Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

ডেসটিনির রফিকুল আমিনের ১২ বছর সাবেক সেনাপ্রধান হারুনের চার বছরের সাজা

প্রকাশিত:Thursday ১২ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৯৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এমএলএম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের মামলায় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনের ১২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।


একইসঙ্গে গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদের ৪ বছর, পলাতক আসামি জসিম উদ্দিন ভূঁইয়ার ১০ বছর এবং মামলার বাকি ৪৩ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 



বৃহস্পতিবার (১২ মে) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।


এর আগে গত ২৭ মার্চ ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১২ মে দিন ধার্য করেছিলেন।



মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ মোট আসামি ৪৬ জন। তাদের মধ্যে জামিনে রয়েছেন লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম, লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ, মিসেস জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল। কারাগারে আছেন এমডি রফিকুল আমীন ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন। অন্য ৩৯ আসামি পলাতক।



অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুদকের তৎকালীন উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে পৃথক দুটি মামলা করেছিলেন।


২০১৪ সালের ৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন মোজাহার আলী সরদার। এতে ডেসটিনির গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।


এর মধ্যে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন এবং ডেসটিনি ট্রি প্ল্যানটেশন লিমিটেডে দুর্নীতির মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলায়ই আসামি হারুন-অর-রশিদ ও রফিকুল আমিন।


মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ প্রজেক্টের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে ধরা পড়ে। ওই অর্থ আত্মসাতের ফলে সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।


ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন প্রজেক্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাড়ে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারী।


অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ডেসটিনি গ্রুপের নামে ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল নামসর্বস্ব। আসামিরা প্রথমে প্রজেক্টের টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা করতেন। এরপর বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে তা স্থানান্তর করা হতো। দুদক ৩৪টি ব্যাংকে এমন ৭২২টি হিসাবের সন্ধান পায়, যেগুলো পরে জব্দ করা হয়।


আরও খবর



নাসিরনগরে জোরপূর্বক প্রতিবেশীর জায়গা দখলের অভিযোগে আদালতে মামলা

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১২২জন দেখেছেন
Image

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের ফেদিয়ারকান্দি গ্রামে জোরপূর্বক প্রতিবেশীর জায়গা দখলের অভিযোগে ৬ জনের বিরোদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের  করা হয়েছে।


 ১৯ মে ২০২২ তারিখে ফেদিয়ার কান্দি গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে মোঃ মাহির ভূঞা বাদী হয়ে প্রতিবেশী আব্দুল কাদিরের ছেলে সৈয়দ মিয়া,সিরাজ মিয়া,রেহমান মিয়া, রেহমানের দুই ছেলে  বিল্লাল মিয়া,খায়ের মিয়া ও ফজলুল হকের ছেলে সফর উদ্দিন এই ৬ জনের বিরোদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পি - ৪৪৩ মামলা দায়ের করে।


মামলা সুত্রে জানা গেছে সকল বিবাদীরা জোটবদ্ধ হয়ে ১৭ মে ২০২২ তারিখ  বিকেল ৪ ঘটিকার সময় দেশীয় প্রাণঘাতি অস্ত্র নিয়ে বাদীর দখলীয় জয়নগর মৌজার ১ দাগের ৪ শতাংশ জায়গা অনধিকার প্রবেশ করে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালায়।এ সময় স্বাক্ষীদের সহায়তা বাদী তাদের হাত থেকে নিভৃত পায়।পরে বিবাদীরা জায়গা দখলে ব্যর্থ হয়ে বাদী ও তার পরিবারের লোকজনকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।


আদালত মামলাটি ফৌজদারী কার্য বিধির ১৪৫ ধারায় আমলে নিয়ে দ্বীতিয় পক্ষকে কারন দর্শানোর ও ওসি নাসিরনগরকে উভয় পক্ষের মাঝে শান্তি শৃংখলা বাজায় রেখে আগামী ১৮ জুলাই ২০২২ তারিখের  মধ্যে সরেজমিন পরিদর্শন পূর্বক দখল বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।


আরও খবর



জুমাতুল বিদা,মসজিদে মুসল্লিদের ঢল

প্রকাশিত:Friday ২৯ April ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১২৯জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) ২৭ রমজান সারাদেশে পবিত্র জুমাতুল বিদা পালিত হয়েছে। রমজান মাসের শেষ শুক্রবার জুমাতুল বিদা হিসেবে পালন করেন মুসলমানরা।


বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) রমজানের শেষ শুক্রবারে জুমার নামাজের পর বিশেষ ইবাদত করতেন। তার উম্মতরা এরই ধারাবাহিকতায় এদিন জুমার নামাজের পর নফল নামাজ আদায় করেন ও বিশেষ দোয়া করেন।

রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজানের শেষ জুমা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব ও মর্যাদাপূর্ণ। রমজানের শেষ জুমা হওয়ায় দিনটিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। জুমাতুল বিদার দিন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এলাকার মসজিদে আগে ভাগেই উপস্থিত হন।


এবছর বায়তুল মোকাররম মসজিদ জুমার আজানের আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। রোজা রেখে সবাই জুমাতুল বিদার জামাতে শরিক হওয়ার চেষ্টা করেন। শুক্রবার প্রধান মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ রাজধানীর পাড়া-মহল্লার সব মসজিদেও মুসল্লিদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।




মসজিদ ছাড়িয়ে আশপাশের রাস্তায় মুসল্লিরা কাতারবন্দি হয়ে নামাজ আদায় করেন। পবিত্র জুমাতুল বিদায় মসজিদে মসজিদে দেশ জাতি ও মুসলমানদের কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।


আরও খবর



সিদ্ধিরগঞ্জে ১০বছরের শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকা থেকে ১০বছরের শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Sunday ১৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
Image

শরীফ আহমেদঃ   

নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মিজমিজি এলাকার আলাউদ্দিনের বাসা থেকে ১০ বছরের শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ।


নিহতের নাম মেহেদী হাসান সে মিজমিজি এলাকার আলাউদ্দিনের বাড়ির ভাড়াটিয়া জাহাঙ্গীরের পুত্র তার মায়ের নাম পারভিন বেগম।


নিহত মেহেদী হাসানের পিতা জাহাঙ্গীর পেশায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিক এবং মা পারভীন বেগম গার্মেন্টস শ্রমিক বলে জানা গেছে।


রবিবার ১৪ মে বিকেলে মেহেদী হাসানের গলায় গামছা প্যাঁচানো মৃত দেহটি ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।


প্রাথমিকভাবে মেহেদী হাসানের রহস্যজনক মৃত্যুর সঠিক কারণ জানাতে পারেনি পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


আরও খবর



স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৮জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সব থেকে পরিবেশবান্ধব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  


গ্যাস ফুরিয়ে গেলে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আমাদের বিদ্যুৎ দেবে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানান।


বুধবার (১৮ মে) আওয়ামী লীগ আয়োজিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।  


বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সভায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে তিনি ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন।


সরকারের উন্নয়ন ও অর্জন তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ বাংলাদেশ পৃথিবীতে উন্নয়নের রোল মডেল।


এর ভেতরে আমাদের কিছু নতুন আঁতেল আবার জুটেছে। একজন অর্থনীতিবিদ বলেই দিলেন আমরা যে, রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র করেছি এটা না কি অর্থনৈতিকভাবে ভীষণ ক্ষতিকর।


আমরা প্রশ্ন হচ্ছে, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র এটা হচ্ছে সব থেকে পরিবেশবান্ধব। গ্যাস তো চিরদিন থাকে না। এক একটা কূপের তার তো সময় নির্দিষ্ট থাকে। তেলভিত্তিক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ আমরা করি, অনেক খরচেরও ব্যাপার। যদি কোন দিন এমন হয় যে, আমাদের গ্যাস ফুরিয়ে যাচ্ছে তখন আমাদের এই নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টই বিদ্যুৎ দেবে। 


আর এটা পরিবেশবান্ধবও একটা বিদ্যুৎকেন্দ্র। এখানে বিনিয়োগটা বড় করে দেখা যায়। কিন্তু এর বিদ্যুৎ যখন উৎপাদন হবে আর এর বিদ্যুৎ যখন মানুষ ব্যবহার করবে আমাদের অর্থনীতিতে অনেক বেশি অবদান রাখবে। 


আজ আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছি বলেই সারা বাংলাদেশে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমরা যখন রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করলাম তখন কত সমালোচনা। আমরা যখন ডিজিটার বাংলাদেশ ঘোষণা দিলাম তখন কত সমালোচনা। এখন ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করেই আমাদের সমালোচনা করছে। তারা যে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন এটা কিন্তু আমরা দিচ্ছি। 


খালেদা জিয়ার আমলে, জিয়ার আমাল বা এরশাদের আমলে তাদের কি কথা বলার কোনো সুযোগ ছিল। অধিকার ছিল, কতটুকু অধিকার ভোগ করতেন তারা। টক শো তারা করেই যাচ্ছেন, টক টক কথা বলেই যাচ্ছেন। তাদের তো গলাটিপে ধরি না, মুখ চিপেও ধরি না। বলেই যাচ্ছেন, সব কথা বলার শেষে বলে কথা বলতে দেওয়া হয় না। 


বিএনপির এক নেতা তো সারা দিন মাইক মুখে লাগিয়ে আছেন। সারাক্ষণ বলেই যাচ্ছেন। একবার কথা বলতে বলতে গলায় অসুখও হলো। চিকিৎসা করে তিনি আবার কথা বলছেন। কথা তো কেউ বন্ধ করছে না। তাদের আন্দোলনে যদি জনগণ সাড়া না দেয় সে দোষটা কাদের?


প্রধানমন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে যে, অর্থনীতিবিদ তিনি হিসাব দেখালেন তাকে আমি বলবো, তিনি কী এটা প্রকৃতপক্ষে জেনেই বলছেন, না কি না জেনেই বলছেন। আমি তার জ্ঞান নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলবো না কারণ তারা অনেক ভালো লেখাপড়া জানেন। 


কিন্তু একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ পেয়ে একটি মানুষের বা একটা জাতি যে কতটুকু উন্নতি হতে পারে সে তো আজকের বাংলাদেশ। বাংলাদেশের উন্নয়নটা বাইরের লোকে দেখে কিন্তু তারা দেখে না চোখে।


পদ্মাসেতুর প্রসঙ্গ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আরেকটি হচ্ছে পদ্মাসেতু, এই পদ্মাসেতুর অর্থ বন্ধ করালো ড. ইউনুস। কেন, গ্রামীণ ব্যাংকের একটা এমডির পদে তাকে থাকতে হবে। তাকে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম গ্রামীণ ব্যাংকে উপদেষ্টা হতে। এমিরেটাস উপদ্ষ্টো হিসেবে থাকার জন্যে, আরও উচ্চ মানের। সেটায় সে থাকবে না, তার এমডিই থাকতে হবে। কিন্তু তার বয়সে কুলায় না। 


ড. ইউনুস কিন্তু আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন। কিন্তু কোর্ট আর যাই পারুক তার বয়স তো কমিয়ে দিতে পারবেন না ১০ বছর। গ্রামীণ ব্যাংকের আইনে আছে ৬০ বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। তখন তার বয়স ৭১ বছর। এই বয়সটা কমাবে কীভাবে, তিনি মামলায় যে হেরে যায়। কিন্তু প্রতিহিংসা নেয় ড. ইউনুস এবং যেটা আমরা শুনেছি মাফুজ আনাম তারা আমেরিকায় চলে যায়, স্টেট ডিপার্টেটমেন্টে, হেলারির কাছে ই-মেইল পাঠায়। হিলারি লাস্ট একেবারে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তার শেষ কর্মদিবসে পদ্মাসেতুর টাকা বন্ধ করে দেয়। 


যাক একদিকে সাপে বর হয়েছে। বাংলাদেশের নিজের অর্থায়নে পদ্মাসেতু করতে পারে সেটা আজকে আমরা প্রমাণ দিয়েছি। কিন্তু আমাদের এখানে একজন জ্ঞানী লোক বলে ফেললেন পদ্মাসেতু দিয়ে যে রেললাইন হচ্ছে ৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে, এ টাকা তো ঋণ নিয়ে করা হচ্ছে এই ঋণ শোধ হবে কী করে কারণ দক্ষিণবঙ্গের কোনো মানুষ তো রেলে চড়বে না। তারা তো লঞ্চে যাতায়াত করে। তারা রেলে চড়তে যাবে কেন, এই রেল ভায়াবল হবে না। সেতুর কাজ হয়ে গেছে এখন সেতু নিয়ে আর কথা বলে পারছে না। রেলে কাজ চলছে, রেলের কাজ নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছে। আমার মনে হয় আমাদের সবার উনাকে চিনে রাখা উচিত। রেলগাড়ি যখন চালু হবে উনাকে রেলে নিয়ে চড়ানো উচিত।


পদ্মাসেতু নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আর খালেদা জিয়া বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু করা হচ্ছে। কারণ স্প্যান‌গুলো যে বসাচ্ছে ওটা ছিল তার কাছে জোড়াতালি দেওয়া। বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু বানাচ্ছে ওখানে চড়া যাবে না, চড়লে ভেঙে পড়বে। তার সঙ্গে তার কিছু দোসসরাও। তাদেরকে কী করা উচিত, পদ্মাসেতুতে নিয়ে যেয়ে ওখান থেকে টুস করে ফেলে দেওয়া উচিত। আর যিনি একটা এমডি পদের জন্য পদ্মাসেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করে দেয় তাকেও পদ্মানদীতে নিয়ে দুটা চুবনি দিয়ে উঠিয়ে নেওয়া উচিত। মরে যাতে না যায়, একটু চুবনি দিয়ে সেতুতে তুলে দেওয়া উচিত, তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়। 



বড় অর্থনীতিবিদ জ্ঞানীগুণী তারা এই ধরনের অর্বাচীনের মতো কথা বলে কিভাবে, সেটাই আমার প্রশ্ন। মেগা প্রজেক্টগুলো করে না কী খুব ভুল করছি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাই উৎক্ষেপণ করেছি, এতো টাকা দিয়ে স্যাটেলাইট করে কি হবে এ প্রশ্নও কিন্তু তুলেছে তারা। অর্থাৎ বাংলাাদেশের জন্য ভালো কিছু করলেই তাদের গায়ে লাগে। কেন তারা কী এখনও সেই পাকিস্তানি জান্তাদের পদলেহনকারি খোসামোদি-তোসামোদি দল। 


গালিটালি দেই না, দেওয়ার রুচিও নাই তবু একটু না বলে পারি না পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী যেভাবে মেয়েদের ওপর নির্যাতন করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে, পেড়ামাটি নীতি নিয়ে বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল সেই পাকিস্তানিদের পদলেহনকারি সারমেয়র দল এখনও বাংলাদেশে জীবিত। এখনও এরা বাংণাদেশে ভালো কিছু হলে এরা ভালো দেখে না। বাংলাদেশ এগিয়ে গেলে তাদের ভালো লাগে না। 


তাদেরকে জিজ্ঞাসা করবো ভ্যাকসিনটা বিনা পয়সা দিয়েছি আমি, হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করেছি। সে ভ্যাকসিন তো এরা নিয়েছেন, এটা তো বাদ দেয়নি। আমরা বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দিয়েছি। বুস্টার ডোজও আমরা শুরু করেছি। তারা তো নিশ্চয় দুটো ডোজ নিয়েছে, বুস্টার ডোজও নিয়েছেন।


 বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন নিতে পারলো আর আমাদের উন্নয়নটা চোখে পড়ে না। এখন কি ভ্যাকসিন চোখেও দিতে হবে না কি সেটাই মনে হচ্ছে, তাহলে যদি দেখে, তাছাড়া দেখবে না। ম্যাগা প্রজেক্ট জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে।


 আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই বাংলাদেশের এই উন্নতি হচ্ছে। এর আগে, যারা ক্ষমতায় ছিল তারা কি একটা দৃষ্টান্ত দেখাতে পারবে যে তারা বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করে বা দেশের কোনো উন্নয়ন করেছে বা বিদেশে ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করেছে, করতে পারে নাই। বাংলাদেশকে ভিক্ষুকের জাতি বানিয়েছিলেন, আজকে আমরা মর্যাদাশীল জাতি। আমরা আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে আমাদের প্রায় ৯০ শতাংশ নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা অর্জন করেছি।


বিএনপি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেশি কথা বলে যাচ্ছে বিএনপি, এদের নেতৃত্ব কোথায়, নেতৃত্ব নাই। সব তো সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এই সাজাপ্রাপ্ত আসামি দিয়ে নির্বাচনে জেতা যায় না। আর নির্বাচনে পরাজয় হবে জেনে তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, কলুষিত করতে চায়। যারা একটু আমাদের জ্ঞানী-গুণী আঁতেলরাও উল্টোপাল্টা কথা বলেন তাদেরকেও বলবো দেশ চালাবার যদি ইচ্ছা থাকে তো মাঠে আসেন, ভোটে নামেন, কেউ ভোট কেড়ে নেবে না। আমরা বলতে পারি, আমরা ভোট কেড়ে নিতে যাই না। আমরা জনগণের ভোট পাই এবং আমরা পাবো কারণ আমরা জনগণের জন্য কাজ করেছি। সেজন্যই জনগণ আমাদের ভোট দেবে।


সবশেষে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেক দিন পর মন খুলে কথা বললাম। এ সময় তিনি বলেন, আসলে এই করোনা ভাইরাস বন্দি করে রেখে দিয়েছে আমাকে। ২০০৭ সালে ছিলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে বন্দি। এখন আমি নিজের হাতে নিজেই বন্দি।


আরও খবর



পিচ ঢালাইয়ের কাজ শেষ

সব ধরনের যান চলাচলের জন্য প্রস্তুত পদ্মা সেতু

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

সোহরাওয়ার্দীঃ

সকল জল্পনা কল্পনা শেষে সব ধরনের যান চলাচলের জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠেছে পদ্মা সেতু।পদ্মা সেতুর মূল অংশের পিচ ঢালাই শেষে বাকি ছিল দুই পাড়ের সংযোগ সড়কের পিচ ঢালাই। কর্মযজ্ঞের ধারাবাহিকতায় শেষ হয়েছে দুই পাড়ের সংযোগ সড়কের পিচ ঢালাই।


সোমবার (২৩ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সর্বশেষ জাজিরা অংশের সংযোগ সড়কের (সাউথ ভায়াডাক্ট) পিচ ঢালাইয়ের কাজ শেষ করেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও নির্মাণশ্রমিকরা।


পুরো সেতুর পিচ ঢালাই শেষ হওয়ায় এখন যানচলাচলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সড়কপথ।পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, যান চলাচল উপযোগী করে তুলতে সেতুতে পিচ ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়েছিল গত বছরের ১০ নভেম্বর। পাঁচ মাস ১৯ দিনের মাথায় গত ২৯ এপ্রিল মূল সেতুর ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার অংশে সে কাজ শেষ হয়। এরপরই সমানতালে শুরু হয় দুই পাড়ের সংযোগ সড়কের পিচ ঢালাই।



বৃহস্পতিবার (১৯ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের সংযোগ সড়কের পিচ ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়। সর্বশেষ জাজিরা প্রান্তের সংযোগ সড়কের পিচ ঢালাই শেষ হলো আজ।


এদিকে সেতুর অবশিষ্ট কাজের মধ্যে রোড মার্কিং ও সেতুকে আলোকিত করতে বসানো ৪১৫টি ল্যাম্পপোস্টে বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ চলছে পুরোদমে। শুরু হয়েছে রেলিং বসানোর কাজ।



সূত্র জানায়, চলতি মাসের মধ্যেই শেষ হবে রোড মার্কিংয়ের কাজ। বিদ্যুৎ সংযোগের কাজও চলছে। পরিকল্পনা মতো কাজ এগুলোই নির্ধারিত সময় ১ জুনে জ্বলে উঠবে বাতিগুলো।



আরও খবর