Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

বিদেশি তামাকের বাজার প্রতিরোধে আইনের বাস্তবায়ন দাবি

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২৮৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক ;তামাক শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষায় সিগারেটের নিম্ন স্ল্যাব দেশীয় কোম্পানির জন্য সংরক্ষণ এবং প্রতিযোগিতা আইনের দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি করেছে দেশীয় তামাক কোম্পানিগুলো। আজ শনিবার রাজধানীর সিক্স সিজন্স হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান লোকালি ওন্ড সিগারেট ম্যানুফেকচারার মালিক সমিতি। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাজমুন নাহার লাকি লিখিত বক্তব্যে এ দাবি তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ রাজস্বের সিংহভাগ আসে মূসক খাত থেকে। আর এই খাতে আহরিত মোট রাজস্বের এক তৃতীয়াংশ আসে দেশের সিগারেট খাত থেকে। প্রধানমন্ত্রী দেশীয় শিল্পের বিকাশ, উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বেকারত্ব দূরীকরণসহ শিল্প বাণিজ্যের উন্নয়নে সব সেক্টরে ইতিবাচক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করেছেন। শুধুমাত্র দেশীয় শিল্পের বিকাশ ও স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য ২০২১-২২ অর্থবছরে বাজেটে ‘Made in Bangladesh’ স্লোগানে দেশীয় শিল্পকে বিশেষ প্রণোদনা অথবা কর অব্যাহতি/অবকাশ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। দেশীয় শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবে তারাও সিগারেট খাতে অনুরূপ প্রণোদনা ও স্বার্থ সংরক্ষণের নীতি সহায়তা চান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি তুলে ধরেন যে, অর্থমন্ত্রী ২০১৮-১৯ সালের বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে দেশীয় কোম্পানীর স্বার্থ সংরক্ষনের জন্য নীতিমালা গ্রহণ করে বলেন, ‘বিদেশী ব্র্যান্ডের সিগারেট শুধুমাত্র মধ্যম এবং উচ্চ স্তরে তৈরি করা যাবে। নিম্ন স্তরে কোন বিদেশি ব্র্যান্ড আমরা Allow  করব না, এটা শুধুমাত্র দেশী শিল্পের জন্য দেশী ব্র্যান্ডের জন্য রিজার্ভ থাকছে।’

এই নির্দেশনা উপেক্ষিত হচ্ছে জানিয়ে সংগঠনের সেক্রেটারি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের আমলে ইতিপূর্বে বাজেটের মাধ্যমে গৃহিত সকল সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়ন হয়েছে। শুধুমাত্র সিগারেট খাতে শতভাগ দেশীয় মালিকানাধীন শিল্পের সুরক্ষার্থে এবং জাতীয় বৃহত্তর স্বার্থে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের বাজেটের মাধ্যমে অনুমোদিত এই সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নে বিলম্বিত হচ্ছে।’

সিগারেট খাতে দেশীয় শিল্প উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ সুরক্ষা ও বাজারে সুষম বন্টন ব্যবস্থা আনয়নে প্রতিযোগিতামূলক আইন-২০১২ বাস্তবায়নে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন তারা।


আরও খবর



বাংলাদেশকে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা দিল বিশ্বব্যাংক

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে ৯০ কোটি ডলার বা প্রায় সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন দিয়েছে। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক বোর্ড এ অনুমোদন দিয়েছে। টেকসই জলবায়ু-সহনশীল প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে রাজস্ব ও আর্থিক খাতের নীতি শক্তিশালী করণ এবং শহরের অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনার উন্নতি করতে ঋণের এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

শনিবার (২২ জুন) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ও ভুটানে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো বাংলাদেশকে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্যান্য সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করবে। নতুন অর্থায়ন বাংলাদেশকে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহায়তা করবে একটি হচ্ছে আর্থিক খাত ও নগর ব্যবস্থাপনা এবং অন্যটি উচ্চ মধ্যম-আয়ের দেশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন।

এতে আরও বলা হয়, দুই কিস্তি ঋণের শেষ কিস্তি হিসেবে ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের আর্থিক খাতে সংষ্কারের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের গতি বাড়াবে। এ ছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনসহ ভবিষ্যতে যেকোনো দুযোর্গ মোকাবিলায় সহায়তা করবে

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ইকোনমিস্ট এবং এই প্রোগ্রামের টাস্ক টিম লিডার বার্নার্ড হ্যাভেন বার্তায় বলেন, বিনিয়োগ বাড়াতে এবং আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে বাদ পড়াদের জন্য অর্থের অ্যাক্সেস উন্নত করতে বাংলাদেশের জন্য একটি ভালো কার্যকরী আর্থিক খাত গুরুত্বপূর্ণ।

সরকার বাহ্যিক ভারসাম্যহীনতা মোকাবিলায় শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সংস্কার এবং আর্থিক খাতকে শক্তিশালী করার জন্য একটি নতুন আইনি কাঠামো গ্রহণ করেছে। যা ব্যাংক পুনরুদ্ধার কাঠামোকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। কম মূলধনী ব্যাংকগুলোকে সমস্যা মোকাবিলা করার জন্য একটি দ্রুত সংশোধনমূলক কর্মকাঠামো বাস্তবায়ন করতে সহায়তা করবে। এটি অর্থনৈতিক মন্দা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের রক্ষা করে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকেও শক্তিশালী করবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর

রিজার্ভ কমল ১৩২ কোটি ডলার

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪

বাড়ল স্বর্ণের দাম

রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪




রিজার্ভ কমল ১৩২ কোটি ডলার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১০১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলসহ (আইএমএফ) কয়েকটি দাতা সংস্থা থেকে ঋণ পাওয়ার পর বেড়েছিল। তবে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) বিল পরিশোধের পর দেশের রিজার্ভ ফের কমল।

বুধবার (১০ জুলাই) আকুর বিল ১ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৬ দশমিক ১৭ বিলিয়নে, যা গত ৩০ জুন ছিল ২৬ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন। আর আইএমএফ হিসাব পদ্ধতি (বিপিএম-৬) অনুসারে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলারে। গত ৩০ জুন ছিল ২১ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন। সে হিসাবে রিজার্ভ কমেছে ১ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ১৩২ কোটি ডলার।

দীর্ঘদিন ধরে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়নের নিচে অবস্থান করছিল। গত জুনে আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তিসহ প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারের ঋণ পায় বাংলাদেশ। এতে ২৭ জুন দেশের রিজার্ভ বেড়ে ২২ বিলিয়ন ডলারে ওঠে। বাংলাদেশ ব্যাংক এতদিন যে পদ্ধতিতে হিসাব করে আসছে সে অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়ায় ২৭ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার। যা আগে ছিল যথাক্রমে ১৯ দশমিক ৪৭ ও ২৪ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার।

গোপন করার পর অবশেষে গত ১ জুলাই প্রথমবার নিট রিজার্ভের তথ্য প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ৩০ জুন শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের নেট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) বা ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ ছিল ১৬ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার। সেখান থেকে আকুর বিল পরিশোধের পর আরও প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলার কমে গেল। সে হিসাবে দেশে ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ কমে ১৫ বিলিয়নের ঘরে নেমে এসেছে। প্রতি মাসে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলারের আমদানি ব্যয় ধরলে এ রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে না।

আকু একটি অন্তর্দেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। যার মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার লেনদেনের দায় পরিশোধ করা হয়। ইরানের তেহরানে আকুর সদরদপ্তর। এ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি দুই মাস অন্তর আমদানির অর্থ পরিশোধ করে। তবে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে এখন আকুর সদস্যপদ নেই শ্রীলঙ্কার।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



ভারত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী-বিশ্বস্ত বন্ধু: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৩০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদির সঙ্গে বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে , ‘ভারত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী-বিশ্বস্ত বন্ধু। আমাদের দুই পক্ষের মধ্যে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে আমরা অন্যান্য পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের মধ্যে রাজনীতি ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও সংযোগ, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, জ্বালানি ও শক্তি এবং আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেছি।

আজ ২২ জুন শনিবার নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন শেখ হাসিনা। দুই নেতার উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে ১০টি সহযোগিতা ও সমঝোতা স্মারক সই হয়। এরপর দেওয়া বক্তব্যে বৈঠক ফলপ্রসু হওয়ার কথা উল্লেখ করেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান।

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বলেন, ‘ঢাকা ও নয়াদিল্লি উভয় দেশের জন্য একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে ডিজিটাল ও সবুজ অংশীদারিত্বের জন্য একটি যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্মত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়সহ উচ্চপর্যায়ের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত এবং দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে আমরা দু’দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার পথ এবং কার্যপন্থা নিয়ে আলোচনা করেছি।

দুই দেশের ও জনগণের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করার বিষয়ে তারা সম্মত হয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা তিনি বলেন, ‘যেহেতু নতুন সরকার গঠনের মাধ্যমে ঢাকা ও দিল্লি নতুনভাবে পথচলা শুরু করেছে, সে ধারাবাহিকতায় আমরা ‘রূপকল্প ২০৪১’ এর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠা এবং ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ অনুসরণ নিশ্চিত করার জন্য ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছি।

শেখ হাসিনা বক্তব্যের শুরুতে নয়াদিল্লিতে রাষ্ট্রীয় সফরে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য নরেন্দ্র মোদির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন । তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের পর এটিই কোনো দেশে আমার প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর। আমাকে ও আমার প্রতিনিধিদলকে উষ্ণ আতিথেয়তা প্রদান করায় ভারত সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশি, বিশ্বস্ত বন্ধু ও আঞ্চলিক অংশীদার। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে শুরু হওয়া ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে বাংলাদেশ সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে। মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকার এবং ভারতের জনগণের অবদানকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। ভারতের সেইসব বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, যারা ১৯৭১ সালের আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।


আরও খবর



নির্বাচিতদের আইনের প্রতি যদি ধারণা না থাকে,তাহলে পরিষদের পূর্ণতা আসবে না: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৩৯জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব এ্যাড. আ. ক. ম মোজাম্মেল হক (এমপি) বলেছেন, উপজেলা পরিষদের যারা নব নির্বাচিত হয়েছেন, তারা কিভাবে পরিষদ চালাবেন? সেই আইনের প্রতি যদি তাদের ধারণা না থাকে, তাহেল পরিষদ পরিচালনায় পূর্ণতা আসবে না। এছাড়াও আইন যা বলে যদি সেই মতে কাজ করেন। এক্ষেত্রে সরকার যদি বিরূপও থাকে তাহলে সরকার কোনো কিছু করতে পারবে না।

তিনি সোমবার দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে নবনিবার্চিত উপজেলা পরিষদের ১ম মাসিক সমন্বয় সভায় এসব কথা বলেন। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সভায় সভাপতিত্ব করেন নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম আজাদ। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহাম্মেদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন শাহীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শরিফা আক্তারসহ আরো অনেকে। এসময় উপস্থিত ছিলেন-কালিয়াকৈর পৌরসভার মেয়র মজিবুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রজত বিশ্বাস, কালিয়াকৈর থানার ওসি অপারেশন জোয়ায়ের আহম্মেদসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।

তিনি আরো বলেন, আমি ৩৫ বছর ধরে ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে স্থানীয় সরকারের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। সে সুবাধে স্থানীয় সরকারের সাথে আমার একটি গভীর সম্পর্ক। আইনগত যেভাবে ইউনিয়ন পরিষদ চালানোর কথা সেভাবে স্থানীয় চেয়ারম্যানগণ পরিষদ পরিচালনা করেন না। পাঁচ বছর পর পর ইউনিয়ন পরিষদের ট্র্যাক্স নির্ধারণ করতে হয়। আমাদের সময় ৭৫ ভাগ ট্র্যাক্স আদায় করার নিয়ম ছিল। কোন ইউনিয়ন পরিষদ যদি ৭৫ ভাগ ট্র্যাক্স আদায় করতে না পারে, নিয়ম অনুযায়ী সে ইউনিয়ন পরিষদ বাতিল হবে। ট্র্যাক্স প্রদানকারীদের সাথে স্থানীয় পরিষদের সদস্যদের সুসর্ম্পক রাখতে হবে। তাহলে মানুষ ট্র্যাক্স প্রদানে উৎসাহিত হবে।

মন্ত্রী বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের যে আইন আছে সে আইন যদি আপনারা প্রয়োগ না করেন, তাহলে জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে পারবেন না। কেউ যদি ট্র্যাক্স পরিশোধ না করে, তাহলে সে পরিমান তার সম্পদ ইউপি চেয়ারম্যান ক্রোক করতে পারবেন।

এছাড়া কাজীদের কাছ থেকে ট্র্যাক্স আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নির্দেশ প্রদান করেন। এসময় কমিউনিটি সেন্টার, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে নিয়মিত সেবা প্রদান হয় কিনা? সে দিকে খোঁজখবর রাখার জন্য স্থানীয় পরিষদের প্রতি আহব্বান জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।


আরও খবর



ভারতীয় ৪ নাগরিক জেল খেটে নিজ স্বদেশে প্রত্যাবর্তন

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৬৭জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:স্বদেশ প্রত্যাবাসন আইনে অবৈধ অনুপ্রবেশকারি ৪ ভারতীয়কে বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে ভারতে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। ভারতের দিঘা সমুদ্র পথ দিয়ে বাংলাদেশে সীমানায় মাছ ধরা দুই জেলে ও কুড়িগ্রাম ও কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে আরো দুইজন বাংলাদেশে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করেছিল বিগত ৩ থেকে ৮ বছর আগে। অনুপ্রবেশকারিদের মধ্যে ২ জন মৎসজিবী ও দুই জন সাধারন ভারতীয় নাগরীক রয়েছে।

যশোর কেন্দ্রিয় কারাগার পুলিশ শনিবার বিকেলে বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে তাদেরকে ভারতের পেট্রাপোল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এসময় সেখানে বিজিবি, পুলিশ ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষি বিএসএফ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফেরত যাওয়া ভারতীয় নাগরীকরা হলেন, বিহার রাজ্যের জেলে বিষ্ণুপদ দিলদার, সুধির বাবু, এবং মেদিনিপুরের শেখ জাহাঙ্গীর ও হুগলির ভানু চরন জানা। এদের মধ্যে বিষ্ণুপদ দিলদারও ভানুচরন ৮ বছর এবং সুধির বাবু ও শেখ জাহাঙ্গীর ৩ বছর কারাভোগ করেন।

এদিকে দির্ঘদিন পর স্বজনদের কাছে ফিরতে পারায় খুশি এসব ভারতীয়রা। আইনী জটিলতায় তাদের দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে স্বজনদের ছেড়ে জেলে দিন পার করতে হয়েছে।

ফেরত যাওয়া ভারতীয় নাগরীকেরা জানান, অবৈধ ভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে তারা আটক হয়। এখন বাড়িতে ফিরছে ভাল লাগছে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার মনির হক আল মামুন জানান, ৪ ভারতীয়কে স্বদেশ প্রত্যাবাসন আইনে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তারা অবৈধ ভাবে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছিল। এর আগে জাহাঙ্গীর ও সুধির বাবু ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিল। সেখান থেকে তাদের যশোর জেলে পাঠায় প্রায় দুই বছর। তিনি আরো জানান, ভারতীয় নাগরিকদের জেল থেকে মুক্তির ব্যাপারে বেসরকারী এনজিও সংস্থা যশোর রাইটস সহযোগিতা করেছেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.



আরও খবর