Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত

চট্টগ্রামে করোনা শনাক্তের হার ১৩.৫৮ শতাংশ

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন
Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু হয়েনি। তবে এ সময়ে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬৬ জন। শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এর মধ্যদিয়ে জেলায় মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ালো এক লাখ ২৭ হাজার ৭৮ জনে। আরও মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১ হাজার ৩৬২ জনে।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকালে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে শনাক্তের হার দেখানো হয়েছে, ১৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। আগের দিন সোমবারও একই সংখ্যক লোক করোনায় আক্রান্ত হওয়ার তথ্য দিয়েছিল সিভিল সার্জন কার্যালয়। ওইদিন পরীক্ষার তুলনায় সংক্রমণের হার ছিল প্রায় ৭ দশমিক ০৪ শতাংশ।

মঙ্গলবার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন ল্যাবে ৪৮৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬৬ জনের শরীরে করোনার জীবাণু শনাক্ত হয়। এতে পরীক্ষার তুলনায় সংক্রমণের হার প্রায় ১৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। শনাক্তদের মধ্যে ৬১ জন নগরের এবং ৫ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি ল্যাবে ২২ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেে ল্যাবে ১০ জন, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ইউনিভার্সিটি ল্যাবে ১ জন, অ্যান্টিজেন টেস্টে ২ জন, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১০ জন, শেভরণ হাসপাতালের ল্যাবে ৫ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৩ জন, আরটিআরএল ল্যাবে ৪ জন, ইপিক হেলথকেয়ার ল্যাবে ৩ জন, মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ল্যাবে ২ জন এবং এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল ল্যাবে ৪ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়।


আরও খবর



শিল্পকারখানা খোলা থাকবে, সমন্বয় হবে সাপ্তাহিক ছুটি

প্রকাশিত:Monday ০৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে গত ১৯ জুলাই থেকে সারাদেশে শিডিউল করে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং করছে সরকার। এতে অর্থনীতির ওপর যেন নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে সেজন্য শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার বিষয়টিকে প্রাধ্যান্য দেওয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে উৎপাদনমুখী সব শিল্পকারখানায় রোস্টার করে সাপ্তাহিক ছুটি ঘোষণার পক্ষে মত দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, লোডশেডিং পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করতে শিল্পকারখানাগুলোতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন সমন্বয় করা হবে। এ ধরনের সব প্রতিষ্ঠানকে নিয়মের আওতায় আনা হবে। কোনো শিল্পকারখানা একই দিনে বন্ধ থাকবে না। সপ্তাহের ভিন্ন ভিন্ন দিনে সাপ্তাহিক ছুটি বা বন্ধ রাখা হবে। শিল্পকারখানায় সাপ্তাহিক ছুটির দিন সমন্বয় হলে বিদ্যুৎ সরবরাহের ওপর চাপ কিছুটা কমে আসবে।

সোমবার (৮ আগস্ট) সকালে জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে বিদ্যুৎ সচিব এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, কোনো কারখানাই পুরোপুরি বন্ধ রাখতে বলা হয়নি। কারখানাগুলোতে তো সপ্তাহে একদিন ছুটি থাকেই। এখন ছুটিটা শুধুমাত্র শুক্রবার থাকবে না। সপ্তাহের অন্যান্য দিনেও এ ছুটি ভাগাভাগি করে দেওয়া হবে।

হাবিবুর রহমান বলেন, সাপ্তাহিক একই দিনে হওয়ায় সপ্তাহের বাকি ছয়দিন শিল্পকারখানাগুলোতে সমানভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হয়। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহের ওপর চাপ বাড়ে। নির্দিষ্ট ছুটির একদিন (শুক্রবার) সেই চাপ একেবারে কমে আসে। এবার সপ্তাহের একেক দিন একেক অঞ্চলের কারখানা বন্ধ বা খোলা থাকবে।

তিনি বলেন, এতে করে বিদুৎ সরবরাহের ওপর যেমন চাপ কমবে, কারখানাগুলোও সাপ্তাহিক ছুটি বহাল রেখে উৎপাদন সচল রাখতে পারবে। এভাবেই শিল্পকারখানায় সাপ্তাহিক ছুটি সমন্বয় করা হবে। যেন প্রতিটি কারখানাতেই একদিন করে রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার বন্ধ রাখা নিশ্চিত করা যায়।

অপর এক প্রশ্নে বিদ্যুৎ সচিব বলেন, যদি কোনো কলকারখানা ওভার টাইম করিয়ে বাড়তি উৎপাদন করে, সেটিও তারা করতে পারবে। আবার যেসব কারখানা সপ্তাহে সাতদিনই খোলা রেখে কর্মীদের শিডিউল করে ছুটি দেয়, তাদেরও তো নির্দিষ্ট একটা দিন থাকে, যেদিন বেশিরভাগ কর্মী ছুটি কাটায়। ওই নির্দিষ্ট দিনটিতে ক্যাপ্টিভয়ের মাধ্যমে (বড় জেনারেটর দিয়ে নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন) কারখানা চালু রাখা যেতে পারে। এতে কোনো বাধা থাকবে না।

তিনি বলেন, আমাদের প্রতিমন্ত্রীর (বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী) সভায় ব্যবসায়ী নেতারা ছিলেন, তারা সাপ্তাহিক শিডিউল করে শিল্পকারখানা চালু ও বন্ধ রাখার বিষয়ে কোনো আপত্তি জানাননি।

তিনি আরও বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সেগুলোর সঙ্গেও কথা বলে আমরা সাপ্তাহিক ছুটি সমন্বয় করবো।

কবে থেকে শিল্পকারখানায় সাপ্তাহিক ছুটির নতুন এ শিডিউল শুরু হবে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ সচিব বলেন, আজই (সোমবার) আমরা চিঠি দেওয়া শুরু করবো। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সারাদেশে এটি কার্যকর হবে। তবে কোন এলাকায় কখন বন্ধ বা চালু রাখা হবে তা প্রতিষ্ঠান মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সমন্বয় করা হবে। পরে সেই রোস্টার জানিয়ে দেওয়া হবে।


আরও খবর



ইমোশন কাজে লাগিয়ে নড়াইলের ঘটনা সৃষ্টি করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Tuesday ১৬ August ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বাংলাদেশে সব ধর্মের প্রাধান্য রয়েছে। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবমিলিয়ে বাংলাদেশ। আমরা জাতি হিসেবে অত্যন্ত ইমোশনাল। মাঝে মধ্যে যেকোনোভাবেই দু'একটি উক্তি চলে আসে এবং এগুলোকে পুঁজি করে ঘটনা ঘটে যায়। ইমোশন কাজে লাগিয়ে একটি গোষ্ঠী দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়।

বুধবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ‘রোহিঙ্গা ও নার্কো টেরোরিজম’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করে ডিপ্লোমেটস পাবলিকেশন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নড়াইলসহ এর আগেও কিছু ঘটনা ঘটেছে। সবগুলো ঘটনাতেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎক্ষণাত পদক্ষেপ নিয়েছে।নড়াইলের ঘটনা যখনই ঘটেছে তখনই ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া ছেলেটির বাড়ি প্রটেকশনে ছিল এবং তাকে খোঁজা হচ্ছিল। কিন্তু ছেলেটির ফেসবুকের পোস্ট দেখে একটি গোষ্ঠী ইমোশনাল হয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।

তিনি বলেন, ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে যারা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায় তারা সব জায়গাতেই এ ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। নাহলে ঘটনা ঘটিয়েছে একটি ছেলে এতে বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার কোনোই প্রয়োজন নেই। আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে ছেলেটির বাড়ি প্রটেকশন দেয় এবং যারা যারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নড়াইলের ঘটনায় সবগুলো বিষয় সামনে এনে ইনভেস্টিগেশনে চলছে। কে কতখানি সম্পৃক্ত ছিল তা তদন্তে বেড়িয়ে আসবে।


আরও খবর



অনৈতিক কাজে বাধা দেওয়ায় আবাসিক হোটেলে নারীকে হত্যা

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১২ August ২০২২ | ১৫জন দেখেছেন
Image

গাজীপুর আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কাজে বাধা দেওয়ায় এক নারীকে শ্বারোধে হত্যার পর মরদেহ ড্রামে ভরে হোটেলের স্টোর রুমে রেখে পালিয়ে যায় হত্যাকারীরা। ২০১৮ সালের ১৯ এপ্রিল এ হত্যাকাণ্ড ঘটলেও দীর্ঘ পাঁচ বছর পর তদন্ত শেষে গাজীপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এ মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে।

সেইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডে সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানার পালোহাটি গ্রামের মো. জিয়াউর রহমান ওরফে সুমন (৪৫), একই জেলার ত্রিশাল থানার আমিরবাড়ি গ্রামের মো. কামরুল হাসান সবুজ (৩৮), মুন্সিগঞ্জের টংগীবাড়ী থানার রাউৎভোগ গ্রামের মো. আমিুর হোসেন ফকির। তাদেরকে পৃথক এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে বিষয়ে গাজীপুরে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান বলেন, গাজীপুর সদর উপাজেলার হোতাপাড়া এলাকায় বৈশাখী আবাসিক হোটেলে নারীদের নিয়ে এসে অনৈতিক কাজ করা হতো এবং হোটেল কর্মচারীরা হোটেলে আসা নারীদের সঙ্গে জোর করে অনৈতিক সম্পর্ক করতো। ঘটনার দিন অজ্ঞাত পরিচয়ের (২৫) ওই নারীকে জোর করে অনৈতিক সম্পর্কে বাধ্য করতে গিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ওই নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

পিবিআইয়ের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার আসামিরা অজ্ঞাতনামা ওই নারী হত্যাকাণ্ডে জড়িত মর্মে স্বীকার করেছে। বুধবার তাদের গাজীপুর আদালতে পাঠানো হলে আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পাঁচ বছরেও ওই নারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



ড. কামালকে ইমাম বানিয়ে বিএনপির সব চিন্তাভাবনা ধূলিসাৎ: মোশাররফ

প্রকাশিত:Wednesday ০৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

গণফোরামের একাংশের প্রধান ড. কামাল হোসেনকে ইমাম মেনে বিএনপির সব চিন্তাভাবনা ধূলিসাৎ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

বুধবার (৩ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘সরকার ইভিএমে নির্বাচন করতে চায় কেন?’ শীর্ষক এই গোলটেবিল আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ইয়ূথ ফোরাম।

সভায় মোশাররফ বলেন, বিএনপির মতো একটি জনপ্রিয় দল গিয়ে ড. কামাল হোসেনকে ইমাম বানিয়েছিলো। কিন্ত নির্বাচনের আগে, তিনি বললেন নির্বাচনই করবেন না। এই ফ্রন্টে আমরা এত কষ্ট করে যে রূপরেখা বানালাম ড. কামাল হোসেনের নির্বাচন না করার কারণে আমাদের সকল ভবিষ্যত চিন্তাভাবনা সেদিন ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। ফলে বিএনপির মতো একটি দলকে এই ফ্যাসিবাদ সরকার পাঁচ বা ছয়টি আসন দিয়ে বিদায় করে দেয়।

তিনি বলেন, সরকারবিরোধী অন্য দলগুলোর সঙ্গে আমরা আলোচনা করছি। তাদের মতামত নিয়ে আমরা এটা সমৃদ্ধ করতে চাই। সেজন্য এখনো সেই রূপরেখা জনগণের সামনে আসেনি। আজকেও আমাদের মহাসচিব একটি দলের সঙ্গে আলোচনা করছেন। এই আলোচনা শেষে অবশ্যই আমরা দেশে একটা মঞ্চ করতে পারবো। আমরা যুগপৎ আন্দোলন করতে পারবো কী না, এর একটা সিদ্ধান্ত হবে।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন,আমরা বলেছি, এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবো না। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, এই সরকার আগামী ২৩ এর নির্বাচন করে যেতে পারবে না। বর্তমান ফ্যাসিবাদ ও গায়ের জোরের সরকারের নির্বাচন কমিশন সংলাপের নামে নাটক করছে। আমরাসহ আরও কয়েকটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এই সংলাপে অংশ নেয়নি।

‘সংলাপে অংশ নেওয়া অধিকাংশ রাজনৈতিক দল ইভিএমের বিপরীতে মত দিয়েছে। আমরাও সেটা চাইনা। সুতরাং বিষয়টির এখানেই মীমাংসা হওয়া উচিত। যে দেশের মানুষ নিজের হাতে ভোট দিতে পারেনা, তারা কিভাবে মেশিনে ভোট দিবে? এই ব্যবস্থা তো বিশ্বে বাতিল করা হয়েছে। কারণ এটা মানুষের তৈরি। সুতরাং এটা দূরভিসন্ধিমূলক। এটা ভোট ডাকাতির মেশিন।’

‘প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, তিনি নাকি লোডশেডিংকে জাদুঘরে পাঠিয়েছেন। কিন্তু আজ ছয় থেকে আট ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। এখন তিনি বিএনপিকে হারিকেন দেওয়ার কথা বলছেন। আরে সেটা করতেও তো চার-পাঁচ কোটি হারিকেন কিনতে হবে। সেই টাকাও তো এখন তাদের নেই। আজ সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সবক্ষেত্রে সংকট চলছে। শ্রীলংকার মতো সংকট এখন বাংলাদেশেও। এটা তো বেশিদিন লুকিয়ে রাখা যায় না। সময় আসছে বাংলাদেশে সেই অবস্থা দেখবেন।’

‘এখন শুধু রাস্তায় মানুষের ঢল নামা বাকি। আমরা রাস্তায় সংকটের সমাধান করবো ইনশাআল্লাহ। সেই ইতিহাস ও অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। ইয়াহিয়া খানের মতো শাসক টিকতে পারেনি। সুতরাং কারফিউ বা অন্য কোনোভাবেই ক্ষমতা রক্ষা করতে পারবেন না। রাস্তায় নামলে তদের পতন হবেই হবে।’

‘শ্রীলংকায় দুই ভাই ১৮ বছর শাসন করেও শেষ রক্ষা হয়নি। অতএব রাস্তায় নামার বিকল্প নেই। মানুষ দুরবস্থার মধ্যে আছে। তারা একটা পরিবর্তন চায়। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নামতে হবে। আমরা সেই লক্ষ্যে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছি। আমাদের রূপরেখা জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে। কীভাবে আন্দোলন হবে, সেই বিষয়ে ঘোষণা আসবে।’

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ইভিএম কোনো কাজের জিনিস না। বিগত দুই নির্বাচনে তারা ডাকাতি করেছে। সরকার এবার দিনের ভোট আগের রাতে ডাকাতি করতে পারবে না। আর তারা তো ক্ষমতা ছাড়তে পারছে না। কারণ তারা বাঘের পিঠে সওয়ার হয়েছে। তারা প্রশাসনকে গিলে ফেলেছে। এখন তারা পীড়া দিচ্ছে। লড়াই ছাড়া আমাদের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, বিশ্বের বহু দেশ ইভিএম বাদ দিয়েছে। ইভিএমের জারিজুরি চলবে না। কিন্তু সরকার তো সে পথেই যাচ্ছে। সেজন্য লড়াইয়ে যেতে হবে। এই আন্দোলন বিএনপি ছাড়া সম্ভব না। এই জালিম সরকারের চোখে কোনো চামড়া নেই। তারা লাখ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে নিপীড়ন করেছে। বহুদিন ধরে তারা আন্দোলন করছে। এখন জীবনও দিচ্ছে।

‘আমাদের নিজেদের ভুলেও কিন্তু ফ্যাসিবাদ শক্তিশালী হয়েছে। আজকে আওয়ামী লীগকে মানুষ থুথু দিচ্ছে। কোনো মানুষ তাদের দেখতে পারে না। স্বচ্ছ নির্বাচন হলে, তারা টিকতে পারবে না। পুলিশ ছাড়া টিকতে পারবে না। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজপথ দখল হয়ে যাবে। আওয়ামী লীগ বাহ্যিকভাবে আমেরিকা ও বিশ্বব্যাংকসহ বিদেশিদের পাত্তা দিচ্ছে না। কিন্তু তলে তলে তাদের পা ধরছে। আমাদের টার্গেট অটুট রাখতে হবে যে, এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়। তাহলে তারা ইভিএমের স্বপ্নও দেখতে পারবে না।’

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, ক্ষমতাসীন সরকার ফের ইভিএম ব্যবহার করে ভোট ডাকাতির মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে চায়। কিন্তু এবার সেই খায়েশ তাদের পূরণ হবে না। অবশ্যই নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।

সংগঠনের উপদেষ্টা সাঈদ আহমেদ আসলামের সভাপতিত্বে ও সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, বিলকিস ইসলাম, আনোয়ার হোসেন বুলু, শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, ইয়ূথ ফোরামের উপদেষ্টা মো. শুকুর মাহমুদ ববি, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বিপ্লব ও সহ-সভাপতি আজিজুল হাই সোহাগ প্রমুখ।


আরও খবর



কাল থেকে ১১০ টাকায় সয়াবিন তেল বিক্রি করবে টিসিবি

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ১৫ August ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

আগস্ট মাসে দেশব্যাপী এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে সোমবার ।

রোববার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে টিসিবি।

সংস্থাটি জানায়, নিম্ন আয়ের এক কোটি উপকারভোগী পরিবারের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য (তেল, চিনি, ডাল ও পেঁয়াজ) পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে টিসিবি কর্তৃক ঢাকা মহানগরীসহ সারাদেশে আগস্ট মাসের বিক্রয় কার্যক্রম আগামী ১ আগস্ট থেকে শুরু হবে ।

এই বিক্রয় কার্যক্রম ডিলারের দোকান/নির্ধারিত স্থায়ী স্থাপনা থেকে সিটি করপোরেশন, জেলা ও উপজেলায় নির্ধারিত তারিখ ও সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিচালনা করা হবে।

একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ এক কেজি চিনি ও দুই কেজি করে তেল, মসুর ডাল এবং পেঁয়াজ কিনতে পারবেন। এ বিক্রয় কার্যক্রম শুধু মহানগরীগুলোতে এবং আঞ্চলিক কার্যালয় সংশ্লিষ্ট জেলাসমূহে পরিচালনা করা হবে।

ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা, তেল ১১০ টাকা, ডাল ৬৫ টাকা ও পেঁয়াজ ২০ টাকা দরে বিক্রি হবে।


আরও খবর