Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ড্র করেও কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৪২জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক:কোপা আমেরিকায় বুধবার (৩ জুলাই) কলম্বিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেও কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করল ব্রাজিল।

ডি গ্রুপের ম্যাচে কলম্বিয়া মাঠে নেমেছিল টানা ২৫ ম্যাচ আর ২ বছর অপরাজিত থাকার রেকর্ড নিয়ে। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও এই দলের কাছেই ২-১ গোলের হার সইতে হয়েছিল সেলেসাওদের। তবে এরপর কোচের বদল হয়েছে, ব্রাজিলের খেলার ধারাতেও এসেছে পরিবর্তন। কিন্তু কলম্বিয়াকে হারানো হয়নি আর। প্রথম লিড নিয়েও ১-১ গোলে ড্র করেছে ব্রাজিল। তাতে 'ডি' গ্রুপ থেকে রানারআপ হয়ে শেষ আটে যাচ্ছে দোরিভাল জুনিয়রের শিষ্যরা।

ম্যাচের সব রঙ দেখা গিয়েছিল মূলত প্রথমার্ধেই। ম্যাচের ১২ মিনিটে রাফিনিয়ার দুর্দান্ত ফ্রি-কিক জালে না জড়ালে হয়ত হার দিয়েই ম্যাচটা শেষ করতে হতো সেলেসাওদের। পুরো প্রথমার্ধে চাপের মুখে থেকেও ব্রাজিল পুরো ম্যাচে নিজেদের টিকিয়ে রেখেছে রাফিনিয়ার ওই গোলের কল্যাণেই।

ক্যালিফোর্নিয়ার লেভি’স স্টেডিয়ামে শুরুটা ভালোই ছিল ব্রাজিলের। আগের ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফর্মে ফেরা ব্রাজিল আজ এগিয়ে যায় ম্যাচের ১২ মিনিটে। তবে প্রথমার্ধে ব্রাজিলকে নাচিয়ে ছেড়েছে কলম্বিয়া। বল দখল কিংবা শট, সবদিকেই এগিয়ে ছিল তারা। ব্রাজিলের হয়ে গোল করেন রাফিনহা। বাঁ পায়ের দুর্দান্ত শটে ফ্রি-কিক থেকে চোখ ধাঁধানো গোল করেন বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড। এতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় হলুদ জার্সিধারীরা।

৭ মিনিটে বাজে ফাউলের জন্য হলুদকার্ড দেখেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আগের ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে ৮৩ মিনিটে হলুদকার্ড দেখেছিলেন তিনি। কোপা আমেরিকায় দুইবার হলুদকার্ড দেখার কারণে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে পারবেন না ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড।

গোল শোধে মরিয়া হয়ে উঠে কলম্বিয়া। একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে তারা। ব্রাজিলের গোলরক্ষক এলিসন বেকার বেশ কয়েকটি সেভ করেন।

ম্যাচের ২০ মিনিটে মাঝমাঠে ফ্রি কিক পায় কলম্বিয়া। হ্যামেশ রদ্রিগেজের বাড়ানো বলে গোল করেন ২৩ নম্বর জার্সি পরা ডেভিনসন সানচেজ। তবে লাইনসম্যান অফসাইডের সিদ্ধান্ত দিলে সে গোল বাতিল হয়।

কিন্তু প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে গোল হজম করেই বসে কোপার ৯ বারের চ্যাম্পিয়নরা। কলম্বিয়ার জন কর্ডোবার অ্যাসিস্টে গোল করেন ড্যানিয়েল মুনোজ। ১-১ সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ব্রাজিল। ৫১ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বক্সের বাইরে থেকে নেয়া শট ডান পাশে ওপর দিয়ে চলে যায়। দুই মিনিট পর এদের মিলিতাওয়ের চেষ্টা আটকে দেয় কলম্বিয়ার রক্ষণ।

৫৯ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি কিকে একটুর জন্য গোল পাননি রাফিনহা। পোস্টের বাঁ পাশ ঘেঁষে বেরিয়ে যায় বল।

৬৯ মিনিটে জেমস রদ্রিগেজের ক্রস থেকে বক্সের মধ্যে জন করডোবা হেড নিয়েছিলেন। এলিসন বেকার দারুণ দক্ষতায় সেই বল গ্লাভসে নিয়ে নেন।

৮৩ মিনিটে সবচেয়ে সহজ সুযোগটা মিস করে কলম্বিয়া। লুইস দিয়াসের ক্রস থেকে গোলের সুযোগ পেয়ে ফাঁকা পোস্টে ওপরে মেরে দেন রাফায়েল বোরে। ১-১ সমতায়ই শেষ হয় নির্ধারিত সময়।

ইনজুরি টাইমের চতুর্থ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল ব্রাজিলেরও। বক্সের বাইরে থেকে নেয়া আন্দ্রেস পেরেইরার জোরালো শট লাফিয়ে উঠে কোনোমতে বাঁচান কলম্বিয়ার গোলরক্ষক। ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।


আরও খবর



মাগুরায় কলেজ ছাত্র তীর্থ খুন: হত্যার রহস্য পায়নি পুলিশ উদ্ধার হয়নি মোটর সাইকেল মোবাইল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১০৯জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরায় তীর্থ রুদ্র (২১) নামে  উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে জবাই করে হত্যার কোন রহস্য এখনো পায়নি পুলিশ। তবে শিগ্রই এ হত্যা রহস্য উদঘাটিত হবে বলে পুলিশ জানায়।মাগুরা শহরের পুরাতন বাজার রুদ্র স্টোরের মালিক নিমাই রুদ্র’র ছেলে তীর্থ রুদ্র মাগুরা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তীর্থ রুদ্র নিজের ব্যবহৃত ডিসকোভার মটর সাইকেল নিয়ে শহরের আতর আলী সড়কের বাড়ি থেকে বের হয়। 
সে সময় বাড়ির সামনেই তার জন্যে চার বন্ধু অপেক্ষা করছিলো। তাদের সাথে সে রওনা দিলেও দীর্ঘ সময়েও বাড়ি না ফেরায় রাত দেড়টার দিকে থানায় বিষয়টি অবহিত করা হয়। 
এরই মধ্যে সকালে এলাকাবাসী এতিমখানার পেছনে রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়।

পরীক্ষার্থী তীর্থ রুদ্রকে নির্মমভাবে জবাই করে হত্যার ঘটনা ঘটলেও পরিবারের সদস্যরা মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট কিছু জানাতে পারেনি।

নিহত তীর্থ রুদ্র’র বাবা নিমাই রুদ্র বলেন, তাদের পরিবারের সাথে কারো কোনো বিরোধ নেই। 
ইতোপূর্বে মোবাইল নিয়ে শহরের দুটি ছেলের সাথে তীর্থ’র বিরোধ তৈরি হলেও সেটি মীমাংসা হয়ে যায়। তার মটর সাইকেলটি পাওয়া যায়নি। মটর সাইকেল কেড়ে নিতে তাকে হত্যা করা হয়েছে কিনা বুঝতে পারছি না বলে জানান তিনি।

মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মেহেদি রাসেল বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের পর তার মৃতদেহ সাতদোহা মহাস্মশানে দাহ করা হয়েছে।
কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সেটি এখনো জানা যায়নি। হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে বলে জানান পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তা।

আরও খবর



তানোরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হামায় আহত ৫ আশংকাজনক ২

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভূমিগ্রাসী শিক্ষক রফিকুল বাহিনীর হামলায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় রামেক হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। আহতরা হলেন তমিজ উদ্দিন, কামরুজ্জামান, আলম, রেজাউল ও মুকবুল হোসেন।  তাদের মধ্যে গুরুতর জখম তমিজ উদ্দিন ও কামরুজ্জামান কে আশংকাজনক অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে কর্তব্যরত চিকিৎসক রামেক হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সোমবার সকালের দিকে উপজেলার পাঁচন্দর  ইউনিয়ন ইউপির চকপাড়া গ্রামে ঘটে মারপিটের ঘটনা। এঘটনায় ওই গ্রামে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যে কোন মুহুর্ত্বে রক্তক্ষয়ীর মত সংঘর্ষ হতে পারে বলে আশংকা গ্রামবাসীরা।

জানা গেছে, উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়ন ইউপির বনকেশর মৌজার অন্তর্গত আরএস ১৪২ নম্বর খতিয়ানে ১৬৩৭ নম্বর আরএস দাগে ৩ একর ৭৬ শতাংশ জমি রয়েছে। জমিটির আরএস রেকর্ডীয় মালিক কেয়ামত সরকার। তার মৃত্যুর পরে ছেলে মেয়েরা বন্টননামা দলিল করে নিজনিজ নামে খাজনা খারিজ করেছেন। কিন্তু ওই গ্রামের বাসিন্দা চাদপুর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জাল দলিল তৈরি করে জমিটিতে গত কয়েকদিন আগে চাষ করেন। সোমবার সকালের জমির প্রকৃত মালিক তমিজ উদ্দিন, কামরুজ্জামান ও আলমসহ ওয়ারিশরা মুল কাগজ পত্র নিয়ে শিক্ষক রফিকুলের কাছে জানতে চাইলে তাদের উপর লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করেন। 

জমির ওয়ারিশ সুত্রে মালিক মুনজুর জানান, জমির রেকর্ডীয় মালিক আমার দাদা। আমার পিতা মারা যাওয়ার পর মালিক হয় আমি। আমিসহ যে সকল ওয়ারিশরা জমির মালিক তাদের নিজ নিজ নামে খাজনা খারিজ চলমান রয়েছে। কিন্তু শিক্ষক রফিকুল ১৯২০/২২ সালে নামি জমিটি কিনেছেন। আমরা তাদেরকে বলেছি তোমাদের কাগজ সঠিক থাকলে আমরা জমি ছেড়ে দিব। সে কোন কাগজ পত্র দেখাবেনা। 

আহত হয়ে মেডিকেলের বেডে শুয়ে আছেন আলম ও রফিক তারা জানান, গত কয়েকদিন আগে জমিগুলো তে চাষ করেছেন রফিক বাহিনীর লোকজন। আমরা সোমবার সকালের দিকে কাগজ নিয়ে জমিতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করি কিসের বিনিময়ে চাষ করা হয়েছে বলা মাত্রই আমাদেরকে এলোপাতাড়ি মারপিট শুরু করে। তারা পরিকল্পিত ভাবে আমাদের কে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। আনারুল তার ছেলে সোহাগ, জাকারিয়া, শিক্ষক রফিকুলের চাচাতো ভাই সহিদুল তার ছেলে সোহেল, সুজনসহ তাদের লোকজন লোহার রড, বাশের লাঠি দিয়ে বেপরোয়া মারপিট করেছে। আমরা তিনজন উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি। তমিজউদদীন ও কামরুজ্জামানের অবস্থা খুবই খারাপ হওয়ার কারনে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেছে। সবার মাথা ফেটেছে এবং শরীরেও মারাত্মক আঘাত লেগেছে। 

সরেজমিনে দুপুরের পরে চকপাড়া গ্রামে  গিয়ে দেখা যায়, গ্রামে তেমন জনসাধারণ নেই। গ্রামের পশ্চিম দিকে জমির অবস্থান। বেশকিছু ব্যক্তিরা জানান, জমির প্রকৃত মালিক মৃত কেয়ামত সরকারের ওয়ারিশরা। তাদের নামে খাজনা খারিজ সব কিছুই রয়েছে। বিগত ২০০১ সালের আগে মৃত কেয়ামত সরকারের ওয়ারিশ গণ ভোক দখল করতেন। কিন্তু ২০০১ সালে বোমা ফাটিয়ে জমিটি দখল করে শিক্ষক রফিকুল বাহিনী। কিন্তু তার নামে কোন কাগজপত্র নেয়। শুধু লাঠির জোরে জমি দখলে রেখেছে। যে দুজনকে রেফার্ড করা হয়েছে তাদের নাক কান দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল।  সবার মাথা ফেটেছে, শরীরেও এলোপাতাড়ি ভাবে পিটিয়েছে রফিকের লোকজনরা। সে একজন মাদ্রাসার শিক্ষক হয়ে দখলবাজি করছেন। তাহলে আর কি বলার আছে।দখলবাজ শিক্ষক রফিকুল ইসলামের মোবাইলে কথা বলা হলে তিনি জানান আমি কোর্টে আছি, আমার পক্ষের ৬ জন লোক আহত হয়েছেন বলে দাম্ভিকতা দেখান তিনি।

থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন, মারপিটের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পরিবেশ শান্ত রয়েছে। এঘটনায় এখনো অভিযোগ পায়নি, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



বর ও কনের বাড়ীতে শোকের মাতম

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image

আব্দুল্লাহ আল নোমান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:ব্রীজ ভেঙ্গে বিয়ের কনের পক্ষের ৯ জন মারা যাওয়ায় বর ডাঃ সোহাগ ও কনে হুমায়রার বাড়ীতে শোকের মাতম বইছে। বরের বাড়ীতে সুনসান নিরবতা। কনের বাড়ীতে কান্নার রোল বইছে। 

জানাগেছে, আমতলী উপজেলা কাউনিয়া ই্ব্রাহিম একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের মাসুম বিল্লাহ মনিরের মেয়ে হুমায়রা আক্তারের সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমতলী পৌর শহরের খোন্তাকাটা এলাকার বাসিন্দা সেলিম মাহমুদের ছেলে ডাঃ সোহাগের বিয়ে হয়। গত শুক্রবার ওই কনেকে বরের বাড়ী তুলে আনেন। শনিবার মেয়ের পক্ষের লোকজন বরের বাড়ীতে মাইক্রো এবং অটো গাড়ীতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে হলদিয়া ব্রীজ পাড় হওয়ার সময় ব্রীজের মাঝের অংশ ভেঙ্গে যায়। এতে মাইক্রোবাস ও অটো গাড়ী নদীতে পড়ে যায়। অটোতে থাকা যাত্রীরা সকলে সাতরে কিনারে উঠতে পারলেও মাইক্রোবাসের যাত্রীরা নদীতে তলিয়ে যায়। তাৎক্ষনিক স্থানীয়রা ওই মাইক্রোতে থাকা লোকজনকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী নাশির উদ্দিন। ততক্ষণে মাইক্রোবাসে থাকা কনে পক্ষের ৯ যাত্রী নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন রুবিয়া (৪৫), রাইতি (২২), ফাতেমা (৫৫), জাকিয়া (৩৫), রুকাইয়াত ইসলাম (৪), তাহিয়া মেহজাবিন আজাদ (৭), তাসফিয়া (১৪), ঋধি (৪) ও শাহনাজ আক্তার রুবি বেগম (৩৫)। এদের মধ্যে রুকাইয়াত ইসলাম ও জাকিয়ার বাড়ী উপজেলার দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া গ্রামে। অপর নিহত ৭ জনের বাড়ী মাদারিপুর জেলার শিবচর উপজেলার কোকরার চর গ্রামের বাসিন্দা। এরা কনে হুমায়রার মামা বাড়ীর আত্মীয়স্বজন। এমন ঘটনায় বর ডাঃ সোহাগ ও কনের হুমায়রার বাড়ীতে শোকের মাতম বইছে। শনিবার সন্ধ্যায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে বর ডাঃ সোহাগের বাড়ীতে সুনসান নিরবতা। ডেক্সিভরা খাবার রয়েছে। মানুষজন নেই। কনের বাড়ীতে বইছে কান্নার মাতম। 

বরের বাবা কাউনিয়া ইব্রাহিম একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সেলিম মাহমুদ বলেন, এমন ঘটনার আমি হতভম্ব। কনে পক্ষের লোকজনের জন্য সকল আয়োজন ছিল কিন্তু একটি ফোনে সকল কিছু ভেস্তে চলে গেল। 

কনের বাবা মাসুম বিল্লাহ মনির বলেন, আমার কিছুই বলার নেই। আমি শ্বশুর বাড়ীর মানুষকে কি জবাব দেব? আল্লায় কেন আমার উপরে এতো বড় বিপদ দিল? 


আরও খবর



কালিয়াকৈরে শিয়ালের কামড়ে আহত-১৫ আতঙ্কিত গ্রামবাসী, শিয়াল পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পাশাপাশি পৃথক দুটি গ্রামে দুই দিনে শিয়ালের কামড়ে শিশু-নারীসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। এক শিয়াল পিটিয়ে হত্যা করলেও বাকী শিয়ালের আক্রমণ আতঙ্কে লাঠিসোটা নিয়ে পাহাড়া দিচ্ছেন আতঙ্কিত গ্রামবাসী। এদিকে আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে ভ্যাকসিন না পেয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর পৌরসভার টানকালিয়াকৈর এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয় রতন মিয়া ও তার স্ত্রী হনুফা বেগমকে একটি শিয়াল আক্রমণ করে এবং তাদের কামড়ে দেয়। এসময় স্থানীয় লোকজন ওই শিয়ালকে লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের স্বামী-স্ত্রীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে ঠিকমতো ভ্যাকসিন না পেয়ে তাদের ঢাকা মহাখালী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে গত বুধবার বিকেলে ওই এলাকায় শিয়ালের কামড়ে নেওলা হকের ছেলে শামসুল হক(৫০), নজরুল ইসলামের ছেলে উসমান গণি (১০), কবির মিয়ার ছেলে আফনান হোসেন (১০), নুর আলমের স্ত্রী নাসিমা বেগম (৫০), আফসার আলীর ছেলে মেহমিত (৭), জলিল হোসেনের ছেলে শওকত হোসেন (৪০), শামসুল ইসলামের স্ত্রী হামিদা বেগম (৬০), জব্বার মিয়া (৪০) এবং ওইদিন সন্ধ্যায় পাশের জানেরচালা গ্রামের শাজাহান মিয়ার স্ত্রী বৃষ্টি বেগম (৩৫) ও তার নাতিন স্বর্ণা আক্তার (৬)সহ কমপক্ষে ১৫ জনকে আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান তাদের পরিবারের সদস্যরা। ওই হাসপাতালে ভ্যাকসিন না পেয়ে আহতরা পার্শ্ববর্তী টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকা মহাখালীতে যান। দুদিনে শিশু ও নারীসহ ১৫জন শিয়ালের কামড়ে আহত হওয়ার ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন গ্রামবাসী। এছাড়াও আতঙ্কে লাঠি নিয়ে যাতায়াত করছেন শিশুরাও। এদিকে এক শিয়াল পিটিয়ে হত্যা করলেও বাকী শিয়ালের আক্রমণ আতঙ্কে ওই ঘটনার পর স্থানীয় যুবকরা লাঠিসোটা নিয়ে গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত ও পরের দিন বৃহস্পতিবারও পাহাড়া অব্যাহত রেখেছে। তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আগুন জ¦ালিয়ে দিয়েছেন কয়েকটি শিয়ালের গর্তেও।

স্থানীয় শাহিনুর ইসলাম বলেন, কয়েকটি শিয়াল পাগলা হয়ে গেছে। তাই সে সবাইকে কামড়ে দিয়েছে। আরো যাতে কামড়ে দিতে না পারে সেজন্য আমরা পাহাড়া দিচ্ছি। মুদি দোকানদার আজিজুল হক বলেন, সবাই এখন পাগলা শিয়ালের আতঙ্কে আছি। এই বুঝি শিয়াল এসে কামড়ে দিলো। হেলাল পারভেজ বলেন, আমার মেয়েও এখন লাঠি নিয়ে চলাচল করে। আর শিয়াল আতঙ্কে আমার মেয়ের মতো অন্যান্য শিশুরাও লাঠি নিয়ে চলে। কিন্তু বেশির ভাগ শিশুরা ভয়ে বাড়ির বাইরে যাচ্ছে না। তবে সংশিষ্টদের প্রতি তাদের দাবী অতিদ্রুত পাগলা শিয়ালগুলোর বন্য আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান জানান, শিয়ালে কামড়ে দিলে কয়েকজন হাসপাতালে আসে। কিন্তু এর ভ্যাকসিন সদর হাসপাতাল ও মহাখালীতে থাকে। একারণে আহতদের সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এব্যাপারে কালিয়াকৈর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, আমাদের বনবিভাগের আরো একটি শাখা রয়েছে। তাদের কাজ হচ্ছে বন্যপ্রাণী উদ্ধার করা। তবে ওই শাখায় যোগাযোগ করা হলে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।


আরও খবর



মাগুরার মহম্মদপুরে অর্থনৈতিক শুমারির প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৭জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের সরকারি আর,এস,কে,এইচ ইনিস্টিটিউশন হলরুমে  শুক্রবার ২৮ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪ এর প্রথম জোনাল অপারেশনে নিয়োজিত ১০৭ জন লিস্টারদের ৩ দিন ব্যাপি প্রশিক্ষন কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান  এড. আব্দুল মান্নান।

মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার  পলাশ মন্ডলের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো:ঈদুল শেখ, সরকারি আর এস কে এইচ ইনিস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক  এ,কে,এম,নাসিরুল ইসলাম,উপজেলা মুক্তিযোদ্বা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো:আঃ হাই মিয়া।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন।উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অর্থনৈতিক শুমারি'র ১০৭ জন  তালিকাকারী উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর