Logo
আজঃ Sunday ২৪ October ২০২১
শিরোনাম
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে শেষ ম্যাচে নেপালকে হারাতেই হবে

এখন বাংলাদেশের সব পরিকল্পনা নেপালকে ঘিরেই

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ৬১জন দেখেছেন
স্পোর্টস ডেস্ক

Image

 

স্পোর্টস ডেস্ক :

 

কিছু যদি-কিন্তুর ওপর ভাগ্য নির্ভর করলেও বাংলাদেশকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে শেষ ম্যাচে নেপালকে হারাতেই হবে। জয় ছাড়া অন্য যে কোনো ফলই বাংলাদেশের বিদায়ঘন্টা বাজাবে। ৫ দিন বিশ্রাম পাওয়া জামাল ভূঁইয়াদের নিয়ে তাই আলাদা পরিকল্পনাই করতে হবে স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজনকে।

 

মালদ্বীপের কাছে হারের পর দুইদিন বিশ্রামেই ছিলেন খেলোয়াড়রা। হোটেলে জিম আর সুইমিং ছিল তাদের রুটিনওয়ার্ক। রোববার থেকে নেমে পড়বেন অনুশীলনে। নেপালকে কিভাবে বধ করা যায়, কোচের কাছে সেই মন্ত্রই শিখবেন জামাল ভূঁইয়ারা।

 

দলের সিনিয়র খেলোয়াড় গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানা বলেন, ‘সামনে নেপালের বিপক্ষে যে ম্যাচ তা নিয়েই আমাদের সব পরিকল্পনা। মালদ্বীপ ম্যাচের পর দুইদিন বিশ্রামে ছিলাম। রোববার থেকে অনুশীলন। আমাদের সামনে ভালো একটা সুযোগ থাকবে যদি নেপালকে হারাতে পারি। এবারের সাফ অনেক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে। এখানে সবার জন্য সুযোগও আছে। আমরা চেষ্টা করব। খেলোয়াড়রা সবাই এখন উৎফুল্ল আছে।

 

মালদ্বীপে প্রবাসী বাংলাদেশিরা নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে মাঠে এসে সমর্থন দেবে বলে প্রত্যাশা রানার, ‘মালদ্বীপে যারা প্রবাসী আছেন, তারা অবশ্যই মাঠে এসে উৎসাহ দেবে। দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই, যাতে নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারি।

দুই হলুদকার্ডে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে পারবেন না ভারতের বিপক্ষে গোল করা ইয়াসিন আরাফাত। তবে ইয়াসিনের না থাকায় তেমন কোনো সমস্যা হবে না মনে করছেন রানা।

জাতীয় দলের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক বলেন, ‘তার না থাকায় বড় ধরনের কোনো সমস্যা হবে না। কারণ, আমাদের দলের সবার একাদশে খেলার সামর্থ্য আছে। রাকিব আর বিশ্বনাথ এই ম্যাচে ফিরবে। সবাই যদি নিজেদের সেরাটা খেলতে পারে, তাহলে অবশ্যই নেপালের সাথে জিততে পারবো।


খবর প্রতিদিন / সি.বা 


আরও খবর



সুস্থ ও স্বচ্ছ চিন্তা যে কোনো ভালো কাজের ভিত্তি

চিন্তা সমস্ত কর্মকাণ্ডের প্রাণ : মামুনুর হাসান টিপু

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ১৭৫জন দেখেছেন
Image


 

সম্পাদকীয় :

চিন্তা হচ্ছে মানবীয় সমস্ত কর্মকাণ্ডের প্রাণ। সুস্থ ও স্বচ্ছ চিন্তা যে কোনো ভালো কাজের ভিত্তি। এ চিন্তার জগতে আমাদের দৈন্য এখন স্পষ্ট। সমাজের সিংহভাগ মানুষের চিন্তার সময় নেই। এরা বেকারত্ব, হতাশা, প্রতিহিংসা, অসুস্থ প্রতিযোগিতায় আকণ্ঠ নিমজ্জিত। যে স্বল্পসংখ্যক মানুষের সময় আছে তাদের চিন্তা বিভ্রান্ত হচ্ছে চারপাশের অনাকাঙ্ক্ষিত তর্ক-বিতর্কে; অস্পষ্ট ধ্যান-ধারণায়। এ পরিস্থিতিতে সমাজের সামগ্রিক চিন্তাজগতে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রয়াস চালানো অপরিহার্য।

 

আমরা দায়সারা গোছের, পেশাগত চিন্তার, গতানুগতিক সংশয়-বিতর্কের, শাখাগত সমস্যার ফিরিস্তি বয়ানের এতসব লেখা আপনাদের সামনে হাজির করতে চাই না। প্রতিটি সংখ্যায় অল্প ক’টি লেখা যথার্থ পর্যালোচনা ও সমালোচনার দাবি নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির করতে চাই। এবং আমাদের পোর্টালটিতে বাছাই করা লেখা, চিন্তা, মতামত ও বিশ্লেষণ তুলে ধরতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি, প্রকৃত পরিবর্তনের জন্য, সমাজকে নাড়া দেয়ার জন্য, চিন্তার খোরাক দেয়ার জন্য ভালো মানের অল্প লেখাই যথেষ্ট। তবে যদি আমরা মানসম্পন্ন চিন্তাশীল ব্যাপকসংখ্যক পাঠক-লেখক তৈরি করতে পারি তাহলে তাদের মতামত প্রকাশে কলেবর বৃদ্ধি করার ইচ্ছে আছে।

 

দেশ-বিদেশের প্রতি মুহূর্তের ‘ঘটনার’ সংবাদ এখন প্রায় প্রত্যেকের হাতের নাগালেই। চাইলেই পাচ্ছেন, না চাইলেও। কিন্তু প্রশ্ন জাগে, এসব সংবাদ আমাদের কতটুকু সচেতন বা আত্মসচেতন করছে? তর্ক তোলা যায় বিস্তর। কিন্তু না, তর্ক করার বা শোনার ইচ্ছে ও সময় কোনোটাই আমাদের নেই। কারণ আজকাল তর্কের অভাব নেই। সোশ্যাল মিডিয়া, প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক মিডিয়া, চায়ের দোকানে, হাটে-ঘাটে-মাঠে তর্ক-বিতর্ক বিস্তর। তাহলে আমরা যা পেশ করছি- এগুলো কী? কেবলই তর্ক-বিতর্ক নয়? প্রশ্নটা আজকের মতো থাকুক। সব কথা বলতে হয় না। কিছু বুঝে নিতে হয়, কিছু নিজেরা চিন্তা করে বের করে নিতে হয়। নইলে ব্রেন ডেম হয়ে যাবে।

 

️লেখক:মামুনুর হাসান টিপু, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব

 

 


আরও খবর



প্রথমবারের মতো থাকছে রিভিউ, টি-২০ বিশ্বকাপে আছে আরও নতুনত্ব

টি-২০ বিশ্বকাপেপ্রথমবারের মতো থাকছে রিভিউ , আছে আরও নতুনত্ব

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ৬২জন দেখেছেন
স্পোর্টস ডেস্ক

Image


স্পোর্টস ডেস্ক :

 

আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হবে ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস)। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা গভর্নিং বডি এই ঘোষণা দিয়েছে। কুড়ি ওভারের বিশ্ব আসরের আগের ছয় টুর্নামেন্টে ছিলো না আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত রিভিউ করার সিস্টেম।

 

আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ওমান ও আরব আমিরাতে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্লেয়িং কন্ডিশনে বলাহয়েছে, প্রতি ইনিংসে প্রতিটি দল সর্বোচ্চ দুইটি করে রিভিউ নিতে পারবে।

 

গত বছরের জুলাইয়ে করোনাভাইরাসজনিত কারণে রিভিউ সিস্টেমে পরিবর্তন এনেছিলো আইসিসি। তখন থেকেই টি-টোয়েন্টি ম্যাচে প্রতি ইনিংসে দেয়া হয় দুইটি করে রিভিউ। এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূলত কারণ ছিলো সব ম্যাচে নিরপেক্ষ ও অভিজ্ঞ আম্পায়ার পাওয়ার অনিশ্চয়তা।

 

তবে এবারের বিশ্বকাপের সবগুলো ম্যাচেই থাকবে আইসিসির প্যানেলভুক্ত বিশেষজ্ঞ ও নিরপেক্ষ আম্পায়াররা। তবু রিভিউয়ের সংখ্যা কমিয়ে আগের মতো একে নামানো হয়নি। বরং সব দলই পাবে ইনিংসপ্রতি দুইটি করে রিভিউ।

 

শুধু তাই নয় বৃষ্টিবিঘ্নিত কিংবা অন্যান্য কারণে খেলায় দেরি হলে, ন্যুনতম ওভারের সংখ্যাও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। আগের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ন্যুনতম পাঁচ ওভারই যথেষ্ঠ ছিলো ফলাফল আসার জন্য। আসন্ন বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বেও বহাল থাকবে নিয়ম।

 

এই নিয়ম বদলে যাবে সেমিফাইনাল ও ফাইনালের তিন ম্যাচের জন্য। নকআউট পর্বের তিন ম্যাচে ফলাফল আসার জন্য ন্যুনতম ১০ ওভার করতে খেলতে হবে দুই দলকেই। অন্যথায় পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হবে ম্যাচটি।

পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো আসরে আগে রিভিউ সিস্টেম না থাকার কারণ মূলত গত পাঁচ বছরের মধ্যে কোনো বিশ্বকাপ না হওয়া। ২০১৮ সালে নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ছিলো রিভিউ সিস্টেম। একইভাবে ২০২০ সালের আসরেও ছিলো এটি।

 

কিন্তু পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবশেষ আসর বসেছিলো ২০১৬ সালে। তখন পর্যন্ত কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে রিভিউয়ের ব্যবহারই শুরু হয়নি।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



রূপপুরে চুল্লিপাত্র স্থাপনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে চুল্লিপাত্র স্থাপনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


ডেস্ক এডিটর :


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে নির্মাণাধীন দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল যন্ত্র পারমাণবিক চুল্লিপাত্র (রিঅ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল-আরএনপিপি) স্থাপন কাজের উদ্বোধন করেছেন। রোববার (১০ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১২টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এটি উদ্বোধন করেন তিনি।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, পারমাণবিক চুল্লিপাত্র বসানোর এই ঘটনা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর ফলে প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়েই এগিয়ে যাবে। ওই কেন্দ্রের যে যন্ত্রে নিউক্লিয়ার ফুয়েল (পারমাণবিক জ্বালানি) ইউরেনিয়াম থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় তার মূল কাঠামো হচ্ছে এই বিশেষ যন্ত্র, পরমাণু চুল্লি)। এটিকে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের হৃদপিণ্ড বলা হয়।

 

এর আগে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে রাশিয়ার সেরা কর্মকৌশল চর্চা, বহু বছরের অভিজ্ঞতা এবং বৈজ্ঞানিক চিন্তাকে কাজে লাগানো হয়েছে উল্লেখ করে রাশিয়ার পরমাণু শক্তি করপোরেশন রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, বিদ্যুৎ ইউনিটের অ্যাকটিভ ও প্যাসিভ ব্যবস্থার অনন্য সংমিশ্রণ কেন্দ্রের নিরাপদ পরিচালনা নিশ্চিত করবে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পিত মাত্রার নিশ্চয়তা দেবে।

 

তিনি বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ শিল্পের উন্নয়ন কেবল বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের সমস্যার সমাধান করবে না, এই অঞ্চলের উন্নয়নে অবদান রাখবে এবং জনগণের জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি করবে।

লিখাচেভ আরও বলেন, রাশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে এই সহযোগিতা কৌশলগত। আমি এই মর্মে আত্মবিশ্বাসী যে বিদ্যুৎ প্রকৌশল এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে আরও অনেক প্রকল্প রয়েছে যা রাশিয়ান এবং বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা একসঙ্গে বাস্তবায়ন করতে পারবেন।

 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন রোসাটমের মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব জিয়াউল হাসান স্বাগত বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর একটি ভিডিওচিত্র পরিবেশিত হয়।

 

পারমাণবিক প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা-ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক অ্যানার্জি অ্যাসোসিয়েশন (আইএইএ) গাইড লাইন অনুযায়ী এবং সংস্থাটির কড়া নজরদারির মধ্যদিয়েই রূপপুর প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলেছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের (আরএনপিপি) প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।

 

সূত্র জানায়, ইউনিট-১ এর ভৌত কাঠামোর ভেতরে রিয়্যাক্টর প্রেসার ভেসেল স্থাপনের মাধ্যমে প্রায় সব ধরনের পারমাণবিক যন্ত্রাংশ স্থাপন সম্পন্ন হবে। এর ফলে এই ইউনিটের রিয়্যাক্টর ভবনের ভেতরের কাজ প্রায় শেষ হবে। ২০২৩ সালে প্রথম ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

 

স্বাধীনতার পর গত ৫০ বছরের মধ্যে রূপপুর প্রকল্পই দেশের সবচেয়ে বড় এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে সর্বাধিক ব্যয়বহুল প্রকল্প। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৩ সালে প্রথম ইউনিট থেকে ১২০০ মেগাওয়াট এবং ২০২৪ সালে দ্বিতীয় ইউনিট থেকেও ১২০০ মেগাওয়াট অর্থাৎ মোট দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।

 

খবর প্রতিদিন / সি.বা


আরও খবর



কলেজছাত্রকে তুলে এনে বিয়ে, তরুণীর বিরুদ্ধে মামলা

২৩ বছরের এক ছেলেকে অপহরন করে নিয়ে ২৫ বছরের এক মেয়ের জোরপূর্বক বিয়ে

প্রকাশিত:Monday ১৮ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ৪৩০জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


২৩ বছরের এক ছেলেকে অপহরন করে নিয়ে ২৫ বছরের এক মেয়ের জোরপূর্বক বিয়ে ! পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ছাত্র নাজমুল আকনকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে জোর করে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণী । এ ঘটনায় নাজমুল বাদী হয়ে পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছেন।

 

মামলায় ইশরাত জাহান পাখি  নামের ওই তরুণীসহ অজ্ঞাতপরিচয় ছয় থেকে সাতজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি গ্রহণ করে পটুয়াখালী সদর থানাকে নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

এদিকে নাজমুলকে জোর করে বিয়ে করার একটি ভিডিও চিত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর  ১৫ অক্টোবর দুপুর থেকে ওই নারী নিজেকে নাজমুলের স্ত্রী দাবি করে নাজমুলের বাবার বাড়ি মির্জাগঞ্জে অবস্থান করছেন। এ ঘটনায় মির্জাগঞ্জ এলাকায় চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে।

 

নাজমুল মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের জালাল আকনের ছেলে। অভিযুক্ত ইশরাত জাহান পাখি একই উপজেলার গাজিপুর সাকিনের মো. আউয়ালের মেয়ে।

আসামি ইশরাত জাহান পাখি দীর্ঘদিন ধরে নাজমুলকে মোবাইল ফোনে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেমের প্রস্তাবসহ বিয়ের প্রলোভন দেখান। কিন্তু নাজমুল রাজি না হওয়ায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী লঞ্চঘাট এলাকা থেকে নাজমুলকে অপহরণ করা হয়। পরদিন অজ্ঞাত একটি স্থানে নিয়ে সাত থেকে আটজন ব্যক্তি তাকে বলপূর্বক তাকে একটি নীল কাগজে সই করতে বাধ্য করেন। পরে তাকে ওইদিনই শহরে ছেড়ে দেওয়া হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এ দিয়ে তারা একটি কাবিননামা তৈরির পায়তারা করছেন।

 

এদিকে নাজমুলকে অপহরণ এবং পরে জোর করে বিয়ে করার একটি ভিডিও ফুটেজ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।

৪৮ সেকেন্ডের ওই ফুটেজে দেখা যায়, একটি কক্ষে একজন তরুণীর বাম পাশে নাজমুল বসে আছেন। পেছন থেকে নাজমুলের মাথার ধরে রেখেছেন এক ব্যক্তি। সেখানে আরও কয়েকজনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ভিডিওতে ওই তরুণীতে নীল কাগজে সই করতে দেখা গেছে। সই করার পর তরুণীকে মিষ্টি খাইয়ে দেন একজন। পরে নাজমুলের মুখে মিষ্টি দিলে তিনি ফেলে দেন।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর



বাবা হুট করেই নাকি আমার বিয়ে ঠিক করেছে

রম্যগল্প- বিয়ে বিড়ম্বনা

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ২১৯জন দেখেছেন
Image

 

 

️লেখক: তাসনিয়া তাবাসসুম


বাবা হুট করেই নাকি আমার বিয়ে ঠিক করেছে।আমি কেবলই ইউনিভার্সিটিতে পা রেখেছি ছ'মাসও হয় নি আর তিনি অলরেডি আমার জন্য পাত্রী দেখা শুরু করেছেন।আরে বাবা,এই সদ্য উৎপন্ন চাল কি আর সেই সরিষার মতো ফুটফুটে ফুলের তেলের ঘানি টানতে পারবে!

 

বাবাকে কিছু বললেই বলে আমি বেকার হয়েছি তো কি হয়েছে?সেও নাকি এই বয়সেই বিয়ে করেছিল,তার পূর্বপুরুষের পন্থা নাকি এটা!মনে মনে সাধে তো আর বলি না যে এই জন্যেই তো মাথায় আস্ত একটা টাক জন্ম দিয়েছো!!

রাফিনকে ফোন করে আসতে বললাম সেদিন যে দোস্ত,একটা ইমারজেন্সি কথা আছে জলদি টিএসসির সামনে আয়।

ওই ব্যাটা মুখের উপরই বলে দিল,"কি রে আঙ্কেল আবার নিশ্চয়ই তোমার পিছনে বাছুরের মতো ছুটছে?তো বিয়ে করছিস কবে?"

কথাটা শুনে হাসবো না কাঁদবো না ইমোশনাল হবো কিছুই বুঝতে পারলাম না।শেষমেশ রাফিনকে অভিশাপ....থুক্কু বকা দিয়েছি আর কি!তাকে সোজাসাপটা বলে দিয়েছি বিয়ে করলে আমি একটা হিজড়ারেই বিয়ে করবো।

এই শালা রাফিন ডিরেক্ট গিয়ে বাবাকে বলে দিয়েছে কিন্তু আমি জানি না।

প্রতিদিনের মতো এবারও বেশ ফুরফুরে মেজাজে বাড়িতে ঢুকেছি।ঢুকেই দেখছি বাসা ভর্তি মানুষ।তাজ্জব ব্যাপার তো!এ সময়ে বাসায় এত মানুষ,কারো বিয়ে হবে নাকি?

বাবাকে খুঁজছি কিন্তু কেউ নেই।রুমের মধ্যে ঢুকতেই দেখি একজন মাথায় ঘোমটা দিয়ে কি সুন্দর করে শাড়ি পরে বসে আছে।মনে মনে ভাবলাম যাক বাবা মনে হয় আমার জন্য ভালো পাত্রীই ঠিক করেছেন।আস্তে আস্তে এগুলাম তার দিকে।ঘোমটাটা খুলবো এমন সময় রাফিন এসে গেছে।

কি রে মুহিব্বি!কি খবর?আঙ্কেল তোরে বিয়ে তাইলে দিয়েই দিলো।তো দোস্ত তোমার মনের সকল আশা-আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হোক।আর ভাবী,ছেলেকে তো আগেই দেখেছেন।এখন আরও ভালো করে দেখে নেন।

আসি দোস্ত,ভালো থাক...

এতক্ষণ জোর করে রাগটা চেপে রেখেছিলাম কিন্তু যাক,গাধাটা গেছে এখন।এখন তো আমার বউকে দেখাই যায়!

আস্তে আস্তে আবার এগুলাম তার দিকে।ঘোমটাটা খুলছি ধীরেধীরে।

মেয়ের চেহারা যেই না দেখতে যাবো অমনি কি এক বিচ্ছিরি মেয়েছেলে গলা দিয়ে কে যেন বলে উঠলো,"ও গো আমার না লজ্জা লাগছে!প্লিজ ওভাবে তাকিও না!"

আমি কিছুক্ষণ কথাগুলো হজম করলাম।ভাবছি আমার রুমে তো অন্য কেউ নেই তাহলে এই পুরুষ-মহিলা কণ্ঠস্বর আসছে কোথা থেকে!

ধুর,ওসব পাত্তা না দিয়ে এবার ঘোমটাটা খুললাম।ইশশ কি সুন্দর মিষ্টি গায়ের রঙ,ঠোঁটগুলোও কি গোলাপি-- একেবারে গোলাপের পাপড়ির মতো পাতলা,আর চোখ উফফ কি যে অথৈ সাগরে ডুবে গেলাম!একেবারে সাক্ষাৎ পরি!

"এই অমন করে কি দেখছো?আমাকে পছন্দ হয়েছে তো তোমার,বলো না?"

জীবনে বোধহয় এতটা হতভম্ব কখনোই হই নি।মানে কি?শেষ পর্যন্ত মেয়ের গলা পুরুষের মতো হলো!!!এত সুন্দর মেয়ে আর গলা এই বিচ্ছিরি!

মানতে কষ্ট হচ্ছে কিন্তু তারপরেও তো সে আমার বউ।

আমার জড়িয়ে ধরে সে বলতে লাগলো,"এই দেখো না আমার দিকে!কেমন লাগছে আমার হু?"

আচ্ছা এক সেকেন্ড এটা তো কোনো মেয়ের গলা না।মেয়েদের গলার স্বর তো সুকণ্ঠ,সুমিষ্ট কিন্তু...

তার মানে এ কি তাইলে হিজড়া!!!আল্লাহ গো, আমাকে বাঁচাও,আব্বা শেষমেশ আমাকে সত্যিসত্যিই হিজড়ার সাথে বিয়ে দিয়েছে!

নাআআআআআআআআ!!!

আব্বাআআআআআআআআআ....

কয়েকদিন পর...

আমি এখন কোথায়?আব্বা,রাফিন দোস্ত আছিস?

-হ্যাঁ দোস্ত বল।তুই হসপিটালে। এখন কেমন লাগছে?

-কিছুটা ভালো লাগছে।কিন্তু আমি না বাসায় ছিলাম,হসপিটালে আসলাম কিভাবে?

-আরে ব্যাটা,তোর মনে নাই তোর বিয়ে হয়েছিল।ওই যে সুন্দর একটা হিজড়ার সাথে।তোদের কথা হচ্ছিলো আর তুই তো আব্বা বলে এমন চিৎকার দিলি। আর আমরা এসে দেখি তুই অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছিস!

ভাইয়া,মুহিব্বি এখন কেমন আছে?

-দোস্ত,এবার বোধহয় আমি আর বাঁঁচবো না!

অতঃপর আমি আবারও সেন্সলেস!!!

 

️লেখক: তাসনিয়া তাবাসসুম

 


আরও খবর