Logo
আজঃ বুধবার ২২ মে ২০২৪
শিরোনাম

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অক্সিজেন প্ল্যান্টে দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধারকাজ চলছে

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ২৮১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সীমা অক্সিজেন প্ল্যান্টে বিস্ফোরণের ঘটনায় উদ্ধার অভিযান দ্বিতীয় দিনের মতো শুরু হয়েছে। আজ রোববার সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিস, র‌্যাব ও পুলিশ উদ্ধারকাজ শুরু করে। এর আগে গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আলোক স্বল্পতার কারণে উদ্ধার অভিযান স্থগিত ঘোষণা করে ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আবদুল মালেক জানান, সকাল থেকে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিসের টিম। উদ্ধারকাজে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের বিভিন্ন কর্মীরাও সহায়তা করে করছেন।

তিনি আরও বলেন, এটি একটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট। হাজার হাজার অক্সিজেনের বোতল ছড়িয়ে আছে কারখানার চারপাশে। তাই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে।

সীতাকুণ্ডের বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৬

এর আগে শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার কদমরসুল এলাকার সীমা অক্সিজেন প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ থেকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট, সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা উদ্ধারকাজে অংশ নেন।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জন নিহত এবং ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ বিস্ফোরণের উৎপত্তি যেভাবে

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলছেন, বিস্ফোরণের পর সৃষ্ট হওয়া আগুন এক ঘণ্টা ১০ মিনিটের মধ্যে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বিকট শব্দে বিস্ফোরণে আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকা কেঁপে ওঠে। এতে পাশে থাকা বিভিন্ন ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এত কিছুর পরও কারখানার মালিকপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযানে মালিকপক্ষের কেউ সহায়তা করেনি। তথ্য দেওয়ার জন্য ঘটনাস্থলেও তাদের কেউ আসেননি।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক (ডিডি) মো. আব্দুল হালিম সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, কারখানাটিতে অক্সিজেন উৎপাদন করা হয় এবং সিলিন্ডার রিফিল করা হয়। দুটি কারণে বিস্ফোরণ হতে পারে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে- যান্ত্রিক ত্রুটি। ব্যবস্থাপনার কারণেও দুর্ঘটনা হতে পারে। তবে তদন্ত শেষে বিষয়টি স্পষ্ট করে বলা যাবে।


আরও খবর



রূপগঞ্জের জাঙ্গীর-ভিংরাবো সড়কের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১০৯জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ(নারায়ণগঞ্জ)সংবাদদাতা:বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি,সাবেক মন্ত্রী, বর্তমান সংসদ সদস্য ও রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীকের নির্দেশে রূপগঞ্জের জাঙ্গীর-ভিংরাবো সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল ৪ মে শনিবার রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব মোঃ ছালাউদ্দিন ভুঁইয়া এ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ মোমেন, রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাছুম চৌধুরী অপু, রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন দোলন, রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মজিবুর রহমান লিটন, আওয়ামীলগি নেতা শাহনাজ আহমেদ, বদরুদ্দিন, রূপগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদিন ডিপটি, যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন, মোবারক হোসেন, মাহবুবুর রহমান, মফিজুর রহমান, আব্দুস ছাত্তার ভুঁইয়া, ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান, পনির হোসেন, সমাজসেবক মোবারক হোসেন প্রমুখ। 

পরে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। 

 -খবর প্রতিদিন/ সি.ব         


আরও খবর



বিরামপুরে ছোট যমুনা নদীর পাড়ে হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী ফারুক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

মিজান, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃহাঁস পালন একটি লাভজনক পেশা। হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী হয়েছেন দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার জহুরুল ইসলাম ফারুক নামে এক যুবক। তিন বছর আগে ৭০০ হাঁস দিয়ে খামার শুরু করলেও তিনি। তিন বছরে ৫ হাজারেরও বেশি হাঁস বিক্রি করেছেন। বর্তমানে তাঁর খামারে  এক হাজার হাঁস রয়েছে। সেই হাঁসগুলো অল্প দিনের মধ্যেই ডিম দেবে। যমুনা নদীর ধারে তাঁর এই খামার দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন অনেকেই। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে দেওয়া হচ্ছে নানান পরামর্শ।

সরেজমিনে দেখা যায়, দিনাজপুর জেলার  বিরামপুর উপজেলার ছোট যমুনা নদীর পাড়ে ফারুক গড়ে তুলেছেন এ হাঁসের খামার। দল বেঁধে চলছে হাঁসের দল। প্রতিটি হাঁসের বাচ্চা ৩০ টাকা দরে কিনেছেন বলে জানান তিনি। প্রথম পর্যায়ে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে ৭০০ হাঁসের মাধ্যমে খামার তৈরি করলেও তিন বছরে তিনি ৫ হাজারেরও বেশি হাঁস বিক্রি করেছেন। নদীর বুকে সারাদিন হাঁসগুলো খাবার খেয়ে থাকেন। বর্তমানে তাঁর খামারে ক্যাম্বেল জাতের হাঁসও রয়েছে।

হাঁসগুলোকে সন্ধ্যার পর শুধু ৫০ কেজি গম খেতে দেন তিনি। দেখা যায়, ফারুক হাঁসগুলোকে ডাকা মাত্রই ছুটে আসে তাঁর কাছে। সারাদিন হাঁসগুলো এখানে প্রাকৃতিক খাবার খায়। সন্ধ্যায় সেগুলোকে শুকনো স্থানে রেখে পরিচর্যা শেষে পুনরায় সকালে নদীতে উন্মুক্ত করা হয়। এক জায়গায় স্থির না রেখে পানি ও প্রাকৃতিক খাবারের প্রাপ্যতানুসারে স্থানান্তর করা হয় হাঁসগুলোকে। ভ্রাম্যমাণ খামারটি একদিকে বদলে দিয়েছে তাঁর ভাগ্য। অপরদিকে ওই এলাকাবাসী পেয়েছে স্বাবলম্বী হওয়ার প্রেরণা। হাঁস পালন সম্পর্কে নানা পরামর্শ নিতে আসছেন অনেকেই। তাঁর খামারে কাজ করে সংসার পরিচালনা করছেন অনেক পরিবার।

এ বিষয়ে হাঁস খামারি জহুরুল ইসলাম ফারুক বলেন, ছোট পরিসরে প্রায় তিন বছর ধরেই যমুনা নদীর তীরে হাঁস পালন করছেন তিনি। তাঁর খামারে ক্যাম্বেল জাতের হাঁস রয়েছে। সরকার থেকে সহযোগিতা পেলে তিনি হাঁসের একটি বড় হ্যাচারি তৈরি করবেন। তাঁর খামারের হাঁসগুলো অল্পদিনের মধ্যেই ডিম দেবে। সেই ডিম থেকে তিনি আবার বাচ্চা তৈরি করার চিন্তা করছেন।

বিরামপুর উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. বিপুল কুমার চক্রবর্তী বলেন, বিরামপুরের ছোট যমুনা নদীতে ভ্রাম্যমাণ হাঁস পালনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। ফারুকের খামারটি নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। আমরা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে খামারিদের সরকারের নির্ধারিত মূল্যে ভ্যাকসিন, চিকিৎসা ও পরামর্শ সেবা দিয়ে থাকি। বিরামপুর উপজেলাতে প্রায় ৩৪টির মতো ছোট -বড় হাঁসের খামার রয়েছে। এই খামারগুলোতে বিভিন্ন জাতের হাঁস রয়েছে। হাঁসগুলো থেকে স্থানীয় মাংস এবং ডিমের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়ে থাকে।


আরও খবর



জয়পুরহাটে আব্দুর রহমান হত্যা মামলায় ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ১৬৫জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃজয়পুরহাটে আব্দুর রহমান হত্যা মামলায় প্রায় ২২ বছর পর ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়। 
সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক নুরুল ইসলাম এ রায় দেন। 

দন্ডপ্রাপ্ত সকলের বাড়ির জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার হরেন্দা গ্রামে। এদের মধ্যে দুইজন পলাতক রয়েছেন। 

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০২ সালের ২২ নভেম্বর রাতে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার হরেন্দা গ্রামের সামসুদ্দিনের ছেলে আব্দুর রহমানকে ধানের জমি থেকে পূর্ব শত্রুতার জেড় ধরে আসামী আলামের বাড়িতে ধরে নিয়ে যায় অন্যান্য আসামীরা। এরপর সেখানে আটকে রেখে তাকে নির্মমভাবে বিভিন্ন অস্ত্র দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারপিট করে ও পা দিয়ে বুকে ও পেটে খুচিয়ে খুচিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আব্দুল বারিক মুন্সী বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত আজ এ রায় দেন। 

সিংকঃ এ্যাড. নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), জজ কোর্ট, জয়পুরহাট।

আরও খবর



আবারও গানের ভুবনে ফিরতে চান জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী রিংকু

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১২২জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:উত্তর জনপদের মৎস্য, শষ্য ও আমের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে খ্যাত নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় জন্ম এক সময়ের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী মশিউর রহমান রিংকুর। চার বার স্ট্্েরাক করে অসুস্থ্য রিংকু বর্তমানে আগের চেয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলেও পারছে না আগের মত আর গান গাইতে। কিন্ত মনবল রয়েছে তার, আবারও ফিরতে চান গানের ভুবনে।

২০১৬ ইতালিতে শো করার সময় প্রথমবার স্ট্রোক করেন। এরপর দেশে এসে চিকিৎসা নিয়ে আবারো গান গাওয়া শুরু করেন। কিন্তু ২০১৮ সালে আরেকবার স্ট্রোক করেন। শেষে ২০২০ সালে পরপর দুইবার স্ট্রোক করে শরীরের বাঁ পাশ অবশ হয়ে যায় তার। বর্তমানে আগের চেয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন রিংকু। আবারও ফিরতে চান গানের ভ্বুনে।

এক সময় স্টেজ শো, অ্যালবাম প্রকাশ,পথে-প্রান্তরে ছুটে বেড়িয়েছেন গান ভালোবেসে নিজের কন্ঠে শ্রোতাদের মুগ্ধ করতে কিন্তু এখন পুরোপুরি অবসর রিংকু, নেই আগের মত কোনো ব্যস্ততা।

ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতায় বাজিমাতের মাধ্যমে সংগীত জগতে নিজের জায়গা করে নেন রিংকু। ব্যস্ত হয়ে পড়েন স্টেজ শো ও অ্যালবাম প্রকাশে। ‘পাগলা ঘণ্টা’, ‘বাউল মন’ ও ‘জগৎ বন্ধু’ নামের তিনটি অডিও অ্যালবাম বের করেছিলেন। গানের মাধ্যমে শ্রোতাদের মনে যায়গা করে জনপ্রিয়তার শীর্ষে গিয়েছেন কিন্তু এতো জনপ্রিয়তা অর্জন করার পড়েও রিংকু এখন পুরোপুরি অবসরে আগের মতো নেই কোন ব্যস্ততা, অসুস্থ হওয়ার কারণে গানের জগৎ থেকে এখন দূরেই রয়েছেন এই শিল্পী।

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বড় সাওতা গ্রামের মহসীন আলী মৃধার ছেলে মশিউর রহমান রিংকু। বর্তমানে সেখানেই রয়েছেন তিনি। ২০০৫ সালে ক্লোজআপ ওয়ান সংগীত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তিনি নজর কাড়েন দেশজুড়ে এমনকি জায়গা করে নিয়েছিলেন সেরা পাঁচে। তাঁর কণ্ঠে লোকগান ও বাউলগান শ্রোতামহলে ব্যাপক জনপ্রিয়।

তিনি বলেন, একটা সময় স্টেজ মাতিয়েছি। নতুন নতুন গান করেছি। কিন্তু এখন সব বন্ধ। আমাকে অনেকেই ডাকে গানের জন্য। কিন্তু আমি এ অবস্থায় গাইতে চাই না। আমার  জন্য সবাই দোয়া করবেন যেন আগের মতো গান গাইতে পারি। জানি আগের মতো গান গাওয়া সম্ভব না। তারপরও চেষ্টা করবো।

স্থানীয় এলাকাবাসীদের সাথে কথা হলে তারা জানান, যদি এই শিল্পীকে বিদেশে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করা হতো, তাহলে আবারও আগের মতো সুস্থ হয়ে উঠবেন তিনি। উল্লেখ্য, ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতায় লালন শাহের ‘এসব দেখি কানার হাট-বাজার’ গান গেয়ে দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছিলেন রিংকু। এরপর ধীরে ধীরে তিনি ‘পাগলা ঘণ্টা’, ‘বাউল মন’, ও ‘জগৎ বন্ধু’ নামের অডিও অ্যালবাম বের করেছিলেন। ‘বাউল মন’ অ্যালবামের ‘নারী হয় লজ্জাতে লাল, ফালগুনে লাল শিমুল বন’ গানটি সবাইকে আকৃষ্ট করে। লালনের ১০০ গানের পাশাপাশি নানাস্থানে ছড়িয়ে থাকা লোকগান সংগ্রহ করে কাজ করছেন তিনি। ‘সম্পর্ক’ নামে একটি গানের প্রতিষ্ঠানও গড়ে তুলেছিলেন রাজধানীর মগবাজারে।


আরও খবর



রংপুরে পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্সের বীমাদাবীর ৪ কোটি ১২ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর ও বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ১৪০জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম, জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃপপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের রংপুর অঞ্চলের মেয়াদ উত্তীর্ণ গ্রাহকদের বীমাদাবীর ৪ কোটি ১২ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর ও বার্ষিক সম্মেলন  অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) সকালে রংপুর চেম্বার ভবন মিলনায়তনে এ  বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর ও বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের আল বারাকা ডিপিএস প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে মেয়াদ উত্তীর্ণ বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর ও বার্ষিক সম্মেলনে  প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের  ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও, বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্য নির্বাহী সদস্য  বি এম ইউসুফ আলী। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উর্দ্ধতন  উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ব্রাঞ্চ কন্ট্রোল) সৈয়দ মোতাহার হোসেন, জনপ্রিয় বীমা প্রকল্পের উপ- ব্যবস্থাপনা  পরিচালক কামাল হোসেন মহসিন, আল বারাকাহ ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের উর্দ্ধতন নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প  পরিচালক সেলিম মিয়া, জনপ্রিয় বীমা প্রকল্পের উর্দ্ধতন নির্বাহী পরিচালক ও উর্দ্ধতন প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসন, আল আমিন বীমা প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক বিল্লাল হোসেনের।

এ সময়ে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, একক বীমা প্রকল্পের প্রকল্প ইনচার্জ আফজাল হোসেন, জনপ্রিয় বীমা প্রকল্পের প্রকল্প ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম রাশেদ, আল আমিন বীমা প্রকল্পের প্রকল্প ইনচার্জ  জসিম উদ্দিন।

সম্মেলন শেষে ৪ কোটি ১২ লক্ষ টাকার বীমা দাবীর চেক গ্রাহকদের হাতে হস্তান্তর করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের  ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও, বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্য নি

আরও খবর