Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ঢাকা মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৩ কর্মকর্তা বদলি

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২৬৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন তিনজন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। তারা সবাই সহকারী পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার।

আজ রোববার ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাদের বদলি করা হয়।

বদলি হওয়া তিন কর্মকর্তার নামের তালিকা সংবলিত অফিস আদেশটি নিচে দেওয়া হলো:


আরও খবর



ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ১৯

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ১৯ জনকে গ্রেফতার করেছে ।

রোববার (৭ জুলাই) সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়।

ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারের পাশাপাশি তাদের হেফাজত থেকে ২৮১ পিস ইয়াবা, ৩০ গ্রাম হেরোইন ও ২ কেজি ৫০০ গ্রাম ১৫০ পুরিয়া গাঁজা জব্দ করা হয়েছে।গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৪টি মামলা করা হয়েছে।


আরও খবর



শিকাগোর নাইট ক্লাবে শ্রাবন্তী-স্বস্তিকা-সোহিনীর নাচ, ভিডিও

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

বিনোদন ডেস্ক:৪৪তম নর্থ আমেরিকা বেঙ্গলি কনফারেন্সে যোগ দিতে গিয়েছিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, সোহিনী সরকার ও শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। এর ফাঁকেই যুক্তরাষ্ট্রের ওই শহরটির নাইটক্লাবে চুটিয়ে পার্টি করেছেন তারা। সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল এখন সেই ভিডিও।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, শিকাগোর নাইটক্লাবে চুটিয়ে পার্টি করেছেন স্বস্তিকা, সোহিনী, শ্রাবন্তীরা। সেলফি মুডে ভিডিও নিজদের ভিডিওবন্দি করেছেন শ্রাবন্তী। তার পেছনে দাঁড়িয়েছিলেন স্বস্তিকা। আর স্বস্তিকার পেছনে সোহিনী।

ক্লাবে তখন মায়াবী আলো আধারির খেলা। তাল মিলিয়ে চলছে মিউজিক। টলিপাড়ার তিন কন্যা উপভোগ করছিলেন এই মুহূর্ত। মেতেছিলেন উদ্দাম উন্মাদনায়। এক পর্যায়ে শ্রাবন্তীকে জড়িয়ে ধরে চুমুও খান স্বস্তিকা। মুহূর্তেই ভাইরাল হয়েছে ভিডিওটি।

আমেরিকার শিকাগোতে হয়ে গেল ৪৪তম নর্থ আমেরিকা বেঙ্গলি কনফারেন্স। তিন দিন (৪, ৫ ও ৬ জুলাই) ব্যাপী আয়োজিত এ কনফারেন্সে যোগ দিতে সেখানে গিয়েছিলেন স্বস্তিকারা। তারই এক ফাঁকে নাইট ক্লাবে গিয়েছিলেন সৌন্দর্যের আগুন উসকে দিতে।

কনফারেন্সে যোগ দিতে আরও উপস্থিত ছিলেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অরিন্দম শীল, মমতা শঙ্কর থেকে অনির্বাণ ভট্টাচার্য, ইশা সাহা, অর্জুন চক্রবর্তী, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।


আরও খবর



সৈয়দপুরে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে ভেজাল চিপস

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৩১জন দেখেছেন

Image

জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:সৈয়দপুর শহরের প্রায় ১০/১২ স্পটে প্রায় প্রকাশ্যেই তৈরি হচ্ছে শিশুদের লোভনীয় ভেজাল চিপস।অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কি কি উপাদান দিয়ে এসব চিপস তৈরি করা হচ্ছে তা কেউ জানে না। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তৈরিকৃত চিপসে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক রং মিশার খবর জেনেও কেন নিশ্চুপ তা অনেকের মাঝে প্রস্ন দেখা দিয়েছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আবাসিক এলাকার মধ্যে পরিবেশের কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়াই গড়ে উঠেছে ওইসব চিপস কারখানা। দীর্ঘ দিন ধরে নোংরা পরিবেশে ও ক্ষতি কারক রং মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে চিপস। আটা-ময়দার সঙ্গে অপরিশোধিত লবণ, কাপড়ের রং মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে রিং চিপস। আবার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খোলা মাঠে রোদে শুকিয়ে প্যাকেট জাত করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। আর শিশুরাই ওইসব চিপসের প্রধান ভোক্তা। 

স্থানীয়রা জানান,সৈয়দপুর শহরের ২/৩ টি চিপস কারখানা ছাড়া কোন কারখানায় কখন চিপস তৈরি করা হচ্ছে তা অনেকেই জানতে পারে না। কারণ মাঝ রাতেও কারখানা চলার নজির আছে । প্রশাসনের চোখের সামনেই দিনে ও রাতে চিপস বানিয়ে অন্যত্র বিক্রি করছেন কারখানার মালিকরা।

সৈয়দপুর শহরের সুলতানুল উলুম মাদরাসা সংলগ্ন একটি চিপস  কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, এ কারখানার বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়াই কারখানার খোলা-মাঠে নানা রঙের রিং চিপস রোদে শুকাতে দেওয়া হয়েছে। চারদিক থেকে ধুলাবালি এসে পড়ছে। শ্রমিকেরা পায়ে ঠেলে রিং চিপস রোদে সুকাচ্ছেন। সেখানে দুর্গন্ধযুক্ত পানি ব্যবহার হচ্ছে ওই চিপস তৈরিতে। শুধু তাই নয়, চিপস এর কাঁচামাল তৈরি করার সময় শ্রমিক পোশাক ছাড়াই খালি হাতে তা তৈরি করছেন। চিপস তৈরির মেশিনের নিচেই স্যাঁতস্যাঁতে অবস্থা দেখা গেছে। তার পাশে দুর্গন্ধযুক্ত একটি বালতি ময়দা মাখানো পড়ে আছে। যেখানে আটা মাখানো হচ্ছে তার পাশে পড়ে রয়েছে সিগারেটের ছাই ও প্যাকেট সহ ময়লাযুক্ত স্যান্ডেন।। 

কারখানার এক কর্মচারী জানান, এভাবেই দীর্ঘ ৫-৬ বছর ধরে আমরা চিপস তৈরি করে আসছি। এতে আমাদের কেউ কোন বাধা দেয়নি। তবে বছর খানিক আগে প্রশাসন এসে জড়িমানা করেছিলেন, কিন্তু এরপরেও মালিকের টনক নড়েনি। এছাড়া শহরের বাশবাড়ি টালি মসজিদ সংলগ্ন বাবু, বোতলাগাড়ি ইউনিয়ন যাওয়ার পথে মনছুরের ইটভাটা সংলগ্ন ইসমাইল সহ আরো ক'জন ক্ষতিকারন রং মেশানো চিপস উৎপাদন করে কোটি টাকার মালিক বনেছেন। প্রসাশনের অর্থের দরকার পড়লে বছরে একবার অভিযান চালিয়ে জড়িমানা করলেও একটিরও সিলগালা করেননি।

শহরের বেশ ক'জন ব্যবসায়ী বলেন, ওইসব চিপস কারখানার মালিকদের ২/১ জন ছাড়া অনেকেরই প্রয়োনীয় কোন কাগজ পত্র নাই। তারা মাঝে মধ্যে বিএসটিআই পরিচয় দানকারি কিছু কর্মকর্তাদের সেলামি দিয়ে প্রকাশ্যেই চুটিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। শিশুদের স্বাস্থ্য হানি করে বনে যাচ্ছেন কোটিপতি। 

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ওয়াসিম বারি জয় ও মেডিকেল ডিপার্টমেন্ট থেকে বলা হয়,ওইসব চিপস শিশুদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ এই চিপস খেলে ডাইরিয়া,উচ্চ-রক্তচাপ, স্টোক,আলসারের মত রোগ হতে পারে। শিশুদের ডায়রিয়া হয়ে হতে পারে স্বাস্থ্য হানি। 

শহরের ভেজাল শিশু খাদ্য ও চিপস কারখানায় অভিযান চালিয়ে আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানান এলাকাবাসী।


আরও খবর



নীলফামারী জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন নজরুল ইসলাম মজুমদার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৮জন দেখেছেন

Image

নীলফামারী ,জলঢাকা,  (প্রতিনিধি):আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখায় শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা স্মারক পেয়েছেন, নীলফামারী জেলার জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম মজুমদার। 

সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে  মাসিক কল্যাণ সভায় জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ গোলাম সবুর (পিপিএম) তার হাতে এ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

ওসি  নজরুল ইসলাম মজুমদার  বিভিন্ন কাজের ক্ষেত্রে সফলতার পরিচয় দিয়ে এ সম্মাননা স্মারক পেয়েছেন।

সভায় হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, মাদক উদ্ধার, ওয়ারেন্ট তামিল, সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার, পেশাদার অপরাধী গ্রেপ্তার, চোরাচালান, ভিকটিম উদ্ধার, সম্প্রতি উপজেলা নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ সার্বিক মূল্যায়নে ওসি নজরুল ইসলাম মজুমদার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

সম্মাননা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত  পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। 

ওসি নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, পুরস্কারপ্রাপ্তি কাজের প্রতি অনুপ্রেরণা জোগায়। এই পুরস্কারপ্রাপ্তিতে ভালো কাজের প্রতি আমার দায়িত্ব  অনেকাংশে  বেড়ে গেছে। আমার এই অর্জন শুধু একার নয়, এটা থানার কর্মরত  সকলের অর্জন।

আমি কৃতজ্ঞতা জানায় সর্বপ্রথম এসপি স্যারকে। কারণ স্যারের সঠিক  দিক নির্দেশনা এবং ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাসহ আমার থানার  সকলেই সহযোগিতা পেয়েছি বিধায়, আমার এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। 

জানা যায়,ওসি নজরুল ইসলাম মজুমদার গত মে মাসের ১২ তারিখে জেলার জলঢাকা থানায় যোগদান করেন। স্বল্প সময়ের মধ্যে কর্মদক্ষতা,নিষ্ঠার সাথে পুলিশের এ থানাকে জনগণের সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ  দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ।  বিভিন্ন অপরাধ দমনে কাজ করার স্বীকৃতি স্বরুপ এ সফলতায় তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছে স্হানীয় আওয়ামিলীগ, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনসহ  সর্বস্তরের জনসাধারণ। 


আরও খবর



কালিয়াকৈরে ১৫ কোটি টাকার জমি উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২০জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ভুলোয়া রংপুরেরটেক এলাকায় রোববার দুপুরে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে বনবিভাগ। এ উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে বনবিভাগের প্রায় ১৫ কোটি টাকার জমি উদ্ধার করা হয়।

এলাকাবাসী ও উচ্ছেদ অভিযান সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার ভুলোয়া এলাকায় চন্দ্রা বিট অফিসের আওতায় কতিপয় লোকজন বনবিভাগের প্রায় তিন একর জমি জবর দখল করে। পরে তারা সেখানে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে।স্থানীয় দালাল চক্র ও বনবিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজসে ওই জমি জবর-দখল করা হয়। এর বিনিমময়ে ওই অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দালাল চক্র মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এলে বার বার বনবিভাগের জবর দখল হওয়া জমি ছেড়ে দেওয়ার তাগিদ দেয়। কিন্তু জবর-দখল কারীরা বনবিভাগের দখলকৃত জমি ছেড়ে দিচ্ছিল না। ওমং জমি উদ্ধারে রোববার দুপুরে ওই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে বনবিভাগ। কালিয়াকৈর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল করিমের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রা, মৌচাক, বোয়ালী, রগোনাথপুরসহ বিভিন্ন বিট অফিসের বিট কর্মকর্তা ও ষ্টাফ বৃন্ধ। অভিযান চালিয়ে ওই এলাকার ১৩টি অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে প্রায় ১৫কোটি টাকার মুল্যের বনবিভাগের জমি উদ্ধার করা হয়েছে।

কালিয়াকৈর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল করিম জানান, ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। যার আনুমানিক মুল্য প্রায় কোটি টাকা। এছাড়া অচিরেই অভিযান চালিয়ে পর্যায়ক্রমে পূর্বচান্দরা, মাটিকাটা রেইললাইনসহ আশাপাশে বনবিভাগের জমি জমি উদ্ধার করা হবে। তবে আমাদের এ উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকবে।


আরও খবর