Logo
আজঃ Wednesday ২৬ January ২০২২
শিরোনাম
অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে সহ-শিল্পীদের নগ্ন ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদেশের মাটিতে কৃষিপণ্য সরবরাহ বাড়াণোর লক্ষ্যে : ইরান রাজনৈতিক কঠিন চাপে রয়েছেন মেয়র আরিফুল স্বপ্নের মেট্রোরেল রওনা হলো আগারগাঁওয়ের উদ্দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণে ভারতে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ মুরাদ হাসান এমিরেটসের ফ্লাইটে কানাডা গেলেন সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আগামী বিশ্বকাপে ব্যাটসম্যানদের উন্নতি দেখতে চান করোনাভাইরাসে আরও ছয়জনের মৃত্যু বিশ্বের ৪৩তম ক্ষমতাধর নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বই উৎসব শুরু

প্রকাশিত:Thursday ৩০ December ২০২১ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১৬৩জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে বই উৎসবের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণের উদ্বোধন করেন তিনি। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এবারও নিজের হাতে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিতে না পারার দুঃখটা রয়েই গেল।’

নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিন বই উৎসব করার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় এ বছর তা হচ্ছে না। তবে বছরের প্রথমদিন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বই বিতরণ কার্যক্রম চলবে।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যের পাঠ্যবই তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী। এ ছাড়া দুই মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



প্রতারক লিটনের বিরোদ্ধে রবিউলের ১২ লক্ষ টাকা আত্মসাতের আরো এক মামলা

প্রতারক লিটনের বিরোদ্ধে রবিউলের ১২ লক্ষ টাকা আত্মসাতের আরো এক মামলা

প্রকাশিত:Saturday ২২ January 20২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১১৫জন দেখেছেন
Image

পর্ব -৩

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ৷

ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা সদরের বাসিন্দা মৃত আব্দুল গাফ্ফারের ছেলে Rab এর হাতে গ্রেপ্তার হওয়া প্রতারক মোঃ লিটন (৩৫) এর বিরোদ্ধে ১২ লক্ষ টাকা আত্মসাতের আরো একটি প্রতারনার মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে।বাদী গুনিয়াউক ইউনিয়নের চিতনা গ্রামের প্রবাসী মোঃ রবিউল মিয়া।

বাদী ও মামলা সুত্রে জানা গেছে,প্রতারক লিটন ২০১৫ সালের ২৩ আগষ্ট প্রবাসী রবিউলের নিকট নাসিরনগর সদরে ৩ শতাংশ জায়গা ১৫ লক্ষ টাকা বিক্রি করে উপস্থিত স্বাক্ষীদের সামনে ৩ শত টাকা মুল্যের ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে ১২ লক্ষ টাকা গ্রহন করে।বাকী ৩ লক্ষটাকা জমি রেজিষ্টারির দিনে বুঝে নিয়ে রেজিষ্টারী করে দেয়ার কথা হয়।পরবর্তীতে রবিউল জমি রেজিষ্টারী করার কথা বললে দেম দিচ্ছি বলে ঘুড়াইতে থাকে।এক পর্য্যায়ে রবিউলের কাছে জমি বিক্রি করছে না বলে জানিয়ে দেয়।একপয্যার্য়ে লিটন ও তার ছোটভাই সাংবাদিক মনির মিলে রাস্তায় ফেলে রবিউলকে মারপিট করে।এমনকি রবিউলের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে রবিউলকে জেলেও পাঠায়।


অবশেষে নিরুপায় হয়ে রবিউল প্রতারক লিটনের বিরোদ্ধে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার বিজ্ঞ আদালতে অর্থ আত্মসাতের মামলা দায়ের করে।বর্তমানে লিটনের বিরোদ্ধে রবিউলের দায়ের করা মামলাটি আদালতে  বিচারাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।


-খবর প্রতিদিন/ সি.বা              


আরও খবর



দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১১০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক" দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তনে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন,‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে উন্নয়ন, প্রযুক্তি জ্ঞান বৃদ্ধি এবং বিশ্ব দরবারে যেন তারা মাথা উঁচু করে চলতে পারে সেইভাবে আওয়ামী লীগ সরকার পদক্ষেপ নেয় এবং বাস্তবায়ন শুরু করে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাতগুলো উন্মুক্ত করে দেই। সরকার জনগণের সেবক; সেটা আমরা প্রমাণ করেছি।’

আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রাজধানীর বিজয় সরণিতে অবস্থিত সামরিক জাদুঘর উদ্বোধনের পর তিনি এসব কথা বলেন।

জাদুঘরটি উদ্বোধন করে নিজেকে ধন্য মনে করেছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,‘এটি সশস্ত্র বাহিনীর জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং আমাদের তিন বাহিনী সম্পর্কে আমাদের তরুণ প্রজন্ম উদ্বুদ্ধ হবে। সম্যক জ্ঞান পাবে। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীসহ সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের মধ্যে একটি প্রেরণা আসবে। তারা তৃপ্ত হবেন।’

সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার পেছনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা স্মরণ করে সরকারপ্রধান বলেন,‘স্বাধীনতার পরে তিনি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী গঠন করেন। তাদের প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট গড়ে তোলেন। সাড়ে তিন বছর সময়ের মধ্যে রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা ও আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য তিনি কাজ করেছেন। যুদ্ধ ক্ষতবিক্ষত দেশকে তিনি শূন্য থেকে দাঁড়িয়ে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রাম পর্যায়ে উন্নয়ন ও তারা যাতে আত্মমর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে পারেন তার জন্য বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেটা তিনি সম্পন্ন করে যেতে পারেননি। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। একই সঙ্গে আমার মা ও ভাইসহ পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আপনজন হারিয়েছিলাম এটা সত্য কিন্তু বাংলাদেশ কী হারিয়েছিল? একের পর এক ক্যু হয়েছে। শত শত সেনা অফিসারকে জীবন দিতে হয়েছে। অনেক পরিবার এখনো তাদের খোঁজও পায়নি। পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের ওপর চলে অত্যাচার নির্যাতন। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ যে আদর্শ নিয়ে স্বাধীন হয়েছিল তার থেকে বিচ্যুত হয়। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা থেমে যায় যা কখনো হওয়ার কথা নয়।’

বারবার নির্বাচিত করার জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘আমরা দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার কারণে কেবল দেশের উন্নয়ন নয় বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি। ইশতিহারের ঘোষণা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।’

জাদুঘরের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের যে ইতিহাস রয়েছে-স্বাধীনতার ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং সেই সঙ্গে আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক সশস্ত্র বাহিনী-দেশের মানুষ যেন সে সম্পর্কে জানতে পারে, উপলব্ধি করতে পারে, আমাদের সামরিক বাহিনী অর্থাৎ সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী কী কাজ করে, কিভাবে চলে বা অতীতে তারা কী করেছে সে বিষয়ে মানুষকে জানানো একান্তভাবে দরকার। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানা, একই সঙ্গে আমাদের ভবিষ্যৎ কী হতে যাচ্ছে-সে সম্পর্কে জানা দরকার।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আজকে যে সামরিক জাদুঘরটি আমরা দেখছি-এটি প্রথমে নির্মিত হয়েছিল খুব ক্ষুদ্র পরিসরে। বিজয় সরণির পাশের জায়গাটিতে এটি প্রস্তুত করা হয়। আমার খুব আকাঙ্খা ছিল-এটিকে খুব আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলার। তারই পাশে আরেকটি জায়গায় আমি প্রথমবার যখন সরকারে আসি, প্লানেটোরিয়াম করে ফেলি।’

তিনি বলেন, ‘যে কোনো কাজ আমি প্রথমবার যখন করতে গেছি, প্রতিটি ব্যাপারেই কিন্তু পরবর্তী সরকার এসে আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। প্লানেটোরিয়াম যখন আমি করলাম এর জন্য আমার বিরুদ্ধে দুটো মামলা দেওয়া হয়েছিল। কেন দেওয়া হয়-আমি ঠিক জানি না। আমরা যখন প্লানেটোরিয়াম করেছি, তখনই সমস্ত ইউটিলিটি যেন সামরিক জাদুঘর এবং প্লানেটোরিয়াম-উভয়েই শেয়ার করতে পারে সে ব্যবস্থাও নিয়েছিলাম। আর সেই সঙ্গে সরকার প্রধান হিসেবে বিভিন্ন সময় বিদেশে যখন আমরা যাই বা কোনো সরকার প্রধান যখন আমাদের দেশে বেড়াতে আসে তখন যে উপহার দেয়-সেগুলো সংরক্ষণ করা এবং দৃষ্টিনন্দনভাবে রাখা ও মানুষের সামনে তুলে ধরার ব্যবস্থাও করি। আমাদের যে তোষাখানা জাদুঘর আছে বঙ্গভবনে, সেখানে স্টোর রুমের মতো জিনিসপত্রগুলো রাখা। কিন্তু সেগুলো মানুষের সামনে প্রদর্শন করবার ব্যবস্থা আমি নিয়েছি। এজন্য এই জায়গায় আমরা তোষাখানা জাদুঘরও নির্মাণ করি। এবং এটা সামরিক বাহিনীর হাতেই দিয়েছিলাম, একটা কমিটিও আমরা করে দেই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেই সঙ্গে সামরিক জাদুঘরটাকেও অত্যন্ত আধুনিক করে গড়ে তোলা এবং এটা যেন দৃষ্টিনন্দন হয়-সারা বিশ্বের যত সামরিক জাদুঘর হয়েছে, তারমধ্যে যেন শ্রেষ্ঠ জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় সেটাই আমার আকঙ্খা ছিল। আমি এই জাদুঘরটি এখনো সরেজমিনে দেখিনি, প্রাথমিক পর্যায়ে যখন কাজ শুরু হয় তখন কিছুটা দেখেছি, যখন যতটুকু ডেভেলপ হয়েছে আমি ছবিতে দেখেছি, এবং যখন যেটা নির্দেশনা দেওয়ার আমি দিয়েছি, কিন্তু যতটুকু এখন দেখলাম—আমি মনে করি, এটা হবে সর্বশ্রেষ্ঠ, সুন্দর, আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি সামরিক জাদুঘর। কাজেই সেভাবে এটি তৈরি হোক সেটাই আমি চাই।’

তিনি বলেন, ‘জাদুঘর শুধু প্রদর্শনীর জন্য না, এটা দেখে আমাদের তরুণ প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে এবং দেশপ্রেমে জাগ্রত হয়ে তারা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে, আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যোগদান করতে আগ্রহী হবে, এগিয়ে আসবে।’


আরও খবর



মাতুয়াইলের নাইয়ুম মিয়া রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন বলিষ্ঠ সৈনিক

প্রকাশিত:Sunday ০৯ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১৭০জন দেখেছেন
Image


বজলুর রহমানঃ

ত্যাগী নেতা-কর্মীদের জন্যই টিকে আছে আওয়ামী লীগ।আওয়ামী লীগ অনেক ত্যাগী ও অঙ্গীকারবদ্ধ নেতা তৈরি করেছে তার মধ্যে মাতুয়াইলের মোঃ নাইয়ুম মিয়া অন্যতম, রাজনৈতিক জীবনে তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন বলিষ্ঠ সৈনিক ও জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে সকলের নিকট পরিচিত।তিনি ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগের পরীক্ষীত একজন নেতা।


মাতুয়াইল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক।এছারাও মোঃ নাইয়ুম মিয়া ছিলেন বৃহত্তর মাতুয়াইল ইউনিয়ন আওয়ামীযুবলীগ এর সাবেক সাধারন সম্পাদক,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ঢাকা-মহানগর দক্ষিন।বর্তমানে মোঃ নাইয়ুম মিয়া ৬৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিন এর সক্রিয় একজন কর্মী।


তার নেতৃত্বের গুনাবলী তাকে অনন্য এক উচ্চতায় পৌছে দিয়েছে।তিনি জয় করতে পেরেছেন নেতা-কর্মীদের মন।ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামীলীগ নেতাদের কাছে নাইয়ুম মিয়া একজন আস্থাভাজন কর্মী হিসেবে পরিচিত।আওয়ামীলীগ কে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে এবং জনসমর্থনও বাড়াতে তিনি এলাকায় নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।


তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতেও  তিনি দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন।নাইয়ুম মিয়ার বিষয়ে জানতে এলাকাবাসী অনেকের সাথেই কথা বলে জানা যায়,বিগত সময়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য, ঘরে ঘরে গিয়ে সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি ভোটারদের নানা ভাবে অনুপ্রনীত করেছেন।


তৃণমূলের এই নেতা যেভাবে এলাকায় আওয়ামীলীগের ভাবমুর্তি উজ্জল করতে কাজ করে চলেছেন সত্যিই তা প্রশংসার দাবী রাখে।



আরও খবর



নাসিরনগরের বিভিন্ন স্থানে আবারো নতুন করে জমে উঠেছে মাদকের বাজার

প্রকাশিত:Monday ০৩ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১৫৮জন দেখেছেন
Image
নাসিরনগরের বিভিন্ন স্থানে আবারো নতুন করে জমে উঠেছে মাদকের বাজার


মোঃআব্দুল হান্নানঃ

 ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরের বিভিন্ন গ্রামে আবারাে নতুন করে খোলতে শুরু করেছে মাদকের বাজার।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এ সমস্ত মাদকের মধ্যে রয়েছে বাংলা মদ,গাঁজা,ইয়াবা,ফেনসিডিল,উইসকি সহ ইন্ডিয়ান নামী দামী ব্র্যান্ডের আরো অনেকনাম না জানা মাদক।


আর এ সমস্ত মরণ নেশা মাদকের কবলে পড়ে ধবংস হতে চলেছে এলাকার যুব সমাজ।যুব সমাজে নেমে এসেছে নৈতিক অবক্ষয়।অনেক মাদক সেবীরা মাদকের টাকা সংগ্রহ করতে না পেরে লিপ্ত হতে চলেছে চুরি,ডাকাতির মত বিভিন্ন অপরাধ মুলক কাজে।

এতে করে বাড়তে শুরু করেছে নানা অপরাধ প্রবনতা।মাদকের টাকার জন্য অনেকেই আবার মা বাবার সাথে করছে অমানবিক ব্যবহার।কেহ কেহ আবার মা বাবাকে করছে শারীরীক ও মানষিক ভাবে লাঞ্চিত।লোক লজ্জার ভয়ে অনেক মা বাবাই নীরবে সহ্য করে যাচ্ছে মাদকসেবী সন্তানেন এমন অমানবিক অত্যাচার নির্যাতন।


নাসিরনগরের উল্লেখ যোগ্য যে সমস্ত ইউনিয়নে মাদকের মাদকের সবচেয়ে বেশী ছড়াছড়ি রয়েছে সে গুলোর মধ্যে  নাসিরনগর সদর,হরিপুর,গুনিয়াউ,ফান্দাউক,ধরমন্ডল,গোকর্ণ,কুন্ডা,ভলাকুট,গোয়াল নগর ও চাতলপাড়।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এক ইউনিয়ন পরিষদের  কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ও নব নির্বাচিত ইউপি সদস্যকে নাসিরনগর সদরের এক মাদক ব্যবসায়ী মহিলা ও চট্রগ্রামের এক মাদক ব্যবসায়ী পুরুষ প্রতিনিয়ত প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মরণনেশা ইয়াবার চালান সরবরাহ করে যাচ্ছে।মাদক ব্যবসায়ীরা ভয়ংকর বলে কেউ তাদের বিরোদ্ধে মুখ খোলে কথা বলার সাহস পাচ্ছে না।


ভুক্তভোগীরা এলাকার তালিকা ভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করাতে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোরদাবী জানিয়েছে।মাদক নিয়ন্ত্রনে থানা পুলিশের কি ভুমিকা রয়েছে জানতে চাইলে,নাসিরনগর থানার পুলিশ পরিদর্ক তদন্ত এস,এস আতিক বলেন জনগণের সাথে মিশে সহজে খোজ খবর নেয়ার উদ্দেশ্যেই বিট পুলিশিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।মাদক নিয়ন্ত্রনে পুলিশ সব সময় তৎপর রয়েছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।



আরও খবর



ওমিক্রনের তিনটি উপধরন মিলেছে ঢাকায়

প্রকাশিত:Monday ২৪ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দেশে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই সংক্রমণ বাড়ছে। এ পরিস্থিতির মধ্যেই ওমিক্রন সম্পর্কে নতুন তথ্য সামনে এল। আজ সোমবার আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়, ঢাকা শহরে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের অন্তত তিনটি উপধরন (সাব টাইপ) পাওয়া গেছে।

সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স গবেষণায় এটি জানা গেছে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা শহরে যে তিনটি উপধরন আছে সেগুলো আফ্রিকান, ইউরো-আমেরিকান এবং এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ওমিক্রন ধরনের সঙ্গে মিলে যায়।

আইসিডিডিআর,বি বলছে, জানুয়ারির প্রথম দুই সপ্তাহে তাদের ল্যাবরেটরিতে ১ হাজার ৩৭৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ শতাংশই ছিল করোনায় আক্রান্ত। আর আক্রান্তদের মধ্যে ওমিক্রন ছিল ৬৯ শতাংশের নমুনায়।

বাংলাদেশে ৬ ডিসেম্বর ওমিক্রন প্রথম শনাক্ত হয়। ওই মাসেই আইসিডিডিআর,বির ল্যাবে পরীক্ষা করা ঢাকা শহরের ৭৭ জন করোনা রোগীর মধ্যে পাঁচটিতে ওমিক্রন শনাক্ত করা হয়েছিল। অন্যগুলো ছিল ডেল্টা ধরন।

গবেষণায় আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য যুক্ত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ওমিক্রনে আক্রান্ত ২৯ জনের মধ্যে ২৭ জনের মৃদু উপসর্গ কিংবা কোনও উপসর্গও ছিল না। ২৪ জন টিকার দুই ডোজ নিয়েছিলেন, বুস্টার ডোজ নিয়েছেন একজন। একজন শুধু একদিনের জন্য হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।


আরও খবর