Logo
আজঃ শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ডেঙ্গুতে মানুষ মারা যাওয়া স্বাভাবিক ঘটনা হতে পারে না: জিএম কাদের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ২৮৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। একই সঙ্গে বাড়ছে মানুষের মৃত্যুর সংখ্যাও। গত তিন দিনে প্রতিদিন তিন হাজারের চেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বাসা-বাড়িতে কত সংখ্যক মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন তার কোনো হিসাব নেই।

বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করেন মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবু রহমান খশরু। এসময় নিউ সুপার মার্কেট দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হাজী মোহাম্মদ হোসেন, ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল মামুন, বলাকা শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি মো. আব্দুর রহিম অপু, আনিছুর রহমানসহ শতাধিক ব্যবসায়ী দলটির চেয়ারম্যানের হাতে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন।

জিএম কাদের বলেন, প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হবে আর এর মধ্য থেকে কিছু সংখ্যক মারা যাবে, এটাই যেন স্বাভাবিক। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারা যাবে এটা স্বাভাভিক ঘটনা হতে পারে না। ডেঙ্গুর ভয়াবহতা নিয়ন্ত্রণে কারো যেন দায় নেই। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, এ মাসের ১৯ দিনেই ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। এ বছর ডেঙ্গুতে ৮৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে, সাধারণ মানুষের ধারণা এই মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেশি। এ পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৯৫ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, ডেঙ্গুর লার্ভা কমছে না, তাই আক্রান্তের সংখ্যাও কমছে না। ডেঙ্গুর বিষয়ে সাধারণ মানুষ অধিক শোকে পাথর হয়ে গেছে। তারা আর এই বিষয়ে কথা বলতে চায় না। হাসপাতালে জায়গা দেওয়ার ক্ষমতা নেই।

কাদের আরও বলেন, আমরা ডেঙ্গু নিয়ে কথা বললে নাকি দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। তাই এটাকে তারা রাষ্ট্রদ্রোহী বিবেচনা করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বানাতে চাচ্ছে।

তিনি বলেন, রাজধানীতে ডেঙ্গু নিধনে দুই সিটি করপোরেশন নাটক করছে। ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দেখলেই বোঝা যায়, তাদের কোনো সফলতা নেই। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, রাজধানীর বাইরেও ডেঙ্গু নিধনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। আবার ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য পর্যাপ্ত স্যালাইন পাওয়া যাচ্ছে না। প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠী জীবন রক্ষাকারী স্যালাইন কালোবাজারে নিয়ে কয়েকগুন মুনাফা করছে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের প্রধান কাজ হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা। মশা-মাছি নিয়ন্ত্রণ করতে তাদের ভূমিকাই বেশি। এখন আমদের দেশের শহরগুলো আফ্রিকার অনেক শহরের চেয়েও নোংরা। পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের কাজ এখন বড় বড় ভবন করা ও ঠিকাদারের সাথে কমিশন ম্যনেজমেন্ট করা। সেখানে এই লীগ, সেই লীগসহ বিভিন্ন লীগকে চাঁদা দিতে হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় পার্টির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুল হক চুন্নু, দলটির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অতিরিক্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল আলম রুবেল প্রমুখ। 


আরও খবর



পত্নীতলায় সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালিত

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image
দিলিপ চৌহান, পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:পত্নীতলায় জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে সাঁওতাল বিদ্রোহের মহানায়ক সিধু ও কানুর স্মরণে ১৬৯তম ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার দুপুরে নজিপুর পুরাতন বাজার পত্নীতলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভানেত্রী বিচিত্রা তির্কীর সভাপতিত্বে ও জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নরেন চন্দ্র পাহান এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পত্নীতলা প্রেসক্লাব ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি সভাপতি আলহাজ্ব বুলবুল চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক দিলীপ চৌহান, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধক্ষ্য মার্টিন মুরমু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদ নওগাঁ সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নিতাই চন্দ্র পাহান, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ পত্নীতলা  উপজেলা শাখা সাধারণ সম্পাদক পরেশ টুডু, মান্দা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নিপেন মুন্ডা, মহাদেবপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল পাহান, জেলা আদিবাসী ছাত্র পরিষদ সভাপতি মিঠুন পাহান, দপ্তর সম্পাদক শাকিল পাহান, জাতীয় আদিবাসী ছাত্র পরিষদ পত্নীতলা উপজেলা শাখা সভাপতি পলাশ পাহান, সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত পাহান,  উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মমতা রানী মহন্ত, দিলীপ কুমার দাস প্রমুখ।

বক্তারা বলেন এ বছর সাঁওতাল বিদ্রোহের ১৬৯ বছর পূর্ণ হচ্ছে। ইংরেজদের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ফিরিয়ে আনার সংগ্রামের নাম সাঁওতাল বিদ্রোহ। এ বিদ্রোহই ছিল ইংরেজদের দেশ থেকে বহিষ্কার করার প্রথম আন্দোলন। আজ থেকে ১৬৯ বছর আগে ১৮৫৫ সালের এই সাঁওতাল সম্প্রদায়ের চার ভাই সিদু-কানহু-চানদ ও ভাইরোর নেতৃত্বে সাঁওতালরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। এ যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ সৈন্য ও তাদের দোসর অসৎ ব্যবসায়ী, মুনাফাখোর ও মহাজনদের অত্যাচার, নিপীড়ন ও নির্যাতনের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করা। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও সাঁওতালরা অধিকার থেকে বঞ্চিত।

আরও খবর



সৈয়দপুরে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে ভেজাল চিপস

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | ১৩২জন দেখেছেন

Image

জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:সৈয়দপুর শহরের প্রায় ১০/১২ স্পটে প্রায় প্রকাশ্যেই তৈরি হচ্ছে শিশুদের লোভনীয় ভেজাল চিপস।অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কি কি উপাদান দিয়ে এসব চিপস তৈরি করা হচ্ছে তা কেউ জানে না। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তৈরিকৃত চিপসে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক রং মিশার খবর জেনেও কেন নিশ্চুপ তা অনেকের মাঝে প্রস্ন দেখা দিয়েছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আবাসিক এলাকার মধ্যে পরিবেশের কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়াই গড়ে উঠেছে ওইসব চিপস কারখানা। দীর্ঘ দিন ধরে নোংরা পরিবেশে ও ক্ষতি কারক রং মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে চিপস। আটা-ময়দার সঙ্গে অপরিশোধিত লবণ, কাপড়ের রং মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে রিং চিপস। আবার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খোলা মাঠে রোদে শুকিয়ে প্যাকেট জাত করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। আর শিশুরাই ওইসব চিপসের প্রধান ভোক্তা। 

স্থানীয়রা জানান,সৈয়দপুর শহরের ২/৩ টি চিপস কারখানা ছাড়া কোন কারখানায় কখন চিপস তৈরি করা হচ্ছে তা অনেকেই জানতে পারে না। কারণ মাঝ রাতেও কারখানা চলার নজির আছে । প্রশাসনের চোখের সামনেই দিনে ও রাতে চিপস বানিয়ে অন্যত্র বিক্রি করছেন কারখানার মালিকরা।

সৈয়দপুর শহরের সুলতানুল উলুম মাদরাসা সংলগ্ন একটি চিপস  কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, এ কারখানার বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়াই কারখানার খোলা-মাঠে নানা রঙের রিং চিপস রোদে শুকাতে দেওয়া হয়েছে। চারদিক থেকে ধুলাবালি এসে পড়ছে। শ্রমিকেরা পায়ে ঠেলে রিং চিপস রোদে সুকাচ্ছেন। সেখানে দুর্গন্ধযুক্ত পানি ব্যবহার হচ্ছে ওই চিপস তৈরিতে। শুধু তাই নয়, চিপস এর কাঁচামাল তৈরি করার সময় শ্রমিক পোশাক ছাড়াই খালি হাতে তা তৈরি করছেন। চিপস তৈরির মেশিনের নিচেই স্যাঁতস্যাঁতে অবস্থা দেখা গেছে। তার পাশে দুর্গন্ধযুক্ত একটি বালতি ময়দা মাখানো পড়ে আছে। যেখানে আটা মাখানো হচ্ছে তার পাশে পড়ে রয়েছে সিগারেটের ছাই ও প্যাকেট সহ ময়লাযুক্ত স্যান্ডেন।। 

কারখানার এক কর্মচারী জানান, এভাবেই দীর্ঘ ৫-৬ বছর ধরে আমরা চিপস তৈরি করে আসছি। এতে আমাদের কেউ কোন বাধা দেয়নি। তবে বছর খানিক আগে প্রশাসন এসে জড়িমানা করেছিলেন, কিন্তু এরপরেও মালিকের টনক নড়েনি। এছাড়া শহরের বাশবাড়ি টালি মসজিদ সংলগ্ন বাবু, বোতলাগাড়ি ইউনিয়ন যাওয়ার পথে মনছুরের ইটভাটা সংলগ্ন ইসমাইল সহ আরো ক'জন ক্ষতিকারন রং মেশানো চিপস উৎপাদন করে কোটি টাকার মালিক বনেছেন। প্রসাশনের অর্থের দরকার পড়লে বছরে একবার অভিযান চালিয়ে জড়িমানা করলেও একটিরও সিলগালা করেননি।

শহরের বেশ ক'জন ব্যবসায়ী বলেন, ওইসব চিপস কারখানার মালিকদের ২/১ জন ছাড়া অনেকেরই প্রয়োনীয় কোন কাগজ পত্র নাই। তারা মাঝে মধ্যে বিএসটিআই পরিচয় দানকারি কিছু কর্মকর্তাদের সেলামি দিয়ে প্রকাশ্যেই চুটিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। শিশুদের স্বাস্থ্য হানি করে বনে যাচ্ছেন কোটিপতি। 

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ওয়াসিম বারি জয় ও মেডিকেল ডিপার্টমেন্ট থেকে বলা হয়,ওইসব চিপস শিশুদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ এই চিপস খেলে ডাইরিয়া,উচ্চ-রক্তচাপ, স্টোক,আলসারের মত রোগ হতে পারে। শিশুদের ডায়রিয়া হয়ে হতে পারে স্বাস্থ্য হানি। 

শহরের ভেজাল শিশু খাদ্য ও চিপস কারখানায় অভিযান চালিয়ে আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানান এলাকাবাসী।


আরও খবর



শিক্ষার্থীরাই হবে আগামী বাংলাদেশের কর্ণধার: ধর্মমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image

লিয়াকত হোসাইন লায়ন, জামালপুর প্রতিনিধি:ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরিদুল হক খান দুলাল এমপি বলেছেন,আজকের কৃতি শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের কর্ণধার। এই শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে উঠে আসবে আগামীর প্রধানমন্ত্রী, এমপি, মন্ত্রী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার আজকে যারা সফলতার সাথে জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতকার্য হয়েছ তোমরা সকলে আমাকে কথা দিতে হবে আগামী দু'বছর তোমরা পরিশ্রম করে পড়ালেখা করবে। কারণ তোমাদের হাতেই নির্ধারিত হবে আগামীর ডিজিটাল বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।  

জামালপুরের ইসলামপুরে শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকালে ঢাকাস্থ ইসলামপুর উপজেরা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের আয়োজনে এইচ আর খান ফাউন্ডেশনের সার্বিক সহায়তায় ফরিদুল হক খান দুলাল অডিটোরিয়া   ২০২৪ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫১৮জন কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

ঢাকাস্থ ইসলামপুর উপজেরা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের সভাপতি গোলাম রব্বানী জনির সভাপতিত্বে এতে জেলা প্রশাসক শফিউর রহমান,সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব এ এস এস আব্দুল হালিম, উপজেরা নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম,জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মোস্তফা আল মাহমুদ, সহকারী কমিশনার ভুমি সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম,এএসপি অভিজিত দাস,মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা,ইসলামপুর কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ,এইচ আর খান ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষক মিজানুর রহমান খান স্বপন, ঢাকাস্থ ইসলামপুর উপজেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাজেদুর রহমান,প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

পরে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের হাতে প্রশংসাপত্র তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



নির্বাচিতদের আইনের প্রতি যদি ধারণা না থাকে,তাহলে পরিষদের পূর্ণতা আসবে না: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ১৪৫জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব এ্যাড. আ. ক. ম মোজাম্মেল হক (এমপি) বলেছেন, উপজেলা পরিষদের যারা নব নির্বাচিত হয়েছেন, তারা কিভাবে পরিষদ চালাবেন? সেই আইনের প্রতি যদি তাদের ধারণা না থাকে, তাহেল পরিষদ পরিচালনায় পূর্ণতা আসবে না। এছাড়াও আইন যা বলে যদি সেই মতে কাজ করেন। এক্ষেত্রে সরকার যদি বিরূপও থাকে তাহলে সরকার কোনো কিছু করতে পারবে না।

তিনি সোমবার দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে নবনিবার্চিত উপজেলা পরিষদের ১ম মাসিক সমন্বয় সভায় এসব কথা বলেন। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সভায় সভাপতিত্ব করেন নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম আজাদ। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহাম্মেদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন শাহীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শরিফা আক্তারসহ আরো অনেকে। এসময় উপস্থিত ছিলেন-কালিয়াকৈর পৌরসভার মেয়র মজিবুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রজত বিশ্বাস, কালিয়াকৈর থানার ওসি অপারেশন জোয়ায়ের আহম্মেদসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।

তিনি আরো বলেন, আমি ৩৫ বছর ধরে ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে স্থানীয় সরকারের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। সে সুবাধে স্থানীয় সরকারের সাথে আমার একটি গভীর সম্পর্ক। আইনগত যেভাবে ইউনিয়ন পরিষদ চালানোর কথা সেভাবে স্থানীয় চেয়ারম্যানগণ পরিষদ পরিচালনা করেন না। পাঁচ বছর পর পর ইউনিয়ন পরিষদের ট্র্যাক্স নির্ধারণ করতে হয়। আমাদের সময় ৭৫ ভাগ ট্র্যাক্স আদায় করার নিয়ম ছিল। কোন ইউনিয়ন পরিষদ যদি ৭৫ ভাগ ট্র্যাক্স আদায় করতে না পারে, নিয়ম অনুযায়ী সে ইউনিয়ন পরিষদ বাতিল হবে। ট্র্যাক্স প্রদানকারীদের সাথে স্থানীয় পরিষদের সদস্যদের সুসর্ম্পক রাখতে হবে। তাহলে মানুষ ট্র্যাক্স প্রদানে উৎসাহিত হবে।

মন্ত্রী বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের যে আইন আছে সে আইন যদি আপনারা প্রয়োগ না করেন, তাহলে জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে পারবেন না। কেউ যদি ট্র্যাক্স পরিশোধ না করে, তাহলে সে পরিমান তার সম্পদ ইউপি চেয়ারম্যান ক্রোক করতে পারবেন।

এছাড়া কাজীদের কাছ থেকে ট্র্যাক্স আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নির্দেশ প্রদান করেন। এসময় কমিউনিটি সেন্টার, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে নিয়মিত সেবা প্রদান হয় কিনা? সে দিকে খোঁজখবর রাখার জন্য স্থানীয় পরিষদের প্রতি আহব্বান জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।


আরও খবর



আলোচিত সেই রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান ওএসডি

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ১০২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য মতিউর রহমানকে বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইবুনালের সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে তাকে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা করেছে।

রোববার (২৩ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের উপসচিব মকিমা বেগম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের সভাপতি মো. মতিউর রহমানকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হলো। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

কোরবানির ঈদের আগে মতিউর রহমানের ছেলে ইফাত ১৫ লাখ টাকায় ছাগল কিনে আলোচনায় আসেন। এরপর বেরিয়ে আসে ইফাতের কোটি টাকার গাড়ি ও আভিজাত জীবনযাপনের নানা তথ্য। ধীরে ধীরে গণমাধ্যমে উঠে এসেছে মতিউর রহমানের স্ত্রী, ছেলে ও কন্যাদের সম্পদের নানা তথ্য।

মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এরপরই তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো। পাশাপাশি সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকেও বাদ পড়তে যাচ্ছেন মতিউর রহমান। এরই মধ্যে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মৌখিকভাবে বিষয়টি মতিউর রহমানকে জানিয়েছে। ব্যাংকের সিইও আফজাল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, ঈদের ছুটির পর এখনও কর্মস্থলে যোগ দেননি মতিউর রহমান। রোববার সকালে ভ্যাট ও কাস্টমস আপিলাত ট্রাইবুনালের তাকে পাওয়া যায়নি। কর্মচারীরা জানান, ঈদের ছুটির পর কর্মস্থলে যোগ দেননি আলোচিত-সমালোচিত রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান।


আরও খবর