Logo
আজঃ শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে কী কথা হলো, জানালেন সিইসি

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ৪২৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশের আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করার জন্য যুক্তরাজ্য তাগিদ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

এর আগে রোববার বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সিইসির দপ্তরে এই বৈঠক শুরু হয়। ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক শরিফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক শেষে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘যুক্তরাজ্য বাংলাদেশে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের তাগিদ দিয়েছে। আমরাও চাই নির্বাচন যেন অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক হয়। একই সঙ্গে সাংবাদিকরা যেন অবাধে কাজ করতে পারেন সে বিষয়েও ব্রিটিশ হাইকমিশনার জানতে চেয়েছেন।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনকে উৎসাহিত করে। যাতে বাংলাদেশের জনগণ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করতে পারে।

সিইসির সঙ্গে বৈঠকে আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষক, গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং প্রযুক্তির ব্যবহারসহ বেশ কিছু বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তবে এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার কোনো প্রশ্ন নেননি।

বৈঠকে সিইসির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান ও ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম উপস্থিত ছিলেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা সাক্ষাৎ করেছেন। তারাও অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চেয়েছেন।


আরও খবর



খালেদা জিয়া আবারও হাসপাতালে

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | ১২২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

রোববার (৭ জুলাই) দিবাগত রাত ৪টা ১২ মিনিটে জরুরি ভিত্তিতে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাতে এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার।

এর আগে মঙ্গলবার (২ জুলাই) বিকেলে ১২ দিন চিকিৎসা শেষে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতাল থেকে বাসায় নেওয়া হয় বিএনপি চেয়ারপারসনকে।

উল্লেখ্য, গত ২২ জুন রাত সাড়ে ৩টার দিকে এভার কেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় খালেদা জিয়াকে। ২৩ জুন তার হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বসানো হয়।

৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া ডায়াবেটিস, আর্থারাইটিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন বলেও বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



যুবসমাজের স্বেচ্ছাশ্রমে ও চাঁদায় চলাচলের অযোগ্য সড়ক সংস্কার

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ১০২জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গ্রামবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে ও চাঁদায় চলাচলের অযোগ্য জরাজীর্ণ সড়ক সংস্কার করছেন যুবসমাজ। গত দুদিন ধরে তারা উপজেলার আষাড়িয়াবাড়ি-গর্জনখালী সড়কটি সংস্কার কাজ করছেন। এতে প্রশংসায় ভাসছেন উদ্যোগ গ্রহণকারী যুবসমাজ। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ অনেকের কাছে সড়কটি টেকসই সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী।

এলাকাবাসী ও যুবসমাজ সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার গর্জনখালী ও আষাড়িয়াবাড়ী এই দুই গ্রামের একমাত্র যোগাযোগের অবলম্বন হচ্ছে আষাড়িয়াবাড়ী-গর্জনখালী সড়ক। গত ৪/৫ বছর আগে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদেরমাধ্যমে প্রায় ৩/৪ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন করা হয়। এই একমাত্র কাঁচা সড়কটি দিয়েই উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে গর্জনখালী গ্রামের মানুষ। এটি দিয়ে কৃষকেরা তাদের মাঠ থেকে বাড়িতে ফসল তুলেন। এখান দিয়েই চলাচল করেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও। কিন্তু ওই এলাকার একটি ইটভাটার অভারলোড বাহী ট্রাক ও স্থানীয় মাটি খেঁকোদের মাটিবাহী ট্রাক অতিরিক্ত চলাচল করায় বিভিন্ন স্থানে মাটি ধসে রাস্তা ভেঙ্গে সড়কটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে। এটা যেন দেখার কেউ নাই। এছাড়াও দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় ও এবারের ভারী ভর্ষণে সড়কের বিভিন্ন ছোট-বড় গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলে সেখানে পানি জমে সড়কটি চলাচলের অযোগ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। চরম দুর্ভোগে পড়েন ওই সড়কে চলাচলরত মানুষ। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন স্কুল- কলেজের শিক্ষার্থী ও রোগীরা। মাঠের ফসল ওই সড়ক দিয়ে ঘরে তুলতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন কৃষকেরাও। এ অবস্থায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেনদরবার করেও সাড়া পাননি গ্রামবাসী। অবশেষে গ্রামবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেন বজলুর হক কলি, সুজন সিকদার, বিপ্লব হোসেন রেজাউলসহ কয়েকজন যুবক। তাদের সহযোগিতা করছেন গ্রামবাসী ও স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীরাও। দুদিন ধরে ওই যুবসমাজের উদ্যোগে চাঁদা তুলে স্বেচ্ছাশ্রমে সড়কটি সংস্কার করেছেন। গত শনিবার থেকে শুরু হয়ে রোববারও তাদের সংস্কার কাজ অব্যাহত রেখেছেন। এ সংস্কার কাজ করতে তাদের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা খরচ হবে। এ কাজ করে প্রশংসায় ভাসছেন উদ্যোগ গ্রহণকারী যুবসমাজ। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ অনেকের কাছে সড়কটি টেকসই সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী।

সড়ক সংস্কারে উদ্যোগী যুবসমাজের মধ্যে বজলুর হক কলি বলেন, এ সড়কটি খুবই লাজুক অবস্থার সৃষ্টি হয়। এখান দিয়ে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাই মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে আমরা কয়েকজন মিলে ওই সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। এখানে গ্রামবাসীসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীরাও সহযোগীতা করেছেন। তবে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে আমাদের সংস্কার খরচ বাবত প্রায় ৫০/৬০ হাজার টাকা খরচ হবে।

ওই ইটভাটার ম্যানেজার কামরুজ্জামান জানান, এখন তো আমাদের ইটভাটার গাড়ি চলে না। এছাড়াও বিভিন্ন সময় আমাদের ইটভাটার মালিকও ওই সড়ক সংস্কার করেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) রফিকুল ইসলাম জানান, গত ৪/৫ বছর আগে ওই সড়কটি সংস্কার করা হয়েছিল। কিন্তু একটি ইটভাটার ওভারলোড করা ট্রাক চলাচলে

ওই সড়কের এতো ক্ষতি হয়েছে। তবে শুনেছি গ্রামবাসী ওই সড়কটি সংস্কার কাজ করছেন।

এব্যাপারে স্থানীয় চাপাইর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান সেতু জানান, যুবসমাজ ওই সড়কটি সংস্কার করছেন, এ বিষয়টি আমার জানা নেই। তারা সংস্কার করলে এটা একটি ভাল উদ্যোগ। ওই সড়কটি ইটভাটার ট্রাক চলাচলে নষ্ট করেছে। তবে বরাদ্দ পেলে ওই সড়ক সংস্কারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



গোদাগাড়ীর চরে সৌর বিদ্যুতের কেন্দ্রটি বন্ধ হওয়ায় অন্ধকারে ৩০ হাজার মানুষ

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image

মুক্তার হোসেন গোদাগাড়ী(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃরাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পদ্মা নদীর ওপারে চর আষাঢ়িয়াদহ ইউনিয়নে থাকা একমাত্র সৌর বিদ্যুতের প্লান্টটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বৃহস্পতিবার(২০ জুন) হঠাৎ এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে ভারতীয় সীমান্ত লাগোয়া এই চরের ১ হাজার ৩০০ গ্রাহক রয়েছে। এতে করে ৩০ হাজার মানুষ অন্ধকার ও দুর্ভোগে পড়েছেন।প্রায় ৯ বছর আগে সরকারের ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) কারিগরি সহযোগিতায় চর আষাঢ়িয়াদহে সৌর বিদ্যুতের প্লান্ট স্থাপন করেছিল বেসরকারি সংস্থা আভা। প্লান্টটির নাম দেওয়া হয়েছিল আভা মিনি-গ্রিড প্রজেক্ট। কোনো ঘোষণা ছাড়াই বৃহস্পতিবার এই গ্রিডটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

চর কানাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী চান বলেন, ‘প্রথম দিকে প্লান্ট থেকে ২৪ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো। বছরদুয়েক থেকে শুধু দুপুরে জোহরের নামাজের সময় ১ ঘণ্টা, আসরের নামাজের সময় ৩০ মিনিট, মাগরিবের নামাজের সময় থেকে রাত ১০টা, রাত ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ দেওয়া হতো। এতে কোনোরকমে ফ্রিজটা চলত। বৃহস্পতিবার থেকে একেবারেই বন্ধ। ফ্রিজের ভেতর প্রায় ৫০ কেজি মাংস ছিল। এগুলো বের করে রান্না করা হচ্ছে। খাওয়া যাবে কি না জানি না।’

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারের টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) এই প্লান্ট স্থাপনে প্রণোদনাও দেয়। আর কারিগারি সহায়তা করে সরকারের আরেক সংস্থা ইডকল। এই সংস্থাটি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে সমীক্ষাও করেছিল। প্রতিষ্ঠানটি বলেছিল, প্লান্টটি চালালে প্রতিমাসে ১৫ লাখ টাকা করে লাভ করতে পারবে আভা। কিন্তু এখন পর্যন্ত লাভের মুখ দেখা যায়নি। ২৪ ঘণ্টার ভেতর ছয়-সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ করেও প্রতিমাসে প্রায় লাখ টাকা লোকসান হচ্ছিল। সব মিলিয়ে লোকসান হয়েছে কয়েক কোটি টাকা।

জানা গেছে, আভা মিনি-গ্রিড প্রজেক্টের প্লান্ট ব্যবস্থাপক হিসাবে শুরু থেকেই কর্মরত ছিলেন মিল্লাত হোসেন। এছাড়া আরও দুজন কর্মচারী সেখানে থাকতেন। বৃহস্পতিবার মিল্লাত হোসেন ৪৮ হাজার টাকা বেতনের এই চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে প্লান্ট বন্ধ করে চলে আসেন। যোগাযোগ করা হলে মিল্লাত হোসেন বলেন, ‘চাহিদা ১২০ কিলোওয়াটের। আর আমরা সরবরাহ করতে পারছিলাম মাত্র ৬০ কিলোওয়াট। সেই কারণে প্লান্ট বন্ধ করে চলে এসেছি।’

এ ব্যাপারে নেসকোর নির্বাহী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মোহাম্মদ শহিদ হোসেন বলেন, ‘সৌর বিদ্যুৎ স্থায়ী সমাধান নয়। এটি যুগ যুগ চলবেও না। দুর্গম অঞ্চলে বিদ্যুৎ দিতে সরকারের অগ্রাধিকার ছিল বলে নেসকো বিনামূল্যেই আভাকে নানা সহযোগিতা করেছে। কিন্তু নদী পার করে সাব-মেরিন কেবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ নিয়ে যাওয়া সহজ কাজ নয়। আভার সৌর বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তারপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।’


আরও খবর



সৈয়দপুরে নাবালিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগে যুবক আটক

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ | ১১৬জন দেখেছেন

Image

জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর( নীলফামারী) প্রতিনিধি:সৈয়দপুরের উত্তরা আবাসন প্রকল্পে এক নাবালিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগে আকতার হোসেনকে (৬৮) আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। পরে গতকাল সোমবার আটককৃতকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে (২৩ জুন) উত্তরা আবাসন প্রকল্পের ওয়াসিরের নাবালিকা কন্যা ও উত্তরা আবাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী পার্শ্ববর্তী একটি হোটেলে পরেটা আনতে যায়। ওইসময় আটককৃত যুবক আকতার হোসেন ওই শিশুটিকে ফুসলিয়ে আবাসনের একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে  শ্লীলতাহানি ঘটায়। মেয়েটি চিৎকার করলে এলাকার লোকজন জড়ো হয় এবং জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেয়। পরে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে যুবকটিকে আটক করে স্হানীয় থানায় নিয়ে যায়। এরপর ২৪ জুন আসামিকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।

সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহা আলম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক ব্যক্তিকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা হয়েছে। মামলা নং-২৪ তারিখ-২৩/০৬/২৪।


আরও খবর



বিএডিসির ফরিদপুর প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক পংকজ কর্মকার হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:বাংলাদেশ  কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) বৃহত্তর ফরিদপুর ক্ষুদ্রসেচ উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক পংকজ কর্মকারের দূর্নীতির কারণে মুখ থুবরে পড়েছে প্রকল্পের কাজ। প্রকল্প পরিচালকের দূর্নীতির ধরন দেখলে যে কেউ হতভাগ হয়ে পড়বেন। একাধিক সূত্রে জানা যায়, একজন প্রকল্প পরিচালককে সরিয়ে তিনি প্রকল্প পরিচালক হন এবং পরবর্তীতে তার সেচ্ছাচারিতার কারনে বিভিন্নভাবে সাবেক প্রকল্প পরিচালককে দিষ্টাব করার কারনে আগের প্রকল্প পরিচালক ষ্টোক করে মারা যায়। উপরের দিকের কর্মকর্তা তার নিজ এলাকার হওয়ায় তার যোগাযোগ ভাল হওয়ায় তিনি আর কাওকে পাত্তা দেন না। প্রকল্প দলিল অনুযায়ী ফরিদপুরে থাকার কথা থাকলেও সে সবসময় ঢাকায় অবস্থান করে। 

খোজ নিয়ে জানা যায়, পংকজ কর্মকার প্রকল্প পরিচালক হিসেবে যোগদান করে সংস্থার নিয়ম কানন কোন তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছামত কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারচ্ছে, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পংকজ কর্মকার, ঘাপটি মেরে থাকা একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। নিজেকে সে সরকার দলীয় সমর্থক হিসেবে পরিচয় দেয়ার চেষ্টা করলেও প্রকৃতপক্ষে সে পারিবারিকভাবে এবং ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে সর্বদায় মনেপ্রাণে একজন কট্টরপন্থী বিএনপিকর্মী ছিল। যা ছাত্র জিবনের কর্মকান্ড খুজলেই জানা যাবে। সে হিন্দু ধর্মালম্বী হওয়ায় বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধের স্বপক্ষের সরকার ক্ষমতায় থাকায় সে তার আসল চেহারা আড়াল করে সরকার দলীয় সমর্থকের নাটক করছে মাত্র।তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পংকজ কর্মকার চাকরীর পাশাপাশি শশুরবাড়ীর লোকজনের পরিচয় গোপন করে ঠিকাদার সাজিয়ে প্রকল্পের বিভিন্ন টেন্ডার হাতিয়ে নিয়ে যেনতেনভাবে প্রকল্পের কাজ সম্পাদন করে সরকারি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ কারনে ফরিদপুরের ঠিকাদারদের ভয়ে একাধিকবার ফরিদপুর থেকে ঢাকায় পালিয়ে থাকতো। সে এই প্রকল্পে কর্মরত থেকে কমপক্ষে ৩০-৪০ কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেছে। এখানেও সে মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে দরপত্র আহবান করার পূর্বেই সে তার পছন্দের ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ঘুস গ্রহন করে সে ঠিকাদারকে কাজপাইয়ে দিয়েছে। টাকার বিনিময়ে প্রকল্পের প্রতিটি কারিগরী কাজের মান সঠিক না হলেও তা সঠিক আছে মর্মে গ্রহন করছে। 

অপরদিকে সে তার পছন্দের ঠিকাদারদের অবৈধভাবে কাজ দিয়ে কাজ না করে টাকা ভাগাভাগি করছে। সে শুধু কিছুকাজ উর্ধবতন কর্মকর্তাদের দেখানোর জন্য সুন্দরভাবে রেডি করে পরিদর্শন কমিটির নিকট উপস্থাপন করে। অন্য কাজের অবস্থা খুবই খারপ যা সরজমিনে তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে তার এই অনিয়মের কিছু চিত্র বানিজ্যিক অডিট টিমের নিকট ধরা পড়েছে এবং অডিট আপত্তি হয়েছে।

তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, পংকজ কর্মকার তার অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ দিয়ে ঢাকার বনশ্রীতে ২১৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট ১.৮৫ কোটি টাকা দিয়ে ক্রয় করেছে। এ ছাড়া ঢাকার পূর্বাচল আমেরিকান সিটিতে এবং বসুন্ধারায় তার একটি করে প্লট রয়েছে। সে ঢাকা-মাওয়া রোডে একাধকি স্থানে ২০-২৫ বিঘা জমি ক্রয় করছে। সে শশুরবাড়ীর গ্রামে প্রচুর জমি ক্রয় করা ছাড়াও সে টাঙ্গাইল শহরের এলেঙ্গায় নিজ বাড়ীর আশেপাশে প্রায় ২০ বিঘা জমি ক্রয় করে সেখানে রিসোর্ট তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহন করছে প্রকল্প শেষে সে উক্ত কাজে হাত দিবেন। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তার রয়েছে প্রাইভেট কার যা সে শশুরবাড়ী রখেছে। এসব সম্পদের বেশির ভাগ তার নিজের নামে করেনি। তবে প্রকৃত মালিককে তার খবর নিলেই আসল রহস্য বের হয়ে আসবে। তার এত অঢেল অর্থ রয়েছে যে, শোনা যায় সে ভারতে একটি বিলাশবহুল বাড়ী ও ২টি ফ্লাট ক্রয় করেছে এবং প্রচুর টাকা প্রাচার করছে।

প্রকৌশলী পংকজ কর্মকার একজন বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী। তিনি ছাত্র জীবন থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত৷ প্রকৌশলী পংকজ কর্মকার সহ বিএনপি সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল হিন্দু কর্মকর্তা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের রাজনীতি করতেন। ছাত্রদল করতেন বিধায় বিএনপি সরকারের আমলে যাচাই-বাছাই করে হাওয়া ভবন থেকে তালিকা অনুযায়ী মাধ্যমে চাকুরী হয়।

এছাড়া ডিপিপিতে বিভিন্ন ক্রয়/কাজের পদ্ধতি নির্দিষ্ট করা থাকলেও তিনি নিজের ইচ্ছামত ক্রয় পদ্ধতি অবলম্বন করে নিজে লাভবান হওয়াসহ নিজের পছন্দের লোককে কাজ প্রদান করে সরকারের অর্থের অপচয় করেছেন অবৈধ পন্থায়।

এ ব্যাপারে প্রকল্প পরিচালক পঙ্কজ কর্মকারকে কল দেয়া হলে তিনি মোবাইল নাম্বারটি রিসিভ করেননি। 

আরও খবর