Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডির চতুর্থ দিনে ইন্দোনেশিয়াকে হারালো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১৩৩জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টে চতুর্থ  দিনের খেলায় ইন্দোনেশিয়াকে হারিয়ে জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ ।

আজ বুধবার বিকেল ৪ টায় বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টে প্রথম খেলায় জয়লাভ করে বাংলাদেশ । মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ  ৫৯-১৯ পয়েন্টে হারিয়েছে  ইন্দোনেশিয়াকে। বাংলাদেশের খেলা দেখে খুশি ভক্ত সমর্থকরা ।এত বড় জয় দেখে ভক্তরা বলছে কাপ বাংলাদেশেয় থাকবে। 

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টের যাত্রা শুরু হয়। করোনা মহামারীর কারণে সে সময় নেপাল, শ্রীলঙ্কা, কেনিয়া, পোল্যান্ড ও স্বাগতিক বাংলাদেশসহ পাঁচ দেশ অংশগ্রহণ করে।

২০২২ সালে দ্বিতীয় আসরে নেপাল, শ্রীলঙ্কা, কেনিয়া, ইংল্যান্ড, ইরাক, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও স্বাগতিক বাংলাদেশসহ আটটি দেশ অংশগ্রহণ করে। ২০২৩ সালে তৃতীয় আসরে অংশগ্রহণ করেছিল রেকর্ড ১২টি দেশ। এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে টুর্নামেন্টের ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়েছিল দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশেও। টুর্নামেন্টের মূল আকর্ষণ ছিল ফুটবলের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কাবাডি দল। তৃতীয় আসরে অংশ নেওয়া দেশগুলো ছিল আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড, পোল্যান্ড, কেনিয়া, ইরাক, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, চাইনিজ তাইপে, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও স্বাগতিক বাংলাদেশ।

আরও খবর



জাহ্নবী কাপুর ফাঁস করলেন নিজের কীর্তি

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিনিধি:‘স্লো অ্যান্ড স্টিডি’ হয়েই বলিউডে নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করছেন জাহ্নবী কাপুর। এর মধ্যে ফাঁস হলো এক গোপন তথ্য। সেই তথ্য ফাঁস করেছেন অভিনেত্রী নিজেই।

দোকান থেকে জিনিস চুরি করেছিলেন শ্রীদেবী কন্যা। এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি। এই কাজ জাহ্নবী করেছিলেন ছোটবেলায়। আসলে সে সময় তার ধারণাই ছিল না যে, কোনো জিনিস কিনতে গেলে তার জন্য দাম দিতে হয়।

অভিনেত্রী জানান, শ্রীদেবী ও বনি কাপুরের সঙ্গে একটি দোকানে গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকেই একটি জিনিস নিয়ে দৌড়ে বেরিয়ে যান। পরে নিজের এই চুরির কথা শ্রীদেবী ও বনিকে জানান জাহ্নবী। মজা করেই বলতে গিয়েছিলেন, ‘দ্যাখো! দ্যাখো, এর জন্য আমাদের টাকা দিতে হয়নি।

বনি-শ্রীদেবী আঁতকে উঠেছিলেন। তাকে চোরও বলেছিলেন। নিজের আরেকটি স্বভাবের কথাও জানান জাহ্নবী। কী সেই স্বভাব? অভিনেত্রী যে হোটেলেই যান, চুপচাপ সেখানকার বালিশ তুলে নিয়ে চলে যান। কিন্তু এই বালিশ নিয়ে কী করেন জাহ্নবী?

অভিনেত্রী জানান, তিনি আসলে বালিশ ছাড়া ঘুমোতে পারেন না। প্রতিবার নিজের বাড়ি থেকে তা নিতে ভুলে যান। তাই হোটেলের বালিশ জাহ্নবী লং ফ্লাইটে কাজে লাগান। তাতে মাথা দিলে নাকি দারুণ ঘুম হয়।

বর্তমানে অভিনয় নিয়েই ব্যস্ত জাহুবী। তার হাতে রয়েছে স্পাই থ্রিলার ‘উলঝ’, অ্যাকশন ড্রামা ‘দেবারা: পার্ট ১’ আর রোমান্টিক সিনেমা ‘সানি সংস্কারি কি তুলসী কুমারী’।


আরও খবর



তানোরে পলিনেট হাউস প্রকল্পে অনিয়ম

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১১২জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরে কৃষি বিভাগের পলিনেট হাউস (গ্রীণহাউস) প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকার কৃষকদের মাঝে চরম অসন্তোষ-উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, তিন ফসলি জমি বা গভীর-অগভীর নলকুপের স্কীমের সেচ সুবিধাভুক্ত জমিতে পলিনেট হাউস প্রকল্প বাস্তবায়নের কোনো সুযোগ নাই। কিন্ত্ত নীতিমালা লঙ্ঘন ও আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে উপজেলার মোহনপুর গ্রামে পলিনেট হাউস প্রকল্প দেয়া হয়েছে।জানা গেছে,পলিনেট হাউস তৈরি করা হয় নেট, পলি এবং লোহা বা বাঁশের অবকাঠামো দিয়ে।চারপাশে নেট দিয়ে ঘেরা হয়। আর ওপরের অংশে থাকে পলিথিন বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে ত্রিপল। পলিনেট হাউস তৈরি করতে প্রয়োজন তাপমাত্রা সহনশীল বিশেষ পলিথিন ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী মেশিন।

উপজেলার  পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) মোহনপুর গ্রামের মৌসুমি বেগমের সেমি-ডিপের স্কীমের মধ্যে তিন ফসলি জমিতে পলিনেট হাউস প্রকল্প দেয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে মোহনপুর গ্রামের রইস উদ্দিন টিপুকে পলিনেট হাউস প্রকল্প দেয়া হয়েছে। স্থানীয় কৃষক লুৎফর রহমান, আকতার হোসেন ও রফিকুল ইসলাম অভিযোগ প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ২৪ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও মাত্র ৬ থেকে ৭ লাখ টাকার কাজ করা হয়েছে। সরেজমিন তদন্ত করা হলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে। 

জানা গেছে, যেসব উঁচু জমিতে সেচ সুবিধা নাই বৃষ্টি নির্ভর একটি ফসল উৎপাদন অথবা পতিত পড়ে থাকে। সেই সব জমিতে পলিনেট হাউসের মাধ্যমে উচ্চমূল্যের ফসল যেমন টমেটো, ক্যাপসিকাম, ব্রকলি, রকমেলন, রঙিন তরমুজ, রঙিন ফুলকপি, বাঁধাকপি, লেটুস এসব সবজির পাশাপাশি চারা উৎপাদনের সুযোগ তৈরি করা হয়। এর ফলে সবজি চাষে যেমন বৈচিত্র্য আসবে, তেমনি অনেকেরই আয়ের নতুন উৎস হবে। পলিথিনের আচ্ছাদন থাকায় এতে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি ভেতরে প্রবেশে বাধা পায় এবং অতিবৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগেও ফসল অক্ষত থাকে। অসময়ে সবজি চাষের জন্য পলিনেট হাউস দেশে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির নতুন সংযোজন। 

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে পলিনেট হাউস প্রকল্প দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন,এই পদ্ধতিতে প্রযুক্তির মাধ্যমে ভারী বৃষ্টিপাত, তাপ, কীটপতঙ্গ ও ভাইরাসজনিত রোগের মতো প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে নিরাপদে শাকসবজি, ফলমূলসহ কৃষি উৎপাদন সম্ভব।

আরও খবর



ফুলবাড়ীর আলাদীপুর ইউনিয়নে রাস্তার বেহাল অবস্থা, দেখার কেউ নেই

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুর জেলা ফুলবাড়ী উপজেলার আলাদীপুর ইউপির বড় ভিমলপুর গ্রামের পাকা রাস্তাটিতে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় এলাকাবাসী চরম দূর্ভোগে পড়েছে। গ্রামবাসীর অভিযোগে জানা যায় বড়ভিমলপুর গ্রামে মৃত্যু জহির উদ্দীন এর পুত্র মোঃ আবু মুসা ও মৃত আব্বাস উদ্দীনের পুত্র মোঃ হাসেম আলী দীর্ঘদিন ধরে ড্রেন বন্ধ করে রাখায় বর্ষাকালে এবং শীতকালে গ্রামের বাড়ীর পানি বাহির না হওয়ায় সমস্যায় পড়েছে গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীরা আরও অভিযোগ করে বলেন, পূর্বের নির্মাণকৃত ড্রেনগুলির নিচু হওয়ায় আর্বজনা জমে ভরাট হয়ে গেছে। এভাবে প্রায় তিনশতাধিক বাড়ীর পানি আটকে থাকছে। মূল ড্রেনের পানি বাহির হওয়ার কোন রাস্তা না থাকায় বর্ষার পানি বাড়ীতে ঢুকে পড়ছে। মসজিদের মুসল্লিরা মসজিদে নামাজ পড়তে যেতে পারছে না। মূল রাস্তাটির পাশ দিয়ে একটি ড্রেন নির্মাণ করে পাকা রাস্তার ব্রীজের মূখে নিয়ে গিয়ে দিলে গ্রামবাসীর বাড়ীর পানি ঐ ড্রেন দিয়ে বাহির হয়ে যাবে। এতে গ্রামবাসীরা উপকৃত হবে। কিন্তু গ্রামের গুটি কয়েক লোকের কারণে শতাধিক গ্রামবাসী ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা মোঃ আতাউর রহমান মিল্টন ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিদর্শন করে ড্রেন নির্মাণের আস্বাস দিলেও প্রতিপক্ষরা ড্রেন নির্মাণে বাঁধা প্রদান করেন। যার কারণেই সেখানে ড্রেন নির্মাণ করা সম্ভব হয় নি বলে ্এলাকাবাসী জানান। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গ্রামবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। 



আরও খবর



হানিফ ফ্লাইওভারে বাসযাত্রী ওঠানামা বিরুদ্ধে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের বিরুদ্ধে অভিযান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ১৪৮জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃ 

ঢাকা মহানগরের নাগরিকগণ যাতে  রাস্তায় নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে এবং স্বাচ্ছন্দে ঘরে ফিরতে পারে সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে টিম ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ। এই বিভাগের মধ্য দিয়ে দক্ষিণবঙ্গের ২১টি জেলাসহ মোট ৪০টি জেলার গাড়ি যাতায়াত করে। মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের মূল অংশটি এই বিভাগের মধ্যে অবস্থিত। প্রায়শই এই ফ্লাইওভারের উপরে উপরে বিভিন্ন পরিবহন যাত্রী উঠানামা করায়। এতে যানজট বৃদ্ধি পেয়ে ব্যাকট্রেইল যেমন বেড়ে যায়, তেমনিভাবে দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পায়। 


ইংরেজি ৪/৬/২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ডিসি (ট্রাফিক-ওয়ারী) বিভাগ মোহাম্মদ আশরাফ ইমামের দিকনির্দেশনায় এসি (ট্রাফিক-যাত্রাবাড়ী) তানজিল আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত টিম হানিফ ফ্লাইওভার এর উপরে যে সকল গাড়ি যাত্রী উঠানামা করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। অভিযানে সর্বমোট ১৯টি বাসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বাসের বিরুদ্ধে মামলা মামলার পাশাপাশি ১টি মৌমিতা বাস এবং একটি উৎসব বাসকে ডাম্পিং করা হয়েছে। এই অভিযান চলমান থাকবে মর্মে ডিসি (ট্রাফিক-ওয়ারী) জানান। অভিযানে আরো উপস্থিত ছিল টিআই সায়েদাবাদ টার্মিনাল মঞ্জুর রাসেল এবং টিআই জিয়াউদ্দিন।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




সৈয়দপুরে ভ্যাপসা গরমে কদর বেড়েছে তাল শাসের

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১০২জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:ভ্যাপসা গরমে সৈয়দপুরের জনজীবন অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। একারনে গ্রীষ্মের গরমে অতিষ্ঠ মানুষের কাছে তাল শাঁসের কদর ক্রমেই বাড়ছে। এ তাল শাসের কদর শুধু শহরেই নয়, গ্রামগন্জের হাটবাজারেও ব্যাপক কদর বাড়ার চিত্র চোখে পড়ে।

উপজেলা শহরের জিআরপি মোড়,রেলওয়ে স্টেশন, পোষ্ট অফিসের সামনে ১ নং রেলগেট,সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে এ তালের শাঁস বিক্রি হতে দেখা যায় । এছাড়া উপজেলার গ্রামগন্জে সহ বিভিন্ন স্থানে এ তালের শাঁস বিক্রি হচ্ছে।

সৈয়দপুর শহরে তালের শাঁস বিক্রি করতে আশা পার্বতীপুরের আলী হোসেন জানান, ৩/৪ দিন ধরে আবারো প্রচন্ড গরমের প্রভাব পড়েছে। শহর ও গ্রামগন্জের সব শ্রেনীর মানুষ  গরমে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে।তারা ভ্যাপসা গরম নিবারণে তালের শাঁস ও বিভিন্ন রকমের শরবতসহ ঠান্ডা জাতীয় খাদ্য সামগ্রীর খাচ্ছেন ।  ক্লান্ত শরীরে তালের শাঁসসহ ঠান্ডা জাতীয় খাদ্য সামগ্রী পান করছে পথচারীরাও। বিশেষ করে তালের শাঁসের কদর বাড়ছে অনেক বেশি।

তিনি বলেন জয়পুরহাট ও যশোর সহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকারি দরে কচি তাল কিনে আনছি এবং সেগুলি শহর ও গ্রামঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছি। গাছিদের কাছ থেকে নিয়ে আসা প্রতিটি তালের দাম পড়ে ১৬ টাকা। একেকটি তালের  শাস হয় ৪ টি। ৪ টি শাস বিক্রি করছি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় ।তাল শাঁস বিক্রয়ের লাভ বেশি হলেও ২ মাসের বেশি এ ব্যবসা চলে না। তাছাড়া গরম না পড়লে এ তাল শাঁস কেউই খেতে চায় না। 

এ বিষয়ে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ওয়াসিম বারি জয় বলেন তালের শাঁস শুধু সুস্বাদুই নয়, তাল শাসে অবিশ্বাস্য পুষ্টিগুণ রয়েছে। উপকারীতাও রয়েছে পর্যাপ্ত । তালশাঁস মানবদেহকে শিথিল রাখে। একই সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় বলে জানান তিনি। 


আরও খবর