Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
১৭৪ রানে অপরাজিত

ডাবল সেঞ্চুরি মিস হলো মুশফিকের

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৫৮জন দেখেছেন
Image

স্পোর্টস রিপোর্টারঃ

মুশফিকুর রহিম একাই লড়াই করছিলেন। ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিলেন ডাবল সেঞ্চুরির দিকে। কিন্তু এগার নম্বর ব্যাটার এবাদত হোসেনকে স্ট্রাইক দেবেন না বলে ডাবলস নিতে গিয়েই বাধলো বিপত্তি।


ননস্ট্রাইকে রানআউট হয়ে গেলেন এবাদত। মুশফিকের ডাবলের স্বপ্ন পূরণ হলো না, ১৭৪ রানে অপরাজিতই থেকে গেলেন। ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ৩৬৫ রানে।


আরও খবর



কবি ফররুখ আহমদের জন্ম

প্রকাশিত:Friday ১০ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

মানুষ ইতিহাস আশ্রিত। অতীত হাতড়েই মানুষ এগোয় ভবিষ্যৎ পানে। ইতিহাস আমাদের আধেয়। জীবনের পথপরিক্রমার অর্জন-বিসর্জন, জয়-পরাজয়, আবিষ্কার-উদ্ভাবন, রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতি একসময় রূপ নেয় ইতিহাসে। সেই ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা স্মরণ করাতেই জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন আজকের এই দিনে।

১০ জুন ২০২২, শুক্রবার। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ঘটনা
১৬১০- গ্যালিলিও শনি গ্রহের দ্বিতীয় চক্র আবিষ্কার করেন।
১৭৫২- বেঞ্জামিন ফ্র্যাংকলিন ঘুড়ি উড়িয়ে বজ্র থেকে বিদ্যুৎ আহরণ করতে সক্ষম হন।
১৯০৫- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে বঙ্গীয় শিল্পকলা তথা বেঙ্গল স্কুল অব আর্ট গঠিত হয়।
১৯৭২- ভারতের প্রথম তাপানুকূল যাত্রীবাহী জাহাজ হর্ষবর্ধনের সমুদ্রযাত্রা।

জন্ম
১৯১৫- কানাডীয়-আমেরিকান লেখক সল বেলো।
১৯১৮- বাঙালি কবি ফররুখ আহমদ। মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার মাঝাইল গ্রামের সৈয়দ বংশে জন্ম তার। প্রকৃত নাম সৈয়দ ফররুখ আহমদ। তিনি ‘মুসলিম রেনেসাঁর কবি’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। তার কবিতায় বাংলার অধঃপতিত মুসলিম সমাজের পুনর্জাগরণের অণুপ্রেরণা প্রকাশ পেয়েছে। বিংশ শতাব্দীর এই কবি ইসলামি ভাবধারার বাহক হলেও তার কবিতা প্রকরণকৌশল, শব্দচয়ন এবং বাকপ্রতিমার অনন্য বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল। আধুনিকতার সব লক্ষণ তার কবিতায় পরিব্যাপ্ত। তার কবিতায় রোমান্টিকতা থেকে আধুনিকতায় উত্তরণের ধারাবাহিকতা পরিস্ফুট। ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থে তিনি যে কাব্যভাষার সৃষ্টি করেছেন তা স্বতন্ত্র এবং এটি তার এক অমর সৃষ্টি।
১৯৪২- তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের একজন শহীদ ছাত্রনেতা আমানুল্লাহ আসাদুজ্জামান।
১৯৮১- দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার আলবি মরকেল।

মৃত্যু
১৯৪৮- বাঙালি লেখক অতুলচন্দ্র সেন। ১৮৭০ সালের ১ এপ্রিল ব্রিটিশ ভারতের অধুনা বাংলাদেশের ঢাকা বিক্রমপুরের বাহেরক গ্রামে জন্ম তার। তিনি একাধারে যেমন ছিলেন ছাত্র দরদী ও জাতীয়তাবাদী শিক্ষক, লেখক, প্রকাশক অন্যদিকে সমাজসেবক, স্বদেশী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী এবং শিক্ষাবিস্তারে বিশেষত লোকশিক্ষা ও নারীশিক্ষার বিস্তারে অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
১৯৫১- বাঙালি সাহিত্যিক এস ওয়াজেদ আলি।
১৯৬৫- ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকারী বাঙালি বিপ্লবী অতীন্দ্রনাথ বসু।
১৯৮৭- মার্কিন মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী এলিজাবেথ হার্টম্যান।
২০২১- ভারতীয় বাঙালি কবি ও চলচ্চিত্র পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত।


আরও খবর



গোল্ডেন গ্লোব টাইগার্স অ্যাওয়ার্ড জিতলো অপো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Thursday ১৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ২৫ June ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

দেশে উন্নত গ্রাহকসেবা প্রদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কাস্টমার সার্ভিস এক্সিলেন্স ক্যাটাগরিতে গোল্ডেন গ্লোব টাইগার্স অ্যাওয়ার্ড জিতেছে অপো বাংলাদেশ। উন্নত গ্রাহক সেবা প্রদানের মাধ্যমে মানুষের জীবনকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করার জন্য এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। গত ১৩ জুন মালয়েশিয়ায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করে অপো বাংলাদেশ।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অপো বাংলাদেশ এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অপো এর ফেইস-টু-ফেইস মেইনটেন্যান্স সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহকসেবায় স্বচ্ছতা বজায় রাখে। ব্যবহারকারীরা যেহেতু এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ দেখতে পারেন, তাই অপো’র পক্ষে সর্বাধিক স্বচ্ছতা প্রদান সম্ভব হয়। ফেইস-টু-ফেইস মেইনটেন্যান্স সার্ভিস প্রক্রিয়ার ফলে গ্রাহক সন্তুষ্টি ৯৯.৩ শতাংশে পৌঁছেছে।

এছাড়া অপো দেশের প্রথম মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড যা গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে মোবাইল রেকর্ড সেবা চালু করেছে। এতে করে ব্যবহারকারীরা তাদের সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়াটি রেকর্ড করতে পারেন অথবা একজন সেবাদাতাকে তাদের জন্য প্রক্রিয়াটি রেকর্ড করার অনুরোধ করতে পারেন। এভাবে অপো বাংলাদেশ গ্রাহকসেবা প্রদানে স্বচ্ছতার ধারণাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যার ফলস্বরূপ ব্র্যান্ডটির নেট প্রমোটার স্কোর (এনপিএস) ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশে মোট ৩৪টি আউটলেট ছাড়াও অপো’র ২২টি গ্রাহকসেবা কেন্দ্র, ১২টি টাচ পয়েন্ট ও অথোরাইজেশন কেন্দ্র রয়েছে। বৈশ্বিক মহামারির পুরো সময়ে, অপো গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে জীবাণুমুক্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং প্রত্যেক গ্রাহককে মাস্ক প্রদান করেছে। এর মধ্য দিয়ে সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনের অপো’র প্রচেষ্টার প্রতিফলন ঘটেছে। কোভিড-১৯ এর বিধিনিষেধের কারণে যেসব গ্রাহক সময়মতো ওয়ারেন্টি সুবিধা নিতে পারেনি, প্রাথমিক ওয়ারেন্টির সময়সীমা অতিক্রমের পরে তাদেরকে ‘এক্সটেন্ডেড ওয়ারেন্টি ও রিপ্লেসমেন্ট’ এবং ‘ফ্রি ওয়ারেন্টি’ প্রদান করে অপো বাংলাদেশ।

অপো দেশের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড, যেটি প্রতি মাসের ১০-১২ তারিখ ‘সার্ভিস ডে’ পালন শুরু করে। সার্ভিস ডে’তে আগত গ্রাহকদের ছোটখাটো উপহার ও পানীয় (চা/কফি) প্রদানের পাশাপাশি ডিভাইস রক্ষণাবেক্ষণ ও অ্যাকসেসারিজে ১০-৩০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়। অপো দেশের একমাত্র মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড যেটি ‘১-আওয়ার ফ্ল্যাশ ফিক্স সার্ভিস’ চালু করেছে। বর্তমানে, অপো’র গ্রাহকসেবা কেন্দ্রের ১-ঘন্টায় ডিভাইস মেরামতের হার ৯৬ শতাংশ, যা এর ডিভাইস মেরামত দক্ষতাকে বাজারের শীর্ষস্থানে পৌঁছে দিয়েছে।

অপো বাংলাদেশ অফিশিয়াল এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড্যামন ইয়াং বলেন, উন্নত গ্রাহকসেবা প্রদানের আমাদের নিরলস প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে আরও কঠোর পরিশ্রম করতে অনুপ্রাণিত করার জন্য আমি গোল্ডেন গ্লোব টাইগার্স অ্যাওয়ার্ড কর্তৃপক্ষের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। গ্রাহকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশ্বাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে অপো সর্বোত্তম গ্রাহকসেবা অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টায় বিশেষ জোর দিচ্ছে।

গোল্ডেন গ্লোব টাইগার্স অ্যাওয়ার্ডের লক্ষ্য বিপণন, ব্র্যান্ডিং সিএসআর, সামাজিক উদ্ভাবন, শিক্ষা ও অ্যাকাডেমিকসে উৎকর্ষ সাধনে বিশ্বাসী ‘টাইগার্স’ বা বাজারের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বীকৃতি প্রদান করা।


আরও খবর



‘মিস্টিক্যাল মালদ্বীপ ২০২২’র বিজয়ীদের নাম ঘোষণা

প্রকাশিত:Friday ২৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

মাস্টারকার্ড অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ‘মিস্টিক্যাল মালদ্বীপ’ থিমের ‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন’ ক্যাম্পেইন এর সমাপ্তি টেনেছে।

সম্প্রতি হয়ে যাওয়া এই ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য ছিল পবিত্র রমজান মাসজুড়ে মাস্টারকার্ডের ক্রেডিট, ডেবিট এবং প্রিপেইড কার্ড ব্যবহার করে কেনাকাটায় অফার দিয়ে কার্ডহোল্ডারদের আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার সুযোগ করে দেওয়া এবং দেশে ও দেশের বাইরে রিটেইল লেনদেন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখা।

ক্যাম্পেইনে ‘টপ প্রাইজ’ হিসেবে সঙ্গীসহ মালদ্বীপে বিলাসবহুল ভ্রমণের পুরস্কার জিতেছেন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের মাস্টারকার্ড কার্ডহোল্ডার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। এছাড়া, অন্য শীর্ষ ৫০ জন অংশগ্রহণকারী পাবেন ইলেকট্রনিক্স, গ্যাজেট, ডাইনিং অ্যান্ড লাইফস্টাইল ভাউচার সহ আকর্ষণীয় সব পুরস্কার।

ক্যাম্পেইন চলাকালীন বিগত ২০ মার্চ থেকে ৮ মে, যে সকল মাস্টারকার্ড কার্ডহোল্ডাররা অন্তত ১ হাজার টাকা কিংবা ২৫ মার্কিন ডলার বা তার চেয়ে বেশি মূল্যের ৪টি লেনদেন সম্পন্ন করেছেন তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্যাম্পেইনের অংশ হয়ে পরবর্তী ধাপের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। এসব কার্ডহোল্ডাররা দেশের অভ্যন্তরে প্রতিবার ১ হাজার টাকা বা তার চেয়ে বেশি পিওএস রিটেইল ট্রানজেকশন কিংবা দেশের বাইরে প্রতিবার ২৫ মার্কিন ডলার বা এর চেয়ে বেশি মূল্যের রিটেইল ই-কমার্স ট্রানজেকশনে ২ পয়েন্ট করে পেয়েছেন।

এছাড়া, তাদের ৩ পয়েন্ট করে দেয়া হয়েছে দেশের অভ্যন্তরে প্রতিবার ১ হাজার টাকা বা তার চেয়ে বেশি ই-কমার্স রিটেইল ট্রানজেকশন কিংবা দেশের বাইরে প্রতিবার ২৫ মার্কিন ডলার বা এর চেয়ে বেশি মূল্যের পিওএস রিটেইল ট্রানজেকশনে। ক্যাম্পেইন শেষে এবার সর্বোমোট পয়েন্টের হিসাবে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, মিস্টিক্যাল মালদ্বীপ’ থিমের ‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন ক্যাম্পেইন ২০২২’ এর সব বিজয়ীকে আমি অভিনন্দিত করছি। এই ক্যাম্পেইন থেকে পাওয়া অভাবনীয় সাড়া মূল্যবান কার্ডহোল্ডারদের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ বজায় রাখার ক্ষেত্রে আমাদের আরো অনুপ্রেরণা দিয়েছে।

এই ক্যাম্পেইনে মাস্টারকার্ডের যেসব পার্টনার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সম্পৃক্ত ছিল, সেগুলো হলো:- এবি ব্যাংক, আল-আরাফাহ ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, দ্য সিটি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এবং লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স।


আরও খবর



সুন্দরবনে পর্যটক ও রাজস্ব বাড়াবে পদ্মা সেতু

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
Image

দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে। স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে চলাচল করছে যানবাহন। আর এতেই বিশ্ব ঐতিহ্য ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন জুড়ে বইছে সুবাতাস। সুন্দরবনে এবার সরাসরি সড়ক পথেই যাওয়া যাবে। এতে সুন্দরবনে পর্যটকের সঙ্গে রাজস্ব আয় বাড়বে ৪-৫ গুণ।

জানা গেছে, পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় এখন সড়কপথে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে খুলনার কয়রা ও দাকোপ উপজেলা, বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা ও সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা হয়ে সরাসরি যাওয়া যাবে সুন্দরবনে। এটি ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় বিষয়। ফলে ভ্রমণ মৌসুমে সুন্দরবনে পর্যটকদের সংখ্যা বাড়বে। সমৃদ্ধ হবে সুন্দরবন বিভাগের অর্থনীতি।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলায় অবস্থিত। ব্রিটিশ ভারত বিভাগের পর বনের দুই-তৃতীয়াংশ পড়েছে বাংলাদেশে, বাকিটা ভারতে। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের আওতাধীন সুন্দরবনের মোট আয়তন ৩৫৭৩.২৮ বর্গ কিলোমিটার। এর মধ্যে খুলনা জেলার সুন্দরবনের আয়তন ২০৭২.২৪ বর্গ কিলোমিটার। বাকিটা সাতক্ষীরা জেলাধীন। এ বন ঘেঁষে সাতক্ষীরার অবস্থান হওয়ায় সড়কপথ দিয়েই সুন্দরবন দেখা যায়।

jagonews24

বাংলাদেশের ৬টি জেলাজুড়ে সুন্দরবন বিস্তৃত হলেও একমাত্র সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জে এলাকা থেকে সরাসরি দেখা যায় সুন্দরবনের সবুজ আবহ। মুন্সিগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছালেই নদীর ওপারে চোখে পড়ে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের ‘ব্র্যান্ড’ সুন্দরবন।

সুন্দরবনকে পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয়, দৃষ্টিনন্দন ও আনন্দদায়ক করে তুলেছে সুন্দরবন ঘিরে মুন্সিগঞ্জ এলাকায় গড়ে ওঠা আকাশলীনা ইকো-ট্যুরিজম সেন্টার, মান্দারবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত, কলাগাছিয়া ইকো-ট্যুরিজম সেন্টার, দোবেকী ইকো-ট্যুরিজম সেন্টার, ক্যারাম মুরা ম্যানগ্রোভ ভিলেজ, ক্যারাম মুরা পাখি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র, কৈখালী সীমান্ত ও পাঁচ নদীর মোহনা, উড়ালমন আদিবাসী গ্রাম ও নৌকা ভ্রমণ সাইট এবং শিয়ালকুনি বনায়ন।

এছাড়া পর্যটকদের থাকার জন্য রয়েছে মুন্সিগঞ্জের কলবাড়িতে অবস্থিত বর্ষা রিসোর্ট ও ট্যুরিজম সেন্টার। আবাসিক সুবিধা রয়েছে মুন্সিগঞ্জের আকাশলীনা ইকো-ট্যুরিজম সেন্টারেও। একইসঙ্গে মুন্সিগঞ্জে রয়েছে সুশিলনসহ আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিলাসবহুল রিসোর্ট। এখানে স্বল্প খরচে পর্যটকদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এম এ হাসান জানান, সুন্দরবন একটি বিশ্ব ঐতিহ্য। পর্যটকদের কাছে সুন্দরবন খুবই আকর্ষণীয়। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় এখন ঢাকা থেকে সকালে এসে সুন্দরবন ঘুরে বিকেলে চলে যেতে পারবেন পর্যটকরা। এখানে পর্যটকদের জন্য সুন্দরবন ঘোরার সব ধরনের সুযোগ সুবিধা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আপাতত তিন মাস সুন্দরবনে প্রবেশের পাস বন্ধ রয়েছে। কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে মৌসুমের আগেই পাস ইস্যু শুরু হবে।

২০২১ সালের জুন মাস পর্যন্ত প্রায় তিন কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় সাতক্ষীরা রেঞ্জের সুন্দরবনে পর্যটকের সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। রাজস্ব আদায়ও বেড়ে দ্বিগুণ হবে। তবে ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।

সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরে সুন্দরবনে পর্যটক এসেছে এক লাখ ২০ হাজার জন। এখান থেকে সুন্দরবন বিভাগের রাজস্ব আয় হয়েছে এক কোটি ২৫ লাখ টাকা। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় সুন্দরবনে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। পর্যটকদের সংখ্যা যেমন বাড়বে তেমনি রাজস্বও বাড়বে বলে এই বন কর্মকর্তা জানান।

jagonews24

তিনি বলেন, পর্যটকদের চাপ সামলাতে পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল, হারবাড়িয়া, কটকা, কচিখালী ও দুবলা এবং পশ্চিম বিভাগের হিরন পয়েন্ট ও কলাগাছিয়া এই সাতটি ইকোট্যুরিজমের সঙ্গে নতুন আরও চারটি ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র যোগ করা হচ্ছে। সুন্দরবন ইকো ট্যুরিজম প্রকল্পের আওতায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক, শরণখোলা রেঞ্জের আলী বান্দা এবং পশ্চিম বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের শেখের টেক ও কালাবগিতে নতুন এই ট্যুরিজমগুলো নির্মাণ করা হবে বলেও জানান তিনি। এসব ইকো ট্যুরিজমে পর্যটকদের সুব্যবস্থার জন্য গোলঘর, ফুটট্রেলার, পাবলিক শৌচাগার, ওয়াচ টাওয়ার ও রাস্তা করা হবে।

সুন্দরবনের ট্যুরিজম ব্যবসায়ীদের নেতা নাজমুল আযম ডেভিড বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় অধিকাংশ সময় পর্যটকরা সুন্দরবনে আসতে চাইতো না। এখন যেহেতু পদ্মা সেতু চালু হয়েছে তাই সেই চিরচেনা চিত্র একেবারেই পাল্টে যাবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার দূরত্ব কমে সহজ হওয়ায় এখন পর্যটকদের আকর্ষণও বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।

পূর্ব সুন্দরবনের করমজল বণ্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, এই বনে বাঘ, হরিণ, বানরসহ ৩১৫ প্রজাতির বণ্যপ্রাণী এবং সুন্দরী, বাইন, গরানসহ ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। মূলত এসব দেখতেই প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভ্রমণ পিপাসুরা ছুটে আসেন। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত হওয়ায় মাঝে মাঝে মৌসুমেও পর্যটকদের ভাটা পড়ত। এখন সেতু চালু হওয়ায় পর্যটক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুন্দরবনের এ খাত থেকে রাজস্ব আয় হবে চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নিয়মিত জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার দেয়ার উদ্যোগ

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
Image

গত ১১ মে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার না জমিয়ে প্রতি বছর প্রদান করার। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ওই দিন ২০১৩ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ৮ বছরের জমে থাকা পুরস্কার প্রদান করা হয়েছিল। দেশের ক্রীড়ায় গৌরবময় অবদানের জন্য ৮৫ জনকে প্রদান করা হয়েছিল এই পুরস্কার।

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান নিয়মিত করতে হলে এখন একসঙ্গে ২০২১ ও ২০২২ সালের পুরস্কারও প্রদান করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সেই উদ্যোগও নিয়েছে।

এ বিষয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব পরিমল সিংহ জাগো নিউজকে বলেছেন, ‘জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের বিষয়টি দেখে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। তারা পরের পুরস্কার প্রদানের জন্য ইতিমধ্যে কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য আবেদনও আহ্বান করেছে মন্ত্রণালয়। আমাদেরও চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমরা সংশ্লিষ্ট সব স্থানে সেই চিঠি প্রেরণ করেছি।’

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়সূত্রে জানা গেছে, ‘জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার ২০২০ ও ২০২১ সালের জন্য মঙ্গলবার তারা আবেদন আহ্বান করেছে। আগ্রহী ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকদের নির্ধারিত ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় প্রমাণাদিসহ সংশ্লিষ্ট ফেডারেশনের মাধ্যমে কিংবা সরাসরি অথবা ডাগযোগে ৭ জুলাইয়ের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মাধ্যমে ২০২০ ও ২০২১ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের আবেদনপত্র প্রেরণ করা হয়েছে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্রীড়া পরিদপ্তর, ক্রীড়া ফেডারেশন, ক্রীড়া অ্যাসোসিয়েশন এবং সব জেলা ক্রীড়া সংস্থায়।

১৯৭৬ সাল থেকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান করে আসছে। প্রয়াত সাঁতারু ব্রজেন দাসসহ প্রথম বছর ৮ জনকে প্রদান করা হয়েছিল জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার। আর সর্বশেষ ২০২০ সালে পুরস্কার পেয়েছেন শহীদ লেফটেন্যান্ট শেখ জামালসহ ৮ জন।

১৯৭৬ সাল থেকে ৬ বছর জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদানের পর বড় একটা গ্যাপ পড়েছিল ১৯৮২ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত। টানা ১৪ বছর জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান করা হয়নি। ১৯৯৬ সালে পূনরায় শুরু হয় ক্রীড়াক্ষেত্রের সবচেয়ে বড় ও মর্যাদার পুরস্কার প্রদান। ১৯৭৬ থেকে ১৯৮১ এবং ১৯৯৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ৩১৪ জনকে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান করেছে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার।


আরও খবর