Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

দেশের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করা অপরাজনীতির বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:Friday ০৬ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৪৮জন দেখেছেন
Image

পিরোজপুর, ৬ মে ২০২২ (শুক্রবার)

দেশের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করা অপরাজনীতির বিপক্ষে দল-মত নির্বিশেষে অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন  মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।


শুক্রবার (৬ মে) সকালে পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের শহীদ ওমর ফারুক মিলনায়তনে দুস্থ জনগোষ্ঠীর মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের শুকনো খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।


পিরোজপুর সদর উপজেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।


এ সময় মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে যারা বাধা সৃষ্টি করে, যারা অপরাজনীতি করে, যারা ধ্বংসের রাজনীতি করে তাদের বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে। বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে স্বাধীনতাবিরোধীদের।


প্রত্যেকের মধ্যে নিজস্ব বিশ্বাস ও চেতনা থাকলেও স্বাধীনতাবিরোধীদের ভ্রান্ত, অন্ধকারাচ্ছন্ন জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সকলকে প্রগতিশীল রাজনীতিতে আসতে হবে।

তিনি আরো বলেন, যদি কেউ ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম করতে চায়, পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করতে চায়, মানুষকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দিকে নিয়ে যেতে চায় তাহলে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব আছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার।


এ জাতীয় অপরাজনীতি যারা করবে আওয়ামী লীগ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের যেকোন মূল্যে প্রতিহত করবে।

মন্ত্রী আরও যোগ করেন, আমরা অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাচ্ছি। অপ্রতিরোধ্য গতিতে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হচ্ছি। শেখ হাসিনা হচ্ছেন উন্নয়নের জাদুকর। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে।


পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদার, স্থানীয় অন্যান্য সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


পরে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা কৃষি অফিস হলরুমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের অবহিতকরণ সভায় যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, দেশের অসহায় মানুষকে স্বাবলম্বী করাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য।


তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারে সময়ে দেশে কোনো মানুষ অভুক্ত থাকে না। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে করোনা মহামারীতেও দেশের উন্নয়ন থেমে নেই।



আরও খবর



দাদি-নাতির সফল উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ২৪ June ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

দাদি শীলা বজাজের বয়স ৭৮ বছর। নাতি যুক্তি বজাজ ২৬ বছর বয়সী। যুক্তির মা মারা গেছেন কয়েক বছর আগে। বাবা মারা গেছেন খুব ছোটবেলায়। দাদির সঙ্গেই থাকেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই যত গল্প, যত আবদার সবকিছুই দাদির কাছে। ২০২০ সালে যখন করোনার কারণে লকডাউনে ঘরবন্দি মানুষ। তখন তারা শুরু করলেন ব্যবসা।

করোনাকালে অনলাইন হয়ে ওঠে শপিংয়ের একমাত্র উপায়। নয়া দিল্লির বাসিন্দা এই দাদি-নাতিও অনলাইনে শুরু করেন তাদের ব্যবসা। আজ তাদের সফলতার কাহিনি অন্যদের অনুপ্রাণিত করছে। দাদি শীলা বজাজের বয়স ৭৮। এই বয়সে যেখানে অন্যরা অবসর কাটান, সেই বয়সেই তিনি শুরু করেন ব্যবসা।

jagonews24

বয়স তো শুধু একটা সংখ্যামাত্র, তা আবারও প্রমাণ করলেন শীলা। বরাবর উল বুনতে ভালোবাসেন শীলা বজাজ। খুব ভালো সোয়েটার বুনতে পারতেন। শুধু সোয়াটার আর মাফলার নয়, তিনি ঘর সাজানোর বিভিন্ন রকম জিনিস তৈরি করতেন উল দিয়ে। প্রতিবেশীদেরও কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই উলের তৈরি বিভিন্ন কিছু বানিয়ে দিতেন।

তবে শীলার এই গুণের কথা জানতেন শুধু তার পরিচিত মানুষরাই। ২০২০ সালে যখন কোভিড অতিমারীর কবলে পড়ে পৃথিবী। সেই সময়েই যুক্তি ভেবেছিলেন, তার দাদির এত সুন্দর হাতের কাজ সবার দেখা উচিত। যেমন ভাবা তেমন কাজ। একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট খুলে ফেলেন যুক্তি। সেখানে শীলার তৈরি করা জিনিসের ছবি শেয়ার করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি দিতেই নিমেষে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে শীলার তৈরি জিনিসগুলো।

jagonews24

শুরুতে ব্যবসারের উদ্দেশ্য ছিল না যুক্তির। এমনিতেই বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য এসব ছবি পোস্ট করতেন। তবে শীলার বোনা জিনিস দেখে অনেকেই এই ধরনের জিনিস কিনতে আগ্রহী হন। তখনই ব্যবসা করার কথা মাথায় আসে যুক্তির। চাহিদা অনুযায়ী সোয়েটার, পুতুল বানিয়ে বিক্রি করা শুরু করেন দু’জনে। কিছুদিনের মধ্যেই বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে তাদের ব্যবসা। প্রথমেই পেয়েছিলেন ৬টি অর্ডার। পরের মাসেই তা বেড়ে দাঁড়ায় ২০-২৫টিতে।

এখন তাদের সঙ্গে আরও ছয়-সাতজন কাজ করেন। শুধু সোয়েটার বা মোজা নয়, উল দিয়ে বাচ্চাদের খেলনা, ব্যাগ, কুশন কভার, ঘর সাজানোর জিনিস-সবই পাওয়া যায় তাদের এই দাদি-নাতনির পেজে। ক্যাচ ক্রাফ্ট হ্যান্ডেড নামে তাদের পেজ আছে ইনস্টাগ্রামে। সেখানে উলের তৈরি কানের দুল, ব্যাগ, খেলনা, ওয়ালমেট ১০০ টাকা থেকে শুরু করে ২ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

jagonews24

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে এই ব্যবসা খুব উপভোগ করছেন শীলা। সময় ব্যস্ততার মধ্য দিয়েই কাটছে। শীলা মনে করেন, কেউ চাইলে যে কোনো সময় যে কোনো কাজ করতে পারেন। কাজের জন্য বয়স কোনো বাধা নয়। শুধু দরকার আশেপাশের মানুষের সহযোগিতা ও ভালোবাসা।

সূত্র: দ্য বেটার ইন্ডিয়া


আরও খবর



যেসব পণ্যের দাম বাড়ছে

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বৈদেশিক মুদ্রা সুরক্ষায় বিলাসবহুল পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করতে কিছু পণ্যের ওপর যোগ হয়েছে শুল্ক ও কর। ফলে সেসব পণ্যের দাম বাড়ছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনায় এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি বর্তমান সরকারের ২৩তম, বাংলাদেশের ৫১তম ও বর্তমান অর্থমন্ত্রীর চতুর্থ বাজেট।

আগামী অর্থবছরের বাজেটে মূল লক্ষ্য সক্ষমতার উন্নয়ন। বৈশ্বিক ঝুঁকি কাটিয়ে অর্থনীতির স্থিতিশীলতার সঙ্গে জনজীবনে স্বস্তি ফেরানো অন্যতম উদ্দেশ্য। আসছে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।

যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে

আমদানিকরা বিলাসী পণ্য যেমন-বডি স্প্রে, প্রসাধনী পণ্য, জুস, প্যাকেটজাত খাদ্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে আমদানিতে নতুন করে শুল্ক আরোপ হতে পারে। যদিও ইতোমধ্যে গত ২৩ মে এক প্রজ্ঞাপনে বিদেশি ফল, বিদেশি ফুল, ফার্নিচার ও কসমেটিকসজাতীয় প্রায় ১৩৫টি এইচএস কোডভুক্ত পণ্যের ওপর আমদানি পর্যায়ে বিদ্যমান ৩ শতাংশের পরিবর্তে ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ করা হয়। প্রস্তাবিত বাজেটে ওই তালিকা আরও দীর্ঘ হতে পারে।

অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের কারণে এবার বৃদ্ধি পাচ্ছে তামাকজাত পণ্যের মূল্য। স্ল্যাব অনুসারে শুল্ক আরোপ হয়েছে।

দেশীয় পণ্য সুরক্ষায় শুল্ক আরোপে আমদানি করা স্মার্ট মোবাইল ফোনের দাম আরেক দফায় বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে সুবিধা পাবে দেশীয় কোম্পানিগুলো।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত/তাপানুকুল সার্ভিসের পাশাপাশি প্রথম শ্রেণির রেলওয়ে সেবার ওপর ১৫ শতাংশ মূসক আরোপের প্রস্তাব করায় রেল ভ্রমণে লাগবে বাড়তি খরচ।

নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উড়োজাহাজ আমদানির ক্ষেত্রে আগাম কর অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বর্তমানে সোলার প্যানেল আমদানিতে শূন্য শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রযোজ্য রয়েছে। দেশীয় সোলার সেক্টরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমদানি করা সোলার প্যানেলের ওপর বিদ্যমান আমদানি শুল্ক শূন্য শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বাড়ছে বিদেশ থেকে আমদানি করা কফির দামও।

মূল্যবৃদ্ধি তালিকায় যুক্ত হচ্ছে বিলাসবহুল গাড়ি। ৪০০০ সিসির ওপর বিলাসবহুল রিকন্ডিশন গাড়িতে সম্পূরক শুল্ক, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ও আগাম কর এবং ভ্যাট মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৮০০ শতাংশে করহার প্রস্তাব করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার হচ্ছে ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। এবারের বাজেটের আকার যেমন বড়, তেমনি এ বাজেটে ঘাটতিও ধরা হয়েছে বড়।

অনুদান বাদে এই বাজেটের ঘাটতি দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির সাড়ে ৫ শতাংশের সমান। অনুদানসহ বাজেট ঘাটতির পরিমাণ দুই লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ৪০ শতাংশের সমান।

এটি বর্তমান সরকারের ২৩তম এবং বাংলাদেশের ৫১তম ও বর্তমান অর্থমন্ত্রীর চতুর্থ বাজেট। বাজেটে সঙ্গত কারণেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কৃষিখাত, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাসহ বেশকিছু খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



গ্যাস্ট্রিক না কি হৃদরোগের কারণে বুকে ব্যথা বুঝবেন যেভাবে

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৮৭জন দেখেছেন
Image

হৃদরোগের অন্যতম লক্ষণ হলো বুকের প্রচণ্ড ব্যথা। এ ধরনের ব্যথা খুবই তীব্রতর হয়। অনেকেই বুকের এমন ব্যথাকে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা ভেবে ভুল করেন, যা হতে পারে বিপজ্জনক। ঠিক এমন ঘটনাই ঘটেছে ভারতের সংগীতশিল্পী কেকের ক্ষেত্রে। তিনি নাকি বুকের ব্যথাকে অ্যাসিডিটি ভেবে নিয়মিত খেতেন অ্যান্টাসিড।

কেকের পরিবারের সদস্যরা জানাচ্ছেন, দীর্ঘদিন ধরেই অ্যাসিডিটির সমস্যার কথা বলতেন তিনি। নিয়মিত খেতেন অ্যাসিডিটির ওষুধও। তার মৃত্যুর পর চিকিৎসকরা জানান, শিল্পীর বাম করোনারি ধমনীর নাকি ৮০ শতাংশই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। অন্যান্য ধমনীও নাকি কম-বেশি ব্লক ছিল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হৃদযন্ত্রের সমস্যাকে অ্যাসিডিটি বলে ভুল করা নতুন নয়। অনেক মানুষই এ সমস্যাকে অ্যাসিডিটি ভেবে দিনের পর দিন উপেক্ষা করেন। আর তাতেই দেরি হয়ে যায় চিকিৎসায়।

হার্টের ব্যথাকে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা মনে করায় অনেকের হৃদরোগ দেরিতে শনাক্ত করা হয়। ফলে হার্টের সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক ও ক্লিনিক্যাল কার্ডিওলজি ডিভিশনের প্রধান ডা. হারিসুল হক বেশকিছু লক্ষণের কথা বলেছেন।

তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘বুকে তীব্র ব্যথা হলেই দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। তা ছোটদের হোক বা বড়দের। হৃদরোগ যে কোনো বয়সেই হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হার্টের সমস্যায় বুকের ব্যথাকে অনেকেই গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা বলে ভুল করেন, যা আরও বিপজ্জনক হতে পারে। এ ধরনের ব্যথা খুবই তীব্র হয়। একনাগাড়ে ব্যথা হয়। যা সহজে কমে না। অনেক সময় ভয় পাওয়ায় রোগীর হার্ট অ্যাটাক ঘটে থাকে।’

যদি কোনো কাজের সময় ব্যথা হয় আবার বিশ্রাম নিলে কমে যায়, এমন অবস্থা বেশ সমস্যার। এ রকম অবস্থায় সাধারণত রক্তনালীতে অর্থাৎ করনারি আর্টারিগুলো সংকুচিত হয়ে যেতে পারে।

এক্ষেত্রে বুকে ব্যথা বা বুকে চাপ বা ভারী রাখতে হবে। সেটা বাম পাশে বা ডান পাশে হোক বা মাঝখানে যে কোনো জায়গায় হতে পারে। এ অবস্থায় অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তখন ধরে নেওয়া হয় ব্যথাটা হৃদরোগের কারণে হতে পারে।

কিছু উপসর্গ আছে, যা দেখলে বুঝতে হবে তা নিশ্চয়ই হার্টের কোনো সমস্যার কারণে হচ্ছে ও রোগী হার্ট অ্যাটাকের দিকে যাচ্ছে। যেমন-

>> হার্টের সমস্যার কারণে ব্যথা হলে তা বুকের একেবারে মাঝখানে চাপ ধরা ব্যথা বা বুকের মধ্যে কিছু চেপে আছে এমনটি মনে হবে।
>> হাঁটলে বা সিঁড়ি ভাঙলে বুকের এই চাপ ধরা ভাব বেড়ে যায়।
>> ব্যথা ধীরে ধীরে চোয়াল, ঘাড় বা পিঠের দিকে চলে যেতে পারে। একে বলে অ্যানজাইনাল পেইন।
>> শরীরে প্রচণ্ড ঘাম হয়।
>> কারও কারও ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
>> রাতে হঠাৎ করেই ঘুম ভেঙে যাওয়া।
>> মুখের রং ফ্যাকাসে বা কালচে হয়ে যাওয়া।
>> হাত-পা ঠান্ডা অনুভব করা।
>> এ ধরনের ব্যথা ২০-২৫ মিনিটের মতো স্থায়ী হতে পারে।

এমনটি হলে দ্রুত কী করণীয়?

এ বিষয়ে ডা. হারিসুল হক পরামর্শ দেন, ‘ঘরে সব সময় অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট রাখা উচিত। বুকে প্রচণ্ড ব্যথা হলে ৩০০ গ্রামের ৪টি অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট একসঙ্গে পানিতে গুলে বা চিবিয়ে খেয়ে ফেলুন। এতে হার্ট অ্যাটাক থেকে মৃত্যুর ঝুঁকি ৪০-৫০ শতাংশ কমে যাবে।’

আর হার্ট অ্যাটাক হলে ২-৩ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে নিয়ে সঠিক চিকিৎসা দিলেই রোগী ভালো হয়ে যায়। এর আগে ইসিজি, রক্ত পরীক্ষা, ইকোকার্ডিওগ্রাম, ট্রপটি-টিসহ বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে হৃদরোগের সমস্যাগুলো সম্পর্কে জানা যাবে।


আরও খবর



নোয়াখালীতে প্রবাসী হত্যায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:Wednesday ১৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
Image

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সৌদি আরব প্রবাসী মো. মহিউদ্দিন হত্যা মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৫ জুন) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা জজ প্রথম আদালতের বিচারক সৈয়দ ফখরুদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের বেপারী বাড়ির আবুল কালামের ছেলে মো. মিলন (৩৫) ও তার ভাই পলাশ ওরফে জাম্বু (৩৫) এবং তাদের ভাগনে একই গ্রামের কাজী বাড়ির মো. আলীর ছেলে শেখ ফরিদ (২৭) ও আবদুল মান্নান (২৮)।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান টিংকু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। সাজাপ্রাপ্ত অপর তিন আসামি পলাতক। আসামি পলাশ ওরফে জাম্বুকে বিকেলে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের বেপারী বাড়ির আবুল বাশার ও পলাশ ওরফে জাম্বুদের মধ্যে বাড়ির মধ্যে ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধ দেখা দেয়। পরে বিরোধপূর্ণ জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।

এরপর পলাশ ও তার ভাগনেরা আবুল বাশারের নির্মাণাধীন ভবনের বেইজের মাটি ভরাট করতে শুরু করেন। এ সময় নির্মাণাধীন ভবনের মালিক আবুল বাশার বাধা দিলে মিলন, জাম্বু, শেখ ফরিদ ও মান্নানসহ বেশ কয়েকজন বাশারের ছোট ভাই সৌদি প্রবাসী মহিউদ্দিনকে লোহার শাবল দিয়ে মাথায় আঘাত করে নৃশংসভাবে হত্যা করেন।

এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বড় ভাই বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামি করে ২০১৫ সালের ১ মার্চ বেগমগঞ্জ থানায় মামলা করেন। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।


আরও খবর



দিশার ময়নাতদন্ত ও মৃত্যুর কারণ উদঘাটনের দাবি সহপাঠীদের

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
Image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়া দিশার আত্মহত্যার ঘটনার কারণ উদঘাটন ও ময়নাতদন্ত করে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেছেন নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (৬ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে নিহত শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা এ মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনে তারা বলেন, একটা মেয়ে কতটা খারাপ পরিস্থিতিতে পড়লে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়? সদা হাস্যজ্জ্বল একটা মেয়ে কেন এমন করলো আমরা এর সঠিক তদন্ত চাই।

সহপাঠীরা আরো বলেন, দিশা একজন উৎফুল্ল মেয়ে। কোনো কারণ ছাড়া সে কখনো এমন সিদ্ধান্ত নেবে না। আমরা খবর পেলাম ময়নাতদন্ত করতেও তার পরিবারের সদস্যদের অনিহা আছে। আজকের এই মানববন্ধনে আমরা ২ দফা দাবি জানাচ্ছি। ময়নাতদন্ত নিশ্চিত করতে হবে এবং দিশা কী কারণে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হলো তা খুঁজে বের করতে হবে।

সোমবার (৬ জুন) দুপুর ১২টায় ঢাকায় স্বামীর বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন দিশা। দিশা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি যশোর জেলায়। দু’বছর আগে তার বিয়ে হয়। স্বামীর ব্যবসা সূত্রে প্রতি সপ্তাহে তিনি ঢাকায় যেতেন। সোমবার দুপুর ১২টায় নিজ রুমে গলায় ফাঁস দেন তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তার স্বামীকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।


আরও খবর