপি চেয়ারম্যান এডঃ মোঃ নাছির উদ্দিন ভূঁইয়া সহ সংরক্ষিত আসনের  ইউপি সদস্য মোছা. তাহেরা বেগম, মোছা. তাছলিমা বেগম,জাকিয়া খাতুন, জজ মিয়া,শাহাজাহান মিয়া,সুশান্ত দাশ,কাইযূম মিয়া,মো. জিল্লুর রহমান,নবী হোসেন,আজিজুর রহমান ভূঁইয়া ও মোঃজামাল মিয়া।


অভিযুক্ত ইউপি সদস্য হিরন মোল্লার সাথে বেশ কয়েকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও  তিনি ফোন ধরেনি।

এ বিষয়ে মোবাইল  ইউপি সদস্য এডঃ মোঃ নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া'র সাথে কথা বলে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

  -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



দেশের ‘কুইন আইল্যান্ড’ ভোলার ঐতিহ্য মহিষের দই

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

শরীফ হোসাইন, ভোলা বিশেষ প্রতিনিধি:দেশের বৃহত্তম দ্বীপজেলা ভোলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রাচুর্যের কারণে এই জেলাকে ডাকা হয় ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ নামে। জেলার পূর্ব দিকে মেঘনা নদী, পশ্চিমে তেঁতুলিয়া, উত্তরে ইলিশা আর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। জলবেষ্টিত জেলা ভোলার প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী খাবার মহিষের দই। স্থানীয়ভাবে এটি ‘বৈষা দই’ নামে পরিচিত। উৎসব-পার্বণে এর চাহিদা অনেক বেশি। দই তৈরিতে দুধ আসে জেলার বিভিন্ন চরের মহিষের বাথান থেকে। এ উত্তাল জলরাশির মধ্যে জেগে ওঠা চরে সবুজ ঘাসের বুকে বিচরণ করে বেড়ায় মহিষ। সরকারি হিসাবে এর সংখ্যা এক লাখ ২৪ হাজার। তবে বেসরকারি হিসাব মতে তা দুই লাখের কাছাকাছি।

ভোলা জেলার ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১২২০ সালের দিকে ভোলায় প্রথম চর জাগতে শুরু করে। প্রায় ১০০ বছর পর, ১৩০০ সালের দিকে এখানে চাষাবাদ শুরু হয়। ১৩৩৫ সাল নাগাদ দক্ষিণ শাহবাজপুরে (ভোলার আদি নাম) বসতি স্থাপন শুরু হয়।

শাহবাজপুর ছাড়াও আশপাশের নদীতে জেগে ওঠে নতুন নতুন অসংখ্য চর। তখন থেকে শুরু হয় মহিষ লালন-পালন। সেখান থেকেই মহিষের দুধের কাঁচা টক দধির প্রচলন। তা ধীরে ধীরে নাম যশে বাড়তে থাকে এর চাহিদা। বর্তমানে সারাবছরই কাঁচা বৈষা দইয়ের চাহিদা থাকে। এখানকার অতিথি আপ্যায়নের অন্যতম উপাদান এটি। এ টক দধি গুড়, মিষ্টি অথবা চিনি দিয়ে খাওয়া যায়। এ ছাড়াও এ দুধের ছানার রসগোল্লা, রসমালাইয়ের স্বাদও অতুলনীয়। এ টক দধি সব সামাজিক, পারিবারিক ও ঘরোয়া অনুষ্ঠানে থাকতেই হবে। এ যেন এক ঐতিহাসিক রীতিনীতি। খাবার হজমে, ডায়াবেটিস ও হার্টের সমস্যায় কাঁচা দুধের দধি উপকারিতা রয়েছে। এ ছাড়াও, এই দই অধিক পরিমাণ প্রোটিন সমৃদ্ধ। এটি রক্তচাপ কমায় ও হাড়ের মজবুত গঠনেও ভূমিকা রাখে। অর্থাৎ পুষ্টিমান বিবেচনায়ও এটি মানবদেহের জন্য একটি উপকারী খাবার হিসেবে বিবেচ্য।

এ এলাকার মানুষ খাবারের শেষে ভাতের সঙ্গে দই খেয়ে থাকে। দই, চিড়ার সঙ্গে হালকা মুড়ি ও চিনি মিশিয়ে মজা করে খাওয়া যায়। গরমের মৌসুমে দইয়ের সঙ্গে হালকা পানি ও চিনি মিশিয়ে ঘোল তৈরি করা হয়। এ ঘোল গরমের দিনে মানবদেহকে ঠান্ডা রাখে। অনেকে কুটুম বাড়িসহ পছন্দের মানুষের উপহার কিংবা দেশের বাইরেও প্রিয়জনদের কাছে এখানকার দধি পাঠিয়ে থাকে। কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান হলে দধি দিয়ে আপ্যায়ন করা প্রায় বাধ্যতামূলক। শীতে হাঁসের মাংসের সঙ্গে টক দই আর খেজুরের গুড় ভোজনরসিকদের কাছে খুবই জনপ্রিয় খাবার। 

আরো জানা গেছে, ভোলায় বছরে গরু ও মহিষের দুধ উৎপাদন হয় প্রায় ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫৭ টন। এর মধ্যে প্রায় ১৮ হাজার টন মহিষের দুধ। উৎপাদন অনুযায়ী দুধের চাহিদা রয়েছে দ্বিগুণ। বর্তমানে প্রতি দেড় লিটারের টালী দই বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকায় এবং দুই মিটারের বড় টালী ৩৫০-৪০০ টাকায় বিক্রি হয়। ঈদকে কেন্দ্র করে দাম আরও বেড়ে যায়। ঈদ শুরুর অন্তত দুই সপ্তাহ আগ থেকে দুধ সংগ্রহে রাখেন বিক্রেতারা। ঈদের পরও বেশ কিছুদিন এর চাহিদা থাকে তুঙ্গে।

উপকূলীয় অঞ্চলের এই টক দইয়ের চাহিদা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে খামারিরা জানান, আজকাল ঢাকার লালমাটিয়া, মোহম্মদপুর, দারুস সালাম ও মিরপুরের অরগানিক খাবারের দোকানগুলো ভোলা থেকে ভৈষা দই কিনে নিয়ে বিক্রি করছে এবং চাহিদাও রয়েছে প্রচুর। ঢাকার দোকানগুলোতে প্রতি দেড় লিটারের টালী দই বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে ২৮০ টাকা এবং ২ লিটারের বড় টালী বিক্রি করা হয় ৪০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত।

প্রায় ৪০ বছর ধরে বাথানভিত্তিক মহিষের আবাদ ও দইয়ের ব্যবসা করছেন ভোলার শাহিন আলম। তিনি জানান, মহিষের দুধ ঘন। এতে পানির পরিমাণ কম থাকায় মাটির পাতিলে দই পাতলে সে পানিটুকুও শুষে নেয়। ফলে নির্ধারিত সময়ের পর দইয়ের ওপর ঘন মাখন জমে। প্রথমে একটি মাটির পাত্র (টালি) পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরপর দুধগুলোকে ভালোভাবে ছেকে মাটির পাত্রে স্থির জায়গায় রেখে দিলে হয়ে যাবে মুখরোচক টক দই। গরমের দিনে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা এবং শীতের দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগে দই তৈরিতে। তিনি আরও জানান, চরাঞ্চলে পর্যাপ্ত কিল্লা (দুর্যোগে মহিষের আশ্রয় নেওয়ার জায়গা) না থাকায় ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের সময় নিখোঁজ হয় অনেক মহিষ। তাই খামারিরা মহিষ পালনে দিন দিন আগ্রহ হারাচ্ছেন। ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষের দুধের ‘টক দই’ ধরে রাখতে হলে সরকারি-বেসরকারি কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। 

ভোলা শহরের আদর্শ দধি ভা-ারের মালিক মো. আব্দুল হাই জানান, ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তার বাবা চরে মহিষ পালন করতেন। সেই মহিষের দুধের ওপর নির্ভর করেই তিনি দইয়ের দোকান দিয়েছেন। বর্তমানে বাবার পরিবর্তে নিজে ব্যবসার হাল ধরেছেন। এখন দইয়ের বেশ চাহিদা থাকলেও দুধের সরবরাহ কম থাকায় চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করতে পারছেন না। খাদ্যসংকটসহ নানা কারণে চরাঞ্চলে মহিষ পালন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে বলে জানান আব্দুল হাই। 

এদিকে, ভৈষা দইয়ের বাজার সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকারের পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি)। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভোলা জেলা কেন্দ্রিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ) চরফ্যাশনে উৎপাদিত ভৈষা দইকে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত ও বাজারজাতকরণে কাজ করছে। সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পর্যায়ে পরিবেশবান্ধব খামার তৈরি, নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তিতে পণ্য প্রক্রিয়া এবং বাজারজাতকরণে প্রান্তিক খামারি ও সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সংস্থাটি। পাশাপাশি দেওয়া হচ্ছে আর্থিক ও সব ধরনের কারিগরি সহায়তা।

এফডিএ জানায়, তাদের সহায়তায় এই এলাকার দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদভাবে বাজারে আসছে। ফলে সংশ্লিষ্ট প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। ভৈষা দই এখন একটি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত সরবরাহ ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে ঢাকার বাজারে পরিচিতি পাচ্ছে। অচিরেই এই পদ্ধতিতে অনেক স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদের উৎপাদিত দুগ্ধপণ্য জাতীয় বাজারে নেওয়ার সুযোগ পাবেন বলে আশা করা যায়।

প্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার এসইপি প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার ডা. তরুণ কুমার পাল জানান, কেবল মহিষ ও মহিষ বাথানিয়াদের কথা চিন্তা করে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে বিনামূল্যে মহিষের চিকিৎসাসেবা। পল্লীকর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের এসইপি প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা ভোলার ভেদুরিয়ার চর চটকি মারা, ভেলুমিয়া ইউনিয়নের চর চন্দ্র প্রসাদ ও চরমুন্সিতে মোট তিনটি আধুনিক কিল্লা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন। যা ভোলাতেই প্রথম বলে জানান গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মহিন। গুরুত্ব বিবেচনায় আরও কিল্লা নির্মাণ কাজটি চলমান থাকবে বলে জানান তিনি। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ভোলায় জনবসতি গড়ে ওঠার সাথে সাথে মানুষ উপার্জনের জন্য মহিষ, গরু-ছাগল পালন শুরু করেন। বিশেষ করে অবস্থাসম্পন্ন গৃহস্থ পরিবারগুলো শত শত মহিষ পালন করে। যুগ যুগ ধরে বহু পরিবার এখানে মহিষ ও দই বিক্রির পেশায় নিয়োজিত রয়েছে। দুধ-দই ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন চরে গড়ে উঠেছে শত শত মহিষ বাথান। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব বাথান থেকে গোয়ালরা টনে টনে দুধ নিয়ে আসে শহরের বাজারগুলোতে। গোয়ালদের কাছ থেকে প্রয়োজন মতো দুধ কিনে নেয় দই ব্যবসায়ীরা। এরপর বিভিন্ন ধরনের টালিতে দুধ বসিয়ে প্রস্তুত করা হয় দই।

ভোলা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু বলেন, ইলিশ আর মহিষের দুধের কাঁচা দধি ভোলার ব্র্যান্ড। উপকূলের মহিষের দুধে আছে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা। দেশের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো মহিষের দুধভিত্তিক কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে। এর মাধ্যমে বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। ঐতিহ্যবাহী এ পণ্যের সুনাম ছড়াতে পারে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও।


আরও খবর



হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও পেঁয়াজ আমদানি শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:২০ দিন বন্ধ রাখার পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারো ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। দেশের বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের দাম বাড়ায় আমদানি শুরু করেছে ব্যবসায়ীরা।

আজ মঙ্গলবার বিকেল ৫ টার দিকে ভারতীয় পেঁয়াজ বোঝাই দুটি  ট্রাক হিলি বন্দরের প্রবেশের মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হয়। সততা বাণিজ্যালয় নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসব পেঁয়াজ আমদানি করে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুটি ট্রাকে ৩৩ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। 

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সিএন্ডএফ এজেন্ট প্রতিনিধি মাহাবুব হোসেন জানান,দেশের বাজারে হঠাৎ করে দেশীয় পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকা হওয়ায় বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখতে আজ থেকে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। লোকসান হওয়ায় গেলো ২০ দিন ধরে আমদানি বন্ধ ছিলো। যদি বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম পাওয়া যায় আমদানির  পাশাপাশি ঈদের আগে আমদানি আরো বাড়বে।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




রাজধানীর বাড্ডায় ঘিরে রাখা বাড়ি থেকে ৬৫ হাতবোমাসহ আটক ৩

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:৬৫টি হাতবোমা উদ্ধার ও তিনজনকে রাজধানীর পূর্ব বাড্ডার টেকপাড়া এলাকায় ঘিরে রাখা বাড়ি থেকে আটক করেছে করেছে র‌্যাব।

সেখানে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটকও করা হয়েছে। তারা হলেন- ফাহিম, লিমন ও আকুল।

বুধবার (২২ মে) রাতে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফিরোজ কবীর।

এর আগে রাত ৯টার দিকে বোমা তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়ে বাড়িটি ঘিরে রাখে র‌্যাব।

র‌্যাবের অধিনায়ক জানান, আটকদের সবাই জুতার কারখানায় কাজ করেন। বোমা তৈরির জন্য সজীব নামে একজনের মাধ্যমে ২৬ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের চুক্তি হয়। অনাবিল বাসে করে বুধবার রাতেই বোমাগুলো গাজীপুর পাঠানোর কথা ছিল। তাদের কাছে শুধু তথ্য ছিল এ বোমাগুলো মাছুম নামে একজন সংগ্রহ করবে। মাছুমই ক্রেতা ঠিক করে দেয়। এর আগেও ডেমরা, সাভার ও বাড্ডায় বোমা তৈরির চেষ্টা করেছিলেন সজীব। এসব বোমা তারা সারাদেশে সরবরাহ করেন।

তিনি বলেন, বোমার গঠন, আকার, ওজন বিবেচনা করে বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিট বুঝতে পেরেছে এগুলো ককটেলের মতো নয়। এসব বোমা অনেক শক্তিশালী। ট্রিগার মেকানিজমের বোমা এগুলো। হাওয়াতেই ব্লাস্ট করা সম্ভব। প্রায় ৩০ মিটার জায়গায় প্রভাব বিস্তার করতে পারতো এগুলো, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফিরোজ কবীর বলেন, ধারণা করা হচ্ছে উপজেলা নির্বাচন ও ঈদ ঘিরে নাশকতার পরিকল্পনা ছিল। সজীবকে খুঁজে বের করা হবে। এছাড়া বাড়ির মালিককে খোঁজা হচ্ছে।


আরও খবর