Logo
আজঃ বুধবার ২২ মে ২০২৪
শিরোনাম

ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩৩

প্রকাশিত:রবিবার ২১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৩৮৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৩ জন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৫১ জন।  

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের ২২ জনই ঢাকার বাসিন্দা। আর ঢাকার বাইরের ১১ জন। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের ১২৫ জন ঢাকার এবং ২৬ জন ঢাকার বাইরে।

প্রসঙ্গত, দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করে ২০১৯ সালে। ওই বছর ১ লাখের বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। মারা যান ১৪৮ জন। পরের বছর ডেঙ্গু রোগের বিস্তার ঘটেনি। ২০২১ সালের মাঝামাঝি ও ২০২২ সালে এসে উদ্বেগজনকহারে বাড়তে থাকে ডেঙ্গু রোগী।


আরও খবর



মধুপুরে চুরি করতে গিয়ে গৃহবধূকে হত্যার চেষ্টা- চোর গ্রেফতার

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃটাঙ্গাইলের মধুপুর পৌর শহরের চাড়ালজানী এলাকায় ২ মে  রাত্রি আনুমানিক সাড়ে সাতটার দিকে  নরেশ প্রসাদ এর বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে তার স্ত্রী অমৃতা রানি সরকারকে হত্যার চেষ্টা করে ১ভরি ৪আনা ওজনের গলার চেইন নিয়ে যায় অভি চক্রবর্তি নামের এক মাদক সেবি। নরেশ প্রসাদ জানান,আমি চাকুরির সুবাদে ঢাকা থাকায় আমার স্ত্রী অমৃতা রানি সরকার বাড়িতে একাই বসবাস করেন।

অভি চক্রবর্তী চুরি করার উদ্দেশ্যে আমার বসত ঘরের ভিতরে প্রবেশ করলে আমার স্ত্রী অভি চক্রবর্তীকে দেখে ডাক চিৎকার শুরু করলে অভির হাতে থাকা চেলাই রেঞ্জ দিয়ে আমার স্ত্রীর মাথায় বাড়ি মারিয়া মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। সাথে সাথে আমার স্ত্রী বিছানায় লুটিয়ে পরলে চোর  অভি চক্রবর্তী আমার স্ত্রীর মুখে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা করলে আমার স্ত্রী নিজে কে বাঁচানোর জন্য আসামি অভির ডান হাতের বৃদ্ধা আঙ্গুলে কামড় দিলে সে  আমার স্ত্রী কে ছেড়ে দিয়ে তার গলায় পরিহিত ১ভরি ৪আনা ওজনের একটি স্বর্নের চেইন নিয়ে পালিয়ে  যায়। 

আমার স্ত্রীর ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন আগাইয়া আসে পরবর্তীতে আমার ভাতিজা শুভ চৌহান সংবাদ পাইয়া ঘটনাস্থলে আসিয়া আমার স্ত্রীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে  স্হানীয় লোকজনের সহায়তায় চিকিৎসার জন্য দ্রুত মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যায়।এব্যাপারে মধুপুর থানায় ৩ মে একটি মামলা  হয়েছে। মামলার পরপরই মধুপুর থানা পুলিশ খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিকে সনাক্ত করে তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



তানোরে সেচ অরাজকতা ও প্রচন্ড তাপমাত্রায় কমেছে ধানের ফলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:বরেন্দ্র অঞ্চল হিসেবে কৃষি ভান্ডার খ্যাত, খরা প্রবন এলাকা রাজশাহীর তানোর উপজেলাটি। এবারে চলতি বোরো মৌসুমে গভীর অগভীর নলকূপের সেচ অরাজকতা এবং প্রচন্ড তাপমাত্রার কারনে বিঘায় ৬ থেকে ৭ মন করে ধানের ফলন কমেছে বলে নিশ্চিত করেন কৃষকরা। গত মৌসুমে বিঘায় যদি ২৬ মন ফলন হয়েছে,  এবার কমে প্রকার ভেদে ১৮ থেকে ২০ মন করে ফলন হয়েছে। অথচ গত মৌসুমেের চেয়ে এবারে দ্বিগুণ খরচ হয়েছে প্রতি বিঘায়। অতিরিক্ত সেচ, সার কীটনাশকের বাড়তি দাম এবং শ্রমিক সংকটের জন্য  উৎপাদন খরচ হয়েছে প্রচুর পরিমানে। যাদের নিজস্ব জমি তাদের কোন রকমে খরচের টাকা উঠেছে, তবে যারা টেন্ডার নিয়ে  জমি চাষ করেছেন  তাদের বিঘায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা করে লোকসান গুনতে হয়েছে।তানোর পৌর সদর এলাকার কৃষক সাহেব আলী বলেন বিল কুমারী বিলে ৬ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপন করেছিলাম। কিন্তু সঠিক সময়ে সেচ না পাওয়া এবং তীব্র তাপদহের কারনে বিঘায় ৬ থেকে -৭ মন ধান কম ফলন হয়েছে। গত মৌসুমে ৬ বিঘায় রোপন করে বিঘায় ৩০ থেকে- ৩২ মন করে ফলন হয়েছিল।  এবার বিঘায়  ২৪-২৫ মন করে ফলন হয়েছে। তিনি আরো বলেন শাওন বিলে ৬ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপন করে তারও একই অবস্থা। আব্দুস সালাম সাড়ে তিন বিঘা জমিতে রোপন করে ফলন কম পেয়েছে । প্রতি বিঘায়  রোপন থেকে মাড়ায় পর্যন্ত ১৯ হাজার টাকা  থেকে ২০ হাজার টাকা  আবার যাদের জমি দূরে তাদের ২২ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে। কোন রকমে উৎপাদন খরচ উঠে আসছে।তানোর পৌর সদর এলাকায় সাড়ে ২৮ কেজিতে এক মন হিসেব ধরা হয়। আর পৌর এলাকার বাহিরে ৩৮ কেজিতে এক মন হিসাবে সবকিছু হয়।সাহেব জানান, গত সপ্তাহে এক মন ধান বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা করে। গত দুদিন ধরে কমে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক বিঘায় ২২ মন ফলন হলে ৯০০ টাকা মন ধরা হলে ১৯ হাজার  ৮০০ টাকা আসে। আবার যাদের বিঘায় উর্ধ্বে ২৫ ফলন হয়েছে ৯০০ টাকা মনে ২২ হাজার ৫০০ টাকা আসে।

কৃষক মফিজ জানান, ধান কাটার সময় তীব্র তাপমাত্রার সাথে ছিল প্রচন্ড খরতাপ। কোনভাবেই জমিতে টিকে থাকা যেত না। খাবার স্যালাইন পানি খেয়ে কোন কাজ হত না। কিন্তু জমিতে পাকা ধান কাটতেই হবে। এত কষ্ট করার পর যদি দিনের দিন সিন্ডিকেট করে ধানের দাম কমে যায় তাহলে কৃষকরা যাবে কোথায়। মিল মালিকদের সিন্ডিকেটের কারনে ধানের দাম কমছে। অথচ প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়তি। তাহলে যে কৃষক ফসল উৎপাদন করে দেশকে খাদ্যে ভরপুর করছে সেই কৃষকদের সাথে কেন এমন প্রতারনা করা হচ্ছে। কার ইশারায় কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেনা। একদিকে সেচের অভাবে কমেছে ফলন অন্যদিকে দিনের দিন কমতেই আছে ধানের দাম। আর কৃষি দপ্তর ঠান্ডা রুমে বসে রিপোর্ট দিচ্ছেন। যত মরন পা ফাটা কৃষকের। কৃষকের কথা কেউ ভাবেনা। তাহলে সেচ পানি সার কীটনাশক নিয়ে ইচ্ছে মত সিন্ডিকেট হত না।তবে কৃষি অফিসের এমন কাল্পনিক তথ্য মানতে নারাজ কৃষক রা। কারন উপজেলায় দুভাগে মনের হিসাব চলমান। ৩৮ কেজিতে একমন আবার সাড়ে ২৮ কেজি তে একমন হিসেবে ফলন কেনা বেচা হয়ে থাকে। আর কৃষি অফিস ৪০ কেজিতে এক মনের হিসাব করে থাকে। সুতরাং স্থানীয় হিসেবের সাথে কৃষি অফিসের হিসেবে অনেক ফারাক দেখছেন কৃষকরা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অফিসের এক ব্যক্তি জানান এবার সেচ এবং প্রচন্ড খরতাপ, অতিরিক্ত তাপদহের কারনে বিঘায় ফলন কম হয়েছে এমন হিসেব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু গত মৌসুমের হিসেব বলবত রাখতে বাধ্য করা হয়েছে।কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়,  এবারে উপজেলায় ১৪ হাজার ২৬০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে। এপর্যন্ত  ৭ হাজার ১৩৫ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। ফলন ধরা হয়েছে বিঘায় হাইব্রিড সাড়ে ২৬ মন এবং উপশী বিঘায় ২৩ মন করে।স্বর্ন প্রদক প্রাপ্ত আদর্শ কৃষক নুর মোহাম্মদ বলেন, বোরো মৌসুমে সেচ নিয়ে ব্যাপক অরাজকতা চলে। সময় মত সেচ দিতে চায় না। আবার অতিরিক্ত সেচ হার। আবার ছিল রেকর্ড পরিমাণ  তাপমাত্রা একারনে ফলন কম হয়েছে।

এবিষয়ে জানতে উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

আরও খবর



খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য অফিস,এর আয়োজনে নারী সমাবেশ ও মতবিনিময়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মে ২০24 | ৮২জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে সরকার ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে  নারী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সোমবার (৬ মে)  সকালের দিকে  খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে খাগড়াছড়ি  গোলাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উন্নত ও সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নারী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভায় খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য অফিসার মোঃ বেলায়েত হোসেন এর সভাপতিত্ত্বে  সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,  খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান,। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার)।

এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ত্রুাইম এন্ড অপস) মো.জসীম উদ্দিন   খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শানে আলম,  খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা ইসলাম, গোলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান উল্ল্যাস ত্রিপুরা। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার) বলেন, বাল্যবিবাহ নারীদের উন্নয়নের অন্যতম বাঁধা। নারীর ক্ষমতায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। অন্যান্য অতিথিবৃন্দ সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড, ভিশন-২০৪১, স্মার্ট বাংলাদেশ ধারনা, সর্বজনীন পেনশন স্কিম, নারীর ক্ষমতায়ন, বাল্যবিবাহ ও গুজব প্রতিরোধ করতে সকলকে এক সাথে কাজ করার আহবান জানান।

প্রধান অতিথি,র বক্তব্যে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান বলেন, সরকার উন্নত ও সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। নাগরিকদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করেছেন। যা যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত। জনসাধারণের অংশগ্রহণ এবং সম্পৃক্ততার মাধ্যমে সরকারের এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্যবৃন্দ, হেডম্যান -কার্বারী সংবাদকর্মী, তৃণমূলের নারীরা অংশগ্রহণ করেন। 

আরও খবর



এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ সোমবার থেকে, যেভাবে করবেন আবেদন

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে গড় পাসের হার ৮৩ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। প্রকাশিত ফলাফলে কারও কাঙ্ক্ষিত ফল না এলে সে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন বা খাতা চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন।

সোমবার (১৩ মে) থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। চলবে ১৯ মে পর্যন্ত।

আন্তশিক্ষাবোর্ডের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তপন কুমার সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, সোমবার (১৩ মে) থেকে পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন শুরু হবে, চলবে ১৯ মে পর্যন্ত।

তিনি জানান, ফলাফলে কেউ অসন্তুষ্ট হলে তিনি চাইলে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে মাধ্যমে ঘরে বসেই তিনি এ আবেদন করতে পারবেন। পরে বোর্ড তার খাতা যাচাই-বাছাই করে দেখে আবেদন নিষ্পত্তি করবেন।

যেভাবে আবেদন করতে হবে: শুধুমাত্র টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল ফোন থেকে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা যাবে। আবেদন করতে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে RSC বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর রোল নম্বর বিষয় কোড লিখে Send করতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

ফিরতি এসএমএ-এ আবেদন বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন দেওয়া হবে। এতে সম্মত থাকলে মেসেজ অপশনে গিয়ে RSC Yes PIN Contact Number (যেকোনো অপারেটর) লিখে Send করতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

ফল পুনর্নিরীক্ষণে ক্ষেত্রে একই এসএমএস-এর মাধ্যমে একাধিক বিষয়ের জন্য আবেদন করা যাবে। সে ক্ষেত্রে কমা (,) দিয়ে বিষয় কোড আলাদা লিখতে হবে। যেমন ঢাকা বোর্ডের একজন শিক্ষার্থী বাংলা ও ইংরেজি দুটি বিষয়ের জন্য টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখবে RSC Dha Roll Number

পুনর্নিরীক্ষণে খাতার চারটি বিষয় দেখা হয়: শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, পুনর্নিরীক্ষণ করলে একজন শিক্ষার্থীর খাতা পুনরায় মূল্যায়ন করা হয় না। পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন হওয়া উত্তরপত্রের চারটি দিক দেখা হয়। এগুলো হলো, উত্তরপত্রের সব প্রশ্নের সঠিকভাবে নম্বর দেওয়া হয়েছে কি না, প্রাপ্ত নম্বর গণনা ঠিক রয়েছে কি না, প্রাপ্ত নম্বর ওএমআর শিটে উঠানো হয়েছে কি না এবং প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী ওএমআর শিটের বৃত্ত ভরাট করা হয়েছে কি না। এসব পরীক্ষা করেই পুনর্নিরীক্ষার ফল দেওয়া হয়। এই চারটি জায়গা কোনো ভুল হলে তা সংশোধন করে নতুন করে ফল প্রকাশ করা হয়।


আরও খবর



বিশ্ব মা দিবস আজ

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৫২জন দেখেছেন

Image

তরিকুল ইসলাম:মা পৃথিবীর মধুরতম ডাক। পৃথিবীর সবচেয়ে অকৃত্রিম ভালোবাসা ছোট্ট এ শব্দের অতলে লুকানো থাকে গভীর স্নেহ, মমতা। শৈশব থেকে আনন্দ-বেদনা-ভয় কিংবা উদ্দীপনা- প্রতিটি মানবিক অনুভূতিতে জড়িয়ে থাকে মায়ের নাম। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের সবশেষ আশ্রয়স্থল মা নামের ওই মমতাময়ী নারীর আঁচল। আজ পৃথিবীর সেই সকল মমতাময়ীর সম্মানে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বব্যাপী বিশেষ মর্যাদায় পালিত হয় দিনটি।

আসলে মাকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতে কোনো দিনক্ষণের প্রয়োজন হয় না। প্রতিটি মায়েরই সন্তানের ভালোবাসা প্রাপ্য প্রতিদিনই। তবুও দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করে যে মা সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখান, নিজের সব স্বাদ-আহ্লাদ সন্তানের নামে করে দেন যে মা, তার সম্মানে আলাদা করে একটু ভালোবাসা জানাতেই আজকের দিনটি।

মায়ের সঙ্গে সন্তানের আত্মিক বন্ধন জন্ম-জন্মান্তরের। অটুট এ বন্ধনের প্রাগাঢ় আবেগে তাড়িত হয়ে যুগে যুগে রচিত হয়েছে বহু গান, কবিতা, গল্প, আর উপন্যাস। সৃষ্টি হয়েছে বহু কালজয়ী শিল্পকর্ম। বাংলা সাহিত্যেও মাকে নিয়ে অসংখ্য কবিতা রয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘মনে পড়া’, শামসুর রাহমানের ‘কখনো আমার মাকে’ হুমায়ুন আজাদের ‘আমাদের মা’ আল মাহমুদের ‘নোলক’, কালিদাসের ‘মাতৃভক্তি’ এমনই কিছু কালজয়ী বন্দনা।

পৃথিবীর সকল যুগের সকল ধর্মে মা সম্মান রাখা হয়েছে সবচেয়ে উঁচুতে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘আমি মানুষকে তার মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছি। তার মা কষ্টের পর কষ্ট ভোগ করে তাকে গর্ভধারণ করে। তার দুধ ছাড়ানো হয় দুই বছরে। সুতরাং আমার শোকরিয়া ও তোমার মা-বাবার শোকরিয়া আদায় করো।’ (সুরা লোকমান, আয়াত: ১৪)।


আরও খবর