Logo
আজঃ Friday ০২ December 2০২2
শিরোনাম

বিষধর সাপকে বিশ্বাস করা যায়, কিন্তু বিএনপি-জামায়াতকে নয়: নানক

প্রকাশিত:Monday ২১ November ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০২ December 2০২2 | ৬৫জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক; আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ‘বিষধর সাপকে বিশ্বাস করা যায়, কিন্তু বিএনপি-জামায়াতকে বিশ্বাস করা যায় না’ আজ সোমবার সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত মঞ্চ ও সাজসজ্জা উপকমিটিকে সঙ্গে নিয়ে মাঠ পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা করার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, তখন বিএনপি দণ্ডিত খালেদা জিয়াকে মুক্তি এবং পলাতক তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছে। দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে বিএনপির সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কথা ছিল। পক্ষান্তরে দেখা যাচ্ছে, তারা আর কালবিলম্ব করতে চায় না। তাদের দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা এবং পলাতক তারেককে দেশে ফিরিয়ে আনাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। এই দলটির দেশের প্রতি কোনো মমত্ববোধ, দায়িত্ববোধ নেই। তারা অনেক পরিকল্পনা করছে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য।

ডিসেম্বরে বিএনপি’র সমাবেশের বিষয়ে ইঙ্গিত করে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ডিসেম্বর বিজয়ের মাস। বিজয়ের মাসকে সামনে রেখে বাঙালি জাতি বিজয় দিবস অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালন করবে। কিন্তু বিএনপির উদ্দেশ্যটা হলো দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করা, গোলযোগ সৃষ্টি করা। দেশের মানুষ কেমন আছে, কেমন থাকবে, কেমন রাখা দরকার, সে বিষয় তাদের মাথায় কোনোদিন ছিল না

তিনি বলেন, তারা (বিএনপি) ১০ লাখ লোক জমায়েত করবে- এই কথাটি চিৎকার করে বলেছে। তাদের অবশ্যই ১০ লাখ লোক জমায়েত হতে পারে এমন জায়গা যেতে হবে। তাছাড়া ঢাকাবাসীকে যদি অশান্ত করেন, বিশৃঙ্খলা-অরাজকতা সৃষ্টি করেন, তাহলে আমাদের সন্দেহ থেকেই যায়। ২০১৪ সালে বিএনপি-জামায়াত এ দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করেছে, বাস পুড়িয়েছে। মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। রেললাইন উপড়ে ফেলেছে, রেলস্টেশন জ্বালিয়ে দিয়েছে। কাজেই বিষধর সাপকে বিশ্বাস করা যায়, কিন্তু বিএনপি-জামায়াতকে বিশ্বাস করা যায় না।’

দলীয় সম্মেলনের মঞ্চ ও সাজসজ্জা উপকমিটির আহ্বায়ক নানক বলেন, ‘সম্মেলন নিয়ে আনন্দ-উৎসবের কোনো ঘাটতি নেই। আমাদের নেত্রী কঠোরভাবে বলেছেন, বৈশ্বিক এই সংকটে সমস্ত সম্মেলনগুলো সীমিত পরিসরে এবং স্বল্প খরচে করতে হবে। আমরা সেই নির্দেশনা অনুসরণ করে সম্মেলনগুলো সম্পূর্ণ করতে সংকল্পবদ্ধ।’

এ সময় দলের আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মহি, দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপনসহ দলের জাতীয় সম্মেলনের মঞ্চ ও সাজসজ্জা এবং স্বেচ্ছাসেবক ও খাদ্য উপকমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর