Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

দেশে করোনায় আরও ১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৪

প্রকাশিত:রবিবার ২১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৬৯জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৪৮০ জনে।

রোববার (২০ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এসময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৮ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২০ লাখ ১৪ হাজার ১৭১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা করা হয় ৫৭৪টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ০৯ শতাংশ।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দু’দিন করোনায় সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।


আরও খবর



মেহেরপুরে সাংবাদিকের উপর হামলার অন্যতম আসামী পাপ্পু জেল হাজতে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image

মেহেরপুর প্রতিনিধি :মেহেরপুরের আমঝুপিতে চ্যানেল ২৪ এর স্টাফ রিপোর্টার রাশেদুজ্জামান এবং দৈনিরক জবাবদিহি পত্রিকার সাংবাদিক সিরাজুদ্দোজা পাভেলের উপর বর্বরোচিত হামলার অন্যতম আসামি পাপ্পুকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারী) ভোরে তাকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থেকে আটক করা হয়। সে আমঝুপি গ্রামের মৃত প্যাডির ছেলে। মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে সে আটক হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কনী মিয়া, এসআই আশরাফসহ পুলিশের একটি দল।

এদিন দুপুরে পাপ্পুকে নেওয়া হয় মেহেরপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে। আদালত তার রিমান্ড ও জামিন শুনানীর দিন ধার্য করেন আগামী ২২ ফেব্রুয়ারী। পরে তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেয় আদালত।    

গেল ১২ ফেব্রুয়ারী আমঝুপিতে চ্যানেল ২৪ স্টাফ রিপোর্টার রাশেদুজ্জামান ও দৈনিক জবাবদিহি পত্রিকার সাংবাদিক সিরাজুদ্দোজা পাভেলের উপর হামলার ঘটনার মামলার এজাহার নামীয় ৪নং আসামি এই পাপ্পু। তিন দফা হামলার সময় এক দফা হামলা হয় পাপ্পুর নেতৃত্বে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই হামলার রহস্য এবং হামলাকারী অন্যান্যদের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে বলে মনে করেন ঘটনার কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী।


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মাটিরাঙ্গায় অভিভাবক ও মা সমাবেশ অনুষ্টিত

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬০জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:শিক্ষিত মা এক সুরভিত ফুল, প্রতিটি ঘর হবে একটি স্কুল, সবার জন্য মানসম্মত প্রাথমিক  শিক্ষা নিশ্চিত কল্পে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গায় গকুল পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের মা সমাবেশ অনুষ্টিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি )দুপুরের দিকে গকুল পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্টিত অভিভাবক ও মা সমাবেশে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ধর্ম জ্যোতি ত্রিপুরা,র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চত্রুবর্তী।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন, গকুল পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক মো.মাসুদ পারভেজ।

গকুল পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর শিক্ষক আইন উদ্দিন এর সঞ্চালনায় মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেমেন্দ্র ত্রিপুরা, মাটিরাঙ্গা উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অংহ্লা প্রু মারমা,  মাটিরাঙ্গা উপজেলা রিসোর্স ইন্সট্রাক্টার মো.আগজর হোসেন,মাটিরাঙ্গা সদর ইউপি সদস্য দ্বীপার মোহন ত্রিপুরা সহ জনপ্রতিনিধি,শিক্ষক, অভিভাবক, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি,র বক্তব্যে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চত্রুবর্তী  শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্কুলে পাঠানোর জন্য  অভিভাবকদের  আহবান জানিয়ে বলেন পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি নতুন কারিকুলামের বিভিন্ন বই  পড়ার জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দেন।শিশুরা জীবনের প্রথম শিক্ষাগুলো মায়েদের কাছ থেকেই পায়। শিশুর প্রথম শিক্ষক মা। তাই সবার আগে মায়েদের সচেতন হতে হবে। শিক্ষার্থীদের  জীবনের প্রতিটি সময় মূল্যবান তাই নিজেকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে ভাল ভাবে পড়া লেখা করতে হবে। মোবাইল আসক্ত থেকে শিক্ষাথীদের ধরে রাখতে হবে। শিক্ষার্থীকে শিক্ষার পাশাপাশি দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার্থীরাই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নের মাধ্যমে একদিন বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলবে।

মা সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চত্রুবর্তী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরন, খেলার সামগ্রী,শীতার্তদের মাঝে শীত বস্ত্র তুলেদেন।

আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




তানোরে ফসলী জমিতে বিষ প্রয়োগ! নষ্ট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৫জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরে ফসলী জমিতে বিষ প্রয়োগ করে ফসল হানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় জমির মালিক নজরুল বাদি হয়ে কালিগঞ্জ এলাকার আনারুল কে বিবাদী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। কিন্তু অভিযোগের দুই সপ্তাহে অতিবাহিত হলেও রহস্য জনক কারনে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। চলতি মাসের ৬ ফেব্রুয়ারী রাতে ঘটে বিষ দেয়ার ঘটনাটি। এঘটনায় কৃষক নজরুল ইসলাম চরমভাবে হতাশ হয়ে পড়েছেন।  
জানা গেছে তানোর পৌর এলাকার কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিছনে ৩০ কাঠা জমিতে পিয়াজ, গম ও আলু রোপন করা ছিল। সম্প্রতি জমি থেকে ফসল উত্তোলন হত। কিন্তু বিষ প্রয়োগ করে সব ফসল নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। কৃষক নজরুল জানান, চলতি মাসের ৭ ফেব্রুয়ারী জমির ফসল দেখতে যায়। গিয়ে দেখি সব গাছ মরে পড়ে আছে। হয়তো দু তিন আগে বিষ প্রয়োগ করেছে। এজন্য গাছ মরে লালচে হয়ে মাটির সাথে মিশে গেছে। তিল পরিমান ফসল ঘরে উঠবেনা। থানায় অভিযোগ দেয়ার পরও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। আমি এর ক্ষতি পুরুনসহ ন্যায্য বিচার চায়। যাতে করে কেউ ফসলের সাথে শত্রুতা করতে না পারে।তবে অভিযুক্ত আনোয়ার বলেন, আমাকে ফাঁসাতে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। 

স্থানীয়রা জানান,  গত  দুই আড়াই মাসে পূর্বে নজরুল ইসলাম নিজ  ৩০কাঠা  জমিতে পেঁয়াজ,আলু ও গম  রোপণ করেন। দুই সপ্তাহ পর পেঁয়াজ ও আলু  তোলার সময় হতো। কিন্তু কে বা কারা আক্রোশ মুলুক ভাবে বিষ প্রয়োগ করে পুরো জমির ফসল নষ্ট করে দিয়েছে। এটা অমানবিক কাজ। নজরুল অপরাধী হতে পারে, তাই বলে ফসল নষ্ট করতে হবে। যারাই এধরণের কাজ করবে, তাদেরকে আইনের আওতায় এনে চরম শাস্তি দেয়া প্রয়োজন। তাহলে ফসলের সাথে এমন শুক্রতা করতে সাহস পাবেনা।

থানার অফিসার ইনচার্জ ওসির সরকারি মোবাইলে কথা বলা হলে এসআই আনোয়ার রিসিভ করলে জানতে চাওয়া হয় গত ৭ ফেব্রুয়ারী অভিযোগ হয়েছে, কিন্তু কোন ব্যবস্থা হয়নি,তিনি জানান বিষয় টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে।

আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জনগনের ভোগান্তি চরমে: গাংনীতে সেতু নির্মাণ হলেও হয়নি সংযোগ সড়ক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃমেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর গার্ডার সেতু নির্মাণের তিন বছর পেরিয়ে গেলেও এক অংশের সংযোগ সড়ক নির্মান হয়নি। এখনো জমি অধিগ্রহণ না হওয়ায় আটকে আছে সড়কের কাজ। ফলে ৯ কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে গাংনী ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দাদের। তবে বিষয়টি সমাধানে জোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন স্খানীয় নির্বাহী প্রকৌশলী।

জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বামন্দী এইচডি থেকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের প্রাগপুর জিসি ভায়া মধুগাড়ি ঘাট সড়কের মাথাভাঙা নদীর ওপর গার্ডার সেতু নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০২০সালের ২ ফেব্রুয়ারী । সেতুর ব্যয় ধরা হয় ৭ কোটি ২৯ লাখ ৩২ হাজার ৯৭৯ টাকা। সেতুটি নির্মাণের ফলে মেহেরপুর ও কুষ্টিয়ার বাসিন্দারা ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ও শিক্ষাসহ নানা সুবিধা পাবে। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে সেতুটির নির্মান কাজ সম্পন্ন হলেও আজো সংযোগ সড়ক নির্মান করা হয়নি। সেতুটি নির্মানের আগে স্থানীয়রা সংযোগ সড়কের জন্য জমি দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেতু নির্মাণের পরস্থানীয়রা বেঁকে বসেছেন। স্থানীয়দের দাবি, জমি সেতুর জন্য লাগলে দেবেন, তবে এর জন্য ন্যায্যমূল্য দিতে হবে। তবে এলজিইডি বলছে, বিষয়টি সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর দুই জেলার মানুষের জন্য তৈরি (মধুগাড়ি-বেতবাড়িয়া) সংযোগ সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। সেতুর দৌলতপুর উপজেলার পাশে সংযোগ সড়ক তৈরি হলেও গাংনী উপজেলার অংশে এখনো হয়নি। সেতু নির্মিত হলেও এখনো ভোগান্তি দূর হয়নি দুপাড়ের লক্ষাধিক মানুষের। ফলে চিকিৎসাসেবা কিংবা ফসলাদি নিয়ে এপারের মানুষকে ওপারে যেতে হলে ৯ কিলোমিটার ঘুরতে হচ্ছে।

মেহেরপুর গাংনী ভবানীপুর গ্রামের ইটভাটা ব্যবসায়ি ওয়াহিদুল হক লিটন জানান, তিনি নদী পার হয়ে মধুগাড়িতে যান ইটের ভাটায়। বছর দশেক ধরেই তিনি যাতায়াত করেন। সেসময় ঘাট ইজারা নিতেন স্থানীয়রা। তখন নৌকা ও ফরাস পাতা ছিল। প্রতদিন ১০ টাকার বিনিমযাতায়াত করতে পারতেন। সেতু নির্মানের পর ইজারদারী প্রথা আর নেই। এখন ৯ কিলোমিটার ঘুরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়। গাংনী এলাকার অংশে সংযোগ সড়কটি হলে সকলেরই উপকার হতো বলে তিনি জানান।

মধুগাড়ির কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি মাইনুল হক জানান, বছর দশেক যাবত তিনি নদী পার হয়ে যাতায়াত করেন। নদীর উপর সেতু নির্মানের খবরে এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে গেলেও সেতু নির্মানের পর আর সেটি নেই। সংযোগ সড়ক না থাকায় কোন সুবিধা পাচ্ছেন না তারা। একই কথা জানালেন, গরু ব্যবসায়ী মুল্লুক মালিথা। তিনি আরো জানান, ৩০ বছর ধরে গরু বেচা কেনা করেন তিনি। আগে নৌকা ছিল কিন্তু সেতু নির্মাণেন পর আর নৌকা চলে না। এখন গাংনী এলাকায় আসতে হলে ৮/৯ মাইল ঘুরে আসতে হয়।

সবজি ব্যবসায়ি মধুগাড়ির রবিউল ইসলাম জানান, নদী পার হয়ে সবজি আনতে হয়। সংযোগ সড়ক সংযোগ না থাকায় সবজি বহনকারী ভ্যান রেখে মাথায় করে সবজি আনতে হয়। অতিদ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মানের দাবী জানান তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দা আমিরুল ইসলাম জানান, সেতুর নিচ দিয়ে তাদের প্রায় ৩৫ বিঘা জমি আছে। সেতু হলে মানুষের ভোগান্তি কমে যাওয়ার পাশাপাশি জায়গাগুলোর দামও বেড়ে যাবে। তাই ন্যায্যমূল্য পেলে সেতুর সড়কের জন্য জমি দিতে আপত্তি নেই তাদের।

গাংনী উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী ফয়সাল আহমেদ বলেন, সেতু নির্মাণের আগে স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়। তবে বর্তমান সেতুর কাজ শেষ করে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে যারা জমি দিতে চেয়েছিলেন তারা বর্তমানে আপত্তি জানাচ্ছেন। তারা বাজারমূল্যের চেয়ে দ্বিগুণ দাম চাচ্ছেন। তাই ভূমি অধিগ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়েছে। অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে অধিগ্রহনের কার্যকলাপ শুরু হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




যশোর খাদ্য বিভাগ শুরু করেছে অধিক মুনাফাখোরদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৩জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:চালের বাজার যাতে কেউ অস্থিতিশীল করতে না পারে সেই অধিক মুনাফাখোরদের ধরতে মাঠে নেমেছে যশোর খাদ্য বিভাগ। কেবল মাঠে নামেনি, ইতোমধ্য রীতিমতো সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে গত নয়দিনে এক লাখ তিন হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে যশোর খাদ্য বিভাগ। যেসব রাইসমিল মালিক এতদিন অবৈধভাবে ব্যবসা করছিল তাদের মধ্যে ৪৩ টি রাইসমিলকে নতুন করে লাইসেন্সের আওতায় আনা হয়েছে।

যশোরে গত ২১ জানুয়ারি থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নয়দিনে পাঁচটি উপজেলায় অভিযান চালিয়েছে জেলা খাদ্য বিভাগ। এই পাঁচটি উপজেলায় মোট ১৭ টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এরমধ্যে মণিরামপুরে চারটি, অভয়নগরে একটি, ঝিকরগাছায় দু’টি, শার্শায় পাঁচটি, বাঘারপাড়ায় তিনটি ও চৌগাছায় দু’টি অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় ৪৩ টি রাইসমিলকে নতুন করে লাইসেন্স গ্রহণে বাধ্য করে দপ্তরটি।

জেলা খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যশোরে সর্বমোট ১০২ টি রাইসমিল রয়েছে। এরমধ্যে ২৪ টি অটো রাইসমিল। বাকিগুলো হাস্কিং। খাদ্য বিভাগের নীতিমালা অনুযায়ী, একজন খুচরা ব্যবসায়ী ১৫ মেট্রিকটন চাল ১৫ দিন পর্যন্ত তার গুদামে রাখতে পারবেন। পাইকারি ব্যবসায়ী ৩০০ মেট্রিকটন চাল রাখতে পারবেন ৩০ দিন। আর মিল মালিকরা ৩০ দিন পর্যন্ত ছাটাই ক্ষমতার তিন গুণ চাল রাখতে পারবেন। এভাবে রাখলে সেটি মজুতের পর্যায়ে পড়বে না। এর বাইরে যা করবে তা অবৈধভাবে মজুতের পর্যায়ে পড়বে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, যশোরে এক হাজারের মতো রাইসমিলের লাইসেন্স রয়েছে। পাইকারি বিক্রেতা হিসেবে লাইসেন্স পেতে পাঁচ হাজার টাকা ফি জমা দিতে হয়। আমদানিকারকদের ১০ হাজার এবং খুচরা বিক্রেতাদের এক হাজার টাকা ফি দিয়ে লাইসেন্স গ্রহণ করতে হয়।

কর্মকর্তারা বলছেন, লাইসেন্স ছাড়া যশোরে চালের ব্যবসা করা যাবে না। প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে লাইসেন্সের আওতায় আসতে হবে। আর লাইসেন্স গ্রহণ করতে অভিযান অব্যাহত রাখবে খাদ্য বিভাগ। পাশাপাশি কেউ যাতে অবৈধভাবে মজুত গড়ে তুলতে না পারে সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন কর্মকর্তারা। যে কোনো মূল্যে অবৈধ মজুত বন্ধ করা হবে বলে জানান জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুন্ডু।

তিনি জানান, চলতি আমন মৌসুমে যশোরে দু’দফায় ১৪ হাজার ৪৬৭ মেট্রিক টন চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে খাদ্য অধিদপ্তর। প্রথম দফায় বরাদ্দ দেওয়া হয় ১০ হাজার ২০ মেট্রিক টন। এরপর অতিরিক্ত বরাদ্দ আসে চার হাজার ৪৪৭ মেট্রিক টন। এ পর্যন্ত কেনা হয়েছে ১২ হাজার ২৪০ মেট্রিক টন চাল।

এদিকে, ভোক্তারা যশোরের বড় বাজারের বিভিন্ন চালের দোকানে নজরদারি বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, এখানকার ব্যবসায়ীরা যখন তখন চালের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। ফলে, চাপে পড়ছেন তারা। ভুক্তভোগীরা বড়বাজারের দোকান গুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার কথা বলছেন।

এসব বিষয়ে যশোর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুন্ডু বলেন,‘যশোরে কোনোভাবেই কাউকে চালের মজুত করে অতিরিক্ত মুনাফা লাভের সুযোগ দেওয়া হবে না। একইসাথে চালের ব্যবসা করতে হলে তাকে অবশ্যই লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। লাইসেন্স ছাড়া কেউ চাল বিক্রি করলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকবে


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪