Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে: শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের হার দিয়ে সুপার এইট শুরু গোদাগাড়ীতে রাসেল ভাইপারের চিকিৎসার দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি রূপগঞ্জে জমে উঠেছে কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার বাবা মাকে কুপিয়ে হত্যা যানজট নিরসনে সংসদ সদস্যগণের সাথে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সমন্বয়সভা ভোলায় ফের দেখা মিলল রাসেল ভাইপার, জনমনে আতঙ্ক বাজেট পাস হয়নি,অনেক কিছু পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব: অর্থমন্ত্রী দেশের সব মহৎ অর্জন আ. লীগের মাধ্যমেই হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

ডেমরা আল-আমিন রোডে সিএনজি চালক নিখোঁজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ২২৬জন দেখেছেন

Image

এ.আর হানিফঃ রূপগঞ্জ এলাকায় যাত্রীবহন করতে ট্রিপ নিয়ে রওনা হয়ে গত ৫ দিন যাবত নজরুল ইসলাম (৪১) নামে সিএনজি চালক নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ২৩মে মঙ্গলবার রাতে ডেমরা থানার আল-আমিন রোড এলাকায় এ নিখোঁজের ঘটনাটি ঘটে। অনেক স্থানে খোঁজাখুজি করে নিখোঁজ সিএনজি চালক ও তার সিএনজি অটোরিকশার কোন সন্ধান না পেয়ে এ ব্যাপারে তার পরিবারের সদস্যরা যাত্রাবাড়ি ও ডেমরা থানায় সাধারণ ডায়েরি বা নিখোঁজ জিডি এন্ট্রি করতে গেলে নানা জটিলতা দেখিয়ে কোন আইনী সহায়তা পায়নি।

নিখোঁজ সিএনজি চালক নজরুল ইসলাম ডেমরা থানার ডিএসসিসি ৬৫ নং ওয়ার্ডস্থ  আল-আমিন রোড এলাকায় দীর্ঘ বছর ধরে বসবাস করে আসছে নিখোঁজ নজরুল ইসলামের ছেলে হাবিব গনমাধ্যমকে জানান, আমার পিতা প্রতিদিনের মত গত মঙ্গলবার র নারায়ণগঞ্জ থ-১১-১১৬২ নম্বারে একটি সিএনজি নিয়ে রূপগঞ্জ এলাকায় যাত্রীবহন করার জন্য ট্রিপ নিয়ে  রওনা হয়। কিন্তু গত কয়েক দিন পার হলেও সে বাড়িতে ফিরেনি। অনেক স্থানে খোঁজাখুজি করে আমার পিতার কোন হদিস না পেয়ে এ ব্যাপারে আমি নিখোঁজ জিডি এন্ট্রি করতে গেলে যাত্রাবাড়ি বা ডেমরা থানায় সাধারণ ডায়েরি নেয়নি।

পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে না পেয়ে নিখোঁজ নজরুল ইসলামের পরিবার নানা উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে। জরুরী ভিত্তিতে নিখোঁজ নজরুল ইসলামের সন্ধ্যান চেয়েছেন তার ছেলে হাবিব।নিখোঁজ সিএনজি চালক নজরুল ইসলামের সন্ধ্যান পেলে তার ছেলে হাবিব এর মোবাইল ফোন নং ০১৭৮৩-৭৬৫০৫৪ তে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানিয়েছেন ।


আরও খবর



সিন্ডিকেটে জিম্মি তানোরের খাদ্য গুদাম

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোর পৌর সদর গোল্লাপাড়া বাজারস্থ খাদ্য গুদাম কয়েকজন মিলারের কাছে সিন্ডিকেটে জিম্মি হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্য মিল ভাড়া করে অধিক পরিমাণ বরাদ্দ নিয়ে বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে নিম্মমানের হাইব্রিড জাতের চাল দিচ্ছেন বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। শুধু চাল না তারা গুদাম থেকে ভালোমানের ধান নিয়ে ক্রেসিংয়ের নামে পাচার করে নিম্মমানের চাল দেন গুদামে। প্রতিনিয়তই এমন সিন্ডিকেট হলেও দেখভালের কেউ নেই। এছাড়াও ধান চাল সংগ্রহেও এসিন্ডিকেট সক্রিয়। ফলে বছরের পর বছর ধরে সিন্ডিকেট করে আসছেন এচক্রটি। তারা প্রভাবশালী হওয়ার কারনে তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলেনা। 
জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি ভাবে ধান চাল সংগ্রহ শুরু হয়েছে। প্রতি কেজি ধান ৩২ টাকা ও প্রতি কেজি চাল ৪৫ টাকা কেজি দরে সংগ্রহ করা হবে। কিন্তু বর্তমান বাজার তুলনায় সরকার কম দাম দেওয়ার কারনে প্রান্তিক ও সাধারণ কৃষক রা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। আর চাল সংগ্রহের জন্য ১৮ টি মিল চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। ১৮ মিলের নামে ৪ থেকে ৫ জন মিলার চুক্তি বদ্ধ মিলগুলো ভাড়া নিয়ে চাল দিচ্ছেন এমন অভিযোগ অহরহ। কারন সরকার যে দামে চাল কিনছেন সে দামে চাল পাওয়া দুরহ ব্যাপার। তাহলে এই সিন্ডিকেট চক্র কিভাবে চাল দিচ্ছেন গুদামে এমন প্রশ্ন অন্য ব্যবসায়ীদের।

স্থানীয় বেশকিছু ব্যবসায়ীরা জানান, সরকারের বিভিন্ন বরাদ্দের চাল সিন্ডিকেট করে কম দামে কিনে গুদামে দিচ্ছেন। যেমন মন্দির, গীর্জা ও টিয়ার কাবিখা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের উপকারভোগীদের চাল কিনে থাকেন এই চক্র টি। চক্রের অন্যতম মুল হোতা কামারগাঁ ইউপি এলাকার হাজী সেলিম, শাহরিয়ার চাল কলের মালিক নব্য আ"লীগ নেতা একই ইউপির জাকির হোসেন জুয়েল, শাহ রাইস মিলের মালিক তানোর পৌর সদর এলাকার আনোয়ার হোসেন আনু, সুনিল, সাবেক গুদাম সরদার নাজিম উদ্দীন। মুলত তারাই খাদ্য গুদামের অন্যতম নিয়ন্ত্রক। 
এচক্রের বিরুদ্ধে ভয়ে অন্যরা কেউ মুখ খুলেনা। কারন তারা ক্ষমতাসীন দলের মোড়ক গায়ে লাগিয়ে বছরের পর বছর ধরে  সিন্ডিকেট করেই চলেছেন। 

সুত্র জানায়, খাদ্য গুদাম থেকে ক্রেসিংয়ের নামে চিকন ধান নিয়ে পার্শ্ববর্তী জেলা নওগাঁ থেকে হাইব্রিড নিম্মমানের চাল সংগ্রহ করে নিয়মিত গুদামে দিচ্ছেন। কারন এউপজেলায় ক্রেসিং করার মত অটো রাইস মিল নেয়। এসব জানার পরও কর্তৃপক্ষ তাদেরকেই বরাদ্দ দিয়ে থাকেন। এচক্র শুধু চাল না বাহির থেকে হাইব্রিড জাতের মোটা ধান কিনে কৃষকের নামে দিচ্ছেন। কোন মিলার ট্রাকে করে চাল কিংবা ধান গুদামে দিতে পারবেন না। এমন নিয়ম থাকলেও এই চক্রের কাছে কোন নিয়ম লাগেনা।

কৃষকরা জানান, সরকারি গুদামে ধান দেয়া খুবই কষ্টকর। ধান নিয়ে গেলে তাপ নেই, মিটার সো করছেনা সহ নানা তালবাহানা কর্তৃপক্ষের। আবার বাজারে যে দাম সরকারও একই দামে ধান কিনছেন। বাজারে ধান বিক্রি করতে কোন ঝামেলা নেই। অনেক ব্যবসায়ী বাড়ি থেকেও ধান কিনছেন। তাহলে অযথা কেন সরকারকে ধান দিব। যে দামে সরকার ধান কিনছে তাতে করে কোন কৃষক ধান দিবে না। কিছু ফড়িয়া গুদাম সিন্ডিকেট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগসাজশ করে বাহির থেকে হাইব্রিড জাতের ধান কিনে গুদামে দিবে। এতে করে কর্তৃপক্ষে ও ফড়িয়ার পকেট ভরবে।
বাজারে নিম্মমানের চালও ৫০ টাকা কেজির নিচে নাই। তাহলে ৪৫ টাকা কেজিতে কিভাবে চাল কিনে সরকার। বিভিন্ন সরকারের উপকার ভোগী ও বিভিন্ন প্রকল্পের চাল কিনে ৩৫ থেকে ৩৬ হাজার টাকা টন। এসব চাল কিনে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অটো রাইস মিলে পরিস্কার করে নতুম বস্তার মোড়কে পুরাতন চাল দিচ্ছে সরকারকে। তাছাড়া এদামে কোন মিলারের ক্ষমতা নেই চাল দিতে। এসব নিয়ে সরেজমিনে তদন্ত করলেই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে, ধরা পড়বে ভয়াবহ অনিয়ম দূর্নীতি। তবে চাল সংগ্রহ কিছুটা হলেও ধান সংগ্রহ শুরু হয়নি।

তানোর পৌর সদর গোল্লাপাড়া বাজারস্থ খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মুকুল জানান, ধান সংগ্রহ শুরু হয়নি। তবে ১৮ জন মিলার চাল সংগ্রহের চুক্তি করেছে। এপর্যন্ত ৭০ থেকে ৮০ মে:টন চাল সংগ্রহ হয়েছে। ১৮ জন মিলার চুক্তিবদ্ধ হলেও ৪ থেকে ৫ জন মিলার সিন্ডিকেট করে বাহির থেকে নিম্মমানের চাল দিচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি জানান, চুক্তির বিষয় টি উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ভালো বলতে পারবেন। তবে যে কোন জাশগা থেকে চাল কিনে গুদামে দিতে পারবেন বলে এড়িয়ে যান তিনি। 

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুজ্জামান সজিব বলেন, এবারে উপজেলার দুই গুদামে সরকারি ভাবে ৪৭৭ মে:টন চাল সংগ্রহ করবে। এজন্য ১৮ টি মিলের সাথে চুক্তি হয়েছে এবং ১৫৬৪ মে:টন ধান সংগ্রহ করা হবে। ১৮ টি মিলের সাথে চুক্তি হলেও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ৪ থেক ৫ জন মিলার বাহির থেকে হাইব্রিড নিম্মমানের ও বিভিন্ন প্রকল্পের পুরাতন চাল দিচ্ছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পুরাতন চাল দেয়ার কোন সুযোগ নেই। তবে এউপজেলায় অটো রাইস মিল না থাকার কারনে বাহির থেকে চাল দেন মিলারেরা এটা সঠিক। আর ধান সংগ্রহ শুরু হয়নি। সুতরাং এব্যাপারে বলার কিছুই নেই। তারপরও বিষয় গুলো গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। বন্ধ মিলে কিভাবে বরাদ্দ হয় প্রশ্ন করা হলে কোন সদ উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান তিনি।

আরও খবর



এক হাটের গরু অন্য হাটে নেওয়া যাবে না : ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৩২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঢাকায় এক হাটের গরু অন্য হাটে নেওয়া যাবে না। কেউ যদি অন্য হাটে গরু নামিয়ে নেয় তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে ছিনতাই মামলা দেওয়া হবে, বলেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

মঙ্গলবার (৪ জুন) দুপুরে ডিএমপি সদরদপ্তরের হাট ইজারাদাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, গরু কোন হাটে যাবে সেটা ব্যবসায়ীরা আগে থেকেই ট্রাকের সামনে ব্যানারে লিখে রাখবেন। প্রয়োজনে ব্যানারে হাটের ইজারাদারের মোবাইল নাম্বার লিখে রাখবেন। এমন কোনো ঘটনা ঘটলে পুলিশ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, যেখানে গরুর হাট নয় সেখানে যেন হাট না বসে সেটা ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশরা দেখবেন। নদীপথে নৌকা বা ট্রলারে গরু আসলে সেগুলো নৌ পুলিশ দেখভাল করবে। এক্ষেত্রে ডিএমপি নৌ পুলিশ কাজ করবে।

হাবিবুর রহমান বলেন, ম্যাজিস্ট্রেট, স্থানীয় পুলিশ ও হাটের ইজারাদারগণ সমন্বয় করে কাজ করবেন। হাট পরিচালনা কমিটি হাটে স্থানীয় পুলিশের নাম্বার প্রদর্শন করে ব্যানার টানাবেন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলবেন।

তিনি আরও বলেন, রাস্তায় যাতে যান চলাচলে অসুবিধা না হয় এজন্য ইজারাদারগণ ব্যারিকেড দিয়ে হাটের সীমানা নির্ধারণ করে দিবেন। জাল নোট সনাক্তকরণে পুলিশ সহায়তা করবে। অজ্ঞান পার্টি মলম পার্টি প্রতিরোধে পর্যাপ্ত পুলিশ থাকবে। ইজারাদারগণ মাইকিং করে সবাইকে সচেতন করবেন।

এ সভায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাট সমূহের নিরাপত্তা, মানি এস্কর্ট ও জালনোট সনাক্তকরণ, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।


আরও খবর



সাবেক আইজিপি বেনজীরের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ১২৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন আদালত।

৮৩টি দলিল দুদক আদালতে দাখিল করেছে। তার ভিত্তিতে আজ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত এই সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রকাশিত এক জাতীয় দৈনিকের দাবি, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদের বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের খোঁজ মিলেছে। এরপর থেকেই বেশ আলোচনায় পুলিশের সাবেক এই আইজিপি।

জাতীয় ওই দৈনিকে ‘বেনজীরের ঘরে আলাদীনের চেরাগ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে যেখানে তার নানা অর্থ সম্পদের বিবরণ তুলে ধরা হয়। বেনজীরের বিপুল সম্পদের মধ্যে রয়েছে গোপালগঞ্জের সাহাপুর ইউনিয়নে সাভানা ইকো রিসোর্ট নামের এক অভিজাত ও দৃষ্টিনন্দন পর্যটনকেন্দ্র। এছাড়াও তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের নামে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৬টি কোম্পানির খোঁজ পাওয়া গেছে। ৫টি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ঢাকার অভিজাত এলাকাগুলোতে বেনজীর আহমেদের দামি ফ্ল্যাট, বাড়ি আর ঢাকার কাছের এলাকায় বিঘার পর বিঘা জমি রয়েছে। দুই মেয়ের নামে বেস্ট হোল্ডিংস ও পাঁচতারা হোটেল লা মেরিডিয়ানের রয়েছে ২ লাখ শেয়ার। পূর্বাচলে রয়েছে ৪০ কাঠার সুবিশাল জায়গাজুড়ে ডুপ্লেক্স বাড়ি, যার আনুমানিক মূল্য কমপক্ষে ৪৫ কোটি টাকা। একই এলাকায় আছে ২২ কোটি টাকা মূল্যের আরও ১০ বিঘা জমি।

অথচ গত ৩৪ বছর সাত মাসের দীর্ঘ চাকরিজীবনে বেনজীর আহমেদ বেতন-ভাতা বাবদ মোট আয় ১ কোটি ৮৪ লাখ ৮৯ হাজার ২০০ টাকার মতো হওয়ার কথা। বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) চিঠি দেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ ৩৪ বছর ৭ মাস চাকরি করে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে অবসরে যান। অবসর গ্রহণের পর দেখা যায়, বেনজীর আহমেদের স্ত্রী ও কন্যাদের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি রয়েছে, যা তার আয়ের তুলনায় অসম।


আরও খবর



খ্রিষ্টধর্মের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৯৩জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বাংলাদেশ সারিধরম গাঁওতা এর উদ্যোগে সাঁওতালসহ সকল জনগোষ্ঠীর ধর্ম ও জাতিগত বৈচিত্র্যতা এবং দেশের অখ-তা রক্ষা করতে খ্রিষ্টধর্মের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। 

শুক্রবার সকাল ১০ টায় ফুলবাড়ী প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নরেশ হেমব্রম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সারিধরম গাঁওতা এর সভাপতি চুন্নু টুডু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুবাস মুর্মু, কোষাধ্যক্ষ সুনিল হাঁসদা, সদস্য নির্মল মার্ডী, রবিন মুর্মু, মনিরাজ হেমব্রম, রাজেন মার্ডী প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে নরেশ হেমব্রম বলেন, ২০১৯ সালে প্রকাশিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির গেজেটে সাঁওতালসহ ৫০টি জাতিসক্তজ্ঞ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গেজেটে অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি জাতিসত্তা নিজস্ব ভাষা, ধর্ম ও সংস্কৃতি তথ্য জাতিগত বৈচিত্র্যতা বিদ্যমান। আমরা সাঁওতাল। আমাদের ধর্মের নাম সারিধরম। আমাদের সরলতাকে পুঁজি করে খ্রিস্টধর্ম ব্যবসায়ী প্রতারক, ভ-ু, ধর্ম প্রচারক, মানবসেবা, উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, ভাল চাকরি, বিদেশে ভ্রমণ, নগদ অর্থ, বাড়ী-ঘর পাঁকা করাসহ বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে আমাদের সাথে সু-সম্পক তৈরি করে। পরে আমাদের জমিতে কৌশলে বিভিন্ন খ্রিষ্টধর্মের উপসানালয় তথ্য গীর্জাঘর বানায় এবং সেখানে খ্রিষ্টধর্ম পালনে বাধ্য করে। তারা আমাদেরকে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ঘটানোর প্রলোভন দেখায়। এভাবে অনেককে নিজেদের ফাঁদে ফেলেন তারা। আমাদের নিকট তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলেও আজো আমরা কিছু পাইনি। আমরা ৫৪ বছরে যা হারালাম তা আর কি ফিরে পাব? নিজের কাছে নিজের অনেক প্রশ্ন। আমরা জাতিগতভাবে পিছিয়ে, রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত, সাঁওতাল পরিচয় থেকে বঞ্চিত। আমাদের জমি-জমা, ঘর-বাড়ী, চাকরি, ব্যবসা, বাণিজ্য সবকিছু থেকে অবহেলিত ও বঞ্চিত। আমরা আজ আহ্বান জানাই দেশের সকল সাঁওতাল যারা প্রলোভনে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেছিলেন, তারা নিজ সারিধরমে ফিরে আসতে। মহান ৭১’র স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে আমরা সক্রিয় ভূমিকা রেখেছি। ইতোপূর্বে ধর্মব্যবসায়ী প্রতারকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি সরকারকে জানানো হলেও আজো কোনোপ্রকার ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়নি। 

 তিনি বলেন, গত ২৪ মে পত্রপত্রিকায় লক্ষ্য করা যায় যে, ১৪ দলের বৈঠকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজ মুখে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের অংশ নিয়ে খ্রিষ্টান দেশ করার চক্রান্ত চলছে। কিছু সাদা চামড়ার মানুষ আমাদের দেশকে খ্রিষ্টান দেশ বানাতে চায়।’ তারা কৌশলে বাংলাদেশের একটি অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে দেশকে খন্ডিত করতে চায়। আমরা সাঁওতাল সমাজ খ্রিস্টধর্মের এ হীন কূটকৌশলের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। খ্রিস্টান ধর্মব্যবসায়ীদের কারণে সাঁওতাল সমাজের বিশৃংখলার সৃষ্টি হয়েছে। তাদের কারণে আমাদের নিজস্ব বর্ণমালায় প্রাথমিক শিক্ষা স্থগিত রয়েছে। সাঁওতালদের নিজ বর্ণমালা থাকার সত্ত্বেও খ্রিস্টান ধর্ম ব্যবসায়ীরা আমাদের উপরে রোমান বর্ণমালা চাপিয়ে দিতে চায়। এভাবে আমাদের দেশের প্রান্তিক জনগোষ্টিকে লক্ষ্য করে তারা দেশের মোট জনসংখ্যার একটি অংশকে খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারি করেছে। এখন তারা আমাদের দেশকে খ্রিষ্টান রাষ্ট্র বানাতে চায় যা- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজ মুখে বললেন। কাজেই খ্রিস্টধর্ম প্রচারকদের আর সুযোগ দেওয়ার সময় নেই। আমাদের নিজ ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করার জন্য তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তোলা হবে। 

তিনি আরো বলেন, আমাদের সমাজে যারা খ্রীষ্টধর্ম বিশ্বাস করে গ্রহণ করেছে, তারা জাতিতে খ্রিস্টান, তারা পুনরায় সাঁওতাল হিসাবে দাবি করলে, তা জাতির সঙ্গে বেইমানি ও অন্যায় হবে এবং এরা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করে সমাজের শান্তি, শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার কৌশল খোঁজে। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে তারা জাতির সঙ্গে বড় রকম ষড়যন্ত্র করবে। খ্রিষ্টানরা জাতিগত কারণেই সাঁওতালদের সংস্কৃতি (বাহা, সহরায় ইত্যাদি) উৎসব এবং ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করে না বরং সাঁওতালদের সংস্কৃতি ধ্বংস করার প্রচেষ্টা সর্বদা চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি তারা সাঁওতালদের ধর্ম ও দেব-দেবীকে অবমাননা করে। সাঁওতালদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মাঞ্জহিথানে ক্রুশবিদ্ধ করে অবমাননা করেছে। সাওঁতাল জনগোষ্ঠিকে পিছিয়ে রেখে টেকসই উন্নয়ন কতটুকু সম্ভব? আমরাও এ দেশের নাগরিক, আমরা মনে প্রাণে চাই বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হবে এবং পৃথিবীর মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। সেদিন যেন সকলের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ঘটে, নাগরিক হিসাবে আমাদের এটুকু দাবি।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শনিবার শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদি

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৯৭জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আগামী শনিবার তৃতীয় মেয়াদে শপথ নিতে যাচ্ছেন। ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

নরেন্দ্র মোদি এবার প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হলে হবেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসের বলিষ্ঠ নেতা জওহরলাল নেহরুর পর তৃতীয় মেয়াদে নিয়োগ পাওয়া কোনো সরকার প্রধান।

নরেন্দ্র মোদি সরকার গঠনের উদ্দেশে আজ বুধবার (৫ জুন) ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করতে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছেছেন। এই সাক্ষাতে তিনি তার বর্তমান পদ থেকে পদত্যাগ করবেন। এরপর তিনি নতুন সরকার গঠনের জন্য তার দাবির কথা জানাবেন।

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ২৮২ আসনে জয়ী হওয়ার পর নেরেন্দ্র মোদির বিজেপি ২০১৯ সালে আসন পায় ৩০৩টি। আর এবারের নির্বাচনে দলটি পেয়েছে ২৪০টি আসন যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ২৭২টি আসনের চাইতে ৩২টি কম। তবে বিজেপির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক এলায়েন্স (এনডিএ) মিত্ররা জয়ী হয়েছে আরও ৫৩টি আসনে।

নরেন্দ্র মোদি তার লোকসভার আসন উত্তর প্রদেশের বারানসি থেকে কংগ্রেসের অজয় রায়কে দেড় লাখেরও কম ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।

নরেন্দ্র মোদি আজ বুধবার (৫ জুন) কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার শেষ বৈঠকে সভাপতিত্ব করার সময় নির্বাচনের এই ফলাফলকে বিশ্বে সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের জন্য বিজয় হিসেবে উল্লেখ করেন। এর আগে গতকাল সন্ধ্যায় নরেন্দ্র মোদি নিশ্চিত করেছিলেন যে, এনডিএ আবারও কেন্দ্রে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।

এবারের নির্বাচনে বিজেপি ৩৭০টি আসন পাওয়ার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য স্থির করেছিল। পাশাপাশি এই লক্ষ্য এনডিএ’র জন্য ধরা হয়েছিল চারশর বেশি। তবে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া জোট’ চমক দেখিয়ে ২৩২টি আসনে জয়লাভ করে। 


আরও খবর