Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

ব্যাঙের ছাতার মতো গজাচ্ছে স্কুল-কলেজ, মান-পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন

প্রকাশিত:Wednesday ০৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

ঢাকা মহানগরের আনাচে-কানাচে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সরকারি অনুমোদন ছাড়াই অধিকাংশ স্কুল-কলেজ চলছে পাড়া-মহল্লার অলিগলি ও প্রধান সড়কের পাশের ভবনে। প্লে-গ্রুপ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর (এইচএসসি) পর্যন্ত পাঠদান করা হচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠানে। স্বল্প জায়গায় গড়ে ওঠা এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ। এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন থেকে পড়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে।

গত মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে মোহাম্মদপুরের এসএফএক্স গ্রিনহেরাল্ড স্কুলের ছাদ থেকে পড়ে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। মো. ইশরাক মঞ্জুর (১৭) নামে ওই শিক্ষার্থী ওই বিদ্যালয়ের ‘এ’ লেভেলের ছাত্র ছিল।

ইশরাক মঞ্জুরের বাবা মো. মঞ্জুরুল হাসান বলেন, আমার দুই ছেলের মধ্যে ইশরাক মঞ্জুর বড়। সে এ লেভেলের ছাত্র ছিল। একটু রাগী ও চুপচাপ স্বভাবের। প্রয়োজন ছাড়া খুব বেশি কথা বলতো না। তবে ছাত্র হিসেবে বেশ ভালো ছিল। পড়ালেখা নিয়ে তার মা তাকে মাঝে মধ্যে একটু জোরাজুরি করতো। এছাড়া অন্য কোনো সমস্যা ছিল না।

তবে ইশরাক মঞ্জুরের মৃত্যুর বিষয়ে গ্রিনহেরাল্ড স্কুলের কেউ কথা বলতে রাজি হননি।

ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শহরের অলিগলি, পাড়া-মহল্লায়, প্রধান সড়কের ওপর বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধিকাংশেরই নেই কোনো অনুমোদন। শিক্ষার পরিবেশ, ভালো মানের শিক্ষক ছাড়াই চলছে এসব প্রতিষ্ঠান। এলাকার গৃহিণী ও শিক্ষার্থীদের দিয়ে চলছে পাঠদান }। নামমাত্র বেতনে তারা সেখানে শিক্ষকতা করেন। এর বাইরে শিক্ষার্থীদের কোচিং করিয়ে বাড়তি আয় করেন।

দেখা যায়, অনুমোদনহীন এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অন্ধকার রুমে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। দিনেও সূর্যের আলো পৌঁছায় না এসব শ্রেণিকক্ষে। তার ওপর স্কুল কর্তৃপক্ষ বাড়তি আয় করতে শিক্ষার্থীদের নিম্নমানের প্রকাশনীর মানহীন বই কিনতে বাধ্য করে। এসব পাঠ্যবইয়ের কোনো গুরুত্ব না থাকলেও জোর করে সেগুলো পড়তে বাধ্য করা হচ্ছে।

যুগের পর যুগ অনুমোদনহীন এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চললেও কেউ তদারকি করতে আসেনি। তবে নিজেদের অনুমোদন না থাকায় এসব স্কুল-কলেজগুলো অন্য কোনো অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন করিয়ে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেয়।

ব্যাঙের ছাতার মতো গজাচ্ছে স্কুল-কলেজ, মান-পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন

রাজধানীর মিরপুরের মণিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের বালিকা শাখা ৬০ ফিট রোডের পাশে গড়ে উঠেছে। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রভাতী শাখায় প্রাথমিক পর্যায়ে ও দিবা শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত ক্লাস চলে। ওই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে স্কুল গড়ে ওঠায় প্রতিদিন স্কুল শুরুর আগে ও ছুটির পর সেখানে তীব্র যানজট তৈরি হয়। ফলে স্কুলে আসা-যাওয়ার সময় প্রতিদিন নানা সমস্যায় পড়তে হয় শিক্ষার্থীদের। ব্যস্ততম সড়কের পাশে স্কুলটি গড়ে ওঠায় ঝুঁকি নিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মণিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফরহাদ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, সবাইকেই তো ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলতে হচ্ছে। আমাদের জায়গা সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য আলাদা রাস্তা করা সম্ভব হচ্ছে না, অভিভাবকদের জন্য ছাউনি করা যাচ্ছে না। সে কারণে কিছুটা ঝুঁকি নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে রাজধানীর অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অলিগলির ফ্ল্যাট বাসা বা নিচতলায় অন্ধকারবদ্ধ স্থানে গড়ে তোলা হয়েছে। বহুতল এসব ভবনের অনেকগুলোর ছাদের রেলিং পর্যন্ত নেই। খেলার স্থান না থাকায় শিক্ষার্থীরা সেসব ভবনের ছাদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খেলাধুলা করছে। এতে ঘটছে হতাহতের ঘটনা।

ঢাকার মোহাম্মদপুরের আদাবরে অনুমোদন ছাড়া গড়ে তোলা হয়েছে ঢাকা স্কয়ার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। ফকরুল হোসেন সবুজ নামে এক ব্যক্তি এটির প্রতিষ্ঠাতা দাবি করেন। অন্ধকার জরাজীর্ণ একটি পুরোনো ফ্ল্যাট বাড়িতে স্কুলটি গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে প্লে-গ্রুপ থেকে এসএসসি পর্যন্ত পড়ানো হয়। খেলার মাঠ না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীরা বাড়ির ছাদে খেলাধুলা করে।

জানতে চাইলে ফকরুল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, অনুমোদনের জন্য অনেক আগে আবেদন করেছি। ফ্ল্যাট বাড়িতে স্কুল করেছি বলে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না। পার্শ্ববর্তী এ ধরনের কোনো স্কুলের অনুমোদন নেই। আমার স্কুলে প্লে-গ্রুপ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত চার শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। কয়েকজন শিক্ষার্থী ও পার্শ্ববর্তী কয়েকজন শিক্ষিত গৃহিণীকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভালোই চলছে।

ব্যাঙের ছাতার মতো গজাচ্ছে স্কুল-কলেজ, মান-পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন

এই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী রূপা জাগো নিউজকে বলে, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে এ স্কুলে পড়ছি। স্কুলের কাছে বাসা হওয়ায় আম্মু এখানে ভর্তি করিয়েছে। ক্লাসে অনেক অন্ধকার। খেলার জায়গা নেই। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার জায়গা নেই। স্যার-ম্যাডাম পড়ানোর সময় সবাই হইচই করে বলে ঠিকমতো পড়া বুঝতে পারি না। মাঝে মধ্যে ছাদে উঠে খেলাধুলা করি। ছাদের রেলিং ছোট বলে ওখানে খেলতেও ভয় লাগে। সে কারণে নিয়মিত স্কুলে আসতে ইচ্ছা করে না।

জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক শাহেদুল খবির চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, শহরের আনাচে-কানাচে অননুমোদিত অনেক স্কুল গড়ে উঠেছে। এসব স্কুলের পাশে বসবাস করা অনেকেই তাদের সন্তানদের সেখানে পড়াচ্ছেন। অনুমোদন না থাকলেও এসব স্কুল হরহামেশা চলছে, কোনোভাবেই বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। বদ্ধ এবং সংকীর্ণ স্থানে গড়ে ওঠা এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো ধরনের সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা নেই। শুধু বাণিজ্যিক কারণে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে।

অধ্যাপক শাহেদুল খবির আরও বলেন, এদের রোধ করতে আইন না থাকায় কোনো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে শিক্ষা আইনে এসব স্কুলের বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। অনুমোদন ছাড়া কোনো ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যাবে না। এ আইন বাস্তবায়ন হলে অনুমোদন ছাড়া কেউ আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারবে না।

বর্তমানে যেসব প্রতিষ্ঠান আছে সেগুলোকে তাদের পার্শ্ববর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।


আরও খবর



১২ জনের মধ্যে অষ্টম বাংলাদেশের মাবিয়া

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে চলমান ২২তম কমনওয়েলথ গেমসের ভারোত্তোলনে বাংলাদেশের মাবিয়া আক্তার সীমান্ত ৬৪ কেজি ওজন শ্রেণিতে ১২ জনের মধ্যে অষ্টম হয়েছেন।

তিনি মোট ওজন তুলেছেন ১৮১ কেজি। এর মধ্যে মাবিয়া স্ন্যাচে ৭৮ কেজি এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে তুলেছেন ১০৩ কেজি।

গত গোলকোস্টে ষষ্ঠ হয়েছিলেন নারী এই ভারোত্তলক। মাবিয়া সর্বশেষ দুটি এসএ গেমসে স্বর্ণ জিতেছেন।


আরও খবর



ত্রাণ বিতরণে ডাটাবেজ তৈরিতে সর্বোচ্চ সতর্কতার সুপারিশ

প্রকাশিত:Wednesday ০৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ১৫জন দেখেছেন
Image

মন্ত্রণালয়ের ত্রাণ সামগ্রী যথাযথভাবে বিতরণ নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো থেকে হতদরিদ্র ও দরিদ্র মানুষের ডাটাবেজ তৈরির কার্যক্রমটি সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে সম্পন্ন করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ আগস্ট) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২৬তম বৈঠকে এ তথ্য জানায় মন্ত্রণালয়। বৈঠকের কার্যপত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এছাড়া সম্প্রতি বন্যাসহ বিভিন্ন দুর্যোগের কারণে দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় বেশি ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে। চরাঞ্চলে তথা পানিবেষ্টিত অঞ্চল চিহ্নিত করে প্রয়োজনে সেসব এলাকায় বেশি বরাদ্দ দেওয়ার কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।

সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, জামালপুর, গাইবান্ধা, হবিগঞ্জ, শেরপুর, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, রংপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, লালমনিরহাট ও ফেনীতে দেওয়া হয়েছে বেশি বরাদ্দ।

কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাসের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন), মো. আফতাব উদ্দিন সরকার, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জুয়েল আরেং এবং মজিবুর রহমান চৌধুরী বৈঠকে অংশ নেন।

জানা গেছে, বিদ্যমান ২১৯টি সাইক্লোন সেন্টার ও নতুন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে সাইক্লোন সেন্টারগুলোকে ‘সাইক্লোন সেন্টার কাম স্কুল’এর নকশায় করা যায় কি না বৈঠকে তা বিবেচনায় নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে ‘টিআর ও কাবিখা’-এর মাধ্যমে কাজ সম্পাদনে আবাদি জমির ক্ষতি না করে প্রয়োজনীয় বিকল্প পদ্ধতি খুঁজে বের করারও সুপারিশ করা হয়।


আরও খবর



ঢাকা চাকরির সুযোগ দিচ্ছে নাদিয়া ফার্নিচার

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
Image

নাদিয়া ফার্নিচার লিমিটেডে ‘এক্সিকিউটিভ/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৬ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: নাদিয়া ফার্নিচার লিমিটেড
বিভাগের নাম: ডিস্ট্রিবিউশন

পদের নাম: এক্সিকিউটিভ/ সিনিয়র এক্সিকিউটিভ
পদসংখ্যা: ০২ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর
অভিজ্ঞতা: ০৩-০৫ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ৩০-৪০ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা (সাভার)

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা [email protected] অথবা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২৬ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



বাংলালিংকে ম্যানেজার পদে চাকরি

প্রকাশিত:Saturday ৩০ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

বেসরকারি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান বাংলালিংকে ‘ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশন সিনিয়র ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৩ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলালিংক

পদের নাম: ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশন সিনিয়র ম্যানেজার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যবসায় স্নাতক/এমবিএ
অভিজ্ঞতা: ০৬-০৮ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ০৩ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



ডেঙ্গু-জ্বর-গরমে বেড়েছে ডাবের চাহিদা, দামও চড়া

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ০৪ August ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

দাম বাড়ায় এর আগে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় ডাব কিনে খেতে অভ্যস্ত হয়েছে সাধারণ মানুষ। কিন্তু এখন তাতেও স্বস্তি নেই। এ গরমে ডাবের দাম ১০০ টাকার নিচে নামছে না। গত এক মাস ধরে চলছে এ অবস্থা। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে আকারভেদে প্রতিটি ডাব বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। কোথায় আবার ১৫০।

মাসখানেক আগে যখন ডাবের দাম হুহু করে বাড়তে থাকে তখন প্রচণ্ড গরম ছিল। সে সময় তৃষ্ণার্ত মানুষ প্রশান্তি পেতে ডাবের পানি পান করেছেন। কিন্তু গত তিন-চারদিন ধরে গরমের সে ধাচ নেই। মাঝে মধ্যে বৃষ্টি হয়ে তাপমাত্রা নেমেছে বেশ খানিকটা। তারপরও ডাব খেতে গেলে বাধ সাধছে চড়া দাম। চাহিদা কমলেও কমেনি দাম।

রামপুরা বাজার এলাকায় ভ্যানে ডাব বিক্রি করেন খালেদ ইসলাম। কারওয়ান বাজার থেকে এসব ডাব কিনে রাস্তার পাশে বিক্রি করেন। সেখানে তিনি প্রতিটি ডাব একদামে ১২০ টাকায় বিক্রি করছিলেন। কারণ জানতে চাইলে তার উত্তর, প্রতি একশ ডাব ১০ হাজার টাকায় কিনেছি। জীবনে এতো দামে কখনো ডাব কিনিনি। সেজন্য বিক্রি করতে হচ্ছে বেশি দামে।

গরম কিছুটা কমলেও দাম কেন কমছে না এমন প্রশ্নের জবাবে খালেদ বলেন, এটা সিজনের (মৌসুম) শেষ। দিন যত যাবে আরও বাড়বে। কমবে না। আবার নতুন সিজনের আসলে কমবে।

জানতে চাইলে তিনি বলেন, যে ডাব বিক্রি করছি এগুলো আগে সাড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা (প্রতি একশো) ছিল। এখন দ্বিগুণ। এর আগে রমজানের শুরুতেও ডাবের দাম সহনীয় ছিল। এরপর থেকে খুব বেড়েছে।

শান্তিনগর বাজারের ডাব বিক্রেতা ফরিদ মিয়া বলেন, ৪০ থেকে ৫০ টাকায় ডাব বিক্রি করছি ২ থেকে ৩ বছর ধরে। আগে আরও কম ছিল। হঠাৎ অন্যান্য জিনিসের সঙ্গে ডাবেরও দাম বেড়ে গেল। তাতে সব খরচ বাদ দিয়ে কিছুটা লাভের দেখা পেতে হলে ১২০ টাকায় একেকটি ডাব বিক্রি করতে হয়।

ঢাকায় ডাবের সবচেয়ে বড় কারবার কারওয়ান বাজারে। সেখানে পাইকারি ডাব বিক্রি হয়। পাইকারি ব্যবসায়ী রকি এন্টারপ্রাইজের মালিক সাগর হোসেন বলেন, গরম যত বাড়ে তত বেড়ে যায় ডাবের চাহিদা। এ বছর রেকর্ড গরম গেছে। তখন থেকে চাহিদার তুলনায় আড়তে ডাব আসছে কম। এ কারণে দাম বেশি।

পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, ঢাকার পাইকারি বাজারে ডাবের মূল জোগান আসে লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ভোলা, বরিশাল ও পিরোজপুর থেকে। অন্যান্য এলাকা থেকেও কিছু ডাব আসে তবে সেটি খুব কম। ওইসব এলাকায় ডাব ব্যবসাকে কেন্দ্রে করেও এখন স্থানীয়ভাবে গড়ে উঠেছে আড়তদারি ব্যবসা। ফলে সেখানে সিন্ডিকেটের মাধ্যমেও ডাবের দাম কিছুটা বাড়ানো হয়েছে বলে দাবী কিছু ব্যবসায়ীর।

Dab1

একরামুজ্জামান নামের এক পাইকারি ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেশি সরবরাহকারী এসব জেলার স্থানীয় পর্যায়ের আড়ত থেকে নিলামে ডাব কিনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করা হয়। ফলে চাহিদা বেশি থাকলে সিন্ডিকেটকারীরা সুযোগ বুঝে দাম বাড়িয়ে দেন। কয়েক হাত বদল হয় তখন।

তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে ডাবের বাগানের মালিকরা এতো দাম পান না কখনও। গড়ে গাছে থাকা প্রতিটি ডাব আকারভেদে বিক্রি হয় ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। সেগুলো স্থানীয় বাজারে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাইকারি বিক্রি হয়। ঢাকায় এসে কয়েকহাত বদল হয়ে সেটি একশো ছাড়িয়ে যায়।

এদিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলেন, দাম দ্বিগুণ হওয়ার কারণে খুচরা ব্যবসায়ীরাও তাদের লাভ বাড়িয়েছেন। কারণ তাদের দ্বিগুণ পুঁজি খাটাতে হচ্ছে। এক একটি ডাবে খুচরা ব্যবসায়ীরা ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়তি বিক্রি করছেন।

কারওয়ান বাজারে যারা নিয়মিত ডাব খান এমন কয়েকজন বলেছেন, গত কয়েক বছর ধরে রাজধানীতে গরম ও রোগ বাড়লে সে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে ডাবের দাম। এখন ডেঙ্গু ও জ্বরের প্রকোপ ঘরে ঘরে। অন্যান্য রোগবালায়ও বেড়েছে। সে কারণে বাড়তি চাহিদায় দাম বেড়েছে।

সেলিম নামের একজন বলেন, এসময় ডাব কম এলেও অন্য বছর বিক্রিও হয় কম। বৃষ্টির দিনে বিক্রি আরও কমে যায়। এ বছর শুধু গরম। তাই এরাও সুযোগ নিয়েছে।


আরও খবর