Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ডোমারে রেলের জমি থেকে উচ্ছেদকারীদের ভাগ্যে জোটেনি সরকারি ঘড়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৮৮জন দেখেছেন

Image

আনিছুর রহমান মানিক, ডোমার (নীলফামারী): ডোমার উপজেলার চিলাহাটিতে রেলের জমি থেকে উচ্ছেদকারীরা শত শত গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে একজনেরও ভাগ্যে জোটেনি প্রধানমন্ত্রী দেয়া আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের পাকা ঘড়। ২২ মার্চ ডোমার উপজেলা হলরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি পাকা বাড়ির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে। এদের অংশ হিসাবে ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের কাঁঠালতলী গ্রামে নির্মাণাধীন ২৫ টি ও কাওলা গ্রামে ১৮ টি পরিবারেরকে বাড়ি হস্তান্তর দেওয়া হয়। বাড়ি পাওয়া পরিবারের মধ্যে রেলের জমি থেকে উচ্ছেদকারী একটি পরিবারের ভাগ্যে জোটেনি প্রধানমন্ত্রী অনুদানের বাড়ি। উপজেলার ভোগডাবুডি ইউনিয়নের অন্তর্গত চিলাহাটি রেলস্টেশন থেকে ভারতে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত রেললাইন পূর্ণ স্থাপন কালে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ শত শত ভূমিহীন অসহায় পরিবারকে অবৈধ উচ্ছেদ করে দেন। যাহার ফলে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে এই সমস্ত পরিবারগুলি।

রেলের জমি থেকে উচ্ছেদ হওয়া গৃহহীন ভূমিহীন অভাবি দুঃস্থ পরিবার গুলি পরিবার-পরিজন নিয়ে আশ্রয়ের জন্য বিভিন্ন মহলের কাছে দিনের পর দিন ধরনা দিয়েও তাদের কপালে জোটেনি অনুদানের বাড়ি। রেলের জমি থেকে উচ্ছেদকৃত তারিকুল বলেন, রেল কর্তৃপক্ষ তাদের জমি থেকে আমাদের বসতবাড়ি তুলে দেওয়ার পর থেকে আমি শ্বশুর বাড়িতে অবস্থান করে আসছি। সরকারের কাছ থেকে একটু আশ্রয়ের জন্য ডোমার এসি ল্যান্ড স্যারের অফিসে বাড়ির জন্য আবেদন করেছি। আব্দুল মান্নান বলেন, রেলের জমি থেকে বাড়ি ভাঙ্গার পর থেকে অন্যের জমিতে বসবাস করে আসছি। আমিও একটা আশ্রয় চাই। ৬৫ সালে পাক ভারত যুদ্ধের সময় চিলাহাটি হলদিবাড়ি রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

তখন থেকে চিলাহাটি রেলস্টেশন থেকে ভারতের জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত রেলের পরিত্যাক্তা জমিতে কর্মহীন অসহায় দুস্থ ভূমিহীনরা বসবাস শুরু করে। এরই মধ্যে সরকার ভারতের সাথে চিলাহাটি হলদিবাড়ি রেল যোগাযোগ পূর্ণস্থাপন কালে চিলাহাটি রেলওয়ে স্টেশন থেকে ভারতের জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত রেলের জমি থেকে অবৈধ উচ্ছেদ কালে শত শত ভূমিহীন পরিবার গৃহহীন হয়ে মানবতার জীবন যাপন করে।ভোগডাবুডি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেয়াজুল ইসলাম কালু বলেন, ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নে দুইটি সরকারি আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের ৪৩ জনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে জমির দলিল ও ঘরের চাবি। যে সমস্ত পরিবার গুলি এই সমস্ত পাকা বাড়ি পেয়েছে তাদের তালিকা অনেক আগেই করা হয়েছে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি বলেন, আমি চিলাহাটি স্টেশনের পাশে তিনটি পরিবারকে দেখেছি। রেলের জমি থেকে উচ্ছেদ কৃতদের আশ্রয়ন-২ প্রকল্পে অগ্রাধিকারের বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয় দেখবেন।


আরও খবর



জাপানে পূজা কমিটি গঠন: সভাপতি বিপ্লব মল্লিক ও সাধারণ সম্পাদক অঞ্জন দাস

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১০৮জন দেখেছেন

Image
নিজস্ব প্রতিবেদক:বিপ্লব মল্লিককে সভাপতি এবং অঞ্জন দাসকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন বরে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে জাপানে বসবাসরত সনাতন ধর্মাবলীদের বৃহৎ সংগঠন সর্বজনীন পূজা কমিটি, জাপান। গত ২৮ এপ্রিল ২০২৪ ইং সম্মিলিত অনলাইন ও অফলাইন সংযুক্তির সমন্বয়ে টোকিওস্থ বিভিও হলের আকাবানে কালচারাল সেন্টারে এক সাধারণ সভায় উপস্থিত সকলের মতামদের ভিত্তিতে এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেথ্য যে জাপানে বসবাসরত সনাতন ধর্মাবলীদের বৃহৎ সংগঠন সর্বজনীন পূজা কমিটি, জাপান যা বিগত ৩০ বছর যাবত জাপানে সনাতন ধর্ম ও সাংস্কৃতি পালনের বাহক হিসেবে খুব সুচারুভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে আসছে গৌরবের সাথে। বাংলাদেশী সনাতনী ভিন্ন ভাষাভাষী সনাতনী জাপান ও বহির্বিশ্বের অবস্থানরত সনাতন ধর্মে আকৃষ্ট সকাল সনাতনীদের এটি একটি সর্ব বৃহৎ সংগঠন যা নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সুনামের সাথে জাপানে পরিচালিত হয়ে আসছে যুগের পর যুগ। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ এপ্রিল ২০২৪ ইং সম্মিলিত অনলাইন ও অফলাইন সংযুক্তির সমন্বয়ে টোকিওস্থ বিভিও হলের আকাবানে কালচারাল সেন্টারে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপদেষ্টা পরিষদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও সকল মতামতের ভিত্তিতে সভাপতি হিসেবে বিপ্লব মল্লিক ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অঞ্জন দাস নির্বাচিত হয়। একই সাথে সকলের সমর্থনে উপদেষ্টা পরিষদের পুনর্গঠনও সম্পন্ন হয়। উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন মিস্টার সুখেন সি ব্রহ্মা, মিস্টার সুনীল রায়, মিস্টার বিমান কুমার পোদ্মার, মিস্টার শিভাজী দত্ত, ডক্টর বিজন কুমার মিত্র।

সভায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ সার্বজনীন পূজা কমিটি জাপান গঠিত হয় যা আগামী দুই বছরের জন্য সর্বজনীন পূজা কমিটি জাপান সকল প্রকার সনাতন ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের আয়োজন ,অনুশীলন, উদযাপন করানসহ সকল প্রকার সামাজিক ও সেবা মূলক কাজের দায়িত্ব পালনের সাথে সাথে আগামী ৩০ বছরের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবে।

৫১ সদস্য বিশিষ্ঠ কমিটির অন্যান্যরা হলেন সহ-সভাপতি নন্দ দাস, কিশোর পাল , শারমিলি ভৌমিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিরুপম দাস, সুজন সাহা, নাসুতোস সেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সঞ্জয় কুমার দেব, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক, বিদ্যুৎ বড়াই , নারায়ণ বণিক, মানিক মন্ডল, অর্থ সম্পাদক, প্রদিপ কুমার রায়, সহকারি অর্থ সম্পাদক রাজিব রক্তি, তপন দাস, প্রীতম কুমার দাস, প্রকাশনা সম্পাদক, সজীব দাস, সহকারি প্রকাশনা সম্পাদক ,ভোলানাথ দাস, কৃষ্ণ গোপাল নাথ ,সুমেল চন্দ্র, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, শিপন দাস, সহকারি সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ,আসিস বৌনিক,খমা দেব, তুষার কান্তি রায়, সংস্কৃতি সম্পাদক , ববিতা পোদ্দার, সহকারী সাংস্কৃতিক, সম্পাদক, শান্তা দাস, অনুপম দেব ,মিঠুন চন্দ্র দাস, স্টেজ সেক্রেটারি, সুমান্তা মজুমদার, সরকারি স্টেজ সেক্রেটারি ,দেভ বিশ্বাস, বিপুল কুমার সাহা, সৌরভ রায় চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক, সনেট দাস, সরকারি প্রচার সম্পাদক ,সুভাষ দাস, মাইকেল দাস, রাজীব পাল, সদস্য নির্বাচিত হলেন স্বরবানু দাস, উৎপল দত্ত, আশীষ রঞ্জন রায়,অনিন্দিয়া রায় ও গৌরাঙ্গ রায়,মাইকেল চন্দ্র রায়, কৌশিক রায়,নিখিল রায়,সুজিত ব্রহ্মাও অনিক সাহা।

আরও খবর



টাঙ্গাইলের মধুপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৬৫জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইল:মধুপুর প্রেসক্লাবে সভাপতি হিসেবে অধ্যাপক গোলাম ছামদানী ও সাধারণ সম্পাদক পদে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন নির্বাচিত হয়েছেন।শনিবার (৬ জুলাই) সকালে মধুপুর প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিতব্য প্রথম অধিবেশনে দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও দ্বিতীয় অধিবেশনে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এ নির্বাচনে ২জন সভাপতি এবং ২জন সাধারণত সম্পাদক পদে  প্রতিদন্ধিতা করেন।

উক্ত নির্বাচনে সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ০৮ ভোট এবং অধ্যাপক গোলাম জামদানী পেয়েছেন ১১ ভোট । সাধারণ সম্পাদক পদে সাবেক সম্পাদক এস এম শহীদুল ইসলাম শহীদ পেয়েছেন ০৮ ভোট এবং তার প্রতিদন্ধি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন পেয়েছেন ১১ভোট ।

মধুপুর প্রেসক্লাবের সর্বমোট ১৯জন সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সভাপতি হিসেবে ১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক গোলাম ছামদানী এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ১১ ভোট পেয়ে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন নির্বাচিত হয়েছেন। এ নব- নির্বাচিত কমিটি আগামী ২০২৪/২৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।  

উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন উত্তর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরাম ও গোপালপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন। এছাড়াও মধুপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এম এ রউফ ও ধনবাড়ী প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনছার আলী সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

   -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



চাল আমদানি নয় ভবিষ্যতে আমরা রপ্তানি করবো : খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯২জন দেখেছেন

Image
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি : চাল আমদানি নয় ভবিষ্যতে আমরা চাল রপ্তানি করবো বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, বিগত দুই বছর সরকার চাল আমদানি করেনি।এবারও চাল আমদানির প্রয়োজন হবেনা। 

রবিবার দুপুরে সাপাহার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় "কৃষি প্রযুক্তি মেলা-২০২৪ " এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

কৃষি প্রণোদনা সরকারের পরিকল্পিত ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ অবিহিত করে খাদ্যমন্ত্রী  বলেন, কৃষি প্রণোদনা দিয়ে- ভর্তূকি দিয়ে কৃষকের পাশে আছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি কৃষিকে প্রযুক্তি বান্ধব করতে নিরলস করে যাচ্ছেন। যে প্রণোদনা আজ বিতরণ করা হচ্ছে সেটা সঠিক ব্যবহার হলে বেশি জমিতে চাষাবাদ হবে আর উৎপাদন ও বৃদ্ধি পাবে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুচিন্তিত চিন্তাধারায় অল্প জমিতে বেশি ফসল ফলাতে কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি হয়েছে। অধিক জনসংখ্যার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির ব্যবহার কৃষকের জন্য আশির্বাদ। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক পতিত জমিতেও এখন চাষাবাদ হচ্ছে। 

পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে বলে বলা হচ্ছে।কিন্তু কৃষকের উৎপাদন খরচের খবর কেউ নিচ্ছে না।
দাম বাড়লে ভোক্তার সমস্যা আর পন্যের দাম কমলে কৃষকের সমস্যা। উৎপাদন খরচ না উঠলে কৃষক উৎপাদনে নিরুৎসাহিত হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমাজের নিন্ম আয়ের মানুষের জন্য সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি ,ওএমএস ও টিসিবির ভর্তূকি মূল্যে চাল আটা বিক্রি করা হচ্ছে। 

এর আগে তিনি সাপাহার উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন করেন এবং স্টল পরিদর্শন করেন। 

সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মাসুদ হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: শাহজাহান হোসেন,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নঈমুদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা খাতুন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: মাসুদ রেজা সারোয়ার,উপজেলা কৃষি অফিসার শাপলা খাতুন এবং শিরন্টি ইউনিয়নপরিষদের চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন। পরে খাদ্যমন্ত্রী কৃষকদের মাঝে সরকারি আমন প্রণোদনা বিতরণ করেন এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপবৃত্তির চেক ও বাইসাইকেল বিতরণ করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে খরিপ/২০২৪-২৫ মৌসুমে আমন প্রণোদনা হিসাবে ১২১০ জন কৃষকের প্রত্যেকে ৫ কেজি বীজ,১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার সহায়তা বিতরণ করা হয়।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর



ফুলবাড়ী পৌরসভার ৩৯ কোটি ৮৯ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫৩৬ টাকার বাজেট ঘোষণা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভার ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরে ৩৯ কোটি ৮৯ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫৩৬ টাকার বাজেট ঘোষণা করেন ফুলবাড়ী পৌরসভার মেয়র আলহাজ¦ মাহমুদ আলম লিটন। 

গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ফুলবাড়ী পৌরসভা মিলনায়তনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেট ও ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেন। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে নতুন কোন কর আরোপ না করে এই বাজেট ঘোষণা করেন। বাজেট পেশ করেন ফুলবাড়ী পৌরসভার সহকারী হিসাবরক্ষক ও (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সাজেদুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফুলবাড়ী পৌরসভার নির্বাহী কমকর্তা সৈয়দ মোহাম্মদ আলী, নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ লুৎফুল হুদা চৌধুরী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, প্যানেল মেয়র কাউন্সিলর মোঃ মামুনুর রশীদ চৌধুরী, পৌর কাউন্সিলর আব্দুল জব্বার মাসুদ, মোঃ আতাউর রহমান, মোঃ আব্দুল মজিদ, মোঃ মাজেদুর রহমান, শ্রী হারান দত্ত, মহিলা কাউন্সিলর মোছাঃ তঞ্জুয়ারা, মোছাঃ বাবলী আরা, মোছাঃ রেবেকা সুলতানা। বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে পৌরসভার সকল কর্মকর্তা কর্মচারী ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। বাজেট ঘোষণার অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পৌরসভার জন্ম নিবন্ধন বিভাগের দায়িত্বে মোঃ আশরাফ পারভেজ। আয়োজনে ছিলেন ফুলবাড়ী পৌরসভা।


আরও খবর



গ্রীষ্মের রুক্ষ প্রকৃতিতে শোভা ছড়াচ্ছে সোনালু ফুল

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: উত্তর জনপদের শষ্যভান্ডার খ্যাত সবুজ অরণ্যে ঘেরা নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার পথে-প্রান্তরে গ্রীষ্মের রুক্ষ প্রকৃতিতে শোভা ছড়াচ্ছে সোনালু ফুল। কালের বিবর্তনে এ উপজেলার পথ-ঘাটে আগের মত তেমন একটা দেখা যায় না সোনাঝড়া সোনালু ফুলের গাছ। 

সবুজ পাতা ছাপিয়ে সোনালি রঙের ফুলে সেজেছে সোনালু গাছ। প্রকৃতির এক অপরূপ সৃষ্টি সোনালু ফুলের এ সৌন্দর্য। এ গাছটিকে বানরলাঠি বা বাঁদরলাঠি গাছও বলা হয়। সোনালি রঙের ফুল হওয়ার কারণেই মূলত এ গাছটির নামকরণ হয়েছে ‘সোনালু’। কবিগুরু বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর নাম দিয়েছিলেন অমলতাস। হিন্দিতেও গাছটিকে অমলতাস বলা হয়। ইংরেজিতে সোনালু গাছকে বলা হয় গোল্ডেন শোয়ার। তবে বাংলাদেশে অঞ্চল ভেদে এর নামের ভিন্নতা রয়েছে।

গ্রীষ্মের রুক্ষ প্রকৃতিতে প্রাণের সজীবতা নিয়ে অলংকারের ন্যায় প্রকৃতিতে শোভা বৃদ্ধি করছে সোনালু ফুল। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গ্রীষ্মের দক্ষিণা হাওয়ায় সোনা ঝরা সোনালু ফুল যেন প্রকৃতির কানে দুলের মতো দুলছে।

বাংলাদেশের সিংহভাগ সোনালু গাছ জন্মায় প্রাকৃতিকভাবে। প্রকৃতির শোভাবর্ধনকারী ও ভেষজ গুণাবলি সম্পন্ন এই গাছটি বেশির ভাগই বেড়ে উঠছে অযত্ন আর অবহেলায়। সোনালু গাছের পাতা ও বাকল ভেষজগুণ সমৃদ্ধ। যা ডায়রিয়া ও বহুমূত্র রোগে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ায় এ গাছ বেশি জন্মে। গাছটি সাধারণত ১৫ থেকে ২০ মিটার উঁচু হয়। উঁচু থেকে মাঝারি উঁচু নিচু ভূমিতে সোনালু গাছের জন্য আদর্শ স্থান।

জানা গেছে, গাছটির আদি নিবাস হিমালয় অঞ্চল হলেও বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এবং মায়ানমার জুড়ে রয়েছে এর বিস্তার।

প্রকৃতিকে নয়নাভিরাম রূপে সাজিয়ে তুলতে সোনালু ফুলের জুড়ি নেই। পরিবেশ ও প্রকৃতির শোভা বৃদ্ধিতে সোনালু ফলের জুড়ি নেই। গ্রাম-বাংলার শিশু-কিশোরীরা এখনো ওই ফুলকে কানের দুল হিসেবে লাগিয়ে খেলায় মেতে ওঠে। সোনালু ফুলে শোভিত জেলার আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পাড়া-মহল্লা।