Logo
আজঃ শুক্রবার ১৯ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

ঢাকার বাতাস ফের অস্বাস্থ্যকর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ এপ্রিল 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ এপ্রিল ২০২৪ | ১২২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানী ঢাকা দীর্ঘদিন ধরেই বায়ুদূষণের কবলে রয়েছে। মাঝে মাঝে বৃষ্টি হলে বাতাসের কিছুটা উন্নতি হয়। কিন্তু শহরটিতে বৃষ্টি বিদায় নিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এতে ঢাকার বাতাস আবারও অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, ১৫২ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ৮ নম্বরে উঠে এসেছে মেগাসিটি ঢাকা, যা অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত।

তবে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ২৪৫ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর শহর। এছাড়া দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভারতের শহর দিল্লির স্কোর ১৯৫। আর ১৮৮ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই শহর, ১৬৯ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার স্কোর ১৬৮।

একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়; আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে অস্বাস্থ্যকর বায়ু বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

এছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।


আরও খবর



ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে জয়পুরহাটে পথ শিশুদের নিয়ে মেহেদী উৎসব

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৭জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে জয়পুরহাটে পথ শিশুদের নিয়ে শুরু হয়েছে মেহেদী উৎসব।জয়পুরহাটের স্টেশন রোডে নারী উদ্যোক্তা শান্তনা পারভীনের উদ্যোগে পথ শিশুদের কে ঈদের আনন্দে শরীক করতে এই আয়োজনে বেশ সাড়া পড়েছে। ঈদ মানে আনন্দ ঈদ মানে খুশি। সেই খুশি পথ শিশুদের মাঝে ভাগাভাগি করতেই এমন উদ্যোগ বলছেন শান্তনা। তার এই  ক্ষুদ্র উদ্যোগ নিঃসন্দেহে মহৎ বলেই স্বীকার করছেন স্থানীয়রা। উৎসাহ পেলে আরো  বড় পরিসরে আয়োজন করতে চান শান্তনা। প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন শিশু ও নারীরা মেহেদী রাঙাতে অংশ নিচ্ছেন।

আরও খবর



দিনাজপুর গোর-এ শহীদ বড়ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ ঈদুল ফিতরের নামাজ সকাল ৯টায়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৫জন দেখেছেন

Image

রিয়াজুল ইসলাম,দিনাজপুর প্রতিনিধি:আধুনিক স্থাপত্যশৈলী ও সোন্দর্যমন্ডিত এবং কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ দিনাজপুর গোর-এ শহীদ ময়দানে ঈদের দিন সকাল ৯টায় ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এবারও দুরদুরান্তের মুসুল্লিদের সুবিধার্থে চলবে দুটি বিশেষ ট্রেন সার্ভিস। এটিই দেশের সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

দেশের সবচেয়ে বড় এই ঈদের জামাতে ইমামতি করবেন দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতাল জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শামসুল হক কাসেমী। প্রবেশের জন্য মাঠের চারপাশে থাকছে ১৯টি তোরণ। মুসল্লিদের জন্য মাঠে ওজুখানা ও ভ্রাম্যমাণ টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। ঈদের নামাজে আসা মুসল্লিদের জন্য তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে জেলা প্রশাসন। থাকছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যবেক্ষণ টাওয়ার।সিসিটিভি স্থাপনের পাশাপাশি থাকছে গোয়েন্দা নজরদারি। ঈদগাহের চারপাশে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশির ব্যবস্থা থাকবে। পুলিশের ড্রোন দিয়ে সাড়া মাঠ পর্যবেক্ষনে রাখা হবে। মাঠের আশপাশে সক্রিয় থাকবেন সাদা পোশাকে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, আনসার সদস্যসহ অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। ট্রাফিক ব্যবস্থা থাকবে শহরজুড়ে।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় দিনাজপুর ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দান পরিদর্শন শেষে ঈদের জামাতের নিরাপত্তার বিষয়ে প্রেসব্রিফিং করবেন রংপুর বিভাগের র‌্যাব-১৩ প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্ণেল আরাফাত। রেলওয়ে সুত্র জানায়,দুরদুরান্তের মুসুল্লিদের সুবিধার্থে একটি ট্রেন ঠাকুরগাঁওয়ে ঈদেরদিন ট্রেনটি ভোর ৫টায় ছেড়ে ঠাকুরগাঁওয়ের শিবগঞ্জ, পীরগঞ্জ, দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ, মঙ্গলপুর ও কাঞ্চন ট্রেন স্টেশনে যাত্রা বিরতী দিয়ে সকাল সোয়া ৭টায় দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশনে আসবে। অপরদিকে আরেকটি পার্বতীপুরে সকাল ৬টায় ট্রেনটি ছেড়ে মন্মথপুর, চিরিরবন্দর, কাউগাঁওয়ে যাত্রাবিরতী দিয়ে সকাল পৌনে ৭টায় দিনাজপুর স্টেশনে এসে থামবে। ঈদের নামাজের পর সোয়া ৯টায় পার্বতীপুরমুখী ও সাড়ে ৯টায় ঠাকুরগাঁও মুখী ট্রেন দুটি দিনাজপুর রেল স্টেশন ত্যাগ করবে।

উপমহাদেশের সবচেয়ে বড়মিনার ও দেশের সবচেয়ে বড় ঈদগাহ মাঠের উপদেষ্টা জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম বলেন, আশা করি পবিত্র ঈদুল ফিতরে এই মাঠে এক সঙ্গে ৬ লক্ষাধিক মানুষ নামাজ আদায় করবে। বিশাল এই জামাতে দিনাজপুর ছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মুসল্লিরা যেন নামাজে অংশ নিতে পারেন এ জন্য প্রচার প্রচারণা ও নিরাপত্তার বিষয়ে বরাবরের মতোই জোর দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, দিনাজপুর গোর-এ শহীদ বড় ময়দান প্রায় ২২ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এ মাঠে আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে বৃহৎ ঈদ জামাতের লক্ষ্যে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে আয়োজকরা।

ঐতিহাসিক দিনাজপুরের গোর-এ শহীদ বড় ময়দানের পশ্চিম প্রান্তে ২০১৫সালে এ ঈদগাহের নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রায় দেড় বছর পর এটি নামাজের জন্য পুরো প্রস্তুত হয়। ঈদগাহে রয়েছে ৫২টি গম্বুজের দুইধারে ৬০ফুট করে দুটি মিনার, মাঝে দুটি মিনার ৫০ফুট এবং প্রধান মিনারের উচ্চতা ৫৫ফুট। এসব মিনার আর গম্বুজের প্রস্থ ৫১৬ফুট। প্রত্যেকটি গম্বুজে রয়েছে বৈদ্যুতিক বাতি সংযোগ। মিনার দুটির উচ্চতা ৫০ফুট, যে মেহরাবে খতিব বয়ান করবেন সেটির উচ্চতা ৫০ফুট। ৫২টি গম্বুজ ২০ফুট উচ্চতায় স্থাপন করা হয়েছে। গেট দুটির উচ্চতা ৩০ফুট।


আরও খবর



মাগুরায় কমরেড খালেকুজ্জামানের মতবিনিময় সভা

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৩৯জন দেখেছেন

Image
সাইদুর রহমান,মাগুরা স্টাফ রিপোর্টার:বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এর কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা, প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড খালেকুজ্জামান মাগুরায় বাম প্রগতিশীল নেতা কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

রবিবার বিকেলে কিছু সময়ের জন্য মাগুরায় আসলে এই স্বল্প সময়ের  একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় মাগুরা রেডিয়েন্ট স্কুলে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মাগুরা জেলা জাসদের সভাপতি এটিএম মহব্বত আলী,  ওয়ার্কাস পার্টির কাজী ফিরোজ নারী নেনেত্রী সম্পা বসুসহ বাম প্রগতিশীল নেতৃবৃন্দ, সম্মানিত  শিক্ষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, আদিবাসী নেতৃবৃন্দ।

কমরেড খালেকুজ্জামানের সাথে এসেছিলেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড ওসমান আলী, বাসদ কেন্দ্রীয় পাঠচক্র ফোরামের সদস্য কমরেড মোসায়েদ ঢালি, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কমরেড মাহমুদা হোসেন, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সদস্য কমরেড খাদিজা।

আরও খবর



দেশে গ্লোবাল কাস্টমার কেয়ার চালু করল হায়ার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৩১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশে “হায়ার গ্রুপ গ্লোবাল লিডিং ডিজিটাল সার্ভিস সিস্টেম গ্লোবাল কাস্টমার কেয়ার (জিসিসি)” প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে গ্লোবালি সেরা অ্যাপ্লায়েন্স ব্র্যান্ড হায়ার।বুধবার (১৭ এপ্রিল) গুলশান এভিনিউয়ের হায়ার বাংলাদেশ কর্পোরেট অফিসে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই কাস্টমার কেয়ারের উদ্বোধন করা হয়।

জিসিসি হচ্ছে হায়ার গ্রুপের সবচেয়ে উন্নত গ্লোবাল ইন্টেলিজেন্ট ইন্টারেক্টিভ সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম, যা বিশ্বব্যাপী অগ্রণী ডিজিটালাইজড সিস্টেম। জিসিসি চালু হওয়ার পর, হায়ারের গ্রাহকরা ফোন, ইমেল এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মতো একাধিক চ্যানেলের মাধ্যমে সহজেই পরিষেবা পেতে পারেন। হায়ার সার্ভিস টিম অন-সাইট সার্ভিস টেকনিশিয়ানদের জন্য আরও ভালো প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং প্রশিক্ষণ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনেক বেশি দক্ষ এবং প্রতিক্রিয়াশীল পরিষেবা প্রদান করবে, ফলে প্রযুক্তিবিদরা হায়ার গ্রাহকদের আরও দ্রুত ও দক্ষভাবে পেশাগতভাবে পরিষেবা দিতে  সক্ষম হবে। জিসিসি সিস্টেম পুরো পরিষেবা প্রক্রিয়াটিকে আরও স্বচ্ছ এবং দৃশ্যমান করে তুলবে, গ্রাহক অভিযোগের পুরো প্রক্রিয়াটি ট্র্যাক করতে এবং সন্তুষ্টি না হওয়া পর্যন্ত রিয়েল টাইমে আপডেট পেতে পারেন।জিসিসি সিস্টেম চালু করে বিশ্বের অনেক দেশে হায়ার গ্লোবালের সেরা গ্রাহক সমাধান হিসাবে প্রমাণিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হায়ার ইন্ডিয়া, হায়ার পাকিস্তান, হায়ার থাইল্যান্ড এবং আরো অনেক দেশে। সেরা পরিষেবার অভিজ্ঞতা এবং সর্বোত্তম প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার লক্ষ্যে এবার হায়ার বাংলাদেশে জিসিসি চালু করাকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

হায়ার গ্রুপ ওভারসিজ সার্ভিসের জেনারেল ম্যানেজার মিঃ ওয়াং ইয়ান তার বক্তিতায় বলেন, জিসিসি প্রকল্প হায়ারের পরিষেবার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ এবং পুরো পরিষেবা প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ। বিদেশে প্রায় বিশ বছরের উন্নয়ন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর, হায়ার ব্যবহারকারীদের দ্রুত এবং উচ্চ-মানের পরিষেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে ৫০ টিরও বেশি দেশে স্থানীয় বিক্রয়োত্তর পরিষেবা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে। গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য পরিষেবাটি আমাদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টাচপয়েন্ট এবং গ্রাহকদেরও হায়ার-এর যত্নের অভিজ্ঞতা  নেওয়ার একটি সুযোগ৷

হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেডের ডিএমডি মিঃ ওয়াং শিয়াংজিন তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের কোম্পানি কাস্টমার ইজ অলওয়েজ রাইট নীতি মেনে চলে। আমাদের কাছে গ্রাহকের সন্তুষ্টিই প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার এবং আন্তরিক চিরকাল। আমরা ব্যবহারকারীর চাহিদাকে সর্বদা প্রথম অগ্রাধিকার হিসাবে বিবেচনা করি। আমরা ডিজিটালাইজেশন এবং পেশাদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজারে সর্বোত্তম পরিষেবার অভিজ্ঞতা প্রদানের লক্ষ্য রাখছি।হায়ার একটি উদীয়মান বাজার হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটি গত তিন বছরে দ্রুত প্রবৃদ্ধির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।

হায়ার বাংলাদেশ ‘সিনসিয়ার ফরএভার’ কনসেপ্ট নিয়ে কাজ করে এবং ‘কেন্দ্রিয় গ্রাহক অভিজ্ঞতা ও ব্র্যান্ডের সুনাম তৈরি পরিষেবা নীতি মেনে চলে। ডিজিটাল পুনরাবৃত্তি এবং আপগ্রেডিংয়ের মাধ্যমে, প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের দ্রুত, দক্ষ,এবং এককালীন পরিষেবা প্রদানের জন্য একটি পেশাদার, ব্র্যান্ডেড, এবং ভিন্নমাত্রার পরিষেবা ব্যবস্থা তৈরি করেছে।হায়ার বাংলাদেশে বিশাল গ্রাহকশ্রেণির জন্য আরও ভাল পরিষেবা নিশ্চিতের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। ফলে ‘গুড কোয়ালিটি’  এবং ‘গুড সার্ভিস’ হায়ারের একটি সমার্থক শব্দ হয়ে উঠছে।


আরও খবর



আলোচিত কুষ্টিয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের নাম ঘোষনা যেকোন সময় !

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image
কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃকুষ্টিয়া হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আজ শনিবার (৩০ মার্চ ২০২৪) কুষ্টিয়া হাইস্কুলে অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ আছে এই নিয়োগ পরীক্ষায় যাই হোক না কেন শেষ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে একই স্কুলেরই আলোচিত সহকারী শিক্ষিকা সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে বলে বিভিন্ন মহল থেকে শোনা যাচ্ছে।এই সাবিনা ইয়াসমিন কয়েক মাস আগে স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু গোপনে প্রধান শিক্ষক হিসাবে নিয়োগের প্রায় সব প্রক্রিয়া চুড়ান্তের কারনেই তিনি সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। জানা যায়, এর আগে কুষ্টিয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন আলোচিত খলিলুর রহমান। গতবছর ৩০ এপ্রিল ২০২৩ এ অবসরে গেছেন। আলোচিত এই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলের পজিশন জায়গা বিক্রি, স্কুলটি বেপরোয়া মার্কেট তৈরি, স্কুলকে ছোট করে ফেলা ও পুকুর ভরাটসহ দুদকের দুর্নীতি মামলা কাঁধে নিয়ে অবসরে যান। তার অবসরের পর থেকেই প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন সহকারী প্রধান শিক্ষিকা সাবিনা ইয়াসমিন। এখন প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা দিলে কুষ্টিয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আবেদন করেছে মাত্র ৬ জন। এত কম সংখ্যক আবেদন পড়ায় সন্দেহ আরো ঘনীভূত হয়েছে। কুষ্টিয়া হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষকা সাবিনা ইয়াসমিন জেলা প্রতিনিধি’কে বলেন , ৬ জনের আবেদন পাওয়া গেছে। এখন তো প্রশাসনের মাধ্যমে পরীক্ষা। আগে নিয়ম আর নাই এখন নতুন নিয়মে পরীক্ষা হয়। এখনকার যা সিস্টেম তাতে কারোরিই অন্যভাবে প্রধান শিক্ষিকা হওয়ার সুযোগ নাই। সৃষ্টিকর্তা যদি আমার তদবিরে রাখে তাহলে আমার হবে নাইলে যার  তকবিরে থাকবে সে হবে। নতুন যে কারিকুলাম আসছে তাতে ১০ বছর সহকারী শিক্ষক ও ৩ বছর সহকারী প্রধান শিক্ষকের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্টেট সম্পূর্ণ নিয়োগ বোর্ড পরিচালনা করবেন। এখানে অন্য কিছু হওয়ার সুযোগই নেই। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া হাই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জেলা প্রতিনিধি’কে বলেন, আজ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি থাকবে, ডিজির প্রতিনিধি থাকবে, উপজেলা প্রতিনিধি থাকবে, ম্যানেজিং কমিটি থাকবে। প্রতিজনের হাতে মাত্র দুই মার্ক করে থাকবে। লিখিত পরীক্ষা হবে আশি মার্কের। যেসব প্রতিনিধিরা থাকবে সবাই প্রশ্ন করবে তারপর প্রশ্নগুলোর কম্বিনেশন হবে। বিষয়টি আগের মত আর সোজা নেই।বড় নিয়োগের ক্ষেত্রে আলোচনা সমালোচনা থাকবেই । আপনারা সাংবাদিক আছেন ভালো করে দেখে সংবাদ প্রচার করবেন সেই প্রত্যাশা করি 

আরও খবর