Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

দক্ষিণ আফ্রিকার স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন ভারত

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৫৫জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক:দক্ষিণ আফ্রিকার সেমিফাইনালে জিতে চোকার্স অপবাদ ঘুচেছে ।জিততে জিততে হেরে যাওয়ার স্বভাব  কিন্তু বদলায়নি। ভারতের বিপক্ষে টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে শিরোপা ছোঁয়া দূরত্বে ছিল প্রোটিয়ারা। সেখান থেকে হুট করে 'চোকিং' করে ৭ রানে হেরেছে তারা। ফাইনালে বারবার পা হড়কানো ভারত ১৭ বছর পর টি-২০ বিশ্বকাপের এবং ১১ বছর পর আইসিসির টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

এক বছরের ব্যবধানে বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের তৃতীয় ফাইনালে উঠে ভারত। আগের দুই ফাইনালে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল রোহিত শর্মার দলকে। তবে তৃতীয়বার আর খালি হাতে ফিরতে হলো না ভারতকে। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ রানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় শিরোপা নিজেদের করে নিলো রোহিত-কোহলিরা।


আরও খবর



জামিন পেলেন মিল্টন সমাদ্দার

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৬১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এইজ কেয়ার’ আশ্রমের চেয়ারম্যান মিল্টন সমাদ্দারের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত,প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে জাল মৃত্যু সনদ তৈরির অভিযোগে মিরপুর মডেল থানার মামলায় ।

সোমবার (১৫ জুলাই) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আস সামছ জগলুল হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ নিয়ে তিন মামলায় মামলায় জামিন পেলেন মিল্টন সমাদ্দার। এর আগে দুটি মামলার একটি হাইকোর্ট থেকে ও আরেকটি জজ কোর্ট থেকে জামিন পান তিনি। ফলে এখন তার কারাগার থেকে মুক্তি পেতে আর বাধা নেই।

সড়কে পড়ে থাকা অসহায় বৃদ্ধ কিংবা শিশুদের আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার ব্যবস্থা করার ছবি-ভিডিও শেয়ার করে আলোচনায় আসা মিল্টন সমাদ্দারকে গত ১ মে সন্ধ্যায় মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, নিজের আশ্রমের মারা যাওয়া ব্যক্তিদের সিটি করপোরেশনের সনদ ছাড়াই রাতের বেলায় দাফন করতেন মিল্টন। এক্ষেত্রে নিজেকে নিরাপদ রাখতে সিটি করপোরেশনের নকল সিল দিয়ে মৃত্যু সনদ তৈরি করে রাখতেন।

সিটি করপোরেশনের সিল ও স্বাক্ষর নকল করে মৃত্যু সনদ তৈরির এ অভিযোগেই মিরপুর মডেল থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর আদালতে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। মিল্টনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ছয়টি কারণ উল্লেখ করেন তিনি।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



গাংনীর চিৎলা খামারে নষ্ট হলো ৩০ একর ধানক্ষেত

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১০১জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ,গাংনী(মেহেরপুর)প্রতিনিধিঃমেহেরপুরের বৃহৎ বীজ উৎপাদন খামার গাংনীর চিৎলা বিএডিসি ফার্মের ৩০ একর জমির ধানক্ষেত পুড়ে বিনষ্ট হয়েছে। নিম্নমানের সার ও কীটনাশক ব্যবহার করায় আগাছা বা পোকা বিনষ্ট না হয়ে ধানক্ষেত বিনষ্ট হয়। খামারের যুগ্ম পরিচালক মোরশেদুল আলমের নিকটাত্মীয়র কাছ থেকে নিম্নমানের সার ও কীটনাশক ব্যবহারে এমনটি ঘটেছে বলে শ্রমিকরা জানালেও বিষয়টি অস্বীকার করেছেন যুগ্ম পরিচালক। তবে ধানক্ষেত বিনষ্টের বিষয়টি ‘বাই মিসটেক’ বলে জানিয়েছেন তিনি। 

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ি, চলতি মৌসুমে চিৎলা পাট বীজ খামারে ১২০ একর জমিতে আউস আবাদ করা হয়। জমিতে পোকা মাকড় ও আগাছা বৃদ্ধি পাওয়ায় ফার্মের যুগ্ম পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম স্থানীয় বাজার থেকে সার ও কীটনাশক না কিনে তার নিকট আত্মীয় চুয়াডাঙ্গার জনৈক নাজিম উদ্দীনের কাছ থেকে নিম্নমানের সার ও কীটনাশক সংগ্রহ করে তা ধানক্ষেতে ছিটিয়ে দেন। দিন পাঁচেক আগে নাজিম উদ্দীন নামের ওই ব্যাক্তি নিজেই উপস্থিত থেকে ফার্মে কর্মরত শ্রমিক দিয়ে কীটনাশক প্রয়োগ করেন। কি কারনে ও কি ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে এ ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি কর্মরত লেবারদের। এর  দুই দিনের মধ্যেই ধানগাছ গুলো মরতে শুরু করে। 

ধানক্ষেত বিনষ্টের সংবাদ পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকগন ধানক্ষেত ও ব্যবহৃত কীটনরাশকের বোতল সংগ্রহ করে উপজেলা কৃষি অফিসার এমরান হোসেনকে দেখান। এমরান হোসেন জানান, য কীটনাশকগুলো আগাছা পুড়ানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। কীটপতঙ্গ দূর হয় না। এই কীটনাশক বেশি ব্যবহার করলে ধান গাছের গোড়ায় ধীরে ধীরে পচন ধরে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফার্মে কর্মরত কয়েকজন শ্রমিক জানান, ধানের জমিতে অনেক আগাছা জন্মায়। এখানে শ্রমিক দিয়ে আগাছা পরিষ্কার না করিয়ে তার নিকটাত্মীয়র কাছ থেকে কীটনাশক এনে তা ক্ষেতে প্রয়োগ করেন। ক্ষেত নষ্ট হলে খামারের কর্মকর্তাগন সাথে সাখে ওই কীটনাশকের বোতল পুড়িয়ে আলামত নষ্ট করে। এতে ক্ষেতের ফলন বিপর্যয় হয়। দিন দিন উৎপাদন কমে যাচ্ছে অন্যদিকে যুগ্ম পরিচালক ঠিকই শ্রমিকদের উপস্থিতি দেখিয়ে বিল উত্তোলন করছেন। যুগ্মপরিচালকের নিকটাত্মীয়র কাছে কর্মরত দু’জন ডিএডি অসহায়।

একটি সুত্র জানায়, যুগ্ম পরিচালক মোরশেদুল আলম ফার্মে যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়ম হচ্ছে। অনেক আবাদি জমি এখন পতিত। এখানে অল্প শ্রমিক দিয়ে কাজ করালেও বেশি শ্রমিক দেখিয়ে বিল উত্তোলন করছেন। আবার স্থায়ী শ্রমিক দিয়ে কাজ না করিয়ে কিছু মৌশুমি শ্রমিক দিয়ে কাজ করান। এ নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ ও আন্দোলন শুরু হয়। গত ১ জুলাই ফার্মের শ্রমিকরা চিৎলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সমাবেশ করেন ও যুগ্ম পরিচালকের দুর্ণীতির চিত্র তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। 

এ ব্যাপারে চিৎলা খামারের যুগ্ম পরিচালক মোরশেদুল আলম জানান, নাজিম উদ্দীন তার নিকটাত্মীয় নন এবং কোন নিম্নমানের সার বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। পোকা বালাইনাশকের পরিবর্তে অন্য কীটনাশক ব্যবহার এটা বাই মিসটেক ছাড়া কিছুই না। তবে শ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়টি সমাধান হয়েছে বলে দাবী করেন তিনি।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কুড়িগ্রামে ১০ হাজার চারা বিতরণ করলো ইউসিবি

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৬৬জন দেখেছেন

Image
নিজস্ব প্রতিবেদক:জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবিলায় কুড়িগ্রামের বেশকিছু প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১০ হাজার চারা গাছ বিতরণ করেছে ইউনাইডেট কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)। ইউসিবি’র ‘ভরসার নতুন জানালা’ করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কার্যক্রমের আওতায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব চারা বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ‘ভরসার নতুন জানালা’ শীর্ষক কৃষি সহায়তা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে ইউসিবি। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৩ জুলাই কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল চর বলরামপুর, বেরুবাড়ি ও নাগেশ্বরীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। এসমস্ত এলাকায় বসবাসরত পরিবারগুলোর মাঝে আম, লেবু ও সজনের ১টি করে চারা এবং প্রয়োজনীয় জৈবসার বিতরণ করা হয়। এসময় চারাগাছ পরিচর্যায় গৃহিণীদের উৎসাহিত করতে শাড়ি ও সালোয়ার-কামিজ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি’র অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সেক্রেটারি এটিএম তাহমিদুজ্জামান ও বিটিভির কৃষিভিত্তিক অনুষ্ঠান ‘মাটি ও মানুষ’-এর জনপ্রিয় উপস্থাপক ও কৃষি তথ্য-বিশ্লেষক রেজাউল করিম সিদ্দিক। এছাড়া, আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ ও চর সাজাই কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ফউজুল আজিম; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও চর সাজাই কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক খান; বল্লভের খাস ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রাজ্জাক এবং চর সাজাই কল্যাণ ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, কৃষকদের সুবিধার্থে ‘ভরসার নতুন জানালা’ প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে বেশকিছু উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে ইউসিবি পিএলসি। এসবের মধ্যে রয়েছে তালগাছ রোপণ, কৃষি উদ্যোক্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ, এআই-নির্ভর ‘আরো মাছ’ (মোরফিশ) ডিভাইসের মতো কৃষি-সংক্রান্ত স্মার্ট ডিভাইস বিতরণ এবং তামাকের বিকল্প শস্য হিসেবে গম ও ভুট্টা চাষে উৎসাহিত করা প্রভৃতি। এছাড়া, এই বছরের মধ্যে ইউসিবি’র ১ লাখ চারাগাছ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



তানোরে কৃষকলীগের সভাপতির বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন!

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৬৮জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও পাড়িশো দূর্গাপুর  উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রামকমল সাহার পুত্র জয়ন্ত কুমার সাহার সঙ্গে বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে অনশনে বসেছেন অনার্স পড়ুয়া এক ছাত্রী। গত ১৬ জুন রোববার উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) পাড়িশো গ্রামে প্রধান শিক্ষক রাম কমল সাহার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটেছে। এদিকে এখবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সেই সাথে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিয়ে না হলে আত্মহননের হুমকি দিয়েছেন ওই ছাত্রী। এছাড়াও ঘটনা জানার পরও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন সন্ধ্যায় অনার্স পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থী প্রেমিক জয়ন্ত কুমার সাহার খোঁজে তার বাড়িতে আসে।কিন্ত্ত তার আশার খবরে কৌশলে জয়ন্ত পালিয়ে যায়। এসময় ওই শিক্ষার্থী জয়ন্তের সঙ্গে তার বিয়ে না দিলে আত্মহননের হুমকি দিয়ে অনশনে বসেছে। অনশনে বসা ওই শিক্ষার্থীর ওপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করায় তার জীবন অনেকটা সংকটাপন্ন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। এদিকে ওই ছাত্রী কে একের পর এক নানা ধরনের হুমকি দিচ্ছেন কৃষকলীগের সভাপতি প্রধান শিক্ষক রাম কমল সাহা বলেও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি ক্ষমতা সীন দলের নেতা হওয়ার কারনে প্রশাসনও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না বলে দাবি গ্রামবাসীর।

জানা গেছে, রামকমল সাহার পুত্র জয়ন্ত কুমার সাহা একটি বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। ভিকটিমের ভাষ্য, মুঠোফোনের সুত্রে পরিচয় এবং প্রায় দু’বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। কিন্ত্ত তিনি তাকে বিয়ের কথা বলায  জয়ন্ত বিয়ে করতে অস্বীকার ও তার সঙ্গে  সম্পর্ক ছেদ করেছে। ফলে বাধ্য হয়ে ওই শিক্ষার্থী জয়ন্তের সঙ্গে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে জয়ন্ত কুমার সাহা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই মেয়ে তাকে ফাঁসাতে চাইছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে রাম কমল সাহা বলেন, ওই মেয়ে যদি তার ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কোনো প্রমাণ দিতে পারেন তাহলে বিয়ে দিতে তাদের কোনো আপত্তি নাই। তিনি বলেন, আগামিকাল মেয়ের পরিবারের লোকজন আসবে আসার পর দেখা যাক কি হয়। এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসির দায়িত্বে থাকা এসআই আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনা জানার পর মেয়ের পরিবার কে খবর দেয়া হয়েছে। তার পরিবারের লোকজন আসলে বসে মিমাংসা করা হবে। গত ১৬ জুন থেকে মেয়ে অনশনে আছেন কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন জানতে চাইলে তিনি জানান বুধবার পরিবারের লোকজন আসলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  তবে এঘটনায়  কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

আরও খবর



রৌমারীতে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনায় ওসি তদন্ত সহ ২ জনের বদলি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১০৯জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের রৌমারীতে সাংবাদিক আনিছুর রহমান এর ওপর মাদক কারবারিদের হামলা বিষয়ে থানায় অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ ঘুষ দাবি করেন। এ ঘটনায় খোঁজখবর নিতে থানায় গেলে তিন পুলিশ কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন সাখা নামের আরেক সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনায় সোমবার (১জুলাই) অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য রৌমারী থানার ওসি (তদন্ত) মুশাহেদ খানকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর আগে একই ঘটনায় রৌমারী থানার এসআই আনছুর আলীকে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজ করা হয়।

লাঞ্ছিতের শিকার ওই সাংবাদিক সাখাওয়াত হোসেন সাখা পুলিশ সুপার বরাবর রৌমারী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুশাহেদ খান, এসআই আনছুর আলী, এএসআই শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন । 

অভিযোগের এক পর্যায়ে এসআই আনছুর আলীকে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজ করা হয় এবং অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সহকারী পুলিশ সুপার (রৌমারী সার্কেল) মমিনুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি গত ৯ই মে রৌমারী সার্কেল অফিসে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পান। 

এদিকে অভিযুক্ত সেই ৩ পুলিশ কর্মকর্তা বিভিন্ন প্রভাবশালীদের মাধ্যমে বিষয়টি সমঝোতা করার চেষ্টা চালান। সমঝোতায় রাজী না হওয়ায় সাংবাদিক সাখাওয়াত হোসেন সাখাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন অভিযুক্তরা।

এ ঘটনায় নিরুপায় হয়ে ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সাংবাদিক সাখাওয়াত হোসেন সাখা গত ২৭ জুন পুলিশ সুপার বরাবর আবারও লিখিত আবেদন করেন। অবশেষে পুলিশ সুপার সেই বিতর্কিত পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুশাহেদ খানকে কুড়িগ্রাম সদর থানায় বদলি করেন। লাঞ্ছিত সাংবাদিক অভিযোগ করেন। দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি করলেও অপর সহযোগী অভিযুক্ত এএসআই শফিকুল ইসলাম বহাল তবিয়তে রয়েছেন। 

প্রসঙ্গত, গত ২ এপ্রিল (মঙ্গলবার) রাতে তারাবি নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে যাদুরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সবুজের নেতৃত্বে স্থানীয় মাদক কারবারিরা সাংবাদিক আনিছুর রহমানের ওপর হামলা চালান। তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রৌমারী হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনার রাতেই ওই সাংবাদিক বাদী হয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রৌমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে এসআই আনছুর আলী মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন। ওই এসআই বলেন, “যখন আপনে পাম (ঘুষ) দিবেন তখন আমি ফুলবো (কাজ করা), আর পাম না দিলে ঝিমায়ে থাকবো, এটা সংক্ষেপে বুঝে নিয়েন। আসামি ধরতে চিপা-চাপায় যাইতে হইবো, উপরেও কিছু দিতে হইবো।” নির্যাতিত সাংবাদিক আনিছুর রহমান টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।’ এসংক্রান্তে খোঁজখবরসহ তথ্য সংগ্রহ করতে থানায় গেলে সাখাওয়াত হোসেন সাখা নামের আরেক সাংবাদিক লাঞ্ছিত হন। 

সহকারী পুলিশ সুপার  (রৌমারী সার্কেল) বলেন, তদন্তের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। খুব শীঘ্রই প্রতিবেদন দাখিল  করা হবে। 

কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার আল আসাদ মাহফুজুর রহমান সাংবাদিককে বলেন, এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর