Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে প্রবাসী আহত

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৯৮জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

রাজধানীর সায়েদাবাদে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে শহীদুল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছে। এ সময় তার থেকে ৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।


মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টা দিকে সায়দাবাদ বাসস্ট্যান্ড মসজিদের সামনের একটি গলিতে এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।


শহিদুলের ভাগিনা মামুন জমাদ্দার অভিযোগ করে জানান, শহিদুল ইসলামের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলায়।তিনি সৌদি প্রবাসী । ৭-৮ মাস আগে দেশে এসেছেন। কিছুদিন পর আবার বিদেশ যাওয়ার কথা ছিল। 


এজন্য কাগজপত্র ঠিক করতে গত রাতে বরগুনা থেকে বাসে করে ঢাকায় রাজারবাগ কালিবাড়ি এলাকায় মামুনের বাসায় আসছিলেন। ভোরে সায়দাবাদে বাস থেকে নেমে মসজিদে বসে সেহরি খান তিনি। এরপর নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হয় একটি গলি দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় দুই ছিনতাইকারী তার পথরোধ করে।


 তার সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। বাধা দিলে তাদের মধ্যে একজন তার বাম হাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। তার সঙ্গে থাকা ৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।


তিনি আরও জানান, এসময় শহিদুলের চিৎকারে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে গেলে এক রিকশাচালক তাকে মুগদা হাসপাতালে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে সেখান থেকে মামুন তাকে উদ্ধার করে সকালে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে যান। তার হাতে বেশ কয়েকটি সেলাই দেওয়ার পর তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।


আরও খবর



কিডনি প্রতিস্থাপন না করে উদ্বোধনের অপেক্ষায় ছিলেন সেতুর ডিপিডি

প্রকাশিত:Saturday ২৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
Image

এক বছর আগে কিডনি প্রতিস্থাপন করার কথা থাকলেও পদ্মা সেতুর কাজ শেষ করে উদ্বোধনের অপেক্ষায় ছিলেন এ প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক (ডিপিডি-কারিগরি) মো. কামরুজ্জামান।

শনিবার (২৫ জুন) পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে মাওয়া প্রান্তে আয়োজিত সুধী সমাবেশে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘আমি আপনানাদের সঙ্গে কয়েকজনকে পরিচয় করিয়ে দিতে চাই। এই প্রকল্পের পাঁচ হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিক কাজ করেছেন। সবার প্রতি আমার বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা। যেভাবে তারা একটা পরিবারের মতো কাজ করেছেন, সেটা সত্যিকারভাবে তাদের কাছে মাথানত করার যোগ্য।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সবাইকে আমি পরিচয় করিয়ে দিতে পারবো না, কয়েকজনকে পরিচয় করিয়ে দেবো। আমাদের প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম, তাকে আমি প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন করতে অনুরোধ জানাবো। ২০১১ সালের নভেম্বরে আমি আর উনি একসঙ্গেই যোগ দিয়েছি। যে ধীরস্থির ও বিজ্ঞ পরামর্শ ও পদক্ষেপ উনি নিয়েছেন এর একটি বড় ফল হলো পদ্মা সেতু।’

‘দ্বিতীয়ত রয়েছেন কামরুজ্জামান আমাদের উপ-প্রকল্প পরিচালক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার আরও এক বছর আগে কিডনি প্রতিস্থাপন করার কথা। কিন্তু পদ্মা উদ্বোধনের জন্য তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক বছর ধরে কিডনি প্রতিস্থাপন করছেন না এবং পদ্মা উদ্বোধন হওয়ার পর তিনি করবেন।’

খন্দকার আনোরুল বলেন, ‘আমরা গর্ব অনুভব করি, কামরুজ্জামানের মতো এমন সৎ ও ডেডিকেটেড একজন মানুষ আমাদের সঙ্গে ছিলেন। আব্দুল কাদের (দেওয়ার মো. আব্দুল কাদের) ও রজব আলী (সৈয়দ রজব আলী)- দুজন নির্বাহী প্রকৌশলী সবসময় আমাদের সঙ্গে ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘পরামর্শক দলের প্রকল্প ম্যানেজার (রবার্ট জন আভেস) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এসেছেন। তিনি যেমন দৃঢ়, তেমন শক্ত। যখন পদ্মা সেতু জটিলতায় পড়ে গেলো, ছয়টি পাইল দিয়ে সমাধান হচ্ছিল না, ভার বহন করতে পারছিল না। আমরা অনেক পরামর্শ করেছি। তখন রবার্ট প্রপোজাল দিয়ে সেটাকে বাস্তবায়ন করে প্রকল্পটি সম্পন্ন করেছেন।


আরও খবর



কৃষকদের ২ থেকে ৪ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হবে: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

সব ফসলের জন্য কৃষকরা দুই থেকে চার শতাংশ হারে সুদে ঋণ পাবেন বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় ঈশ্বরদীতে লিচু মেলায় কৃষি সমাবেশে তিনি এ কথা জানান। এর আগে বিকেল ৪টায় ঈশ্বরদীর বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটে লিচু মেলার উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বর্তমান সরকার কৃষকদের কৃষি ঋণের সুদ কমিয়ে এনেছে। লিচুসহ সব ফসলের জন্য কৃষকদের দুই থেকে চার শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত কৃষক দরদি। তিনি কৃষকদের ভালোবাসেন। সেজন্য কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মন্ত্রী বলেন, ঈশ্বরদী একটি সমৃদ্ধ অঞ্চল। ঈশ্বরদীকে কৃষি প্রক্রিয়া অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সেজন্য নিজে এসে আমি দেখে গেলাম। আগামী দিনে ঈশ্বরদীর উৎপাদিত পণ্য প্রক্রিয়াজাত করে যেন বাংলাদেশের বাজার ও বিদেশে রপ্তানি করা যায় সে ব্যবস্থা করা হবে।

বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি আয়োজিত লিচু মেলায় সভাপতিত্ব করেন পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য নুরুজ্জামান বিশ্বাস। স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান ময়েজ।

মেলায় সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল, হোসনে আরা বেগম, শামীমা আক্তার খানম, নাদিরা ইয়াসমিন জলি, উম্মে কুলসুম স্মৃতি, পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল রহিম লাল, পাবনা জেলা প্রশাসক বিশ্বাস রাসেল হোসেন, পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বেনজির আলম, বাংলাদেশ ধান গবেষণা কেন্দ্রের মহাপরিচালক ড. শাহজাহান কবির, বিএসআরআই মহাপরিচালক ড. আমজাদ হোসেন, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের সদস্য পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, কৃষক উন্নয়ন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম প্রমুখ অতিথি ছিলেন।


আরও খবর



সুলতান সুলেমানের সাম্রাজ্যে সারাদিন

প্রকাশিত:Thursday ১৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

একজন দিগ্বিজয়ী শাসক সুলতান সুলেমানের প্রাসাদ ও তার শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে অটোমান সাম্রাজ্য ঘুরে আসার বিকল্প নেই। সেই সময়ের সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শক্তির এক বীর ব্যক্তিত্ব ছিলেন সুলতান সুলেমান। পাশাপাশি তার ক্ষমতায় থাকার লিপ্সা ও নিজের সন্তানকে হত্যার নির্দেশনা অনেক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

সুলতান সুলেমানের শাসন অনেক বিস্তার লাভ করে। ফলে এশিয়া ছাড়া ইউরোপ, আফ্রিকা বিস্তীর্ণ অঞ্চল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। এ ইতিহাস এখনো বহুলভাবে চর্চিত। এসব কারণে তাকে নিয়ে অনেক সিনেমা, নাটক তৈরি হয়েছে। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে তার প্রাসাদ দেখতে প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক ভিড় করেন। সেই সময়েও এমন আধুনিক ও উন্নত জীবনযাত্রা দেখে দর্শনার্থীদের চোখ কপালে ওঠে। সেখানে ভ্রমণে গেলে দেখা মেলে সেই সময়ও তারা কত উন্নত ও আধুনিক জীবনযাপন করেছেন।

সুলতান সুলেমান ১৪৯৪ সালের ৬ নভেম্বর তুরস্কে জন্ম নেন। তার পিতা সেলিম খান (প্রথম) মারা গেলে তিনি ১৫২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বিশাল রাজ্যের দায়িত্ব নেন। ১৫৬৬ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত উসমানীয় সাম্রাজ্য শাসন করেন। তিনি ছিলেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের দশম এবং সবচেয়ে দীর্ঘকালব্যাপী শাসনরত প্রভাবশালী সুলতান। পশ্চিমা বিশ্বে তিনি ‘সুলেমান দ্য ম্যাগনিফিসেন্ট’, তুরস্কে ‘কানুনি সুলতান’ এবং আরব বিশ্বে ‘সুলেমান আল মুহতাশাম’ নামে পরিচিত।

সুলতান সুলেমানের সাম্রাজ্যে সারাদিন

তুর্কি সম্রাটদের অগুনতি রাজপ্রাসাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ছিল সুলতান সুলেমানের প্রাসাদ। দীর্ঘতম সময় প্রায় ৪০০ বছর ধরে অটোমান সুলতানদের বাসস্থান এবং দরবার ছিল সেখানে। যা তোপকাপি প্রাসাদ নামেও পরিচিত। সেখানে আছে অনেকগুলো আলাদা আলাদা কারুকাজমণ্ডিত অট্টালিকা। তুর্কি শব্দ তোপের অর্থ হলো কামান আর কাপি শব্দের অর্থ হলো গেট বা দরজা। রোমান আমল থেকেই ইস্তাম্বুল ছিল দুর্ভেদ্য দেয়াল ঘেরা নগরী। নগর দেওয়ালের কিছুদুর পর পর ছিল পর্যবেক্ষণ টাওয়ার আর চলাচলের জন্য থাকত গেট বা দরজা। কামান নিয়ে গেটের উপরে এবং পাশে সব সময় প্রস্তুত থাকত প্রহরী।

সুলতান সুলেমানের সাম্রাজ্যে সারাদিন

সেসব দৃশ্য দেখতে হাজার হাজার পর্যটকরা সেখানে যান। গোল্ডেন হর্নের শেষ সীমায় সাগর কিনারে পাহাড়ের উপর অবস্থিতি এটি। এ রাজ প্রাসাদ থেকে বসফরাস প্রণালি এবং মারমারা সাগরের অনেকদূর পর্যন্ত চোখে পড়ে। যা এ প্রাসাদের সৌন্দর্য ও অবস্থানকে গৌরবমণ্ডিত করেছে।

সুলতান সুলেমানের সাম্রাজ্যে সারাদিন

সাত লাখ বর্গমিটার এলাকা নিয়ে গড়ে ওঠা এ প্রাসাদে ছিল টাকশাল, স্কুল, লাইব্রেরি, মসজিদ, রাষ্ট্রীয় কোষাগার, উজির-নাজিরদের বাসস্থান প্রভৃতি। এ প্রাসাদের প্রধান চার চত্বর বা কোর্ট ইয়ার্ড। ইম্পেরিয়াল বা রাজকীয় গেট দিয়ে ঢুকলে প্রথম যে চত্বর পড়বে, তা ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত। এখানে ছিল প্রাসাদরক্ষীদের বসবাসের স্থান, টাকশাল ইত্যাদি।

সুলতান সুলেমানের সাম্রাজ্যে সারাদিন

সুলতানাহমেত স্কোয়ার দুটি অংশ নিয়ে গঠিত-হায়া সোফিয়া এবং নীল মসজিদের মধ্যবর্তী অঞ্চলের একটি অংশ এবং হিপ্পোড্রোম- যেখানে অনেক প্রাচীন অথচ অত্যাধুনিক স্থাপনা। এ ছাড়াও মিশরীয় স্মারকস্তম্ভ এবং সার্পেন্ট কলাম, যা এখানে আনা হয়েছিল বাইজেন্টাইন আমলে। সেইসাথে জার্মান ফাউন্টেন, যা শহর এবং সুলতান আব্দুল হামিদ-২ কায়সার উইলহেমকে উপস্থাপন করা হয়েছে।

সুলতান সুলেমানের সাম্রাজ্যে সারাদিন

১৯২৩ সালে অটোমান সাম্রাজ্যের অবসানের একবছর পর একটি সরকারি ডিক্রি তোপকাপিকে একটি জাদুঘরে রূপান্তরিত করে। তুরস্কের সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এখন তোপকাপি প্রাসাদ জাদুঘর পরিচালনা করে। প্রাসাদ কমপ্লেক্সে শতাধিক কক্ষ এবং চেম্বার রয়েছে। শুধু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণগুলোয় জনসাধারণ প্রবেশ করতে পারেন। যার মধ্যে অটোমান ইম্পেরিয়াল হেরেম এবং ট্রেজারি রয়েছে, যার নাম হ্যাজিন। যেখানে স্পুনমেকারের ডায়মন্ড এবং তোপকাপি ড্যাগার প্রদর্শন করা হয়েছে। জাদুঘরের সংগ্রহে আছে অটোমান পোশাক, অস্ত্র, বর্ম, ধর্মীয় নিদর্শন এবং আলোকিত পাণ্ডুলিপি, যেমন তোপকাপি পাণ্ডুলিপি।

সুলতান সুলেমানের সাম্রাজ্যে সারাদিন

সেখানে আছে বিচার স্তম্ভ বা জাস্টিস টাওয়ার। প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রী এমনকি সম্রাটের লাইব্রেরি। সেই লাইব্রেরিতে থরে থরে সাজানো সেই যুগের বই। সেই সময়ের সৈনিকরা কী ধরনের পোশাক ব্যবহার করতেন, তা-ও আছে। বিশেষ উৎসবের সময় সুলেমান কোথায় বসতেন, সেই আসনসহ কক্ষও আছে। প্রাসাদের প্রথম চত্বর থেকে ডানে মারমারা সাগর এবং সোজা দেখা যায় বসফরাস প্রণালি এবং আধুনিক ইস্তাম্বুল নগরী। এসব দেখতে দেখতে প্রাসাদের ছাদে গেলে মনটা আরও উৎফুল্ল হয়ে যাবে। কারণ এর এক পাশে সাগর, অন্যপাশে পাহাড়ের ওপর সুদৃশ্য নগরী। এসব দেখতে দেখতে সারাদিন কেটে যায় পর্যটকদের।


আরও খবর



পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় বিএনপি নেতারা খুশি হননি: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় বিএনপি নেতারা খুশি হননি উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনে অভিনন্দন জানাতে ব্যর্থ হওয়ার মাধ্যমে বিএনপি প্রমাণ করেছে পদ্মা সেতুর বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করেছিল। সেটি সঠিক বলে তারা স্বীকার করে নিয়েছে।

রোববার (২৬ জুন) সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে পদ্মা সেতু কখনো হতো না, যদি আমাদের একজন শেখ হাসিনা না থাকতেন। সব রক্তচক্ষু, ষড়যন্ত্র, প্রতিবন্ধকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর সৎ সাহস বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনারই আছে।

তিনি বলেন, যারা এক সময় সমালোচনা করেছিলেন, আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন এই পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থায়নে কখনো করা সম্ভব নয়, তারাও আজকে অনেকে প্রশংসা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেছেন তারা। এখন জাতির এই সক্ষমতায় তারাও আনন্দিত।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু থেকে অর্থায়ন প্রত্যাহার করেছিল, সেই বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর গতকাল (২৫ জুন) শাড়ি পরে সেখানে গিয়েছিলেন। তার ড্রেস (জাতীয় পোশাক) কিন্তু শাড়ি নয়। তিনি শাড়ি পরে সেখানে গিয়েছিলেন, আমাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করার জন্য। সেটিও একটি কারণ বলে আমি মনে করি। তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অভিনন্দন জানিয়েছে। প্রতিবেশী ভারত অভিনন্দন জানিয়েছে। পাকিস্তান অভিনন্দন জানিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য বিএনপি অভিনন্দন জানাতে পারেনি। এটি করার মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেছেন, এই পদ্মা সেতু হওয়াতে সারাদেশের মানুষ উল্লসিত, আনন্দিত হলেও বিএনপি নেতারা খুশি হননি।

তিনি বলেন, তারা (বিএনপি নেতারা) অভিনন্দন জানাতে ব্যর্থ হয়ে প্রমাণ করেছেন পদ্মা সেতুর বিরুদ্ধে তারা যে ষড়যন্ত্র করেছিলেন, সেটি সঠিক বলে তারা স্বীকার করে নিয়েছেন। এরপরও এই পদ্মা সেতু সবার জন্য নির্মিত। প্রধানমন্ত্রী সবার জন্য নির্মাণ করেছেন।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পৃথিবীর বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ফলাওভাবে প্রচারিত হয়েছে। জাতির সক্ষমতা প্রতীক, জাতির গর্বের প্রতীক হিসেবে এই পদ্মা সেতুকে স্থান করে নিয়েছে। এই গর্ব আমাদের সবার বলে উল্লেখ করেন ড. হাছান মাহমুদ।


আরও খবর



বিশ্বকাপ ট্রফির অপেক্ষায় বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশের দৌড় থেমে যায় বাছাইপর্বের প্রাথমিক রাউন্ডেই। তবু মাসব্যাপী চলা এ বিশ্বকাপ ঘিরে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে উৎসাহের কমতি থাকে না। প্রিয় দলকে সমর্থন দিতে নানান কিছু করে থাকেন বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা।

তাদের এই উৎসবের পালে হাওয়া দিতে নয় বছর আবার বাংলাদেশে আসছে ফিফা বিশ্বকাপের ট্রফি। মাত্র ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে আসবে ট্রফিটি। থাকবে প্রায় আড়াই দিন বা ৬০ ঘণ্টার বেশি। তবে ট্রফির কর্মসূচি রয়েছে ৩৬ ঘণ্টার।

বুধবার বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি। রাজধানীর হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনসহ নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কোকাকোলার কর্মকর্তারা ট্রফিটি গ্রহণ করবেন।

বিমানবন্দর থেকে পাঁচ তারকা হোটেল র‍্যাডিসন ব্লুতে নিয়ে যাওয়া হবে বিশ্বকাপ ট্রফি। সেখান থেকে বিকেল ৪টায় রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবনে নিয়ে যাওয়া হবে এটি। পরে দিনের শেষ কর্মসূচিতে সন্ধ্যা ৭টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবে ট্রফিটি।

Fifa-Trophy-with-Fan.jpg

বিশ্বকাপ ট্রফির বাংলাদেশ ভ্রমণের দ্বিতীয় র‍্যাডিসন ব্লুতে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিশেষ ব্যক্তিদের ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার ব্যবস্থা থাকবে। তারপর বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে ট্রফি চলে যাবে আর্মি স্টেডিয়ামে। সেখানে ট্রফি সামনে রেখেই হবে কোক স্টুডিওর কনসার্ট।

কনসার্ট শেষে রাতে ট্রফি আবার নিয়ে যাওয়া হবে র‍্যাডিসনে। তবে সেদিনই অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই ট্রফিটি বাংলাদেশ ত্যাগ করবে না। শুক্রবার (১০ জুন) সারাদিনই এটি থাকবে বাংলাদেশে। তবে সেদিন ট্রফিকে ঘিরে কোনো কর্মসূচি নেই।

পরে বাংলাদেশ থেকে ট্রফিটি চলে যাবে পূর্ব তিমুর এবং এভাবেই শেষ হবে বিশ্বকাপ ট্রফির বাংলাদেশ ভ্রমণ। এবার ৫১টি দেশে ঘোরার জন্য বের হয়েছে এ ট্রফি। এর আগে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে দুদিনের জন্য বাংলাদেশে এসেছিল বিশ্বকাপ ট্রফি।


আরও খবর