Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

দেশের অর্থনীতি ঠিক রাখতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দেশের বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে অর্থনীতি ঠিক রাখতে ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে এখন যেমন একটা অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব পড়ছে, সেখানে আপনাদেরও একটু নজর দিতে হবে। আপনারা সহযোগিতা করবেন যেন আমাদের অর্থনীতি কোনোমতেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

শুক্রবার (১০ নভেম্বর) গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডারে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দেওয়া অনুদান গ্রহণকালে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন শীত মৌসুমে শীতার্ত মানুষের সহায়তায় কম্বল ও শীতবস্ত্র প্রদানের জন্য এই অনুদান নেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নিজেদের দেশে টাকা-পয়সা থাকলে সেটা দেশের জন্যও লাভ, আর নিজেদেরও একটা নিশ্চয়তা থাকে। সেই জিনিসটা সবাইকে মাথায় রাখতে হবে। নিজের দেশটার দিকে আগে তাকাতে হবে। অনুরোধ করবো সেই বিষয়টার দিকে বিশেষ দৃষ্টি দেবেন।

বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘অগ্নিসন্ত্রাস-অবরোধে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দুর্ভাগ্যের বিষয় ইদানিং আবার সেই অগ্নিসন্ত্রাস আর অবরোধের নামে আন্দোলন শুরু হয়েছে। আমি জানি না এতে কার কতটুকু লাভ হচ্ছে। কিন্তু কিছু মানুষ তো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের ক্ষতি (হচ্ছে)।

তিনি বলেন, ‘একজন মানুষ হয়তো কষ্ট করে সারাজীবনে একটা বাস (কেনেন), সেটা পোড়ালো। বাসের ভেতর হেলপার ঘুমিয়ে আছেন, সেই ঘুমন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারা। এই ধরনের ঘটনা কেন ঘটাচ্ছে আমি জানি না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে, সেই ২০০৮ এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এককভাবে ২৩৩ সিট পেয়েছিল। বিএনপি পেয়েছিল মাত্র ৩০টা সিট। আর বাকিগুলো পায় অন্যরা। আমরা সরকারে এসেছি, এরপর ২০১৪, ২০১৮ সালের নির্বাচন। তখনো অগ্নিসন্ত্রাস এবং নানান ঘটনা। সেগুলো অতিক্রম করে প্রায় ১৫ বছর আমরা সরকারে।

গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ।

দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দরিদ্রের হার ৪১ শতাংশ থেকে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশে নামিয়ে এনেছি। হতদরিদ্র ২৫ দশমিক ১ শতাংশ ছিল, সেটা আমরা ৫ দশমিক ৬ শতাংশে নামিয়ে এনেছি। আগামীতে সেইটুকুও থাকবে না। দেশে হতদরিদ্র থাকবে না। একেবারে হতদরিদ্রদের বিনা পয়সায় খাবার, ওষুধ, চিকিৎসার ব্যবস্থা আমরা করে দিচ্ছি। পাশাপাশি ঘরবাড়ি তৈরি করে দিচ্ছি।

এসময় দেশের শীতার্ত মানুষের জন্য অনুদান দেয়ায় ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।


আরও খবর



শিবপুর নূরনগর আইডিয়াল গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২৭জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি:ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর নূরনগর আইডিয়াল গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের  এলাকাধীন সরকারি ও বেসরকারী প্রাথমিক বিদ‍্যালয় ও কেজি স্কুল সমূহের সমন্বয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী ও অত্র আইডিয়াল গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের    এস,এস,সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার সকাল ১১ থেকে দিনব্যাপ অত্র আইডিয়াল গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে অত্র এলাকার মান্যবর ব্যাক্তিবর্গগণের উপস্থিতিতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে এই বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।

আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী এবং এস,এস,সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান এক মনোরম পরিবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠানের পূর্বে, আমন্ত্রিত অতিথিদেরকে প্রথমে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করে নেন অত্র  আইডিয়াল গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের   এস,এস,সি পরীক্ষার্থীগণ , এবং আমন্ত্রিত সকল  অতির্থীগণ এস,এস,সি পরীক্ষার্থীদের গোলাপ ফুল ও রজনীগন্ধা স্টিক দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।এসময় অত্র আইডিয়াল গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি ইমরুল হাসান শিবলীর সভাপতিত্বে ও সহকারী প্রধান শিক্ষক ফারুকুল ইশলাম বিল্লালের সঞ্চালণায় উদ্ভোধনি বক্তব্য রাখেন।

শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, ও সমাজ সেবক, মোঃ শাহীন সরকার।অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শিবপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ সৈয়দ আহম্মদ ও প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন নূরনগর আইডিয়াল এসোসিয়েশনের সভাপতি জুবায়েরুল হক মৃধা  ও নূরনগর আইডিয়াল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন।এছাড়াও বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুর সম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মোহসীন সরকার, শিবপুর উচ্চ  বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসেন কবির।

শিবপুর ইউনিয়ন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কবির আহমেদ , ডা: আবু জাফর জামাল , হোসেন আহমেদ ,অত্র আইডিয়াল গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের অধ‍্যক্ষ মোঃ খবির উদ্দিন , রবিউল ইসলাম উজ্জ্বল, আশরাফ হোসেন আকছির, সোহরাওয়ার্দী চৌধুরী সহ- অত্র   আইডিয়াল গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কমিটির সদস্য ও শিক্ষক শিক্ষার্থী সহ এলাকার মান্যবর ব্যাক্তিবর্গ ।এ সময় গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা আকর্ষণীয় ডিসপ্লে ও ,(বাশঁ নৃত্য) দৌড় প্রতিযোগিতা, দীর্ঘ লাফ, বিস্কুট দৌড়, দড়ি লাফ, আবৃত্তি, নৃত্য ও যেমন খুশি তেমন সাজসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ কারি সকল বিজয়ীদের কে ,অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী পুরস্কার তুলে দেন সকল অতিথিগণ ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জনপ্রতিনিধিকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হয়: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,জনপ্রতিনিধিদের জনগণের আস্থা অর্জন করার ওপর গুরুত্বারোপ করে, জনপ্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা আছে। জনগণের আস্থা অর্জন করলে ভোট পাবেন।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস-২০২৪’ উদযাপন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাদের পুনর্বাসন করে দিয়েছি। তাদের খোঁজখবর নিয়েন। তাতে আপনাদের লাভ আছে। তাদের আস্থা অর্জন করলে নির্বাচনে ভোটটা পাবেন। জনপ্রতিনিধিকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হয়। কমিউনিটি ক্লিনিকের দিকেও খেয়াল রাখবেন। কাজগুলো যাতে যথাযথভাবে হয়। ওষুধ যাতে যথাযথভাবে বণ্টন হয়। সেদিকে খেয়াল রাখলে মানুষ উপকৃত হবে।

তিনি বলেন, করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে আমদানি ব্যয় বেড়ে গেল। দাম বেড়ে গেল। সবাইকে বলেছিলাম উৎপাদন করতে। এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। এ সময় সমবায়ের মধ্যদিয়ে সমন্বিত চাষের গুরুত্বও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে। বিদ্যুতে অনেক উৎপাদন খরচ। আমরা কিন্তু ভর্তুকি দিচ্ছি। তবে এখন থেকে যে বেশি ব্যবহার করবে, তার মূল্য বেশি দিতে হবে। সেভাবেই করতে চাই।

তিনি বলেন, খাল-বিল নদী-নালাগুলোকে রক্ষা করতে হবে। একটা পুকুর দেখলেই সেখানে ভবন করতে হবে, এই চিন্তা বাদ দিতে হবে। জলাধার আমাদের দরকার। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কোনো প্রকল্প নেওয়ার জন্য দেবেন না। সেটা যথাযথ কাজে লাগবে কিনা, সেটা দেখে দেবেন। প্রকল্প ব্যক্তির উপকার চিন্তা করে নয়, মানুষের কল্যাণের দিকে চিন্তা করে নিতে হবে।


আরও খবর



রোজার আগেই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:মার্চে বাড়ছে বিদ্যুতের দাম। তা কার্যকর করা হবে রমজান মাস আসার আগেই। এক্ষেত্রে বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট ৩৪ থেকে ৭০ পয়সা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের নতুন দাম কার্যকর হবে মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকেই। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর গেজেট মঙ্গলবার জারি হতে পারে। এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাজার বিবেচনা করে মার্চ থেকে তেলের দামও সমন্বয় করা হবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের জন্য প্রতি ইউনিট ৩৪ পয়সা দাম বাড়বে। এর উপরে প্রতি ইউনিট ধাপ ভেদে ৭০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হবে। আর যেসব ক্ষেত্রে গ্যাস ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, সেখানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম বাড়ছে ৭৫ পয়সা। তবে আবাসিক খাতে গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের দাম আপাতত বাড়ছে না বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় দাম সমন্বয় করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুত খাতে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ও গ্যাসে ৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া। তাই আগামী কয়েক বছর এভাবে বাড়িয়ে দাম সমন্বয় করা হবে। এই খাতে ভর্তুকি থেকে সরকার বেরিয়ে আসতে চায়।

এর আগে, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইটিএফসি) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। বৈঠকের পর তিনি জানান, আইটিএফসি বাংলাদেশকে ২.১ বিলিয়ন ডলার সহায়তা করবে। এর মধ্যে ৫শ’ মিলিয়ন ডলার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার জন্য, বাকি টাকা তেল কেনায় সহায়তা করবে। ভবিষ্যতে সহায়তার পরিমাণ আরও বাড়বে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।


আরও খবর



সকল সংস্কৃতির মাঝে বন্ধন সৃষ্টি করতে পারি:বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলা সম্ভব:পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০৮জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী  কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেছেন, সকল সংস্কৃতির মাঝে যদি আমরা ঐক্যের বন্ধন সৃষ্টি করতে পারি তাহলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। একইভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখা যাবে। পাহাড়িদের সংস্কৃতির সাথে অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষের সংস্কৃতি ও চেতনার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু এদেশের মাটি, আকাশ, বাতাস সবকিছুই আমাদের সকলের। এখানে কোন পার্থক্য নেই। তাই বলছি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও আচার –ব্যবহার আলাদা হলেও দেশ ও দেশের মাটি এক।  

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে রাঙ্গমাটি বীর মুক্তিযোদ্ধা চিং হ্লা মং চৌধুরী মারী স্টেডিয়ামে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত চট্টগ্রাম পাহাড়ী ৩ জেলার ১৬ সম্প্রদায়ের পরিবেশনায় ফুড এন্ড কালচারাল ফেস্টিভ্যালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, এমপি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি আমাদের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি প্রকাশ না করি, মানুষকে যদি জানতে না পারি তাহলে এগুলোর অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যাবে। আমাদের খাবারের সাথে অনেকে পরিচিত নয়। তাদের জন্য এধরনের ফেস্টিভ্যাল আরো বেশি বেশি করে আয়োজন করা দরকার। তাহলে আমাদের অতীত সর্ম্পকে সারাদেশের মানুষের কাছে ধারনা জন্ম নেবে, এবং তারা আমাদের সংস্কৃতি ও খাবারের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করবে।

অনুষ্ঠানের প্রথমেই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপিসহ অন্যান্য সকলে মিলে বেলুন উড়িয়ে ফুড এন্ড কালচারাল ফেস্টিভ্যাল ২০২৪ এর শুভ উদ্বোধন করেন। প্রতিমন্ত্রী পরে মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। এসময় অনুষ্ঠানের  বিশেষ অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফেস্টিভ্যালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা’র সভাপতিত্বে  অতিথি হিসেবে রাঙ্গামাটি আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মশিউর রহমান এনডিসি, রিজিয়ন কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সোহেল আহমেদ, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান, পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ, রাষ্ট্রদূত (অব.) তারিক করিম, AOFA-এর প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ্ আল হাসান, পার্বত্য জেলার সংগীত শিল্পী, সুরকার ও গীতিকার মনোজ বাহাদুর গূর্খা ও রুম্পা ম্রো বক্তৃতা করেন। 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আলমগীর হোসেন। মনোজ্ঞ এ অনুষ্ঠানটি ১২ জন অবসরপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত অংশ নেন। ফ্যাস্টিভ্যালে আগত সকলে খাবার স্টল ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপভোগ করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মশিউর রহমান এনডিসি বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় একসময়  খাদ্যের বৈচিত্র্যতা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যতার সম্মিলনে যে সম্মৃদ্ধ বৈচিত্রতা ছিল, তা আবারও এ ধরনের ফ্যাস্টিভাল আয়োজনের মাধ্যমে পার্বত্যবাসীর মাঝে ফিরে আসবে, মানুষকে উজ্জীবিত করবে।  তিনি পার্বত্য সকলের মাঝে আন্তরিক ও পারস্পরিক সৌহাদ্রতা গড়ে তোলার জন্য আহ্বান জানান সচিব মশিউর রহমান এনডিসি।

অনুষ্ঠানের সভাপতি সুপ্রদীপ চাকমা তার বক্তব্যে বলেন, এ ফেস্টিভ্যালের মাধ্যমে আমরা খাবারের মনোরম বৈচিত্র্য এবং ১৬ টি সম্প্রদায়ের খাদ্য ও সংস্কৃতি নিয়ে আজকের এ অনুষ্ঠান আমাদের পাহাড়ি ও বাঙালির মধ্যে একটি মিলন মেলা। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর পোশাক, আচার-ব্যবহার, খাবার-দাবার ও তাদের বাদ্যযন্ত্রের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে পেরেছি। সংস্কৃতি একটি সুগন্ধিযুক্ত খাবারের আইটেমের মতো বিভিন্ন উপাদানে মিশ্রিত। এগুলো সংরক্ষণ করে না রাখলে আগামীতে খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমি আশা করি এগুলো যদি সংরক্ষণ করে রাখা যায় তাহলে আগামীতে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যতে এগুলো স্থান করে নিতে পারবে।

ফেস্টিভ্যালে নানান রঙের পিঠাসহ রসনাবিলাসসমৃদ্ধ ঐতিহ্যবাহী বাহারি খাবারসামগ্রী দেখতে ও খেতে আসছেন দুর দুরান্ত থেকে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার  মানুষ। এরমধ্যে শিশু-কিশোরদের মাঝে বাড়তি আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, তঞ্চগ্যা, বাঙ্গালি, অহমিয়া, খেয়াং, খুমি, গুর্খা, চাক, পাংখোয়া, বম, লুসাই, রাখাইন এবং সাঁওতালসহ মেলায় ১৬টি সম্প্রদায়ের দো২কান হরেক রকম ঐতিহ্যবাহী খাবারের পসরা নিয়ে বসেছে। এ মেলা ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি  বেলা তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত চলবে।

আরও খবর

বিনামূল্যে বই পেল ২৬৬ কলেজ শিক্ষার্থী

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ট্রাফিক সিগন্যাল সচল করতে আইজিপিকে নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,রাজধানীর যানজট নিরসনে ট্রাফিক সিগন্যাল সচল করে সড়কে শৃঙ্খলা আনতে ।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণভবনে জার্মানি সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান তিনি।

দুই কোটি মানুষের নগরী ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী কোনো ব্যবস্থা নেবেন কিনা- এমন প্রশ্নের সূত্র ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি গতকাল (বৃহস্পতিবার) আইজিপির সঙ্গে কথা বলেছি, ট্রাফিক লাইটগুলোকে সচল করে দিয়ে একটা শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসার জন্য।

মেট্রোরেলের কারণে ঢাকার সড়কে যানবাহন কমার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যেহেতু আগের মত অতিরিক্ত চাপ নেই। এখন একটা সুবিধা আছে। ট্রাফিক লাইটের পদ্ধতিতে চলে গেলে... খুব বেশি সময় না, সেটা কম করে বারবার যদি চলে... চলমান থাকলে যতক্ষণই লাগুক, তখন বসে আছি- এই অনুভূতি হবে না। সেইভাবে তার (আইজিপির) সঙ্গে কথা হয়েছে। যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলে দিয়েছি।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৯ নভেম্বর গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী- রাজধানী ঢাকার সড়ক সংযোগগুলোতে মোট ট্রাফিক সিগন্যাল আছে ১১০টি। এগুলোর মধ্যে মাত্র একটিতে সিগন্যাল সচল। এর বাইরে সড়কে সাড়ে ৫০০ জায়গায় ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা দাঁড়িয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করেন।



আরও খবর