Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

বন্যার কারনে নাসিরনগরে ২০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা

প্রকাশিত:Tuesday ২১ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১২৮জন দেখেছেন
Image

মোঃ আব্দুল হান্নান নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়ায় ২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়।মঙ্গলবার (২১ জুন) এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়।


জানা গেছে, নাসিরনগর উপজেলায় গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও চারদিন ধরে ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি  আসা অব্যাহত রয়েছে। রোববার রাতে পাহাড়ি পানির প্রবল তোড়ে উপজেলার কুন্ডা ও গোকর্ণ ইউনিয়নের কুন্ডা-গোকর্ণ সড়কের বেড়িবাঁধ এলাকার সেতুর দুই পিলার সরে যাওয়ায় সেতু মাঝখানের অংশ দেবে গেছে। উপজেলার শ্রীঘর আশ্রয়ণ প্রকল্পে হাঁটুসমানসহ প্রকল্পের ঘরের মেঝসমান পানি চলে এসেছে।


উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পানিতে উপজেলার ২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার রাস্তা,বন্ধ হয়ে বিদ্যালয়ের আঙ্গিনা তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে উপজেলার ২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তাই ২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের ১২টি ও চাতলপাড় ইউনিয়নের ১০-১২টি বিদ্যালয়ে যেকোনো মুহূর্তে পানি ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


বন্যাকবলিত হয়ে পড়ায় শ্রেণি শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা বিদ্যালয়গুলো হলো-উপজেলার আন্দ্রাবহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইটনা পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব বালিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কান্দিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর ধানতলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রোস্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উড়িয়াইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইছাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গঙ্গানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভোলাউক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফকিরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টেকানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নাসিরপুর পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রীঘর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফান্দাউক ঋষিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চাপরতলা পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চাপরতলা পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পতৈর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চান্দেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গোকর্ণ পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।


উড়িয়াইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরিব মিয়া বলেন, বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ ৪জন শিক্ষক ও ২৩০জন শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয় বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। বিদ্যালয়ের মাঠে হাঁটুপানি ও চারপাশে পানি। বিদ্যালয়ের বারান্দায় পানি চলে এসেছে। কেউই বিদ্যালয়ে আসতে পারছে না।


উপজেলা  প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল মিয়াপানিবন্দি হয়ে পড়ায় ২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করার কথা স্বীকার করেছে।


আরও খবর



৮ ছানাসহ নিরাপদ পুকুরে ফিরে গেলো মা বালিহাঁস

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৬৮জন দেখেছেন
Image

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে ছানাসহ ৯টি বালিহাঁস উদ্ধার করেছেন দ্য বার্ড সেফটি হাউজ কমিটির সদস্যরা।

রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে উপজেলার মালতিডাংগা গ্রামের ফিরোজ নামের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে খাঁচায় বন্দি অবস্থায় এগুলো উদ্ধার করা হয়।

দ্য বার্ড সেফটি হাউজ সংগঠন সূত্র জানায়, একটি উঁচু গাছের বাসা থেকে পড়ে গিয়েছিল বালিহাঁসের ছানাগুলো। গ্রামের ফিরোজ নামের এক ব্যক্তি তা দেখতে পেয়ে মাসহ ছানাগুলো ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে খাঁচায় আটকে রাখেন। খবর পেয়ে রোববার ওই বাড়িতে যান দ্য বার্ড সেফটি হাউজের সদস্যরা। তারা এগুলো উদ্ধার করে একটি নিরাপদ পুকুরে ছেড়ে দেন।

দ্য বার্ড সেফটি হাউজের চেয়ারম্যান মামুন বিশ্বাস বালিহাঁস উদ্ধার ও অবমুক্তের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



হজে গিয়ে ভিক্ষা করা মন্টু এলাকার ‘কুখ্যাত ডাকাত’

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

এক সময়ের কুখ্যাত সন্ত্রাসী মতিয়ার রহমান মন্টু ছিলেন ডাকাত সর্দার। এরপর হঠাৎই প্রতিবছর হজে যাওয়া শুরু করেন তিনি। কখনও বাংলাদেশ থেকে সরাসরি আবার কখনও ভারত কিংবা আফগানিস্তান হয়ে সৌদি আরব যান। সম্প্রতি হজে গিয়ে ভিক্ষা করার সময় সৌদি পুলিশের হাতে আটক হন মতিয়ার রহমান ওরফে মন্টু। তার এমন কাণ্ডে বাংলাদেশি হাজিদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় এলাকায় চলছে আলোচনা সমালোচনা।

মতিয়ার রহমান মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সিন্দুরকৌটা গ্রামের মৃত হারুনর রশীদের ছেলে। হজের সময় সৌদি আরবে ভিক্ষা করেই হয়েছেন পাঁচ বিঘা জমির মালিক।

এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, মতিয়ার রহমান ছাত্রাবস্থায় ডানপিটে ছিলেন। কুষ্টিয়াতে পড়ালেখা করার সময় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। নিজস্ব বাহিনী গঠনে অর্থ যোগাড়ের জন্য বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি ও ছিনতাই করতেন। বিশেষ করে সিন্দুরকৌটা-বাওট মাঠ, কামারখালি-ছাতিয়ান এবং চোখতোলা মাঠে প্রতিনিয়ত ডাকাতি করতেন।

একবার ডাকাতির সময় জনগণের ধাওয়া খেয়ে বোমা বিস্ফোরণ করে আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন মতিয়ার। সেসময় একটি বোমা হাতের মধ্যেই বিস্ফোরিত হয়ে আহত হন মতিয়ার। পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে চিকিৎসা দেয়। ওই সময় চিকিৎসকরা বাধ্য হয়ে তার দুহাতের কব্জি কেটে ফেলেন। তখন থেকে পঙ্গুত্বকে পুঁজি করে নানা অপকর্ম করেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

তার বিরুদ্ধে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি ও দাঙ্গা-হাঙ্গামার অভিযোগে ২০১২ ও ২০১০ সালে গাংনী থানায় দুটি মামলা হয়। কুষ্টিয়া থানায়ও তার নামে মামলা রয়েছে। মামলাগুলো থেকে ইতোমধ্যে খালাস পান মতিয়ার রহমান ওরফে মন্টু।

মতিয়ার রহমানের বড় ভাই আতিয়ার রহমান জানান, গত বছর হজে যাওয়ার কথা ছিল মতিয়ারের। অফিসিয়াল জটিলতায় তিনি যেতে পারেননি। এ বছর তিনি নিয়ম অনুযায়ী হজে গেছেন। তবে সৌদিতে আটকের বিষয়ে কিছুই জানেন না তারা।

মতিয়ার রহমানের স্ত্রী মমতাজ খাতুন জানান, তার স্বামী হজ করতে গেছেন। কয়েকজনের মুখে স্বামীর আটকের বিষয়টি শুনেছেন। এখন তিনি বাড়ি ফিরে না আসা পর্যন্ত কিছুই বলা সম্ভব না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ফারুক হোসেন বলেন, আমরা অনেক ছোট অবস্থায় তার (মতিয়ারের) দুটি হাত কেটে ফেলা হয়েছে। বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় দু’হাতের কবজি উড়ে যায়। তার বিষয়ে এলাকার মানুষ এখনও সমালোচনা করেন। তবে তিনি মাঝে মধ্যে এলাকা ছেড়ে চলে যান। কোথায় থাকেন কেউ নিশ্চিত নয়। তবে ভারত ও আফগানিস্তান হয়ে সৌদিতে হজ করতে যান বলে তার পরিবারের লোকজনের কাছ থেকে শোনা যায়। মতিয়ার রহমান চিকিৎসার অজুহাতে ভারতে গিয়ে সেখানেও নানা কারণ দেখিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

মটমুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল আহাম্মেদ জানান, মতিয়ার রহমান এলাকায় কখনো ভিক্ষা কিংবা সাহায্য নেন না। দুটি হাত না থাকায় বিভিন্ন দেশে গিয়ে ভিক্ষা বা সাহায্য চেয়ে এলাকায় জমি করেছেন। তবে তিনি সৌদি আরবে যা করেছেন তা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। আমাদের জেলার সুনাম ক্ষুণ্ন করেছেন।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, মতিয়ারের ব্যাপারে তিনি শুনেছেন এবং যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে। সেইসঙ্গে মতিয়ারের বিরুদ্ধে গাংনী থানায় দুটি মামলা ছিল যেটা থেকে আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন।

মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. মুনসুর আলম খান বলেন, এমন ঘটনা শুনেছি। বিষয়টি আমাদের এখতিয়ার বহির্ভুত।

মতিয়ার সৌদি আরবে যান ধানসিঁড়ি ট্র্যাভেল এয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে। সেখানে ব্যাগেজ হারিয়ে যাওয়ার নাটক সাজিয়ে নামেন ভিক্ষাবৃত্তিতে। এ ঘটনায় ২২ জুন মতিয়ার সৌদি পুলিশের হাতে আটক হন। পরে এজেন্সির একজন সদস্য মতিয়ারকে মুচলেকায় ছাড়িয়ে নেন।

ওই হজযাত্রীকে গাইড করার মত কোনো মোয়াল্লেম এবং বসবাসের বাড়ি বা হোটেলও ছিল না। তাই গত ২৫ জুন ওই এজেন্সিকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন।


আরও খবর



৫০ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে আদর-বুবলীর ‘তালাশ’

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
Image

সময়টা এখন বুবলীর। সিনেমা, ওটিটি, বিজ্ঞাপন দিয়ে বাজিমাত করে রেখেছেন সংবাদ পাঠিকা থেকে নায়িকা হওয়া এই সুন্দরী। সর্বশেষ উপস্থাপনা করেও ভক্তদের মন রাঙিয়েছেন। সবকিছু মিলিয়ে বলাই যায় বুবলীর ক্যারিয়ারে বসন্তের মাতাল হওয়া বইছে।

নায়িকা এবার আসতে চলেছেন রোমান্টিক-থ্রিলার গল্পের সিনেমা নিয়ে। ‘তালাশ’ নামের এ ছবিতে বুবলীর নায়ক সুদর্শন, স্মার্ট আদর আজাদ। এ সিনেমার মাধ্যমে ঢালিউডে অভিষেক হবে আদর আজাদের।

আগামী ১৭ জুন অর্ধশতাধিক প্রেক্ষাগৃহে দেশজুড়ে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সিনেমাটি। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পরিচালক সৈকত নাসির।

মুক্তি সামনে রেখে এরই মধ্যে সিনেমাটির গান, ফার্স্টলুক, ট্রেলার ও পোস্টার প্রকাশ হয়েছে। অন্তর্জালে সিনেমাটির গান ও ট্রেলার প্রশংসিত হয়েছে। স্বল্প বাজেটে সিনেমাটি নির্মিত হলেও ট্রেলার অবমুক্ত হওয়ার পর থেকে সিনেমাটি ঘিরে নেটদুনিয়ায় চলছে বেশ আলোচনায়। অনেকেই ট্রেলার ও গান দেখে আদর-বুবলীকে প্রশংসা করছে।

ছবিটি নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখছেন তরুণ তুর্কি আদর। তিনি বলেন, ‘সিনেমার নায়ক হবো বলে অনেক পরিশ্রম করেছি আমি। নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছি সাবলীল অভিনয় করার। আশা করি দর্শরে মনে কিছুটা হলেও জায়গা করে নিতে পারবো। এরই মধ্যে সিনেমাটির গান ও ট্রেলার দর্শক খুবই পছন্দ করেছে। বড় বড় প্রেক্ষাগৃহগুলো বুকিং হয়েছে। সামনে দুই সপ্তাহে ৫০ এর সংখ্যা বেড়ে ৭০ হয়ে যাবে আশা করি।’

বুবলী বলেন, ‘করোনায় অন্য সেক্টরের মতো আমাদের চলচ্চিত্রেও অনেক ক্ষতি হয়েছে। প্রেক্ষাগৃহ খোলার পর সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছেন প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা। প্রেক্ষাগৃহ খোলার পর সেভাবে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলো দর্শক টানতে না পারলেও ঈদুল ফিতরের সিনেমা দিয়ে দর্শক আবারও প্রেক্ষাগৃহে ফিরেছেন। এটি আমাদের সিনেমার জন্য আশীর্বাদ। এ ধারা অব্যাত থাকলে বেশি দিন লাগবে না আমাদের সিনেমার ক্রান্তিকাল দূর হতে।

তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের জুটির প্রথম সিনেমাটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে। আমরা নিজেদের সেরাটা দিয়ে কাজ করেছি। আশা করি, দর্শক নিরাশ হবে না।’

ক্লিওপেট্রা ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত সিনেমাটির কাহিনি পরিচালকের সঙ্গে যৌথভাবে লিখেছেন আসাদ জামান। এ সিনেমাটিতে পাঁচটি গান রয়েছে। সিনেমাতে আরো অভিনয় করেছেন আসিফ আহসান খান, মাসুম বাশার, মিলি বাশার, যোজন মাহমুদ প্রমুখ।


আরও খবর



যে কারণে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ করা হয়

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

রাস্তায় চলতে পথে প্রায়ই চোখে পড়ে ছোট শিশুদের ভারী কাজ করার দৃশ্য। হোটেল থেকে শুরু করে লেগুনা হেলপার, ইট কিংবা কনস্ট্রাকশনের কাজেও যুক্ত আছে শিশুরা। শিশুদের দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করানো নতুন নয়। তবে আইন করেই বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে শিশুশ্রম। তারপরও কমছে না শিশুশ্রম।

বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এ শিশুদের ন্যূনতম বয়স ১৪ আর কিশোরদের বয়স ১৪-১৮ নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে ১৪ বছরের কম বয়সীদের কাজে নিয়োগ করা যাবে না। শিশুর অভিভাবক কাজ করানোর জন্য কারো সঙ্গে কোনো প্রকার চুক্তি করতে পারবে না। শুধু আমাদের দেশেই নয়, শিশুশ্রমের চিত্র দেখা যায় বিশ্ব অনেক দেশেই।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্ব জুড়ে ৮৪ মিলিয়ন শিশুশ্রমের সঙ্গে যুক্ত। শিশুশ্রমের দিক দিয়ে আফ্রিকা ও এশিয়া বিশ্বের শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে। আফ্রিকা এবং এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলগুলোতে প্রতি ১০ শিশুর মধ্যে ৯ জনই শিশুশ্রমের জড়িত।

আমেরিকায় (১১ মিলিয়ন), ইউরোপ এবং মধ্য এশিয়া (৬ মিলিয়ন) এবং আরব রাজ্যগুলোতে (১ মিলিয়ন) শিশু শিশুশ্রমের সঙ্গে জড়িত। স্বল্প-আয়ের দেশগুলোতে শিশুশ্রমিকদের পরিমাণ সর্বাধিক হলেও, মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে এ সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

যে কারণে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ করা হয়

ইউনিসেফ এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী শিশুশ্রমিকে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬০ মিলিয়নে। বিগত ৪ বছরের তুলনায় ৮.৪ মিলিয়ন শিশুশ্রমিকের সংখ্যা বেড়েছে। এই উদ্বেগজনিত হারে শিশুশ্রম বৃদ্ধির জন্য মূলত দরিদ্রতাকেই দায়ী মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে অশিক্ষা, অনিশ্চয়তা আর অসচেতনতাও এর জন্য দায়ী অনেকাংশে। পেটের ক্ষুধা নিবারণে এমনকি পরিবারের দেখাশোনার দায়িত্ব ঘাড়ে নিয়ে অনেক শিশুরাই ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিযুক্ত হয়। খাবার জোগার করতে গিয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে না অনেক শিশুই।

তবে শিশুশ্রম বন্ধ করতে আজ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই পালিত হচ্ছে বিশ্ব শিশুশ্রম বিরোধী দিবস। ১৪ বছরের কম বয়সীদের দিয়ে কাজ না করিয়ে তাদের শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যেই পালিত হচ্ছে দিনটি। ২০০২ সাল থেকে প্রতি বছর ১২ জুন দিনটি পালিত হল শিশুশ্রম বিরোধী দিবস হিসেবে।

যে কারণে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ করা হয়

প্রতি বছর এই দিন নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য বিষয় গ্রহণ করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সামাজিক সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করি, শিশুশ্রম বন্ধ করি’। শিশুশ্রম বন্ধ করার প্রসঙ্গে সচেতনতা গড়তেই এই দিনটি পালন করা হয়। এমন অনেক শিশু আছে যারা খুব অল্প বয়সে শৈশব হারিয়ে ফেলে। চায়ের দোকানে কিংবা রাস্তার ধারের ছোট খাটো দোকানে কাজ করতে দেখা যায়। অর্থ রোজগার করতে গিয়ে পড়াশোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। এই সব শিশুকে রক্ষা করাই হলো আজকের দিনের উদ্দেশ্য।

প্রতি বছর ভিন্ন ভিন্ন বিষয়বস্তু স্থির করা হয়। ২০১৯ সালের প্রতিপাদ্য ছিল শিশুদের খেতের কাজে নয়, বরং স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করা উচিত। ২০২০ সালের প্রতিপাদ্য ছিল, কোভিড ১৯ শিশুশ্রম থেকে শিশুদের রক্ষা করুন। এখন এর প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। ২০২১ সালের প্রতিপাদ্য ছিল, করোনাভাইরাস পর্বে শিশুদের সুরক্ষা।

যে কারণে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ করা হয়

আমাদের দেশে এই ধরনের শ্রম আইনের প্রয়োগ কার্যত অসম্ভব কারণ শতকরা ৯৩ ভাগ শিশুশ্রমিক অনানুষ্ঠানিক খাতে যেমন ছোট কারখানা এবং কর্মশালা, রাস্তায়, গৃহ ভিত্তিক ব্যবসা এবং গার্হস্থ্য কর্মসংস্থানে নিযুক্ত।

বাংলাদেশে শিশুশ্রমের ব্যাপকতা সত্ত্বেও শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে আইন বৃদ্ধি হয়েছে। এছাড়াও দেশটি জাতিসংঘের কনভেনশন অন দ্য রাইটস অব চাইল্ড দ্বারা অনুমোদন পান। জাতিসংঘ শিশু জরুরি তহবিল (ইউনিসেফ) শিশুশ্রমকে এমন কোনো কার্যকলাপ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে, যা শিশুর স্বাস্থ্য ও শিক্ষাকে প্রভাবিত করে।

এছাড়া আরও বলা হয় শিশুশ্রম এমন একটি কাজ, যা শৈশব কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত করে, শোষণ এবং অপব্যবহার করে। শিশুরা তাদের শারীরিক, মানসিক, বা উন্নয়নমূলক স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার ক্ষতি করতে পারে। ইউনিসেফ ছাড়াও দেশীয় বিভিন্ন সংস্থা সমাজের এই সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাদের লক্ষ্য হাতুরি নয়, শিশুদের হাতে থাকুক কলম, খাতা।


আরও খবর



প্রায় ৮ মাস পর দেশে ফিরলেন রওশন এরশাদ

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

প্রায় আট মাস ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ।

সোমবার (২৭ জুন) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনি অবতরণ করেন। জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম মসীহ।

তিনি বলেন, রওশন এরশাদ বিমানবন্দর থেকে সরাসরি গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে রওয়ানা করেছেন। ঢাকায় অবস্থানকালে রওশন এরশাদ সেখানেই থাকবেন। ৩০ জুন বাজেট অধিবেশনের সমাপনী দিনে উপস্থিত থাকবেন। পরে আগামী ৪ জুলাই চিকিৎসার জন্য আবারও থাইল্যান্ড চলে যাবেন।

রওশন এরশাদকে অভ্যর্থনা জানাতে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদেরসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত বছরের ৫ নভেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে ব্যাংকক যান রওশন এরশাদ।


আরও খবর