Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

দেশ ছেড়েছেন সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া!

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২৯৪জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার,স্টাফ রিপোর্টার: ডিএমপির সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবারের বিপুল সম্পদের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর দেশজুড়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ঈদুল আজহার ছুটি শেষে তার সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করতে পারে দুদক।

এদিকে এরইমধ্যে আছাদুজ্জামান সস্ত্রীক দেশ ছেড়েছেন। গেল সপ্তাহে তারা আমেরিকায় গেছেন। আছাদুজ্জামান দেশটিতে বিভিন্ন সম্পত্তি গড়েছেন। বিনিয়োগ করেছেন বিভিন্ন খাতে। এছাড়া সেখানে তাদের ছোট ছেলে আসিফ মাহাদীন পড়াশুনা করেন।

জানা যায়, আছাদুজ্জামান নিজ নামে, স্ত্রী আফরোজা জামান, দুই ছেলে আসিফ শাহাদাত, আসিফ মাহদীন ও মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকার নামে দেশে প্লট, ফ্ল্যাট, বাড়িসহ বিভিন্ন সম্পত্তি গড়ার পাশাপাশি আমেরিকাসহ কয়েকটি দেশেও বিপুল পরিমাণ অর্থের বিনিয়োগ করেছেন।

সম্প্রতি, সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা আছাদুজ্জামানের দুর্নীতিলব্ধ আয়ে গড়া নানা সম্পত্তির খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। আছাদুজ্জামান তা বুঝতে পেরেই আগেভাগে গা ঢাকা দেন। একপর্যায়ে গেল সপ্তাহে সস্ত্রীক আমেরিকায় চলে যান।

এদিকে গণমাধ্যমে আছাদুজ্জামানের দুর্নীতির খবর আসার পর নড়েচড়ে বসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। ঈদুল আজহার ছুটির পর তার বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত নিতে পারে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।

দুদক কমিশনার জহুরুল হক গণমাধ্যমকে বলেছেন, আছাদুজ্জামান মিয়ার সম্পদের তথ্য প্রকাশের খবর তাঁর নজরে আসেনি।... যদি সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের খোঁজ পাওয়া যায়, তাহলে দুদক ব্যবস্থা নেবে।

জানা যায়, আছাদুজ্জামান মিয়ার সম্পদের বাড়াবাড়ির বিষয়টি বেশ কয়েক বছর আগে নজরে এসেছিল দুদকের। শুরু হয় অনুসন্ধানও। তবে তা খুব একটা এগোয়নি। অনুসন্ধান না আগানোর পেছনে কারণও খুব একটা স্পষ্ট নয়।

তবে সংস্থাটির আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলছেন, ছুটির পর অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেবেন তারা। আস্থা নিয়ে পুলিশের উচ্চ পদে আসীনদের এমন কর্মকাণ্ডে, বাহিনীটিতে শুদ্ধি অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন এ জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।

‘মিয়া সাহেবের যত সম্পদ’ নামে দৈনিক মানবজমিন একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর নতুন করে শিরোনামে এলেন আসাদুজ্জামান মিয়া। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবারের সম্পদের পাহাড়। অনেক সম্পদের নথি ধরে সরজমিনে সেসবের সত্যতা মিলেছে।

এ বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘রাজনৈতিক আশীর্বাদ ছাড়া এ ধরনের দুর্বৃত্তায়ন সম্ভব নয়। একদিকে প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থ অবস্থান অপরদিকে রাজনৈতিক আশীর্বাদ একত্রিত হয়ে তাদের দুর্নীতি এবং অসামঞ্জস্য আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা আইনের সুরক্ষার পরিবর্তে ভক্ষক হয়ে গেছেন। তারা অপরাধ নিয়ন্ত্রক। তার মানে তারা জানেন কোন অপরাধ কীভাবে করতে হয়। এটা জেনে বুঝেই করেছেন ‘

‘তারা যে অসামঞ্জস্য অপরাধগুলো করেছেন প্রতিটি ক্ষেত্রেই কিন্তু এক ধরনের সহযোগী আছে। তাদের অনেকেই হয়তো জেনে বা না জেনে অংশীদার হয়েছেন। এ অবস্থায় সব অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা ছাড়া অন্য কোনো ম্যাজিক বুলেট নেই।’

আরও খবর



শেখ হাসিনা কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে কৃষিকেই গুরুত্ব দিয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image
লিয়াকত হোসাইন লায়ন,ইসলামপুর(জামালপুর) প্রতিনিধি:ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল এমপি বলছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন দেখা, বাংলার কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে কৃষিকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার।দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি  কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বাংলার কৃষক সমাজ। পিতার সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়নে- বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের কৃষকদের, নানাবিধ ভর্তুকি দিয়ে সার-বীজ, যন্ত্রপাতি ও কৃষকদের মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে, দেশের খাদ্য পুষ্টি পূরণে নিরলস ভাবে কাজ করছে।  বর্তমান সরকার কৃষকদের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

মন্ত্রী জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে বৃহস্পতিবার (১১জুলাই) দুপুরে জিল বাংলা চিনিকল আখচাষী কল্যাণ সমিতির আয়োজনে অফিসার্স ক্লাব হলরুমে সাধারণ সভায় এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের উন্নয়নে সব সময় কাজ করে যাচ্ছে। তেমনি আখচাষীদের আগের মত আখচাষ করে চিনি শিল্পকে পুনরায় উজ্জীবিত করতে হবে। তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।

এসময় দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, জিলবাংলা চিনিকল ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান,আখচাষী কল্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক মান্নান মোল্লা, শফিকুর রহমান শিবলী সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে আখচাষী কল্যান সমিতির বিগতদিনে মৃত্যুবরণকারীদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তার পানি ভাগাভাগি সম্ভব নয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৩০জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :ভারত সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়নসহ দুদেশের মধ্যে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ওই সময় নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলাদেশের দিকে তিস্তার পানি সংরক্ষণ ও পরিচালন পদ্ধতি উন্নয়নের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ দল শিগিগিরই বাংলাদেশ সফর করবে।

এ বিষয়টি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তার রাজ্যের অংশগ্রহণ ছাড়া বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তা ও গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে কোনো আলোচনা হওয়া উচিত নয়।

সোমবার (২৪ জুন) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লেখা এক চিঠিতে এই মন্তব্য করেছেন তিনি।

চিঠিতে মমতা বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তার পানি ভাগাভাগি করা সম্ভব নয়। কারণ পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলের মানুষের সেচ ও পানীয়র জন্য পানির প্রয়োজন। তিনি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে তিস্তায় পানির প্রবাহ কমে গেছে এবং ধারণা করা হচ্ছে যদি বাংলাদেশের সাথে পানি ভাগাভাগি করা হয়, তাহলে উত্তরবঙ্গের লাখ লাখ মানুষ সেচের পানির অপ্রতুলতার কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

মোদিকে লেখা চিঠিতে মমতা বলেছেন, এছাড়া উত্তরবঙ্গের বাসিন্দাদের পানীয় জলের চাহিদা মেটাতেও তিস্তার পানির প্রয়োজন। তাই বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তার পানি ভাগাভাগি করা সম্ভব নয়।

নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে আলোচনার একদিন পর সোমবার ওই চিঠি লিখেছেন মমতা। এতে তিনি বলেছেন, রাজ্য সরকারের পরামর্শ এবং মতামত ছাড়া এই ধরনের একতরফা আলোচনা ও পরামর্শ গ্রহণযোগ্য কিংবা কাম্য নয়।

মমতা লিখেছেন, আমি বুঝতে পেরেছি, ভারত সরকার ভারত-বাংলাদেশ ফারাক্কা চুক্তি (১৯৯৬) পুনর্নবায়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে; যার মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হতে চলেছে। আপনি জানেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পানি বণ্টনের পরিমাণ নির্ধারণের এই চুক্তির পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ওপর বিশাল প্রভাব রয়েছে।’’ পশ্চিমবঙ্গের জনগণ এই ধরনের চুক্তিতে ‌‌সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেন তিনি।

ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময়, ভারত-বাংলাদেশ রেলপথ ও বাস পরিষেবা চালুর দিকে ইঙ্গিত করে পশ্চিমবঙ্গের এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে বাংলাদেশের সাথে কয়েকটি বিষয়ে সহযোগিতা করেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য।

তবে পানি অত্যন্ত মূল্যবান এবং মানুষের জীবন বাঁচানোর হাতিয়ার। আমরা এমন একটি সংবেদনশীল ইস্যুতে আপস করতে পারি না; যা জনগণের ওপর মারাত্মক এবং বিরূপ প্রভাব ফেলে, চিঠিতে লেখেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলীয় নদী তিস্তার পানি বন্টনের প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, সিকিমে কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ এবং নদীর ঊর্ধ্ব জলাভূমি এলাকায় বন উজাড়ের কারণে ভারতের দিকে তিস্তা ইতিমধ্যে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এখন ভাগাভাগি করার মতো পর্যাপ্ত পানি নেই।

মমতা লিখেছেন, বৈঠকে ভারত সরকার বাংলাদেশে তিস্তাকে পুনরুজ্জীবিত করার ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে। আমি অবাক হয়েছি যে, জলশক্তি মন্ত্রণালয় ভারতে নদীটিকে তার আসল রূপে ফেরানোর জন্য কোনও দৃঢ় পদক্ষেপ নেয়নি।


আরও খবর



সুন্দরগঞ্জে সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিতকরণে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সমন্বয় সভা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৬৪জন দেখেছেন

Image
সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১০ জুলাই) বিকেলে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসকেএস ফাউন্ডেশনের প্রদৃপ্ত প্রকল্প এ সভার আয়োজন করেন।

MACP-এর অর্থায়নে ও কেয়ার বাংলাদেশের কারিগরী সহযোগিতায় সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জাফর আহমেদ লস্কর।

প্রদৃপ্ত প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার ফারুক হোসাইনের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন প্রদৃপ্ত প্রকল্পের সিনিয়র অফিসার শারমিন বেগম, ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মোছা. মুন্নী বেগম, রেখা রানী সরকার, গণমাধ্যমকর্মী সুদীপ্ত শামীম, বেলকা ইউনিয়নের অংশগ্রহণকারী নজরুল ইসলাম প্রমূখ।

সমন্বয় জানানো হয়, যুবগোষ্ঠীকে চিহ্নিতকরে যুবদের জীবন দক্ষতা এবং যুব উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণের মাধ্যমে যুব ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা, যুবদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং কর্মসংস্থান তৈরি করতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কাজ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে৷

সমন্বয় সভায় প্রকল্পভূক্ত বেলকা ও কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের ১৮ জন যুব-কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



অবরোধ প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১১৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:চতুর্থদিনের মতো কোটা বাতিলের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ করে কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা। অবরোধ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবরোধ কর্মসূচিরও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় শাহবাগ মোড়ে,রোববার (৭ জুলাই) বিকেল ৩টায় সারাদেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি শুরু হবে বলে অবরোধ শেষে এই ঘোষণা দেন কোটা আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম।

শনিবার (৬ জুলাই) বিকেল ৩টায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হল থেকে আলাদা ব্যানারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে জড়ো হন। পরে সেখান থেকে বিশাল মিছিল নিয়ে হলপাড়া-ভিসি চত্বর-টিএসসি-বকশিবাজার-বুয়েট-ইডেন কলেজ-হোম ইকোনমিকস-নীলক্ষেত-টিএসসি হয়ে বিকেল ৫টায় শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।


আরও খবর



বরগুনায় কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ পুলিশসহ একাধিক শিক্ষার্থী আহত

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৩২জন দেখেছেন

Image
অলিউল্লাহ্ ইমরান বরগুনা প্রতিনিধি:বরগুনায় কোটা বিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ  করে বিক্ষোভ ও সমাবেশে করলে পুলিশের লাঠিচার্জ হামলায় আন্দোলনকারী একধিক ছাত্র- ছাত্রী ও একজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেল সারে তিনটার দিকে বরগুনা পাবলিক লাইব্রেরির সামনে থেকে কোটা আন্দোলনের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক হয়ে বরগুনা প্রেসক্লাব চত্বরে এসে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। 

শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানায়, কোটা বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে পাবলিক লাইব্রেরি থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের প্রেসক্লাব চত্বরে জড়ো হয় শিক্ষার্থীরা। সে সময় পুলিশ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করেন। এতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে লাঠিচার্জে আন্দোলনকারীর একাধিক ছাত্র- ছাত্রী আহত হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে বরগুনা শহর থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।


বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আঃ হালিম বলেন, শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করলে পুলিশ যেয়ে রাস্তা অবরোধ মুক্ত করেন। বরগুনাকে শান্ত সুষ্ঠু রাখতে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কোন শিক্ষার্থী আহত নেই। এখন সব স্বাভাবিক। এ ঘটনায় কেউ আটক নেই। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম মিঞা বলেন, আমরা কোটা আন্দোলনের বিক্ষোভ সমাবেশে এসে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি। এখন পরিবেশ স্বভাবিক রয়েছে। তবে শহরে পরিবেশ, পরিস্থিতি কোন ভাবে যেন অশান্ত না হয় সেদিকে আমরা সোচ্চার রয়েছি।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর