Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
গ্যাস নির্গমনের জন্য কোন বিকল্প ব্যবস্থা বা কোন পাইপ ছিল না

ডগাইড় নতুন পাড়ায় সেপটিক ট্যাঙ্কির গ্যাস বিস্ফোরণ আহত ১

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৮৫জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ডগাইর নতুন পাড়া সাততলা মিনার মসজিদ সংলগ্ন ফজলুল হক চেয়ারম্যান বাড়ির ছয়তলা ভবন টির নিচতলা দক্ষিণ-পূর্ব কর্নারে সৃজন কনস্ট্রাকশন এর নিচে সেপটিক ট্যাঙ্কি বিস্ফোরণে বাবুল নামের একজন আহত হয়েছে। আহত বাবুল পাশের ভবনের নিচতলায় বিসমিল্লাহ ফার্নিচার এর কর্মচারী। 


বিস্ফোরণে সৃজন কনস্ট্রাকশনের মূল্যবান আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জরুরী কাগজপত্র ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সৃজন কনস্ট্রাকশনের ডেকোরেশন এর গ্লাস ভেঙ্গে বাবুলের পায়ে ঢুকে যায়। এতে তিনি আহত হন।


 ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এর সারুলিয়া ডেমরা ইউনিট প্রধান ওসমান গনি জানান, সেপটিক ট্যাংকের গ্যাস নির্গমনের জন্য কোন বিকল্প ব্যবস্থা বা কোন পাইপ ছিল না বিধায় বিস্ফোরণটি ঘটে। পাশের বাড়ির গ্যাস লাইন লিকেজ থাকাতে এতে আগুন ধরে যায়, ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।


 সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা যায় সেপটিক ট্যাঙ্কির কোথাও কোনো রকম গ্যাস বাহির হওয়ার জন্য কোন ব্যবস্থা ছিলনা। এতেই গ্যাসের অতিরিক্ত চাপে বিস্ফোরণটি ঘটে। তবে ভবনের নিচতলার শুধুমাত্র সৃজান কনস্ট্রাকশন ব্যতীত অন্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি ।



আরও খবর



১৩ বছরে বিলুপ্তপ্রায় ১০৬ বনজ ও ২৪০ ঔষধি গাছ সংরক্ষণ

প্রকাশিত:Friday ১০ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৬৯জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা, প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বিজ্ঞানভিত্তিক সমীক্ষার মাধ্যমে এ পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের টানা তিন মেয়াদে বিগত ১৩ বছরে বিলুপ্তপ্রায় ১০৬টি বনজ ও ২৪০টি ঔষধি বৃক্ষ প্রজাতি সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বিগত ১৩ বছরে ৯টি জাতীয় উদ্যান, ১৮টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, ৩টি ইকোপার্ক, ১টি উদ্ভিদ উদ্যান, ২টি মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া এবং ২টি বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকাসহ নতুনভাবে মোট ৩৫টি রক্ষিত এলাকা সৃষ্টি করা হয়েছে। যার ফলে বর্তমানে দেশে রক্ষিত এলাকার সংখ্যা মোট ৫১টিতে দাঁড়িয়েছে। এসময়ে দেশে ৯৫ হাজার ২৬৫ হেক্টর ব্লক, ২৬ হাজার ৪৫৩ সিডলিং কিলোমিটার স্ট্রিপ এবং ৬৮ হাজার ১১৩ হেক্টর ম্যানগ্রোভ বাগান সৃষ্টি করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, শিল্প কারখানায় ইটিপি স্থাপন কার্যক্রমকে জোরদার হয়েছে। আবার জিআইএস প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে ‘ন্যাশনাল ফরেস্ট ইনভেন্টরি’ রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়েছে। পুরো সুন্দরবনে সরকারি অর্থায়নে স্মার্ট (স্পেশিয়াল মনিটরিং অ্যান্ড রিপোর্টিং টোলস) পেট্রোলিং চলমান আছে।

বাঘ-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনে সুন্দরবন সংলগ্ন জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ৪৯টি ‘ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম’ গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মুস্তফা কামাল বলেন, আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় ৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা প্রাপ্তিসাপেক্ষে আরও ১৫ দশমিক ১২ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, দীর্ঘমেয়াদে দেশের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সমন্বিত অভিযোজন কৌশল ও করণীয় নির্ধারণকল্পে ‘জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা’ প্রণয়নের কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং ২০০৯ সালে প্রণীত ‘বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্ম পরিকল্পনা’ হালনাগাদকরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া, শিল্প-কারখানা থেকে শুরু করে দেশে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত সব প্রতিষ্ঠানকে পরিবেশবান্ধব করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, এরই ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যে ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ৮ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার ১০টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ পরিকল্পনার বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ১০টি প্রকল্পের মধ্যে ৪টি বাতিল করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট ৬টিকে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ভিত্তিতে নবায়নযোগ্য অথবা গ্যাস-ভিত্তিক করা হবে। আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আমাদের ৪০ শতাংশ জ্বালানির সংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছি।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশকে জলবায়ুর ঝুঁকি থেকে টেকসই ও জলবায়ু সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে সরকার ‘মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে, যা মূলত জলবায়ু অর্থায়নের জন্য একটি কৌশলগত বিনিয়োগ কাঠামো। এ পরিকল্পনা অনুযায়ী জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা অর্জনের জন্য ২০৩০ সাল নাগাদ ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে এ বিনিয়োগের অর্থায়ন করা হবে।


আরও খবর



শাহজালালে এখন যাত্রী নিজেই ইমিগ্রেশন করতে পারবেন

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ২৪ June ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
Image

অবশেষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ই-পাসপোর্টধারীদের জন্য ই-গেট (স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থা) চালু করা হয়েছে। এখন থেকে নিজেরাই ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারছেন যাত্রীরা।

মঙ্গলবার (৭ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে এই সেবা কার্যক্রম চালু হয়। এর আগে সোমবার (৬ জুন) পরীক্ষামূলকভাবে এই গেট ব্যবহার করা হয়েছিল।

ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সহজ করতে ১১ মাস আট দিন আগে বেশ ঘটা করে শাহজালাল বিমানবন্দরে এই ই-গেট স্থাপনের কাজ উদ্বোধন করা হয়। বিমানবন্দরে আগমনী ও বহির্গমন ইমিগ্রেশনে ই-গেট স্থাপন করেছে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর (ডিআইপি)।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, এই বিমানবন্দরে বহির্গমন এলাকায় ১২টি ও আগমনী এলাকায় দুটি ই-গেট স্থাপন করা হয়েছে। আজ থেকে যাত্রীরা পুরোপুরি ই-গেট ব্যবহার করতে পারছেন। ই-পাসপোর্টধারীরা ভেরিফিকেশন শেষে ই-গেট দিয়ে যেতে পারছেন।

আজ এই কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম এবং ই-পাসপোর্ট ইমিগ্রেশন প্রকল্পের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাদাত হোসাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। তাদের সামনে ই-গেট ব্যবহার করে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করেন যাত্রীরা।

বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা জানান, এর আগে ২০১৯ সালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ই-গেট স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু নানা অব্যবস্থাপনা এবং সমন্বয়হীনতায় দীর্ঘদিন ধরে তা চালু করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেশ কয়েকবার ই-গেট চালুর তাগিদ দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কাজ শুরু করে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং ইমিগ্রেশন পুলিশ।

যেভাবে কাজ করবে ই-গেট

বাংলাদেশ পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তর সূত্র জানায়, যখন ই-পাসপোর্টধারী একজন ব্যক্তি ই-পাসপোর্ট নিয়ে ই-গেটের সামনে যাবেন, তখন একটি নির্দিষ্ট স্থানে ই-পাসপোর্টটি রাখলে সঙ্গে সঙ্গে গেট খুলে যাবে। নির্দিষ্ট নিয়মে গেটের নিচে দাঁড়ানোর পর ক্যামেরা ছবি তুলে নেবে। এরপর সব ঠিকঠাক থাকলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই যাত্রী ইমিগ্রেশন পেরিয়ে যেতে পারবেন। তবে কেউ যদি ভুল করেন তা হলে লালবাতি জ্বলে উঠবে। তখন সেখানে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সঠিকভাবে ই-পাসপোর্ট ব্যবহারে সহযোগিতা করবেন।


আরও খবর



সেবা নিতে আমদানি-রপ্তানি অফিসে যেতে হবে না ব্যবসায়ীদের

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
Image

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তব। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশের অনলাইন শতভাগ সেবা দিচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর।

স্বাধীনতার ৫০ বছরে ৫০ ধরনের সেবা অনলাইনে দিতে নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে সেবা দেওয়ার পরিমাণ ৫২টি। ব্যবসায়ীরা এখন এসব সেবা ঘরে বসে অনলাইনে নিতে পারবেন। এ দপ্তরের কোনো সেবা নেওয়ার জন্য সিসিআইঅ্যান্ডই অফিসে যেতে হবে না। এটা সরকারের জন্য বড় সফলতা। ডিজিটাল বাংলাদেশের ডিজিটাল অনলাইন সেবা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যকে অনেক এগিয়ে নেবে।

সোমবার (৬ জুন) ঢাকায় আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর আয়োজিত ‘স্বাধীনতার ৫০ বছরে ৫০ ধরনের সেবা অনলাইনে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশকে সোনার বাংলা গড়ে তোলার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন। অনলাইনে ব্যবসায়ীদের জন্য সব সেবা নিশ্চিত করে দায়িত্বশীল অবদান রাখতে হবে। আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে সোনার বাংলা গড়তে বেশি সময় প্রয়োজন হবে না।

তিনি বলেন, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য যেকোনো সময়ের চেয়ে গতিশীল হয়েছে। ব্যবসার পরিধি বেড়েছে। আমাদের কাছে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা অনেক। দেশের মানুষ যেকোনো ধরনের হয়রানি ছাড়া সহজেই বাণিজ্য সংক্রান্ত সেবা পেতে চায়। সততা ও দক্ষতা দিয়ে মানুষের সে সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

‘মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে কাজ করতে হবে। চলতি অর্থবছরে ৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, এবার প্রকৃত রপ্তানি ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কম হবে না। আগামী দুই বছর পর বাংলাদেশের রপ্তানি আয় হবে ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।’

ব্যবসায়ীদের জন্য ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করতে সরকারের আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর ২০১৯ সালে ১ জুলাই থেকে অনলাইন সিস্টেম ‘অনলাইন লাইসেন্স মডিউল’ (ওএরএম) এর কার্যক্রম শুরু করে। ব্যবসায়ীদের জন্য সব সেবা (প্রায় ৫২টি) অনলাইনে নিশ্চিত করা হলো। এ সেবা নেওয়ার জন্য তৃতীয় কোনো পক্ষ বা ব্যক্তির সহযোগিতার প্রয়োজন হবে না।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কানিমশ ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মো. মফিজুল ইসলাম, এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আমদানি ও রপ্তানি অফিসের প্রধান নিয়ন্ত্রক শেখ রফিকুল ইসলাম।


আরও খবর



১২ বছর বয়সী বালককে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার গরু!

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
Image

১২ বছরের এক বালককে হত্যার অভিযোগে একটি গরুকে গ্রেফতার করেছে দক্ষিণ সুদানের পুলিশ। সেই সঙ্গে গরুর মালিককেও থানা হেফাজতে নিয়েছে তারা। দেশটির লেকস্ স্টেটের নিকটবর্তী একটি খামারে গত সপ্তাহে ঘটে এ ঘটনা।

জানা গেছে, গরুটি খামারের কাছে হাঁটছিল। পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এটি এক বালককে আক্রমণ করে এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

পুলিশের মুখপাত্র মেজর এলিজা মাবোর বলেছেন, গরুটিকে এখন রুম্বেক সেন্ট্রাল কাউন্টির একটি থানায় আটকে রাখা হয়েছে।

এদিকে, নিহত ছেলেটির মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে একটি ভেড়ার আক্রমণে ৪৫ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যু হয় একই রাজ্যে। তার এক মাস পরেই এমন ঘটনা ঘটলো। পরে সেই ভেড়াটিকেও গ্রেফতার করা হয়। সে সময় পুলিশের মুখপাত্র এলিজা মাবোর ব্যাখ্যা করেন যে, ভেড়াটির মালিক নির্দোষ কিন্তু সেটি অপরাধ করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করা উচিত। পরে সাজা হিসাবে ভেড়াটিকে মিলিটারি ক্যাম্পে তিন বছরের জন্য রাখা হয়।

আইন অনুযায়ী, কোনো পশুর আক্রমণে কেউ মারা গেলে, তার বিরুদ্ধে সাজার নির্দেশ দেওয়া হয়। সাজা খাটার নির্ধারিত সময় পার হলে সেই পশুটিকে ক্ষতিপূরণ হিসাবে নিহতের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট, এনডিটিভি


আরও খবর



সীতাকুণ্ডের অগ্নিকাণ্ডে মালিকসহ দায়ীদের গ্রেফতারের দাবি

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

সীতাকুণ্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মালিকসহ দায়ীদের দ্রুত গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)।

রোববার (১২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল থেকে এ দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, এটি খুব সুস্পষ্টভাবে প্রতিয়মান যে, সরকার কর্মক্ষেত্র নিরাপদ করতে যথেষ্ট আন্তরিক নয়। বিভিন্ন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং রাষ্ট্রের কর্মকর্তারা মুনাফা আর উপরি আয়ের ধান্দায় জীবিকার তাগিদে আসা শ্রমিকদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে এতটুকু দ্বিধাবোধ করছে না। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বেতন পাওয়া সরকারি কর্মকর্তাদের ন্যূনতম দায়িত্ববোধ আর জবাবদিহিতা থাকলে এভাবে নির্মম মৃত্যুর মিছিল অব্যাহত থাকতো না।

তারা বলেন, ১৯৯০ সালের সারাকা গার্মেন্টেসে অগ্নিকাণ্ডে ৩২ জন শ্রমিক নিহত হওয়ার মধ্যে দিয়ে কর্মক্ষেত্রে মৃত্যুর মিছিল শুরু হয়। এরপর আড়াই শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। প্রতিটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু কোনো তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি ও দায়ীদের চিহ্নিত বা শাস্তি দেওয়া হয়নি।

বক্তারা আরও বলেন, অনুমোদন ছাড়া কেমিক্যাল সংরক্ষণ ও তথ্য গোপনকারী সেই মালিককে এখনো গ্রেফতার করা হয়নি। আটজন কর্মচারীর নামে মামলা করা হয়েছে। নিয়মিত পরিদর্শন করে কর্মক্ষেত্রকে নিরাপদ করা যাদের দায়িত্ব ছিল, তাদের দিয়েই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দায়ীদের তদন্ত কমিটি কাদের দায় চিহ্নিত করবেন? প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও অনিয়ম অব্যাহত রাখার জন্যই তদন্ত নামে পুরোনো খেলা শুরু হয়েছে।

এসময় তারা নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে আইএলও কনভেনশন ১২১ অনুসারে আজীবন আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের বিনামূল্যে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান।

স্কপ যুগ্ম সমন্বয়ক চৌধুরী আশিকুল আলমের সভাপতিত্বে ও আহসান হাবিব বুলবুলের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- আনোয়ার হোসেন, সাইফুজ্জামান বাদশা, কামরুল আহসান, শামীম আরা, মাহবুবুল আলম, বাদল খান, শাকীল আক্তার চৌধুরী, নুরুল আমিন, আব্দুল ওয়াহেদ প্রমুখ।


আরও খবর