Logo
আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড়ের পূর্বাভাস

প্রকাশিত:শনিবার ০১ এপ্রিল ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৮৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় শুক্রবার দিবাগত রাতে সেহরির পরপরই বজ্রসহ বৃষ্টি হয়েছে। এদিকে আবহাওয়া অফিস দেশের সকল বিভাগের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে।

আজ শনিবার বিকেল পর্যন্ত যেকোনো সময় কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে তারা। এসময় বাতাসের গতিবেগ উঠে যেতে পারে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গার ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বা আরও অধিক বেগে কালবৈশাখী ঝড়ো হাওয়া ও বিজলি চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।

অন্য এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- রাজশাহী, রংপুর, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে টাঙ্গাইলে ৬৩ মিলিমিটার। ঢাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ২৮ মিলিমিটার। আগামী দুদিনে তাপমাত্রা বাড়তে পারে এবং এ সময়ের শেষের দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। বর্ধিত পাঁচদিনে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।


আরও খবর



মুজিব শতবর্ষ জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিব শতবর্ষ জাদুঘর ও আর্কাইভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে তিনি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ফলক উন্মোচন করেন।

মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে ৪ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি মুজিব শতবর্ষ জাদুঘর ও আর্কাইভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে মহাপরিচালক প্রফেসর ড. হাকিম আরিফ।


আরও খবর



সৈয়দপুরে নামাজে সিজদারত অবস্থায় মুসল্লীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৭জন দেখেছেন

Image
সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নামাজ পড়ার সময় মসজিদে সিজদারত অবস্থায় এক মুসল্লীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) শহরের ১৩ নং ওয়ার্ডের আল ফারুক একাডেমি সংলগ্ন বাঁশবাড়ী জামে রিজভীয়া মসজিদে ফজরের নামাজের সময় এই ঘটনা ঘটেছে। 

মৃত ব্যক্তির নাম ভোলা কোরাইশী।  মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর। তিনি বাঁশবাড়ী পুরাতন কিলখানা মহল্লার বাসিন্দা মৃত খয়রাতী কোরাইশীর তৃতীয় ছেলে। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তিনি পেশায় একজন গোশত ব্যবসায়ী (কসাই) ছিলেন। শহরের রেলওয়ে কারখানা গেট বাজারে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। 
জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার ভোরে বাঁশবাড়ী জামে রিজভীয়া মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করতে যান তিনি । সেখানে সুন্নত নামাজ পড়ার সময় সিজদারত অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। ফরজ নামাজ শুরুর সময় অন্যান্য মুসল্লীরা ডাকাডাকি করেও তার সাড়া না পাওয়ায় বুঝতে পারেন তিনি মারা গেছেন। পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন গিয়ে লাশ বাড়িতে নিয়ে আসেন। 

মরহুমের ছোট ভাই সৈয়দপুর গোশত ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নাদিম কোরাইশী (ছটু) জানান, বড় ভাই ভোলা কোরাইশী অত্যন্ত সহজ সরল জীবন যাপন করতেন। নিয়মিত নামাজ আদায় করতেন। সারা বচ্ছরই সপ্তাহে ৩ দিন নফল রোজা পালন করতেন। সম্প্রতি তিনি নামাজের পর প্রতিদিন মুয়াজ্জিন সাহেবের কাছে সহীহ পদ্ধতিতে কোরআন শরিফ পড়া শিখতেন। 

সৈয়দপুর উপজেলা গোশত ব্যবসায়ী সমিতি গভীর শোক প্রকাশ করে মরহুমের সম্মানে দিনভর তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছেন। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ জন প্রতিনিধি, বিশিষ্টজন, ব্যবসায়ীগণ গভীর শোক এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

আরও খবর



গাংনীতে আইএফআইসি ব্যাংকের প্রতিবেশী উৎসব

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১৩জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ,মেহেরপুর প্রতিনিধিঃআইএফআইসি ব্যাংক মেহেরপুরের গাংনী উপ-শাখায় প্রতিবেশী উৎসব পালিত হয়েছে। উৎসবে ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাকান পিঠা, পুলি পিঠা, পাটিসাপটা পিঠা, জামাই পিঠা, মুড়ির মোয়া ও খোরমার আয়োজন করা হয়।

গাংনী উপাশাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাজমুস সাকিব সোহাগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী ছিলেন মেহেরপুর ব্রাঞ্চের ম্যানেজার মো: সাদেকুল্লা। বিশেষ অতিথী ছিলেন, গাংনী প্রেসক্লাবের সভাপতি তৌহিদ উদ দৌলা রেজা, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলম, গাংনী মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মোঃ মহিবুর রহমান ও রায়পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান।প্রধান অতিথী বলেন, আইএফআইসি গাংনী উপ শাখার বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট হলো সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের।পরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথীদেরকে পিঠা দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।


আরও খবর



আল্লারদর্গা বাজারের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হিসনানদী দূষণ মুক্ত ও সংস্কার প্রসংগে আলোচনা সভা

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১১৮জন দেখেছেন

Image

খন্দকার জালাল উদ্দিন দৌলতপুর,কুষ্টিয়া:কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত আল্লারদর্গা বাজারের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হিসনা নদী দূষণ মুক্ত ও সংস্কার শীর্ষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১১ টায় আল্লারদর্গা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক মাসিক সভায় এই আলোচনা সভা করা হয়।

প্রেসক্লাবে সভাপতি খন্দকার জালাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুল আনামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবে সদস্য ও সাপ্তাহিক দৌলতপুর বার্তার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সেলিম রেজা বাচ্চু,দৈনিক অগ্নিশিখা দৌলতপুর প্রতিনিধি নাজমুস সাদাত খান,প্রেসক্লাবে কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক আজকের সুত্রপাত এর প্রতিনিধি আশিক ইসলাম, দৈনিক বিশ্ব মানচিত্র এর প্রতিনিধি মিলন আলী,জহুরুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক গণকণ্ঠ উপজেলা প্রতিনিধি সম্রাট আলী,ভয়েজ অফ নিউজ এর প্রতিনিধি জোহন মন্ডল।

বক্তারা বলেন,আল্লারদর্গা বাজারের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হিসনা নদী দূষণমুক্ত ও সংস্কার প্রসঙ্গে আজকের আলোচনা, মহিষকুন্ডি বাঁধের বাজার এলাকা থেকে পদ্মা নদীর একটি শাখা শুরু হয়ে প্রাগপুর,রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কিছু অংশ মথুরাপুর- হোগলবাড়িয়া ইউনিয়ন ও পিয়ারপুর ইউনিয়নের আল্লারদর্গা বাজারের পাশ দিয়ে ভেড়ামারা উপজেলার মধ্য দিয়ে মিরপুর উপজেলায় গিয়ে শেষ হয়। প্রায় ১০০ কিলোমিটার লম্বা ও প্রায় ৫০০ ফিট প্রশস্ত হিসনা নদী। এই নদী প্রায় বে-দখল হতে চলেছে, ভূমিদস্যদের দখলে এবং কিছু অংশ বিভিন্ন বাজারের বর্জ ফেলার জায়গা হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।

”হিসনা ওই নামে আর ডাকিস না, নিচে মল উপরে পানা জীব জানোয়ার নামতে মানা” রশিকতা করে এক গ্রামের কবি কথাটি লিখেছিলেন। এলাকাবাসীর জন্য নদীটি খুবই প্রয়োজন, একসময় বড় বড় ট্রলার চলতো এই নদীটির উপর দিয়ে, এটি ভারতের কলকাতা পর্যন্ত মাল পরিবহনের জন্য ব্যবহার হতো। ভূরকাপাড়া সুইজ গেট থেকে একটি পদ্মা নদীর শাখা সোনাইকুন্ডির নীচ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে হিসনার সাথে মিশে হিসনাকে আরো রূপসী করে তুলেছিল, এ শাখাটিও বে-দখল।

সোনাইকুন্ডী ইংরেজদের কুঠিবাড়ি এই কারণেই তৈরি হয়েছিল, যাতায়াতের সুবিধার্থে। আজ যে আল্লারদর্গা বাজার আমরা পেয়েছি, তা এ নদীর কারণেই গড়ে উঠেছে।আল্লারদর্গা নাম করণের একটি ইতিহাস রয়েছে। ভারতের ফারাক্কার প্রভাব ও বিভিন্ন স্থানে বাঁধ দিয়ে নদীটিকে হত্যা করা হয়েছে। একদিন হয়তো হিসনা নদী মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে, আজ নদীটি খালে পরিণত হয়েছে। ২০১৫-১৬ সালের দিকে এমপি রেজাউল হক চৌধুরীর উদ্যোগে চামনা গ্রামের শ্মশানের পাশ দিয়ে প্রবাহিত নদীটির কিছু অংশ খনন কাজ করা হয়।

পরবর্তীতে ২০২০-২১ সালে এমপি আ.কা.ম সারোয়ার জাহান বাদশা একটি বাজেট এই নদী খননের জন্য বরাদ্দ পান, প্রায় ৬ কোটি টাকার খনন কাজ ছিল। এই খনন কাজ বাঁধের বাজার থেকে মথুরাপুর পর্যন্ত কোন রকম এসেছে, তেমন গভীর হয়নি। এলাকার সচেতন মহলের ধারণা প্রথমে সি.এস ও এস.এ. ম্যাপ পর্যালোচনা করে জরিফের মাধ্যমে নদীর জমি উদ্ধার করা হোক।

পরিবেশকে সুন্দর রাখার জন্য এই নদীটি প্রয়োজন, এলাকাবাসীর কৃষি কাজের জন্য যেমন উপকারী হবে, নদী পথে চলাচলের জন্য সুবিধা হবে। সচেতন মহলের ধারণা এই নদীর দু’পাশ দিয়ে রাস্তা তৈরি করে দেয়া যায় এবং বনজ ও ফলদ গাছের চারা রোপন করা যায়, তবে আরও সুন্দর পরিবেশের সৃষ্টি হবে, বিনোদনের একটি পরিবেশ তৈরী হবে।

হিসনাা নদীর বেশ কয়েকটি উপ-শাখা ইতিপূর্বে লক্ষ্য করা গেছে, যেমন কুমার নদ” হিসনা নদী থেকে উৎপন্ন এই কুমার নদ সাবেক এমপি আফাজ উদ্দীন সাহেবের বাড়ির সামনে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে, প্রায় মিরপুর উপজেলা পর্যন্ত। এছাড়া পদ্মা নদী থেকে সৃষ্টি আর একটা নদী হাইলি নদী বা মাথাভাঙ্গা নদী চুয়াডাঙ্গার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভারতে পৌঁছেছে। পদ্মা নদীর উপনদী ভেড়ামারা নিচ দিয়ে ভেড়ামারা ডিগ্রী কলেজের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে, তাও প্রায় বিলুপ্ত।

হিসনা নদী ভেড়ামারা শাখার চাঁদগ্রাম নামক স্থানে জনৈক সাবেক এমপি ১০০ বছরের জন্য লিজ নিয়ে, সেটি চাষাবাদ এর জন্য বিভিন্ন জায়গায় টাকার বিনিময়ে ইজারা দিয়েছেন।

হিসনা নদীর জমি উদ্ধার করে খনন কাজ করলে মানুষ খুবই উপকৃত হবে, জনস্বার্থে বিষয়টি আমাদের কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর)এমপি মহোদয়ের দৃষ্টি আর্কষণ করে তার কাছে এলাকাবাসীর বিনীত আবেদন, বিষয়টি সংসদে উপস্থাপন করে এর পুন: খননের ব্যবস্থা করা হোক। পাশাপাশি বাজারের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হিসনা নদী দূষণ মুক্ত, সংস্কার ও দখল মুক্ত করা দাবি উঠেছে এবং এই নদী কে পুনরায় খনন করে প্রাকৃতিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার দাবি জানান এলাকাবাসী।


আরও খবর



অবশেষে বিনোদগঞ্জ পৌরসভা অনুমোদনের প্রস্তাব

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৬০জন দেখেছেন

Image

বজলু, পাইকগাছা(খুলনা):অবশেষে ঐতিহাসিক জনপদ বিনোদগঞ্জ (কপিলমুনি) পৌরসভা প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে পাঠানো প্রস্তাবে বিনোদগঞ্জ ছাড়া অন্য চারটি পৌরসভা হচ্ছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা পৌরসভা, পাবনার সাথিয়া উপজেলাধীন কাশিনাথপুর পৌরসভা, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলাধীন সাদুল্লাপুর পৌরসভা এবং কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার অন্তর্গত রৌমারী পৌরসভা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন সরকারের প্রথম নিকার সভায় এ সংক্রান্ত প্রাস্তাবটি অনুমোদন হবে। সভার তারিখ নির্ধারণ করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আগামী মাসে এই সভা হতে পারে। নতুন বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, থানা গঠন বা স্থাপনের প্রস্তাব এবং সম্প্রসারণ বা পুনর্গঠনের জন্য সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটিতে (নিকার) অনুমোদন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ওই সভা অনুষ্ঠিত হবে।

পৌরসভা বাস্তবায়ন আন্দোলনের অন্যতম উদ্যোক্তা সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী এস এম মুস্তাফিজুর রহমান পারভেজ জানান, শতবর্ষ আগে বিংশ শতকের গোড়ার দিকে খুলনা জেলার কপিলমুনির বরেণ্য ব্যবসায়ী রায় সাহবে বিনোদ বিহারী সাধু কপিলমুনিবাসীর সকল নাগরকি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে তুলেছিলেন প্রয়োজনীয় সকল সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। তার প্রচেষ্টাতেই কপিলমুনি হয়ে ওঠে এই অঞ্চলের অন্যতম ব্যবসা কেন্দ্র। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, বাণিজ্য ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মান করে তিনি হয়ে ওঠেন আধুনিক কপিলমুনির রূপকার। এই কপিলমুনি রয়েছে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার সশস্ত্র যুদ্ধে জয় এবং গণআদালতের রায়ের মাধ্যমে দেড় শতাধিক যুদ্ধপরাধীর শাস্তি কার্যকর করা ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস। আধুনিক কপিলমুনির স্বপ্নদ্রষ্টা রায় সাহেবের জীবণাবসানের পর নানান বাস্তবতায় তার উদ্যোগগুলো মুখ থুবড়ে পড়লেও বর্তমান সরকারের স্বদিচ্ছায় বিনোদগঞ্জ পৌরসভা গঠনের সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে ।


আরও খবর