Logo
আজঃ Sunday ২৪ October ২০২১
শিরোনাম
২০২২-২৩ অর্থবছরেই জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে এশিয়ার বেশিরভাগ দেশকে আবারও পেছনে ফেলবে বাংলাদেশ

দ. এশিয়ায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে ধারাবাহিক বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ৬৪জন দেখেছেন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image



আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

 

করোনাভাইরাস মহামারির ভয়াল থাবা থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে দক্ষিণ এশিয়া। স্থবিরতা কাটিয়ে ফের গতিশীল হচ্ছে এ অঞ্চলের অর্থনীতি। কিন্তু বছরখানেক আগে অর্থনীতিতে যে আঘাত দিয়েছিল করোনা, তার ক্ষত পুরোপুরি মেটানো বেশ কঠিন। অথচ এমন কঠিন সময়েও দারুণ কৃতিত্ব দেখিয়ে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। বলা বাহুল্য, ২০১৯-২০ অর্থবছরে দক্ষিণ এশিয়ায় একমাত্র ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হওয়া দেশের নাম বাংলাদেশ। উন্নয়নের সেই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে আগামী বছরগুলোতেও। আর তা হলে ২০২২-২৩ অর্থবছরেই জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বেশিরভাগ দেশকে আবারও পেছনে ফেলবে বাংলাদেশ।

 

গত বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত দক্ষিণ এশীয় অর্থনীতি বিষয়ক সবশেষ প্রতিবেদনে (সাউথ এশিয়া ইকোনমিক ফোকাস) এসব তথ্য উঠে এসেছে।

 

বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত হিসাবে দেখা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শুধু বাংলাদেশের (জুলাই-জুন) জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ইতিবাচক ধারায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। একই সময় এ অঞ্চলের বাকি সব দেশের প্রবৃদ্ধিই ছিল নেতিবাচক। ওই অর্থবছরে ভারতের (এপ্রিল-মার্চ) প্রবৃদ্ধি মাইনাস ৭ দশমিক ৩ শতাংশ, মালদ্বীপের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) মাইনাস ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) মাইনাস ৩ দশমিক ৬ শতাংশ, ভুটানের (জুলাই-জুন) মাইনাস ০ দশমিক ৬ শতাংশ, নেপালের (জুলাই-জুন) মাইনাস ২ দশমিক ১ শতাংশ ও পাকিস্তানের (জুলাই-জুন) অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল মাইনাস ০ দশমিক ৫ শতাংশ।

 

এরপর ধীরে ধীরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় ফের ইতিবাচক ধারায় ফেরে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি। ২০২০-২১ অর্থবছরে এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ শতাংশ, ভারতের ৮ দশমিক ৩ শতাংশ, নেপালের ১ দশমিক ৮ শতাংশ, পাকিস্তানের ৩ দশমিক ৫ শতাংশ, মালদ্বীপের ২২ দশমিক ৩ শতাংশ ও শ্রীলঙ্কার ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। এই বছরটিতে কেবল ভুটানই নেতিবাচক ধারা থেকে বের হতে পারেনি। তাদের প্রবৃদ্ধি ছিল মাইনাস ১ দশমিক ২ শতাংশ।

 

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুসারে, ২০২১-২২ অর্থবছরেও বাংলাদেশ আশাব্যঞ্জক গতিতে প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে। এসময় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ। এছাড়া নেপালের প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ ও ভুটানের প্রবৃদ্ধি বেড়ে হতে পারে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। ওই বছর এ অঞ্চলের বাকি দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি কমতে পারে। সেসময় ভারতের প্রবৃদ্ধি কমে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ, পাকিস্তানের ৩ দশমিক ৪ শতাংশ, মালদ্বীপের ১১ শতাংশ ও শ্রীলঙ্কার প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়াতে পারে মাত্র ২ দশমিক ১ শতাংশে।

 

ভারতের অবনতি অব্যাহত থাকবে এর পরের বছরও। অর্থাৎ ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশটির প্রবৃদ্ধি আরও কমে হবে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। অন্য দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি কিছুটা বাড়বে। ওই বছর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ভারতকে আবারও ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বেড়ে দাঁড়াবে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ। সে সময় দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে কেবল মালদ্বীপের চেয়েই পিছিয়ে থাকবে বাংলাদেশ।

 

সুতরাং বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস বলছে, আগামী বছরগুলোতে দক্ষিণ এশিয়ার বাকি দেশগুলো অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে উত্থান-পতন দেখলেও সুষমগতিতেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

খবর প্রতিদিন /সি.বা 


আরও খবর



ছাদ কিংবা ব্যালকনিতে টবে ঢেঁড়শ চাষ করবেন যেভাবে

সহজে ঢেঁড়শ চাষের উপায় !

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ২০৯জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image



ডেস্ক এডিটর : 

শহরে বসবাস করেও অনেকে বিভিন্ন সবজি চাষ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ইচ্ছে করলেই ছাদে কিংবা ব্যালকনিতে অল্প পরিসরে নানান রকমের সবজি চাষ করতে পারেন। চাইলে আপনি সহজ উপায়ে টবে ঢেঁড়শ চাষ করতে পারেন।শহরের বাসা-বাড়ির ছাদে বা বারান্দায় বড় বড় টবে, মাটির চাঁড়িতে, ড্রামে কিংবা একমুখ খোলা কাঠের বাক্সে সার, মাটি ভরে অনায়াসেই ঢেঁড়শ চাষ করা যায়।

 

ঢেঁড়শ আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় সবজি। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে, তাছাড়া ভিটামিন -এসহ অন্যান্য উপাদানও রয়েছে। আমাদের দেশে যে কোনো সময় ঢেঁড়শ চাষ করা যায়।

গাছের বৃদ্ধি এবং ঢেঁড়শের ভালো ফলনের জন্য মাটি অবশ্যই উর্বর, হালকা এবং ঝুরঝুরে হতে হবে। পানি শুকিয়ে গেলে টবের মাটিতে যেন ফেটে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। টবের মাটি ঝুরঝুরা রাখতে হলে সমপরিমাণে দো-আঁশ মাটি ও জৈব সার একসাথে ভালোভাবে মেশাতে হবে।

 

এঁটেল মাটিতে জৈব সারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। সাধারণভাবে প্রতি টবের মাটিতে চা চামচের চার চামচ টিএসপি সার ও ৫ থেকে ৬ দিন আগে ভেজানো ১১৬ গ্রাম পরিমাণ সরিষার খৈল মেশানো যেতে পারে।

 

ঢেঁড়শের অনেক জাত রয়েছে। এর মধ্যে পুশা শাওনী, কাবুলি ডোয়ার্ফ, লক্ষ্ণৌ ডোয়ার্ফ, লং গ্রিন, লং হোয়াইট, পেন্টা গ্রনি-এসব বিদেশি জাত বেশ জনপ্রিয়।

গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত অর্থাৎ বছরের যে কোনো সময়ই ঢেঁড়শ গাছ লাগানো যায়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শীতের শেষভাগ থেকে বৈশাখ পর্যন্ত ঢেঁড়শ লাগানো যায়। এরপরও লাগানো যায় তবে নাবী ফসলে মোজাইক রোগ হয় বলে ফলন ভালো হয় না।

 

ঢেঁড়শের চারা রোপণকালীন সময় আঘাত সহ্য করতে পারে না বলে সরাসরি মূল টবে বুনতে হবে। ঢেঁড়শের জন্য মাঝারী ধরণের টব হলেই চলবে। প্রতি টবে ২ থেকে ৩টি বীজ বুনে দিতে হয়।চারা গজানোর পর একটি সবল চারা রেখে বাকিগুলো ফেলে দিতে হয়। খোসা শক্ত বলে ঢেঁড়শের বীজ দেরিতে গজায়। তাই বোনার আগে ২৮ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।ঢেঁড়শ গাছ পানি সহ্য করতে পারে না। গাছের গোড়ায় দাঁড়ানো পানি তাড়াতাড়ি সরিয়ে দিতে হবে। প্রত্যেকটি টবে পানি যাতে না বেধে থাকে তার ব্যবস্থা করতে হবে।

 

গাছ ১০ থেকে ১২ সে.মি. বড় হলে টবের কিনার ঘেঁষে ১ চা চামচ ইউরিয়া ও ১ চা চামচ মিউরেট অব পটাশ মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।

 

শুঁয়া পোকা কচি কাণ্ড ছিদ্র করে গাছের ক্ষতি করে। ভাইরাস (মোজাইক) রোগ ঢেঁড়শে প্রায়ই দেখা যায়। এ রোগে পাতা হলদে হয়ে কুঁচকে যায়। রোগাক্রান্ত গাছ তুলে মাটিতে পুঁতে দিতে হয়। শুঁয়া পোকার আক্রমণ থেকে ঢেঁড়শ গাছকে বাঁচাতে হলে প্রতি লিটার পানিতে ১ মি. লি. ডায়াজিনন-৮০, নুভাক্রণ-৪০, একালাক্স-২৫ এর যে কোনোটি অথবা ১ লিটার পানিতে ১ মিলি লিটার সিমবুশ-১০ মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

 

বীজ বপনের দুই মাস পরেই ফল পাওয়া যায়। কচি অবস্থায় ঢেঁড়শ তুলতে হয়। দেরি হলে ফল শক্ত হয়ে যায় ও সেটা খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে যায়। ঘন ঘন ঢেঁড়শ তুললে গাছে বেশি পরিমাণে ঢেঁড়শ আসে। গাছের ঠিক মতো যত্ন নিলে এক একটি ঢেঁড়শ গাছ থেকে অনেকদিন ফসল পাওয়া যায়।

 

খবর প্রতিদিন / সি.বা 


আরও খবর



বাবা হুট করেই নাকি আমার বিয়ে ঠিক করেছে

রম্যগল্প- বিয়ে বিড়ম্বনা

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ২১৯জন দেখেছেন
Image

 

 

️লেখক: তাসনিয়া তাবাসসুম


বাবা হুট করেই নাকি আমার বিয়ে ঠিক করেছে।আমি কেবলই ইউনিভার্সিটিতে পা রেখেছি ছ'মাসও হয় নি আর তিনি অলরেডি আমার জন্য পাত্রী দেখা শুরু করেছেন।আরে বাবা,এই সদ্য উৎপন্ন চাল কি আর সেই সরিষার মতো ফুটফুটে ফুলের তেলের ঘানি টানতে পারবে!

 

বাবাকে কিছু বললেই বলে আমি বেকার হয়েছি তো কি হয়েছে?সেও নাকি এই বয়সেই বিয়ে করেছিল,তার পূর্বপুরুষের পন্থা নাকি এটা!মনে মনে সাধে তো আর বলি না যে এই জন্যেই তো মাথায় আস্ত একটা টাক জন্ম দিয়েছো!!

রাফিনকে ফোন করে আসতে বললাম সেদিন যে দোস্ত,একটা ইমারজেন্সি কথা আছে জলদি টিএসসির সামনে আয়।

ওই ব্যাটা মুখের উপরই বলে দিল,"কি রে আঙ্কেল আবার নিশ্চয়ই তোমার পিছনে বাছুরের মতো ছুটছে?তো বিয়ে করছিস কবে?"

কথাটা শুনে হাসবো না কাঁদবো না ইমোশনাল হবো কিছুই বুঝতে পারলাম না।শেষমেশ রাফিনকে অভিশাপ....থুক্কু বকা দিয়েছি আর কি!তাকে সোজাসাপটা বলে দিয়েছি বিয়ে করলে আমি একটা হিজড়ারেই বিয়ে করবো।

এই শালা রাফিন ডিরেক্ট গিয়ে বাবাকে বলে দিয়েছে কিন্তু আমি জানি না।

প্রতিদিনের মতো এবারও বেশ ফুরফুরে মেজাজে বাড়িতে ঢুকেছি।ঢুকেই দেখছি বাসা ভর্তি মানুষ।তাজ্জব ব্যাপার তো!এ সময়ে বাসায় এত মানুষ,কারো বিয়ে হবে নাকি?

বাবাকে খুঁজছি কিন্তু কেউ নেই।রুমের মধ্যে ঢুকতেই দেখি একজন মাথায় ঘোমটা দিয়ে কি সুন্দর করে শাড়ি পরে বসে আছে।মনে মনে ভাবলাম যাক বাবা মনে হয় আমার জন্য ভালো পাত্রীই ঠিক করেছেন।আস্তে আস্তে এগুলাম তার দিকে।ঘোমটাটা খুলবো এমন সময় রাফিন এসে গেছে।

কি রে মুহিব্বি!কি খবর?আঙ্কেল তোরে বিয়ে তাইলে দিয়েই দিলো।তো দোস্ত তোমার মনের সকল আশা-আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হোক।আর ভাবী,ছেলেকে তো আগেই দেখেছেন।এখন আরও ভালো করে দেখে নেন।

আসি দোস্ত,ভালো থাক...

এতক্ষণ জোর করে রাগটা চেপে রেখেছিলাম কিন্তু যাক,গাধাটা গেছে এখন।এখন তো আমার বউকে দেখাই যায়!

আস্তে আস্তে আবার এগুলাম তার দিকে।ঘোমটাটা খুলছি ধীরেধীরে।

মেয়ের চেহারা যেই না দেখতে যাবো অমনি কি এক বিচ্ছিরি মেয়েছেলে গলা দিয়ে কে যেন বলে উঠলো,"ও গো আমার না লজ্জা লাগছে!প্লিজ ওভাবে তাকিও না!"

আমি কিছুক্ষণ কথাগুলো হজম করলাম।ভাবছি আমার রুমে তো অন্য কেউ নেই তাহলে এই পুরুষ-মহিলা কণ্ঠস্বর আসছে কোথা থেকে!

ধুর,ওসব পাত্তা না দিয়ে এবার ঘোমটাটা খুললাম।ইশশ কি সুন্দর মিষ্টি গায়ের রঙ,ঠোঁটগুলোও কি গোলাপি-- একেবারে গোলাপের পাপড়ির মতো পাতলা,আর চোখ উফফ কি যে অথৈ সাগরে ডুবে গেলাম!একেবারে সাক্ষাৎ পরি!

"এই অমন করে কি দেখছো?আমাকে পছন্দ হয়েছে তো তোমার,বলো না?"

জীবনে বোধহয় এতটা হতভম্ব কখনোই হই নি।মানে কি?শেষ পর্যন্ত মেয়ের গলা পুরুষের মতো হলো!!!এত সুন্দর মেয়ে আর গলা এই বিচ্ছিরি!

মানতে কষ্ট হচ্ছে কিন্তু তারপরেও তো সে আমার বউ।

আমার জড়িয়ে ধরে সে বলতে লাগলো,"এই দেখো না আমার দিকে!কেমন লাগছে আমার হু?"

আচ্ছা এক সেকেন্ড এটা তো কোনো মেয়ের গলা না।মেয়েদের গলার স্বর তো সুকণ্ঠ,সুমিষ্ট কিন্তু...

তার মানে এ কি তাইলে হিজড়া!!!আল্লাহ গো, আমাকে বাঁচাও,আব্বা শেষমেশ আমাকে সত্যিসত্যিই হিজড়ার সাথে বিয়ে দিয়েছে!

নাআআআআআআআআ!!!

আব্বাআআআআআআআআআ....

কয়েকদিন পর...

আমি এখন কোথায়?আব্বা,রাফিন দোস্ত আছিস?

-হ্যাঁ দোস্ত বল।তুই হসপিটালে। এখন কেমন লাগছে?

-কিছুটা ভালো লাগছে।কিন্তু আমি না বাসায় ছিলাম,হসপিটালে আসলাম কিভাবে?

-আরে ব্যাটা,তোর মনে নাই তোর বিয়ে হয়েছিল।ওই যে সুন্দর একটা হিজড়ার সাথে।তোদের কথা হচ্ছিলো আর তুই তো আব্বা বলে এমন চিৎকার দিলি। আর আমরা এসে দেখি তুই অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছিস!

ভাইয়া,মুহিব্বি এখন কেমন আছে?

-দোস্ত,এবার বোধহয় আমি আর বাঁঁচবো না!

অতঃপর আমি আবারও সেন্সলেস!!!

 

️লেখক: তাসনিয়া তাবাসসুম

 


আরও খবর



স্থানীয় সাংসদের ডিওলেটার নকল অর্ধকোটি আয়, সিন্ডিকেটে জড়িত সরকারী কর্মকর্তারা

মিঠাপুকুরে ভুয়া কাজীর হাতে ২ হাজার বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রি

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
Image

 

রুবেল ইসলাম,মিঠাপুকুর :

 

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় ভূয়া নিকাহ্ রেজিস্ট্রার সেজে ৭ বছরে বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রি করে কোটি টাকা আয় করেছেন এনামুল হক নামে কাজী। এই সময়ে তিনি ২ হাজারেরও বেশি নিকাহ্ ও তালাক রেজিস্ট্রি করেছেন। সম্প্রতি জানা গেছে তিনি একজন ভুয়া কাজী। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন আমিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি।

 

গত ২৬ শে আগস্ট আলোচিত অভিযোগটি উঠেছে-উপজেলার ময়েনপুর ইউনিয়নে দক্ষিণপাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের পুত্র কাজী এনামুল হকের বিরুদ্ধে।ভুয়া রেজিস্ট্রারি নিয়োগ দেখিয়ে কাজির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।এতে সহযোগিতা করছেন জেলা রেজিস্ট্রার অফিস, মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর রংপুর আঞ্চলিক অফিসের কিছু কর্মচারী।তবে এই বিষয়ে উভয় উভয়কে দোষারোপ করছেন।

 

অভিযোগকারী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মুন্ডপাশা গ্রামের আলাউদ্দিন মিয়ার ছেলে আমিরুল ইসলাম মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন)আইনে ১৯৭৪(১৯৭৪ সনের ৫২ নং আইন)এর ৪ ধারানুযায়ী নং-বিচার-৭/২এন/২০০৪-৪৪২ নং স্মারেেক কাজীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সেই স্মারক জালিয়াতি করে দীর্ঘ ৭বছর ধরে কাজীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন এনামুল হক।তিনি আরও বলেন-তৎকালীন সময়ে আইন ও বিচার বিভাগ থেকে নিকাহ্ রেজিস্ট্রার নিয়োগপ্রাপ্ত সঠিকতা প্রসঙ্গে ও তার বিরুদ্ধে বিচার-৭/২এন-৬৯/২০০৪-২৬৫ স্মারকে ৮ই মার্চ ২০১৭ সালে জেলা রেজিস্ট্রারকে ফৌজদারি মামলার নির্দেশ দেন সিনিয়র সহকারী সচিব জি.এম.নাজমুল শাহাদাৎ।কিন্তু তৎকালীন জেলা রেজিস্ট্রার অর্থের বিনিময়ে কোন ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।জানা যায়-গত ১৬ই ফেব্রয়ারী ২০১৪ সালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান কাজী আব্দুল ওয়াদুদ(৪৫)।তার মৃত্যুর পর থেকে ভুয়া নিয়োগপত্র দেখিয়ে কাজীর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

 

নামপ্রকাশে অনিশ্চুক স্থানীয় বাসিন্দা জানান-এনামুল কাজী এলাকায় ৮-১০ হাজার টাকার বিনিময়ে বাল্যবিবাহ পড়িয়ে থাকেন।এছাড়া বিভিন্ন ধরণের ঝামেলার বিয়ে অনেক অর্থের বিনিময়ে রেজিস্ট্রোর করেন বলে দাবী তাদের।

এই বিষয়ে এনামুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য করেননি। আবু তালেব মিয়া ও ইদ্রিস আলী নামে দুজনকে সাব কাজীর দায়িত্ব দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন তিনি।

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর রংপুর আঞ্চলিক অফিসের ম্যানেজার আব্দুস ছালাম বলেন-ময়েনপুর ইউনিয়নের কাজী এলামুল হকের কোন ফাইল তার অফিসে নেই ।জেলা রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত অনুমতি ও সরকারী মূল্য পরিশোধ না হওয়া পযর্ন্ত আমাদের কাছ থেকে বই পাওয়ার কোন সুযোগ নেই।তাহলে বই পেল কিভাবে এমন প্রশ্নে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসকে দায়ী করেন তিনি।

 

জেলা রেজিস্ট্রার আব্দুল সালাম প্রামাণিক জানান-তিনি এই বিষয়ে অবগত নন।ইতিপূর্বে যিনি দায়িত্বে ছিলেন তিনি এই কাজ করেছেন। তার অফিসের সুপারিশ ছাড়া মুদ্রণ শাখা কখনই কোন বই হস্তান্তর করেন না। কাজী বই কিভাবে পেল এমন প্রশ্নে  তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



কয়েকদিনের তীব্র গরমের পর রাজধানীতে নেমেছে ঝুম বৃষ্টি

স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজলো ঢাকা

প্রকাশিত:Saturday ১৬ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ১৩২জন দেখেছেন
Image

 

 চৌধুরী বাগদাদ, ঢাকা :

কয়েকদিনের তীব্র গরমের পর রাজধানীতে নেমেছে ঝুম বৃষ্টি। শনিবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকায় হঠাৎ বৃষ্টি নামে। এর আগে সন্ধ্যার পর থেকেই আকাশে মেঘের ডাক শোনা যাচ্ছিল।


সন্ধ্যার হঠাৎ বৃষ্টিতে অফিস শেষে ঘরমুখী মানুষ কিছুটা বিপাকেও পড়েন। এ সময় পথচারীদের হুড়োহুড়ি করে আশপাশের ভবনে আশ্রয় নিতে দেখা যায়।


এর আগে শনিবার সকালে আবহওয়া অফিস জানায়, বৃষ্টি বেড়ে কিছুটা কমতে পারে গরম। একই সঙ্গে সারাদেশের ১৮টি জেলায় চলমান তাপপ্রবাহ কোথাও কোথাও থেকে দূর হতে পারে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নেওয়ার সময় আশ্বিনের শেষদিনে গরমে পুড়ছিল প্রায় সারাদেশ।

‘মূলত বৃষ্টি না হওয়ার কারণেই এবার এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে দেশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নিতে শুরু হবে। দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে পুরোপুরি বিদায় নেয়। কোনো কোনো বছর এটা একটু দেরিতে হয়। এবার দেরি হচ্ছে, এবার মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশ থেকে পুরোপুরি বিদায় নিতে ২২-২৩ অক্টোবর পর্যন্ত লেগে যাবে।

 

খবর প্রতিদিন /সি.বা 


আরও খবর



কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রের ছেলে আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার

কৃষক হত্যা মামলায় ভারতীয়মন্ত্রীপুত্র গ্রেফতার

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image



আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ভারতের উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষক হত্যার ঘটনার মামলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রের ছেলে আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। শনিবার রাত ১১টার দিকে গ্রেফতার করা হয় আশিসকে। খবর এনডিটিভির।

 

উত্তর প্রদেশের লখিমপুর-কাণ্ডের পাঁচ দিন পর গ্রেফতার করা হলো আশিস মিশ্রকে। যদিও প্রথম থেকেই বিরোধী দলগুলো আশিসকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।দেশটির পুলিশ বলছে, তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগ এড়ানোর চেষ্টা করেছেন এবং সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব দেখাননি।

 

বিতর্কিত আইন বাতিলের দাবিতে কৃষকদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে ভারতে। এর মাঝে কৃষককে গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে মন্ত্রীপুত্র আশিস মিশ্রের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় উচ্চ আদালত উত্তর প্রদেশ সরকারকে নির্দেশ দেন, কৃষক নিহত হওয়ার ঘটনায় যেই জড়িত থাকুক তাকে গ্রেফতার করার। এর পরপরই গ্রেফতার হন আশিস।

 

ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত রোববার বিকালে লখিমপুর খেরিতে কৃষকরা বিক্ষোভ করার সময় একটি গাড়ি তাদের ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে দুই কৃষক প্রাণ হারান। অভিযোগ, সেই গাড়িতে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা অজয় মিশ্রর ছেলে। এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই সংঘর্ষ বেঁধে যায় পুলিশ-বিক্ষোভকারীদের মধ্যে। এতে চার কৃষকসহ আটজনের মৃত্যু হয়।

 

খবর প্রতিদিন /সি.বা 


আরও খবর