Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম
সুস্থ ও স্বচ্ছ চিন্তা যে কোনো ভালো কাজের ভিত্তি

চিন্তা সমস্ত কর্মকাণ্ডের প্রাণ : মামুনুর হাসান টিপু

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৫৮৯জন দেখেছেন
Image


 

সম্পাদকীয় :

চিন্তা হচ্ছে মানবীয় সমস্ত কর্মকাণ্ডের প্রাণ। সুস্থ ও স্বচ্ছ চিন্তা যে কোনো ভালো কাজের ভিত্তি। এ চিন্তার জগতে আমাদের দৈন্য এখন স্পষ্ট। সমাজের সিংহভাগ মানুষের চিন্তার সময় নেই। এরা বেকারত্ব, হতাশা, প্রতিহিংসা, অসুস্থ প্রতিযোগিতায় আকণ্ঠ নিমজ্জিত। যে স্বল্পসংখ্যক মানুষের সময় আছে তাদের চিন্তা বিভ্রান্ত হচ্ছে চারপাশের অনাকাঙ্ক্ষিত তর্ক-বিতর্কে; অস্পষ্ট ধ্যান-ধারণায়। এ পরিস্থিতিতে সমাজের সামগ্রিক চিন্তাজগতে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রয়াস চালানো অপরিহার্য।

 

আমরা দায়সারা গোছের, পেশাগত চিন্তার, গতানুগতিক সংশয়-বিতর্কের, শাখাগত সমস্যার ফিরিস্তি বয়ানের এতসব লেখা আপনাদের সামনে হাজির করতে চাই না। প্রতিটি সংখ্যায় অল্প ক’টি লেখা যথার্থ পর্যালোচনা ও সমালোচনার দাবি নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির করতে চাই। এবং আমাদের পোর্টালটিতে বাছাই করা লেখা, চিন্তা, মতামত ও বিশ্লেষণ তুলে ধরতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি, প্রকৃত পরিবর্তনের জন্য, সমাজকে নাড়া দেয়ার জন্য, চিন্তার খোরাক দেয়ার জন্য ভালো মানের অল্প লেখাই যথেষ্ট। তবে যদি আমরা মানসম্পন্ন চিন্তাশীল ব্যাপকসংখ্যক পাঠক-লেখক তৈরি করতে পারি তাহলে তাদের মতামত প্রকাশে কলেবর বৃদ্ধি করার ইচ্ছে আছে।

 

দেশ-বিদেশের প্রতি মুহূর্তের ‘ঘটনার’ সংবাদ এখন প্রায় প্রত্যেকের হাতের নাগালেই। চাইলেই পাচ্ছেন, না চাইলেও। কিন্তু প্রশ্ন জাগে, এসব সংবাদ আমাদের কতটুকু সচেতন বা আত্মসচেতন করছে? তর্ক তোলা যায় বিস্তর। কিন্তু না, তর্ক করার বা শোনার ইচ্ছে ও সময় কোনোটাই আমাদের নেই। কারণ আজকাল তর্কের অভাব নেই। সোশ্যাল মিডিয়া, প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক মিডিয়া, চায়ের দোকানে, হাটে-ঘাটে-মাঠে তর্ক-বিতর্ক বিস্তর। তাহলে আমরা যা পেশ করছি- এগুলো কী? কেবলই তর্ক-বিতর্ক নয়? প্রশ্নটা আজকের মতো থাকুক। সব কথা বলতে হয় না। কিছু বুঝে নিতে হয়, কিছু নিজেরা চিন্তা করে বের করে নিতে হয়। নইলে ব্রেন ডেম হয়ে যাবে।

 

️লেখক:মামুনুর হাসান টিপু, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব

 

 


আরও খবর



কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন

শ্রমিক সংকটে কৃষকের ভরসা কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন

প্রকাশিত:Thursday ১২ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১২১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার কৃষকদের মধ্যে আশার আলো হয়ে এসেছে অত্যাধুনিক ধান কাটা ও মাড়াইয়ের মেশিন কম্বাইন্ড হারভেস্টার।


চলতি বোরো মৌসুমে পুরোদমে ধান কাটা শুরু হলেও অতিবৃষ্টি আর শ্রমিক সংকটে বিপাকে পড়েন এ অঞ্চলের কৃষকরা।


অতিরিক্ত মূল্য দিয়েও মিলছে না শ্রমিক। তার ওপর পাকা ধানের জমিতে জমে আছে পানি।


অবশেষে হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে এ অঞ্চলের কৃষকরা রাত-দিনে ধান কেটে ঘরে তুলছেন। এতে শ্রমিক সংকট মেটানোর পাশাপাশি ধান উৎপাদন খরচও কমে এসেছে।


জানা গেছে, প্রতিবছর ইরি ও বোরো ধান কাটার মৌসুমে রায়গঞ্জের তাড়াশ অঞ্চলে শ্রমিকের চাহিদা বেড়ে যায়। চাহিদার পাশাপাশি বেড়ে যায় পারিশ্রমিকও।


এতে বোরো ধান উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। এজন্য কৃষকের দুশ্চিন্তা লাঘবে রায়গঞ্জে আনা হয়েছে কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন।


মেশিনটি অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে ধান কাটা ও মাড়াই করতে পারে। শুধু রোদে শুকিয়ে ধান ঘরে তুলতে হয়।


এ মেশিন দিয়ে খুব সহজেই এখন ধান ঘরে তুলতে পারছেন কৃষকরা। প্রতি ঘণ্টায় দুই থেকে তিন বিঘা জমির ধান কাটা যাচ্ছে। এতে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ লিটার তেল খরচ হচ্ছে।


দুই বিঘা জমির ধান কাটতে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা খরচ হয়। অথচ শ্রমিক দিয়ে ধান কাটালে পাঁচ থেকে সাতজন শ্রমিক সারা দিনে এক বিঘা জমির ধান কাটতে পারেন। তাতে বিঘা প্রতি খরচ হয় তিন থেকে চার হাজার টাকা।


রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় ১২টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মেশিনের দাম ৩০-৩২ লাখ টাকা। সরকার প্রতিটি মেশিনের ওপর ১৪ লাখ টাকা ভর্তুকি দিয়েছে।


মেশিনের সাহায্যে ধান কেটে ও মাড়াই করে শুধুমাত্র রোদে শুকিয়ে ঘরে তুলতে হয়। চালক অভিজ্ঞ হলে ঘণ্টায় এক একর জমির ধানও কাটা সম্ভব। কিন্তু রায়গঞ্জে এখনও অভিজ্ঞ চালক না থাকায় ঘণ্টায় দেড় থেকে দুই বিঘা জমির ধান কাটতে পারছেন কৃষকরা। এছাড়া জমিগুলো সমতল হলে আরও বেশি ধান কাটা যেত।


প্রতিবছরই বোরো ধান কাটার সময় শ্রমিক সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। এ কারণে সময় মতো ধান ঘরে তুলতে না পেরে বৃষ্টি ও অকাল বন্যাতে কৃষকের ধান নষ্ট হয়ে যায়। এখন কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন দিয়ে স্বল্প খরচে ধান ঘরে তোলা যাচ্ছে। এছাড়া আরও পাঁচটি রিপার মেশিন আনার চেষ্টা চলছে। তবে ওই মেশিন দিয়ে ধান কাটা যাবে কিন্তু মাড়াই করতে শ্রমিক লাগবে।


আরও খবর



বাড়ি-ঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন কৃষক

সিলেটে বন্যার পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে গুদামে রাখা ধান-চাল

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৭১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণে ডুবেছে সিলেট নগরের প্রায় অর্ধেক এলাকা। বানবাসী হয়েছেন ১৩ উপজেলার মধ্যে ১০টির শতাধিক ইউনিয়নের লোকজন। বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন অনেকে। সে ক্ষতি অংকের হিসেবে পোষাবার নয়! গ্রীষ্মে ভয়ঙ্কর বন্যা ২০০৪ সালের বন্যাকেও ছাড়িয়েছে।


গত ১১ মে থেকে অতিবৃষ্টি আর ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি বুকে ঠাঁই দিতে পারেনি সুরমা। ফলে পানি উপচে প্লাবিত হয়েছে গ্রাম-নগর সব প্লাবিত হয়েছে। কৃষিজীবী থেকে ব্যবসায়ী, সব শ্রেণির মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।


বানবাসী হয়েছেন অন্তত ১০ লক্ষাধিক মানুষ। বাড়ি-ঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন কৃষকরাও। সম্প্রতি ঘরে তোলা বোরো ফলসও বানের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অবারিত বর্ষণে ঘরে রাখা ধানে চারা গজিয়েছে।গুদামে রাখা সারি সারি ধান-চালের বস্তা ভিজে নষ্ট হয়েছে বন্যার পানিতে। তা দেখে ব্যবসায়ীদের চোখে ছল ছল করছে জল। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর জনপ্রতিনিধি কিংবা প্রশাসন খোঁজ না নেওয়ায় অনেকে বোবা কান্নায় ক্ষোভ ঝাড়লেন।


শনিবার (২১ মে) থেকে নদ-নদীর পানি খানিকটা স্থিতিশীল হওয়াতে নগর থেকে পানি নেমে যায়। চারিদিকে মানুষ যখন খাবার সংকটে, তখন বন্যা পরবর্তী ক্ষতির দিকটা ফুটে উঠছে ক্রমশ।  দেখা গেছে, বন্যার পানি কমতে শুরু করে। গুদামের সাটার খুলতেই বেরিয়ে আসছে ধান-চাল পচা দুর্গন্ধ। মজুতকৃত ৫০ কেজির হাজার হাজার বস্তা চাল এবং ২ মন ওজনের ধানের বস্তার স্তূপ ভিজে পচন ধরেছে। কেউ স্যালো মেশিন লাগিয়ে সেচ দিয়ে গুদাম থেকে পানি সরাচ্ছেন। প্রতিটি গুদামে ঢুকেছে বন্যার পানি। হু হু করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাখার অভাবে আড়ৎদাররা ধান-চালের বস্তা সরানোর সময় পাননি।


ধান-চালের পচা দুর্গন্ধে এলাকার বাতাসও দুষিত হয়ে গেছে। যেগুলো এখন গো-খাদ্যেও ব্যবহার করার অনুপযুক্ত। ব্যবসায়ীদের এ ক্ষতি যেন চোখে দেখে সহ্য করার মতো নয়।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নগরের কাজিরবাজার মোস্তাক এন্ড ব্রাদার্সের ৫টি গুদামের এক একটিতে অন্তত সহস্রাধিক বস্তা করে চাল রাখা ছিল। যেগুলো বন্যার পানিতে পচে নষ্ট হয়ে গেছে। কোনোমতে কিছু চাল সরাতে পারলেও বেশিরভাগ বন্যার পানিতে ভিজে নষ্ট হয়েছে। একইভাবে এম এস অটো রাইস মিল, মতিন ব্রাদার্স, হাসান ব্রাদার্স, ফাইয়ান ও পদ্মা রাইস মিল, দয়া ও জামান মিল, রঙ্গেশ অটো রাইস মিলের হাজার হাজার বস্তা ধান-চাল রাখা ছিল। যেগুলো পচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়েছে।


এছাড়া আরো অনেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে শত শত বস্তা চাল ও ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। ভিজে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা গুদাম থেকে সেগুলো সরাতে পারেননি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে।ব্যবসায়ীরা বলেন, বন্যা ঠিকই চলে গেছে। তবে কোটি কোটি টাকার পণ্য নষ্ট করে দিয়ে গেল। এদিকে, গ্রামীণ জনপদে বন্যা ও বৃষ্টির কারণে বোরো ধান শুকাতে না পারায় অনেকের ধানে চারা গজিয়েছে।ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, অতি বৃষ্টিতে ধান শুকানোর সুযোগ না পাওয়ায় বস্তার মধ্যে ধানের চারা গজিয়েছে।



বন্যা কবলিত এলাকার কৃষকরা বলেন, এমনিতে বন্যায় প্রাণ বাঁচানো দায়, খাবার সংকট। তার ওপর ঘরে পানি উঠে প্রতিটি বাড়িতে রাখা ধান চারা গজিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। বন্যার কারণে আয় রোজগার নেই, ত্রাণ যা মিলছে, তা দিয়ে হয়তো ২/৩ বেলা চলে, এরপর আর যাওয়ার জায়গা নেই। না খেয়ে মরা ছাড়া উপায় নেই।


আরও খবর



শীঘ্রই আলোচনায় বসবে বিএনপির সাথে

বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসবে সিইসি

প্রকাশিত:Friday ২০ May ২০22 | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৮১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে খুব শিগগির সংলাপে বসার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

তিনি বলেছেন, বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে শিগগির সংলাপে বসবে নির্বাচন কমিশন।


শুক্রবার (২০ মে) সকালে সাভার উপজেলা মিলনায়তনে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

সিইসি আরও বলেন, ‘ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এর সক্ষমতা কতটুকু দরকার, আরও কী কী করা যায় তা নিয়ে ভাবছি। সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করবো।’

ভোটার তালিকা প্রণয়নের জন্য তিন ধরনের তথ্য নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেন, ‘২০২৩ সালের ২ মার্চ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হবে।

এই ভোটার তালিকা দিয়েই আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাই এই ভোটার তালিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু তাই নয়, ট্রান্সজেন্ডার ও নিষিদ্ধ পল্লীর মা-বোনদেরও কিন্তু এই তালিকায় আনার জন্য আমরা নির্দেশনা দিয়েছি। কীভাবে নিয়ে আসবেন সে বিষয়ে আমরা প্রশিক্ষণও দিয়েছি।’

এ সময় ঢাকা জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার, জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মনির হোসেন, সাভার উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব, সাভার পৌরমেয়র আব্দুল গণি, সাভারের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



সার্ভেয়ার কে আটক করে সাদা স্টাম্প ও চেক বইয়ে স্বাক্ষর নিয়েছে সন্ত্রাসীরা

শরীয়তপুর ডিসি অফিসে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাদা স্ট্যাম্প ও চেকের পাতায় স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৯৭জন দেখেছেন
Image

সোহরাওয়ার্দীঃ

শরীয়তপুর জেলাপ্রশাসকের কার্যালয়ে এল.এ শাখার পাশের একটি রুমে জোড় করে ধরে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেনের কাছ থেকে  ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের ব্ল্যাঙ্ক পেজে এবং চেকের পাতায় স্বাক্ষর করে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।গত ৯ মে ২০২২ সোমবার শরীয়তপুরের কিছু দালাল চক্র ঘটনাটি ঘটিয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে মামলা ও সাধারন ডায়রী করেছেন। দালল চক্রের সদস্য সন্ত্রাসী শাকিল মুন্সী,মোঃ বাহাদুর,মোঃ আতিক,মোঃ খলিল,খোকন বাঙ্গী,তাইজুল,দাদন ঢালী,মোঃ হারুন সহ ১৫/২০ জনের নাম সাধারন ডায়েরীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জানাগেছে সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেন গত ১২ জুলাই ২০২১ সালে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল.এ শাখায় সার্ভেয়ার হিসেবে যোগদান করেন।

তিনি জানান,"আমার যোগদানের কিছু দিনের মধ্যেই দেখতে পাই দালাল চক্রটি সহকর্মী বাদলের কাছে বিভিন্ন প্রকল্পে সরকারের অধিগ্রহনকৃত জমির অবকাঠামো বিল/ক্ষতিপুরনেরটাকা উত্তোলনের জন্য তদবীর করতে যাওয়া আসা করছে,সার্ভেয়ার বাদল ঐসব দালালদের সাথে হাত মিলিয়ে কমিশন নেয়ার বিনিময়ে চুক্তি করে নিয়ম বহিঃর্ভুতভাবে বিল দেয়া শুরুকরে।

তার এসব অপকর্মের সাথে আমি নিজেকে মানিয়ে নিতে পারছিলাম না,বাদলের এহেন অপকর্মের কারনে সরকারী টাকা গচ্চা দিয়ে দালালদের মোটা অংকের টাকা পাইয়ে দিতে সাহায্য করে এবং এল.এ শাখার কতিপয় কর্মকর্তা/কর্মচারীরা কমিশন বাবদ কোটি কোটি টাকা নিজেদের পকেটস্থ করে।

আমাকে এই অনিয়মের সাথে সম্পৃক্ত করতে সার্ভেয়ার বাদল,কানুনগো এবং এডিসি মিলে বিলে স্বাক্ষর করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে।আমি তাদের অন্যায় প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় তারা আমাকে চাকরীচ্যুত করা সহ নানা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অনিয়ম ও দুর্নীতিগ্রস্ত ফাইলগুলোতে স্বাক্ষর করতেবাধ্য করে।আমিহলফ করেবলতে পারি চাকুরী জীবনেকোনদিন আমি কাউকে ঘুষ দেইনি এবং নিজেও কোন দিন ঘুষ নেইনি।সব সময় অনিয়ম দুর্নীতি এড়িয়ে চলেছি।

তারা আমাকে ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে গত ২৮ এপ্রিল ২০২২ তারিখে গাজীপুর জেলায় বদলী করায়।গত ৮ মে শরীয়তপুর জেলার এ.ডি.সি রাজস্ব আসমাউল হুসনা লিজা মোবাইলে ফোন করে আমাকে একটিবিলের বিষয়ে জরুরী কথা আছে বলে তার সাথে দেখা করতে বলেন।আমি সরল বিশ্বাসে পরদিন ৯ মে সোমবার তার সাথে দেখা করতে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাই।

তার সাথে দেখা করেরুম থেকে বেড় হওয়া মাত্র সন্ত্রাসীরা আমাকে ধরে জোড়পুর্বক এল.এ শাখার একটি রুমে আটক করে মারধোর করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ননজুডিশিয়াল স্ট্যম্পের ব্ল্যাঙ্ক পেইজে এবং চেক বইয়ের পাতায় স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।এসময় সন্ত্রাসীদের সাথে সার্ভেয়ার বাদল উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তীতে আমি সেখান থেকে বেড়িয়ে এসে আইনজীবিদের সাথে শলা-পরামর্শ করে বিষয়টি আইনেরআশ্রয় নিতে সন্ত্রাসী ওপ্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় সাধারন ডায়রী করেছি।পরবর্তীতে এ বিষয়ে আমি আদালতে মামলা করার প্রস্ততি গ্রহন করি।"


ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেনকে ৮ মে তারিখে অবমুক্ত করে জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান পত্রে স্বাক্ষর করলেও বর্ণিত আসমাউল হুসনা লিজা উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে উক্ত অবমুক্তির কাগজ গায়েব করে ৯ মে তার নিজস্ব দালালদের দ্বারা সৃষ্ট চেক ও স্ট্যাম্পের বিষয়ে উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসানকে ভুল বুঝিয়ে ১০ মে পত্র লিখে, যে পত্রের বর্ণনার সাথে বাস্তবতা এবং সরকারী চাকুরী বিধি-বিধানের কোন সম্পর্ক নেই। কেবলমাত্র অধিনস্থ একজন কর্মচারীর কে দিয়ে এ.ডি.সি তার অসৎ উদ্দ্যেশ্য চরিতার্থ করতেনা পেরে এমন কাজ করেছেন।ম্যাজিকের মতো ৮ মের অবমুক্তির কাগজ ১০ মে হয়ে যায়।তদন্ত সাপেক্ষে বিষয়টির সুষ্ঠ বিচার প্রার্থনা করেছেন ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার মোশারফ হোসেন।

উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত সার্ভেয়ার বাদলের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলে ও সে ফোন রিসিভ করেনি।


আরও খবর



স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস এর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

গাজীপুরে ঔষধ তৈরি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড কারখানায় আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট কর্মীরা কাজ করছে।


 


সোমবার (২৩ মে) দুপুরে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।


ফায়ার সার্ভিস জানায়, কারখানার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়।


খবর পেয়ে জয়দেবপুর, মির্জাপুর, ইপিজেড ও কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।


কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ওয়ার হাউস ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম জানান, তাৎক্ষণিক আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।


অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।


আরও খবর