Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম
১৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ

বিকেএসপিতে খাবার খেয়ে ১৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ

প্রকাশিত:Saturday ১৪ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) কক্সবাজারের রামু আঞ্চলিক কেন্দ্রে খাবার খেয়ে ১৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে।  তবে বর্তমানে তারা সবাই শঙ্কামুক্ত।


জানা গেছে, শুক্রবার (১৩ মে) রাতের খাবার খাওয়ার পর থেকে ওই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হতে শুরু করে।


ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন বিকেএসপির কক্সবাজার আঞ্চলিক কেন্দ্রের উপ-পরিচালক আখিনুজ্জামান রুশু।


তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে শিশুরা এখানে আসছে। নতুন জায়গা আর আবহাওয়ায় খাপ খাইয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগে।


হয়তো কোথাও না কোথাও সমস্যা  হয়েছে, যে কারণে ১০-১২ জন অসুস্থ হয়ে গেছে।


তিনি বলেন, অসুস্থ শিশুদের মধ্যে বেশির ভাগ সুস্থ হয়ে গেছে, চিকিৎসকেরা বলেছেন অন্যরাও শংকামুক্ত।


"আমরা ধারণা করছি, আবহাওয়াজনিত কারণে শিশুরা অসুস্থ হতে পারে। এছাড়াও ক্রিকেট ও ফুটবল খেলে এমন ৮০ জন শিক্ষার্থী অস্থায়ীভাবে আছে। " বলেন উপ-পরিচালক।


রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়া  বলেন, শুক্রবার রাত থেকে অসুস্থ শিশুরা হাসপাতালে আসা শুরু করে। শুক্রবার ও শনিবার দুইদিনে ১৩ শিশু ভর্তি হয়েছে। সেখান থেকে দুইজন সুস্থ হয়ে চলে গেছে। অন্যদের অবস্থাও শংকামুক্ত।



আরও খবর



বাড়ি-ঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন কৃষক

সিলেটে বন্যার পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে গুদামে রাখা ধান-চাল

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৭১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণে ডুবেছে সিলেট নগরের প্রায় অর্ধেক এলাকা। বানবাসী হয়েছেন ১৩ উপজেলার মধ্যে ১০টির শতাধিক ইউনিয়নের লোকজন। বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন অনেকে। সে ক্ষতি অংকের হিসেবে পোষাবার নয়! গ্রীষ্মে ভয়ঙ্কর বন্যা ২০০৪ সালের বন্যাকেও ছাড়িয়েছে।


গত ১১ মে থেকে অতিবৃষ্টি আর ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি বুকে ঠাঁই দিতে পারেনি সুরমা। ফলে পানি উপচে প্লাবিত হয়েছে গ্রাম-নগর সব প্লাবিত হয়েছে। কৃষিজীবী থেকে ব্যবসায়ী, সব শ্রেণির মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।


বানবাসী হয়েছেন অন্তত ১০ লক্ষাধিক মানুষ। বাড়ি-ঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন কৃষকরাও। সম্প্রতি ঘরে তোলা বোরো ফলসও বানের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অবারিত বর্ষণে ঘরে রাখা ধানে চারা গজিয়েছে।গুদামে রাখা সারি সারি ধান-চালের বস্তা ভিজে নষ্ট হয়েছে বন্যার পানিতে। তা দেখে ব্যবসায়ীদের চোখে ছল ছল করছে জল। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর জনপ্রতিনিধি কিংবা প্রশাসন খোঁজ না নেওয়ায় অনেকে বোবা কান্নায় ক্ষোভ ঝাড়লেন।


শনিবার (২১ মে) থেকে নদ-নদীর পানি খানিকটা স্থিতিশীল হওয়াতে নগর থেকে পানি নেমে যায়। চারিদিকে মানুষ যখন খাবার সংকটে, তখন বন্যা পরবর্তী ক্ষতির দিকটা ফুটে উঠছে ক্রমশ।  দেখা গেছে, বন্যার পানি কমতে শুরু করে। গুদামের সাটার খুলতেই বেরিয়ে আসছে ধান-চাল পচা দুর্গন্ধ। মজুতকৃত ৫০ কেজির হাজার হাজার বস্তা চাল এবং ২ মন ওজনের ধানের বস্তার স্তূপ ভিজে পচন ধরেছে। কেউ স্যালো মেশিন লাগিয়ে সেচ দিয়ে গুদাম থেকে পানি সরাচ্ছেন। প্রতিটি গুদামে ঢুকেছে বন্যার পানি। হু হু করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাখার অভাবে আড়ৎদাররা ধান-চালের বস্তা সরানোর সময় পাননি।


ধান-চালের পচা দুর্গন্ধে এলাকার বাতাসও দুষিত হয়ে গেছে। যেগুলো এখন গো-খাদ্যেও ব্যবহার করার অনুপযুক্ত। ব্যবসায়ীদের এ ক্ষতি যেন চোখে দেখে সহ্য করার মতো নয়।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নগরের কাজিরবাজার মোস্তাক এন্ড ব্রাদার্সের ৫টি গুদামের এক একটিতে অন্তত সহস্রাধিক বস্তা করে চাল রাখা ছিল। যেগুলো বন্যার পানিতে পচে নষ্ট হয়ে গেছে। কোনোমতে কিছু চাল সরাতে পারলেও বেশিরভাগ বন্যার পানিতে ভিজে নষ্ট হয়েছে। একইভাবে এম এস অটো রাইস মিল, মতিন ব্রাদার্স, হাসান ব্রাদার্স, ফাইয়ান ও পদ্মা রাইস মিল, দয়া ও জামান মিল, রঙ্গেশ অটো রাইস মিলের হাজার হাজার বস্তা ধান-চাল রাখা ছিল। যেগুলো পচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়েছে।


এছাড়া আরো অনেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে শত শত বস্তা চাল ও ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। ভিজে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা গুদাম থেকে সেগুলো সরাতে পারেননি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে।ব্যবসায়ীরা বলেন, বন্যা ঠিকই চলে গেছে। তবে কোটি কোটি টাকার পণ্য নষ্ট করে দিয়ে গেল। এদিকে, গ্রামীণ জনপদে বন্যা ও বৃষ্টির কারণে বোরো ধান শুকাতে না পারায় অনেকের ধানে চারা গজিয়েছে।ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, অতি বৃষ্টিতে ধান শুকানোর সুযোগ না পাওয়ায় বস্তার মধ্যে ধানের চারা গজিয়েছে।



বন্যা কবলিত এলাকার কৃষকরা বলেন, এমনিতে বন্যায় প্রাণ বাঁচানো দায়, খাবার সংকট। তার ওপর ঘরে পানি উঠে প্রতিটি বাড়িতে রাখা ধান চারা গজিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। বন্যার কারণে আয় রোজগার নেই, ত্রাণ যা মিলছে, তা দিয়ে হয়তো ২/৩ বেলা চলে, এরপর আর যাওয়ার জায়গা নেই। না খেয়ে মরা ছাড়া উপায় নেই।


আরও খবর



চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলা

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ April ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১৮১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

করোনার কারণে দুই বছর হয়নি শতবছরের ঐতিহ্যবাহী আবদুল জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা। এবার স্বল্প সময়ের প্রস্তুতিতে আয়োজিত হচ্ছে এ মেলা। যেখান থেকে বৃহত্তর চট্টগ্রামের মানুষ এক বছরের গৃহস্থালি টুকিটাকি সংগ্রহ করেন। বলা হয়ে থাকে সুঁই থেকে ফুলশয্যার খাটও মেলে জব্বারের বলীখেলায়।  



জীবন বলী চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে জব্বারের বলীখেলা। খেলাকে ঘিরে আগের দিন ও পরের দিন বৈশাখী মেলা।তিন দিনের এ মেলার শেষ দিন মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল)। দূরদূরান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ীরা কম লাভে, কেনা দামেই ছেড়ে দিচ্ছেন পণ্যসামগ্রী। এ সুযোগে কিনে নিচ্ছেন ক্রেতারা।


সরেজমিন দেখা গেছে, মাটির তৈরি ছোট-বড় ব্যাংক, ফুলদানি, কাপ-পিরিচ, জগ-গ্লাস, ধর্মীয় নানা স্মারক বিক্রি হচ্ছে বেশি। হাতপাখা, মুড়ি-মুড়কি, বাঁশি, শিশুদের খেলনা, টমটম গাড়ি, নারীদের ইমিটেশনের গহনা, শীতলপাটি, ফুল ও ফলের চারা, বাঁশের শলার তৈরি মাছ ধরার চাই (ফাঁদ), ডালা, কুলা, দা-বঁটি, প্লাস্টিকের ফুলসহ বাহারি সব জিনিস কিনতে আসছেন মানুষ।      




আবদুল জব্বার স্মৃতি কুস্তি প্রতিযোগিতা ও মেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এম জামাল হোসাইন বলেন, মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) দিনগত রাত ১২টায় জব্বারের বলীখেলাকে ঘিরে তিন দিনের বৈশাখী মেলা শেষ হবে। ভোরের মধ্যে সড়কের আশপাশ থেকে সব দোকানপাট উঠে যাবে।   


ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলা ও মেলাকে ঘিরে বলীখেলা কমিটি, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।  



আরও খবর



মহাখালী বাস টার্মিনালে ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড়

প্রকাশিত:Friday ২৯ April ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১৩১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর আসন্ন। কয়েকদিন পরে পালিত হবে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের ঈদুল ফিতর।ঈদ পালনে স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হতে বাড়ি ফিরছেন অনেকেই। মহাখালী বাস টার্মিনালে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়ছে মানুষের।


 ঈদযাত্রায় জনস্রোতের সুযোগ নিচ্ছে কিছু পরিবহন। আবার কিছু পরিবহনে ভাড়া অপরিবর্তিত আছে।


শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।আজ শুক্রবার ২৭ রমজান শেষ হচ্ছে। 


দুই-তিন দিন পরে ঈদ। বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ বাড়ছে। ২৮-২৯ রোজায় যাত্রীদের ভিড় আরো বাড়বে।



মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, গাইবান্ধা, ময়মনসিংহ জামালপুর, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ রুটের বাস চলাচল করছে।  


আরও খবর



নাসিরনগরে মিথ্যা খুনের মামলা দিয়ে সাংবাদিক ও তার পরিবারের লোকজনকে হয়রানী

প্রকাশিত:Friday ২৯ April ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ২০৭জন দেখেছেন
Image

নাসিরনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)সংবাদদাতাঃ-

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরে এশিয়ান টেলিভিশন ও দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার নাসিরনগর উপজেলা প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের নাসিরনগর উপজেলার সভাপতি মোঃ আব্দুল হান্নান ও তার পরিবারকে মিথ্যা খুনের মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে।


জানা গেছে গত ২৬ এপ্রিল ২০২২ রোজ মঙ্গলবার বেলা অনুমান আড়াই ঘটিকার সময় লঙ্গন নদীর পাড় আশুরাইল পশ্চিম পাড়ের মৃত রাজু মিয়ার ছেলে মোঃ সারাজ মিয়ার কাটা ধান বাড়িতে নিয়ে দেয়ার জন্য শ্রীঘর গ্রামের চাচুয়ার পাড়ের তাজুল ইসলামের ছেলে জুনাইদ মিয়ার সাথে ভাড়া করে।


জুনাইদ প্রতি ট্রাকের ভাড়া বাবদ ৬ শত টাকা আর সারাজ মিয়া ৫ শত টাকা করে দিবে নদীর পাড় থেকে সারাজ মিয়ার বাড়িতে নিয়ে দেয়ার কথা বলে দরকষাকষির এক পর্যায়ে দু জনেন মাঝে কথা কাটাকাটি শুরু হলে পাশে তাকা আশুরাইল গ্রামের মৃত ইউনুছ মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া দৌড়ে এসে সারাজ মিয়ার পক্ষ নেয়।এই নিয়ে ৩ জনের মাঝের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে এই নিয়ে নদীর পাড়ে থাকা আশুরাইল  উভয় গ্রামের  লোকজনের মাঝে সংর্ঘষ বাধে। প্রায় আধা ঘন্টা ব্যপী সংর্ঘষে দুই গ্রামের প্রায় ২০ জন আহত হয়।


নদীর পাড়ে দুই গ্রামের সংর্ঘষ  চলাকালে সাংবাদিক মোঃ আব্দুল হান্নান নাসিরনগর সদরে থানার সামনে রাজিব কম্পিউারে বসে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর ঈদ উপলক্ষে গরীবদের মাঝে ঘর বিতরণের সংবাদ লিখায় ব্যস্ত থাকা অবস্থায় মোবাইলে দুইগ্রামের লোকজনের মাঝে ঝগড়ার খবর আসে।


সাংবাদিক আব্দুল হান্নান সাথে সাথে মোবাইল ফোনে ঝগরার বিষয়টি নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিবুল্লাহ সরকারকে জানালে তিনি পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।এ সময় সাংবাদিক মোঃ আব্দুল হান্নান ঘটনাস্থলে গিয়ে তার নিজের মোবাইল থেকে ঝগড়ার লাইভ দেন।


সংঘর্ষে চলাকালীন সময়ে শ্রীঘর গ্রামের জুনাইদের চাচা মৃত সানু মিয়ার ছেলে নায়েব উল্লাহ (৪৫)তার গ্রামের বাড়ি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২ কিঃমিঃ দুর থেকে প্রচন্ড গরমের মধ্যে দিয়ে দৌড়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মারামারি করার জন্য ঘটনাস্থলে আসা মাত্রই হার্টএ্যাটাক করে মৃত্যু বরণ করে।পরে নায়েব উল্লাকে নাসিরনগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত  চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।


খবর পেয়ে সরাইল নাসিরনগর,আশুগঞ্জ সার্কেল সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আনিছুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে আসেন।এ সময় এ সময় ওসি,সার্কেল,ডাক্তার মিলে সাংবাদিক আব্দুল হান্নানকে সাথে নিয়ে নিহতের শরীরর বিভিন্নভাবে পরীকা নিরিক্ষা করেন এবং অডিও ভিডিও ধারন করেন।নিহত নায়েবুল্লার শরীরের কোথাও কোনরূপ আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।


নায়েবুল্লার নিহতের বিষয়ে জানতে চাইলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোঃ আশিক মর্তুজা সীমান্ত বলেন প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে নায়েব উল্লাহ হার্ট‌ এ্যাটাক করে মারা গেছে। প্রয়োজনীয় পরিক্ষা নিরিক্ষা ও ময়না তদন্তের  জন্য লাশ ব্রাক্ষণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।


পরে ওই ঘটনায় ৪৯ জন অজ্ঞাত নামা আরো বেশ কয়েক জনকে আসামী করে নিহত নায়েববুল্লার ভাই বাদী হয়ে নাসিরনগর থানায় একটি  হত্যা মামলা দায়ের করে।ওই মামলায় সাংবাদিক মোঃ আব্দুল হান্নানকে ৫ নান্বার আসামী করা হয়েছে।সাংবাদিক ছাড়াও তার পরিবারের বড় ভাই মোঃ ফরিদ মিয়াকে ৬ নাম্বার আসামী সহ তার ছোটভাই সাফু মিয়াকেও আসামী করা হয়েছে।


বিষয়টি নিয়ে নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিবুল্লাহ সরকার বলেন,"প্রথমিক ভাবে নিহতের পরিবারের দেয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি রুজ্জু হয়েছে,তবে এতে কেহ হয়রানীর শিকার হবে না,পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার সঠিক রিপোর্ট আদালতে পাঠাবে"।


আরও খবর



টাঙ্গাইলে জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

প্রকাশিত:Monday ০৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২২ May 20২২ | ৮১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সৎ ভাই সুমন মিয়াকে (২৫) হত্যা করেছেন আতোয়ার মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তি।


সোমবার (৯ মে) নাগরপুর উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের ডাকাতিপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।


নিহত সুমন ও অভিযুক্ত আতোয়ার ওই গ্রামের কলিম উদ্দিনের সন্তান।  


নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সকালে ছোট ভাই সুমনকে ফলা দিয়ে আঘাত করেন বড় ভাই আতোয়ার মিয়া।


এতে গুরুতর আহত হন সুমন। এ অবস্থায় তাকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।


আরও খবর