Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

বেনাপোল স্থল বন্দর থেকে চারটি ওয়ান সুটার গান উদ্ধার

প্রকাশিত:Monday ০৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৫৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

বেনাপোল কাস্টম হাউজ থেকে অবৈধভাবে রাখা চারটি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করেছে পুলিশ।


রবিবার (৮ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একটি তালাবদ্ধ রুমে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস একটি টিম কাস্টম হাউসে আসে। 


বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ভূঁইয়া জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর পুড়ে যাওয়া মালামালের মধ্যে পরিত্যক্ত অবস্থায় চারটি আগ্নেয়াস্ত্র দেখতে পায় পুলিশ।


সংশ্লিষ্টরা জানান, বেনাপোল কাস্টম হাউসে অ্যান্টি শাখার পাশে পুরনো একটি অফিস রুম রয়েছে। তবে সেটি ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়ায় অব্যবহৃত কিছু মালামাল রেখে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। 


রবিবার সন্ধ্যায় ওই রুম থেকে আগুনের ধোঁয়া দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিস অফিসে ফোন দেয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আধাঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।


 পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পায় পুড়ে যাওয়া পণ্যের মধ্যে চারটি ওয়ান শুটার গান রয়েছে। তবে কারা সেগুলো সেখানে রেখেছে তা জানা যায়নি।


এদিকে ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল কাস্টম হাউজ সম্পূর্ণ সিসি ক্যামেরা, অস্ত্রধারী আনসার ও আর্মড পুলিশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।  কারা কী উদ্দেশ্যে এ আগ্নেয়াস্ত্র সেখানে মজুত রেখেছিল তা খতিয়ে দেখা জরুরি।


আরও খবর



১১৬ আলেমের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন নিয়ে সংসদে প্রশ্ন

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
Image

দেশের ১১৬ জন আলেমের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দেওয়া গণতদন্ত কমিশনের টাকার উৎস জানতে চেয়েছেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ। রোববার (২৬ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই কমিশনের টাকার উৎস জানতে চান।

ফিরোজ রশীদ বলেন, হঠাৎ করে দেখলাম গণতদন্ত কমিশনের নামে একটি সংগঠন, যাদের কোনো সাংগঠনিক ভিত্তি নেই, সাংবিধানিক ভিত্তি নেই, তারা ২২’শ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন দাখিল করলো দেশের ১১৬ জন আলেমের নামে। তাদের কাছে কী আছে? এই আলেমদের কি ঢাকা শহরে কোনো বাড়িঘর আছে? ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী, বারিধারা- কোথায় তাদের বাড়ি? লক্ষ্য লক্ষ্য, হাজার হাজার কোটি টাকা তারা কোথায় পাচার করছেন? মানি লন্ডারিং মামলা তাদের বিরুদ্ধে কেন হবে?

তিনি বলেন, এই যে খোঁচা দেয়, সামনে আমাদের নির্বাচন। এদের (গণতদন্ত কমিশন) পেছনে কি লোক আছে? এদের পিছে কি ভোট আছে? এরা ২২’শ পৃষ্ঠার একটা প্রতিবেদন করলো। সারাদেশে ঘুরলো এই করোনার মধ্যে দুই বছর- এই টাকাটা তারা কোথায় পেলো? এই টাকার উৎস কোথায়? এইটাও আমরা জানতে চাই।

তিনি বলেন, বাজেট পড়ে বলা যায়, সুখে থাকা মানুষগুলো বোঝে না গরীবের দুঃখ-কষ্ট কী; স্বপ্ন দেখা মানুষগুলো বোঝে না বাস্তবতা কত নির্মম, কত কঠিন। অর্থমন্ত্রী অত্যন্ত বিচক্ষণ ব্যক্তি। একজন স্বনামধন্য চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। প্রথম শ্রেণীর ধর্ণাঢ্য শিল্পপতি। সর্বোপরি উনি বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী। যেকোনো জটিল হিসাব ওনার কাছে মিলিয়ে দেওয়া অত্যন্ত সহজ। এই বাজেটেই তার প্রতিফলন আমরা দেখলাম। অর্থমন্ত্রী এই বাজেটে তেল আর জল এমন সুক্ষ্মভাবে মিশিয়েছেন যে, তা আর আলাদা করা সম্ভব নয়। ধনীদের চেহারা সামনে রেখে উনি এই বাজেট প্রণয়ন করেছেন। ওই সময় মনে হয় ওনার কাছে গরীবের অংকটা একদমই ছিল না।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও আর্থিকখাতে শৃঙ্খলা রক্ষা সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ মন্তব্য করে তিনি বলেন, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আজ লুটেরাদের দখলে চলে গেছে। এ খাতে অবাধ লুটপাট চলছে। মনে হয় কেউ দেখার নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারের সংস্থাগুলো নীরব।কীভাবে পি কে হালদার আট হাজার কেটি টাকা নিয়ে দেশের বাইরে চলে গেলেন? বছরের বছর বছর এই টাকা তিনি চুরি করেছেন। এটা তো একদিনে হয়নি। এসব প্রতিষ্ঠানে তো নিয়মিত অডিট হয়, তাহলে এতগুলো টাকা গেলো কীভাবে? ছয়জন বান্ধবীকে নিয়ে ১৩৩ বার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। কারো চোখে পড়েনি? দেশের টাকা বিদেশে গেছে। এই টাকা তো ফিরবে না।

তিনি বলেন, এক ব্যাংকের পরিচালক অন্য ব্যাংক থেকে টাকা নেন। আবার ওই ব্যাংকের পরিচালন নেন এই ব্যাংক থেকে। একে অপরের সঙ্গে যোগজাশসে এটা করছেন। কোনো বিনিয়োগ হচ্ছে না।

এই জাপা নেতা বলেন, পদ্মা সেতু কোনো রাজনৈতিক আইটেম নয়। রাজনৈতিক বিষয় নয়। এটি গোটা বাঙালি জাতির গর্ব ও অহংকারের বিষয়। এই সেতু নির্মাণ করে গোটা পৃথিবীকে আমাদের আর্থিক শক্তি ও সক্ষমতার বার্তা এরই মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এটি আমাদের সব থেকে বড় গৌরবের বিষয়।

কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, পদ্মা সেতু আমাদের কাছে হিরকের চেয়েও বেশি মূল্যবান। এই পদ্মা সেতুতে বছরে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা টোল আদায় হবে। টাকা আদায়ের উৎস হিসেবে পদ্মা সেতু তৈরি হয়নি। জনগণের অর্থে, জনগণের কল্যাণের জন্য, জনগণের স্বার্থে পদ্মার ওপারের ৩ কোটি মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য এই পদ্মা সেতু প্রধানমন্ত্রী আমাদের উপহার দিয়েছেন।


আরও খবর



বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ

প্রকাশিত:Thursday ২৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে বন্যার তীব্রতা বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় দেশ এবং জনগণকে রক্ষায় হাওর-বাঁওর, নদী-খাল, জলাশয়-জলাভূমিসহ প্রাকৃতিক জল ধারণ এলাকা সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) ‘ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট’ আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বক্তারা এ অভিমত দেন। ‘বন্যা পরিস্থিতি: নদী খাল ও জলাধার সংরক্ষণের গুরুত্ব ও করণীয়’ শীর্ষক এ আলোচনা সঞ্চালনা করেন ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার নাঈমা আকতার।

আলোচনা সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মাকসুদ হাসেম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যার তীব্রতা বেড়ে গেছে। প্লাবনভূমিতে অপরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন না হলে বন্যার ভয়াবহতা এতটা হতো না। কোনো ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রমে যেন প্লাবনভূমি নষ্ট না হয়, সে বিষয়টি নীতিমালার মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কৃত্রিম ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আমাদের বন্যা-জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব নয়।

নগর গবেষণা কেন্দ্রের সেক্রেটারি সালমা এ সাফি বলেন, যেকোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে তার প্রভাব যাচাই করা অপরিহার্য। শুধুমাত্র প্রকল্প বাস্তবায়ন না করে পর্যাপ্ত গবেষণা ও ইমপ্যাক্ট স্টাডির মাধ্যমে পদক্ষেপ নেওয়া হলে অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবকে অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ

অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপডক ড. আকতার মাহমুদ বলেন, ভূমির ব্যবহার পরিবর্তন হওয়ার সঙ্গে নিম্নাঞ্চল ও কৃষিজমিতে বসতবাড়ি, সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো গড়ে উঠছে। সড়কগুলো আমাদের বন্যার পানি সরে যাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা। প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় অনেকেই সাময়িক আর্থিকভাবে উপকৃত হলেও দীর্ঘমেয়াদে জনজীবন ও প্রকৃতির ক্ষতি হয়।

ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী বলেন, ব্যবহৃত প্লাস্টিক, পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, মোড়ক যত্রতত্র ফেলা জলাবদ্ধতার একটি বড় কারণ। আইনের শাসনের অভাবে সারাদেশেই নদী দখল, জলাশয়-জলাভূমি ভরাট চলছে। নাব্য সংকটের কারণে নদীগুলোর পানিধারণ ক্ষমতা কমে গেছে। আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে আমাদের মৃতপ্রায় নদী-খাল-জলাধার পুনরুদ্ধারে সচেষ্ট হতে হবে।

বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির কারণে জনজীবনে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। এ ভয়াবহ বন্যার পেছনে বাংলাদেশসহ ভারতের আসাম, মেঘালয়ের অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত যেমন দায়ী তেমনি আমাদের প্রাকৃতিক হাওর-বাঁওড়, নদ-নদীসহ বিভিন্ন জলাশয়-জলাভূমি অবাধে ধ্বংস করে ফেলাকেও দায়ী করেন বিশেষজ্ঞরা।


আরও খবর



ইব্রাহিমের সেঞ্চুরিতে সিরিজ জিতলো আফগানিস্তান

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

নিজেদের ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের সামনে দাঁড়াতেই পারছে না জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। সোমবার সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৮ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে আফগানরা। একইসঙ্গে তিন ম্যাচের সিরিজের শিরোপাও নিশ্চিত করেছে তারা। শেষ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশের মিশনে নামবে দলটি।

হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে নির্ধারিত ৫০ ওভারে আগে ব্যাট করা জিম্বাবুয়ে ২২৮ রান করে অলআউট হয়। জবাবে ইব্রাহিম জাদরানের ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি ও রহমত শাহর বড় ফিফটির সুবাদে মাত্র ২ উইকেট হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আফগানিস্তান।

বিশ্বকাপ সুপার লিগে ১১ ম্যাচে নয় জয়ে আফগানদের সংগ্রহ বেড়ে দাঁড়ালো ৯০ পয়েন্ট। টেবিলে তিন নম্বরে উঠে এসেছে তারা। সিরিজের শেষ ম্যাচেও জিতলে বাংলাদেশের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে পয়েন্টের সেঞ্চুরি হবে রশিদ খান, মোহাম্মদ নাবিদের।

জিম্বাবুয়ের করা ২২৮ রানের জবাবে খেলতে নেমে দলীয় ১৭ রানেই সাজঘরে ফিরে যান রহমানউল্লাহ গুরবাজ (৪)। শুরুতে ধাক্কা খেলেও দ্বিতীয় উইকেটে ১৯৫ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান ইব্রাহিম ও রহমত।

আগের ম্যাচে ৯৪ রান করা রহমত এবার ৮৮ রান করে আউট হয়ে যান। রহমত না পারলেও ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি ঠিকই তুলে নেন ইব্রাহিম। শেষ পর্যন্ত ১৩৮ বলে ১৬ চারের মারে ১২০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শহিদির ব্যাট থেকে আসে ১ রান।

এর আগে ইনোসেন্ট কাইয়া ৬৩, রায়ান বার্ল ৫১ ও সিকান্দার রাজা ৪০ রানের ইনিংস খেললে কোনোমতে ২০০ পেরোয় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। আফগানিস্তানের পক্ষে ফরিদ আহমেদ নেন ৩ উইকেট। এছাড়া রশিদ, নাবি ও ফজলহক ফারুকির শিকার ২টি করে উইকেট।


আরও খবর



দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার রুখতে হবে, প্রবাসীদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালায় ও দেশের সঙ্গে শত্রুতা করে, তাদের প্রতিহত করতে প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

শনিবার (৪ জুন) সুইডেনের স্টকহোমে সুইডেন স্টকহোমে সুইডেন আওয়ামী লীগের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে বাংলাদেশ সম্পর্কিত তথ্যভান্ডার সমৃদ্ধ করেছি এবং আমরা জনকূটনীতির মাধ্যমে এগুলো প্রচার করছি। তবে মিশনগুলোর পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও এসব তথ্য তুলে ধরা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার দৃঢ়তায় বর্তমান বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনার দেশে পরিণত হয়েছে। সেটা বিদেশিদের কাছে তুলে ধরতে হবে।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত ১২ বছর বাংলাদেশের জন্য একটি স্বর্ণযুগ উল্লেখ করে আব্দুল মোমেন বলেন, জিডিপির গড় প্রবৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর অন্যতম স্থান অর্জন করেছে এবং মাথাপিছু আয় প্রতিবেশী দেশগুলোর চেয়ে বেড়েছে।

দেশের উন্নয়নে অবদান রাখায় প্রবাসীদের অভিনন্দন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের যোদ্ধা, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় থেকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ অনেক সমৃদ্ধ হয়েছে।

বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোর মাধ্যমে সেবার মান বাড়াতে গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিশনগুলোতে সেবা দেওয়ার জন্য ‘দূতাবাস’ এবং ‘মাই গভর্নমেন্ট’ নামে দুটি মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে। ‘দূতাবাস’ প্যাকেজের মাধ্যমে ৩৪টি সেবা এবং ‘মাই গভর্নমেন্ট’ প্যাকেজের মাধ্যমে ৬৮টি সেবা দেওয়া যাবে এবং পর্যায়ক্রমে সব মিশনে এই সেবা চালু হবে।

সুইডেন আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবিরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ আলী খানের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সুইডেনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম, সুইডেনপ্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা, সুইডেন আওয়ামী লীগের নেতারা ও বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা।


আরও খবর



চুরির টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে খুন হন রিয়াজ

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

গাজীপুরে একটি খামারের গরুর দুধ চুরির টাকার ভাগ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এক কর্মচারীকে হত্যা করেছেন ওই ফার্মের অপর কর্মচারীরা। হত্যার পর ঘটনাটি পানিতে ডুবে মৃত্যু বলে প্রচার করেন অভিযুক্তরা। পরে ময়নাতদন্তে নিহতের মাথায় আঘাতের চিহ্নের বিষয়টি উঠে আসায় হত্যা মামলা করেন বাবা। দীর্ঘ তদন্তে এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং খুনের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে গাজীপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

নিহত ফার্ম কর্মচারীর নাম রিয়াজ উদ্দিন (৩৫)। তিনি গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানার জামালপুর হাজীপাড়া এলাকার নাজিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি জেলার ফুলদি এলাকার ছাইফ অ্যাগ্রোফার্মের রাখাল হিসেবে কাজ করতেন।

গ্রেফতাররা হলেন- নরসিংদী সদরের দক্ষিণ পুরানপাড়া এলাকার মো. ফাউজ উদ্দিনের ছেলে মো. আজিজুল হক (২০), একই এলাকার মো. হিরু মিয়ার ছেলে ইয়াছিন (৩৯) ও নরসিংদী শিবপুরের সৈয়দনগর এলাকার মো. সফিকুল ইসলামের ছেলে মো. আবির (১৬)।

jagonews24রিয়াজ হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার আসামিরা

গাজীপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান বলেন, নিহত রিয়াজ উদ্দিনের বাড়ি গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার জামালপুরে। সে পাশের ফুলদি এলাকায় ছাইফ অ্যাগ্রোফার্মে রাখাল হিসেবে কাজ করতো। ঘটনায় জড়িত আসামি ইয়াসিন মিয়াসহ অপর আসামিদের বাড়ি নরসিংদী জেলায়। তারাও একই ফার্মে রাখাল হিসেবে কাজ করতো। আসামি ইয়াসিন মিয়া ওই ফার্মের দুধ বিক্রিসহ যাবতীয় কাজ দেখাশোনা করতে। দুধ বিক্রি থেকে প্রতিদিন কিছু টাকা আসামি ইয়াসিন চুরি করতো। রিয়াজ উদ্দিন বিষয়টি জানতে পেরে মালিকপক্ষকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দিলে অপর তিন কর্মচারী মিলে রিয়াজকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

পিবিআইয়ের এই কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার দিন ২০২০ সালের ২৮ জুন বিকেল ৪টার দিকে রিয়াজ উদ্দিনকে সুকৌশলে ফার্ম সংলগ্ন বিলের মধ্যে থেকে হাঁস আনার জন্য নিয়ে যায় আসামিরা। সে বিলে সাঁতার দিয়ে দুইশো গজের মতো যাওয়ার পর ইয়াসিন তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে রিয়াজের মাথায় ৩/৪টি আঘাত করে। এতে রিয়াজ পানিতে ডুবে যায়। তখন ইয়াসিন ফার্ম সংলগ্ন বিলের পাড়ে দাঁড়ানো তার সহযোগীদের কাছে ফিরে এসে রিয়াজ পানিতে ডুবে গেছে বলে প্রচার করে। ইয়াসিন ফার্মে ফিরে গিয়ে সিকিউরিটি গার্ডসহ অন্যদের ডেকে এনে রিয়াজকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ সুপার মাকছুদের বলেন, মূলত প্রতিদিন দুধ বিক্রি থেকে টাকা চুরির বিষয়টি জানতে পেরে ওই টাকার ভাগ চাওয়ায় রিয়াজকে খুন করে পানিতে ডুবে সে মারা গেছে বলে প্রচার করে হত্যাকারীরা।

তিনি আরও বলেন, আসামি ইয়াছিন মিয়া, মো. আজিজুল হক ও আবিরকে সোমবার রাতে তাদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মঙ্গলবার গাজীপুর আদালতে পাঠানো হলে আসামিরা নিজেদের রিয়াজ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। তারা এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে পরিকল্পনা এবং আসামিদের কার কী ভূমিকা ছিল বিস্তারিত বর্ণনা করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।


আরও খবর