Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

ধূমপান ছাড়তে চান, জেনে নিন উপায়

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৩৫৮জন দেখেছেন

Image

লাইফস্টাইল ডেস্ক: যারা দীর্ঘ দিন ধরে ধূমপানের অভ্যাস লালন-পালন করে আসছেন, তাদের পক্ষে হঠাৎ ধূমপান ছেড়ে দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এমন অনেকেই আছেন যারা পরিবার, বন্ধুবান্ধব, অফিসের সহকর্মী এমনকি, চিকিৎসকের নিষেধ উপেক্ষা করে এ অভ্যাস চালিয়ে যাচ্ছেন। চিকিৎসকরা বার বার সতর্ক করছেন যে, সুস্থ জীবনযাপন করতে ধূমপানের অভ্যাস জীবন থেকে বাদ দিতে হবে। অনেকে আছেন যারা ধূমপান ছাড়তে চেয়েও পারছেন না। আসুন জেনে নিই কী কী উপায়ে ত্যাগ করবে ধুমপানের অভ্যাস

খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে বদল আনুন;

গবেষণা বলছে, আমিষ এবং মাংসজাতীয় খাবার খাওয়ার পরেই মূলত ধূমপান বেশি উপভোগ্য হয়ে ওঠে। তাই ধূমপান ত্যাগ করতে চাইলে কিছু দিন বেশি করে ফলমূল ও শাকসবজি খেতে পারেন। নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। বিশেষ করে যোগব্যায়াম অনুশীলন বেশি করে করতে পারেন। নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস ধূমপান করা থেকে আপনাকে বিরত রাখবে।

পারিপার্শ্বিক মানুষের ক্ষতি হচ্ছে;

ধূমপান যিনি করেন তার যেমন স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে যায়। তেমনই পরোক্ষ ধূমপানের ফলে আশপাশে থাকা মানুষেরও স্বাস্থ্যহানি ঘটছে। যা একেবারেই কাম্য নয়। ধূমপান ত্যাগ করে নিজেকে এবং চারপাশের মানুষজনকেও সুস্থ রাখুন।

মদ্যপান থেকে দূরে থাকুন;

অ্যালকোহল মিশ্রিত পানীয়, কোমল পানীয়, চা বা কফি খাওয়ার পরে সঙ্গত হিসাবে ধূমপান করে থাকেন। ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে চাইলে প্রথমে এই ধরনের পানীয় এড়িয়ে চলুন।

পছন্দের স্বাদের চকোলেট খেতে পারেন;

ধূমপানের অভ্যাস বদলে ফেলুন চকোলেট খেয়ে। চকোলেট বা চিউইং গাম খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হলে ধূমপানের আগ্রহ চলে যাবে।

চিকিৎসকের পরামর্শ নিন;

খারাপ হোক বা ভাল, দীর্ঘ দিনের অভ্যাস ত্যাগ করতে সময় লাগে। নিজের চেষ্টায় ধূমপানের আসক্তি ত্যাগ করতে না পারলে অতি অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


আরও খবর

"নোবেলের ম্যাজিক শুধু প্রতারণা"

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24

ভালোবাসার দিন আজ

বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




'মানবিক মানুষ তৈরীর কারখানা গড়ে তুলতে চাই'-ড.মাহবুবুর রহমান মোল্লা

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২০১জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃমানবিক মানুষ গড়ার কারখানা হিসেবে সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজ কে গড়ে তোলা এবং শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের মান উন্নয়নে অভিভাবকদের নিয়ে সভা করেছে রাজধানীর সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজ।৩ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সকাল দশটায় দেশসেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল,ড.মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, প্রধান মন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের সদস্য ও HWPL এ পিস এ্যাম্বাসেডর, শিক্ষাবিদ ড. মাহাবুবুর রহমান মোল্লা।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৬৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব সামসুদ্দিন ভুঁইয়া সেন্টু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও গভর্নিং বডির সদস্য মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,সেফ এইড হসপিটালের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ও গভর্নিং বডির সদস্য সরওয়ার আরিফ উদ্দিন খান,ডা.আব্দুল হালিম,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বাহালুল হক চৌধুরী, মোঃ মোজহারুল ইসলাম সোহেল, সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজ প্রভাতী শাখার সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল মতিন, ইংলিশ ভার্সন -ইনচার্জ আলমগীর হোসেন,দিবা শাখার সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ সোহরাব হোসেন, গভর্নিং বডির সদস্য মোঃ জাকির হোসেন।

সভাপতির বক্তব্যে শিক্ষাবিদ ড. মাহাবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, আমরা এই প্রতিষ্ঠানটিকে মানবিক গুন সম্পন্ন মানুষ গড়ার কারখানা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, অভিভাবকদের সহযোগীতা চাই।

এ জন্য অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের প্রতি গভীর মনোযোগ দিতে অনুরোধ করেন তিনি।তিনি বিভিন্ন সময়ে ভুইফোঁড় সাংবাদিকদের অপপ্রচার বিষয়টি তার বক্তব্যে তুলে ধরেন।


আরও খবর

বিনামূল্যে বই পেল ২৬৬ কলেজ শিক্ষার্থী

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




টাঙ্গাইলের মধুপুরে ৮৬ ব্যাচের পুনর্মিলনী/২০২৪ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০০জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃটাঙ্গাইলের মধুপুর রানী ভবানী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮৬ ব্যাচের সহপাঠীদের নিয়ে আয়োজিত “ফিরে দেখা শৈশব” শিরোনামে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

শনিবার(১০ফেব্রুয়ারী) মধুপুর উপজেলাধীন মির্জাবাড়ি ইউনিয়নের দড়িহাসিল গ্রামের নকশা ফিশারীজ নামক স্থানে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, লেঃ কর্নেল(অবঃ) আসাদুল ইসলাম আজাদ।

দীর্ঘ ৩৮ বছর পর সহপাঠীদের কাছে পেয়ে আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে উঠে সকলে। ৮৬ ব্যাচের  প্রায় ৭০জন সহপাঠী একত্রিত করতে পেড়ে অনুষ্ঠান শতভাগ স্বার্থক হয়েছে বলে জানান আয়োজকগন। 

অনুষ্ঠান শুরু হয় পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত এবং গীতাপাঠের মধ্য দিয়ে। পরবর্তীতে ৮৬ ব্যাসের যারা ইন্তেকাল করেছেন এবং যারা অসুস্থতার কারণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেনি তাদের সকলের জন্য দোয়া করা হয়। এরপর এক-এক করে সকলের পরিচিতি ও সাংসারিক জীবন বৃত্তান্ত তুলে ধরেন। 

৮৬ ব্যাসের প্রধান আয়োজক লেঃ কর্নেল(অবঃ)আসাদুল ইসলাম আজাদ জানান, আমরা আগামীতে  আরও জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে, যেখানে স্ত্রী সন্তানদের সাথে রেখে একটি ব্যতিক্রমধর্মী বিশাল মিলন মেলার আয়োজন করা হবে। যা হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি দৃষ্টান্ত স্বরূপ।

অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে ছিলো স্থানীয় ও টেলিভিশন শিল্পীদের সমন্বয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লাকী কুপন ড্র। 

উক্ত অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, মোঃ বছির আহম্মেদ, মোঃ খালিদুল ইসলাম (খোকন), মোঃ মোশারফ হোসেন ফকির, শাহ আলম খান হীরা, জাকির হোসেন বাচ্চু, মোঃ আসাদুজ্জামান ও লেবু সহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মোঃ বছির আহম্মেদ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



নওগাঁয় এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৭জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ , নওগাঁ প্রতিনিধি:সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার, জাল দলিলের মাধ্যমে জমি খারিজ (নামজারি) এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমানের বিরদ্ধে। তিনি জেলা শহর থেকে ১২কিলোমিটার দূরে রাণীনগর অফিসে প্রতিদিন যাতায়াত এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার পারিবারিক প্রয়োজনে ব্যবহার করছেন সরকারি গাড়ি। ফলে একদিকে যেমন জ্বালানি তেলের অপচয় হচ্ছে অন্যদিকে সরকারি কোষাগার থেকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হওয়ায় প্রশাসনের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিসিএস ৩৬তম ব্যাচের মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান সহকারি কমিশনার (ভূমি) হিসেবে রাণীনগর উপজেলায় যোগদান করেন ২০২১সালের অক্টোবর মাসের ১৮তারিখে। যোগদানের পর থেকে তিনি পরিবার নিয়ে রাণীনগর থেকে ১২কিলোমিটার দূরে নওগাঁ শহরের মুক্তির মোড়ের দেওয়ান ভিলা নামক বহুতল ভবনের ৬তলায় ভাড়ায় বসবাস করে আসছেন। তিনি উপজেলায় যোগদানের পর থেকে কর্মস্থলে যাতায়াতের জন্য সরকারের প্রদান করা নওগাঁ-ঠ-১১-০০৪৯ নাম্বারের সাদা রংয়ের একটি গাড়ি ব্যবহার করে আসছেন। অথচ ২০১৭সালে ভ’মি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো: মনিরুজ্জামান মিঞা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে (স্মারক নং-৩১.০০.০০০০.০৪৬.৬৮.০২৮.১৫(অংশ).৭৭০ এবং তারিখ: ০১-১১-২০১৭) জানানো হয় যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন সহকারি কমিশনার (ভ’মি)/রাজস্ব সার্কেলের অনুক’লে বরাদ্দকৃত ডাবল কেবিন পিকআপ গাড়িটি শুধুমাত্র সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।  

কিন্তু সরকারি যানবাহন ব্যবহারের নীতিমালা অনুসারে একজন কর্মকর্তাকে অবশ্যই তার ক্যাম্পাসের মধ্যে কিংবা কর্মস্থলের অদূরে বসবাস করতে হবে। এছাড়া কোন কর্মকর্তা সরকারি গাড়ি অবশ্যই রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে শুধুমাত্র তার কর্মস্থলের এলাকার মধ্যেই ব্যবহার করতে পারবেন। নিয়ম রয়েছে সরকারি কাজ ছাড়া উপজেলার বাইরে গাড়ি নিয়ে যেতে হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও সংশি¬ষ্ট কারণ থাকতে হবে। এমন বিধি নিষেধ থাকলেও বছরের পর বছর সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান সরকারের নিয়মের তোয়াক্কা না করে নিজের পারিবারিক কাজেও সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে আসছেন। বিষয়টি জেলায় ওপেনসিক্রেট হলেও বিষয়টিতে নজর নেই উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের।

এছাড়া উপজেলা ভূমি অফিস বর্তমানে দুর্নীতি আর অনিয়মের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অর্থের বিনিময়ে ভুয়া কাগজপত্রাদির মাধ্যমে একজনের জমি অন্যের নামে খারিজ করার একাধিক ঘটনা উপজেলায় ব্যাপক তোলপাড়সহ আলোড়নের সৃষ্টি করেছে। অর্থ না দিলে সহজে জমি খারিজ হয় না এবং অর্থ না দিলে নামজারি করা হয় না। অর্থ না দিলে কিংবা অফিসে থাকা দালালদের সাথে যোগাযোগ না করলে জমি সংক্রান্ত মামলার ফাইলে দিনের পর দিন নম্বরও পড়ে না এমন অভিযোগ একাধিক সেবাগ্রহিতার। এই অফিসে মোহাম্মদ হাফিজুর রহমানের যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অনিয়ম আর দুর্নীতির পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে গেছে বলে মনে করছেন বিভিন্ন সময়ে অফিসে সেবা নিতে আসা সেবা গ্রহিতারা।

সম্প্রতি একটি প্রতারক চক্রের মাধ্যমে উপজেলা ভূমি অফিসে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জাল দলিলের মাধ্যমে জমি খারিজ (নামজারি) করে দেওয়ার অভিযোগটি ব্যাপক আলোনার জন্ম দিয়েছে। আবদুল কুদ্দুসের নামে নামজারি করা খারিজের পর ওই জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এই ঘটনায় জমির ওয়ারিশ ও ক্রয়সূত্রে ৫জন মালিক একযোগে আবদুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে জাল দলিলের মাধ্যমে তথ্য গোপন করে এবং ভূয়া তথ্য দিয়ে জমি খারিজ করে নেওয়ার অভিযোগ এনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর অভিযোগ প্রদান করেছেন। ডিজিটাল যুগের এমন ডিজিটাল জালিয়াতির ঘটনায় ইউনিয়ন ও উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকান্ড নিয়ে সাধারণ মানুষদের মাঝে চরম হতাশা, ক্ষোভ, উদ্বেগ, মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও ভীতির সঞ্চার হয়েছে।

 জাছের আলীসহ কয়েকজন জানান, আমরা রাণীনগর সাব-রেজিষ্ট্রী অফিস থেকে সম্প্রতি আবদুল কুদ্দুসের ৬৮১৫ নম্বর দলিলের জাবেদা কপি (নকল) তুলে দেখি জাবেদার সাথে আবদুল কুদ্দুসের দলিলের কোন মিল নেই। দলিলের দাতা, গ্রহীতা, মৌজা এমনকি জমিরও কোন মিল পাওয়া যায়নি। এছাড়া আবদুল কুদ্দুসের ৬৩৬০নম্বর দলিল রেজিষ্ট্রী অফিসে পাওয়া যাচ্ছে না।

তারা বলেন, একটি প্রতারক চক্রের মাধ্যমে আবদুল কুদ্দুস জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে আমাদের জমির খতিয়ানের দুই মালিক সফেজান বিবি এবং মছিরন বিবিকে দাতা বানিয়ে এবং আবদুল কুদ্দুস নিজে গ্রহীতা সেজে দুইটি জাল দলিল তৈরি করেছেন। সেই দুইটি জাল দলিল দিয়ে আমাদের প্রায় ৮শতাংশ জমি আবদুল কুদ্দুস ভূমি অফিস থেকে খারিজ করে নিয়েছে। এ ঘটনায় আমরা ওই খারিজ বাতিলসহ আবদুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

অভিযুক্ত আবদুল কুদ্দুসের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, উপজেলার খাগড়া গ্রামের মৃত-মমিন সরদারের ছেলে হাফিজুর রহমান হাফিজ সম্পর্কে আমার শ্যালক (বউয়ের ভাই) হয়। শ্যালক হাফিজ টাকার বিনিময়ে আমাকে এই কাজ করে দিয়েছে। এর চেয়ে আমি আর বেশিকিছু জানি না। কোথায় কি করতে হয়েছে তার সবকিছু শালা হাফিজ করেছে এবং সবকিছু সে জানে।

এই বিষয়ে হাফিজুর রহমান হাফিজ জানান, আবদুল কুদ্দুস সম্পর্কে আমার ফুফাতো দুলাভাই। সেই সূত্রে ওই এলাকায় আমার যাওয়া-আসা। আবদুল কুদ্দুস দুলাভাই আমার কাছে জমির খারিজ করার কাজে সহযোগিতা চেয়েছিলো বলেই আমি তাকে একটু সহযোগিতা করেছি মাত্র। আমার কোন চক্র নেই। আমি জমি সংক্রান্ত কোন বিষয়ই তেমন ভাবে জানি না। একটি কুচক্রী মহল আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় করার জন্য আমার বিষয়ে এমন মিথ্যে অভিযোগ তুলেছে।  

এ বিষয়ে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান মুঠোফোনে জানান, আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা। এই কথা বলেই তিনি লাইন কেটে দেন।

নওগাঁর ডেপুটি  কমিশনার (ডিসি) গোলাম মওলা মুঠোফোনে জানান ওই এসিল্যান্ডের স্ত্রী পেশায় একজন চিকিৎসক হওয়ার কারণে তাকে নওগাঁ শহরে থাকতে হয়। তাই হয়তো বা সরকারি গাড়িটি একটু ব্যবহার করে। তবে আমি তাকে নিষেধ করে দিবো। 


আরও খবর



গাংনী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন প্রার্থীদের নেই কোন প্রচার প্রচারনা

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯২জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃজাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গাংনীর রাজনীতি একরকম ঝিমিয়ে পড়েছে। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের বা প্রার্থীদের প্রচার প্রচারনা একেবারই নেই। প্রতীক না থাকার বিষয়টি ঘোষিত হবার পর আওয়ামীলীগের কোন নেতাকে প্রার্থী হিসেবে প্রচার প্রচারনা করতে দেখা যায়নি। অন্যান্য দলগুলো কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি তাদের প্রার্থী দিবেন না বলে সিদ্ধান্ত জানান।

উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের মেয়াদ রয়েছে আর মাত্র কয়েক মাস। ইতোপূর্বে নির্বাচনের অনেক আগ থেকেই দলীয় নেতা কর্মীদের মাঝে সাজ সাজ রব লক্ষ্য করা গেলেও এবার তেমনটি লক্ষণীয় নয়।

শহর কিংবা হাট বাজারেও কোন প্রচার প্রচারণা নেই। আওয়ামীলীগের কেন্দ্র থেকে দলীয় প্রতীক না থাকার বিষয়টি ঘোষণার পর নেতা কর্মীদের মাঝে নেই নির্বাচনী ইমেজ।এদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোন নির্বাচনে অংশ নিবে না।বেশ কয়েকজন আওয়ামীলীগ নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনে প্রতীক না

থাকলে তারা তাদের পছন্দ মতো প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন। দলের বেঁধে দেয়া প্রার্থী অনেকেরই পছন্দ হয় না। তখন ইচ্ছের বিরুদ্ধে ভোট দিতে হয়। অনেক সময় পরাজিত হতে হয় তাদের। তার পরও বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। এরা হচ্ছেন- মেহেরপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ খালেক, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট একেএম

শফিকুল আলম, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকে রাশেদুল হক জুয়েল, গাংনী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মকলেচুর রহমান মুকুল, সাবেক জেলা পরিষদের সদস্য মজিরুল ইসলাম, যুবলীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন, নারী নেত্রী নুরজাহান বেগম ও সাবেক এমপি পতœী লাইলা আরজুমান বানু শিলা। এ ছাড়াও কয়েকজন ইউপি

চেয়ারম্যানের নাম শোনা যাচ্ছে। বিশেষ করে কাথুলূ ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রানা ও বর্তমান এমপির একান্ত কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত মটমুড়া ইউপি চেয়ারম্যাস সোহেল আহম্মেদ। তবে প্রাথীদের অনেকেই বলেছেন, দলের নেতাকর্মীরা চাইলে তারা নির্বাচনে অংশ নেবেন। এ ছাড়াও গাংনী উপজেলা জাকের পার্টির যুগ্ম সম্পাদক সাহান কিবরিয়া নির্বাচনে লড়বেন বলে জানিয়েছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থীদের চেয়ে অনেকটা প্রকাশ্যে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীগন। আওয়ামীলীগের কয়েকজন নেতা তাদের প্রার্থীতা ঘোষণা করে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন। এরা হচ্ছে- গাংনী উপজেলা স্বেচ্ছা সেবক লীগের সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন মিঠু, রাব্বি আহমেদ, ঠিকাদার ফারুক আহম্মেদ ও যুবলীগ নেতা আল ফারুক। এরা শহর ও গ্রামগঞ্জে জোরে শোরে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীন, নাসিমা ও আল্পনা খাতুনের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা সকলের কাছে পরিচিত হলেও অন্য দুই প্রার্থী সকলেরই অচেনা। গ্রাম গঞ্জে ফারহানা ইয়াসমীন প্রচারণা চালালেও অন্যরা দলের ডাক সাইটে নেতাদের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় রয়েছেন।

নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়টি জাতীয় পার্টি কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি ঘোষিত হবে বলে জানিয়েছেন মেহেরপুর জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি (দায়িত্ব প্রাপ্ত) কেতাব আলী। অন্যদিকে মেহেরপুর জেলায় নির্বাচনে কোন প্রার্থী দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড আব্দুল মাবুদ।


আরও খবর

মির্জা আব্বাস কারামুক্ত হলেন

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মাদক ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে তথ্য দেয়ায় যশোরে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২৮জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:মাদক ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে তথ্য দেয়ায় যশোরে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে সোলায়মান হোসেন (৩৫) নামে এক ট্রাভেলস কর্মী খুন এবং জসিম সিদকার নামে আরেকজন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের টিবি ক্লিনিক মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।

আহত জসিম সিকদার পুলিশকে তথ্য দিয়ে একই এলাকায় শহিদুল ও শাহিন নামে দুই মাদক কারবারিকে ধরিয়ে দেয়ার ঘটনায় তার উপর হামলা চালায় ওই দুর্বৃত্তরা। নিহত সোলায়মান হোসেন টিবি ক্লিনিক মোড়ের আব্দুল হকের ছেলে এবং আহত জসিম সিকদার একই এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে।

সোলায়মান জেস টুরস এন্ড ট্রাভেলসে ম্যানেজার পদে চাকরি করতেন। নিহতের ভগ্নিপতি এবং আহত জসিম সিকদারের ভাই আলমগীর হোসেন আলম জানিয়েছেন, টিবি ক্লিনিক এলাকায় নৈশ প্রহরী পদে চাকরি করেন তার ভাই জসিম সিকদার। একই এলাকার আরাফাত, সিরাজুল, শরীফ, সুজন, মেহেদী, শহিদুল ও শাহিন দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, ফেরসিডিলসহ নানা ধরণের মাদকের কারবার করে এবং সেবন করে আসছে।নৈশ প্রহরী জসিম সিকদার তাদের মাদক সেবন ও বিক্রিতে নিষেধ করে। এতে তারা জসিমের উপর ক্ষীপ্ত হয়।

গত মঙ্গলবার কোতোয়ালি থানার এএসআই টমাস মণ্ডলের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে শহিদুল ইসলাম ও শাহিনকে আটক করে। এসময় তাদের কাছ থেকে সাড়ে ৪শ’পিস ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। কিন্তু অদৃশ্য কারণে ১৩০ পিস ইয়াবা দিয়ে ওই দুইজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করে পুলিশ। বাকি ইয়াবা বিক্রি করে জসিম সিকদারকে ২০ হাজার টাকা সোর্স মানি পেয়েছে। কিন্তু শহিদুল ও জসিমকে কেন পুলিশে ধরিয়ে দেয়া হয়েছে এবং তাদের সাড়ে ৪শ’ পিস ইয়াবার টাকা ফেরৎ দাবি করে। এসময় জসিম সিকদারের কাছে থাকা সোর্স মানির ২০ হাজার টাকা তারা নিয়ে নেয়। এরপরও বাকি ইয়াবার টাকার জন্য জসিমকে তারা খুন করতে বার্মিজ চাকু দিয়ে আঘাত করে। এরই মধ্যে সেখানে উপস্থিত থাকা সোলায়মান হোসেন ঠেকাতে গেলে তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ওই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। সোলায়মান হোসেন ও জসিম সিকদারকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক আসিফ মোহাম্মদ আলী হাসান তাকে মৃত ঘোষণা করে।

নিহতের স্ত্রী আসমা খাতুন বলেছেন, তার স্বামী জেএস টুরস এন্ড ট্রাভেলসে চাকরি করতেন। এলাকার এলাকার আরাফাত, সিরাজুল, শরীফ, সুজন, মেহেদী, শহিদুল ও শাহিন দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, ফেরসিডিলসহ নানা ধরণের মাদকের কারবার করে এবং সেবন করে আসছে। আর এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার শহিদুল ও শাহিন ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে আটক হয়েছে। আটক দুইজনের সহযোগি আরাফাত, সিরাজুল, শরীফ, সুজন, মেহেদী গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে টিবি ক্লিনিকের মোড়ে আসে। এসময় কেন পুলিশকে তথ্য দিয়ে শহিদুল ও শাহিনকে আটক করানো হয়েছে জানতে চায় জসিম সিকদারের কাছে। তবে জসিমের কাছে থাকা ২০ হাজার টাকা এরই মধ্যে ওই দুর্বৃত্তরা নিয়ে নেয়। সাথে সাথে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, আহত জসিম সিকদার পুলিশের সোর্সের কাজ করে বলে এলাকায় প্রচার রয়েছে। কারণে অকারণে পুলিশ দিয়ে মানুষকে হয়রানির করার কারণে তার বিরুদ্ধে অনেকেই ক্ষীপ্ত হয়ে ওঠে। আর তাই গত মঙ্গলবার শহিদুল ও শাহিনকে আটকের বিষয়টিও জসিমকে সন্দেহ করা হয়েছে।

এই খবর পেয়ে হাসপাতালে হাজির হন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক-সার্কেল জুয়েল ইমরান, কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক সহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তারা। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক আসিফ মোহাম্মদ আলী হাসান বলেছেন, অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণের কারণে সোলায়মানের মৃত্যু হয়েছে। নিহত সোলায়মানের লাশ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।

এই ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, সোলায়মান হোসেন নিহতের ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবার এখনও থানায় কোন অভিযোগ দেয়নি। পাশাপাশি খুনিদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান বলেছেন, ঘটনার পরই হাসপাতাল এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পাশাপাশি এই ঘটনায় জড়িতদের প্রাথমিকভাবে নাম-ঠিকানা পাওয়া গেছে। তাদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর