Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য
কৃষকের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের এই উদ্যোগ

দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্পের আওতায় স্বল্প সুদে ঋণ পাববেন কৃষক

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ১৩৩জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 

কৃষকের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে নতুন করে দেশের ১ লাখ ১৮ হাজার ক্ষুদ্র কৃষককে ঋণ দেবে সরকার। 


এ ঋণের সুদহার হবে ১১ শতাংশ। তবে সুফলভোগীদের তহবিলে ১ শতাংশ যুক্ত হবে। 


প্রকল্পের আওতায় কিছু বৃহৎ ঋণও দেওয়া হবে। ফলে প্রকল্প অনুমোদনের পর ঋণের আওতায় আসবে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার কৃষক।


আড়াই থেকে ৫ শতাংশ জমি থাকলেই কোনো ব্যক্তিকে ক্ষুদ্র কৃষক হিসেবে বিবেচনা করে এ ক্ষুদ্রঋণ দেওয়া হবে।


 ঋণ দেওয়ার দুই মাস পর থেকে নেওয়া হবে সুদ। প্রথম ধাপে ক্ষুদ্রঋণের ভলিউম হবে ৩০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। প্রকল্পের আওতায় কিছু কৃষক বা বর্গা নেওয়া খামারিদের দেওয়া হবে বড় ঋণ। এর ভলিউম দেড় লাখ থেকে চার লাখ টাকা পর্যন্ত হবে।



‘রূপকল্প ২০৪১: দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্র সঞ্চয় যোজন’ প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ নিয়েছে ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ)। প্রকল্পের মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ১৪৯ কোটি টাকা। আগামীকাল বুধবার (১ জুন) পরিকল্পনা কমিশনের একনেক সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হবে।


দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্পের আওতায় ১১ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন প্রান্তিক কৃষক। কৃষকের বাড়ি বাড়ি ঘুরে এ ঋণ বিতরণ করা হবে। 


এ ঋণের ১১ শতাংশ সুদহারকে সুদ না বলে ‘সার্ভিস চার্জ’ বলছে ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন। এ ঋণ হবে জামানতবিহীন। ১ শতাংশ আবার কৃষক ফেরত পাবেন। ১ শতাংশ যাবে তহবিলে। দেশের দুইশো উপজেলার কৃষকের মাঝে এ ঋণের টাকা বিতরণ করা হবে।



ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক (আইসিটি, পরিকল্পনা ও ডকুমেন্ট) মো. আবুল কালাম বলেন, প্রকল্পটি বুধবার একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। 


প্রকল্প অনুমোদনের পর এ ঋণের আওতায় আসবে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার ক্ষুদ্র কৃষক। ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন অলাভজনক সংস্থা। আমরা ১১ শতাংশ সার্ভিস চার্জ নিই। এটা সুদ নয়, সার্ভিস চার্জ। ব্যাংক ঋণের সঙ্গে এর তুলনা করলে হবে না। আমরা কৃষকের ঘরে ঘরে গিয়ে ঋণ দিয়ে আসি। এ কাজে এনজিওগুলো ২৮ থেকে ৩০ শতাংশ সুদ নেয়। আমরা নিচ্ছি ১১ শতাংশ সার্ভিস চার্জ। ১ শতাংশ সার্ভিস চার্জ আবার কৃষকদের ফেরত দেওয়া হবে। আমরা প্রফিট করি না, আয় থেকে ব্যয় হবে।


প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ১৪৯ কোটি টাকা উল্লেখ করা হলেও লজিক্যাল ফ্রেমওয়ার্কসহ একাধিক অনুচ্ছেদে ঋণ বিতরণের পরিমাণ ২৭৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পে ক্ষুদ্রঋণ ৮৬ কোটি টাকা, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ ২০ কোটি ৬০ লাখ এবং বিশেষ উৎসাহ তহবিল বাবদ ১০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে। এ অর্থ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয়ের ৭৮ শতাংশ প্রায়। প্রকল্পটি অনুমোদনের পর ৩০ জুন ২০২৪ সাল নাদাগ বাস্তবায়িত হবে।



বর্তমানে ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম দেশের ৩৬টি জেলার ১৭৩টি উপজেলায় বাস্তবায়ন হচ্ছে।


আরও খবর



২৬ হাজার ২২৯ পরিবারের হাতে উপহারের ঘরের চাবি-জমির দলিল

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ০৪ August ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

সারাদেশে ২৬ হাজার ২২৯টি পরিবারকে উপহারের ঘর দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের অধীনে নির্মিত এসব ঘর হস্তান্তর করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারের পদস্থ কর্মকর্তারা ঘরের চাবি ও জমির দলিল বুঝিয়ে দেন।

মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সঞ্চলনায় গণভবন প্রান্ত থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে দেশের পাঁচটি উপজেলার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন। এগুলো হলো- লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরকলাকোপা আশ্রয়ণ প্রকল্প, বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা আশ্রয়ণ প্রকল্প, ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চর ভেলামারী আশ্রয়ণ প্রকল্প, পঞ্চগড় সদর উপজেলার মাহানপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার জঙ্গালিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প। এদিন ৫২টি উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করেন সরকারপ্রধান।

সরকার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ৬৩ হাজার ৯৯৯টি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৩০টি ঘর দিয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮০০ ঘর দেওয়ার কাজ করছে। এরইমধ্যে ৩২ হাজার ৯০৪টি দেওয়া হয়েছে। আজ (২১ জুলাই) ২৬ হাজার ২২৯টি দিয়েছেন। পাশাপাশি ৮ হাজার ৬৬৭টি নির্মাণাধীন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নে নদীভাঙণে ক্ষতিগস্ত ২১০টি পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রতিটি পরিবারকে ২ দশমিক ৫ একর করে ভূমি বন্দোবস্ত প্রদান করে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রম সর্বপ্রথম শুরু করেন। এখন বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত এ ইউনিয়নে কলাকোপা আশ্রয়ণ প্রকল্পে ৫ দশমিক ১৫ একর অবৈধ দখল উদ্ধারকৃত জমিতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত জেলে, ভিক্ষুক, বিধবা ও অসহায় ১ হাজার ৪২৫ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হচ্ছে।

একইভাবে ‘আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প’র মাধ্যমে সারাদেশে ভূমিহীন গৃহহীনদের পুনর্বাসন করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা- ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’।

এরইমধ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে ৫ লাখ ৯ হাজার ৩৭০ পরিবারকে ভূমি ও সেমিপাকা ঘর করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্বাহী সেলের মাধ্যমে ৭ হাজার ৮০৯টি পরিবার, ভূমি মন্ত্রণালয় ৭২ হাজার ৪৫২টি পরিবার, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৪ হাজার ২৩৭টি পরিবার, বাংলাদেশের গৃহায়ন তহবিল থেকে ৮৮ হাজার ৭৮৬টি পরিবার এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ২৮ হাজার ৬০৯টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এভাবে সারাদেশে মোট ৭ লাখ ১১ হাজার ৬৩ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত উপজেলাগুলো:
পঞ্চগড় ও মাগুরা জেলার সব উপজেলাসহ দেশের ৫২টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হওয়ার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।

উপজেলাগুলো হলো- ঢাকার নবাবগঞ্জ, মাদারীপুরের মাদারীপুর সদর, শরীয়তপুরের ডামুড্যা, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী, টাঙ্গাইলের গোপালপুর, মানিকগঞ্জের ঘিওর, সাটুরিয়া, রাজবাড়ীর কালুখালী, ফরিদপুরের নগরকান্দা, নেত্রকোনার মদন, ময়মনসিংহের ভালুকা, নান্দাইল, ফুলপুর, ফুলবাড়িয়া, জামালপুরে বকশীগঞ্জ, চট্টগ্রামের পটিয়া, কর্ণফুলী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, লক্ষ্মীপুরের রায়পুর, রামগঞ্জ, ফেনীর ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী, পরশুরাম, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ, পঞ্চগড়ের আটোয়ারী, পঞ্চগড় সদর, দেবীগঞ্জ, তেঁতুলিয়া, বোদা।

এছাড়া দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ, ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী, নীলফামারীর ডিমলা, নওগাঁর রাণীনগর, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি, রাজশাহীর মোহনপুর, চারঘাট, বাঘা, বগুড়ার নন্দীগ্রাম, দুপচাঁচিয়া নাটোরের বাগাতিপাড়া, পাবনার ঈশ্বরদী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু, সাতক্ষীরার তালা, মাগুরার মাগুরা সদর, শ্রীপুর, মোহম্মদপুর, শালিখা, ঝালকাঠির কাঠালিয়া, পটুয়াখালীর দশমিনা।


আরও খবর



‘১০টায় ক্লাস, যানজটের কারণে বের হতে হয় সকাল ৭টায়’

প্রকাশিত:Wednesday ০৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ১০জন দেখেছেন
Image

ঢাকার মিরপুরে থাকেন সুশান্ত সাহা। সেখান থেকে প্রতিদিন সন্তানকে নিয়ে মতিঝিলের নটর ডেম কলেজে আসেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের তিন ঘণ্টা আগেই তাকে বাসা থেকে বেড় হতে হয়। অর্থাৎ সকাল ১০টা থেকে ছেলের ক্লাস শুরু হলেও সকাল ৭টায় বাসা থেকে বের হন। এভাবেই প্রতিদিন সড়কে তার তিন ঘণ্টা সময় নষ্ট হচ্ছে।

বুধবার (৩ আগস্ট) আক্ষেপের সঙ্গে এ কথা জানান সুশান্ত সাহা। তিনি বলেন, মিরপুর-১১ নম্বর থেকে আসতে কখনো এক থেকে দেড় ঘণ্টা আবার কখনো তিন ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে। আজ বুধবার গন্তব্যে পৌঁছাতে দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে।

jagonews24

এদিকে বুধবার রাজধানীর কোথাও যানজট আবার কোথাও স্বাভাবিক চিত্র দেখা গেছে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ তথ্য জানান জাগো নিউজের প্রতিবেদকরা।

তাদের তথ্য অনুযায়ী মিরপুর, আসাদগেট, বিজয় সরণি, তেজগাঁও, মহাখালী, সাতরাস্তার মোড়, রামপুরা, বাড্ডা, গুলশান, মগবাজার, শান্তিনগর, মালিবাগ, কাকরাইল, পল্টন, গুলিস্তান, মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী, নিউমার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকায় যানজট দেখা যায়।

jagonews24

এর মধ্যে আবার কোথাও ছিল দীর্ঘ ট্রাফিক সিগন্যাল। ফলে এসব সিগন্যালে ৫-১০ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়েছে যাত্রীদের। কোনো কোনো স্থানে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিকও দেখা গেছে।

কথা হয় আসাদুর রহমানের সঙ্গে। তিনি একজন চাকরিজীবী। যাত্রাবাড়ী থেকে মৎস্য ভবন পর্যন্ত আসতে তার দেড় ঘণ্টা সময় লেগেছে।

তিনি জাগো নিউজকে বলেন, যাত্রাবাড়ী থেকে হানিফ ফ্লাইওভার পার হতে আগে ৩০ মিনিট সময় লাগলেও বর্তমানে এক ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে। সেখান থেকে মৎস্য ভবন আসতে ১০ মিনিট সময় লাগার কথা থাকলেও ৩০ মিনিটের বেশি লেগেছে।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকিতে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৩৭, নিখোঁজ শতাধিক

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

আকস্মিক বন্যায় যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলের অঙ্গরাজ্য কেন্টাকিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন শতাধিক বাসিন্দা।

বন্যার কারণে একই পরিবারের এক থেকে আট বছর বয়সী চার শিশুসহ ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। কেন্টাকির গভর্নর অ্যান্ডি বেশিয়ার বলেছেন যে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে কারণ এখনো শতাধিক নিখোঁজ রয়েছেন।

বন্যার পানিতে শত শত বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ডুবে গেছে। এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন অন্তত ১২ হাজারের বেশি পরিবার। সড়ক, সেতু এবং অন্যান্য অবকাঠামোর ক্ষতি মেরামতে লাখ লাখ মিলিয়ন ডলার খরচ বলে বলে সোমবার (১ আগস্ট) কেন্টাকির গভর্নর জানান।

jagonews24

কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড এবার এ অঞ্চলে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অন্তত তিনশজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।

বন্যাকবলিত এলাকায় লুটপাটের অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে। ফলে দুটি বিধ্বস্ত কাউন্টিতে কারফিউ ঘোষণা করা হয়েছে।

jagonews24

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বন্যা পরিস্থিতিকে ‘বড় বিপর্যয়’ বলে ঘোষণা করেছেন এবং ফেডারেল কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছেন।

কেন্টাকির উত্তরে ওহিও নদী এবং পূর্বে অ্যাপালাচিয়ান পর্বতমালা রয়েছে। পাহাড়ি ঢল থেকে নেমে আসা ও বৃষ্টির পানিতে বন্যা দেখা দেয় ওই অঞ্চলে।

সূত্র: বিবিসি


আরও খবর



চট্টগ্রামে আরও ৬৬ জনের করোনা শনাক্ত

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এতে করে এ পর্যন্ত জেলায় মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ালো এক লাখ ২৮ হাজার ২৬০ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ। তবে এ দিন চট্টগ্রামে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। ফলে এ জেলায় এখন পর্যন্ত করোনায় মৃতের সংখ্যা এক হাজার ৩৬৭ জনই রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিন চট্টগ্রাম মহানগরীর বাইরে জেলার হাটহাজারীতে সবচেয়ে বেশি আটজনের করোনা শনাক্ত হওয়ার খবর দিয়েছে সিভিল সার্জন অফিস। আগের দিন (বুধবার) চট্টগ্রামে ৩৮ জনের করোনা শনাক্তের তথ্য দিয়েছিল সিভিল সার্জন কার্যালয়। ওইদিন পরীক্ষার তুলনায় সংক্রমণের হার ছিল ১৩ দশমিক ১৯ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার সকালে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী জানান, চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৮৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এদের মধ্যে ৬৬ জনের শরীরে করোনার জীবাণু শনাক্ত হয়। শনাক্তদের মধ্যে ৪৬ জন নগরের এবং ২০ জন চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

সিভিল সার্জন আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি ল্যাবে করা নমুনা পরীক্ষায় ৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়াও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ল্যাবে ১৩ জন, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিম্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে ৮ জন, অ্যান্টিজেন টেস্টে ৩ জন, ইমপেরিয়াল হাসপাতালের ল্যাবে ৬ জন, শেভরন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ল্যাবে ৬ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ল্যাবে একজন, আরটিআরএলের ল্যাবে একজন, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালের ল্যাবে ২ জন, ইপিক হেলথকেয়ারের ল্যাবে ৫ জন, মেট্রোপলিটন হাসপাতালের ল্যাবে ৩ জন, এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতালের ল্যাবে ৮ জন এবং এভারকেয়ার হাসপাতালের ল্যাবে ৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়।


আরও খবর



অর্থপাচার ও লোডশেডিং নিরসনে প্রতীকী টাকা মিছিল

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ১১জন দেখেছেন
Image

অর্থপাচার ও লোডশেডিং সমস্যা নিরসনের দাবিতে প্রতীকী টাকা মিছিল ও সমাবেশ করেছে নতুনধারা বাংলাদেশ (এনডিবি)।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই প্রতীকী মিছিল ও সমাবেশ করে সংগঠনটি।

সমাবেশে এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেন, আমাদের দেশের মন্ত্রীরা বলেছেন, আমরা টাকা পাচারের জন্য আইন করিনি। এই কথার মাধ্যমে তারা পাচারকারীদের উৎসাহিত করেছেন। এটা সত্যিকার অর্থেই লজ্জাজনক।

তিনি বলেন, তর্ক-বিতর্কে একে অন্যকে দোষারোপ করতে দেখা যায়। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই সব স্তিমিত হয়ে যায়। ওদিকে নিরবে চলতে থাকে বাণিজ্যের নামে অর্থপাচার। চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য বিশ্লেষণ করে আমদানির কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে প্রতিবছর রেকর্ড গড়ার চিত্র দেখা যাচ্ছে।

‘গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) তথ্যানুযায়ী, ২০০৩ সালে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে ২৭৫ কোটি মার্কিন ডলার। ২০০৪ সালে ৩৮১ কোটি, ২০০৫ সালে ৪২৬ কোটি এবং ২০১৫ সালে এক হাজার ১০১ কোটি মার্কিন ডলার পাচার হয়। এরপর বাংলাদেশ থেকে আর কোনো তথ্য না পাওয়ায় সংস্থাটি বলেছিলো, বিগত বছরগুলোতে অর্থপাচারের ঘটনা অনেকাংশে বেড়েছে।’

‘বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে বছরে গড়ে ১০০ কোটি টাকা পাচার হয়। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) মতে, প্রধানত ১০টি দেশ এই অর্থপাচারের বড় গন্তব্যস্থল। দেশগুলো হলো- সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, হংকং ও থাইল্যান্ড। আর পাচার চলছে মূলত বাণিজ্য কারসাজি ও হুন্ডির মাধ্যমে।’

এনডিবির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা বলেন, দেশে মানিলন্ডারিং প্রিভেনশন অ্যাক্টের কথা কী আর বলবো? বাংলাদেশে টাকা পাচারকারীদের সরকার বিভিন্নভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। অনতিবিলম্বে এ আইনে যত ধরনের ঘাটতি আছে, সব দূর করে আন্তর্জাতিকভাবে পাচাররোধে পদক্ষেপ না নিলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে।

‘শুধু আইনের ফাঁকফোকরের কারণে চুরি যাওয়া অর্থ ফেরত আনতে অনেক সময় লেগে যায়। গত ১৮ বছরে যে পরিমাণ অর্থপাচারের কথা বলা হচ্ছে, তা সর্বশেষ তিন অর্থবছরের মোট বাজেটের কাছাকাছি। এছাড়া পাচারের এই অর্থ দেশের বর্তমান জিডিপির ৩১ শতাংশ। বর্তমানে জিডিপির আকার ৩৫৫ বিলিয়ন ডলার।’ \

তিনি আরও বলেন, অনেকে তুলনা করে বলছেন, পাচারের এই টাকা দিয়ে কয়েকটি পদ্মা সেতু বানানো যেতো। সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের অন্যতম অংশ মেট্রোরেলই বা কতগুলো বানানো সম্ভব ছিল? এ হিসাবও কষছেন কেউ কেউ।

সমাবেশে বক্তব্য দেন এনডিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক ও আবুল হোসেন, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নিপুন মিস্ত্রী, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম ওয়াজেদ রানা, ঢাকা মহানগর উত্তর এনডিবির সদস্য উজ্জল প্রমুখ।


আরও খবর